শেয়ার
 
Comments
জলবায়ুর প্রতি সুবিচারের লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সৌরজোট এক আদর্শ মঞ্চ, বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী
আন্তর্জাতিক এই সৌরজোট অশোধিত তেল উত্তোলনকারি দেশগুলির সংগঠন ওপেক-এর পরিপূরক হয়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী
আমরা আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ জীবাশ্ম জ্বালানী বহির্ভূত উৎস থেকে মোট শক্তি চাহিদার ৪০ শতাংশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছি: প্রধানমন্ত্রী মোদী
ভারতে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির ক্রমবর্ধমান ব্যবহার স্পষ্টতই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। উপযুক্ত পরিকল্পনা গ্রহনের মাধ্যমে প্যারিস জলবায়ু চুক্তির উদ্দেশ্যগুলি অর্জনের লক্ষ্যে ভারত কাজ করে চলেছে: প্রধানমন্ত্রী মোদী
সৌর ও বায়ুশক্তির পাশাপাশি আমরা জৈব গ্যাস, জৈব-জ্বালানি এবং জৈব-শক্তি ক্ষেত্রেও কাজ করছে: আন্তর্জাতিক সৌরজোটের প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী মোদী

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী মঙ্গলবার (দোশরা অক্টোবর) নতুন দিল্লীর বিজ্ঞান ভবনে আর্ন্তজাতিক সৌরজোটের প্রথম অধিবেশনের সূচনা করেন। এই অধিবেশনের সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তিমন্ত্রীদের দ্বিতীয় আইওআরএ বৈঠক এবং দ্বিতীয় বিশ্ব রি-ইনভেস্ট বা পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রের বিনিয়োগকারীদের বৈঠক তথা প্রদর্শনীরও সূচনা হয়। এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব শ্রী অ্যান্টোনিও গুটারেস উপস্হিত ছিলেন।

সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত দেড়ষ-দু’শো বছরে মানবজাতি তার শক্তির চাহিদা পূরণের জন্য জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। ক্রমবর্ধমান শক্তির চাহিদা ধারাবাহিকভাবে পূরণের জন্য সৌর, বায়ু ও জলশক্তির মতো বিভিন্ন বিকল্প শক্তির ইঙ্গিত প্রকৃতির কাছ থেকেই পাওয়া যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, ভবিষ্যতে মানুষ যখন সমগ্র মানবজাতির কল্যাণের জন্য বিভিন্ন সংগঠনের কথা উল্লেখ করবে, তখন একবিংশ শতাব্দীতে স্হাপিত আন্তর্জাতিক এই সৌরজোট তালিকার শীর্ষে থাকবে। জলবায়ুর প্রতি সুবিচারের লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার ক্ষেত্রে এই জোট এক আদর্শ মঞ্চ বলেও তিনি অভিমত প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতে বিশ্বজুড়ে শক্তির চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক এই সৌরজোট অশোধিত তেল উত্তোলনকারি দেশগুলির সংগঠন ওপেক-এর পরিপূরক হয়ে উঠতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ভারতে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির ক্রমবর্ধমান ব্যবহার স্পষ্টতই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। উপযুক্ত পরিকল্পনা গ্রহনের মাধ্যমে প্যারিস জলবায়ু চুক্তির উদ্দেশ্যগুলি অর্জনের লক্ষ্যে ভারত কাজ করে চলেছে। ভারত আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ জীবাশ্ম জ্বালানী বহির্ভূত উৎস থেকে মোট শক্তি চাহিদার ৪০ শতাংশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা স্হির করেছে বলেও তিনি জানান। ভারত এখন ‘দারিদ্র থেকে শক্তি’- নতুন এই আত্মবিশ্বাসের মন্ত্রে উন্নতিসাধন করে চলেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শক্তি উৎপাদনের পাশাপাশি শক্তি সঞ্চয়ের বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূ্র্ণ। এ প্রসঙ্গে, তিনি জাতীয় শক্তি সংরক্ষণ মিশনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এই মিশনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার চাহিদা সৃষ্টি, সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে উৎপাদন, উদ্ভাবন এবং শক্তি সঞ্চয়ের ওপর অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

সৌর ও বায়ুশক্তির পাশাপাশি ভারত জৈব গ্যাস, জৈব-জ্বালানি এবং জৈব-শক্তি ক্ষেত্রেও কাজ করছে বলেও তিনি জানান। ভারতের পরিবহন ব্যবস্হাকে পরিশ্রুত জ্বালানি ভিত্তিক করে তোলার প্রয়াস চলছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জৈব বর্জ্যকে জৈব-জ্বালানিতে রূপান্তরের মাধ্যমে ভারত একটি সমস্যাকে সুযোগে পরিনত করছে।

 

 

ডোনেশন
Explore More
আমাদের ‘চলতা হ্যায়’ মানসিকতা ছেড়ে ‘বদল সাকতা হ্যায়’ চিন্তায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনপ্রিয় ভাষণ

আমাদের ‘চলতা হ্যায়’ মানসিকতা ছেড়ে ‘বদল সাকতা হ্যায়’ চিন্তায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
Relief to homebuyers! Government to contribute Rs 10,000 crore to fund stalled projects

Media Coverage

Relief to homebuyers! Government to contribute Rs 10,000 crore to fund stalled projects
...

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Union Minister of Finance & Corporate Affairs Smt. Nirmala Sitharaman's Presentation on Measures to Boost Economic Growth
September 14, 2019
শেয়ার
 
Comments