Rail connectivity is expanding in Manipur: PM
We are advancing pro-poor development initiatives in Manipur: PM
A new dawn of hope and trust is rising in Manipur: PM
We are working with the goal of making Manipur a symbol of peace, prosperity and progress: PM

ভারত মাতার জয় হোক, ভারত মাতার জয় হোক, ভারত মাতার জয় হোক! রাজ্যপাল শ্রী অজয় ভাল্লা জি, রাজ্য প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা এবং এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত মণিপুরের আমার ভাই ও বোনেরা, আপনাদের সকলকে উষ্ণ নমস্কার!

 

মণিপুরের এই ভূমি সাহস এবং দৃঢ়তার ভূমি। এই পাহাড়গুলি প্রকৃতির এক মূল্যবান উপহার, এবং একই সঙ্গে, এই পাহাড়গুলি আপনাদের সকলের নিরন্তর কঠোর পরিশ্রমের প্রতীকও। আমি মণিপুরের জনগণের চেতনাকে প্রণাম জানাই। এই ভারী বৃষ্টির মধ্যেও আপনারা এত বিপুল সংখ্যায় এখানে এসেছেন, আপনাদের ভালোবাসার জন্য আমি কৃতজ্ঞতা জানাই। ভারী বৃষ্টির ফলে আমার হেলিকপ্টার আসতে পারেনি, তাই আমি সড়কপথে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আর আজ রাস্তায় যেসব দৃশ্য দেখেছি, তাতে আমার হৃদয় বলছে যে ঈশ্বর ভালো করেছেন যে আজ আমার হেলিকপ্টারটি ওড়েনি। আমি সড়কপথে এসেছি, আর পথের দুপাশে ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে থাকা ছোট থেকে বড় সকলের ভালোবাসা ও স্নেহের পরশ পেয়েছি । জীবনের এই মুহূর্তগুলি আমি কখনো ভুলতে পারব না। মণিপুরের মানুষের ভালবাসার কাছে মাথা নত করছি।

 

বন্ধুগণ,

 

এই অঞ্চলের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য, এর বৈচিত্র্য এবং প্রাণবন্ততা ভারতের এক উল্লেখযোগ্য শক্তির প্রতিনিধিত্ব করে। এমনকি ‘মণিপুর’ নামটিতেও ‘মণি’ (রত্ন) শব্দটি আছে। এটি এমন একটি রত্ন যা আগামী দিনে সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে। ভারত সরকার সর্বদা মণিপুরকে উন্নয়নের পথে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সচেষ্ট। এই ভাবনা নিয়েই আমি আজ আপনাদের সকলের মাঝে এসেছি। কিছুক্ষণ আগে, এই মঞ্চ থেকে প্রায় সাত হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। এই প্রকল্পগুলি মণিপুরের মানুষ এবং পাহাড়ে বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়ের জীবনকে আরও উন্নত করবে। এই প্রকল্পগুলি আপনাদের সকলের জন্য নতুন স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা স্থাপন করবে। এই প্রকল্পগুলির জন্য আমি মণিপুরের সকল মানুষকে এবং চুরাচাঁদপুরের সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

 

বন্ধুগণ,

মণিপুর ভারতের সীমান্তবর্তী একটি রাজ্য। এখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা সবসময়ই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ভালো রাস্তাঘাটের অভাবে আপনারা যে সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন তা আমি পুরোপুরি বুঝতে পারি। সেই কারণেই, ২০১৪ সাল থেকে আমি মণিপুরের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য ধারাবাহিকভাবে কাজ করার উপর জোর দিয়েছি। ভারত সরকার এই কাজের জন্য দুটি স্তরে প্রচেষ্টা চালিয়েছে। প্রথমত, আমরা মণিপুরে রেলপথ এবং সড়কপথের জন্য বাজেট কয়েকগুণ বাড়িয়েছি এবং দ্বিতীয়ত, আমরা কেবল শহরগুলিতে নয়, গ্রামগুলিতেও সড়ক সম্প্রসারণের উপর মনোনিবেশ করেছি।

 

বন্ধুগণ,

 

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, এখানে জাতীয় মহাসড়ক নির্মাণে ৩,৭০০ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে এবং ৮,৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে নতুন মহাসড়কের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। আপনারা ভালোভাবেই জানেন যে একসময় এখানে গ্রামে পৌঁছানো কতটা কঠিন ছিল। এখন, এই অঞ্চলের শত শত গ্রামে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে পাহাড় এবং উপজাতি গ্রামে বসবাসকারী মানুষরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হয়েছেন।

 

বন্ধুগণ,

 

আমাদের সরকারের আমলে মণিপুরে রেলপথ যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রসার ঘটেছে। জিরিবাম-ইম্ফল রেলপথ শীঘ্রই রাজধানী ইম্ফলকে জাতীয় রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত করবে। সরকার এই প্রকল্পে ২২,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে। ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নবনির্মিত ইম্ফল বিমানবন্দরটি বিমান যোগাযোগকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে। এই বিমানবন্দর থেকে দেশের অন্যান্য অংশে হেলিকপ্টার পরিষেবাও শুরু হয়েছে। এই ক্রমবর্ধমান সংযোগ মণিপুরের সকল মানুষের জন্য সুবিধা বৃদ্ধি করছে এবং এখানকার যুবকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে।

 

বন্ধুগণ,

 

আজ ভারত দ্রুতগতিতে উন্নয়ন করছে। খুব শীঘ্রই, আমরা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হতে প্রস্তুত। আমাদের নিরন্তর প্রচেষ্টা হল উন্নয়নের সুফল দেশের প্রতিটি কোণে পৌঁছানো। একটা সময় ছিল যখন দিল্লিতে করা ঘোষণাগুলি এখানে বাস্তবায়ন করতে কয়েক দশক সময় লাগত। আজ, আমাদের চুরাচাঁদপুর, আমাদের মণিপুর, দেশের বাকি অংশের সঙ্গে পায়ে পা মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে। উদাহরণস্বরূপ, আমরা সারা দেশে দরিদ্রদের জন্য স্থায়ী গৃহ নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্প চালু করেছি। মণিপুরের হাজার হাজার পরিবার এই উদ্যোগ থেকে উপকৃত হয়েছে এবং এখানে প্রায় ষাট হাজার গৃহ নির্মিত হয়েছে। একইভাবে, এই অঞ্চলটি আগে বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে অসংখ্য চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিল। আমাদের সরকারও আপনাকে এই সমস্যাগুলি থেকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং ফলস্বরূপ, মণিপুরের এক লক্ষেরও বেশি পরিবার বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়েছে।

 

আমাদের মা ও বোনেরা জল পেতে অনেক সমস্যার মুখোমুখি হতেন। তাই, এই সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা ‘হর ঘর নল সে জল’ (প্রতিটি বাড়িতে নলের মাধ্যমে জল) প্রকল্প চালু করেছি। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, সারা দেশে ১৫ কোটিরও বেশি নাগরিক নলের জলের সুবিধা পেয়েছেন। মণিপুরে, এই ৭-৮ বছর আগেও মাত্র ২৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ পরিবারে নলের মাধ্যমে জল সরবরাহের সংযোগ ছিল। আজ, এখানকার ৩,৫০,০০০ এরও বেশি পরিবারে নলের মাধ্যমে জলের সুবিধা রয়েছে। আমি নিশ্চিত যে মণিপুরের প্রতিটি পরিবার খুব শীঘ্রই তাঁদের বাড়িতে নলের মাধ্যমে জল পাবে।

 

বন্ধুগণ,

 

আগেকার দিনে পাহাড়ি ও আদিবাসী অঞ্চলে ভালো স্কুল, কলেজ এবং হাসপাতাল পাওয়া ছিল স্বপ্নের মতো ব্যাপার। কেউ বেশি অসুস্থ হলে, রোগী হাসপাতালে পৌঁছানোর সময় প্রায়ই অনেক দেরি হয়ে যেত। আজ, ভারত সরকারের প্রচেষ্টার ফলে পরিস্থিতি বদলে যাচ্ছে। চুরাচাঁদপুরের মেডিকেল কলেজ এখন প্রস্তুত, নতুন ডাক্তার তৈরি করছে এবং স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করছে। একবার ভাবুন, স্বাধীনতার পর বহু দশক ধরে মণিপুরের পাহাড়ি অঞ্চলে কোনও মেডিকেল কলেজ ছিল না; এই সাফল্য আমাদের সরকারই অর্জন করেছে। প্রধানমন্ত্রীর দিব্য প্রকল্পের আওতায়, আমাদের সরকার পাঁচটি পাহাড়ি জেলায় আধুনিক স্বাস্থ্য পরিষেবা গড়ে তুলছে। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের মাধ্যমে, সরকার দরিদ্রদের জন্য ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করে। মণিপুরের প্রায় আড়াই লক্ষ রোগী এই প্রকল্পের আওতায় বিনামূল্যে চিকিৎসা পেয়েছেন। এই সুবিধা না থাকলে, আমার এখানকার দরিদ্র ভাইবোনদের চিকিৎসার জন্য নিজেদের পকেট থেকে ৩৫০ কোটি টাকারও বেশি খরচ করতে হত। কিন্তু পুরো খরচ ভারত সরকার বহন করেছে, কারণ প্রত্যেক দরিদ্র ব্যক্তির উদ্বেগ দূর করা আমাদের অগ্রাধিকার।

 

বন্ধুগণ,

 

মণিপুরের ভূমি ও অঞ্চল আশা ও প্রতিশ্রুতির ভূমি। দুর্ভাগ্যবশত, এই মহান এলাকাটি হিংসার কবলে পড়েছিল। কিছুক্ষণ আগে, আমি শিবিরে বসবাসকারী ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে দেখা করেছি। তাঁদের সঙ্গে কথা বলার পর, আমি বলতে পারি যে আশা ও আত্মবিশ্বাসের এক নতুন ভোরের আলোর জন্য অপেক্ষা করছে মণিপুর।

 

বন্ধুগণ,

 

যেকোনো জায়গায় উন্নয়নের জন্য শান্তি প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য। গত এগারো বছরে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অনেক দীর্ঘস্থায়ী বিরোধ ও সংঘাতের সমাধান হয়েছে। মানুষ শান্তির পথ বেছে নিয়েছে এবং উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। আমি আনন্দিত যে সম্প্রতি পাহাড় ও উপত্যকার বিভিন্ন গোষ্ঠীর সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য সংলাপ শুরু হয়েছে। এই প্রচেষ্টাগুলি সংলাপ, শ্রদ্ধা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ভারত সরকারের প্রতিশ্রুতির অংশ। আমি সমস্ত সংগঠনকে শান্তির পথে এগিয়ে যেতে, তাঁদের স্বপ্ন পূরণ করতে এবং তাঁদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার আহ্বান জানাচ্ছি। আজ, আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি যে আমি আপনাদের সঙ্গে রয়েছি, কেন্দ্রীয় সরকার আপনাদের সঙ্গে আছে এবং মণিপুরের জনগণের সঙ্গে আছে।

 

বন্ধুগণ,

 

মণিপুরে স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার জন্য ভারত সরকার যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। আমাদের সরকার বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলির জন্য সাত হাজার নতুন বাড়ি নির্মাণে সহায়তা প্রদান করছে। সম্প্রতি প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ প্যাকেজও অনুমোদিত হয়েছে। এছাড়াও, বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের সাহায্য করার জন্য ৫০০ কোটি টাকার একটি বিশেষ বরাদ্দ করা হয়েছে।

 

বন্ধুগণ,

আমি মণিপুরের আদিবাসী যুবকদের স্বপ্ন এবং সংগ্রাম সম্পর্কে ভালভাবে অবগত। আপনাদের উদ্বেগের সমাধানের জন্য, বিভিন্ন সমাধানের জন্য কাজ করা হচ্ছে। সরকার স্থানীয় প্রশাসন সংস্থাগুলিকে শক্তিশালী করতে এবং তাঁদের উন্নয়নের জন্য যথাযথ তহবিল বরাদ্দ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

 

বন্ধুগণ,

 

আজ দেশের জন্য প্রত্যেক আদিবাসী সম্প্রদায়ের উন্নয়ন একটি অগ্রাধিকার। প্রথমবারের মতো, উপজাতি এলাকায় উন্নয়নের জন্য 'ধর্তি আবা জনজাতিয় গ্রাম উৎকর্ষ অভিযান' চলছে। এই উদ্যোগের আওতায়, মণিপুরের ৫০০ টিরও বেশি গ্রামে উন্নয়নমূলক কাজ করা হচ্ছে। উপজাতি এলাকায় একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয়ের সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হচ্ছে। মণিপুরেও, ১৮টি এই জাতীয় একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয় নির্মিত হচ্ছে। স্কুল ও কলেজের আধুনিকীকরণ এখানকার পার্বত্য জেলাগুলিতে শিক্ষাগত সুযোগ-সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করার জন্য নির্ধারিত হয়েছে।

 

বন্ধুগণ,

 

মণিপুরের সংস্কৃতি সর্বদা ‘নারী শক্তি’ (নারীর ক্ষমতায়ন) প্রচার করে আসছে। আমাদের সরকার নারীর ক্ষমতায়নেও সক্রিয়ভাবে নিয়োজিত। মণিপুরের কন্যাদের সহায়তার জন্য সরকার কর্মজীবী মহিলা হোস্টেলও নির্মাণ করছে।

 

বন্ধুগণ,

 

আমরা মণিপুরকে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং অগ্রগতির প্রতীক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছি। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি যে কেন্দ্রীয় সরকার, মণিপুর সরকারের সঙ্গে মিলে মণিপুরের উন্নয়নে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাস্তুচ্যুতদের যথাযথ স্থানে পুনর্বাসনে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। আবারও, উন্নয়ন প্রকল্পগুলির জন্য আপনাদের সকলকে অভিনন্দন জানাই, এবং আপনাদের দেখানো ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধার জন্য মণিপুরের জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। আসুন আমরা সকলে একসঙ্গে বলি :

 

ভারত মাতার জয়,

 

ভারত মাতার জয়,

 

ভারত মাতার জয়,

 

ভারত মাতার জয়,

 

আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। 

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India auto retail hits record August with 24.23 lakh registrations, up 17.5%

Media Coverage

India auto retail hits record August with 24.23 lakh registrations, up 17.5%
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
The Dedicated Freight Corridor is the lifeline of a rapidly developing India: PM Modi in Vadodara, Gujarat
September 08, 2026
We are strengthening India's infrastructure to move people and goods faster, create new opportunities and power economic growth: PM
The Dedicated Freight Corridor is the lifeline of a rapidly developing India: PM
From chips to ships, India is now building a new manufacturing future: PM

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

गुजरात के राज्यपाल आचार्य देवव्रत जी, यहां के लोकप्रिय मुख्यमंत्री श्री भूपेंद्र भाई पटेल, इस कार्यक्रम में ऑनलाइन हमारे साथ अनेक राज्यों के महानुभाव जुड़े हैं। महाराष्ट्र के गवर्नर जिष्णु देव वर्मा जी, मुख्यमंत्री देवेंद्र फ़डणवीस जी, डिप्टी सीएम एकनाथ शिंदे जी, डिप्टी सीएम श्रीमती सुनेत्र पवार जी, अन्य मंत्रीगण, सांसदगण, विधायकगण और वहां पर भी इकट्ठे हुए लाखों नागरिक भाई-बहन। यहां मंच पर उपस्थित केंद्रीय मंत्रिमंडल के मेरे साथी अश्विनी वैष्णव, उपमुख्यमंत्री, युवा नेता हर्ष संघवी, गुजरात सरकार के मंत्रीगण, उपस्थित अन्य जनप्रतिनिधिगण, गुजरात के मेरे प्यारे भाइयों और बहनों।

और खास इसलिए के मेरे ब़डौदा के महाराजा सयाजीराव यूनिवर्सिटी का ये मैदान अलग-अलग फील्ड में काम करने वाले सभी साथियों का साथ और विकास का ये उत्सव, यहां सबकुछ एक साथ हो रहा है।

साथियों,

आज मैं विकसित भारत की यात्रा को और गति देने के लिए आपके बीच आया हूं। थोड़ी देर पहले यहां देश के विकास से जुड़े हज़ारों करोड़ रुपए के प्रोजेक्ट्स का शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। मैं देश की जनता को बहुत-बहुत बधाई देता हूं। इस विकास पर्व पर आप सभी ने जिस सेवा भाव से और सेवा भाव के साथ पूरे वडोदरा शहर में स्वच्छता से स्वागत अभियान चलाया है, इसके लिए मैं वड़ोदरा के हर एक नागरिक को ह्दय से बहुत-बहुत बधाई देता हूं, उनकी सराहना करता हूं। और ये जो आपने रंग दिखाया ना, मैं कल एक वीडियो देख रहा था, सीना चौड़ा हो गया, वाह! क्या ये मेरा वडोदरा है? और अब तो गणेशोत्सव की तैयारी, बाद में नवरात्रि। और गणेशोत्सव और नवरात्रि पूरा गुजरात का ध्यान वडोदरा पर होता है। और आज आपने, मैं देख रहा था पिछले एक सप्ताह से हर परिवार में वातावरण बन गया है स्वच्छता का। मुझे लगता है कि इस बार जब गणेश जी पधारेंगे ना, सारे आशीर्वाद वड़ोदरा पर बरसने वाले हैं।

साथियों,

इस वर्ष लाल किले से मैंने विकसित भारत के लिए संकल्प की सप्तधारा का आह्वान किया है। इस सप्तधारा में एक धारा गतिशक्ति की भी है। विकसित भारत के लिए हमें ऐसी कनेक्टिविटी चाहिए, जो सुगम भी हो और जमाने के हिसाब से जरा तेज भी हो। वड़ोदरा तो गतिशक्ति यूनिवर्सिटी का शहर है। आज यहां से डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर की आखिरी कड़ियां भी जुड़ गई हैं। आज 2800 किलोमीटर से अधिक का डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर प्रोजेक्ट पूरा हो गया। ये 21वीं सदी के भारत के लिए बहुत ऐतिहासिक कार्य संपन्न हुआ है।

साथियों,

ये डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर, इस बात का साक्षी है कि बीते 12 साल में देश की काम करने की संस्कृति कैसे बदली है। इस डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर पर 2004 में विचार शुरू हुआ था। यानी, यहां मैं सारे नौजवान देख रहा हूं, जब इसका विचार शुरू हुआ, आप में से बहुत लोग होंगे जिनका जन्म भी नहीं हुआ होगा, उस समय शुरू हुआ था। 2006 में एक विशेष कंपनी बनाई गई इस काम को करने के लिए और फिर 2014 तक फाइलें ही यहां से वहां होती रहीं। फाइलें टेबल पर यात्रा कर रही थी और दुर्भाग्य देखिए, इन फाइलों को भी कोई डेडिकेटेड कॉरिडोर नसीब नहीं हुआ, फाइल को भी नहीं नसीब हुआ। फाइलें अटकती थीं, लटकती थीं, भटकती थीं। और 2014 में वड़ोदरा के और गुजरात के और देश के लोगों ने मुझे गुजरात से निकाल करके दिल्ली भेज दिया। पहले वाली सरकार 2000 तक रही। आपने मुझे भेजा और उनकी विदाई हुई, और सच्चाई ये थी कि सात-आठ वर्ष में, जरा मेरे नौजवान सुन लीजिए, ये याद रखिए, सात-आठ वर्ष में एक किलोमीटर फ्रेट कॉरिडोर पर भी काम पूरा नहीं हो पाया था। अगर उनके हिसाब से देश चलाते, तो पता नहीं आपके बाद तीन-चार पीढ़ियां आती, तो भी नहीं होता। भारत के लॉजिस्टिक्स इकोसिस्टम को ट्रांसफॉर्म करने वाले प्रोजेक्ट की ये हालत करके रखी थी।

साथियों,

2014 के बाद आपने जो मुझे शिक्षा-दीक्षा दी थी, इस धरती ने मुझे जो सिखाया था, आपके पास से जो लेसन लेके मैं दिल्ली पहुंचा था, हमने वहां पहुंचते ही इसको गति देने का काम प्रारंभ कर दिया। 2800 किलोमीटर के कॉरिडोर का काम आज पूरा करके दिखाया। और आज ईस्टर्न और वेस्टर्न डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर, देश के व्यापार-कारोबार का मुख्य आधार बन रहा है।

साथियों,

डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर, तेजी से विकसित होते भारत की जीवन रेखा है। इसने भारत के ट्रांसपोर्टेशन सेक्टर का कायाकल्प कर दिया है। पहले पैसेंजर ट्रेन जिस ट्रैक पर चलती थी, उसी ट्रैक पर मालगाड़ी भी चलती थी। यानि ट्रैवल और ट्रांसपोर्ट, दोनों धीमा था। लेकिन, डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर ने इस स्थिति को बदल दिया है। आज पूर्वी और पश्चिमी फ्रेट कॉरिडोर्स पर हर रोज़ 430 से ज्यादा मालगाड़ियां चलती हैं, प्रतिदिन 430 मालगाड़ी। और पहले जो मालगाड़ी, साढ़े 6 घंटे में 100 किलोमीटर का सफऱ तय करती थी और अब वही मालगाड़ी आधे से भी कम समय में 100 किलोमीटर का सफर तय कर लेगी। जिस जगह पर ट्रक से सामान भेजने में सामान्य तौर पर 30 घंटे लगते हैं, डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर पर यही दूरी 10-12 घंटे में पूरी हो जाती है। यानि, इस कॉरिडोर पर मालगाड़ी के चलने से ट्रक और ट्रेन में लगने वाला फ्यूल बचता है, किराया-भाड़ा का खर्च कम हुआ है, समय बचा है, पर्यावरण को फायदा हुआ है। यानि, इन्वेस्टमेंट एक ट्रैक पर किया और फायदे अनेक सारे हुए हैं।

साथियों,

इस फ्रेट कॉरिडोर से पूर्वी और पश्चिमी भारत के किसानों की उपज अब तेज़ी से बड़े बाज़ार तक पहुंच पा रही है। कई तरह के फूल, कई तरह की सब्जियां, कई तरह के फल, यानि जो चीजें मौसम के हिसाब से जल्दी खराब होती हैं, उनके लिए भी सही समय पर मंडियों और लोगों के बीच पहुंचने का रास्ता बना है। इससे किसान का बहुत बड़ा फायदा हुआ है।

साथियों,

ये फ्रेट कॉरिडोर एक और वजह से कमाल का है। हाल ही में JNPT मुंबई, JNPT पोर्ट से वड़ोदरा तक Double स्टैक Container मालगाड़ी का संचालन किया गया है। यानि डिब्बे के ऊपर एक और डिब्बा लगाकर मालगाड़ी को चलाया गया। इस मालगाड़ी के चलने से एक बार में ही 250 से अधिक ट्रकों के बराबर का सामान मुंबई से वड़ोदरा चला आया, 250 ट्रक। अब ये जो नाराज फूफा जी है, वो चिल्लाएंगे कि ट्रक वालों का क्या होगा? ट्रक कहां जाएंगे? जिन्होंने ट्रक खरीदा है, उनका क्या होगा? अब फूफा जी को काम मिल गया। यानि अब बड़ी मात्रा में सामान तेजी से देश के एक कोने से दूसरे कोने तक पहुंच पाएगा।

साथियों,

फ्रेट कॉरिडोर के साथ-साथ अब भारत में रेल वहां भी पहुंच रही है, जहां इतने दशकों तक नहीं पहुंची थी। गुजरात हो, मध्य प्रदेश हो, महाराष्ट्र हो, यहां जो आदिवासी क्षेत्र हैं, वो भी इस प्रोजेक्ट के द्वारा रेल से जुड़ रहे हैं। पहले की सरकार में बजट में एक-दो ट्रेनों की घोषणा होती थी और उसके भी साल भर ढोल पीटे जाते थे। जबकि आज देश में साल भर एक के बाद एक नई ट्रेनें चलाई जा रही हैं। आज भी इस कार्यक्रम में कई नई ट्रेन शुरु हुई हैं। नई ट्रेन से वड़ोदरा, छोटा उदयपुर और अलीराजपुर के लोगों को बहुत सुविधा होगी।

साथियों,

रोड, रेल, मेट्रो, एयरपोर्ट, गैस पाइपलाइन, गरीबों का घर, जब देश में करोड़ों लोगों के लिए ये चीजें बनती हैं, तो इससे लोगों का जीवन आसान होता है और साथ ही छोटे से बड़े कामगार को रोजगार के लाखों-लाख अवसर मिलते हैं। आप रेलवे का ही देखिए, इस वर्ष का रेल बजट पौने तीन लाख करोड़ रुपए से अधिक रहा है। जो 12 वर्ष पहले की तुलना में कई गुणा अधिक है। यानि रेलवे के आधुनिकीकरण पर हो रहा खर्च, हज़ारों हज़ार नए रोजगार बना रहा है। और ये रोजगार कंस्ट्रक्शन के दौरान तो बनता ही है। एक बार रोड, रेल, पाइपलाइन, पोर्ट, एयरपोर्ट बन गया, तो फिर उसके आसपास नए उद्योग लगना शुरू हो जाते हैं, नए बिजनेस आते हैं, ये फिर नए रोजगार बनाते हैं। वहां कुछ लोग, वो बेटी चित्र लेकर कब से खड़ी है, वो सज्जन भी कुछ कला लेकर के आए हैं। जरा हमारे साथी उसको कलेक्ट कर लें। ये आगे पहुंचा दीजिए, हां। एक और भी है कोई, हां, ले लीजिए। आपका बहुत-बहुत धन्यवाद।

साथियों,

मैंने देश के सामने विकसित भारत की जिन सप्तधाराओं का विजन रखा है, उनमें एक धारा मैन्युफैक्चरिंग की भी है। और वड़ोदरा शहर, इसकी ताकत अच्छे से जानता भी है, समझता भी है। एजुकेशन, स्किल और इंडस्ट्री का कोलैब कैसे होता है, ये वड़ोदरा करीब डेढ़ सौ साल से इसका प्रतिबिंब है। दशकों पहले, यहां टेक्स्टाइल और टाइल्स के निर्माण से एक यात्रा शुरु हुई थी, जो बाद में ऑयल और पेट्रोकेमिकल्स के साथ आगे बढ़ी। पिछले दो-ढाई दशक में वड़ोदरा MSMEs का एक बड़ा हब बन गया है। और मुझे याद है, जब मैं नया-नया मुख्यमंत्री बना था, तो वड़ोदरा का मेरे पर स्पेशल अधिकार रहा है हमेशा, तो हर हफ्ते कोई ना कोई डेलीगेशन आता था। बस हमारे वड़ोदरा में कुछ मैन्युफैक्चरिंग का हो, मैन्युफैक्चरिंग का हो, क्योंकि यहां पर आते थे, तो या तो ज्योति या एलएमबी या तो जीएसएफसी, यही सब दिखता था और कुछ सुनता नहीं देता। आज कहां से कहां बदल गया है। अब तो ये शहर देश के पहले मेड इन इंडिया मिलिट्री ट्रांसपोर्ट एयरक्राफ्ट के लिए भी जाना जा रहा है। C-295 एयरक्राफ्ट की पहली फ्लाइट यहां आसमान देख चुकी है। मैं वड़ोदरा के लोगों को ये गौरव पाने के लिए बहुत-बहुत बधाई देता हूं।

साथियों,

जब देश की मैन्युफैक्चरिंग की बात हो रही है, तो मैं एक और आंकड़ा बताना चाहता हूं। बीते एक दशक में भारत रेल कोच-मेट्रो कोच बनाने का, रेल इंजन बनाने का भी एक बड़ा निर्माता बना है। 2014 के बाद से अब तक, भारत ने करीब 50 हज़ार, ये आंकड़ा सुनिए, 2014 के बाद भारत ने अब तक 50 हज़ार आधुनिक रेलवे कोच बनाए हैं। पुरानी सरकार 10 साल में 50 हजार टॉयलेट नहीं बना सकती थी। 50 हजार आधुनिक कोच तो किए ही हैं, करीब ढाई लाख वेगन, मालगाड़ी के लिए जो वेगन होते हैं, भारतीय रेल में जोड़े गए हैं, ढाई लाख।

साथियों,

अब भारत चिप से लेकर शिप तक, निर्माण की एक नई गाथा लिख रहा है। यानि पुर्जे भी हमारे और प्रोडक्ट भी हमारा, आत्मनिर्भरता की एक पूरी चेन भारत में ही बनेगी। और ये हम सोलर पावर के मामले में देख रहे हैं। जैसे कडाणा डैम पर जो फ्लोटिंग सोलर प्लांट का प्रोजेक्ट है, कुछ साल पहले तक देश में सोलर प्रोजेक्ट्स लगाने बहुत महंगे पड़ते थे। क्योंकि पीवी मॉड्यूल से लेकर, हर प्रकार का हार्डवेयर इंपोर्ट करना पड़ता था। लेकिन बीते वर्षों में हमने भारत में ही पीवी मॉड्यूल बनाने शुरु किए। और आज हम इसमें 200 गीगावॉट से ज्यादा की कैपेसिटी विकसित कर चुके हैं। और ऐसी ही आत्मनिर्भरता के कारण आज पीएम सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना का विस्तार हो रहा है। अब तक देश में 55 लाख परिवार अपने छत पर, टेरेस पर सोलर प्लांट लगा चुके हैं। और इसमें 11 लाख परिवार हमारे गुजरात के हैं। यहां इतने सारे परिवार, बिजली उत्पादक बन चुके हैं और इसके कारण, प्रोडक्शन से लेकर इंस्टॉलेशन और सर्विस तक, कितने ही युवाओं को रोजगार मिला है, कितने नए वेंडर्स आए हैं।

साथियों,

‘झूठ की गूंज’ से भरमाने वाले तो हर चौराहे पर मिल जाएंगे, लेकिन भारत का नौजवान सच की हुंकार से चलता है, सच की हुंकार के साथ चलता है, सच की हुंकार के लिए चलता है। हमारे युवा साथी ये देख रहे हैं कि आज देश में सोलर हो, विंड हो, हाइड्रो हो, न्यूक्लियर हो, सारे सेक्टर्स पर सरकार कितना फोकस से काम कर रही है।

साथियों,

आने वाले दौर में हर आधुनिक सेक्टर बिजली से ही चलेगा, इलेक्ट्रिक इकोसिस्टम पर निर्भर होगा। जैसे चिप इंडस्ट्री है, डेटा सेंटर और AI से जुड़ी इंडस्ट्री है, इनका खाद पानी बिजली ही है। इसलिए अगर हमें AI में दुनिया के सामने सुपर पावर बनना है, तो देश को उसकी तैयारी, उसका इकोसिस्टम भी बनाना होगा। यही काम भारत ग्राउंड पर कर रहा है। तभी किसी देश से यूरेनियम के लिए समझौते हो रहे हैं, किसी से क्रिटिकल मिनरल्स और रेयर अर्थ मिनरल्स को लेकर समझौते किए जा रहे हैं। ये सारी मेहनत देश के युवाओं का फ्यूचर सुरक्षित करने के लिए दिन-रात मेहनत करके की जा रही है, आपके भविष्य के लिए किया जा रहा है।

साथियों,

दुनिया तेज़ी से बदल रही है, तो दुनिया की ज़रूरतें भी बदल रही हैं और इसी प्रकार हमारी पढ़ाई-लिखाई के तौर-तरीके भी बदल रहे हैं। पहले फोकस सिर्फ डिग्री पर होता था, लेकिन अब डिग्री के साथ-साथ स्किल पर भी फोकस है, स्किल का महत्मय बढ़ रहा है। नौजवानों के पास स्किल हो और वो स्किल समय-समय पर अपग्रेड हो, एक बड़ी जरूरत बन गई है। और इसीलिए, आज हम अपनी शिक्षा नीति को, शिक्षण और ट्रेनिंग के संस्थानों को नए रूप में ढाल रहे हैं। और इसी भाव के साथ ही मैंने लाल किले से भी युवाशक्ति के लिए दो बड़ी घोषणाएं की हैं। पहली घोषणा, देश की पारंपरिक ज़रूरत से जुड़ी है। आप सब जानते हैं कि हमारे यहां लाखों नौजवान ऐसे हैं, जो प्रतियोगी परीक्षाओं की तैयारी करते हैं। हर साल, हमारे मिडिल क्लास परिवारों की कमाई का एक बड़ा हिस्सा इन बच्चों की कोचिंग पर खर्च हो जाता है। हमारी कोशिश है कि गरीब और मिडिल क्लास के ऐसे बच्चों की, परिवारों के पैसे की बचत हो। और इसीलिए अब सरकार स्टूडेंट्स को ऑनलाइन फ्री-कोचिंग व्यवस्था देने की दिशा में आगे बढ़ रही है। और हिंदुस्तान के बेस्ट टीचर के द्वारा उनके कोचिंग हो। हमारे जो नौजवान, अपनी तैयारी कर रहे हैं, उनकी कोचिंग का ध्यान सरकार खुद रखेगी।

साथियों,

भारत के नौजवानों को AI में पारंगत होना उतना ही जरूरी है। हम चाहते हैं कि हमारे नौजवानों की पीढ़ी AI के लिए तैयार हो। ऐसा नहीं है, AI सीखने वालों की जरूरत सिर्फ आईटी सेक्टर में है, अगर कोई इस स्किल को जानता है, तो वो खेती के लिए नया AI solution बना सकता है। आरोग्य के क्षेत्र में technology विकसित कर सकता है। Manufacturing की productivity बढ़ा सकता है। Robotics में अपना startup शुरू कर सकता है। इसलिए जरूरी है कि हमारे पास देश और दुनिया की इंडस्ट्री के लिए AI को समझने वाले और AI का इस्तेमाल करने वाले युवा हों। सरकार इसके लिए एक बड़ा अभियान शुरू करने जा रही है।

साथियों,

भारत का ये कालखंड अभूतपूर्व है। ये भारत की युवाशक्ति का उत्कर्ष काल है, ये समय फिर भारत के जीवन में लौटकर नहीं आएगा। और इसलिए, हमें 2047 में विकसित भारत के लक्ष्य को सर्वोपरि रखना है। हमें भारत को विकसित बनाकर ही रहना है। इसी आह्वान के साथ, एक बार फिर आप सभी को विकास कार्यों की बहुत शुभकामनाएं।

अब मेरा एक काम करना पड़ेगा वडोदरा वालों को, करेंगे? पक्के तौर पर? आप सबने वड़ोदरा को इतना स्वच्छ बना दिया, कितनी मेहनत करनी पड़ी। मैं देख रहा था, हमारे नौजवान दिन-रात सफाई में लगे हुए थे। लेकिन एक बार हम तय करें कि अब हम वडोदरा को गंदा होने ही नहीं देंगे। मैं खुद गंदगी नहीं करूँगा, ये संकल्प लें, तो वडोदरा गंदा होगा? वडोदरा गंदा होगा? तो दिवाली ऐसी चकाचक जाएगी या नहीं, नवरात्रि शानदार जाएगी या नहीं, गणेशोत्सव में चार चाँद लगेंगे या नहीं, तो इतना काम तो हो जाएगा।

शाबाश।

धन्यवाद।

भारत माता की जय!

भारत माता की जय!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!