A very special day for Rajasthan, development initiatives across aviation, energy and connectivity will strengthen infrastructure, accelerate growth and improve ease of living: PM
Regardless of how massive and unforeseen a challenge may be, New India neither backs away from its resolves nor slows its momentum: PM
Today itself, the new airport terminal was inaugurated in Jodhpur; this will provide a new impetus to tourism, trade, and employment in the Marwar region: PM
The resolve and efforts of the 21st century's New India have triumphed over the greatest energy crisis of the 21st century: PM
India made the right decisions at every level, accurately assessed the crisis in a timely manner, formulated an effective strategy, and utilized India's resources in a balanced way; It positively leveraged India's diplomatic power, and that is how India managed to emerge from the crisis: PM
India made the right decisions at every level and managed to emerge from the energy crisis: PM
Today, I thank and express my gratitude to our 1.4 billion citizens for the resolute way they stood by the country during these difficult times: PM
It is on the strength of the trust of our 1.4 billion citizens that the nation has been able to move forward: PM
Now, the governments of Rajasthan and Haryana will collaborate to deliver water to Shekhawati, benefiting the people of the entire adjoining Shekhawati region: PM

ভারতমাতার জয়।

 

ভারতমাতার জয়।

 

রাজস্থানের রাজ্যপাল হরিভাউ বাগদে জি, রাজস্থানের জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী ভজনলাল শর্মা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী, উপ-মুখ্যমন্ত্রী দিয়া কুমারী জি, প্রেমচাঁদ বৈরওয়া জি, রাজস্থান সরকারের সকল মন্ত্রী, সহকর্মী সাংসদ ও বিধায়কগণ এবং আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা।

 

আমাকে জানানো হয়েছে যে, আজ রাজস্থানের ১০-১২ হাজার জায়গায় এই অনুষ্ঠানের জন্য লক্ষ লক্ষ মানুষ সমবেত হয়েছেন। আর আমি শুধু পর্দায় দেখছিলাম; যেদিকেই তাকাচ্ছিলাম, সবখানে মানুষ। আমি রাজস্থানের সেই সকল ভাই ও বোনদেরও স্যালুট জানাই, যারা প্রযুক্তির মাধ্যমে রাজস্থানের প্রতিটি কোণে সংযুক্ত রয়েছেন।

 

বন্ধুগণ,

 

এই গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে বিভিন্ন স্থানে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম, যাঁরা আমাদের সকলকে আশীর্বাদ করছেন, তা বিজেপি সরকারের প্রচেষ্টার প্রতি আপনাদের বিশ্বাস কতটা দৃঢ়, তা-ই প্রমাণ করে। এই সমর্থন ও ভালোবাসার জন্য আমি রাজস্থানের এই মাটির কাছে ঋণী।

 

ভাই ও বোনেরা,

 

এই ভূমি অগণিত বীরের শৌর্য প্রত্যক্ষ করেছে। এই যুদ্ধের প্রতিটি কণা আমাদের আত্মসম্মানকে অগ্রাধিকার দিতে শিখিয়েছে। ব্যক্তিগত আত্মসম্মান, কিংবা জাতির আত্মসম্মান, তখনই উন্নত হতে পারে যখন তা আত্মনির্ভরশীল হয় এবং অন্যের উপর ন্যূনতম নির্ভরশীল থাকে। আজ, রাজস্থানের এই ভূমি থেকে ভারত উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীলতার দিকে একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। আজ, এই শোধনাগারটি জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হয়েছে। এই শোধনাগারটি এখানকার হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান করবে। আমি বিশেষ করে রাজস্থানের যুবকদের এই শোধনাগারের জন্য অভিনন্দন জানাই।

 

বন্ধুগণ,

 

আজকের দিনটি এই সত্যের প্রমাণ যে বিজেপি সরকার শুধু প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে না; তারা তা সম্পন্ন করার জন্য দিনরাত কাজ করে। দুই মাস আগে এখানে যে দুর্ঘটনা ঘটেছিল, তার এত দ্রুত পরে কাজটি সম্পন্ন করাও কঠোর পরিশ্রমের চূড়ান্ত নিদর্শন। আপনারা সবাই দেখিয়েছেন যে চ্যালেঞ্জ যতই বড় বা অপ্রত্যাশিত হোক না কেন, নতুন ভারত তার সংকল্প থেকে পিছু হটে না বা তার গতিও কমায় না।

 

ভাই ও বোনেরা,

 

আজ রাজস্থানে উন্নয়নের আরও অনেক মাইলফলক স্থাপিত হচ্ছে। আজই যোধপুরে নতুন বিমানবন্দর টার্মিনালের উদ্বোধন হলো। আমি সোশ্যাল মিডিয়া দেখছিলাম এবং নতুন টার্মিনালের স্থাপত্য ও অভ্যন্তরীণ সজ্জা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছিল। রাজস্থানকে সর্বত্রই দেখা যাচ্ছে।

 

বন্ধুগণ,

 

এটি মারওয়ারে পর্যটন, বাণিজ্য এবং কর্মসংস্থানকে নতুন গতি দেবে। আমি বিশেষ করে যোধপুরের সেইসব ব্যক্তিদের অভিনন্দন জানাই যারা এই কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত। আজ যোধপুর থেকে উড়ান প্রকল্পের একটি নতুন পর্যায়ও শুরু হয়েছে। এর অধীনে ছোট শহর এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিমান সংযোগ দেওয়া হবে। এছাড়াও, জয়পুরে এখন মেট্রো সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

 

ভাই ও বোনেরা,

 

শেখাওয়াটি অঞ্চলের জল সংকটের অপেক্ষারও অবসান হতে চলেছে। এই সমস্ত প্রকল্পের জন্য আমি রাজস্থানের আমার ভাই ও বোনদের আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই।

 

বন্ধুগণ,

 

আজ রাজস্থানের প্রায় ৫৪,০০০ তরুণ-তরুণী সরকারি চাকরির জন্য নিয়োগপত্র পেয়েছেন। যাঁরা নিয়োগপত্র পেয়েছেন, সেই সকল তরুণদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি এবং তাঁদের তারুণ্য রাজস্থানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎকে আরও শক্তিশালী করবে। সকলের জন্য শুভকামনা রইল।

 

বন্ধুগণ,

 

আজ এই রাজস্থানের মাটি থেকে আমি দেশের আরেকটি শক্তি নিয়ে আলোচনা করব। আপনারাও দেখছেন যে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ সারা বিশ্বে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে এবং প্রতিটি দেশ ভুগছে। এই যুদ্ধ একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় জ্বালানি সংকটের জন্ম দিয়েছে। আজ প্রধান দেশগুলো জ্বালানি ঘাটতির সঙ্গে লড়াই করছে।

 

কিন্তু বন্ধুগণ,

 

একবিংশ শতাব্দীর নতুন ভারতের ইচ্ছাশক্তি এবং প্রচেষ্টাই একবিংশ শতাব্দীর এই সবচেয়ে বড় জ্বালানি সংকটকে কাটিয়ে উঠেছে। ভারত প্রতিটি স্তরে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সময়মতো সংকটকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করেছে, কার্যকর কৌশল তৈরি করেছে এবং ভারতের সম্পদের ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবহার করেছে। ভারতের কূটনৈতিক শক্তিকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল। এবং শুধুমাত্র তখনই ভারত এই সংকট কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছিল।

 

বন্ধুগণ,

 

যখন কিছু শক্তি জনসমক্ষে গুজব ও ভীতি ছড়াতে ব্যস্ত ছিল, তখন দিনরাত যে ব্যাপক কাজ করা হচ্ছিল, যেভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছিল, যে কঠোর পরিশ্রম, প্রচেষ্টা, ধৈর্য, নীতি ও কূটনৈতিক স্তরে নেওয়া প্রতিটি সংবেদনশীল পদক্ষেপ—ইতিহাস একদিন এ নিয়ে লিখবে—এই সবকিছুই ছিল অভূতপূর্ব। আমি আপনাদের এলপিজি-র বিষয়ে একটি উদাহরণ দিই। আমরা সবাই জানি যে আমাদের এলপিজি চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করা হতো এবং তার ৯০ শতাংশই আসত উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে, হরমুজ প্রণালী হয়ে। আর হঠাৎ করেই, যুদ্ধ পরিস্থিতি কার্যত সেই সরবরাহ বন্ধ করে দিল। আপনারা কল্পনা করতে পারেন, আমাদের দেশে কী ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটতে চলেছিল। কিন্তু রাজস্থানের এই ভূমি আমাদের শিখিয়েছে প্রতিকূলতাকেও মোকাবিলা করতে। আর সেই কারণেই, সংকট শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা আমাদের শোধনাগারগুলোর সম্ভাবনার দিকে মনোযোগ দিয়েছিলাম। শোধনাগারগুলোকে শিল্পকারখানার জন্য উৎপাদিত গ্যাসকে রান্নার গ্যাসে (এলপিজি) রূপান্তর করতে বলা হয়েছিল। সাত দিনের মধ্যে, সংকটকালীন সময়ে দেশে উৎপাদিত ৩৫,০০০ মেট্রিক টন এলপিজি থেকে উৎপাদন বেড়ে ৫৪,০০০ মেট্রিক টনে দাঁড়ায়। যে শোধনাগারগুলো আগে কখনো এলপিজি উৎপাদন করেনি, সেগুলোকেও এটি উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল।

বন্ধুগণ,

সরকার এটাও নিশ্চিত করেছিল যে রান্নার গ্যাসের চাহিদার পুরো বোঝা যেন এলপিজির ওপর না পড়ে। পিএনজি সংযোগ, অর্থাৎ পাইপযুক্ত রান্নার গ্যাস সংযোগ বাড়ানোর জন্য একটি অভিযান শুরু করা হয়েছিল। খুব অল্প সময়ের মধ্যে, ভারত ১১ লক্ষেরও বেশি পরিবারকে পিএনজি সংযোগ প্রদান করে।

ভাই ও বোনেরা,

একদিকে, আমরা সরবরাহ নিশ্চিত করেছি। অন্যদিকে, গৃহস্থালি গ্রাহকদের ওপর খুব বেশি বোঝা চাপানো হয়নি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে, একটি গৃহস্থালি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম দুই হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারত! বিশিষ্ট বাজার বিশেষজ্ঞরা এমনই অনুমান করছিলেন। তবে, আমাদের দেশে এখনও নয়শ পঞ্চাশ টাকারও কম দামে গৃহস্থালি এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে। গরিবদের জন্য, ৬৫০ টাকারও কমে উজ্জ্বলা সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে! দুদিন আগে, সরকার বাণিজ্যিক গ্যাসের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে। এতেই বোঝা যায় আমাদের সরকার কতটা সংবেদনশীলভাবে কাজ করছে।

বন্ধুগণ,

যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট ডিজেল ও পেট্রোলের সংকটও ছিল গুরুতর। আমাদের দেশে বড় তেলের কূপ নেই। এই সংকট বাড়তে থাকায় অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৭০ ডলার থেকে বেড়ে ১২০ ডলার হয়ে যায়। আমদানির পথও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বিশ্বের অনেক দেশে ডিজেল ও পেট্রোলের দাম ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছিল। অনেক দেশে কোটা ভিত্তিতে ডিজেল ও পেট্রোল পাওয়া যাচ্ছিল। তবে, ভারতে এমন পরিস্থিতি একদিনের জন্যও ঘটেনি। গুজব ছড়ানো হয়েছিল, মানুষকে ভয় দেখানো হয়েছিল, উস্কানি দেওয়া হয়েছিল এবং রাজনৈতিক খেলা শুরু হয়েছিল, কিন্তু অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যক্তিরা ব্যর্থ হয়েছিল। এমনকি প্রত্যন্ত অঞ্চলেও, ছোটখাটো বিঘ্ন ছাড়া তেল ও গ্যাস সরবরাহে বড় কোনো সমস্যা হয়নি। শুধু এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যেই ডিজেল ও পেট্রোল কোম্পানিগুলোর ৭৫,০০০ কোটি টাকারও বেশি লোকসান হয়েছিল। এর অর্থ হলো, এই লোকসান দিয়ে একটি নতুন শোধনাগার তৈরি করা সম্ভব। আর এই লোকসান পূরণের দায়িত্ব নিয়েছিল সরকারি কোষাগার। আমরা প্রতি লিটারে ১০ টাকা আবগারি শুল্কও কমিয়েছিলাম। আমরা জনগণের ওপর খুব বেশি বোঝা চাপতে দিইনি।

 

বন্ধুগণ,

এই যুদ্ধের সময়ে অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্ব অত্যন্ত উপকারী প্রমাণিত হয়েছিল। এই সংকট শুরু হওয়ার আগে ভারত মাত্র ২৫-২৬টি দেশ থেকে জ্বালানি ও শক্তি আমদানি করত। কিন্তু এই সংকটের সময় ভারতের কূটনীতি তার যোগ্যতা প্রমাণ করেছে। অন্যান্য দেশের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক এই সংকটকালে অত্যন্ত উপকারী প্রমাণিত হয়েছে। যুদ্ধ চলাকালীনই ভারত ৪০টিরও বেশি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি শুরু করে। ভারত বিশ্বকে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে জাতীয় স্বার্থ এবং নাগরিকদের স্বার্থ আমাদের কাছে সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। নাগরিকরাই ঈশ্বর - এটাই আমাদের মূলমন্ত্র।

বন্ধুগণ,

দেশ এমন একটি অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জ সহজে কাটিয়ে ওঠেনি; এটি আমাদের এক দশক ধরে কার্যকর থাকা দূরদর্শী নীতির ফল। আজ আমরা এখানে রাজস্থান রিফাইনারি উদ্বোধন করছি। ২০১৭ সালে আমরা এর জন্য একটি সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর করেছিলাম। কিন্তু ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত রাজস্থানে কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় ছিল। কংগ্রেসের অসহযোগিতার কারণে এখানকার কাজ প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ডাবল-ইঞ্জিন সরকার ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গেই কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়েছে, এবং আজ আমরা এটি উদ্বোধন করছি। আর আপনারা তো আমার কাজের ধরণ জানেন। আমরা যে কাজেরই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করি, তার উদ্বোধনও আমরাই করি। একইভাবে, ভারত তার শোধনাগার ক্ষমতা ক্রমাগত বাড়িয়ে চলেছে। গত ৫০ বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটিও নতুন শোধনাগার তৈরি হয়নি। ইউরোপের শোধনাগার ক্ষমতা ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। ইতিমধ্যে, ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম শোধনাগার দেশ হয়ে উঠেছে। এবং আমরা এখানেই থামব না। আগামী বছরগুলিতে এই ক্ষমতা আরও বাড়তে চলেছে। এই সমস্ত প্রচেষ্টার ফলেই ভারত শতাব্দীর সবচেয়ে বড় জ্বালানি সংকট কাটিয়ে উঠেছে।

বন্ধুগণ,

বিশ্বে যুদ্ধ এবং অস্থিরতা আমাদের কৃষকদের জন্যও প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। পশ্চিম এশিয়ার সংকট, উপসাগরীয় সংকট এবং তার আগে ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী একটি বড় সার সংকট তৈরি করেছিল, যা সারের জন্য একটি সমস্যা তৈরি করে। ইউক্রেন যুদ্ধের পর, এক পর্যায়ে এক বস্তা ইউরিয়ার দাম ৩,০০০ টাকারও বেশি হয়ে গিয়েছিল। তবে, আমরা আমাদের কৃষকদের মাত্র ৩০০ টাকায় ইউরিয়া সরবরাহ করা চালিয়ে গিয়েছিলাম, যেখানে বিশ্ব বাজারে এক বস্তার দাম ছিল ৩,০০০ টাকা। এবং এতে কোষাগার থেকে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা খরচ হয়েছিল এবং ভর্তুকিও দেওয়া হয়েছিল। ভারত ক্ষতিগ্রস্ত সরবরাহ শৃঙ্খলের সমাধানও খুঁজে বের করেছিল। সরকার বিকল্প পথ অন্বেষণ করেছিল। আমরা অনেক দেশে আমাদের দূতাবাসগুলিকে বিশেষ দায়িত্ব অর্পণ করেছিলাম। আমরা অন্যান্য দেশ থেকে সার ও জৈব সার ক্রয়ের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। আমদানির পাশাপাশি আমরা দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির দিকেও মনোযোগ দিয়েছিলাম। এছাড়াও, আমরা প্রাকৃতিক চাষের মতো বিকল্প পদ্ধতির প্রচার করেছি এবং মজুতদারি ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছি।

বন্ধুগণ,

একইভাবে, আমরা আমাদের শিল্প এবং এমএসএমই-গুলোরও যত্ন নিয়েছি। এমএসএমই-গুলো ক্রমবর্ধমান খরচের সম্মুখীন হচ্ছিল। তাই, আমরা জরুরি ক্রেডিট লাইন গ্যারান্টি স্কিমের এ কটি নতুন পর্যায় চালু করেছি। এই প্রকল্পের অধীনে, ব্যাংকগুলো এমএসএমই-গুলোকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত ঋণ প্রদান করে এবং সরকার এই সমস্ত ঋণের ১০০ শতাংশ গ্যারান্টি দেয়, যা ছিল মোদীর পক্ষ থেকে একটি গ্যারান্টি। এর ফলে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পগুলো ব্যাপকভাবে উপকৃত হয়। এই ধরনের অনেক সিদ্ধান্তের ফলে, আজ আমাদের ছোট ও বড় শিল্পগুলো সুরক্ষিত বোধ করছে।

 

বন্ধুগণ,

আমাদের সরকার ধারাবাহিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে কারণ আমরা ভারতের শক্তিতে বিশ্বাস করতাম। আমাদের দেশবাসীর সক্ষমতা ও প্রজ্ঞার উপর আমাদের ১০০ শতাংশ আস্থা ছিল। আর আজ, আমি ১৪০ কোটি দেশবাসীর প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এই কঠিন সময়ে যেভাবে তাঁরা দেশের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছিলেন, তার জন্য আমি তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই এবং ধন্যবাদ দিই। যেভাবে তাঁরা গুজব, ভয় ও বিভ্রান্তি ছড়ানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করেছেন এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছেন। সেই বিশ্বাসের ওপর ভরসা করেই দেশটি এগিয়ে যেতে পেরেছে। যারা ভারতের ব্যর্থতা দেখতে চেয়েছিল এবং এমনকি তার ভবিষ্যদ্বাণীও শুরু করেছিল, তারা আজ নিশ্চয়ই হতাশায় নিমজ্জিত।

বন্ধুগণ,

 আজ উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পাশাপাশি একটি বিশেষ বার্তা নিয়ে এখানে উপস্থিত হতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। মাতৃবৃক্ষের নামে একটি খেজুর গাছ লাগানোর সৌভাগ্য আমারও হয়েছিল। আমি জানি রাজস্থানে খেজুর কতটা গুরুত্বপূর্ণ। ক্রমবর্ধমান মরুভূমি রোধ করতে এটি এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাই, এই বৃক্ষরোপণ আমাদের কর্মসংস্কৃতিরও একটি উদাহরণ। আমাদের অগ্রগতির নতুন শিখরে পৌঁছাতে হবে এবং সেই সঙ্গে আমাদের পরিবেশকেও রক্ষা করতে হবে। এই ভাবনা মাথায় রেখে আমাদের সরকার শক্তির অন্যান্য উৎস নিয়েও কাজ করছে। বিশেষ করে, রাজস্থান সূর্যদেবতার আশীর্বাদধন্য। তাই, এখানে বিশ্বমানের সোলার পার্ক তৈরির কাজ চলছে। পিএম সূর্যঘর ফ্রি ইলেকট্রিসিটি স্কিমের অধীনে রাজস্থানের দেড় লক্ষেরও বেশি বাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। পিএম কুসুম যোজনার অধীনে রাজস্থানের কৃষকদের ৬৫,০০০-এরও বেশি সোলার পাম্পও সরবরাহ করা হয়েছে।

বন্ধুগণ,

সবচেয়ে কঠিন সংকল্পও অর্জন করা সম্ভব, যদি তার পেছনের উদ্দেশ্য পরিষ্কার থাকে। এটাই বিজেপি এবং কংগ্রেসের মধ্যে বড় পার্থক্য।

বন্ধুগণ,

রাজস্থানের জল-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান এর আরেকটি বড় উদাহরণ। আপনারা সবাই জানেন যে কংগ্রেস সরকার রাজস্থানের জল সংকট মোকাবেলায় কখনও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তবে, বিজেপি আঞ্চলিকতাবাদ বা বিভাজনমূলক রাজনীতিতে লিপ্ত হয় না। বিজেপি ‘দেশ সর্বাগ্রে ’ নীতিতে চলে। যখন আমরা গুজরাটে জল সরবরাহ প্রকল্পে কাজ করছিলাম এবং রাজস্থানে জল দেওয়ার বিষয়টি সামনে আসে, আমার স্পষ্ট মনে আছে যে ভারতের প্রতিটি কোণে, একটি রাজ্য দীর্ঘদিন ধরে জলের জন্য অন্য রাজ্যের সঙ্গে লড়াই করে আসছে। রাজস্থানের মানুষও ভেবেছিল যে গুজরাট নর্মদার জল দেবে কি না। কিন্তু আমরা ভাগ্যবান ছিলাম যে রাজস্থানে বিজেপি সরকার এবং গুজরাটেও বিজেপি সরকার ছিল। সেই সময় আমি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলাম এবং বোন বসুন্ধরা এখানকার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। কোনো সংঘাত, কোনো বিতর্ক, কোনো আন্দোলন, কোনো লড়াই ছাড়াই আমরা একসঙ্গে গুজরাট থেকে রাজস্থানের সঙ্গে নর্মদার জল ভাগ করে নিয়েছিলাম। আর আজ, মা নর্মদার জল রাজস্থানের অনেক গ্রামে পৌঁছাচ্ছে। ভজনলাল জি এই জল সংক্রান্ত কাজের বর্ণনা দিতে গিয়ে খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন।

 

ভাই ও বোনেরা,

এখন যেহেতু রাজস্থান ও হরিয়ানা উভয় রাজ্যেই বিজেপি সরকার রয়েছে, তাই প্রথমবারের মতো পারস্পরিক সম্মতিতে সমাধান হয়েছে। রাজস্থান ও হরিয়ানা সরকার যৌথভাবে শেখাওয়াতীতে জল পৌঁছে দেবে। সম্প্রতি দুই রাজ্যের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির অধীনে হাথিনিকুণ্ড ব্যারেজ থেকে রাজস্থানে জল আনা হবে। একটি ভূগর্ভস্থ পাইপলাইন স্থাপন করা হবে। এর ফলে সিকার, চুরু, ঝুনঝুনু এবং পার্শ্ববর্তী শেখাওয়াতী অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন। এই প্রকল্পে প্রায় ৩৪,০০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে।

বন্ধুগণ,

আগামী বছরগুলিতে উচ্চ যমুনা অববাহিকায় রেণুকা, লাখওয়ার এবং কিশৌ বাঁধের কাজ শেষ হলে রাজস্থান আরও উপকৃত হবে। গ্রামগুলিতে ট্যাপের জল পৌঁছে দেওয়ার কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়েছে। রাম জল সেতু প্রকল্পটিও এই চিন্তাভাবনারই ফল। এছাড়াও, রাজস্থানে জল সংরক্ষণে "জল সঞ্চয়, জন-ভাগিদারি" (জল সংরক্ষণ, গণ অংশগ্রহণ) একটি প্রধান ভূমিকা পালন করছে। এই অভিযানের অধীনে, জল সংরক্ষণের জন্য সারা দেশে প্রায় ২৫ লক্ষ শোষক গর্ত বা সোক পিট তৈরি করা হয়েছে। রাজস্থানেও ১.২৫ লক্ষের বেশি সোক পিট তৈরি করা হয়েছে। এগুলি জল সংরক্ষণ করছে এবং ভূগর্ভস্থ জলের স্তর উন্নত করছে। এই সমস্ত প্রচেষ্টার জন্য আমি কেন্দ্র ও রাজ্যের বিজেপি সরকার এবং শেখাওয়াতি অঞ্চলের জনগণকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই।

বন্ধুগণ,

আজ, যখনই দেশ কোনো সংকল্প করে বা কোনো লক্ষ্য নির্ধারণ করে, তার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে রাজস্থান। আজ, রাজস্থানে দ্রুতগতিতে আধুনিক পরিকাঠামো তৈরি হচ্ছে। নতুন নতুন রেকর্ড তৈরি হচ্ছে। আজ, জয়পুর মেট্রো ফেজ ২-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং যোধপুর বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালের উদ্বোধন রাজস্থানের উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করবে এবং একে একটি নতুন গতি দেবে। জয়পুরে দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শেষ হলে, মোট মেট্রো নেটওয়ার্ক ৫০ কিলোমিটার ছাড়িয়ে যাবে। পূর্ব-পশ্চিম এবং উত্তর-দক্ষিণ মেট্রো নেটওয়ার্ক সংযুক্ত হবে। এটি কেবল স্থানীয় বাসিন্দাদেরই সুবিধা দেবে না, পর্যটকদের সুবিধাও বাড়াবে।

বন্ধুগণ,

আগামী দিনে আমাদের উন্নয়নের নতুন শিখরে পৌঁছাতে হবে। আমি আত্মবিশ্বাসী যে আপনারা সবাই ডাবল-ইঞ্জিন সরকারকে আশীর্বাদ করতে থাকবেন। আমরা একসঙ্গে রাজস্থানের জন্য একটি নতুন ভবিষ্যৎ গড়ব। এই আত্মবিশ্বাস নিয়ে, রাজস্থান রিফাইনারি এবং অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজের জন্য আমি আবারও দেশবাসী এবং রাজস্থানের জনগণকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমার সঙ্গে বলুন :

ভারতমাতার জয়।

দুই মুঠি তুলে রাজস্থানের শক্তি দেখান :

ভারতমাতার জয়।

ভারতমাতার জয়।

ভারতমাতার জয়।

অনেক ধন্যবাদ।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
'Every voter had valid ID': Trump praises India polls, renews push for SAVE America Act

Media Coverage

'Every voter had valid ID': Trump praises India polls, renews push for SAVE America Act
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister shares Sanskrit Subhashitam highlighting the importance of self-respect, courage and steadfastness
August 18, 2026

The Prime Minister, Shri Narendra Modi has shared a Sanskrit Subhashitam highlighting the importance of living with self-respect, courage and dignity. He emphasised that true valour and strength lie in remaining steadfast in one’s principles and values, without compromising them under any circumstances.

The Prime Minister shared a Sanskrit Subhashitam-

“उद्यच्छेदेव न नमेदुद्यमो ह्येव पौरुषम्।
अप्यपर्वणि भज्येत न नमत्वेव कस्यचित्॥”

The Subhashitam conveys that a person should always live with self-respect, courage and dignity. True valor and strength lie in never compromising one's principles and values under any circumstances, but remaining steadfast in one's ideals with truth, patience and self-pride.

The Prime Minister wrote on X;

“उद्यच्छेदेव न नमेदुद्यमो ह्येव पौरुषम्।

अप्यपर्वणि भज्येत न नमत्वेव कस्यचित्॥”