ভদ্রমহোদয়/মহোদয়াগণ,

প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেওবাজী,

বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ,

সংবাদ মাধ্যমের সহকর্মীরা,

নমস্কার!

ভারতে প্রধানমন্ত্রী দেওবাজীকে স্বাগত জানিয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। আজ ভারতীয় নববর্ষ ও নবরাত্রির পবিত্র মুহূর্তে দেওবাজী এসে পৌঁছেছেন। তাঁকে এবং ভারত ও নেপালবাসীকে নবরাত্রির শুভেচ্ছা জানাই। 

দেওবাজী ভারতের অনেক পুরনো বন্ধু। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে এটি তাঁর পঞ্চম ভারত সফর। ভারত-নেপাল সম্পর্ক নিবিড় করার ক্ষেত্রে দেওবাজী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

বন্ধুগণ,

ভারত ও নেপালের বন্ধুত্ব আমাদের দুই দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্কের এমন এক দৃষ্টান্ত, যা বিশ্বের আর কোথাও দেখা যায় না। আমাদের সভ্যতা, আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের আদান-প্রদানের রীতি-নীতি সুপ্রাচীন কাল থেকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত। আমরা অনাদি কাল ধরে একে-অপরের আনন্দ ও দুঃখে শরিক হয়েছি। আমাদের অংশীদারিত্বের ভিত্তিই হ’ল – দু’দেশের মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং তাঁদের মধ্যে আদান-প্রদান। আর এগুলি সবই আমাদের সম্পর্ক অটুট রাখতে শক্তি যুগিয়েছে। 

নেপালের প্রেক্ষাপটে ভারতের যাবতীয় নীতি ও প্রয়াস দু’দেশের মধ্যে আত্মিক সম্পর্কে অনুপ্রাণিত। নেপালের শান্তি, অগ্রগতি ও উন্নয়নের যাত্রাপথে ভারত সর্বদাই অংশীদার হয়ে থেকেছে এবং আগামী দিনেও থাকবে। 

বন্ধুগণ,

আজ দেওবাজী ও আমার মধ্যে যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আমরা  সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে যেমন আলোচনা করেছি, তেমনই বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতিও  পর্যালোচনা করে দেখেছি। সেই সঙ্গে, ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়েও কথা বলেছি। 

বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার লক্ষ্যে সমস্ত সুযোগ-সুবিধার পূর্ণ সদ্ব্যবহার প্রসঙ্গেও আমরা সহমত হয়েছি। বিদ্যুৎ নিগম সম্পর্কে আমাদের যৌথ ঘোষিত দৃষ্টিভঙ্গী ভবিষ্যৎ সহযোগিতার রূপরেখা প্রদান করবে। পঞ্চেশ্বর প্রকল্পে দ্রুত অগ্রগতির ব্যাপারেও আমরা জোর দিয়েছি। প্রকল্পটি এই অঞ্চলের উন্নয়নে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসবে। নেপালের জলবিদ্যুৎ উন্নয়ন পরিকল্পনায় ভারতীয় সংস্থাগুলির আরও অংশগ্রহণের বিষয়েও আমরা সম্মত হয়েছি। এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে, নেপাল এখন অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ভারতে রপ্তানি করছে। নেপালের আর্থিক অগ্রগতিতে বিদ্যুৎ রপ্তানি বড় অবদান রাখবে। আমি এটা জানাতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত যে, নেপাল থেকে আরও বেশি পরিমাণ বিদ্যুৎ আমদানির জন্য একাধিক প্রস্তাব অনুমোদন করা হচ্ছে। 

নেপাল আন্তর্জাতিক সৌরজোটের সদস্য হওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এর ফলে, আমাদের অঞ্চলে সুলভে নিরন্তর পরিবেশ-বান্ধব শক্তির যোগানে অগ্রগতি ঘটবে।

বন্ধুগণ,

প্রধানমন্ত্রী দেওবাজী এবং আমি বাণিজ্য ও সীমান্তপারের যোগাযোগ সম্পর্কিত প্রয়াসগুলিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার ব্যাপারে সম্মত হয়েছি। জয়নগর – কুর্থা রেললাইন চালু এই লক্ষ্যে একটি পদক্ষেপ। দু’দেশের মানুষের মধ্যে মসৃণ ও নির্ঝঞ্ঝাট আদান-প্রদানে এই প্রকল্পগুলি বড় ভূমিকা নেবে। 

নেপালে রুপে কার্ড চালু হলে তা আমাদের আর্থিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। নেপাল পুলিশ অ্যাকাডেমি, নেপালগঞ্জে ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট এবং রামায়ণ সার্কিট গড়ে তোলার মতো কর্মসূচিগুলি দু’দেশকে আরও নিকটে নিয়ে আসবে। 

বন্ধুগণ,

ভারত ও নেপালের মধ্যে অবাধ সীমান্ত রয়েছে। কিছু অবাঞ্ছিত ক্ষেত্রে আমাদের দুই দেশের মধ্যে এই অবাধ সীমান্তের অপব্যবহার হয়েছে। আজ আমরা এ বিষয় নিয়েও কথা বলেছি। আমাদের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখার ক্ষেত্রেও আমরা জোর দিয়েছি। ভবিষ্যৎ ভারত-নেপাল সম্পর্কের ক্ষেত্রে উচ্চাকাঙ্খী লক্ষ্য স্থির করতে আজ আমাদের মধ্যে কথাবার্তা অত্যন্ত কার্যকর হবে বলেও আমার বিশ্বাস। 

দেওবাজী,

আপনি আগামীকাল কাশী সফরে যাচ্ছেন। নেপাল ও বারাণসীর মধ্যে কয়েক শতাব্দী প্রাচীন সম্পর্ক রয়েছে। কাশীর নতুন রূপ আপনাকে নিশ্চয়ই প্রভাবিত করবে বলে আমার বিশ্বাস। আরও একবার আমি ভারতে আপনাকে ও আপনার প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানাই। 

অসংখ্য ধন্যবাদ!

Explore More
ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

জনপ্রিয় ভাষণ

ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
First Train Trial On Chenab Rail Bridge Successful | Why This Is A Gamechanger For J&K

Media Coverage

First Train Trial On Chenab Rail Bridge Successful | Why This Is A Gamechanger For J&K
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Cabinet approves development of Lal Bahadur Shastri International Airport, Varanasi
June 19, 2024

The Union Cabinet chaired by Prime Minister Shri Narendra Modi today approved the proposal of Airports Authority of India (AAI) for development of Lal Bahadur Shastri International Airport, Varanasi including Construction of New Terminal Building, Apron Extension, Runway Extension, Parallel Taxi Track & Allied works.

The estimated financial outgo will be Rs. 2869.65 Crore for enhancing the passenger handling capacity of the airport to 9.9 million passengers per annum (MPPA) from the existing 3.9 MPPA. The New Terminal Building, which encompasses an area of 75,000 sqm is designed for a capacity of 6 MPPA and for handling 5000 Peak Hour Passengers (PHP). It is designed to offer a glimpse of the vast cultural heritage of the city.

The proposal includes extending the runway to dimensions 4075m x 45m and constructing a new Apron to park 20 aircraft. Varanasi airport will be developed as a green airport with the primary objective of ensuring environmental sustainability through energy optimization, waste recycling, carbon footprint reduction, solar energy utilization, and incorporation of natural daylighting, alongside other sustainable measures throughout the planning, development, and operational stages.