মাননীয় মিঃ প্রেসিডেন্ট,
উভয় দেশের প্রতিনিধিবৃন্দ,
সংবাদমাধ্যমের বন্ধুরা,
নমস্কার!

সবার আগে আমি প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর সঙ্গে ভারতে আসা প্রতিনিধিদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাই। এ বছর ভারত ও ফিলিপিন্সের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর উদযাপিত হচ্ছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে এই সফরের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক সাম্প্রতিককালের হলেও দুই দেশের সভ্যতার যোগসূত্র প্রাচীনকালের। রামায়ণের ফিলিপিন্স সংস্করণ আমাদের গভীর সাংস্কৃতিক বন্ধনের সাক্ষ্য দিচ্ছে। 

বন্ধুগণ,

আজ প্রেসিডেন্ট ও আমার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আমরা কথা বলেছি। আমি খুশি যে, আমরা আমাদের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা নিয়ে একটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনাও তৈরি করা হয়েছে। 

আমাদের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ক্রমাগত বেড়ে চলেছে এবং তা ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে। আমরা ভারত-আসিয়ান মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি পর্যালোচনার কাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। 

তথ্য ও ডিজিটাল প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, গাড়িশিল্প, পরিকাঠামো, খনিজ সহ প্রায় সমস্ত ক্ষেত্রে আমাদের কোম্পানিগুলি সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আমরা যৌথভাবে গবেষণা করছি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সহযোগিতা পরিকল্পনাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আমরা আজ এক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছি।

 

বন্ধুগণ,

আমাদের অংশীদারিত্ব ইতিমধ্যেই মজবুত হয়ে উঠেছে এবং আমরা এখন মহাকাশেও তার বিস্তার ঘটাচ্ছি। এক্ষেত্রে একটি চুক্তিও আজ স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আমাদের শক্তিশালী বন্ধন দু’দেশের মধ্যে পারস্পরিক গভীর আস্থা ও বিশ্বাসের বার্তা দিচ্ছে। 

মানবিক সাহায্য, বিপর্যয় ত্রাণ এবং অনুসন্ধান ও উদ্ধারকার্যের মতো ক্ষেত্রে আমরা ক্রমাগত একসঙ্গে কাজ করে চলেছি। আজ প্রেসিডেন্ট যখন ভারত সফর করছেন, তখন এই প্রথম তিনটি ভারতীয় জাহাজ ফিলিপিন্সের নৌ-মহড়ায় অংশ নিচ্ছে। 

পহেলগামে জঙ্গি হামলার কঠোর নিন্দা ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমাদের পাশে থাকার জন্য আমরা ফিলিপিন্স সরকার এবং প্রেসিডেন্টের প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। 

বন্ধুগণ,

ভারতীয় পর্যটকদের ভিসা থেকে মুক্তি দেওয়ার ব্যাপারে ফিলিপিন্সের সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। একইভাবে ভারতও ফিলিপিন্সের পর্যটকদের ভিসা থেকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দিল্লি ও ম্যানিলার মধ্যে এ বছরেই সরাসরি উড়ান চালুর ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হবে। 

বন্ধুগণ,

ভারতের ‘পুবে তাকাও নীতি’ এবং “মহাসাগর” ভাবনার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হল ফিলিপিন্স। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি, সুরক্ষা, সমৃদ্ধি এবং একটি নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। আগামী বছর ফিলিপিন্স আসিয়ানের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করবে। আমরা এর সাফল্যের জন্য পুরোপুরি সহায়তা দেব। 

 

মাননীয় প্রেসিডেন্ট,

ভারত ও ফিলিপিন্স পরস্পরকে বন্ধু হিসেবে বেছে নিয়েছে। এই বন্ধুত্ব পারস্পরিক পছন্দের। ভারত মহাসাগর থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত আমাদের ঐক্য অটুট। আমাদের বন্ধুত্ব শুধুমাত্র অতীতের নয়, এটি হল ভবিষ্যতের প্রতি প্রতিশ্রুতিও।

অনেক অনেক ধন্যবাদ!

প্রধানমন্ত্রী মূল ভাষণটি দিয়েছেন হিন্দিতে

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Water conservation in India: The community as custodian

Media Coverage

Water conservation in India: The community as custodian
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
সোশ্যাল মিডিয়া কর্নার 21 মার্চ 2026
March 21, 2026

Empowering Bharat Holistically: Health, Finance, Heritage & Export Growth Under the Leadership of PM Modi