আমানতকারী ও বিনিয়োগকারী- দুজনেরই আস্থা অর্জন এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কাজ করা আমাদের মূল উদ্দেশ্য : প্রধানমন্ত্রী
অস্বচ্ছ ঋণদান সংস্কৃতি থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
আর্থিক সমন্বয়ের পর দেশ এখন আর্থিক ক্ষমতায়ণের দিকে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে : প্রধানমন্ত্রী

আর্থিক ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত সকল সহকর্মীকে নমস্কার ! আপনারা ভালোই জানেন যে এ বছরের বাজেটে আর্থিক ক্ষেত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আমরা এই বাজেটে একটি পথনির্দেশ দিয়েছি। আর্থিক ক্ষেত্রের প্রতিটি বিষয়কে শক্তিশালী করতে তা সে ব্যাঙ্কিং হোক, নন-ব্যাঙ্কিং হোক অথবা বিমা। বাজেটে আপনারা এও পাবেন যে কিভাবে আমরা সরকারি ক্ষেত্রের সংস্থাগুলিকে জোরদার করব এবং বেসরকারী ক্ষেত্রের অংশগ্রহণ বাড়াবো। বাজেট পরবর্তী এই আলোচনা জরুরি কারণ সরকারি-বেসরকারী দুটি ক্ষেত্রকেই এই পদক্ষেপগুলিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আপনাদের সরকারের অগ্রাধিকার এবং দায়বদ্ধতার বিষয়ে জানা উচিত এবং আরও জরুরি সরকারেরও জানা উচিত আপনাদের পরামর্শ ও মতামত। আমি মনে করি আপনাদের দ্রুততার সঙ্গে সক্রিয় অংশগ্রহণ একবিংশ শতাব্দীতে দেশকে এগিয়ে যেতে অত্যন্ত জরুরি এবং সেইজন্য আজকের আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতির সুবিধা নেওয়ার জন্য।

বন্ধুগণ,

সরকারের দেশের আর্থিক ক্ষেত্র নিয়ে ধারণা অত্যন্ত স্পষ্ট। কোনও যদি কিন্তুর জায়গা নেই। গচ্ছিতকারী এবং লগ্নিকারী এই দুয়েরই যাতে আস্থা এবং স্বচ্ছতা থাকে তার দিকেই আমাদের অগ্রাধিকার। দেশের আর্থিক ব্যবস্থা একটি বিষয়েই চলে সেটি হল বিশ্বাস। আর আয়ের নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বাস, লগ্নি বৃদ্ধির বিষয়ে বিশ্বাস এবং দেশের উন্নয়ন বিষয়ে বিশ্বাস। পুরনো ব্যবস্থা এবং ব্যাঙ্কিং এবং নন-ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রের রীতিনীতির স্বাভাবিকভাবেই বড়সড় পরিবর্তন হচ্ছে। আমাদের জন্যও পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। আপনারা ভালো করেই জানেন দেশের আর্থিক এবং ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্র ১০-১২ বছর আগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অবাধে ঋণদানের ফলে। একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে দেশকে অস্বচ্ছ ঋণ সংস্কৃতির আওতার বাইরে আনতে। এখন এটা জরুরি এনপিএ জানাতে এমনকি একটি দিনের জন্য হলেও,কার্পেটের তলায় চাপা না দিয়ে অথবা হিসাবে কারচুপি করে পালাতে না দিয়ে।

 

 

বন্ধুগণ,

সরকার জানে ভালো করেই বাণিজ্যে ওঠানামা আছে। সরকার এও বোঝে যে প্রতিটি ব্যবসাকেই লাভজনক করে তোলা সম্ভব নয় এবং আশানুরূপ ফলও হবেনা। অনেক সময় আমরা ভেবে থাকি যে কখন আমাদের ছেলে অথবা পরিবারের যে কোন সদস্য যা চেয়েছিলাম তা কেন হয়নি। কে চায় না যে তার ছেলে সফল হোক। কিন্তু অনেক সময় তা ঘটে না। সেইজন্য সরকার এগুলি বোঝে। অন্তত আমাদের সরকার এটা ধরে নেয় না যে প্রতিটা বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তের পিছনে অসৎ উদ্দেশ্য এবং স্বার্থপরতা আছে। সেই জন্য সরকারের এটা দায়িত্ব সঠিক সিদ্ধান্তকে আঁকড়ে থাকা এবং আমরা তাই করছি এবং আমরা তাই করে যাবো। আমি আর্থিক ক্ষেত্রের সকল মানুষকে বলতে চাই যে সঠিক উদ্দেশ্য নিয়ে যা করা হবে তার সঙ্গে আমি আছি। আমার থেকে শুনুন! দেউলিয়া বিধির মতো ব্যবস্থাপনা বর্তমানে ঋণদাতা ঋণ গ্রহীতা উভয়কেই বিশ্বাস যুগিয়েছে।

বন্ধুগণ,

সাধারণ পরিবারের উপার্জনের সুরক্ষা, দরিদ্রকে দেওয়া সরকারি সুবিধার অপচয় না হওয়া, দেশের উন্নয়নের জন্য পরিকাঠামো লগ্নির প্রসার এই সবকটি বিষয়েও আমাদের অগ্রাধিকার। এই ক্ষেত্রে গত কয়েক বছরে যেসব সংস্কার করা হয়েছে তা আমাদের এই লক্ষ্যগুলির প্রতিফলন ঘটায়। তা সে বিশ্বের বৃহত্তম আর্থিক অন্তর্ভুক্তি হোক, কি বৃহত্তম ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি হোক, সরাসরি সুবিধাদানের বিশাল ব্যবস্থাই হোক অথবা ছোট ব্যাঙ্কগুলির সংযুক্তিকরণই হোক এই উদ্যোগ ভারতের আর্থিক ক্ষেত্রকে শক্তিশালী, প্রাণবন্ত এবং সক্রিয় করে তোলার জন্য। এমনকি এ বছরের বাজেটেও আপনারা দেখবেন যে আমরা এই ভাবনাটাকে এগিয়ে নিয়ে গেছি।

বন্ধুগণ,

এ বছর আমরা একটি নতুন রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্র নীতি ঘোষণা করেছি। এই নীতির মধ্যে আর্থিক ক্ষেত্রও আছে। আমাদের অর্থনীতিতে ব্যাঙ্কিং এবং বিমার জন্য এখনও অনেক সম্ভাবনা আছে। এই সম্ভাবনার প্রতি লক্ষ্য রেখে আমরা বাজেটে একাধিক পদক্ষেপও নিয়েছি। এইসব পদক্ষেপগুলির মধ্যে আছে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের বেসরকারীকরণ, বিমা ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়িয়ে ৭৪ শতাংশ করা অথবা জনগণের জন্য এলআইসি-র শেয়ার বেচা।

বন্ধুগণ,

এটা আমাদের নিয়মিত উদ্যোগ বেসরকারী সংস্থাগুলিকে যেখানে সম্ভব আরও উৎসাহ দেওয়া। কিন্তু একইসঙ্গে দেশে ব্যাঙ্কিং এবং বিমা ক্ষেত্রে কার্যকর সরকারী অংশিদারিত্ব এখনও প্রয়োজনীয়। দরিদ্র এবং বঞ্চিত মানুষদের রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রকে জোরদার করতে জোর দেওয়া হচ্ছে শেয়ার মূলধন যোগানের ওপর। এছাড়া একটি নতুন এআরসি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে যেটি ব্যাঙ্কগুলির অনুৎপাদক সম্পদের ব্যবস্থা করবে। এই এআরসি নির্দিষ্টভাবে এইসব ঋণের বিষয়টি দেখাশোনা করবে। এতে রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রের ব্যাঙ্কগুলি জোরদার হবে এবং তাদের ঋণদানের ক্ষমতা বাড়বে।

বন্ধুগণ,

একইভাবে একটি নতুন ডেভেলপমেন্ট ফিনান্স ইন্সটিটিউশন তৈরি করা হচ্ছে পরিকাঠামো এবং কয়েকটি শিল্প প্রকল্পের উন্নয়নের জন্য। এই পদক্ষেপগুলি নেওয়া হয়েছে পরিকাঠামো এবং শিল্প প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি মাথায় রেখে। এছাড়া সার্বভৌম সম্পদ তহবিল, অবসরভাতা তহবিল এবং বিমা সংস্থাগুলিকে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে পরিকাঠামোয় লগ্নি করার জন্য। দীর্ঘমেয়াদী বন্ড ছাড়তে অনুমতি দিতে কর্পোরেট বন্ড মার্কেটকে দেওয়া হচ্ছে নতুন ব্যাকস্টক সুবিধা।

বন্ধুগণ,

এই মানসিক দৃঢ়তা কাজ করছে আত্মনির্ভর ভারতের জন্য। আত্মনির্ভর ভারত সম্ভব নয় শুধুমাত্র বড় শিল্প এবং বড় শহরের মাধ্যমে। গ্রাম এবং ছোট ছোট শহরের ছোট ছোট উদ্যোগপতিদের অবদান এবং সাধারণ মানুষের কঠোর পরিশ্রম আত্মনির্ভর ভারত অভিযানে অত্যন্ত জরুরি। আত্মনির্ভর ভারতের স্বপ্ন পূরণ হবে কৃষক এবং কৃষি পণ্যের উন্নতি ঘটায় এমন সংস্থার মাধ্যমে। আত্মনির্ভর ভারত তৈরি হবে আমাদের এমএসএমই এবং স্টার্টআপগুলির থেকে। আত্মনির্ভর ভারতের একটি প্রধান স্তম্ভ হয়ে উঠবে আমাদের স্টার্টআপ এবং এমএসএমইগুলি। সেইজন্য করোনার সময়ে এমএসএমইগুলির জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৯০ লক্ষের মতো সংস্থা এই পরিকল্পনাগুলির সুযোগ নিয়েছে এবং পেয়েছে ২.৪ ট্রিলিয়ন টাকার ঋণ। এইসব এমএসএমই এবং স্টার্টআপগুলিকে ঋণ দেওয়ার এবং সাহায্য করার গুরুত্ব আপনারা নিশ্চয়ই বুঝবেন। একাধিক সংস্কারের মাধ্যমে সরকার তাদের জন্য কৃষি, কয়লা এবং মহাকাশের মতো একাধিক ক্ষেত্রকে খুলে দিয়েছে। এখন এটা দেশের আর্থিক ক্ষেত্রের দায়িত্ব গ্রাম ও ছোট ছোট শহরের এই প্রত্যাশাগুলিকে চেনা এবং সেগুলিকে আত্মনির্ভর ভারতের শক্তিতে পরিণত করা।

বন্ধুগণ,

আমাদের অর্থনীতি যেমন দ্রুত বেড়ে চলেছে তেমন ঋণদানও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আপনাদের দেখতে হবে নতুন ক্ষেত্র এবং নতুন উদ্যোগপতিদের জন্য কিভাবে ঋণের ব্যবস্থা করা যায়। নতুন স্টার্টআপ এবং ফিনটেকের জন্য নতুন এবং উন্নত আর্থিক পণ্য তৈরি করার ওপর আপনাদের নজর দেওয়া উচিত। আপনারা ভালোই জানেন যে আমাদের ফিনটেক স্টার্টআপগুলি বর্তমানে ভালোই কাজ করছে এবং এক্ষেত্রে নতুন নতুন সম্ভাবনা তুলে ধরছে। এমনকি করোনার সময়ে যেসব স্টার্টআপ আরম্ভ হয়েছে তার মধ্যে ফিনটেকের সংখ্যাও অনেক। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এবছরও এই গতি বজায় থাকবে। তাই আপনাদেরও নতুন নতুন সম্ভাবনা খুঁজে দেখতে হবে। একইরকমভাবে আমাদের সামাজিক সুরক্ষাকে সর্বত্র ব্যাপৃত করতে আপনাদের ভূমিকা সম্পর্কেও ভাবুন। যেহেতু এইক্ষেত্রে আপনাদের গভীর জ্ঞান আছে তাই এই ওয়েবিনার থেকে আরও ভালো পরামর্শ এবং সমাধান বেরিয়ে আসবে। এবং আমি চাই যে আপনারা মুক্ত মনে আজ আপনাদের বক্তব্য তুলে ধরুন। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে আজকের আলোচনা থেকে যে সারমর্ম উঠে আসবে তা আত্মনির্ভর ভারত এবং জন কল্যাণ কার্যকলাপের জন্য অত্যন্ত সহায়ক হবে এবং আস্থাও বাড়াবে।

বন্ধুগণ,

গত কয়েক বছরে প্রযুক্তির আরও উপযুক্ত ব্যবহার এবং নতুন জমানা তৈরি আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে বড় ভূমিকা পালন করেছে। বর্তমানে দেশের ১৩০ কোটি মানুষের আধার কার্ড আছে, ৪১ কোটির বেশি দেশবাসীর জনধন অ্যাকাউন্ট আছে। এইসব জনধন অ্যাকাউন্টের প্রায় ৫৫ শতাংশ মহিলাদের এবং প্রায় দেড় লক্ষ কোটি টাকা জমা পড়েছে এইসব অ্যাকাউন্টে। এমনকি করোনার সময়েও এইসব জনধন অ্যাকাউন্টের জন্যই লক্ষ লক্ষ বোনেদের সরাসরি সাহায্য দেওয়া সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে ইউপিআই-তে প্রতি মাসে গড়ে ৪ লক্ষ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয় এবং রূপে কার্ডের সংখ্যাও ৬০ কোটিতে পৌঁছে গেছে। আধার এবং তাৎক্ষণিক পরিচয় জ্ঞাপন, ভারতীয় পোস্ট ব্যাঙ্কের বিপুল নেটওয়ার্ক এবং লক্ষ লক্ষ সাধারণ পরিষেবা কেন্দ্রগুলির জন্য আর্থিক পরিষেবা দেশের দূরবর্তী অঞ্চলেও লভ্য। বর্তমানে আধার ভিত্তিক অর্থপ্রদান যন্ত্রের সাহায্যে গ্রামে গ্রামে মানুষের বাড়িতে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা পৌঁছে দিতে দেশে ২ লক্ষের বেশি ব্যাঙ্ক মিত্র কাজ করছে। ১ লক্ষ ২৫ হাজারের বেশি ডাকঘরও এইক্ষেত্রে সাহায্য করছে। আপনারা জেনে আশ্চর্য হবেন যে এইসব ব্যাঙ্ক মিত্ররা গত বছর এপ্রিল এবং জুনের মধ্যে গ্রামবাসীদের তাদের এডিপিএস যন্ত্রের মাধ্যমে ৫৩ হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেনে সাহায্য করেছে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে সেইসময় করোনার কারণে সারা ভারতে লকডাউন ছিল।

বন্ধুগণ,

আজ ভারত গর্বিত যে দেশের প্রায় প্রতিটি শ্রেণী দেশের আর্থিক ক্ষেত্রে কোন না কোন ভাবে অন্তর্ভুক্ত। দশকের পর দশক আর্থিক বিচ্ছিন্নতার পর দেশ এখন আরও শক্তিশালী হচ্ছে। আর্থিক ক্ষেত্রে সবকা সাথ সবকা বিকাশ সবকা বিশ্বাসের মন্ত্র স্পষ্টই তার সাক্ষ্য বহন করছে। এখন ঋণ পাওয়ার সুযোগ সকলের জন্য। সে গরিবই হোক, কৃষকই হোক, পশুপালকই হোক, মৎস্যজীবী হোক অথবা ছোট দোকানদার।

গত কয়েক বছরে মুদ্রা কর্মসূচির মাধ্যমে ছোট উদ্যোগপতিরা প্রায় ১৫ লক্ষ কোটি টাকার ঋণ পেতে সক্ষম হয়েছেন। এরমধ্যে প্রায় ৭০ শতাশই মহিলা, ৫০ শতাংশের বেশি দলিত, বঞ্চিত আদিবাসী এবং অনগ্রসর শ্রেণীর উদ্যোগপতি। পিএম কিষাণ স্বনিধি কর্মসূচির অধীনে প্রায় ১১ কোটি কৃষক পরিবারের অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি জমা পড়েছে। কয়েক মাস আগে প্রধানমন্ত্রী স্বনিধি যোজনা শুরু হয়েছে আমাদের স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য। এই শ্রেণীকে এই প্রথম দেশের আর্থিক ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১০ হাজার টাকার ঋণ দেওয়া হয়েছে এ পর্যন্ত ১৫ লক্ষ স্ট্রিট ভেন্ডরকে। এটা শুধুমাত্র এককালীন অন্তর্ভুক্তিকরণ নয় তাদের ঋণের ইতিহাস ভবিষ্যতে তাদের আরও ঋণ পেতে সাহায্য করবে। ট্রেড অ্যান্ড পিএসপি ঋণের মতো ডিজিটাল লেন্ডিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে একইভাবে এমএসএমইগুলিকে সুলভে ঋণ দেওয়া হচ্ছে। কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মতো সুবিধা ছোট ছোট কৃষক, পশুপালক এবং মৎস্যজীবীদের দ্রুত মুক্তি দিচ্ছে মহাজনি ঋণের ফাঁদ থেকে।

বন্ধুগণ,

এখন বেসরকারী ক্ষেত্রকেও ভাবতে হবে আমাদের সমাজের এই শ্রেণীর জন্য নতুন ধরনের আর্থিক পণ্য কিভাবে দেওয়া যায়। আমাদের স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির অনেক ক্ষমতা আছে উৎপাদন থেকে পরিষেবা পর্যন্ত। আপনারা নিশ্চয়ই দেখে থাকবেন এইসব গোষ্ঠীগুলির ঋণ শৃঙ্খলা উল্লেখযোগ্য। এইসব গোষ্ঠীগুলির মাধ্যমে বেসরকারী ক্ষেত্র গ্রামীণ পরিকাঠামোয় ঋণের সম্ভাবনা খুঁজে দেখতে পারে। এটা শুধুমাত্র একটি কল্যাণের বিষয় নয় দারুণ বিজনেস মডেলও হয়ে উঠতে পারে।

বন্ধুগণ,

দেশগুলি এখন দ্রুত এগিয়ে চলেছে আর্থিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি অনুসরণ করে। আগামী ৫ বছরে ভারতে ফিনটেকের বাজার ৬ ট্রিলিয়ন টাকার বেশি হবে বলে আশা।ফিনটেক ক্ষেত্রের সম্ভাবনা দেখে এক বিশ্বমানের আর্থিক তালুক গড়ে উঠছে আইএফএসসি জিআইএফটি সিটিতে । ভারতে আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলা শুধুমাত্র আমাদের প্রত্যাশা নয় এটা আত্মনির্ভর ভারতের জন্য প্রয়োজনীয়। সেইজন্য পরিকাঠামো নিয়ে অনেক বলিষ্ঠ লক্ষ্য এই ক্ষেত্রে রাখা হয়েছে। এইসব লক্ষ্য পূরণে লগ্নি প্রয়োজন। এই উদ্দেশ্যে লগ্নি আনতে সবরকম সম্ভাব্য প্রয়াস নেওয়া হচ্ছে। এই লক্ষ্য পূরণ তখনই সম্ভব যখন সমগ্র আর্থিক ক্ষেত্র সক্রিয়ভাবে সমর্থন করবে।

বন্ধুগণ,

সরকার আমাদের আর্থিক ব্যবস্থাকে জোরদার করতে ব্যাঙ্কিক ক্ষেত্রের ক্ষমতায়নেও দায়বদ্ধ। এ পর্যন্ত যেসমস্ত ব্যাঙ্কিং সংস্কার করা হয়েছে তা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। আমি নিশ্চিত যে আপনারা সংস্কার নিয়ে এবং বাজেটে সংস্থানের রূপায়ণ নিয়ে অর্থবহ পরামর্শ দেবেন। আমি স্থির বিশ্বাসী যে দেশ এবং বিশ্বের এই ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা আজ এই বিষয়ে আমাদের দিশা নির্দেশ করবেন। আপনাদের প্রত্যেকটি পরামর্শ আমার সরকারের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। কোনও দ্বিধা না করে আপনারা পরামর্শ দিন আগামী পথ নির্দেশের জন্য আমাদের কি করতে হবে এবং আমাদের একসঙ্গে কিভাবে এগোতে হবে। আপনাদের সমস্যা কিভাবে আমরা সমাধান করবো যদি কিছু থাকে। কিভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে দায়িত্বপূর্ণভাবে অংশীদার হতে পারেন। আমরা আলোচনা করতে চাই প্রকৃত পথচিত্র, লক্ষ্য সংক্রান্ত সব বিষয়ে এবং কিভাবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সুযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে। আমি জানি আপনাদের সময় খুব মূল্যবান কিন্তু তার চেয়েও বেশি মূল্যবান আপনাদের পরামর্শ এবং আমাদের সংকল্প। আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Semiconductor companies under ISM to invest ₹31,299 crore by FY27

Media Coverage

Semiconductor companies under ISM to invest ₹31,299 crore by FY27
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
PM shares a Sanskrit Subhashitam highlighting that Nari Shakti is the cornerstone of nation-building and the true embodiment of power
June 12, 2026

Prime Minister Shri Narendra Modi today stated that over the last 12 years, the Government has worked to further women-led development, which is visible across sectors. He noted that from financial inclusion and entrepreneurship to education, healthcare, sanitation, housing, sports, science, and governance, women are playing a prominent role across diverse fields.

Shri Modi emphasized that the efforts of the Government are rooted in dignity, opportunity, and empowerment, pointing out that they have helped create an environment where women can realise their full potential and contribute even more strongly to nation-building.

The Prime Minister expressed particular happiness in seeing India’s Nari Shakti make a mark in sectors like science, space, and innovation. He highlighted that their growing participation in emerging fields such as drone technology is opening new avenues of opportunity and transforming the development landscape across the nation.

Shri Modi shared that the Government is actively supporting Self Help Groups, which are going a long way in making women financially independent.

Sharing a Sanskrit Subhashitam, the Prime Minister stated that India's Nari Shakti is the cornerstone of nation-building. He observed that today, our mothers, sisters, and daughters are increasing the pride of Maa Bharati with their amazing talent and skills in every field.

In a series of posts on X, the Prime Minister shared:

"Over the last 12 years, the NDA Government has worked to further women-led development. And, this is visible across sectors.
From financial inclusion and entrepreneurship to education, healthcare, sanitation, housing, sports, science and governance, women are playing a prominent role across diverse sectors.

The efforts of the NDA Government are rooted in dignity, opportunity and empowerment. They have helped create an environment where women can realise their full potential and contribute even more strongly to nation-building.

#12YearsOfNariShakti “

“ I am particularly happy to see India’s Nari Shakti make a mark in sectors like science, space and innovation. Their growing participation in emerging fields such as drone technology is opening new avenues of opportunity and transforming development landscape across the nation. Our Government is actively supporting Self Help Groups, which are going a long way in making women financially independent.

#12YearsOfNariShakti “ 

“ भारत की नारीशक्ति राष्ट्र निर्माण की आधारशिला है। हमारी माताएं, बहनें और बेटियां आज हर क्षेत्र में अपनी अद्भुत प्रतिभा और कौशल से मां भारती का गौरव बढ़ा रही हैं।

नारी त्रैलोक्यजननी
नारी त्रैलोक्यरूपिणी।
नारी त्रिभुवनाधारा
नारी शक्तिस्वरूपिणी॥

#12YearsOfNariShakti"

Woman is the mother of the three worlds. She is the very expression of all the three realms. She is the foundation of the entire universe, and she is the true embodiment of power.