Today, Uttar Pradesh and the entire country are witnessing a new era of world-class infrastructure : PM
The inauguration of the Meerut Metro, Namo Bharat train and the new section of the RRTS will make the lives of people in the NCR even simpler, smoother and more convenient: PM
Our work culture is such that once the foundation stone of a task is laid, day and night are merged to complete it, that is why now projects do not remain pending like before: PM
Be it Namo Bharat or the metro service, I had the opportunity to lay the foundation stone for both, and today I have also been fortunate to inaugurate them: PM
It is happening for the first time in the country that Namo Bharat and Metro rail will operate on the same station and on the same track: PM
From the very same platform, one will be able to travel within the city, and from that same station, one can also commute directly to and from Delhi: PM
Many developed countries of the world are today signing trade agreements with India: PM
Today, developed countries are eager to partner with India. This is because they see their own future in India’s development and they see hope in India’s youth power: PM
Today, the world feels that India is that power which can provide solutions to the challenges of the 21st century: PM
The Meerut-Hapur region has long witnessed Chaudhary Charan Singh ji’s vision. It has been our government’s privilege to confer the Bharat Ratna upon him: PM

ভারত মাতা কি জয়!
ভারত মাতা কি জয়!
ভারত মাতা কি জয়!
উত্তর প্রদেশের মাননীয় ও জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথজি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আমার সহকর্মী পঙ্কজ চৌধুরীজি ও জয়ন্ত চৌধুরীজি, উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠকজি, উত্তরপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রিগণ, আমার সহকর্মী সাংসদ ও বিধায়কগণ এবং এখানে বিপুল সংখ্যায় উপস্থিত আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা!

বাবা অঘর্ণাথের এই পবিত্র ভূমিতে, বিপ্লবের মাটি মীরাটে, আজ উন্নত উত্তরপ্রদেশ ও উন্নত ভারতের স্বপ্নে এক নতুন শক্তির সঞ্চার হচ্ছে। এই প্রথম একই মঞ্চ থেকে নমো ভারত র্যা়পিড রেল এবং মেট্রো পরিষেবার একযোগে উদ্বোধন হচ্ছে। এটি উন্নত ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থার এক অনন্য ঝলক। শহরের ভেতরে যাতায়াতের জন্য মেট্রো, আর যমজ শহরের স্বপ্নকে গতি দিতে আধুনিক ট্রেন ‘নমো ভারত’। এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক উত্তর প্রদেশে অর্জিত হয়েছে—এতে আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট।

 

ভাই ও বোনেরা,

আজকের এই কর্মসূচি বিজেপির ডাবল ইঞ্জিন সরকারের কর্মসংস্কৃতির প্রতিফলক। আর আমাদের কর্মসংস্কৃতি কী? আমাদের কর্মসংস্কৃতি হলো—একবার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলে, দিন-রাত এক করে সেই প্রকল্প সম্পূর্ণ করার জন্য আমরা নিজেদের উৎসর্গ করি। তাই এখন আর প্রকল্পগুলি আগের মতো আটকে থাকে না বা বিলম্বিত হয় না। নমো ভারত এবং মেট্রো—দুটিরই উদ্বোধন আমি পূর্বে করেছি, আর আজ সেগুলি দেশবাসীর উদ্দেশে উৎসর্গ করার সৌভাগ্য আমার হল।

বন্ধুগণ,

কিছুক্ষণ আগে আমি মীরাট মেট্রোতে ভ্রমণ করেছি। সেই যাত্রাপথে বহু তরুণ ছাত্র ছাত্রী ও অন্যান্য যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হয়েছে। সবাই বলেছেন, এমন চমৎকার সুবিধার কথা তারা কখনও কল্পনাও করেননি। পুরনো দিনের কথা মনে করে বিশেষ করে আমাদের মা-বোনেরা জানিয়েছেন, কয়েক বছর আগেও সন্ধ্যা নামলেই পুরো পথ জুড়ে নীরবতা ও ভয়ের আবহ তৈরি হতো। কিন্তু এখন একদিকে যেমন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে, অন্যদিকে মানুষ পেয়েছেন নিরাপদ ও সুবিধাজনক যাতায়াতের ব্যবস্থা।

এবং বন্ধুগণ,

আমি আনন্দিত যে নমো ভারত র্যা পিড রেল নারীর ক্ষমতায়নেরও প্রতীক হয়ে উঠেছে। এই পরিষেবায় ট্রেন অপারেটর, স্টেশন কন্ট্রোল স্টাফসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আমাদের কন্যারাই সামলাচ্ছেন। দেশের প্রথম নমো ভারত র্যা্পিড রেল পরিষেবা এবং মীরাট মেট্রোর জন্য আপনাদের সকলকে, উত্তরপ্রদেশবাসীকে এবং দিল্লির জনগণকে আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

 

বন্ধুগণ,

মীরাট–এর মাটির সঙ্গে আমার একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। ২০১৪ সালের নির্বাচন, ২০১৯ সালের নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে—আমার প্রচার অভিযান শুরু হয়েছিল এই মীরাট থেকেই। মীরাটের জনগণ, এখানকার কৃষক, উদ্যোগপতি, ক্ষুদ্র শিল্পের শ্রমিক, কারিগর এবং দোকানদাররা সবসময়ই আমাকে আশীর্বাদে ভরিয়ে দিয়েছেন।

আর বন্ধুগণ,

তখনও আমি কংগ্রেস এবং এসপি-বিএসপি–কে বলেছিলাম—তারা যেন তাদের বিষাক্ত রাজনীতি পরিত্যাগ করে এবং উন্নয়নের ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে। 

বন্ধুগণ,

এই দলগুলি তাদের বিষাক্ত রাজনীতি পরিবর্তন করেনি, কিন্তু ভারতীয় জনতা পার্টি তার নীতি, তার কাজ এবং উদ্দেশ্যকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। মীরাট মেট্রো নিজেই তার একটি উদাহরণ।

বন্ধুগণ,

২০১৪ সালের আগে ভারতে মেট্রো পরিষেবার প্রসার ছিল অত্যন্ত ধীরগতির। কংগ্রেস সরকারের সময় মাত্র ৫টি শহরে মেট্রো চলত। কিন্তু আজ বিজেপি সরকারের অধীনে দেশের ২৫টিরও বেশি শহরে মেট্রো পরিষেবা চালু রয়েছে। ভারত এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্কের অধিকারী।

উত্তর প্রদেশেও মীরাট ছাড়াও আরও একাধিক শহরে মেট্রো প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। 

বন্ধুগণ,

গত ১১ বছরে এক ডজনের বেশি শহরকে মেট্রো পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে, কারণ ভারতীয় জনতা পার্টি সরকার মানুষের সুবিধাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে চায়—যাতে নাগরিকরা যানজট ও দূষণমুক্ত দ্রুতগতির যাতায়াতের সুবিধা পান। সেই কারণেই আজ নমো ভারত-এর মতো আধুনিক সেমি-হাই-স্পিড ট্রেন চলছে, পাশাপাশি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস–ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পরিষেবা দিচ্ছে।

বন্ধুগণ,

যখন কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টি–এর সরকার ছিল দিল্লিতে, তখন এসব কিছুই সম্ভব হয়নি। সেই সময় পরিকাঠামো প্রকল্পগুলির দুর্নীতির জালে হারিয়ে যেত। এমনকি মেট্রো ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত প্রযুক্তিও বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো। আমরা দুর্নীতির অবসান ঘটিয়েছি এবং দেশকে আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিয়েছি। কারণ বিজেপির অগ্রাধিকার হলো দেশের উন্নয়ন, নাগরিকদের সুবিধা ও সমৃদ্ধি।

এখানেই দেখুন—মীরাট এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের মানুষের জীবন কীভাবে বদলে যেতে চলেছে। সরাই কালে খান, আনন্দ বিহার টার্মিনাল, গাজিয়াবাদ এবং মীরাটে রেলস্টেশন, মেট্রো স্টেশন ও বাস টার্মিনাস একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। দেশে এই প্রথম নমো ভারত ও মেট্রো রেল একই স্টেশন ও একই লাইনে চলবে। অর্থাৎ এক প্ল্যাটফর্ম থেকেই শহরের ভেতরে যাতায়াত করা যাবে, আর সেই একই স্টেশন থেকেই সরাসরি দিল্লি যাওয়া সম্ভব হবে।

প্রতিদিন যেসব হাজার হাজার মানুষ পড়াশোনা, চাকরি বা অন্যান্য কাজের জন্য মীরাট থেকে দিল্লি যাতায়াত করেন, তারা এর সুফল পাবেন। যারা দিল্লিতে কাজ করেন কিন্তু মীরাটে থাকেন, তাদের আর দিল্লিতে বাড়ি ভাড়া নিতে বাধ্য হতে হবে না।

বন্ধুগণ,

আজ ভারতীয় জনতা পার্টি–র ডাবল ইঞ্জিন সরকার আধুনিক পরিকাঠামোর জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছে। এর ফলে শুধু আপনাদের অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে না, বরং যুবসমাজের জন্য নতুন কর্মসংস্থানও তৈরি হচ্ছে। পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে দেখুন—নতুন এক্সপ্রেসওয়ে নির্মিত হচ্ছে, ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডর গড়ে উঠছে, আর জেওয়ারে একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরি হচ্ছে। নোয়েডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর–এর মতো প্রকল্প নির্মাণকালে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, আর পরে নতুন শিল্প ও ব্যবসার সুযোগ এনে দিয়ে আরও কাজের সুযোগ তৈরি করে।

 

বন্ধুগণ,

উত্তরপ্রদেশের এই ভূমি শ্রমের ভূমি, সৃষ্টির ভূমি। কৃষক, পশুপালক, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, তাঁতি, কারিগর—সকলেই ঐতিহ্য ও উন্নয়নের মন্ত্রকে বাস্তবে রূপ দিচ্ছেন। ভারত শক্তিশালী হলে উত্তর প্রদেশের এই সকল সহযাত্রীরাও উপকৃত হন।

বন্ধুগণ,

আজ আপনারা দেখছেন, ভারতের প্রতি বিশ্বের কতটা আস্থা তৈরি হয়েছে, কতটা আশা জেগেছে মানুষের মনে। বহু উন্নত দেশ ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করছে। একসময় কংগ্রেস সরকারের পক্ষে উন্নত দেশগুলির সঙ্গে চুক্তি করা সম্ভব হতো না, করতেও চাইলে নানা বাধার মুখে পড়তে হতো। কারণ দুর্নীতির জন্য কংগ্রেস সরকার কুখ্যাত ছিল, ফলে বিশ্বের দেশগুলি তাদের সঙ্গে কাজ করতে দ্বিধাবোধ করত। কিন্তু আজ উন্নত দেশগুলি ভারতের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করতে আগ্রহী। তারা ভারতের উন্নয়নের মধ্যেই নিজেদের ভবিষ্যৎ দেখছে, ভারতের যুবশক্তির মধ্যেই আশা খুঁজে পাচ্ছে। আজ বিশ্ব বিশ্বাস করে ২১ শতকের চ্যালেঞ্জগুলোর সমাধান দিতে পারে ভারতই।

 বন্ধুগণ,

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারতীয় জনতা পার্টি সরকারের করা চুক্তিগুলি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বড় উপকার করবে। এর ফলে মীরাট–এর ক্রীড়া সামগ্রী প্রস্তুতকারকরা, মীরাটের কাঁচি শিল্প, খুরজা–র মৃৎশিল্প (ক্রোকারি), মোরাদাবাদ–এর পিতল শিল্প, বাগপত–এর হোম ফার্নিশিং শিল্প, সাহারানপুর–এর কাঠের নকশা শিল্প, পাশাপাশি চামড়া, বস্ত্র ও গয়না শিল্পের সঙ্গে যুক্ত উদ্যোগপতিরাও বিপুলভাবে লাভবান হবেন। এই সমস্ত ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প নতুন সুযোগ পাবে। ভারতের ছোট-বড় শহরের শক্তিকে বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া এবং উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জেলার স্বকীয় পরিচিতিকে শক্তিশালী করাই বিজেপির অগ্রাধিকার।

বন্ধুগণ,

আমাদের মীরাট এবং এই সমগ্র অঞ্চল ক্ষুদ্র শিল্প ও এমএসএমই-র একটি প্রধান কেন্দ্র। চলতি বছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে ক্ষুদ্র শিল্পের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে উত্তর প্রদেশের এমএসএমই-গুলির জন্য ঋণ পাওয়া অনেক সহজ হবে। বাজেটে বস্ত্র শিল্প ও তাঁতি সম্প্রদায়ের জন্য ‘মহাত্মা গান্ধী গ্রাম স্বরাজ যোজনা’ ঘোষণাও করা হয়েছে। এর মাধ্যমে খাদি, হ্যান্ডলুম ও হস্তশিল্পের পণ্য বিশ্ববাজারে পৌঁছাতে আরও সহায়তা মিলবে।

 

বন্ধুগণ,

আগে ক্ষুদ্র কারিগরেরা কুরিয়ারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পণ্য পাঠাতে পারতেন। এখন সেই সীমা সম্পূর্ণভাবে তুলে নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ মীরাট ও সমগ্র উত্তর প্রদেশের তাঁতি ও ক্ষুদ্র উদ্যোগপতিরা এখন সহজেই অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে আমেরিকা বা ইউরোপের ক্রেতাদের কাছে তাদের পণ্য পাঠাতে পারবেন।

বন্ধুগণ,

মীরাট–হাপুড় অঞ্চল এবং আশেপাশের এলাকায় শুরু থেকেই চৌধুরী চরণ সিং–এর স্বপ্ন ও দর্শনের প্রভাব বিদ্যমান। আমাদের সরকারের সৌভাগ্য হয়েছে তাঁকে ‘ভারত রত্ন’ সম্মানে ভূষিত করার। তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করে ভারতীয় জনতা পার্টি–র ডাবল ইঞ্জিন সরকার কৃষকদের আয় বাড়াতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে চলেছে। এ জন্য খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি–র অর্থও ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক প্রমাণিত হয়েছে। এখনও পর্যন্ত উত্তরপ্রদেশের কৃষকরা প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির আওতায় প্রায় ৯৫ হাজার কোটি টাকা পেয়েছেন। মীরাটের কৃষকরাই পেয়েছেন প্রায় ৮০০ কোটি টাকা।
ভাই ও বোনেরা,

একদিকে দেশের নাগরিকরা দিনরাত পরিশ্রম করছেন ভারতকে উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে। কিন্তু দেশের কিছু রাজনৈতিক দল ভারতের এই সাফল্য সহ্য করতে পারে না। আপনারা দেখেছেন, বিশ্বের বৃহত্তম এআই সম্মেলন ভারতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৮০-রও বেশি দেশের প্রতিনিধিরা দিল্লিতে এসেছিলেন। প্রায় ২০টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ভারত সফর করেছেন। দেশের নানা প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ দিল্লিতে উপস্থিত হয়েছিলেন। এর আগে কোনো উন্নয়নশীল দেশে এমন সম্মেলন হয়নি।

 

আমি মীরাটবাসীর কাছে জানতে চাই—এই এআই সম্মেলন নিয়ে আপনারা গর্ব অনুভব করেছেন কি না? জোর দিয়ে বলুন—গর্ব অনুভব করেছেন কি না? আপনাদের মাথা কি উঁচু হয়েছে, না হয়নি? আপনাদের বুক কি গর্বে ভরে উঠেছে, না হয়নি? এটি কি ভারতের জন্য হয়েছে, না হয়নি? এটি কি ভারতের যুবসমাজের জন্য হয়েছে, না হয়নি? এটি কি ভারতের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য হয়েছে, না হয়নি? এটি কি ২১ শতকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য হয়েছে, না হয়নি?
সমগ্র দেশ যখন গর্বে উজ্জ্বল, তখন কংগ্রেস এবং তাদের ইকোসিস্টেম কী করেছে?

বন্ধুগণ,

কংগ্রেস ভারতের একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানকে তাদের নোংরা ও লজ্জাজনক রাজনীতির ময়দানে পরিণত করেছে। বিদেশি অতিথিদের সামনে অনুষ্ঠানস্থলে কংগ্রেসের নেতারা এসে নিজেদের পোশাক খুলে প্রতিবাদ দেখিয়েছেন। আমি কংগ্রেস নেতাদের জিজ্ঞাসা করি—রাজনৈতিকভাবে যে আপনারা আগেই নগ্ন হয়ে গিয়েছেন, তা তো সবাই জানে; তাহলে আবার পোশাক খোলার প্রয়োজন কী ছিল? সেখানে কংগ্রেস নেতারা যা করেছেন, তা প্রমাণ করে দেশের প্রাচীনতম এই দলটি কতটা আদর্শগতভাবে দেউলিয়া ও নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।

বন্ধুগণ,

এ কথা কেউ কল্পনাও করতে পারে না। আমরা তো এমন সংস্কৃতির মানুষ—গ্রামে কোনো বিয়ে হলে পুরো গ্রাম একজোট হয়ে সেটিকে সফল করে তোলে, যাতে অতিথিরা গ্রামের সম্পর্কে ভালো ধারণা নিয়ে ফিরে যান। আর কংগ্রেস নিজের দেশেরই বদনাম করতে ব্যস্ত।

বন্ধুগণ,

কংগ্রেস নেতারা মোদিকে ঘৃণা করেন। তারা আমার কবর খুঁড়তে চান, আমার মাকে অপমান করতেও দ্বিধা করেন না। তারা বিজেপির বিরোধিতা করেন, এনডিএ–র বিরোধিতা করেন। ঠিক আছে, তাদের রাজনীতির জন্য যদি তা প্রয়োজন হয়, আমরা তা বুঝতে ও সহ্য করতে পারি। কিন্তু কংগ্রেসের মনে রাখা উচিত ছিল, এআই গ্লোবাল সামিট কোনো বিজেপির অনুষ্ঠান ছিল না, সেখানে কোনো বিজেপি নেতা উপস্থিতও ছিলেন না। এটি ছিল একটি জাতীয় অনুষ্ঠান, জাতীয় গৌরবের বিষয়, যা দেশের মানুষের ঘাম ও পরিশ্রমে গড়ে উঠেছে। তবুও কংগ্রেস শালীনতার সমস্ত সীমা অতিক্রম করেছে।

সমগ্র দেশ আজ কংগ্রেসের এই আচরণের নিন্দা করছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, এত প্রাচীন একটি দলের নেতারা লজ্জিত হওয়ার বদলে নির্লজ্জভাবে তাদেরই প্রশংসা করছেন, যারা দেশের অপমান করেছে। কংগ্রেসের এই আচরণ নতুন নয়, বরং ধারাবাহিক। সংসদে তারা কী করেছে, তা আপনারা দেখেছেন—নিজেরা কার্যকর ভূমিকা রাখতে না পেরে তারা তাদের মিত্রদেরও কথা বলতে দেয় না, সংসদ চলতে দেয় না। আর সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয় কংগ্রেসের মিত্র দলগুলোরই। তারাও এখন বিষয়টি বুঝতে পারছে। দিল্লিতে কংগ্রেস যে নির্লজ্জ আচরণ করেছে, তাতে তাদের বহু মিত্র স্তম্ভিত হয়ে এখন নিজেদের দূরে সরিয়ে নিয়েছে। 

 আমি দেশের সংবাদমাধ্যমের কাছেও বিনম্র অনুরোধ জানাতে চাই। আমি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, যেন সংবাদমাধ্যম থেকে আসা সবকিছু সহ্য করার শক্তি তিনি আমাকে দেন। কিন্তু আজ আমি তাদের অনুরোধ করছি—যখন আমরা এই ধরনের কাজের সমালোচনা করি, তখন দয়া করে শিরোনাম করবেন না “মোদী বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ করলেন।” কংগ্রেসকে বাঁচানোর এই কৌশল বন্ধ করুন। “বিরোধী” শব্দ ব্যবহার করে আপনারা কংগ্রেসকে আড়াল করেন, অথচ অন্য বিরোধী দলগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাপ করে কংগ্রেস, কিন্তু মূল্য চোকাতে হয় অন্যদের। কংগ্রেসের ইকোসিস্টেম সবসময় এই খেলাই খেলে—পাপ করে কংগ্রেস, সমালোচনা হয় কংগ্রেসকে লক্ষ্য করে, ক্ষোভও কংগ্রেসের বিরুদ্ধে থাকে, কিন্তু সংবাদমাধ্যমে দেখা যায় শুধু “বিরোধী,” কংগ্রেস নয়। কেন কংগ্রেসকে রক্ষা করছেন? এতে আপনারা না কংগ্রেসকে বাঁচাতে পারছেন, না তাদের সংশোধনের সুযোগ করে দিচ্ছেন।

পরিষ্কারভাবে লিখুন—দোষ কংগ্রেসের। তাহলেই দেখতে পাবেন তফাৎটা কি। দিল্লিতে কি তৃণমূল কংগ্রেস কোনো দোষ করেছে? না। ডিএমকে কি কোনো দোষ করেছে? না। বহুজন সমাজ পার্টি কি কোনো দোষ করেছে? না। ন্যাশনাল কনফারেন্স কি কোনো দোষ করেছে? না। একমাত্র বেপরোয়া কংগ্রেস নেতারাই দেশকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিতে উদ্যত। যদি প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে চান, আগে জনগণের হৃদয় জয় করতে হবে। মহিলা সাংসদদের জোর করে আসন দখলে পাঠিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়া যায় না। কেন মা-বোনদের এভাবে সামনে ঠেলে দিচ্ছেন? আপনারা কি এতটাই অন্তঃসারশূন্য হয়ে পড়েছেন?

বন্ধুগণ,

কংগ্রেস আজ দেশের বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিল্লির ঘটনার পর কংগ্রেসের সমস্ত মিত্র যে সাহসের সঙ্গে কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা করেছে, তাতে আমি সন্তুষ্ট। সত্যের পাশে এবং জাতীয় গৌরবের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমি প্রকাশ্যে সেই বিরোধী মিত্রদের ধন্যবাদ জানাই।

বন্ধুগণ,

ভারতীয় জনতা পার্টি সরকারের কাছে দেশ এবং উত্তর প্রদেশ–এর উন্নয়নই সর্বাগ্রে। কিন্তু মনে করুন, দশ বছর আগে উত্তর প্রদেশ কোন পরিচয়ে পরিচিত ছিল? সবাই কথা বলত মীরাট–এর দাঙ্গা, পশ্চিম উত্তর প্রদেশের অপরাধী চক্র, খারাপ রাস্তা, বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও পশ্চাৎপদতার কথা। পশ্চিম উত্তর প্রদেশের অপরাধ নিয়ে চলচ্চিত্র তৈরি হতো। সমাজবাদী পার্টি সরকারের আমলে উত্তর প্রদেশের এই অবস্থাই হয়েছিল। কিন্তু আজ উত্তরপ্রদেশ উন্নয়নের জন্য পরিচিত। আজ আমাদের উত্তর প্রদেশ পরিচিত ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন, মোবাইল ফোন নির্মাণ, আধুনিক বিমানবন্দর এবং পর্যটন পরিকাঠামোর বিস্তারের জন্য। ক্রীড়া ক্ষেত্রেও উত্তর প্রদেশ নতুন পরিচয় গড়ে তুলছে। মীরাটে স্পোর্টস ইউনিভার্সিটির কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।

বন্ধুগণ,

সমাজবাদী পার্টি–র শাসনকালে অপরাধীরা নির্ভয়ে ঘুরে বেড়াত। আজ যোগী আদিত্যনাথ–এর সরকারের আমলে তারা জেলে দিন কাটাচ্ছে। কলেজ থেকে বেরিয়ে আসা আমাদের কন্যাদের অসম্মান করার সাহস আজ আর কেউ দেখাতে পারে না।

বন্ধুগণ,

যখন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়, তখন ব্যবসা-বাণিজ্য ও দোকানপাটের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়। সেই কারণেই আজ উত্তর প্রদেশের অর্থনীতি দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। যোগীজির নেতৃত্বে উত্তর প্রদেশ দেশের এক বৃহৎ উৎপাদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠছে। গতকালই উত্তর প্রদেশের প্রথম সেমিকন্ডাক্টর কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সুযোগ আমার হয়েছে। এই কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে উত্তরপ্রদেশের শক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে। নতুন বিনিয়োগ ও নতুন কর্মসংস্থানের অসাধারণ সুযোগ তৈরি হবে।

আমি আপনাদের আশ্বাস দিচ্ছি—ভারতীয় জনতা পার্টি–র ডাবল ইঞ্জিন সরকার উত্তর প্রদেশকে দেশের সর্ববৃহৎ অর্থনীতিতে পরিণত করতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাবে। উত্তরপ্রদেশ উন্নত হলে তবেই ভারত উন্নত হবে।

নমো ভারত ট্রেন ও মেট্রো প্রকল্পের জন্য আপনাদের সকলকে আবারও আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমরা ‘বন্দে মাতরম্’–এর ১৫০ বছর উদযাপন করছি। আসুন, সবাই একসঙ্গে বলি—
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Standing for medical science, together with AIIMS

Media Coverage

Standing for medical science, together with AIIMS
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
সোশ্যাল মিডিয়া কর্নার 8 এপ্রিল 2026
April 08, 2026

Bold Vision, Tangible Wins: PM Modi’s India Leads in AI, EVs, Nuclear & Inclusive Entrepreneurship