Today, Uttar Pradesh and the entire country are witnessing a new era of world-class infrastructure : PM
The inauguration of the Meerut Metro, Namo Bharat train and the new section of the RRTS will make the lives of people in the NCR even simpler, smoother and more convenient: PM
Our work culture is such that once the foundation stone of a task is laid, day and night are merged to complete it, that is why now projects do not remain pending like before: PM
Be it Namo Bharat or the metro service, I had the opportunity to lay the foundation stone for both, and today I have also been fortunate to inaugurate them: PM
It is happening for the first time in the country that Namo Bharat and Metro rail will operate on the same station and on the same track: PM
From the very same platform, one will be able to travel within the city, and from that same station, one can also commute directly to and from Delhi: PM
Many developed countries of the world are today signing trade agreements with India: PM
Today, developed countries are eager to partner with India. This is because they see their own future in India’s development and they see hope in India’s youth power: PM
Today, the world feels that India is that power which can provide solutions to the challenges of the 21st century: PM
The Meerut-Hapur region has long witnessed Chaudhary Charan Singh ji’s vision. It has been our government’s privilege to confer the Bharat Ratna upon him: PM

ভারত মাতা কি জয়!
ভারত মাতা কি জয়!
ভারত মাতা কি জয়!
উত্তর প্রদেশের মাননীয় ও জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথজি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আমার সহকর্মী পঙ্কজ চৌধুরীজি ও জয়ন্ত চৌধুরীজি, উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠকজি, উত্তরপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রিগণ, আমার সহকর্মী সাংসদ ও বিধায়কগণ এবং এখানে বিপুল সংখ্যায় উপস্থিত আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা!

বাবা অঘর্ণাথের এই পবিত্র ভূমিতে, বিপ্লবের মাটি মীরাটে, আজ উন্নত উত্তরপ্রদেশ ও উন্নত ভারতের স্বপ্নে এক নতুন শক্তির সঞ্চার হচ্ছে। এই প্রথম একই মঞ্চ থেকে নমো ভারত র্যা়পিড রেল এবং মেট্রো পরিষেবার একযোগে উদ্বোধন হচ্ছে। এটি উন্নত ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থার এক অনন্য ঝলক। শহরের ভেতরে যাতায়াতের জন্য মেট্রো, আর যমজ শহরের স্বপ্নকে গতি দিতে আধুনিক ট্রেন ‘নমো ভারত’। এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক উত্তর প্রদেশে অর্জিত হয়েছে—এতে আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট।

 

ভাই ও বোনেরা,

আজকের এই কর্মসূচি বিজেপির ডাবল ইঞ্জিন সরকারের কর্মসংস্কৃতির প্রতিফলক। আর আমাদের কর্মসংস্কৃতি কী? আমাদের কর্মসংস্কৃতি হলো—একবার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলে, দিন-রাত এক করে সেই প্রকল্প সম্পূর্ণ করার জন্য আমরা নিজেদের উৎসর্গ করি। তাই এখন আর প্রকল্পগুলি আগের মতো আটকে থাকে না বা বিলম্বিত হয় না। নমো ভারত এবং মেট্রো—দুটিরই উদ্বোধন আমি পূর্বে করেছি, আর আজ সেগুলি দেশবাসীর উদ্দেশে উৎসর্গ করার সৌভাগ্য আমার হল।

বন্ধুগণ,

কিছুক্ষণ আগে আমি মীরাট মেট্রোতে ভ্রমণ করেছি। সেই যাত্রাপথে বহু তরুণ ছাত্র ছাত্রী ও অন্যান্য যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হয়েছে। সবাই বলেছেন, এমন চমৎকার সুবিধার কথা তারা কখনও কল্পনাও করেননি। পুরনো দিনের কথা মনে করে বিশেষ করে আমাদের মা-বোনেরা জানিয়েছেন, কয়েক বছর আগেও সন্ধ্যা নামলেই পুরো পথ জুড়ে নীরবতা ও ভয়ের আবহ তৈরি হতো। কিন্তু এখন একদিকে যেমন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে, অন্যদিকে মানুষ পেয়েছেন নিরাপদ ও সুবিধাজনক যাতায়াতের ব্যবস্থা।

এবং বন্ধুগণ,

আমি আনন্দিত যে নমো ভারত র্যা পিড রেল নারীর ক্ষমতায়নেরও প্রতীক হয়ে উঠেছে। এই পরিষেবায় ট্রেন অপারেটর, স্টেশন কন্ট্রোল স্টাফসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আমাদের কন্যারাই সামলাচ্ছেন। দেশের প্রথম নমো ভারত র্যা্পিড রেল পরিষেবা এবং মীরাট মেট্রোর জন্য আপনাদের সকলকে, উত্তরপ্রদেশবাসীকে এবং দিল্লির জনগণকে আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

 

বন্ধুগণ,

মীরাট–এর মাটির সঙ্গে আমার একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। ২০১৪ সালের নির্বাচন, ২০১৯ সালের নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে—আমার প্রচার অভিযান শুরু হয়েছিল এই মীরাট থেকেই। মীরাটের জনগণ, এখানকার কৃষক, উদ্যোগপতি, ক্ষুদ্র শিল্পের শ্রমিক, কারিগর এবং দোকানদাররা সবসময়ই আমাকে আশীর্বাদে ভরিয়ে দিয়েছেন।

আর বন্ধুগণ,

তখনও আমি কংগ্রেস এবং এসপি-বিএসপি–কে বলেছিলাম—তারা যেন তাদের বিষাক্ত রাজনীতি পরিত্যাগ করে এবং উন্নয়নের ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে। 

বন্ধুগণ,

এই দলগুলি তাদের বিষাক্ত রাজনীতি পরিবর্তন করেনি, কিন্তু ভারতীয় জনতা পার্টি তার নীতি, তার কাজ এবং উদ্দেশ্যকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। মীরাট মেট্রো নিজেই তার একটি উদাহরণ।

বন্ধুগণ,

২০১৪ সালের আগে ভারতে মেট্রো পরিষেবার প্রসার ছিল অত্যন্ত ধীরগতির। কংগ্রেস সরকারের সময় মাত্র ৫টি শহরে মেট্রো চলত। কিন্তু আজ বিজেপি সরকারের অধীনে দেশের ২৫টিরও বেশি শহরে মেট্রো পরিষেবা চালু রয়েছে। ভারত এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্কের অধিকারী।

উত্তর প্রদেশেও মীরাট ছাড়াও আরও একাধিক শহরে মেট্রো প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। 

বন্ধুগণ,

গত ১১ বছরে এক ডজনের বেশি শহরকে মেট্রো পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে, কারণ ভারতীয় জনতা পার্টি সরকার মানুষের সুবিধাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে চায়—যাতে নাগরিকরা যানজট ও দূষণমুক্ত দ্রুতগতির যাতায়াতের সুবিধা পান। সেই কারণেই আজ নমো ভারত-এর মতো আধুনিক সেমি-হাই-স্পিড ট্রেন চলছে, পাশাপাশি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস–ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পরিষেবা দিচ্ছে।

বন্ধুগণ,

যখন কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টি–এর সরকার ছিল দিল্লিতে, তখন এসব কিছুই সম্ভব হয়নি। সেই সময় পরিকাঠামো প্রকল্পগুলির দুর্নীতির জালে হারিয়ে যেত। এমনকি মেট্রো ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত প্রযুক্তিও বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো। আমরা দুর্নীতির অবসান ঘটিয়েছি এবং দেশকে আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিয়েছি। কারণ বিজেপির অগ্রাধিকার হলো দেশের উন্নয়ন, নাগরিকদের সুবিধা ও সমৃদ্ধি।

এখানেই দেখুন—মীরাট এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের মানুষের জীবন কীভাবে বদলে যেতে চলেছে। সরাই কালে খান, আনন্দ বিহার টার্মিনাল, গাজিয়াবাদ এবং মীরাটে রেলস্টেশন, মেট্রো স্টেশন ও বাস টার্মিনাস একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। দেশে এই প্রথম নমো ভারত ও মেট্রো রেল একই স্টেশন ও একই লাইনে চলবে। অর্থাৎ এক প্ল্যাটফর্ম থেকেই শহরের ভেতরে যাতায়াত করা যাবে, আর সেই একই স্টেশন থেকেই সরাসরি দিল্লি যাওয়া সম্ভব হবে।

প্রতিদিন যেসব হাজার হাজার মানুষ পড়াশোনা, চাকরি বা অন্যান্য কাজের জন্য মীরাট থেকে দিল্লি যাতায়াত করেন, তারা এর সুফল পাবেন। যারা দিল্লিতে কাজ করেন কিন্তু মীরাটে থাকেন, তাদের আর দিল্লিতে বাড়ি ভাড়া নিতে বাধ্য হতে হবে না।

বন্ধুগণ,

আজ ভারতীয় জনতা পার্টি–র ডাবল ইঞ্জিন সরকার আধুনিক পরিকাঠামোর জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছে। এর ফলে শুধু আপনাদের অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে না, বরং যুবসমাজের জন্য নতুন কর্মসংস্থানও তৈরি হচ্ছে। পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে দেখুন—নতুন এক্সপ্রেসওয়ে নির্মিত হচ্ছে, ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডর গড়ে উঠছে, আর জেওয়ারে একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরি হচ্ছে। নোয়েডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর–এর মতো প্রকল্প নির্মাণকালে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, আর পরে নতুন শিল্প ও ব্যবসার সুযোগ এনে দিয়ে আরও কাজের সুযোগ তৈরি করে।

 

বন্ধুগণ,

উত্তরপ্রদেশের এই ভূমি শ্রমের ভূমি, সৃষ্টির ভূমি। কৃষক, পশুপালক, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, তাঁতি, কারিগর—সকলেই ঐতিহ্য ও উন্নয়নের মন্ত্রকে বাস্তবে রূপ দিচ্ছেন। ভারত শক্তিশালী হলে উত্তর প্রদেশের এই সকল সহযাত্রীরাও উপকৃত হন।

বন্ধুগণ,

আজ আপনারা দেখছেন, ভারতের প্রতি বিশ্বের কতটা আস্থা তৈরি হয়েছে, কতটা আশা জেগেছে মানুষের মনে। বহু উন্নত দেশ ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করছে। একসময় কংগ্রেস সরকারের পক্ষে উন্নত দেশগুলির সঙ্গে চুক্তি করা সম্ভব হতো না, করতেও চাইলে নানা বাধার মুখে পড়তে হতো। কারণ দুর্নীতির জন্য কংগ্রেস সরকার কুখ্যাত ছিল, ফলে বিশ্বের দেশগুলি তাদের সঙ্গে কাজ করতে দ্বিধাবোধ করত। কিন্তু আজ উন্নত দেশগুলি ভারতের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করতে আগ্রহী। তারা ভারতের উন্নয়নের মধ্যেই নিজেদের ভবিষ্যৎ দেখছে, ভারতের যুবশক্তির মধ্যেই আশা খুঁজে পাচ্ছে। আজ বিশ্ব বিশ্বাস করে ২১ শতকের চ্যালেঞ্জগুলোর সমাধান দিতে পারে ভারতই।

 বন্ধুগণ,

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারতীয় জনতা পার্টি সরকারের করা চুক্তিগুলি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বড় উপকার করবে। এর ফলে মীরাট–এর ক্রীড়া সামগ্রী প্রস্তুতকারকরা, মীরাটের কাঁচি শিল্প, খুরজা–র মৃৎশিল্প (ক্রোকারি), মোরাদাবাদ–এর পিতল শিল্প, বাগপত–এর হোম ফার্নিশিং শিল্প, সাহারানপুর–এর কাঠের নকশা শিল্প, পাশাপাশি চামড়া, বস্ত্র ও গয়না শিল্পের সঙ্গে যুক্ত উদ্যোগপতিরাও বিপুলভাবে লাভবান হবেন। এই সমস্ত ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প নতুন সুযোগ পাবে। ভারতের ছোট-বড় শহরের শক্তিকে বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া এবং উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জেলার স্বকীয় পরিচিতিকে শক্তিশালী করাই বিজেপির অগ্রাধিকার।

বন্ধুগণ,

আমাদের মীরাট এবং এই সমগ্র অঞ্চল ক্ষুদ্র শিল্প ও এমএসএমই-র একটি প্রধান কেন্দ্র। চলতি বছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে ক্ষুদ্র শিল্পের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে উত্তর প্রদেশের এমএসএমই-গুলির জন্য ঋণ পাওয়া অনেক সহজ হবে। বাজেটে বস্ত্র শিল্প ও তাঁতি সম্প্রদায়ের জন্য ‘মহাত্মা গান্ধী গ্রাম স্বরাজ যোজনা’ ঘোষণাও করা হয়েছে। এর মাধ্যমে খাদি, হ্যান্ডলুম ও হস্তশিল্পের পণ্য বিশ্ববাজারে পৌঁছাতে আরও সহায়তা মিলবে।

 

বন্ধুগণ,

আগে ক্ষুদ্র কারিগরেরা কুরিয়ারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পণ্য পাঠাতে পারতেন। এখন সেই সীমা সম্পূর্ণভাবে তুলে নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ মীরাট ও সমগ্র উত্তর প্রদেশের তাঁতি ও ক্ষুদ্র উদ্যোগপতিরা এখন সহজেই অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে আমেরিকা বা ইউরোপের ক্রেতাদের কাছে তাদের পণ্য পাঠাতে পারবেন।

বন্ধুগণ,

মীরাট–হাপুড় অঞ্চল এবং আশেপাশের এলাকায় শুরু থেকেই চৌধুরী চরণ সিং–এর স্বপ্ন ও দর্শনের প্রভাব বিদ্যমান। আমাদের সরকারের সৌভাগ্য হয়েছে তাঁকে ‘ভারত রত্ন’ সম্মানে ভূষিত করার। তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করে ভারতীয় জনতা পার্টি–র ডাবল ইঞ্জিন সরকার কৃষকদের আয় বাড়াতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে চলেছে। এ জন্য খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি–র অর্থও ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক প্রমাণিত হয়েছে। এখনও পর্যন্ত উত্তরপ্রদেশের কৃষকরা প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির আওতায় প্রায় ৯৫ হাজার কোটি টাকা পেয়েছেন। মীরাটের কৃষকরাই পেয়েছেন প্রায় ৮০০ কোটি টাকা।
ভাই ও বোনেরা,

একদিকে দেশের নাগরিকরা দিনরাত পরিশ্রম করছেন ভারতকে উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে। কিন্তু দেশের কিছু রাজনৈতিক দল ভারতের এই সাফল্য সহ্য করতে পারে না। আপনারা দেখেছেন, বিশ্বের বৃহত্তম এআই সম্মেলন ভারতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৮০-রও বেশি দেশের প্রতিনিধিরা দিল্লিতে এসেছিলেন। প্রায় ২০টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ভারত সফর করেছেন। দেশের নানা প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ দিল্লিতে উপস্থিত হয়েছিলেন। এর আগে কোনো উন্নয়নশীল দেশে এমন সম্মেলন হয়নি।

 

আমি মীরাটবাসীর কাছে জানতে চাই—এই এআই সম্মেলন নিয়ে আপনারা গর্ব অনুভব করেছেন কি না? জোর দিয়ে বলুন—গর্ব অনুভব করেছেন কি না? আপনাদের মাথা কি উঁচু হয়েছে, না হয়নি? আপনাদের বুক কি গর্বে ভরে উঠেছে, না হয়নি? এটি কি ভারতের জন্য হয়েছে, না হয়নি? এটি কি ভারতের যুবসমাজের জন্য হয়েছে, না হয়নি? এটি কি ভারতের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য হয়েছে, না হয়নি? এটি কি ২১ শতকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য হয়েছে, না হয়নি?
সমগ্র দেশ যখন গর্বে উজ্জ্বল, তখন কংগ্রেস এবং তাদের ইকোসিস্টেম কী করেছে?

বন্ধুগণ,

কংগ্রেস ভারতের একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানকে তাদের নোংরা ও লজ্জাজনক রাজনীতির ময়দানে পরিণত করেছে। বিদেশি অতিথিদের সামনে অনুষ্ঠানস্থলে কংগ্রেসের নেতারা এসে নিজেদের পোশাক খুলে প্রতিবাদ দেখিয়েছেন। আমি কংগ্রেস নেতাদের জিজ্ঞাসা করি—রাজনৈতিকভাবে যে আপনারা আগেই নগ্ন হয়ে গিয়েছেন, তা তো সবাই জানে; তাহলে আবার পোশাক খোলার প্রয়োজন কী ছিল? সেখানে কংগ্রেস নেতারা যা করেছেন, তা প্রমাণ করে দেশের প্রাচীনতম এই দলটি কতটা আদর্শগতভাবে দেউলিয়া ও নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।

বন্ধুগণ,

এ কথা কেউ কল্পনাও করতে পারে না। আমরা তো এমন সংস্কৃতির মানুষ—গ্রামে কোনো বিয়ে হলে পুরো গ্রাম একজোট হয়ে সেটিকে সফল করে তোলে, যাতে অতিথিরা গ্রামের সম্পর্কে ভালো ধারণা নিয়ে ফিরে যান। আর কংগ্রেস নিজের দেশেরই বদনাম করতে ব্যস্ত।

বন্ধুগণ,

কংগ্রেস নেতারা মোদিকে ঘৃণা করেন। তারা আমার কবর খুঁড়তে চান, আমার মাকে অপমান করতেও দ্বিধা করেন না। তারা বিজেপির বিরোধিতা করেন, এনডিএ–র বিরোধিতা করেন। ঠিক আছে, তাদের রাজনীতির জন্য যদি তা প্রয়োজন হয়, আমরা তা বুঝতে ও সহ্য করতে পারি। কিন্তু কংগ্রেসের মনে রাখা উচিত ছিল, এআই গ্লোবাল সামিট কোনো বিজেপির অনুষ্ঠান ছিল না, সেখানে কোনো বিজেপি নেতা উপস্থিতও ছিলেন না। এটি ছিল একটি জাতীয় অনুষ্ঠান, জাতীয় গৌরবের বিষয়, যা দেশের মানুষের ঘাম ও পরিশ্রমে গড়ে উঠেছে। তবুও কংগ্রেস শালীনতার সমস্ত সীমা অতিক্রম করেছে।

সমগ্র দেশ আজ কংগ্রেসের এই আচরণের নিন্দা করছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, এত প্রাচীন একটি দলের নেতারা লজ্জিত হওয়ার বদলে নির্লজ্জভাবে তাদেরই প্রশংসা করছেন, যারা দেশের অপমান করেছে। কংগ্রেসের এই আচরণ নতুন নয়, বরং ধারাবাহিক। সংসদে তারা কী করেছে, তা আপনারা দেখেছেন—নিজেরা কার্যকর ভূমিকা রাখতে না পেরে তারা তাদের মিত্রদেরও কথা বলতে দেয় না, সংসদ চলতে দেয় না। আর সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয় কংগ্রেসের মিত্র দলগুলোরই। তারাও এখন বিষয়টি বুঝতে পারছে। দিল্লিতে কংগ্রেস যে নির্লজ্জ আচরণ করেছে, তাতে তাদের বহু মিত্র স্তম্ভিত হয়ে এখন নিজেদের দূরে সরিয়ে নিয়েছে। 

 আমি দেশের সংবাদমাধ্যমের কাছেও বিনম্র অনুরোধ জানাতে চাই। আমি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, যেন সংবাদমাধ্যম থেকে আসা সবকিছু সহ্য করার শক্তি তিনি আমাকে দেন। কিন্তু আজ আমি তাদের অনুরোধ করছি—যখন আমরা এই ধরনের কাজের সমালোচনা করি, তখন দয়া করে শিরোনাম করবেন না “মোদী বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ করলেন।” কংগ্রেসকে বাঁচানোর এই কৌশল বন্ধ করুন। “বিরোধী” শব্দ ব্যবহার করে আপনারা কংগ্রেসকে আড়াল করেন, অথচ অন্য বিরোধী দলগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাপ করে কংগ্রেস, কিন্তু মূল্য চোকাতে হয় অন্যদের। কংগ্রেসের ইকোসিস্টেম সবসময় এই খেলাই খেলে—পাপ করে কংগ্রেস, সমালোচনা হয় কংগ্রেসকে লক্ষ্য করে, ক্ষোভও কংগ্রেসের বিরুদ্ধে থাকে, কিন্তু সংবাদমাধ্যমে দেখা যায় শুধু “বিরোধী,” কংগ্রেস নয়। কেন কংগ্রেসকে রক্ষা করছেন? এতে আপনারা না কংগ্রেসকে বাঁচাতে পারছেন, না তাদের সংশোধনের সুযোগ করে দিচ্ছেন।

পরিষ্কারভাবে লিখুন—দোষ কংগ্রেসের। তাহলেই দেখতে পাবেন তফাৎটা কি। দিল্লিতে কি তৃণমূল কংগ্রেস কোনো দোষ করেছে? না। ডিএমকে কি কোনো দোষ করেছে? না। বহুজন সমাজ পার্টি কি কোনো দোষ করেছে? না। ন্যাশনাল কনফারেন্স কি কোনো দোষ করেছে? না। একমাত্র বেপরোয়া কংগ্রেস নেতারাই দেশকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিতে উদ্যত। যদি প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে চান, আগে জনগণের হৃদয় জয় করতে হবে। মহিলা সাংসদদের জোর করে আসন দখলে পাঠিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়া যায় না। কেন মা-বোনদের এভাবে সামনে ঠেলে দিচ্ছেন? আপনারা কি এতটাই অন্তঃসারশূন্য হয়ে পড়েছেন?

বন্ধুগণ,

কংগ্রেস আজ দেশের বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিল্লির ঘটনার পর কংগ্রেসের সমস্ত মিত্র যে সাহসের সঙ্গে কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা করেছে, তাতে আমি সন্তুষ্ট। সত্যের পাশে এবং জাতীয় গৌরবের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমি প্রকাশ্যে সেই বিরোধী মিত্রদের ধন্যবাদ জানাই।

বন্ধুগণ,

ভারতীয় জনতা পার্টি সরকারের কাছে দেশ এবং উত্তর প্রদেশ–এর উন্নয়নই সর্বাগ্রে। কিন্তু মনে করুন, দশ বছর আগে উত্তর প্রদেশ কোন পরিচয়ে পরিচিত ছিল? সবাই কথা বলত মীরাট–এর দাঙ্গা, পশ্চিম উত্তর প্রদেশের অপরাধী চক্র, খারাপ রাস্তা, বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও পশ্চাৎপদতার কথা। পশ্চিম উত্তর প্রদেশের অপরাধ নিয়ে চলচ্চিত্র তৈরি হতো। সমাজবাদী পার্টি সরকারের আমলে উত্তর প্রদেশের এই অবস্থাই হয়েছিল। কিন্তু আজ উত্তরপ্রদেশ উন্নয়নের জন্য পরিচিত। আজ আমাদের উত্তর প্রদেশ পরিচিত ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন, মোবাইল ফোন নির্মাণ, আধুনিক বিমানবন্দর এবং পর্যটন পরিকাঠামোর বিস্তারের জন্য। ক্রীড়া ক্ষেত্রেও উত্তর প্রদেশ নতুন পরিচয় গড়ে তুলছে। মীরাটে স্পোর্টস ইউনিভার্সিটির কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।

বন্ধুগণ,

সমাজবাদী পার্টি–র শাসনকালে অপরাধীরা নির্ভয়ে ঘুরে বেড়াত। আজ যোগী আদিত্যনাথ–এর সরকারের আমলে তারা জেলে দিন কাটাচ্ছে। কলেজ থেকে বেরিয়ে আসা আমাদের কন্যাদের অসম্মান করার সাহস আজ আর কেউ দেখাতে পারে না।

বন্ধুগণ,

যখন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়, তখন ব্যবসা-বাণিজ্য ও দোকানপাটের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়। সেই কারণেই আজ উত্তর প্রদেশের অর্থনীতি দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। যোগীজির নেতৃত্বে উত্তর প্রদেশ দেশের এক বৃহৎ উৎপাদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠছে। গতকালই উত্তর প্রদেশের প্রথম সেমিকন্ডাক্টর কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সুযোগ আমার হয়েছে। এই কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে উত্তরপ্রদেশের শক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে। নতুন বিনিয়োগ ও নতুন কর্মসংস্থানের অসাধারণ সুযোগ তৈরি হবে।

আমি আপনাদের আশ্বাস দিচ্ছি—ভারতীয় জনতা পার্টি–র ডাবল ইঞ্জিন সরকার উত্তর প্রদেশকে দেশের সর্ববৃহৎ অর্থনীতিতে পরিণত করতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাবে। উত্তরপ্রদেশ উন্নত হলে তবেই ভারত উন্নত হবে।

নমো ভারত ট্রেন ও মেট্রো প্রকল্পের জন্য আপনাদের সকলকে আবারও আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমরা ‘বন্দে মাতরম্’–এর ১৫০ বছর উদযাপন করছি। আসুন, সবাই একসঙ্গে বলি—
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!
বন্দে মাতরম্!

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
New Smart Drug RK-251 Developed as Replacement for Chemotherapy

Media Coverage

New Smart Drug RK-251 Developed as Replacement for Chemotherapy
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
The world is seeing India as a bright spot of growth and hope: PM Modi at Economic Times World Leaders Forum 2026
August 21, 2026
The world sees India as a bright spot for growth and hope: PM
Today, India is implementing next-generation reforms at the policy level and undertaking reforms at governance level: PM
Increasing production was met with punishment earlier but today, our government is providing incentives for boosting production
India has political stability and continuity in its policies: PM
Earlier, the approach of regulations was, 'prohibited unless permitted’; We are changing this approach and taking it towards 'permitted unless prohibited’: PM
The relationship between the government and citizens should be based on trust, not suspicion: PM
Today, we are shaping policies that are pro-people, pro-growth and pro-development: PM

World Leaders Forum का ये प्रतिष्ठित मंच, Business और Industry की दुनिया के सभी जाने माने दिग्गज, पॉलिसी मेकर्स, अन्य महानुभाव, देवियों और सज्जनों।

आप सबके बीच आकर के खुश होना बहुत स्वाभाविक भी है। इस साल समिट का फोकस Shared Future पर है। पिछले कुछ वर्षों में दुनिया ने अनेक उतार-चढ़ाव देखे हैं। और इन अनुभवों ने एक बात बहुत स्पष्ट कर दी है, कोई चाहे या ना चाहे, हर देश का भविष्य, उसका फ्यूचर, एक-दूसरे से जुड़ा हुआ ही है, Isolation में कुछ संभव नहीं है। इसीलिए Shared Futures की ये theme, आज और भी अधिक प्रासंगिक हो गई है। और भारत तो हमेशा से इसी भावना को लेकर चला है। जी-20 की अध्यक्षता में इसलिए ही भारत का मंत्र रहा, One Earth, One Family, One Future. Shared Future की ये भावना और इसके साथ जुड़ा दायित्वबोध, 21वीं सदी के इस विश्व की अनेक समस्याओं का समाधान देता है।

साथियों,

आज दुनिया में growth को लेकर के कई तरह की चिंताएं हैं। दुनिया ने बड़ा भयंकर एक रूप देखा है इन दिनों। Resources का वेपनाइजेशन हो रहा है। अविश्वास का वातावरण विश्व के लिए अनेक नई चुनौतियां लेकर के आ रहा है। लेकिन ऐसे समय में भी, दुनिया भारत को growth और hope के bright spot के रूप में देख रही है। भारत ने पिछले 10-12 साल में अपनी 25 करोड़ आबादी को गरीबी से बाहर निकाला है। इतना ही नहीं, अगर आने वाले दिनों की चर्चा करें, तो IMF का forecast है कि भारत दुनिया की fastest growing major economy बना रहेगा। और भारत निरंतर वो कदम उठा रहा है, जो उसके विकास को गति दे रहे हैं।

Friends,

अभी पिछले हफ्ते ही, 15 अगस्त को मैंने लाल किले से सप्त-धारा की सप्त-शक्तियों की बात की है। मैन्यूफैक्चरिंग, टेक्नोलॉजी और इनोवेशन, फूड प्रोसेसिंग, ग्रीन और ब्लू इकोनॉमी समेत, मैंने ऐसे सात सेक्टर्स की बात की है, जिन पर भारत का आज बहुत ज्यादा फोकस है। और इसलिए भारत आज, Policy level पर, नेक्स्ट जनरेशन reforms कर रहा है, ताकि हमारा future सुरक्षित हो। Governance पर reforms कर रहा है, Ease of Living के लिए reforms कर रहा है। पिछली बार जब मैं इसी मंच के माध्यम से आपसे जुड़ा था, तब भी मैंने कहा था, ये Reforms हमारे लिए Compulsion नहीं है। ये हमारा commitment है, ये हमारा conviction है।

साथियों,

2014 में, जब हमारी सरकार बनी, तो उसके बाद से ही रिफॉर्म्स ने कैसे देश की दिशा और दशा बदली है, मैं इसका एक बहुत दिलचस्प उदाहरण आपको देना चाहता हूं। यहां मौजूद शायद ही किसी को PLP के बारे में पता होगा, कोई है, जिसको PLP के बारे में पता है? अपना हाथ उठाएं। यहां इतने मीडिया के दिग्गज बैठे हैं, PLP आपको पता है? और आप सुनकर के हैरान हो जाएंगे। PLP यानी प्रोडक्शन लिंक्ड पनिशमेंट, इसके बारे में किसी को पता नहीं है। और एक दूसरा टर्म आपने जरूर सुना है PLI, ये ज्यादातर लोगों को पता होगा। PLI- यानी प्रोडक्शन लिंक्ड इंसेंटिव।

साथियों,

ये दोनों टर्म, भारत के दो अलग-अलग Time Period को डिफाइन करते हैं। आजकल Explainer का जमाना है, तो मैं आपको Explain करता हूं।

साथियों,

आज की युवा पीढ़ी को ये सुनकर हैरानी होगी, कि हमारे देश में एक समय ऐसा भी था, कि अगर कोई कंपनी तय लिमिट से ज्यादा प्रॉडक्शन कर दे, तो उसे पनिशमेंट दिया जाता था। ये पहले की लाइसेंस राज वाली सरकारों का, PLP यानी प्रोडक्शन लिंक्ड पनिशमेंट मॉडल था। ऐसे भी उदाहरण रहे हैं कि अगर किसी फैक्ट्री ने ज्यादा डिमांड देखते हुए ज्यादा प्रॉडक्शन कर दिया, तो उसे नोटिस भेज दिया जाता था। मजबूरी में वो कंपनी अपना प्रॉडक्ट मार्केट में बेचने के बजाय, उसे खुद ही नष्ट कर देती थी।

साथियों,

आज जो लोग Make In India और आत्मनिर्भर भारत अभियान का मजाक उड़ाते हैं, उनके पुरखों की सोच यही थी, PLP यानी प्रोडक्शन लिंक्ड पनिशमेंट। ऐसा करने के पीछे एक विशेष तरह की विकृत मानसिकता काम करती थी। ऐसी मानसिकता वाले लोग हमेशा चाहते थे कि जरूरी चीजों की किल्लत बनी रहे। देश के नागरिकों को अभाव में रखना उनकी पॉलिसी थी। वो चाहते थे कि जनता उनके सामने हाथ जोड़े, हाथ फैलाए, आप समझ गए मैं किन लोगों की बात कर रहा हूं। लोगों से हाथ जुड़वाने के बाद उपकार करना, उन सरकारों का तरीका था, इसलिए वो प्रोडक्शन लिंक्ड पनिशमेंट मॉडल पर चलते थे। आप कल्पना कर सकते हैं, ऐसे करके उन लोगों ने Employment Generation के बेसिक principal का गला घोंट दिया था। और हैरानी ये, इन लोगों के दरबारियों ने again I repeat, इन लोगों के दरबारियों ने, कभी इसके खिलाफ कोई आवाज नहीं उठाई।

साथियों,

हर reform की शुरुआत सबसे पहले, आपके सोचने के तरीके, आपके मानसिक, किस रेंज में आप काम कर रहे हैं, इस सोच के reform से ही होती है। जहां पहले production बढ़ाने पर पनिशमेंट मिलता था, वहीं आज हमारी सरकार production बढ़ाने पर incentive दे रही है। और आज PLI स्कीम की सक्सेस दुनिया देख रही है। सिर्फ इस एक योजना की वजह से, मैं सारी योजनाओं की बात नहीं करता हूं, एक की बात करता हूं, करीब ढाई लाख करोड़ रुपए का actual investment हुआ है। 22 लाख करोड़ रुपए से ज्यादा का production और sales हुई है। 15 लाख करोड़ रुपए से ज्यादा का exports हुआ है, और 14 लाख से ज्यादा direct और indirect jobs बनी हैं। और मैं फिर याद दिलाउंगा, ये आंकड़े सिर्फ एक स्कीम के हैं। आप सोचिए, पहले का लाइसेंस राज वाली सरकार का पनिशमेंट मॉडल जहां बेरोजगारी बढ़ाता था, वहीं आज का हमारा incentive मॉडल लाखों नई जॉब्स क्रिएट कर रहा है।

साथियों,

आज भारत में ये तेज विकास, ये तेज रिफॉर्म इसलिए हो रहे हैं, क्योंकि भारत में और जिसका अभी सत्य ने उल्लेख किया, political stability है, हमारी policy में continuity है। पहले देश में रिफॉर्म्स की बात करने वाले घोषणा तो कर देते थे, बाद में भूल जाते थे। लेकिन हमने रिफॉर्म्स को लेकर एक क्लियर रोडमैप बनाया। इस रोडमैप की प्रमुख दिशा रही है- गवर्नेंस लेवेल के रिफॉर्म्स हों! इसके लिए, आज 21वीं सदी के भारत में, हम सिर्फ regulations नहीं बदल रहे हैं, हम regulation की पूरी philosophy बदल रहे हैं। पहले regulations की अप्रोच थी- “Prohibited unless permitted.” यानी जब तक सरकार इजाजत ना दे, तब तक आप वो काम नहीं कर सकते। हम इस approach को बदलकर, “Permitted unless prohibited” की तरफ ले जा रहे हैं। यानी, जो काम कानून ने स्पष्ट रूप से मना नहीं किया है, उसके लिए हर कदम पर permission की कोई जरूरत नहीं होनी चाहिए। और इसके पीछे सोच बहुत सीधी है, सरकार और नागरिक के रिश्ते का आधार, Suspicion नहीं, trust होना चाहिए।

साथियों,

यही सोच आपको Jan Vishwas बिल में भी दिखाई देती है। मैं मानता हूं, हर procedural गलती को criminal offence मान लेना ठीक नहीं है। इसीलिए अनेक offences को decriminalise किया गया है। कई मामलों में जेल की जगह केवल आर्थिक penalty का प्रावधान किया गया है। Government और enterprise के रिश्ते में, हम इसी reform mindset को आगे बढ़ा रहे हैं। बीते वर्षों में 40 हजार से ज्यादा compliances हटाए गए हैं, 40 thousand. डेढ़ हजार से ज्यादा, 15 hundred, डेढ़ हजार से ज्यादा, पुराने और बेकार हो चुके कानून हमने खत्म किए, और जब इन सारे reforms को एक साथ देखते हैं, तो अंदाजा होता है, हमारी industries और businesses के कंधों से कितना बड़ा बोझ कम हुआ है।

साथियों,

गवर्नेंस रिफॉर्म्स की इस प्रक्रिया, उस पर हम निरंतर काम कर रहे है। अभी संसद के मॉनसून सत्र में हमने ‘बैंकर्स बुक एविडेंस बिल’ पारित किया है। और वो भी तब जब विपक्ष ने संसद में लगातार गतिरोध बनाया हुआ था। हमने देश की सेवा करने का काम रूकने नहीं दिया। अब इस कानून ने 19वीं सदी के अंग्रेजी कानून को रिप्लेस किया है। अब बैंकों के डिजिटल रिकॉर्ड्स की स्वीकार्यता को कानूनी मान्यता दी गई है। इससे कानूनी उलझनें कम होंगी, सिस्टम में पारदर्शिता होगी, Ease of Doing Business बढ़ेगा।

साथियों,

गवर्नेंस में रिफॉर्म का एक मतलब ये भी है कि सिस्टम ऐसे बनें, जिसमें एक-एक मानव जीवन और उसके समय के प्रति संवेदनशीलता हो। मैं रेलवे का उदाहरण देता हूं। हमारी रेलवेज में भी इसी अप्रोच के साथ काम हुआ है। आज साढ़े 6 हजार से ज्यादा रेलवे स्टेशनों पर इलेक्ट्रॉनिक इंटरलॉकिंग की व्यवस्था है। 10 हजार से ज्यादा लेवल क्रॉसिंग गेट्स को भी इंटरलॉकिंग से जोड़ा जा चुका है। इससे ह्यूमन एरर से होने वाले हादसों की आशंका बहुत कम हुई है।

साथियों,

जब 2014 में हमारी सरकार आई, तो करीब 9 हजार फाटक ऐसे थे जो Un-Manned थे। इन्हें हटाना कोई रॉकेट साइंस नहीं था। Un-Manned क्रॉसिंग्स की वजह से हजारों लोगों को अपनी जान गंवानी पड़ी, लेकिन पहले की सरकारों को इससे बहुत फर्क नहीं पड़ता था। हमने मिशन मोड में, गत दस वर्ष में, इन Un-Manned क्रॉसिंग्स को समाप्त कर दिया। हमने रोड ओवर ब्रिज और रोड अंडर ब्रिज बनाने की गति भी कई गुना बढ़ा दी। और इसी का नतीजा है कि 2014 के पहले के मुकाबले ट्रेन दुर्घटनाओं की संख्या में Ninety Percent तक की कमी आई है, 90, Ninety Percent. 12 साल पहले जहां एक साल में करीब डेढ़ सौ रेल दुर्घटनाएं होती थीं, वहीं अब इनकी संख्या घटकर 15-20 रह गई है। और हम इसे और कम से कम करने का प्रयास लगातार कर रहे हैं।

साथियों,

Railways में स्वच्छता भी गवर्नेंस रिफॉर्म का एक बड़ा उदाहरण है। एक समय था, जब रेल पटरियों पर गंदगी और human waste एक बड़ी समस्या हुआ करती थी। आज स्थिति पूरी तरह बदल गई है। 2014 से पहले हमारी ट्रेनों में जहां लगभग 12 हजार बायो-टॉयलेट्स लगाए गए थे, वहीं 2014 के बाद ट्रेनों में 3 लाख 60 हजार से ज्यादा बायो-टॉयलेट्स लगाए गए हैं। यानी, 97 प्रतिशत से ज्यादा बायो-टॉयलेट्स पिछले 12 वर्षों में लगे हैं। ये बदलाव सिर्फ सफाई का नहीं, यात्रियों की गरिमा, स्वच्छता और आधुनिक भारत के निर्माण की दिशा में गवर्नेंस का एक नया मॉडल है। ये करोड़ों यात्रियों को बेहतर अनुभव देने का अभियान भी है।

साथियों,

गवर्नेंस की क्वालिटी का एक और पैमाना, और वो पैमाना है - समय। जो प्रोजेक्ट शुरू हो, वो समय पर पूरा हो। और जो सर्विस लोगों को मिले, वो भी समय की कसौटी पर खरी उतरे। दिल्ली-मेरठ नमो भारत रैपिड रेल सिस्टम इसका बहुत अच्छा उदाहरण है। इस कॉरिडोर पर 160 किलोमीटर प्रति घंटे की रफ्तार से ट्रेनें चल रही हैं। ये हमारे देश में पहले कभी सोचा नहीं जा सकता था। अब तक 4 करोड़ से ज्यादा यात्री इसमें ट्रैवल कर चुके हैं। और इसका एक और अहम फैक्टर है, जिसकी चर्चा नहीं होती है। दिल्ली मेरठ नमो भारत रैपिड रेल की पंक्चुअलिटी 99.9 परसेंट है। वरना हम तो हर चीज में कहते हैं, लेट हो तो कहते थे, ये तो इंडियन टाइम है। वक्त बदला है, ये मैं छोटी-छोटी चीजें इसलिए बताता हूं, कि हमें अंदाज आए कि कितने बड़े व्यापक स्तर पर काम हो रहा है। इसी तरह, Delhi Metro की पंक्चुअलिटी। Delhi Metro की पंक्चुअलिटी 99.9 परसेंट है। और ये punctuality, New York, Hong Kong और Paris जैसे शहरों की Metro से करीब-करीब बराबर हो चुकी है। ये सिर्फ समय पर चलती हुई Metro और नमो रेपिड रेल की कहानी नहीं है, ये समय के साथ बदलते हुए भारत की पहचान है। मैं जानता हूं कि अभी भी, और र्मैं कोई इतने से संतोष मानकर बैठने वाला व्यक्ति नहीं हूं, अभी भी इस दिशा में हमें बहुत कुछ करना है, बहुत कुछ बाकी है, लेकिन हम लगातार कर रहे हैं। लेकिन एक शुरूआत तो हुई है और ये शुरुआत सराहनीय है।

साथियों,

हमारे रिफॉर्म्स रोडमैप का एक और बड़ा आयाम है- पॉलिसी लेवल पर होने वाले रिफॉर्म्स! आज हम ऐसी policies बना रहे हैं, जो pro-people हों, Pro-growth हों, pro development हों! पॉलिसीज़ देश और देश के लोगों की जरूरत के हिसाब से होनी चाहिए न कि पॉलिसीज़ बनाकर देश को उनके हिसाब से चलने को मजबूर होना पड़े! मैं आपको एक और Interesting उदाहरण देना चाहता हूं। कुछ साल पहले तक हमारे यहाँ देश का नक्शा बनाना भी गैर-कानूनी था, मैप बनाए तो गैर कानूनी था, आप जेल चले जाएंगे। बिना परमिशन के आप देश में मैपिंग का काम भी नहीं कर सकते थे। आप सोचिए, विदेशी सैटेलाइट टेक्नोलॉजी के जरिए भारत के किसी भी कोने को मैप कर सकती थी, लेकिन भारत में भारतीयों पर भारत का मैप बनाने पर पाबंदी लगी हुई थी।

साथियों,

आज टेक्नोलॉजी के इस दौर में, इस एक पाबंदी से कितने स्टार्टअप्स की हत्या हो सकती थी! कितने ideas implement होने से वंचित रह सकते थे! हमने इस व्यवस्था को भी बदला। हमने Geospatial डेटा का Deregulation किया और आज Geospatial डेटा कितने ही स्टार्टअप्स का आधार बन रहा है।

साथियों,

आज आप लगातार ड्रोन्स की उपयोगिता बढ़ते हुए देख रहे हैं। एग्रीकल्चर में, डिफेंस में, डिलिवरी में, शूटिंग में, कंटेंट क्रिएशन में, ये सब संभव ही नहीं होता, अगर सरकार ने इससे जुड़े नियमों में Reform नहीं किए होते। पहले देश में ड्रोन फ्लाइंग पूरी तरह नियमों में, बंधनों में जकड़ी हुई थी। हमने उसे बंधनों से आजाद किया, और आज भारत की ड्रोन इंडस्ट्री, एक अभूतपूर्व उड़ान के साथ आगे बढ़ रही है।

साथियों,

पहले border areas को लेकर सरकारों की सोच थी कि बॉर्डर पर roads और infrastructure बढ़ेगा, तो उसका फायदा दुश्मन भी उठा सकता है। हमने इस सोच को बदला। हमने कहा, Border infrastructure कमजोरी नहीं, देश की ताकत है। और इसीलिए आज border areas में roads, bridges और tunnels का network तेजी से बढ़ रहा है। सिर्फ 2024 और 2025 में ही, BRO के 250 infrastructure projects देश को समर्पित किए गए हैं। सोच बदली, तो border infrastructure की तस्वीर भी बदल गई।

साथियों,

एक उदाहरण न्यूक्लियर रिफॉर्म्स का भी है। एक ऐसे समय में, जब विकास पूरी तरह से energy dependent है, बंदिशों और प्रतिबंधों के कारण, देश अपने न्यूक्लियर potential का इस्तेमाल नहीं कर पा रहा था। हमने शांति बिल के जरिए इसमें भी बड़ा रिफॉर्म किया है। आज भारत में न्यूक्लियर एनर्जी में प्राइवेट सेक्टर के लिए रास्ता खुल चुका है। इसी तरह, हमने एक बड़ा पॉलिसी रिफॉर्म डिफेंस सेक्टर में भी किया। 200 साल के पहले जो व्यवस्था चली आ रही थी, उसे बदलकर हमने 40 से ज्यादा ordnance फैक्ट्रीज़ को मर्ज करके 7 फैक्ट्रीज़ बना दी। और उसका परिणाम हमें देखने को मिल रहा है। आज भारत अपनी रक्षा जरूरतों के लिए भी आत्मनिर्भर बन रहा है, और 2014 की तुलना में, हमारा डिफेंस एक्सपोर्ट 55 गुना बढ़ा है। और इसलिए, कई बार रिफॉर्म्स हमारे जीवन में इस तरह घुल-मिल जाते हैं कि हमारा उनकी तरफ ध्यान ही नहीं जाता। आप सोचिए, आपका कोई सामान्य दिन आज कैसे बीतता है। आप सुबह उठते हैं, फोन पर घर का सामान ऑर्डर कर देते हैं, और जब तक ऑफिस के लिए रेडी होते हैं, वो सारा सामान आपके घर आकर के पहुंच जाता है। आपकी गली के स्ट्रीट वेंडर से लेकर, आपकी गाड़ी के शो रूम तक, आपकी सारी पेमेंट्स, सिर्फ एक क्यूआर कोड स्कैन करके हो जाती है। अगर आपकी बेटी, किसी दूसरे शहर में पढ़ती है, तो आप फोन से उसे पैसे भेज सकते हैं, और वो पैसा, कुछ सेकंड्स में उसके पास भी पहुंच जाता है। कई बार तो बिटिया क्यूआर ही शेयर कर देती है कि ‘पापा-मां मैंने ये ड्रेस ले ली है, इसकी पेमेंट कर दीजिए, और आप उसकी शॉपिंग अपने घर बैठे-बैठे करवा देते हैं। ये चीजें Remarkable हैं, लेकिन अब ये कोई भारत के लोगों को कम से कम हैरानी नहीं होती, बाहर के लोग आते हैं, उनको आश्चर्य होता है, अच्छा ऐसे होता है। भारत के लोगों का रूटीन हो गया है। ये भारत के सामान्य मानवी के जीवन का हिस्सा बन चुका है। आप सोचिए, 2014 से पहले ऐसी कितनी ही बातें क्या पॉसिबल थीं?

साथियों,

भारत ने बीते 10-12 सालों में Ease of Living से जुड़े जो रिफॉर्म्स किए हैं, उसकी वजह से लोगों का, खासतौर पर हमारे मिडिल क्लास का जो जीवन बदला है, वो दुनिया के कई विकसित देशों में आज भी एक सपना ही है।

साथियों,

आज दुनिया का सबसे सस्ता डेटा भारत में है, हम सस्ते और अच्छे स्मार्टफोन्स बना रहे हैं। अभी सत्या ने उसका वर्णन किया। भारत दुनिया के fastest 5G rollouts करने वाले देशों में से एक है। हमने आधार को बैंकिंग, मोबाइल कनेक्टिविटी और सर्विसेज से जोड़कर, ई-के.वाई.सी और Digital Authentication जैसी सर्विसेज को पॉसिबल किया है। आज आपको अगर बैंक अकाउंट खोलना है, तो उसके लिए बैंक जाने तक की जरूरत नहीं है। सरकार ने बैंक को ही, आपके पास पहुंचा दिया है। आज चाहे कोई बिल जमा करना हो, कोई टिकट करानी हो, किसी सरकारी दफ्तर में जाने की जरूरत नहीं पड़ती, ये सारा काम ऑनलाइन हो जाता है। इनकम टैक्स की फाइलिंग का काम आसान हुआ है। ऐसी व्यवस्था बनी है कि फॉर्म में मैक्सिमम जानकारियां पहले से भरी होती हैं। आप ये इन्फॉर्मेशन वेरिफाई करते हैं, कुछ जोड़ना है तो जोड़ देते हैं, और सबमिट करते हैं, आपका काम पूरा हो जाता है। पहले जो रिफंड आने में महीनों लगते थे, अब वो भी कुछ ही दिनों में आ जाता है।

साथियों,

आज ई-संजीवनी की मदद से, शायद इसकी चर्चा अभी बहुत कम होती है, ई-संजीवनी की मदद से, गांव के दूर दराज के लोग भी, कहीं से भी डॉक्टर्स के साथ सीधी अपनी चर्चा करके अपने उपचार का रास्ता लेते हैं। और इससे जिन लोगों को अस्पताल जाने के लिए कई किलोमीटर का सफर करना पड़ता था, आज डॉक्टर उनके घर पर, उनकी स्क्रीन पर उपलब्ध है। अब तक ये आंकड़ा भी आपको जरूर आश्चर्य करेगा। यानी भारत ने टेक्नोलॉजी को किस प्रकार से अडाप्ट किया है, सामान्य मानवीय के जीवन को कैसे सरल किया है। अब तक ईं-संजीवनी के तहत करीब-करीब 50 करोड़ टेली-कंसल्टेशंस हो चुकी हैं।

साथियों,

आज भारत में Travel Experience बदल रहा है, भारत के नागरिकों की यात्राएं पूरी तरह बदल गई हैं। यहां इस हॉल में ऐसा व्यक्ति खोजना मुश्किल होगा, जिसने एयरपोर्ट पर डिजी यात्रा का इस्तेमाल ना किया हो। ऐसे ही आजकल बहुत सारा काम Seamless तरीके से हो रहा है। हाइवे पर फास्ट टैग चल रहे हैं, ताकि आप बिना रुके टोल देकर आगे बढ़ सकें। Ease of Living का सही अर्थ यही है। समय की बचत हो रही है, जीवन आसान हो रहा है, और करोड़ों लोग अपनी प्रगति पर फोकस कर पा रहे हैं।

साथियों,

Politics में अक्सर वही फैसले headlines बनते हैं, जिनका असर आज दिखाई दे, यानी उसकी उमर 24 घंटे हो। पहले की सरकारों ने इलेक्शन सामने देख कर भी घोषणाएं करने का फॉर्मूला अपनाया। लेकिन ऐसी घोषणाओं से देश नहीं बदला। देश बदलने वाले फैसले वो होते हैं, जिनका प्रभाव जमीन पर दिखे, जो वर्तमान और भविष्य, दोनों को ध्यान में रखकर के लिए गए होने चाहिए।

साथियों,

पीएम कुसुम योजना और पीएम सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना इसका बहुत बड़ा यूनीक Example है। कुसुम योजना से किसानों को बिजली की चिंता से मुक्ति मिली है। और सूर्यघर योजना से मिडिल क्लास को बहुत फायदा हुआ है।

साथियों,

मैं ये जानता हूं कि अगर मैंने ये अनाउंस कर दिया होता कि आज से लाखों-लाख परिवारों के लिए बिजली मुफ्त है, तो सारा मीडिया, सारी स्क्रीन्स, सारे न्यूजपेपर्स, बड़ी-बड़ी हेडलाइन बनाकर के खबर दे देते कि मोदी जी ने आज अनाउंस कर दिया है। लेकिन हमने कुछ दूसरे अप्रोच से काम शुरू किया। हमने हर घर की छत पर एक सूरज उगाने की ठान ली, और आज देश के 50 लाख से ज्यादा परिवार, पीएम सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना से जुड़े हैं। सरकार ने 22 हजार करोड़ रुपए से ज्यादा इन परिवारों को दिए हैं, ये सोलर सिस्टम लगाने के लिए, ताकि उनकी छत पर सोलर प्लांट लगाकर सोलर पावर पैदा की जा सके। अब ये परिवार, एक्स्ट्रा बिजली को, बिजली ग्रिड में बेचकर, पैसे भी कमा रहे हैं। खुद का बिल तो जीरो हुआ, कमाई भी होने लगी। इस योजना से लोगों के सपनों को भी विस्तार मिल रहा है। बिजली बिल कम हुआ है, तो अब घर में फ्रिज, कूलर, वाशिंग मशीन, टीवी जैसी चीजें लोग खरीदकर रखने लगे हैं। अब ये डर नहीं होता कि बिजली कटौती की वजह से दूध फट जाएगा, अब चिंता नहीं रहती है। अब स्कूल जाने वाले बच्चे रातभर चैन से सो पाते हैं। मैं फिर कहता हूं- इलेक्शन हो या ना हो, लेकिन ये सूर्यघर और उसकी रोशनी बनी रहेगी, इस प्लांट का फायदा, सालों तक देश के परिवारों को होता रहेगा।

साथियों,

आने वाले समय में Ease of Living और Ease of Doing Business का और विस्तार होगा। देश के Youth के लिए, नारीशक्ति के लिए, Farmers के लिए, गरीब और Middle Class के लिए, हमारी सरकार लगातार काम करती रहेगी, हमारी Reform Express और अधिक गति से आगे बढ़ने वाली है। विकसित भारत का लक्ष्य पूरा करने के लिए, हम पूरी प्रतिबद्धता के साथ काम करते रहेंगे। और मैं, मेरे लिए भारत का future अगर सुनिश्चित हो गया ना, तो दुनिया के future में भी स्थिरता लाने का बहुत बड़ा काम इसी धरती से होने वाला है। इस आत्मविश्वास के साथ भारत जितना स्टेबल होगा, भारत का future जितना सुरक्षित होगा, विश्व को सुरक्षत्व का एहसास देने की ताकत यहीं से पैदा होने वाली है। इस सामर्थ्य के साथ, इसी संकल्प के साथ, मैं एक बार फिर, आज के इस कार्यक्रम में मुझे आमंत्रित करने के लिए, Economic Times की पूरी टीम का हृदय से बहुत-बहुत धन्यवाद करता हूं। वन्दे मातरम् !