প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ এক ভিডিও বার্তায় ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সম্পর্কে তাঁর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আজ যে বাজেট পেশ করা হয়েছে তা ঐতিহাসিক। এর মধ্য দিয়ে দেশের মহিলাদের ক্ষমতায়ন প্রতিফলিত হয়েছে। মহিলা অর্থমন্ত্রী হিসেবে শ্রীমতী নির্মলা সীতারমণ এক রেকর্ড গড়েছেন। তিনি পর পর ৯ বার বাজেট পেশ করলেন। শ্রী মোদী বলেছেন, এই বাজেট বিপুল সম্ভাবনা সৃষ্টি করলো। ভারতের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের এক শক্তিশালী ভিত গড়ে তোলার পাশাপাশি নাগরিকদের স্বপ্ন পূরণও এই বাজেটের মধ্য দিয়ে হবে। ২০৪৭ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে ভারতের উদ্যোগকে এই বাজেট সহায়তা করবে।
শ্রী মোদী বলেন, ভারত এখন রিফর্ম এক্সপ্রেসের যাত্রী হয়ে এগিয়ে চলেছে নতুন এক উৎসাহ উদ্দীপনায়। এবারের বাজেট তাতে আরও গতির সঞ্চার করেছে। ছক ভাঙা সংস্কারমুখী এই বাজেট ভারতের সাহসী ও প্রতিভাবান যুবসম্প্রদায়ের উচ্চাকাঙ্খাকে আকাশছোঁয়া করে তুলেছে। এই বাজেট অন্যন্য। এখানে আর্থিক ঘাটতি কমানোর ওপর যেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি মুদ্রাস্ফীতিকেও নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এছাড়াও বিপুল মূলধনী ব্যয় এবং উন্নয়ন নিশ্চিত করছে এবারে বাজেট।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের ভূমিকাকে শক্তিশালী করবে এই বাজেট। দেশের ১৪০ কোটি নাগরিকরা দ্রুততম উন্নয়নশীল অর্থনীতিতেই আর সন্তুষ্ট নন। ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার লক্ষ্যে অবিচল। এদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের সংকল্প সেটিই। আস্থাশীল এক গণতান্ত্রিক অংশীদার এবং উন্নতমানের পণ্য সামগ্রী সরবরাহকারী রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের ভূমিকা ক্রমশ প্রসারিত হচ্ছে। সম্প্রতি ভারত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে। দেশের যুবসম্প্রদায় এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ এর ফলে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে। বাজেটে প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলি সেই লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়তা করবে।

শ্রী মোদী বলেছেন, মেক ইন ইন্ডিয়া এবং আত্মনির্ভর ভারতের মতো উচ্চাকাঙ্খী উদ্যোগকে ত্বরান্বিত করতে এবারের বাজেটে জোর দেওয়া হয়েছে। বায়োফার্মা শক্তি মিশন, সেমি কন্ডাক্টর মিশন ২.০, বৈদ্যুতিন সামগ্রী উৎপাদন প্রকল্প, বিরল মৃত্তিকা বা রেয়ার আর্থ করিডোর গঠন, উন্নত প্রযুক্তির সরঞ্জাম তৈরির যন্ত্রাংশ উৎপাদনে উৎসাহদান এবং অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগকে শীর্ষ স্থানে প্রতিষ্ঠা করার মতো উদীয়মান বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভাবনীয় সহায়তার প্রস্তাব এবারের বাজেটে রয়েছে। এর ফলে, দেশের বর্তমান এবং ভবিষ্যতের চাহিদা পূরণ হবে। ক্ষুদ্র এবং হস্ত শিল্পের পাশাপাশি অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগের সহায়তা প্রদানের মধ্য দিয়ে স্থানীয় স্তরে উৎপাদিত পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছোতে সহায়ক হবে। অর্থাৎ লোকাল ফর গ্লোবাল-এর ক্ষমতায়ন হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেটে পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করার জন্য বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডোর, জলপথের সম্প্রসারণ, হাইস্পিড রেল করিডোরের মতো প্রকল্পগুলি অন্যতম। এর ফলে, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্তরের শহরগুলির উন্নয়ন হবে। মিউনিসিপাল বন্ডকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার মধ্য দিয়ে শহরগুলির আর্থিক অবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। এই সমস্ত উদ্যোগগুলি আসলে উন্নত ভারত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।
শ্রী মোদী বলেন, যে কোন রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ হল তার নাগরিকরা। সরকার সাম্প্রতিক বছরগুলিতে নাগরিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিপুল পরিমাণে বিনিয়োগ করেছে। দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সুস্থায়ী উন্নয়নের জন্য নিরবচ্ছিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শ্রীমতী নির্মলা সীতারমন তাঁর ভাষণে এবারের বাজেটকে যুবশক্তির বাজেট বলে অভিহিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী সীতারমণের বক্তব্যকে সমর্থন করে বলেছেন, এই বাজেট বিভিন্ন ক্ষেত্রে উদ্ভাবক, সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব এবং নেতৃত্বদানের ক্ষমতা সম্পন্ন নাগরিক গড়ে তুলতে সহায়ক করবে। মেডিকেল হাব গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের পেশাদার ব্যক্তিত্ব তৈরি হবে। অডিও ভিজুয়াল ক্ষেত্রে গেমিং, পর্যটন এবং খেলো ইন্ডিয়া মিশনের মতো নানা ক্ষেত্রের প্রসার ঘটাতে বাজেটে প্রস্তাব রাখা হয়েছে। ভারতকে আন্তর্জাতিক স্তরে তথ্যের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে কর ব্যবস্থায় নানা ধরনের ছাড়ের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। দেশের যুব সম্প্রদায়কে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, এই বাজেট কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। পর্যটন শিল্পের প্রসারে ফলপ্রসূ পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তাব এবারের বাজেটে থাকায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। উত্তর পূর্ব ভারত এর ফলে উপকৃত হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যের ক্ষমতায়নের মধ্য দিয়ে সুষম উন্নয়নের ভিত তৈরি হবে।

শ্রী মোদী বলেন, যে কোন রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ হল তার নাগরিকরা। সরকার সাম্প্রতিক বছরগুলিতে নাগরিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিপুল পরিমাণে বিনিয়োগ করেছে। দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সুস্থায়ী উন্নয়নের জন্য নিরবচ্ছিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শ্রীমতী নির্মলা সীতারমন তাঁর ভাষণে এবারের বাজেটকে যুবশক্তির বাজেট বলে অভিহিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী সীতারমণের বক্তব্যকে সমর্থন করে বলেছেন, এই বাজেট বিভিন্ন ক্ষেত্রে উদ্ভাবক, সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব এবং নেতৃত্বদানের ক্ষমতা সম্পন্ন নাগরিক গড়ে তুলতে সহায়ক করবে। মেডিকেল হাব গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের পেশাদার ব্যক্তিত্ব তৈরি হবে। অডিও ভিজুয়াল ক্ষেত্রে গেমিং, পর্যটন এবং খেলো ইন্ডিয়া মিশনের মতো নানা ক্ষেত্রের প্রসার ঘটাতে বাজেটে প্রস্তাব রাখা হয়েছে। ভারতকে আন্তর্জাতিক স্তরে তথ্যের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে কর ব্যবস্থায় নানা ধরনের ছাড়ের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। দেশের যুব সম্প্রদায়কে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, এই বাজেট কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। পর্যটন শিল্পের প্রসারে ফলপ্রসূ পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তাব এবারের বাজেটে থাকায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। উত্তর পূর্ব ভারত এর ফলে উপকৃত হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যের ক্ষমতায়নের মধ্য দিয়ে সুষম উন্নয়নের ভিত তৈরি হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ১০ কোটিরও বেশি মহিলা বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত। বাজেটে মহিলাদের নেতৃত্বাধীন এবং মহিলা পরিচালিত স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির সাহায্যে আধুনিক এক ব্যবস্থা গড়ে তোলাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য, প্রত্যেক পরিবারে যাতে সমৃদ্ধি আসে। প্রতিটি জেলায় ছাত্রীদের জন্য হোস্টেল তৈরির উদ্যোগ এবারের বাজেটে রাখা হয়েছে। এর ফলে, শিক্ষার সুযোগ আরও বেশি করে নাগরিকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে।
শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেছেন, কৃষি, দুগ্ধ উৎপাদন ও মৎস্য পালনকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এই বাজেটে নারকেল, কাজু, কোকো এবং চন্দন কাঠের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে কৃষকদের সহায়তার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। ‘ভারত বিস্তার এআই টুল’ কৃষকদের নিজ নিজ ভাষায় তথ্য প্রদানে সহায়তা করবে। পশুপালন ও মৎস্য পালনে শিল্পোদ্যোগকে উৎসাহিত করতে বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, গ্রামাঞ্চলে আরও বেশি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সংখ্যাও বাড়বে। এই বাজেটকে উচ্চাকাঙ্খী এবং দেশের চাহিদা পূরণের বাজেট বলে আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারমণ এবং তাঁর দলের সদস্যদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ভবিষ্যতের চাহিদা পূরণে সক্ষম একটি বাজেট পেশ করা হয়েছে, যেখানে গ্রামাঞ্চলের পাশাপাশি কৃষক এবং দরিদ্র মানুষদের কল্যাণকে সব থেকে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন
This budget is the foundation for our journey towards a Viksit Bharat by 2047.#ViksitBharatBudget pic.twitter.com/PDhxvBzYfq
— PMO India (@PMOIndia) February 1, 2026
This year's budget will give India's Reform Express new energy and new momentum.#ViksitBharatBudget pic.twitter.com/IxZUtIPYDN
— PMO India (@PMOIndia) February 1, 2026
India is not content with simply being the fastest-growing economy.
— PMO India (@PMOIndia) February 1, 2026
India wants to become the world's third-largest economy. #ViksitBharatBudget pic.twitter.com/YKb3OzgW00
This year's budget presents an ambitious roadmap to give new momentum to the Make in India and Aatmanirbhar Bharat initiatives. #ViksitBharatBudget pic.twitter.com/hvkZNarV9C
— PMO India (@PMOIndia) February 1, 2026
The support that MSMEs have received in this year's budget will give them new strength to grow from local to global.#ViksitBharatBudget pic.twitter.com/gMlVuCoZJF
— PMO India (@PMOIndia) February 1, 2026
This year's budget is for Yuva Shakti!
— PMO India (@PMOIndia) February 1, 2026
The provisions made in the budget will nurture leaders, innovators and creators across various sectors.#ViksitBharatBudget pic.twitter.com/UY8DtTfH8Y
This year's budget prioritises a modern ecosystem of Self-Help Groups created and run by women.
— PMO India (@PMOIndia) February 1, 2026
The aim is to ensure that prosperity reaches every household.#ViksitBharatBudget pic.twitter.com/WefeU9eDTJ
This budget is ambitious and addresses the country's aspirations.#ViksitBharatBudget pic.twitter.com/dsMZwLVrGD
— PMO India (@PMOIndia) February 1, 2026


