India commits to reduce Emissions Intensity of its GDP by 47 percent by 2035 from 2005 level
India to achieve 60 percent cumulative electric power installed capacity from non-fossil fuel-based energy resources by 2035
India to create Carbon Sink of 3.5 to 4.0 billion tonnes of CO₂ eq. through Forest and Tree Cover by 2035 from 2005 level
India's commitments are aligned with vision of Viksit Bharat @2047 and Net-Zero by 2070

জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলায় ভারতের পদক্ষেপ আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরোহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সময়কাল পর্যন্ত ভারতের জাতীয় নির্ধারিত অবদান অনুমোদন করেছে। 
বিকশিত ভারতের ভাবনায় পরিচালিত ভারতের এই জাতীয় অবদান শুধু ২০৪৭ সালের মধ্যে অর্জনের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা নয়, একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সমৃদ্ধ ও জলবায়ু – সহনশীল ভারত গড়ার লক্ষ্যে এক অঙ্গীকার। যে ৫ টি গুণগতমান অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে, তার উদ্দেশ্য হল প্রাত্যহিক জীবন ও শাসন ব্যবস্থায় সুস্থিত উন্নয়ন সুনিশ্চিত করা, জলবায়ু উপযোগী উন্নয়নের পথ সুগম করা এবং সমাজের প্রতিটি অংশের জন্য ন্যায়সঙ্গত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক  রূপান্তরের দিগন্ত উন্মুক্ত করা। 
প্রাথমিক সাফল্য থেকে পরবর্তী পদক্ষেপ
ভারত গ্রীণ হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা ক্রমাগত বাড়িয়ে চলেছে। ২০৭০ সালের মধ্যে নেট জিরোতে পৌঁছনোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ২০১৫ সালে ভারতের নির্ধারিত জাতীয় অবদানে ২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপির নির্গমন তীব্রতা ৩৩ -৩৫ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৪০ শতাংশ, জীবাশ্ম বহির্ভূত উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল। এই দুটি লক্ষ্যই পূরণ করা সম্ভব হয়েছে। একটি পূরণ হয়েছে নির্ধারিত সময়ের ১১ বছর আগেই, অন্যটি ৯ বছর আগে। 

আমাদের নির্গমন তীব্রতা ২০০৫ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ৩৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। ২০৩৫ সালের মধ্যে ৪৭ শতাংশ হ্রাস করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের ৫ বছর আগেই (ফেব্রুয়ারী ২০২৬) ভারত জীবাশ্ম বহির্ভূত উৎস থেকে ৫২.৫৭ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। ২০৩৫ সালের মধ্যে এই হার ৬০ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বনসৃজন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মাধ্যমে ভারত ২০২১ সালের মধ্যে ২.২৯ বিলিয়ন টন কার্বন শোষণে সক্ষম হয়েছে। ২০৩৫ সালের মধ্যে ৩.৫-৪ বিলিয়ন টন কার্বন শোষণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। 

দূষণমুক্ত শক্তি এবং পরিবেশ সংরক্ষণ 
পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির বিস্তার, ব্যাটারি মজুত ব্যবস্থা, দূষণমুক্ত শক্তি করিডর, পরিচ্ছন্ন উৎপাদন  ব্যবস্থা, দেশজুড়ে নির্ভরযোগ্য ও সুস্থিত পরিকাঠামো গড়ে তোলা প্রভৃতির মাধ্যমে ভারতের জলবায়ু সংক্রান্ত কৌশলের বাস্তবায়ন ঘটানো হচ্ছে।
গ্রীন হাইড্রোজেন মিশন, পিএম সূর্যঘর মুফত বিজলি যোজনা, উৎপাদনভিত্তিক উৎসাহদান প্রকল্প, পিএম-কুসুম প্রভৃতি প্রকল্পের মাধ্যমে অর্থনীতির প্রধান ক্ষেত্রগুলি জুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক স্তরে আন্তর্জাতিক সৌরজোট, কোয়ালিশন ফর ডিজাস্টার রেজিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার, গ্লোবাল বায়ো ফুয়েল অ্যালায়েন্স, লিডারশিপ গ্রুপ ফর ইন্ডাস্ট্রি ট্রানজিশন প্রভৃতি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার মধ্যে দিয়ে ভারত জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলায় সমগ্র বিশ্বের সামনে ইতিবাচক বার্তা তুলে ধরছে।

জলবায়ু উপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ      
ভারত শুধু জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলাতেই নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে জলবায়ু উপযোগী পদক্ষেপও গ্রহণ করছে। ম্যানগ্রোভ পুনরুদ্ধার, ঝুঁকিপূর্ণ উপকূল রেখার সুরক্ষা, ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, পাহাড়ি রাজ্যগুলিতে হিমবাহ পর্যবেক্ষণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ প্রভৃতি এর নিদর্শন। 

জনকেন্দ্রিক পদ্ধতি
ভারতের জলবায়ু সংক্রান্ত প্রয়াস “লাইফ স্টাইল ফর এনভায়রনমেন্ট – লাইফ”-কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। এর মাধ্যমে সুস্থিত জীবন যাপনকে এক গণআন্দোলনের রূপ দেওয়া হচ্ছে। “এক পেড় মাকে নাম” –এর মতো উদ্যোগ বৃক্ষরোপনকে গণআন্দোলনে পরিণত করেছে। 
জাতীয় নির্ধারিত অবদান (২০৩১-৩৫) -এর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী
ভারতের জাতীয় নির্ধারিত অবদান প্রণয়নের ক্ষেত্রে সরকার প্যারিস চুক্তির উদ্দেশ্য ও দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জাতীয় বাস্তবতা, উন্নয়নমূলক অগ্রাধিকার, জ্বালানি নিরাপত্তা প্রভৃতির ওপর জোর দিয়েছে। নীতি আয়োগের ১০ টি কর্মীগোষ্ঠী সমাজের বিভিন্ন স্তরের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে জলবায়ু সংক্রান্ত অঙ্গীকার প্রণয়ন করেছে। এই জাতীয় নির্ধারিত অবদান, কম কার্বন ও জলবায়ু সহনশীল ভবিষ্যতের দিকে ভারতের যাত্রাপথের এক প্রধান মাইলফলক হয়ে থাকবে। জলবায়ু সংক্রান্ত কার্যক্রমে বিশ্ব নেতা হিসেবে ভারতের ভূমিকাকে আরও জোরদার করবে। 

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
From 17,000 Violent Incidents To Bastar Olympics: How PM Modi Got The Maoists To Turn In

Media Coverage

From 17,000 Violent Incidents To Bastar Olympics: How PM Modi Got The Maoists To Turn In
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister Shri Narendra Modi receives a telephone call from the Amir of Qatar
June 23, 2026
Qatar Amir expresses condolences over the loss of lives of Indian nationals in an accident in Qatar.
PM thanks him and conveys appreciation for prompt medical help to the injured.
The two leaders reaffirm their commitment to ensure the wellbeing and safety of their citizens.
PM conveys appreciation for Qatar’s positive contribution in the peace efforts in West Asia.
The two leaders reaffirm their commitment to expand bilateral cooperation.

Prime Minister Shri Narendra Modi received a telephone call today from the Amir of the State of Qatar, H.H. Sheikh Tamim Bin Hamad Al-Thani.

Qatar Amir expressed condolences over the loss of lives of Indian nationals in an accident at Ras Laffan Industrial City in Qatar on June 21 and conveyed wishes for speedy recovery of those injured.

PM thanked him for his words of sympathy towards affected families and conveyed appreciation for providing prompt medical help to the injured.

The two leaders reaffirmed their commitment to ensure the wellbeing and safety of their citizens and reiterated their support and solidarity with each other.

While discussing the situation in West Asia, PM conveyed appreciation for Qatar’s positive contribution in the peace efforts and expressed hope that they would lead to lasting peace and stability in the region.

The two leaders also reaffirmed their commitment to expand bilateral cooperation in all areas.

They agreed to remain in close touch.