পুনে মেট্রোর সম্পূর্ণ হওয়া অংশের উদ্বোধন করে মেট্রোর যাত্রার সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় নির্মিত বাড়িগুলির হস্তান্তর এবং নির্মিত হতে চলা বাড়িগুলির শিলান্যাস করলেন প্রধানমন্ত্রী
বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্ল্যান্টের উদ্বোধন
“পুনে এমন এক প্রাণবন্ত শহর যা দেশের অর্থনীতিকে গতি দেয় এবং সারা দেশের যুব সমাজের স্বপ্নপূরণ করে”
“আমাদের সরকার নাগরিকদের জীবনযাপনের মানোন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ”
“আধুনিক ভারতের শহরগুলিতে মেট্রো এক নতুন জীবনরেখা হয়ে উঠছে”
“স্বাধীনতার পর থেকেই মহারাষ্ট্রের শিল্পোন্নয়ন, ভারতের শিল্পোন্নয়নকে পথ দেখাচ্ছে”
“গরিব বা মধ্যবিত্ত, প্রত্যেকের স্বপ্নপূরণ করা মোদীর গ্যারান্টি”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল শ্রী রমেশ বৈশ্য জি, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী একনাথ শিন্দে জি, আমার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার সহযোগীগণ, মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী শ্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ জি, উপ-মুখ্যমন্ত্রী শ্রী অজিত পাওয়ার জি, ভাই দিলীপ জি, রাজ্য সরকারের অন্যান্য মন্ত্রীগণ,সাংসদ ও বিধায়কগণ এবং এখানে উপস্থিত আমার প্রিয়  ভাই ও বোনেরা!
আগস্ট মাস উদযাপন ও বিপ্লবের মাস।
এই বিপ্লবের মাসের শুরুতে, আমি পুণেতে এসেছি,
আসার সৌভাগ্য হয়েছে।
প্রকৃতপক্ষে, পুণে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অনেক অবদান রেখেছে। পুণে দেশকে বাল গঙ্গাধর তিলক সহ বহু মহান বিপ্লবী, স্বাধীনতা সংগ্রামী দিয়েছে। আজ লোকশাহির আন্না ভাউ সাঠের জন্মজয়ন্তী। এটি আমাদের সকলের জন্য একটি বিশেষ দিন। আন্না ভাউ সাঠে, একজন মহান সমাজ সংস্কারক ছিলেন তিনি বাবাসাহেব ভীমরাও আম্বেদকরের চিন্তাধারায় প্রভাবিত হয়েছিলেন। আজও বিপুল সংখ্যক ছাত্র ও পণ্ডিত তাঁর সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করেন। আন্না ভাউ সাঠের কাজ, তাঁর আহ্বান আজও আমাদের সকলকে অনুপ্রাণিত করে।

বন্ধুগণ,
পুণে  আজ দেশের অর্থনীতিতে  গতি আনা, সারা দেশের যুবকদের স্বপ্ন পূরণকারী  একটি প্রাণবন্ত শহর। আজ পুণে এবং পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় যে প্রকল্পগুলি পেয়েছে সেগুলির মাধ্যমে  এই ভূমিকাগুলি আরও শক্তিশালী হতে চলেছে৷ এই মুহূর্তে, এখান থেকে প্রায় ১৫,০০০ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং উদ্বোধন করা হয়েছে। হাজার হাজার পরিবার পাকা বাড়ি পেয়েছে, বর্জ্য থেকে সম্পদ তৈরি করার জন্য অত্যাধুনিক ‘প্ল্যান্ট’ বা কারখানা চালু হয়েছে। এই প্রকল্পগুলির জন্য আমি পুণের সমস্ত মানুষকে, এখানকার সমস্ত নাগরিককে অভিনন্দন জানাই৷
বন্ধুগণ,
আমাদের সরকার পেশাদারদের, বিশেষ করে শহরে বসবাসকারী মধ্যবিত্তদের ‘কোয়ালিটি অফ লাইফ” বা  জীবনযাত্রার মান উন্নত করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত আন্তরিক, । জীবনযাত্রার মান যখন উন্নত হয়, তখন সেই শহরের উন্নয়নও হয় আরও দ্রুত। আমাদের সরকার পুণের মতো শহরে জীবনযাত্রার মান উন্নত করার জন্য ক্রমাগত কাজ করে চলেছে। এখানে আসার আগে আমি পুণে মেট্রোরেলের আরেকটি সেকশন উদ্বোধন করে এসেছি। আমার মনে আছে, পুণে মেট্রোর কাজ যখন শুরু হয়েছিল, তখন আমি এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার সুযোগ পেয়েছি, আর আজ  দেবেন্দ্র জি এই বিষয়টিকে খুব মজা করে বর্ণনা করছিলেন। বিগত ৫ বছরে এখানে প্রায় ২৪ কিলোমিটার মেট্রো নেটওয়ার্ক চালু হয়েছে।
 
বন্ধুগণ,
 
আমরা যদি ভারতের শহরগুলিতে বসবাসকারী মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে চাই, আর এই কর্মযজ্ঞকে একটি নতুন উচ্চতা দিতে চাই তবে আমাদের গণপরিবহনকে আধুনিকীকরণ করতে হবে। আর সেজন্যেই আজ ভারতের শহরগুলিতে মেট্রো রেলের নেটওয়ার্ক ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে, নতুন নতুন ফ্লাইওভার তৈরি হচ্ছে, লাল বাতির সংখ্যা কমানোর উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। ২০১৪ সালের হিসাবে, ভারতে মোট ২৫০ কিলোমিটারেরও কম মেট্রো রেল নেটওয়ার্ক ছিল। এর বেশিরভাগই ছিল দিল্লি-এনসিআরে। এখন দেশে মেট্রো রেল নেটওয়ার্ক ৮০০ কিলোমিটারের বেশি বেড়েছে। এ ছাড়া ১০০০ কিলোমিটার নতুন মেট্রোরেল লাইন স্থাপনের কাজও চলছে। ২০১৪ সালে শুধুমাত্র দেশের ৫টি শহরে মেট্রো রেল নেটওয়ার্ক ছিল। আজ দেশের ২০টি শহরে মেট্রো রেল নেটওয়ার্ক চালু রয়েছে। মহারাষ্ট্রের পুণে ছাড়াও মুম্বাই এবং নাগপুরেও মেট্রো রেল সম্প্রসারিত হচ্ছে। এই মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক ক্রমে আধুনিক ভারতের শহরগুলির নতুন লাইফলাইন হয়ে উঠছে। পুণের মতো শহরে পরিবেশ রক্ষা এবং দূষণ কমাতে মেট্রোরেলের সম্প্রসারণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেজন্যেই তো আমাদের সরকার শুরু থেকেই মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য এত কঠোর পরিশ্রম করছে।

ভাই ও বোনেরা,
জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল শহরগুলিতে পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা। একটা সময় ছিল যখন উন্নত দেশের শহর দেখে বলা হতো- বাহ, কী পরিচ্ছন্ন শহর। এখন আমরা ভারতের শহরগুলিকে একইরকম ভাবে পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে অন্যদের এরকম বলার সুযোগ করে দিচ্ছি। তাই ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’ আজ শুধু সারা দেশে শৌচাগার নির্মাণেই সীমাবদ্ধ নয়। এই অভিযানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপরও অনেক জোর দেওয়া হচ্ছে। আজ আমাদের শহরে আবর্জনার বিশাল পাহাড় একটি বিশাল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আপনি আরও জানেন যে পুণেতে যেখানে মেট্রো ডিপো তৈরি করা হয়েছে, এটি আগে কোথরুড আবর্জনা ডাম্পিং ইয়ার্ড হিসাবে পরিচিত ছিল। এখন এ ধরনের আবর্জনার পাহাড় অপসারণের কাজ মিশন মোডে চলছে। আর আমরা বর্জ্য থেকে সম্পদ উৎপাদন-এর মন্ত্র নিয়ে কাজ করছি - অর্থাৎ সম্পদের অপচয় রোধ করছি। পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ের ওয়েস্ট টু এনার্জি প্ল্যান্ট একটি খুব ভাল প্রকল্প। এতে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এখানকার বিদ্যুত দিয়ে পৌরসংস্থা তার চাহিদাও মেটাতে পারবে। তার মানে দূষণের সমস্যা হবে না এবং পৌরসংস্থার জন্য সাশ্রয়ও হবে।
বন্ধুগণ,
স্বাধীনতার পর থেকে, মহারাষ্ট্রের শিল্প উন্নয়ন ভারতের শিল্প উন্নয়নে ক্রমাগত গতি প্রদান করেছে। মহারাষ্ট্রে শিল্প উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে, এখানে আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সেজন্যেই আজ আমাদের সরকার মহারাষ্ট্রে পরিকাঠামো উন্নয়ন খাতে যে পরিমাণ বিনিয়োগ করছে তা নজিরবিহীন। আজ এখানে বড় বড় এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন নতুন রেলপথ, নতুন নতুন বিমানবন্দর তৈরি হচ্ছে। রেলের উন্নয়নে ২০১৪ সালের তুলনায় এখানে ১২ গুণ বেশি ব্যয় করা হচ্ছে। মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরকে প্রতিবেশী রাজ্যগুলির অর্থনৈতিক কেন্দ্রগুলির সঙ্গেও সংযুক্ত করা হচ্ছে। এবার উচ্চগতি সম্পন্ন  মুম্বাই-আমেদাবাদ হাই স্পিড রেল গুজরাট এবং মহারাষ্ট্র উভয়কেই উপকৃত করবে। দিল্লি-মুম্বাই অর্থনৈতিক করিডোর মহারাষ্ট্রকে মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তর ভারতের অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত করবে। ওয়েস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোরের মাধ্যমে মহারাষ্ট্র এবং উত্তর ভারতের মধ্যে রেল সংযোগও সম্পূর্ণ বদলে যাবে। ট্রান্সমিশন লাইন নেটওয়ার্ক, যা মহারাষ্ট্রকে তেলেঙ্গানা, ছত্তিশগড় এবং অন্যান্য প্রতিবেশী রাজ্যগুলির সঙ্গে যুক্ত করার জন্য স্থাপন করা হয়েছে, তা এখন মহারাষ্ট্রের শিল্পদ্যোগগুলিতেও একটি নতুন গতি দিতে চলেছে৷ তা সে তেল এবং গ্যাস পাইপলাইন হোক, ঔরঙ্গাবাদে ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি গড়ে তোলা, নাভি মুম্বাইয়ে নতুন বিমানবন্দর গড়া, শেন্দ্রা-বিরকিন ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক নির্মানের মতো অনেক কাজের ফলে আজ মহারাষ্ট্রের অর্থনীতিকে নতুন গতি প্রদানের সম্ভাবনা বেড়েছে।

 

বন্ধুগণ,

আমাদের সরকার রাজ্যগুলির উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন সাধনের মন্ত্র নিয়ে এগিয়ে চলেছে। মহারাষ্ট্রের উন্নতি হলে ভারতও উন্নত হবে। আর ভারত যখন উন্নয়ন করবে, মহারাষ্ট্রও এর থেকে একই সুবিধা পাবে। আজকাল সারা বিশ্বের মানুষ ভারতের উন্নয়নের কথা বলছে। এই উন্নয়নের সুফল মহারাষ্ট্রও পাচ্ছে, পুণেও পাচ্ছে। আপনারা দেখুন, গত ৯ বছরে, ভারত উদ্ভাবন এবং স্টার্টআপের ক্ষেত্রে বিশ্বে একটি নতুন পরিচয় তৈরি করেছে। ৯ বছর আগে পর্যন্ত ভারতে মাত্র কয়েকশ স্টার্টআপ ছিল। আজ আমরা ১ লক্ষেরও বেশি  স্টার্টআপ গড়তে সফল হয়েছি। দেশে এই স্টার্ট আপ ইকোসিস্টেম ক্রমে এতটা সমৃদ্ধ হওয়ার মূল কারণ হল, আমরা ডিজিটাল পরিকাঠামো অনেকটা প্রসারিত করেছি। আর ভারতে উন্নত ডিজিটাল পরিকাঠামোর এই ভিত্তি তৈরিতে পুণের একটি বড় ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। সস্তা ডেটা, সস্তা ফোন এবং প্রতিটি গ্রামে ইন্টারনেট সুবিধা পৌঁছে দেওয়া এই ক্ষেত্রটিকে আরও শক্তিশালী করেছে। আজ, ভারত বিশ্বের দ্রুততম ফাইভ -জি পরিষেবা রোলআউট করা দেশগুলির মধ্যে অন্যতম। আজ দেশে ফিনটেক, বায়োটেক, এগ্রিটেক, প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের তরুণরা সাফল্যের সঙ্গে বিস্ময়কর কাজ করছে। এতে অনেক লাভবান হচ্ছে আমাদের পুণে।
 
বন্ধুগ‍্ণ,
একদিকে আমরা মহারাষ্ট্রে সর্বাত্মক উন্নয়ন দেখছি। অন্যদিকে প্রতিবেশী রাজ্য কর্ণাটকে যা ঘটছে তাও আমাদের সামনে রয়েছে। ব্যাঙ্গালোর এত বড় আইটি হাব, বিশ্ব বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি কেন্দ্র। এই সময়ে বেঙ্গালুরু, কর্ণাটকের দ্রুত উন্নয়ন হওয়ার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সেখানে যে ধরনের ঘোষণা দিয়ে সরকার গঠন করা হয়েছিল, এত অল্প সময়ের মধ্যে তার কুফল আজ সারা দেশ দেখছে এবং চিন্তিত বোধ করছে। একটি দল যখন তার স্বার্থসিদ্ধির জন্য সরকারের কোষাগার খালি করে, তখন সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় রাষ্ট্রের, তার জনগণের, আমাদের তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যতও তখন প্রশ্নের মুখে পড়ে। সেজন্যে কর্ণাটকে  ১৪টি দলের সরকার গঠিত হলেও জনগণের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি এমন যে কর্ণাটক সরকার নিজেই স্বীকার করছে যে তার কাছে বেঙ্গালুরুর উন্নয়নের জন্য অর্থ নেই, কর্ণাটকের উন্নয়নের জন্য তার কোষাগার খালি। ভাইয়েরা, এটা দেশের জন্য খুবই উদ্বেগজনক। আমরা রাজস্থানেও একই অবস্থা দেখছি, সেখানেও ঋণের বোঝা বাড়ছে, উন্নয়নের কাজ থমকে গেছে।

বন্ধুগণ,
দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে, উন্নত করতে হলে সঠিক নীতি, প্রবল ইচ্ছাশক্তি ও আনুগত্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের প্রতি সরকারের নীতি, উদ্দেশ্য এবং জনগণের আনুগত্যই  ব্যবস্থাকে সঠিক পথে চালনার সিদ্ধান্ত নেয়, উন্নয়নকে সুনিশ্চিত করে। এবার যেমন গরীবদের স্থায়ী বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০১৪ সালের আগে যে সরকার দায়িত্বে  ছিল, তাঁরা শহরগুলিতে দরিদ্রদের বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার জন্য ১০ বছরে দুটি প্রকল্প চালিয়েছিল। এই দুটি প্রকল্পের অধীনে ১০ বছরে সারা দেশে শহুরে দরিদ্রদের জন্য মাত্র ৮ লক্ষ বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু এই বাড়িগুলির অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে অধিকাংশ গরিব মানুষ এই বাড়িগুলি নিতে অস্বীকার করে। এখন আপনি ভাবুন, বস্তিতে বসবাসকারী ব্যক্তিরাও যদি সেই বাড়িগুলি নিতে অস্বীকার করেন তাহলে সেই বাড়িগুলির অবস্থা কতটা খারাপ হবে। আপনি কল্পনা করতে পারেন যে দেশে ইউপিএ আমলে ২ লক্ষেরও বেশি এমন বাড়ি তৈরি হয়েছিল, যেগুলি কেউ নিতে প্রস্তুত ছিল না। আমাদের মহারাষ্ট্রেও সেই সময়ে তৈরি ৫০ হাজারেরও বেশি বাড়ি এভাবে খালি পড়ে ছিল। এটা অর্থের অপচয়, জনগণের সমস্যা নিয়ে চিন্তিত না থাকলেই এভাবে লোকদেখানো কাজ করা সম্ভব।
ভাই ও বোনেরা,
২০১৪ সালে, আপনারা সবাই আমাদেরকে দেশের সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন। সরকারে আসার পর আমরা সঠিক উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছি এবং নীতি পরিবর্তন করেছি। গত ৯ বছরে আমাদের সরকার গ্রাম ও শহরে গরিবদের জন্য ৪ কোটিরও বেশি পাকা বাড়ি তৈরি করেছে। এতে শহুরে দরিদ্রদের জন্য ৭৫ লাখের বেশি বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। আমরা এসব নতুন বাড়ি নির্মাণে স্বচ্ছতা এনেছি এবং এগুলোর মানও উন্নত হয়েছে। আমাদের সরকার আরেকটি বড় কাজ করেছে, সরকার যেসব বাড়ি তৈরি করে গরিবদের দিচ্ছে, তার বেশিরভাগই মহিলাদের নামে নথিভুক্ত করা হচ্ছে। এসব বাড়ির দাম কয়েক লক্ষ টাকা। অর্থাৎ গত ৯ বছরে দেশের কোটি কোটি বোন ‘লাখপতি দিদি’ হয়েছেন, আমার অসংখ্য বোন এখন  ‘লাখপতি দিদি হয়েছেন। প্রথমবারের মতো তাঁর নামে একটি সম্পত্তি নথিভুক্ত হয়েছে। আজও, আমি বিশেষভাবে অভিনন্দন জানাই সেই ভাই ও বোনদের যারা অবশেষে তাঁদের মাথার উপর পাকা ছাদ, নিজস্ব বাড়ি খুঁজে পেয়েছেন, তাঁদের সবাইকে আমি অনেক শুভেচ্ছা জানাই। আর আমি নিশ্চিত যে, তাঁদের জন্য এবারের গণেশ উৎসব খুব জমকালো হতে চলেছে।

 

ভাই ও বোনেরা,
দরিদ্র হোক বা মধ্যবিত্ত পরিবার, প্রত্যেকের প্রতিটি স্বপ্ন পূরণই মোদির গ্যারান্টি। একটি স্বপ্ন পূরণ হলে সেই সাফল্যের গর্ভ থেকে জন্ম নেয় শত শত নতুন সংকল্প। এই সংকল্পগুলি সেই ব্যক্তির জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে ওঠে। আমরা আপনার সন্তানদের, আপনার বর্তমান এবং আপনার ভবিষ্যত প্রজন্মের উন্নতির জন্য যত্নশীল।

বন্ধুগণ,
এই চেতনারই বহিঃপ্রকাশ হল উন্নত ভারত গড়ার সংকল্প। এ জন্য আমাদের সবাইকে একসঙ্গে মিলে কাজ করতে হবে। এখানে এই মহারাষ্ট্র রাজ্যে একই কারণে এতগুলি বিভিন্ন রাজনৈতিক  দল একত্রিত হয়েছে। উদ্দেশ্য হ'ল মহারাষ্ট্রের জন্য সবার অংশগ্রহণে আরও ভাল কাজ করা, দ্রুত গতিতে মহারাষ্ট্রের উন্নয়ন সুনিশ্চিত করা। মহারাষ্ট্র সবসময় আমাদের সকলকে অনেক ভালবাসা এবং আশীর্বাদ দিয়েছে। এই আশীর্বাদ ভবিষ্যতেও এভাবেই থাকবে, এই কামনা নিয়ে আমি আবারও সকলকে বিবিধ উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য অভিনন্দন জানাই।
আমার সঙ্গে বলুন  ভারত মাতার জয়!
ভারত মাতার জয় হোক!
ভারত মাতার জয় হোক!
ধন্যবাদ।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Solar powers India as electricity demand hits record high of 256 GW

Media Coverage

Solar powers India as electricity demand hits record high of 256 GW
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Today, Sikkim has beautifully showcased the spirit of “Ek Bharat, Shreshtha Bharat”: PM Modi in Gangtok
April 28, 2026
Known for Serenity and Enterprise, Sikkim Sees Rapid Progress :PM
One of the best things I noticed all along the way, was the cleanliness of Sikkim's roads: PM
No garbage as far as the eye can see,cleanliness in the air too, cleanliness on the roads as well, the people of Sikkim, are true protectors of nature, its brand ambassadors: PM
We are placing maximum focus on connectivity and infrastructure in Sikkim; In recent years, hundreds of kilometers of highways have been constructed here, Work is progressing rapidly to connect every village with roads: PM
Another vast horizon of possibilities for Sikkim lies in sports;The youth here have showcased their capability and talent on grand stages: PM
Our government is committed to ensuring that alongside robust health infrastructure, people also receive affordable medical treatment: PM
Previously, we provided Ayushman cards to ensure free healthcare for the poor; Now, this facility is being extended to all senior citizens aged 70 years and above, medicines are available at highly affordable prices at Jan Aushadhi Kendras: PM
Sikkim's model of organic and natural farming serves as an inspiration for the entire nation : PM
The lifestyle of Sikkim and Sikkim’s resolve have today become an integral part of the nation's vision: PM

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

सिक्किम के राज्यपाल श्री ओम माथुर जी, यहां के लोकप्रिय, ऊर्जावान युवा और मेरे परम मित्र श्री प्रेम सिंह तमांग जी, संसद में मेरे साथी श्री दोरजी शेरिंग लेपचा जी, डॉ. इन्द्र हांग सुब्बा जी, श्री दिली राम थापा जी और सिक्किम के मेरे प्यारे भाइयों और बहनों।

समग्र सिक्किम वासी लाई स्वर्ण जयंती को धेरै धेरै बधाई तथा शुभकामना, नमस्ते, टाशी डिले!

खाम-रि-मो! तपाईंहरू कॉस्तो हुनु-हुन्छ ?

साथियों,

मैं कल दोपहर बाद गंगटोक पहुंचा था, और यहां मेरे आने से पहले, मैं बंगाल चुनावों की गहमा-गहमी में जरा व्यस्त था। यहां आते ही एक नई अनुभूति, एक नया आनंद, चारों तरफ उत्सव का माहौल, मन खुशियों से भर गया। रात में हुई बारिश, फिर सुबह की ठंडक और ये खिली हुई धूप, सिक्किम के रंग ही निराले हैं।

साथियों,

पूरब का स्वर्ग सिक्किम, ऑर्किड्स का गार्डन सिक्किम, इसका अप्रतिम सौंदर्य, यहां की शांति, यहां का आध्यात्मिक आनंद, ये अनुभूति बड़े सौभाग्य से मिलती है। आज मैं यहां के ऑर्किड्स को भी देखने गया था। मेरे लिए जितना समय तय हुआ था, मैं ज्यादा ही समय वहां बिता रहा था। और मैं देशभर के टूरिस्टों को, प्रकृति प्रेमी टूरिस्टों को, अगर उन्होंने सिक्किम का ये ऑर्किड नहीं देखा है, तो कुछ भी नहीं देखा है। और मुझे विश्वास है कि इस बार टूरिस्ट, सिक्किम के टूरिज्म के सारे आंकड़े इस बार पार कर देंगे। ऑर्किड में मैंने देखा प्रकृति के वो रंग, उनका उल्लास, मेरा मन अभी भी उसी में डूबा हुआ है।

साथियों,

आज हमें सिक्किम की 50 वर्ष की यात्रा का उत्सव मनाने का अवसर मिला है। जब अवसर इतना ऐतिहासिक हो और इतने दिव्य माहौल में हो रहा हो, तो उसकी भव्यता कई गुना बढ़ जाती है। पालजोर का ये स्टेडियम आज उसी अद्भुत आभा से भरा हुआ है। यहां जो सांस्कृतिक कार्यक्रम हुए, कलाकारों की मुग्ध कर देने वाली प्रस्तुतियां हुईं। सिक्किम के आप लोगों का जो उत्साह दिखा, सामने पहाड़ों और आसमान में प्रकृति की सुंदर छटा दिखी। ऐसा लग रहा था, जैसे प्रकृति और संस्कृति साथ मिलकर जीवंत हो उठी। वाकई ये स्मूर्तियां हमेशा मेरे दिल में बनी रहेगी। और मैं जो भी कोरियोग्राफी करने वाले लोग होंगे, जो भी गाने वाले लोग होंगे, सबको बधाई देता हूं। और आज का ये कार्यक्रम मैं चाहूंगा कि ये टीवी, मीडिया वाले, दूरदर्शन वाले देश को बार-बार दिखाएं। जब देश में राजनीतिक स्वार्थ के चलते भाषावाद, प्रांतवाद, ऊंच-नीच, देश में भेदभाव के लिए लगातार कोशिश हो रही है, आज सिक्किम ने ‘एक भारत श्रेष्ठ भारत’ के दर्शन करा दिए। उन्होंने इस छोटे से कार्यक्रम में पूरा हिंदुस्तान आंखों के सामने खड़ा कर दिया। और अभी भी जो उन्होंने बैठने की रचना की है, मुझे ऊपर से दिखता है, पूरा हिंदुस्तान है, और जो जिस प्रदेश का है, वैसे ही परिवेश है, उधर गुजरात तो गुजराती कपड़ों में लोग बैठे हैं। वाकई-वाकई आपने दिल जीत लिया है। ये मोदी का नहीं, पूरे हिंदुस्तान का दिल जीत लिया है आज। यही तो भारत भक्ति होती है, यही तो देशभक्ति होती है। नई पीढ़ी में इसी से देशभक्ति के भाव जगते हैं। बहुत-बहुत बधाई आप लोगों को।

साथियों,

सिक्किम आने पर मुझे इसलिए भी बहुत खुशी है, क्योंकि पिछली बार मैं खराब मौसम के कारण यहां तक नहीं पहुंच पाया था। मुझे बागडोगरा से ऑनलाइन ही आपसे जुड़ना पड़ा था। आपसे यहां आकर ना मिल पाने की वो कसक मेरे मन में बनी हुई थी। और जब भी प्रेम सिंह जी मिलते थे ना, तो मेरी आंखें झुक जाती थी कि आपने इतनी मेहनत की, मैं आ नहीं पाया, और इसलिए मैं इंतजार में था, वो इंतजार भी आज इस अवसर के माध्यम से पूरा हुआ है।

साथियों,

सिक्किम के लोगों से मिलना मुझे हमेशा एक अलग सुकून देता है। आपकी ये सौम्यता, आपकी ये सादगी, आपके चेहरों की मुस्कान अद्भुत है। यहां आने से पहले भी मैं सिक्किम के कई प्रतिभाशाली लोगों से मिला। सिक्किम के प्रबुद्ध लोग, पद्म सम्मान विजेता, आर्टिस्ट और फुटबॉलर्स उनसे अलग-अलग विषयों पर मेरी बात हुई।

साथियों,

कल शाम को जो रोड शो हुआ, मैं उसे भी अब तक भूल नहीं पाया हूं, और शायद कभी नहीं भूल पाऊंगा। हाथों में हमारा ये प्यारा तिरंगा। लगातार भारत माता का जयकारा, और वंदे मातरम का उद्घोष, पूरा वातावरण ‘एक भारत श्रेष्ठ भारत’ की तस्वीरों से रंगा हुआ था। गंजू लामा द्वार से लोकभवन के रास्ते तक, जिस तरह सिक्किम के मेरे भाई-बहन अपना प्यार देने उमड़े, जिस तरह सभी जातीय समुदायों ने स्वागत किया, हर समुदाय की अपनी वेशभूषा, अपना-अपना संगीत, अपनी-अपनी परंपराएं, पूरा माहौल ही एक बड़े महोत्सव में बदल गया था। ये दृश्य ऐसा था, जैसे प्रकृति की गोद में अलग-अलग रंग खिले हों। बड़ी संख्या में मेरी माताएं-बहनें, बच्चे और बुजुर्ग भी अपना आशीर्वाद देने आए थे। और जो एक सबसे अच्छी बात मुझे पूरे रास्ते भर दिखी, वो थी सिक्किम की सड़कों की स्वच्छता, आप सबको सैल्यूट। दूर-दूर तक कोई गंदगी नहीं, वायु में भी स्वच्छता, सड़कों पर भी स्वच्छता, सिक्किम के आप लोग प्रकृति के पक्के वाले संरक्षक हैं, ब्रैंड एंबेसेडर हैं। मैं फिर देशवासियों को कहता हूं, सिक्किम आइए। कितना साफ-सुथरा, स्वच्छ बनाए रखा है सिक्किम को।

भाइयों-बहनों,

कल रोड शो जो हुआ, और अभी इस आयोजन के लिए मैं आप सभी का और सभी कलाकारों का हृदय से बहुत-बहुत आभार प्रकट करता हूं, आपका अभिनंदन करता हूं। मैं सिक्किम के लोगों को, और सभी देशवासियों को 50 वर्ष की इस महत्वपूर्ण यात्रा के इस उत्सव की बहुत-बहुत बधाई देता हूं। मैं आपको विश्वास दिलाता हूं, आपके प्यार, आपका स्नेह, आपके आशीर्वाद का ये कर्ज, इसे चुकाने के लिए मैं कोई कोर-कसर बाकी नहीं छोडूंगा।

साथियों,

सिक्किम की यात्रा मानवीय मूल्यों की यात्रा है। ये विकास और विरासत को साथ लेकर चलने की यात्रा है। सिक्किम की अनेक पीढ़ियों ने इस यात्रा को आगे बढ़ाया है। गत् 50 वर्ष में जिन-जिन लोगों ने सिक्किम को आगे बढ़ाया है, यहां तक पहुंचाया है, उन सबको मैं आज हृदय से बहुत-बहुत बधाई देता हूं, उनका अभिनंदन करता हूं। जिस समय, जिसको जो करना था, उसने किया, उसने सिक्किम को दिया। अब, इसकी ज़िम्मेदारी हमारे पर है, हमारे ऊपर है। सिक्किम की सरकार, मेरे मित्र प्रेम सिंह जी के नेतृत्व में पूरी ईमानदारी से सिक्किम की विरासत को संजोने और विकास को गति देने का काम कर रही है। हमारे लिए सिक्किम, नॉर्थ ईस्ट केवल देश का एक अहम हिस्सा ही नहीं है, बल्कि ये भारत की ‘अष्ट लक्ष्मी’ हैं। नॉर्थ ईस्ट ये हिंदुस्तान की ‘अष्ट लक्ष्मी’ हैं। इसलिए, हम ‘एक्ट ईस्ट’ की पॉलिसी पर तो काम कर ही रहे हैं, हमने नॉर्थ ईस्ट के लिए ‘एक्ट फास्ट’ का संकल्प भी लिया है। और इसलिए ‘एक्ट ईस्ट’, ‘एक्ट फास्ट’। आज भी यहाँ हजारों करोड़ रुपए की 30 से ज्यादा परियोजनाओं का लोकार्पण और शिलान्यास हुआ है। इनमें रोड, पावर, टूरिज्म, हेल्थ, एजुकेशन, हर तरह के प्रोजेक्ट शामिल हैं। नॉर्थ सिक्किम के क्षेत्रों में 2023 के बाद जो चुनौतियां आईं, उन्हें भी ध्यान में रखा गया है। जहां-जहां कनेक्टिविटी प्रभावित हुई, वहां उसे फिर से मजबूत करने पर फोकस किया गया है। मैं इनके लिए सिक्किम के आप सभी लोगों को बहुत-बहुत बधाई देता हूं।

साथियों,

हमारे सिक्किम की बहुत बड़ी ताकत उसकी टूरिज़्म इकोनॉमी है। सिक्किम का क्षेत्रफल देश के कुल क्षेत्रफल का एक परसेंट से भी कम है, लेकिन देश की 25 परसेंट से ज्यादा फ्लोरल diversity हमारे सिक्किम में मिलती है। यहाँ पक्षियों की करीब 500 प्रजातियाँ, बटरफ़्लाइज़ की करीब 700 प्रजातियाँ, खूबसूरत फॉरेस्ट कवर, कंचनजंगा का अद्भुत आकर्षण, कितना कुछ है। इसलिए हर कोई बार-बार सिक्किम आना चाहता है।

साथियों,

सिक्किम के टूरिज्म से यहां बहुत बड़ी संख्या में लोगों की आय जुड़ी हुई है। और टूरिज्म तभी बढ़ता है, उस राज्य का इंफ्रास्ट्रक्चर जब बढ़िया हो, तब बढ़ता है। इसीलिए हम सिक्किम की कनेक्टिविटी और यहां इंफ्रास्ट्रक्चर पर सबसे ज्यादा फोकस कर रहे हैं। बीते वर्षों में यहाँ सैकड़ों किलोमीटर हाइवेज का निर्माण हुआ है। गाँव-गाँव तक सड़कों को पहुंचाने के लिए तेजी से काम चल रहा है। ऐसे आधुनिक इंफ्रास्ट्रक्चर पहले जिनकी कल्पना भी नहीं होती थी, आज वो हकीकत बन रहे हैं। बागडोगरा से गंगटोक तक एक्सप्रेसवे का निर्माण हो, सेवोक-रंगपो रेल लाइन हो, ये प्रोजेक्ट सिक्किम को पूरे देश से जोड़ने का जरिया बन रहे हैं। यहां नए नेशनल हाईवेज, उसका निर्माण भी कराया जा रहा है। गंगटोक जैसे शहरों में रिंग रोड जैसी परियोजनाएं भविष्य के लिए जरूरी हैं। इस दिशा में भी काम आगे बढ़ रहा है।

भाइयों-बहनों,

बीजेपी सरकार जो काम आज कर रही है, वो पहले भी हो सकते थे, लेकिन काँग्रेस की सरकारों ने हमेशा सिक्किम के विकास को पीछे धकेला। सेवोक-रंगपो रेल लाइन का ही उदाहरण लीजिए, इस प्रोजेक्ट को 2008-2009 में मंजूरी मिली थी, लेकिन जमीन पर काम नहीं हुआ, कागज पर लटका रहा। परियोजना फाइलों में ही पड़ी रही। केंद्र में बीजेपी सरकार आने के बाद विकास को फिर से गति मिली है। पहली बार सिक्किम तक रेल पहुँचने जा रही है।

साथियों,

पर्यटन को बढ़ावा देने के लिए हमें नए ideas की भी जरूरत होती है। आज हम इसी सोच के साथ काम कर रहे हैं। भालेढूंगा, येन-येंग और पेलिंग में रोपवे का निर्माण इसी का उदाहरण है। भालेढूंगा में स्काइवॉक का भी निर्माण कराया जा रहा है। और अब सिंहशोर Bridge पर ग्लास डेक स्काइवॉक भी बनाने की तैयारी है। नाथूला और नामली जैसी जगहों पर बार्डर एक्सपीरियंस को बेहतर बनाने का काम भी हो रहा है।

साथियों,

हमारी सरकार के इन प्रयासों से आपका जीवन आसान होगा, सिक्किम आने वाले पर्यटकों की संख्या और बढ़ेगी, और आपकी आमदनी में भी वृद्धि होगी। और मैं देशभर के टूरिस्टों को हमेशा आग्रह करता हूं। आप यात्रा के लिए जाएं, आप एडवेंचर टूरिज्म के लिए जाएं, आप एनवायरमेंट टूरिज्म के लिए जाएं, लेकिन जहां जाए, वहां जो लोकल उत्पाद होते हैं, आपकी यात्रा के बजट का 5% वहां से कुछ ना कुछ खरीदना कंपलसरी होना चाहिए। लोकल को वोकल बनाने का रास्ता यहीं से शुरू होता है। आप जहां जाए, वहीं का खाना खाएं, जहां जाए वहीं की चीजें खरीदें, Souvenir के तौर पर ले जाएं। ताकि यहां के लोगों को दूर-दूर पहाड़ों में रहने वाले छोटे-छोटे समूहों को ये जो इतनी बड़ी मात्रा में मेरी बहनें आई हैं, ये इतनी बढ़िया-बढ़िया चीजें बनाती हैं सेल्फ हेल्प ग्रुप में, वो खरीदने वाले लोग देश भर से आने चाहिए और इससे यहां रोजगार के अवसर भी बढ़ेंगे।

साथियों,

सिक्किम में इको-वेलनेस टूरिज़्म का भी बहुत स्कोप है, हम इसे भी प्रमोट कर रहे हैं। स्थानीय लोगों को टूरिज़्म से ज्यादा से ज्यादा आय हो, इसके लिए 1 हजार होमस्टे भी बिल्ड किए जा रहे हैं। Adventure टूरिज़्म के लिए भी इंफ्रास्ट्रक्चर को सपोर्ट किया जा रहा है।

साथियों,

सिक्किम के लिए संभावनाओं का एक और आसमान स्पोर्ट्स में भी है, खेलकूद में भी है। यहाँ के युवाओं ने स्पोर्ट्स में अपनी क्षमता और प्रतिभा को बड़े-बड़े मंचों पर साबित किया है। फुटबाल, बॉक्सिंग, आर्चरी, इन खेलों में यहाँ से निकले खिलाड़ियों ने सिक्किम और देश का नाम रोशन किया है।

साथियों,

इन प्रतिभाओं को आगे बढ़ाने के लिए हम ‘खेलो इंडिया’ और ‘फिट इंडिया’ जैसे मूवमेंट चला रहे हैं। यहाँ की State Sports Academy को भी पुनर्जीवित किया गया है। सिक्किम प्रिमियर लीग जैसी sports events को बढ़ावा दिया जा रहा है, ताकि ज्यादा से ज्यादा संख्या में खिलाड़ियों को खेलने का मौका मिले, उनके खेलने में सुधार आए।

साथियों,

यहाँ जसलाल प्रधान जी के नाम पर state-of-the-art boxing academy का भी प्रस्ताव है। इंटीग्रेटेड स्पोर्ट्स और कल्चरल विलेज जैसे प्रोजेक्ट भी आगे बढ़ रहे हैं। इससे सिक्किम के युवाओं को बेहतर सुविधाएं मिलेंगी, और वे अपने खेल को और चमका भी पाएंगे।

साथियों,

आज जिन प्रोजेक्ट्स का लोकार्पण और शिलान्यास हुआ है, उनमें हेल्थ सेक्टर से जुड़े कई बड़े काम भी शामिल हैं। एक समय था, जब सिक्किम और नॉर्थ ईस्ट को कांग्रेस की सरकारों ने पूरी तरह नजर अंदाज कर रखा था। यहाँ स्वास्थ्य सेवाएं बहुत सीमित होती थीं। इस कारण से टूरिस्ट भी यहाँ आने में संकोच करते थे, लेकिन आज वो चुनौती भी खत्म हो रही है। आज सिक्किम में करीब 200 आयुष्मान आरोग्य मंदिर काम कर रहे हैं। आज यहाँ 4 डिस्ट्रिक्ट हॉस्पिटल्स हैं, Tertiary care हॉस्पिटल है, वेलनेस सेंटर्स हैं, यहाँ आयुष सुविधाओं का भी हजारों लोग लाभ ले रहे हैं। ड्रेजॉन्ग नामग्यल सोवा रिग्पा हॉस्पिटल के लोकार्पण के बाद सिक्किम के हेल्थकेयर सिस्टम को और बूस्ट मिलेगा।

भाइयों-बहनों,

हेल्थ इंफ्रास्ट्रक्चर के साथ-साथ लोगों को सस्ता इलाज भी मिले, हमारी सरकार इसके लिए भी कमिटेड है। पहले हमने गरीबों को मुफ्त इलाज के लिए आयुष्मान कार्ड दिये थे। अब ये सुविधा 70 वर्ष और उससे ऊपर वाले उम्र के सभी बुजुर्गों को भी दी जा रही है। साथ ही, जन औषधि केन्द्रों पर दवाएं भी बेहद सस्ते दामों पर उपलब्ध हैं। इन प्रयासों से यहाँ के लोगों का जीवन तो आसान हुआ ही है, इलाज पर होने वाला आपका खर्च भी कम हो रहा है।

साथियों,

आज आर्थिक प्रगति और संसाधनों को लेकर विश्व का नज़रिया तेजी से बदल रहा है। आज दुनिया sustainable lifestyle की बात कर रही है। आज क्लीन एनर्जी पर दुनिया का फोकस है। आज organic फूड्स को प्राथमिकता दी जा रही है। मुझे खुशी है कि हमारा नॉर्थ ईस्ट और सिक्किम इस futuristic ग्रोथ का बड़ा केंद्र है। सिक्किम ने पूरे देश को दिशा दिखाई है। सिक्किम ने तो 10 साल पहले, 2016 में ही पूरे राज्य को organic state घोषित कर दिया था। हमारा डेमाजोंग अब केवल राइस उत्पादन के लिए नहीं जाना जाता, उसकी पहचान अब organic राइस के लिए होने लगी है। बड़ी इलायची, अदरक, हल्दी, एवोकाडो, कीवी, ऐसे कितने ही उत्पाद देश और दुनिया के बाजार तक पहुँच रहे हैं। सिक्किम में medicinal plants की भी सैकड़ों प्रजातियाँ पाई जाती हैं। ये भी स्थानीय लोगों की आय बढ़ाने का जरिया बन रही है।

साथियों,

Organic और प्राकृतिक खेती का सिक्किम का मॉडल, ये पूरे देश के लिए एक प्रेरणा है। सिक्किम की लाइफस्टाइल, सिक्किम के संकल्प, आज ये देश के विज़न का हिस्सा बन चुके हैं। यहां प्राकृतिक खेती को बढ़ावा देने अब ऑर्गेनिक प्रोसेसिंग प्लांट भी शुरू किये गए हैं। इससे किसानों को बाजार से सीधा जुड़ने का मौका मिल रहा है।

साथियों,

सिक्किम की आर्थिक प्रगति में एक बहुत बड़ी भूमिका यहाँ के सेल्फ हेल्प ग्रुप्स और इन महिलाओं की भी है। इन सेल्फ हेल्प ग्रुप्स के प्रॉडक्ट्स बड़े बाज़ारों तक पहुंचे, डिजिटल इंडिया इसमें एक बड़ी भूमिका निभा रहा है। “स्वयं सिक्किम” जैसे प्लेटफॉर्म आज इन महिलाओं को सशक्त बना रहे हैं।

साथियों,

क्लीन एनर्जी के क्षेत्र में सिक्किम की व्यापक क्षमता मौजूद है। यहाँ के पर्यावरण को भी संरक्षित रखते हुए, हमें सिक्किम के इस potential का और इस्तेमाल करना है। मैं जानता हूं, पर्यावरण संरक्षण, ये सिक्किम के लोगों का स्वभाव है। जब देश ने ‘एक पेड़ मां के नाम’ की पहल शुरू की थी, सिक्किम के लोगों ने कर्तव्य भाव से आगे बढ़ाया, और मुख्यमंत्री जी ने यहां के लोग को प्रेरणा देकर के “मेरो रुख मेरो संतति” पहल भी चला रहे हैं। इसके तहत हर शिशु के जन्म पर 108 पेड़ लगाए जाते हैं। मुझे लगता है ये पहल पूरी दुनिया के लिए एक प्रेरणा है। हमें पर्यावरण से जुड़े अपने प्रयासों को और निष्ठा से आगे बढ़ाना है। ये हमारी ऐसी विरासत है, जो हमें अगली पीढ़ी के लिए सुरक्षित रखना है।

साथियों,

सिक्किम और तेज गति से आगे बढ़े, विकसित भारत के सपने को गति दे, हमें इसके लिए मिलकर मेहनत करनी है। हमें सिक्किम को नई ऊंचाइयों पर लेकर जाना है। इसी संकल्प के साथ एक बार फिर, आप सभी को इस अवसर पर शुभकामनाएं देता हूं। आप सभी के उज्ज्वल भविष्य की कामना करता हूं। और आज 50 वर्ष की यात्रा अब हमें दो पड़ाव पूरे करने हैं। जब

सिक्किम की यात्रा के 100 साल होंगे तब क्या करेंगे? सिक्किम की यात्रा के 75 साल होंगे तब तक क्या करेंगे? और देश की आजादी के 100 साल होंगे, विकसित भारत का सपना जो है, 2047 उसके लिए आज से तैयारी शुरू कर करके संकल्प के साथ हम आगे बढ़े। इसी भावना के साथ फिर एक बार हृदय से मैं आप सबका बहुत-बहुत आभार व्यक्त करता हूं। बहुत-बहुत धन्यवाद। मेरे साथ बोलिए-

भारत माता की जय। भारत माता की जय। भारत माता की जय।

वंदे मातरम। वंदे मातरम। वंदे मातरम।

वंदे मातरम। वंदे मातरम। वंदे मातरम।

वंदे मातरम। वंदे मातरम। वंदे मातरम।

वंदे मातरम।