Hands over cheque pertaining to dues of Hukumchand Mill workers
Lays foundation stone for 60 MW Solar power plant at Khargone district
“I know the impact of the blessings and the love of Shramiks”
“Dignity and respect for the poor and deprived is our priority. Empowered Shramik capable of contributing to a prosperous India is our goal”
“Indore has remained foremost in spheres like cleanliness and delicacies”
“State Government is working on fulfilling the guarantees offered during the recent election”
“I request the people of MP to take full advantage of the ‘Modi ki Guarantee’ vehicle”

নমস্কার,

মধ্যপ্রদেশের উদ্যোগী মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মোহন যাদব, লোকসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ, যিনি দীর্ঘদিন ইন্দোরের দায়িত্ব সামলেছেন সেই সুমিত্রা মাসি, সংসদে আমার সহকর্মীরা, নতুন বিধানসভার নির্বাচিত বিধায়করা, অন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং আমার প্রিয় শ্রমিক ভাই ও বোনেরা!

আজকের দিনটি আমাদের শ্রমিক ভাই-বোনদের বহু বছরের পরিশ্রম, সংকল্প ও স্বপ্নের ফসল। আমার আরও বেশি আনন্দ হচ্ছে কারণ আজ অটলজির জন্মবার্ষিকী এবং মধ্যপ্রদেশের নতুন বিজেপি সরকার ও নতুন মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এটাই আমার প্রথম জনসভা। আমার দরিদ্র, দুঃস্থ শ্রমিক ভাই-বোনদের জন্য এখানে উপস্থিত হওয়ার সুযোগ পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। 

আমাদের শ্রমিক পরিবারের আশীর্বাদ যে ডবল ইঞ্জিন সরকারের নতুন দলের ওপরেও বর্ষিত হবে, সে সম্বন্ধে আমি নিশ্চিত। গরিবদের আশীর্বাদ, স্নেহ ও ভালোবাসা কেমন চমকপ্রদ ঘটনা ঘটাতে পারে, তা আমি ভালো করেই জানি। আগামীদিনে মধ্যপ্রদেশের এই নতুন দল বিভিন্ন সাফল্য অর্জন করবে। আমি শুনেছি হুকুমচাঁদ মিলের শ্রমিকদের জন্য প্যাকেজ ঘোষণার পর ইন্দোরে কী রকম উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল। এই সিদ্ধান্ত আমাদের শ্রমিক ভাই-বোনদের আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছে। 

আজকের এই অনুষ্ঠান আরও বিশেষ হয়ে উঠেছে, কারণ আজ অটল বিহারী বাজপেয়ীজির জন্মবার্ষিকী এবং সুশাসন দিবস। আমরা সকলেই মধ্যপ্রদেশের সঙ্গে অটলজির সম্পর্ক এবং এই রাজ্যের প্রতি তাঁর ভালোবাসার কথা জানি। সুশাসন দিবসে এই অনুষ্ঠানে আপনারা যাঁরা উপস্থিত হয়েছেন, তাঁদের সবাইকে আমি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। 

 

আমার পরিবারের সদস্যরা, 

সরকারের উদ্যোগের প্রতীক হিসেবে আজ ২২৪ কোটি টাকার চেক দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ আগামীদিনে শ্রমিক ভাই ও বোনেদের কাছে পৌঁছে যাবে। আমি জানি, আপনাদের অনেক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হয়েছে। কিন্তু এখন আপনাদের সামনে সোনালী ভবিষ্যতের ভোর। ইন্দোরের মানুষ ২৫ ডিসেম্বর দিনটিকে শ্রমিকদের ন্যায়বিচার পাওয়ার দিন হিসেবে মনে রাখবেন। আমি আপনাদের ধৈর্য্য ও কঠোর পরিশ্রমকে কুর্নিশ জানাই। 

বন্ধুরা,

আমি বরাবরই বলে এসেছি যে, দেশের চার শ্রেণির মানুষ আমার কাছে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। এঁরা হলেন- দরিদ্র, যুব, মহিলা এবং আমার কৃষক ভাই-বোনেরা। দরিদ্র মানুষের জীবন পরিবর্তনের জন্য মধ্যপ্রদেশ সরকার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। দরিদ্রদের সেবা, শ্রমিকদের সম্মান জ্ঞাপন এবং সমাজের বঞ্চিত অংশকে তাঁদের মর্যাদা দেওয়া আমাদের অগ্রাধিকার। দেশের শ্রমিকদের যাতে ক্ষমতায়ন হয় এবং তাঁরা যাতে এক সমৃদ্ধ ভারত গড়তে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন, আমরা তা সুনিশ্চিত করার চেষ্টা চালাচ্ছি। 

আমার পরিবারের সদস্য,

পরিচ্ছন্নতা ও সুস্বাদু খাবারের জন্য বিখ্যাত ইন্দোর বহু ক্ষেত্রেই নেতৃত্ব দিচ্ছে। ইন্দোরের উন্নয়নে এখানকার বস্ত্রশিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আপনারা সকলেই এখানকার শতবর্ষ প্রাচীন মহারাজা তুকোজিরাও ক্লথ মার্কেটের ইতিহাস জানেন। শহরের প্রথম কটন মিল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন হোলকর রাজ পরিবার। এখানকার মালবের তুলো ব্রিটেন ও বহু ইউরোপীয় দেশে যেত, তা থেকে সেখানকার মিলগুলিতে কাপড় তৈরি হত। একটা সময় ছিল, যখন ইন্দোরের বাজারগুলি তুলোর দাম নির্ধারণ করতো। ইন্দোরের তৈরি পোশাকের চাহিদা দেশে-বিদেশে সর্বত্রই ছিল। এখানকার বস্ত্র মিলগুলি কর্মসংস্থানের এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। এখানকার মিলগুলিতে কাজ করা বহু শ্রমিকই অন্যান্য রাজ্য থেকে আসতেন। সেই সময় ইন্দোরকে ম্যাঞ্চেস্টারের সঙ্গে তুলনা করা হত। তবে তারপর সময় বদলে গেছে, পূর্ববর্তী সরকারগুলির গৃহীত নীতির খেসারত দিতে হয়েছে ইন্দোরকে। 

ডবল ইঞ্জিন সরকার ইন্দোরের সেই হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। ভূপাল ও ইন্দোরের মধ্যে বিনিয়োগ করিডর তৈরি করা হচ্ছে। ইন্দোর-পিতমপুর অর্থনৈতিক করিডর, বহুমুখি লজিস্টিক পার্ক, বিক্রম উদ্যোগপুরিতে মেডিকেল ডিভাইস পার্ক, ধার জেলার ভেনসোলাতে পিএম মিত্র পার্ক-এর মতো বিভিন্ন প্রকল্পে সরকার কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে। এতে হাজার হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। এইসব উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সুবাদে এখানকার অর্থনীতির দ্রুত বিকাশ হচ্ছে। 

বন্ধুরা,

মধ্যপ্রদেশের একটা বিশাল অঞ্চল তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের জন্য বিখ্যাত। উন্নয়ন ও পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য রেখে কীভাবে চলতে হয়, ইন্দোর সহ এ রাজ্যের বহু শহর তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এশিয়ার বৃহত্তম গোবর্ধন কারখানা রয়েছে ইন্দোরে। ইলেক্ট্রিক গাড়ির ব্যবহার বাড়াতে এখানে ই-চার্জিং পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। 

আজ ভার্চুয়াল মাধ্যমে জালুদ সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের ভূমি পূজন করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। এই কারখানা চালু হলে প্রতি মাসে ৪ কোটি টাকা বিদ্যুতের খরচ বাঁচবে। এই কারখানার জন্য গ্রীন বন্ড-এর মাধ্যমে মানুষের থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এই গ্রীন বন্ড পরিবেশ রক্ষায় নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠবে। 

 

আমার পরিবারের সদস্যরা,

নির্বাচনের সময়ে যেসব প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছি, যেসব সংকল্প গ্রহণ করেছি, তা পূরণের জন্য রাজ্য সরকার দ্রুততার সঙ্গে কাজ করছে। সরকারি প্রকল্পগুলির সুফল যাতে প্রতিটি মানুষ পান, তা সুনিশ্চিত করতে মধ্যপ্রদেশের প্রতিটি প্রান্তে বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রা পৌঁছে যাচ্ছে। নির্বাচনের জন্য মধ্যপ্রদেশে এই প্রকল্প একটু দেরিতে শুরু হয়েছে। তবে উজ্জয়িনীতে এটি চালু হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই এ সংক্রান্ত ৬০০রও বেশি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। 

এই প্রয়াসের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষ সরাসরি সুবিধা পাচ্ছেন। মধ্যপ্রদেশের প্রতিটি মানুষকে আমি অনুরোধ জানাচ্ছি, মোদীর গ্যারান্টি গাড়ি যখন আপনাদের এলাকায় পৌঁছবে, তখন আপনারা তার পুরো সদ্ব্যবহার করুন। সবাই সেখানে উপস্থিত থাকুন। সরকারি প্রকল্পগুলির সুফল থেকে একটি মানুষও যাতে বঞ্চিত না হন, আমরা তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চালাচ্ছি। 

মোদীর গ্যারান্টিতে আস্থা রেখে আমাদের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেওয়ার জন্য আমি আরও একবার মধ্যপ্রদেশের মানুষকে আমার কৃতজ্ঞতা জানাই। আপনাদের সবার প্রতি রইলো আমার শুভেচ্ছা। রাজ্য সরকার আজ আমাকে গরিব ও শ্রমিকদের জন্য আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছে। এইসব মুহুর্ত আমার কাছে সম্পদ। সেজন্যই আমি ইন্দোরের মানুষ, মধ্যপ্রদেশ সরকার এবং আমার শ্রমিক ভাই-বোনরা, যাঁরা আজ আমাদের আশীর্বাদ করতে বিপুল সংখ্যায় এসেছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তাঁদের গলার মালা আমাকে বুঝিয়ে দিচ্ছে, এই অনুষ্ঠান কতটা শুভ। সুদীর্ঘ অপেক্ষার পর এমন দিন এসেছে। আপনাদের মুখের হাসি আর গলার মালার সুগন্ধ, আমাদের সমাজের উন্নতিতে এই রকম আরও কাজ করতে উৎসাহিত করবে। আপনাদের সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই।

ধন্যবাদ। 

প্রধানমন্ত্রী মূল ভাষণটি হিন্দিতে দিয়েছিলেন। 

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
IIT Delhi tops India in QS Rankings 2027; 52 Indian institutions feature

Media Coverage

IIT Delhi tops India in QS Rankings 2027; 52 Indian institutions feature
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Text of Prime Minister addresses the Indian Community in Paris
June 18, 2026

नमस्ते!

बों जू!

ऐसा लग रहा है, आप सब छुट्टी के मूड में हैं।

साथियों,

ये पेरिस शहर, Lights का शहर है, रंगों का शहर है, यहां Art है, Ideas हैं, और innovation की प्रेरणा भी है। इस शहर को भारत के अलग-अलग राज्यों से आए आप सभी लोग और भी खूबसूरत बना देते हैं। नए नए रंगों से भर देते हैं।

कोई तमिल है, कोई पंजाबी है, कोई गुजराती है, तो कोई मराठी है, और कोई बंगाली है। भारत के हर कोने का प्रतिनिधित्व यहां दिखाई देता है।

साथियों,

मैं जब 14 जून को नीस पहुंचा था तो सबसे पहले भारत इनोवेट्स कार्यक्रम में शामिल हुआ था। आज जब मैं फ्रांस से वापसी की तैयारी में हूं तो लग रहा है जैसे भारत कनेक्ट्स कार्यक्रम में आ गया हूं।

फ्रांस में रहने वाले आप लोगों ने 21वीं सदी के भारत-फ्रांस रिश्तों को जिस तरह कनेक्ट किया है, वो हमारी Strategic Partnership की बहुत बड़ी ताकत बन रही है। मैं आप सभी के लिए भारत से 140 करोड़ देशवासियों की शुभकामनाएं लेकर आया हूं। इस आत्मीय स्वागत के लिए, मैं आप सभी का हृदय से आभार व्यक्त करता हूं।

साथियों,

आज मैं ऐसे समय में फ्रांस आया हूं जब कुछ ही दिन पहले हमारी सरकार के 12 वर्ष पूरे हुए हैं। चुने हुए प्रधानमंत्री के रूप निरंतर 12 साल तक देश की सेवा करना मेरे जीवन का बहुत बड़ा सौभाग्य रहा है। यह भारत के लोकतंत्र की शक्ति है जिसने एक चायवाले को यहां तक पहुंचा दिया।

साथियों,

बीते 12 वर्ष, 140 करोड़ भारतीयों के अद्भुत सामर्थ्य के रहे हैं। 12 साल के इस कालखंड में भारत का GDP दोगुना हुआ है। Airports की संख्या दोगुनी हुई है। Universities की संख्या भी दोगुनी हो गई है। Highway Construction की स्पीड तीन गुना बढ़ गई। और Metro Network, चार गुणा बड़ा हो गया है।

मैं आपको कुछ और फैक्ट्स दूंगा, उससे आप अंदाजा लगा पाएंगे कि भारत किस स्पीड और कितने बड़े स्केल पर काम कर रहा है। पिछले 12 वर्षों में भारत का Defence Export 35 गुणा यानि Thirty Five Times बढ़ गया है।

औऱ एक फैक्ट सुनिए भारत में मोबाइल मैन्यूफैक्टरिंग यूनिट्स में, 100 गुणा की बढ़ोतरी हुई है। 100 times. भारत अब दुनिया का दूसरा सबसे बड़ा mobile phone manufacturer है। इसी गति, इसी प्रगति का नतीजा है कि आज भारत दुनिया की Fastest Growing Major Economy है।

साथियों,

आज भारत की कहानी सिर्फ Economic Progress की कहानी नहीं है। सिर्फ यहाँ अटक नहीं जाती है। ये Social Transformation की भी कहानी है।

पिछले 12 साल में देश में 25 करोड़ लोग गरीबी से बाहर निकले हैं। यानि एक ऐसी प्रगति जिसका लाभ समाज के अंतिम व्यक्ति तक पहुंच रहा है। फ्रांस में जितने घर हैं, उससे भी अधिक पक्के घर बीते 12 वर्ष में हमने जरूरतमंदों के लिए बनाए हैं।

अब हर परिवार के पास, गरीब से गरीब क्यों न हो, Bank Account है। Financial Inclusion एक सरकारी कार्यक्रम नहीं, बल्कि सामाजिक परिवर्तन का अभियान बना है।

साथियों,

इन 12 वर्षों की उपलब्धियों में, एक उपलब्धि ऐसी भी है जिसे किसी आंकड़े से, या अंकों से, नहीं मापा जा सकता। वह है 140 करोड़ भारतीयों का आत्मविश्वास।

आज का भारत और आज के भारत का युवा बहुत बड़े सपने देख रहा है। भारत का किसान नई संभावनाओं के साथ आगे बढ़ रहा है। भारत की महिलाएं नए नेतृत्व का परिचय दे रही हैं। इसलिए ये सिर्फ Achievements के 12 साल नहीं हैं, ये भारत की एस्पिरेशन्स को नई बुलंदी देने का कालखंड रहा है।

साथियों,

एक समय था जब दूर-दराज के गांवों तक आधुनिक सुविधाएं पहुंचाना वाकई बहुत मुश्किल भरा था। आज उन्हीं गांवों में बिजली भी है, इंटरनेट भी है, और डिजिटल सेवाओं की पूरी दुनिया भी है। आज एक क्लिक पर, कभी भी, कहीं भी बैंकिंग सेवाएं उपलब्ध हैं।

आज मोबाइल फोन, भारत के नागरिकों को अनेक सुविधाओं से कनेक्ट कर रहा है। हमारे किसान, हमारे मछुआरे, हमारे dairy farmers, हमारी महिलाएं, हमारे स्टूडेंट्स, सभी टेक्नोलॉजी के माध्यम से सशक्त हो रहे हैं, और अपने लिए नए अवसर बना रहे हैं।

साथियों,

आपने 125 करोड़ से अधिक Aadhaar IDs के बारे में सुना है। लेकिन आज भारत सिर्फ पहचान को डिजिटल नहीं बना रहा। आज करीब 90 करोड़ भारतीयों की Unique Digital Health IDs बनाई जा चुकी हैं। जिससे मेडिकल रिकॉर्ड सुरक्षित और accessible बन गए हैं। इससे हेल्थकेयर डिलीवरी और अधिक आसान और efficient हो रही है।

साथियों,

इन उपलब्धियों की सबसे बड़ी विशेषता यह है कि इनमें से अधिकांश चीजें कुछ वर्ष पहले तक कल्पना जैसी लगती थीं। कौन सोच सकता था कि गांव-गांव तक हाई-स्पीड इंटरनेट पहुंचेगा ? कौन सोच सकता था कि दूर-सुदूर के गांवों में भी QR code जीवन का हिस्सा बन जायेगा ? गांव में कोई बहन, ड्रोन से खेती करने में मदद करेगी, ये भी असंभव लगता था।

लेकिन आज यह सब, भारत के करोड़ों लोगों के जीवन का सामान्य हिस्सा बनता जा रहा है। और आपको गर्व होगा साथियों, यही नए भारत की पहचान है।

जो कभी सपना था, वह आज सच्चाई है। जो कभी नामुमकिन लगता था, वो आज मुमकिन हुआ है, औऱ ये करने के पीछे सबसे बड़ी ताकत क्या है? किसकी वजह से ये सब संभव हुआ है? यह मोदी के कारण नहीं, वो ताकत है- भारत का लोकतंत्र, भारत की डेमोक्रेसी। इस डेमोक्रेसी में सबका साथ है, सबका विकास है।

साथियों,

आज से 50 या 100 साल बाद जब भारत के इस कालखंड की समीक्षा होगी, तो ये बात उभरकर सामने आएगी कि इस कालखंड को भारत की Aspirations ने ड्राइव किया। यह भारत के एस्पिरेशन्स का नया युग है।

जहां बिजली पहुंची है, वहां लोग सिर्फ बिजली नहीं चाहते, वे Smart Living चाहते हैं। जहां ट्रेन पहुंची है, वहां लोग High-Speed Connectivity चाहते हैं। जहां हाईवे बने हैं, वहां लोग World-Class Expressways चाहते हैं। जहां इंटरनेट पहुंचा है, वहां लोग AI और Digital Innovation में नेतृत्व चाहते हैं।

यानि आज भारत के लोग अपने जीवन को भी Next Level पर ले जाना चाहते हैं, और भारत को भी Next Level पर ले जाना उनका मकसद है, उनका संकल्प है, उनके सपने है।

और साथियों,

यही Aspirations आज भारत की विकास यात्रा की सबसे बड़ी शक्ति हैं। मैं आपको भारत की Space Journey का उदाहरण दूंगा।

भारत ने चंद्रयान को चंद्रमा के South Pole पर उतारा। दुनिया ने इसे एक बहुत बड़ी उपलब्धि माना। लेकिन भारत इसे अपनी मंजिल मानकर रुका नहीं। आज देश गगनयान की तैयारी कर रहा है। भारत अंतरिक्ष में अपना Space Station बनाने की दिशा में आगे बढ़ रहा है।

हमारे Space Startups Global Space Economy में अपनी जगह बनाने के लिए पुरजोश काम कर रहे हैं, आगे बढ़ रहे हैं।

साथियों,

Green Energy के क्षेत्र में भी भारत की यही एस्पिरेशंस दिखाई देती है। Solar Power में भारत की उपलब्धियों की दुनिया भर में लगातार चर्चा हो रही हैं। लेकिन भारत अगली छलांग की तैयारी कर रहा है।

Green Hydrogen में बड़े निवेश हो रहे हैं। Advanced Nuclear Energy पर तेजी से काम हो रहा है। आपने भारत के Fast Breeder nuclear Reactor से जुड़ी प्रोग्रेस के बारे में भी सुना ज़रूर होगा। ये भारत के न्यूक्लियर एनर्जी लैंडस्केप में क्रांतिकारी परिवर्तन करने का बहुत बड़ा अचीवमेंट हमारे सीसेन्टिस्टों ने किया है।

साथियों,

आज का भारत भविष्य का पूरा Ecosystem बना रहा है। भारत एक साथ हर उस क्षेत्र में निवेश कर रहा है, जो आने वाले दशकों की दिशा तय करेगा।

अभी आपने कुछ दिन पहले ही देखा है नीस में भारत इनोवेट्स का एक आयोजन किया। ये इवेंट भारत के डीप टेक सामर्थ्य को दुनिया तक पहुंचाने का एक और माध्यम था। इसमें भारत के 120 Deep-Tech Startups उपस्थित थे। Bharat Innovates में करीब एक हजार चार सौ B2B Meetings हुईं है। कई Startups के लिए Investment Commitments आगे बढ़ीं, Commercial Orders के लिए रास्ते खुले। French और European Universities तथा Incubators के साथ Engagements बढ़ रही हैं।

Student Exchanges, Joint Research, और Innovation Support के नए रास्ते बने। इसलिए Bharat Innovates सिर्फ एक Summit नहीं रहा। यह Innovation Diplomacy का एक नया मॉडल बना है।

और आज ही पेरिस में VivaTech इवेंट के जरिए, इस यात्रा को हमने और आगे बढ़ाया। नीस में हमने Ideas को Capital से जोड़ा और पेरिस में Indian Innovation को Global Scale से जोड़ा। आज दुनिया देख रही है भारत केवल भविष्य के लिए तैयार नहीं हो रहा है। भारत भविष्य को आकार दे रहा है।

साथियों,

एक समय था, जब देशों के बीच रिश्ते केवल व्यापार से तय होते थे। आज व्यापार के साथ-साथ Trust यानि भरोसा भी उतना ही महत्वपूर्ण हो गया है।

हर देश Reliable Supply Chains चाहता है। हर देश Stable Partnerships चाहता है। हर देश ऐसे साथियों की तलाश में है, जिन पर लंबे समय तक भरोसा किया जा सके। और ऐसे समय में, भारत विश्व में एक Trusted Partner के रूप में उभर रहा है।

एवियां में G7 बैठक के दौरान मैंने trust based partnerships बनाने पर ज़ोर दिया। ग्लोबल साउथ के देशों के साथ equal पार्टनर्स के रूप में आगे बढ़ने का आह्वान किया। भारत का G7 समिट में संदेश था Global Governance तभी प्रभावी होगी जब वह Inclusive होगी। Global Growth तभी Sustainable होगी जब वह शेयर्ड होगी। और Global Technology तभी मानवता के लिए उपयोगी होगी जब वह Trusted होगी।

साथियों,

भारत और दुनिया के बीच व्यापारिक रिश्तों में नई ऊर्जा नज़र आ रही है। फ्रांस के साथ भारत का ट्रेड लगतार बढ़ रहा है। पिछले कुछ वर्षों में भारत ने दुनिया के अनेक देशों के साथ Free Trade Agreements किए हैं। यूरोपियन यूनियन हो, यूनाइटेड किंगडम हो दुनिया के हर देश, हर रीजन के साथ भारत समझौते कर रहा है।

अगले महीने से भारत और UK के बीच ट्रेड एग्रीमेंट भी लागू हो जाएगा। यह एग्रीमेंट भारत के farmers, workers और innovators को अनेक नए अवसर प्रदान करेगा।

साथियों,

आज दुनिया Uncertainty और Disruption के दौर से गुजर रही है। ऐसे समय में भारत और फ्रांस की साझेदारी विश्वास, स्थिरता और सहयोग का एक मजबूत स्तंभ बन रहा है।

इस वर्ष हमने भारत और फ्रांस के संबंधों को Special Global Strategic Partnership का दर्जा दिया था। नीस में मेरे मित्र President Macron और मैंने हमारे संबंधों को force for global good बनाने पर चर्चा की। Defence से लेकर space और नुक्लियर तक AI और क्रिटीकल मिनरल्स से लेकर high speed railway तक, हर क्षेत्र में हम मिलकर आगे बढ़ेंगे।

साथियों,

Solar energy हो, या AI के क्षेत्र में सहयोग हो, भारत और फ्रांस मिलकर ऐसे समाधान विकसित कर रहे हैं जो पूरी मानवता के हित में हैं। पिछले वर्ष पेरिस में और इस वर्ष दिल्ली में हमने AI Summit को Co-chair किया।

अब हम साथ मिलकर अगले वर्ष “तृष्णा” satellite को लॉन्च करने जा रहें हैं। यह “तृष्णा” satellite जो विश्व में फूड और वाटर सिक्युरिटी सुनिश्चित करने में योगदान देगा।

और साथियों,

यह सभी गवर्नमेंट टू गवर्नमेंट पहलो में आप सभी का योगदान बहुत महत्वपूर्ण है। ये आप हैं जो भारत और यूरोप के बीच सबसे मजबूत सेतु हैं। आप दोनों समाजों को समझते हैं। दोनों बाजारों को समझते हैं। आने वाले समय में Talent, Trade, Technology, Tourism और Investment के नए अवसरों को आगे बढ़ाने में आपकी भूमिका लगातार बढ़ने वाली हैं।

साथियों,

भारत और फ्रांस के रिश्तों को साझा इतिहास, साझा मूल्यों और साझा विश्वास ने आगे बढ़ाया है। विश्व युद्धों के दौरान फ्रांस की धरती पर बलिदान देने वाले भारतीय सैनिकों की स्मृतियां आज भी हमें जोड़ती हैं।

मुझे पहले नव शापेल में श्रद्धांजलि देने का अवसर मिला, पिछले वर्ष प्रेसिडेंट मैक्रों के साथ मार्सेय के वॉर मेमोरियल जाने का अवसर भी मिला। ये हमारी साझा विरासत है।

फ्रांस, भारतीयों के योगदान को संजोता भी है और सराहता भी है। भारतीय मूल की नूर इनायत खान हों, जिन्होंने फ्रांस की Resistance के लिए अपना जीवन बलिदान किया, या महाराजा रणजीत सिंह के साथ काम करने वाले जनरल जां फ्रांस्वा अलार हों ये सभी भारत और फ्रांस की साझा विरासत के प्रतीक हैं।

भारत के राज्य पुडुचेरी में भी फ्रेंच विरासत की झलक दिखाई देती है। वहां का Architecture, वहां की कला-संस्कृति और खान-पान सभी में हमारे संबंधों की महेक है।

साथियों,

इस समय फ्रांस समेत पूरी दुनिया में International Yoga Day की तैयारी भी चल रही है। इस अवसर पर मैं, फ्रांस में योग को आगे बढ़ाने वाले श्रीमान महेश घाट्राड्याल जी को भी आदरपूर्वक श्रद्धांजलि देता हूं। मैं पद्म पुरस्कार से सम्मानित, शार्लोत शोपां जी को भी प्रणाम करता हूं। जिन्होंने सौ वर्ष की आयु में भी, योग के माध्यम से फ़्रांस को भारत की विरासत से जोड़ा है। उनका जीवन यह सिद्ध करता है: Yoga does not add years to life, it adds life to years.

साथियों,

मैं फ्रेद नेग्री जी को भी आदरपूर्वक श्रद्धापूर्वक याद करता हूं। भारतीय विरासत को संरक्षित करने में उनका योगदान अतुल्य रहा है।

साथियों,

भारत और फ्रांस को कनेक्ट करने वाली एक और चीज है, और वो है फुटबॉल। इस वक्त यहां फुटबॉल फीवर पूरे जोर पर है। फ्रांस में इसकी दीवानगी, चप्पे-चप्पे पर दिखती है। लेकिन भारत में भी फुटबॉल का क्रेज़ सिर चढ़कर बोलता है।

खासतौर पर फ्रांस की टीम के फैन्स भारत में बहुत अधिक हैं। फ़्रांस ने इस वर्ल्ड कप की शुरुआत एक जोरदार जीत से शुरू की है। मैं फ्रांस की टीम को बहुत-बहुत शुभकामनाएं देता हूं।

साथियों,

जाने से पहले, आप सभी के लिए कुछ और अच्छी खबरें भी लेकर के आया हूँ। वो आपके लिए हैं। पिछले वर्ष, मार्सेय में कॉन्सुलेट खोला गया, इससे काफी अधिक सुविधा मिल रही है। कुछ हफ्ते पहले, Indian Nationals के लिए French Airports पर Visa-free Transit की व्यवस्था शुरू हो गई है।

Students और Professionals की Mobility बढ़ाना हो, या Educational Qualifications की Mutual Recognition की बात हो, या फिर French Universities के भारत में Campus खोलना हो, इन सभी पर हम मिलकर आगे बढ़ रहें हैं।

अब फ्रांस में UPI के उपयोग का दायरा भी और बढ़ने जा रहा है। यानि भारत-फ्रांस कनेक्ट भी Instant और आपसी Payment भी Instant!

साथियों,

इन सभी पहलों से, हम भारत और फ़्रांस को और करीब ला रहें हैं। और मैं फिर कहूंगा इस साझेदारी की नींव, इस रिश्ते की असली ताकत आप सभी हैं। आप सब मेरे देशवासी हैं।

आज जब भारत तेज़ी से विकसित भारत के लक्ष्य की ओर बढ़ रहा है, तो मैं आप सभी से भारत के साथ और गहराई से जुडने का आग्रह करूंगा। इससे भारत की विकास यात्रा को नई शक्ति मिलेगी, और आपको अपनी पुरखों की धरती की सेवा करने का अवसर भी मिलेगा।

इन्हीं शब्दों के साथ आप सभी के प्रेम आपके उत्साह और इस आत्मीय स्वागत के लिए मैं एक बार फिर आप सभी का आभार व्यक्त करता हूं।

भारत माता की जय!

बहुत बहुत धन्यवाद।