ঙসি লৈবাক পুম্বা অমসুং মালেম পুম্বা ভগবান শ্রী রামগী ৱাখল্লোননা থল্লে: প্রধান মন্ত্রী
ধর্ম ধৱাজা অসি ফিরাল অমা খক্তা নত্তে, মসি ভারতকী সিভিলাইজেসনগী রিনাসান্সকী ফিরাল অমনি: প্রধান মন্ত্রী
অয়োধ্যা অসি অৱাংবা ৱাখল্লোনশিংবু থবক ওইনা ওন্থোক্লিবা লমদমনি: প্রধান মন্ত্রী
রাম মন্দিরগী কোর্তয়ার্দ অসিসু ভারতকী অপুনবা শক্তিগী মফম অমা ওইরক্লি: প্রধান মন্ত্রী
ঐখোয়গী রামনা খেন্নবা কয়াগী খুত্থাংদা শম্নদে, ইথিলগী খুত্থাংদা শম্নৈ: প্রধান মন্ত্রী
ঐখোয়গী খুন্নাই অসি লৈখল লৈচু য়াম্বা খুন্নাই অমনি অমসুং লাক্কদৌরিবা দিকেদশিং অমসুং চহী চা কয়া অসি ৱাখলদা থমদুনা মাংজৌননা থবক তৌগদবনি: প্রধান মন্ত্রী
রাম হায়বসিনা ৱাখল্লোনশিং, রাম হায়বসিনা দিসিপ্লিন, অমসুং রাম হায়বসিনা পুন্সিগী খ্বাইদগী ৱাংবা মগুন অদু তাকই: প্রধান মন্ত্রী
রাম অসি মীওই অমা খক্তা নত্তে, রাম অসি ভেল্যু, দিসিপ্লিন অমসুং মায়কৈ অমনি: প্রধান মন্ত্রী
ভারতনা ২০৪৭ ফাওবদা চাউখৎলবা লৈবাক অমা ওইনবা অমসুং শক্তি লৈবা লৈবাক অমা ওইহনবা পাম্লবদি ঐখোয়না ঐখোয়গী পুক্নিংদা লৈরিবা নরামবু মীকপ থোকহনবা তাই: প্রধান মন্ত্রী
লৈবাক অসিনা মাংলোমদা চংশিনবা তারবদি, লৈবাক অসিনা মসিগী হেরিতেজ অসিদা চাউথোকচবা পোক্কদবনি: প্রধান মন্ত্রী
লাক্কদৌরিবা চহী ১০ অসিদা, ভারতপু মীনাই নাইথাংগী ৱাখল্লোনদগী লৌথোক্নবা পান্দম থমগদবনি: প্রধান মন্ত্রী
ভারত অসি গনতন্ত্রগী মমানি অমসুং দেমোক্রেসী অসি ঐখোয়গী দি.এন.এ.দা য়াওরি: প্রধান মন্ত্রী
বিক্সিত ভারতকী মায়কৈদা খোঙজেল য়াঙখৎহন্নবা ঐখোয়না রথ অমা মথৌ তাই। মসিগী রথ অসিগী চাক অদুদি থৌনা অমসুং পুক্নিং চংবা, মসিগী ফিরাল অদুদি অচুম্বা অমসুং অফবা লমচৎ, মসিগী অশ্বশিং অদুদি শক্তি, চেকশিন থৌরাং, চেকশিন থৌরাং অমসুং ফিলোথ্রোপি, অমসুং মসিগী রথ অদুদি কান্নবা, নুংশিজবা অমসুং চপ মান্নবা ৱাখল্লোন লৈবনি: প্রধান মন্ত্রী

সিয়াভর রামচন্দর কি জয় !

সিয়াভর রামচন্দর কি জয় !

জয় সিয়ারাম !

উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল জি, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের শ্রদ্ধেয় সরসঙ্ঘ চালক ডঃ মোহন ভাগবৎ জি, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জি, শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সভাপতি শ্রদ্ধেয় মহন্ত নিত্য গোপাল দাস জি, শ্রদ্ধেয় সাধুসন্তরা, উপস্থিত ভক্তবৃন্দ, দেশ ও বিশ্বের কোটি কোটি রাম ভক্ত যাঁরা আজ এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকছেন, ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ !

অযোধ্যা শহর আজ ভারতের সাংস্কৃতিক চেতনার আরও একটি বাঁক প্রত্যক্ষ করছে। আজ সারা ভারত, সারা বিশ্ব রামের ঐশ্বরিক উপস্থিতিতে পরিপূর্ণ। প্রতিটি রাম ভক্তের হৃদয়ে আজ অতুলনীয় তৃপ্তি, অসীম কৃতজ্ঞতা এবং অপরিসীম অলৌকিক আনন্দ বিরাজ করছে। কয়েক শতাব্দীর ক্ষত আজ নিরাময় হচ্ছে, কয়েক শতাব্দীর যন্ত্রনার অবসান ঘটছে। আজ এমন এক যজ্ঞের চূড়ান্ত অর্ঘ্য নিবেদন করা হচ্ছে, যে যজ্ঞের আগুন গত ৫০০ বছর ধরে জ্বলছে। এ এমন এক যজ্ঞ যার প্রতি আস্থা এক মুহুর্তের জন্যও টলে যায়নি, এক মুহুর্তের জন্যও যার প্রতি বিশ্বাস ভাঙেনি। আজ, ভগবান শ্রী রামের গর্ভগৃহের অসীম শক্তি, শ্রী রাম পরিবারের ঐশ্বরিক মহিমা এই ধর্মধ্বজের আকারে, এই ঐশ্বরিক মহৎ মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। 

বন্ধুরা,

এই ধর্মধ্বজ নিছক একটি পতাকা নয়, এটি ভারতীয় সভ্যতার নবজাগরণের পতাকা। এর গেরুয়া রং, এতে খোদাই করা সূর্য বংশের মহিমা, খোদাই করা ওঁ শব্দ এবং কোভিদার গাছ রাম রাজ্যের গৌরবের প্রতিনিধিত্ব করছে। এই পতাকা আসলে এক সংকল্প, এক সাফল্য। এই পতাকা সংগ্রামের মাধ্যমে সৃষ্টির এক গাথা। এই পতাকা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে লালিত স্বপ্নের মূর্ত প্রতীক। এই পতাকা সাধুদের আধ্যাত্মিক তপস্যা এবং সমাজের অংশগ্রহণের অর্থপূর্ণ পরিণাম।

 

বন্ধুরা,

শতাব্দীর পর শতাব্দী এবং সহশ্রাব্দ ধরে এই ধর্মধ্বজ ভগবান রামের আদর্শ ও নীতির ঘোষণা করবে। এই ধর্মধ্বজ আহ্বান জানাবে  सत्यमेव जयते नानृतं! অর্থাৎ সর্বদা সত্যের জয় হয়, মিথ্যার নয়। এই ধর্মধ্বজ ঘোষণা করবে सत्यम्-एकपदं ब्रह्म सत्ये धर्मः प्रतिष्ठितः অর্থাৎ সত্যই ব্রহ্মের রূপ, ধর্ম সত্যেই প্রতিষ্ঠিত। এই ধর্মধ্বজ এক প্রেরণা হয়ে উঠবে- प्राण जाए पर वचन न जाहीं। অর্থাৎ প্রাণ গেলেও কথার খেলাপ যেন না হয়। এই ধর্মধ্বজ বার্তা দেবে  कर्म प्रधान विश्व रचि राखा! অর্থাৎ সংসারে কর্ম ও কর্তব্যই প্রধান। এই ধর্মধ্বজ প্রার্থনা করবে बैर न बिग्रह आस न त्रासा। सुखमय ताहि सदा सब आसा॥  অর্থাৎ বৈষম্য, দুঃখ, যন্ত্রণা থেকে সমাজ মুক্ত হোক, শান্তি ও সুখ বিরাজ করুক। এই ধর্মধ্বজ আমাদের সংকল্প গ্রহণে উদ্দীপ্ত করবে नहिं दरिद्र कोउ दुखी न दीना। অর্থাৎ এমন এক সমাজ গড়তে হবে, যেখানে কোনও দারিদ্র থাকবে না, কেউ অসুখী বা অসহায় থাকবেন না। 

বন্ধুরা,

আমাদের ধর্মগ্রন্থে বলা হয়েছে- आरोपितं ध्वजं दृष्ट्वा, ये अभिनन्दन्ति धार्मिकाः অর্থাৎ যারা মন্দিরে আসতে না পেরে দূর থেকে মন্দিরের পতাকাকে প্রণাম জানাবেন তাঁরাও একই পূণ্য অর্জন করবেন। 

বন্ধুরা,

এই ধর্মধ্বজ মন্দিরের উদ্দেশ্যেরও প্রতীক। দূর থেকে এই পতাকা রাম লালার জন্মস্থানকে নির্দেশ করবে, ভগবান শ্রী রামের আদেশ ও প্রেরণা যুগ যুগ ধরে মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে। 

বন্ধুরা,

এই অনন্য অবিস্মরণীয় মুহুর্তে সারা বিশ্বের কোটি কোটি রাম ভক্তকে আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আজ আমি রাম মন্দির নির্মাণে অবদান রাখা প্রতিটি দানশীল ব্যক্তি ও ভক্তকে কৃতজ্ঞতা এবং প্রণাম জানাই। রাম মন্দিরের নিমার্ণের সঙ্গে জড়িত প্রতিটি শ্রমিক, প্রতিটি কারিগর, প্রতিটি পরিকল্পনাকারী, প্রতিটি স্থপতি এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি। 

বন্ধুরা,

অযোধ্যা এমন এক ভূমি যেখানে আদর্শের রূপান্তর ঘটে আচরণে। এই সেই শহর যেখানে শ্রী রাম তাঁর জীবনের যাত্রা শুরু করেছিলেন। এই অযোধ্যা বিশ্বকে দেখিয়েছিল কীভাবে একজন ব্যক্তি সমাজের শক্তি ও মূল্যবোধের মাধ্যমে শ্রেষ্ঠ পুরুষ হয়ে ওঠে। শ্রী রাম যখন অযোধ্যা থেকে বনবাসে যান তখন তিনি ছিলেন যুবরাজ রাম। কিন্তু তিনি ফিরে এলেন মর্যাদা পুরুষোত্তম হয়ে। এই মর্যাদা পুরুষোত্তম হয়ে ওঠার পথে মহর্ষি বশিষ্ঠের জ্ঞান, মহর্ষি বিশ্বামিত্রের উদ্যোগ, মহর্ষি অগস্তের দিশানির্দেশ, নিষাদরাজের বন্ধুত্ব, মা শবরীর ভালোবাসা, ভক্ত হনুমানের নিষ্ঠা- এই সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

বন্ধুরা,

উন্নত ভারত গড়ে তোলার জন্য সমাজের এই একইরকম সম্মিলিত শক্তি আমাদের প্রয়োজন। আমি খুব খুশি যে রাম মন্দিরের এই ঐশ্বরিক প্রাঙ্গন ভারতের সম্মিলিত শক্তির চেতনার উৎস হয়ে উঠছে। এখানে ৭টি মন্দির নির্মাণ করা হয়েছে। এখানে মাতা শবরীর মন্দির রয়েছে, যিনি আদিবাসী সমাজের ভালোবাসা ও আতিথেয়তার মূর্ত প্রতীক। এখানে নিষাদরাজের মন্দির রয়েছে। এই মন্দির সেই বন্ধুত্বের সাক্ষী, যা কোনও উপায়কে নয়, তার চূড়ান্ত চেতনার পূজা করে। এই একই জায়গায় মাতা অহল্যা, মহর্ষি বাল্মিকী, মহর্ষি বশিষ্ট, মহর্ষি বিশ্বামিত্র, মহর্ষি অগস্ত এবং সন্ত তুলসীদাস ও রয়েছেন। রামলালার সঙ্গে তাঁদেরও এখানে দেখা যায়। এখানে জটায়ুজি এবং কাঠবিড়ালীরও মূর্তি রয়েছে, যা আমাদের বোঝায় কোনও বড় লক্ষ্যে পৌঁছতে হলে প্রতিটি ছোট প্রয়াসেরও গুরুত্ব রয়েছে। আমি আজ দেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে আবেদন রাখছি যে তাঁরা যখন রাম মন্দির দেখতে আসবেন, তখন এই সপ্ত মন্দিরেরও দর্শন করবেন। এই মন্দিরগুলি আমাদের আস্থা বাড়ানোর পাশাপাশি বন্ধুত্ব, কর্তব্য ও সামাজিক সম্প্রীতির মূল্যবোধকে শক্তিশালী করে। 

বন্ধুরা,

আমরা সবাই জানি যে আমাদের রাম ভেদাভেদের সঙ্গে নয়, অনুভবের সঙ্গে সংযুক্ত। তাঁর কাছে কোনও ব্যক্তির বংশ পরিচয় নয়, তার ভক্তি মূল্যবান। তিনি বংশ পরিচয় নয়, মূল্যবোধকে ভালোবাসেন। তিনি শক্তি নয়, সহযোগিতাকে মূল্য দেন। আজ আমরাও একই চেতনা নিয়ে এগিয়ে চলেছি। গত ১১ বছরে সমাজের প্রতিটি অংশ- মহিলা, দলিত, অনগ্রসর শ্রেণী, অতি অনগ্রসর শ্রেণী, জনজাতি, বঞ্চিত, কৃষক, শ্রমিক, যুব- প্রত্যেককেই উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়েছে। যখন দেশের প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি অংশ, প্রতিটি অঞ্চলের ক্ষমতায়ন ঘটে, তখন সকলের সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে সংকল্প পূর্ণ করা সম্ভব হয়। ভারত যখন স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন করবে সেই ২০৪৭ সালের মধ্যে সকলের প্রয়াসে আমাদের উন্নত ভারত গড়ে তুলতে হবে। 

 

বন্ধুরা,

রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে আমি রামের সঙ্গে সম্পর্কিত দেশের সংকল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আমি বলেছিলাম, আগামী ১০০০ বছরের জন্য আমাদের ভারতের ভিত্তিকে মজবুত করে যেতে হবে। আমাদের মাথায় রাখা দরকার যে, যারা কেবল বর্তমান নিয়ে ভাবে তারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি অবিচার করে। আমাদের বর্তমানের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিয়েও ভাবতে হবে। কারণ আমরা যখন থাকবো না তখনও এই দেশ থাকবে। আমরা এক প্রাণবন্ত সমাজ এবং সেই দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। আগামী দশক, আগামী শতকের কথা আমাদের ভাবতে হবে। 


বন্ধুরা,

এজন্যও ভগবান রামের কাছ থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। আমাদের তাঁর ব্যক্তিত্ব বুঝতে হবে, তাঁর আচার-আচরণ আত্মস্থ করতে হবে। মনে রাখতে হবে রাম মানে আদর্শ, রাম মানে মর্যাদা। রাম মানে জীবনের সর্বোচ্চ চরিত্র। রাম মানে সত্য ও সাহসীকতার সঙ্গম, “दिव्यगुणैः शक्रसमो रामः सत्यपराक्रमः । রাম মানে ধর্মের পথে চলা এক ব্যক্তিত্ব  “रामः सत्पुरुषो लोके सत्यः सत्यपरायणः।  রাম মানে মানুষের সুখকে সর্বাগ্রে রাখা प्रजा सुखत्वे चंद्रस्य। রাম মানে ধৈর্য্য ও ক্ষমার বহতা নদী “वसुधायाः क्षमागुणैः”। রাম মানে জ্ঞান ও প্রজ্ঞার শিখর बुद्धया बृहस्पते: तुल्यः। রাম মানে স্নিগ্ধতার মধ্যেও দৃঢ়তা “मृदुपूर्वं च भाषते”। রাম মানে কৃতজ্ঞতার সর্বোচ্চ নির্দশন  “कदाचन नोपकारेण, कृतिनैकेन तुष्यति।”  রাম মানে শ্রেষ্ঠ সঙ্গ शील वृद्धै: ज्ञान वृद्धै: वयो वृद्धै: च सज्जनैः। রাম মানে নম্রতার মধ্যেও তীব্র শক্তি वीर्यवान्न च वीर्येण, महता स्वेन विस्मितः। রাম মানে সত্যের অটল সংকল্প “न च अनृत कथो विद्वान्”।  রাম মানে সচেতন, সুশৃঙ্খল, সৎ মানসিকতা “निस्तन्द्रिः अप्रमत्तः च, स्व दोष पर दोष वित्।”  

বন্ধুরা,

রাম কেবল একজন ব্যক্তি নন, রাম হলেন এক মূল্যবোধ, এক মর্যাদা, এক দিশা নির্দেশ। ভারতকে যদি ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে হয়, সমাজকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে হয় তাহলে আমাদের সবাইকে নিজেদের মধ্যেকার ‘রাম’কে জাগ্রত করে তুলতে হবে। আমাদের নিজেদের মধ্যে রামকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আর এই সংকল্প গ্রহণের জন্য আজকের চেয়ে ভালো দিন আর কীই বা হতে পারে?

বন্ধুরা,

২৫ নভেম্বর এই ঐতিহাসিক দিনটি আমাদের ঐতিহ্যের আর এক অসাধারণ গর্বের মুহূর্ত নিয়ে আসে। এর কারণ হল, ধর্মধ্বজে খোদিত করা কোভিদার গাছ। এই কোভিদার গাছ আমাদের বুঝিয়ে দেয় যে আমরা যদি শিকড় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ি তাহলে আমাদের গৌরব ইতিহাসের পাতার তলায় চাপা পড়ে যায়। 

 

বন্ধুরা,


ভরত যখন চিত্রকূটে তার সেনাবাহিনী নিয়ে গিয়েছিলেন, লক্ষ্মণ তখন দূর থেকেই অযোধ্যার সেনাবাহিনীকে চিনতে পেরেছিলেন। কীভাবে তা হল, বাল্মিকী তার বর্ণনা দিয়েছেন : विराजति उद्गत स्कन्धम्, कोविदार ध्वजः रथे।।  লক্ষ্ণণ বললেন, হে রাম সামনের উজ্জ্বল আলোয় যে পতাকাটি একটি বিশাল গাছের মতো দেখাচ্ছে তা হল অযোধ্যার সেনাবাহিনীর পতাকা। এতে কোভিদারের শুভ প্রতীক রয়েছে। 

বন্ধুরা,

আজ যখন রাম মন্দিরের আঙিনায় কোভিদার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হচ্ছে, তখন এটি কেবল একটি গাঠের প্রত্যাবর্তন নয়, এটি আমাদের স্মৃতির প্রত্যাবর্তন, আমাদের পরিচয়ের পুনর্জাগরণ, আমাদের আত্মমর্যাদাশীল সভ্যতার পুনঃপ্রকাশ। কোভিদার বৃক্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে আমরা যখন নিজেদের পরিচয় ভুলে যায়, তখন আমরা নিজেদের হারিয়ে ফেলি। আর যখন পরিচয় ফিরে আসে তখন জাতির আত্মবিশ্বাসও ফিরে আসে। তাই এই দেশকে এগিয়ে যেতে হলে তার ঐতিহ্যের জন্য গর্ববোধ করতে হবে। 

বন্ধুরা,

ঐতিহ্যের প্রতি গর্বের পাশাপাশি আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল দাসত্বের মানসিকতা থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি। ১৯০ বছর আগে, ১৯০ বছর আগে ১৮৩৫ সালে মেকলে নামে একজন ইংরেজ ভারতকে তার শিকড় থেকে উপড়ে ফেলার বীজ বপণ করেছিলেন। মেকলে এই মানসিক দাসত্বের ভিত্তি ভারতে গেঁথে দিয়েছিলেন। ১০ বছর পরে অর্থাৎ ২০২৩ সালে সেই অশুভ ঘটনার ২০০ বছর পূর্ণ হবে। মাত্র কয়েকদিন আগেই একটি অনুষ্ঠানে আমি বলছিলাম, আগামী ১০ বছরে আমাদের ভারতকে দাসত্বের মানসিকতা থেকে মুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। 

বন্ধুরা,

সব থেকে দুর্ভাগ্যের বিষয় হল মেকলের এই দৃষ্টিভঙ্গীর প্রভাব অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, কিন্তু আমাদের হীনমন্যতা থেকে মুক্তি পাইনি। আমাদের দেশে একটি বিকৃত মানসিকতা আছে যে বিদেশের যা কিছু সবই ভালো, আর আমাদের নিজেদের সবকিছু ভুলে ভরা। 

বন্ধুরা,

এই দাসত্বের মানকিতাই ক্রমাগত প্রতিষ্ঠা করেছে যে আমরা বিদেশ থেকে গণতন্ত্রের ভাবনা নিয়েছি। এও বলা হয় যে আমাদের সংবিধান বিদেশ থেকে অনুপ্রাণিত। অথচ সত্য হল, ভারত গণতন্ত্রের জননী, গণতন্ত্র আমাদের ডিএনএ-তে রয়েছে। 

বন্ধুরা,

আপনারা যদি তামিলনাডু় যান সেখানে উত্তরাংশে উত্তিরামেরুর নামে একটি গ্রাম দেখবেন। সেখানে হাজার হাজার বছরের পুরনো একটি শিলালিপি রয়েছে। তাতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কীভাবে সেই সময়ও গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হত এবং মানুষ কীভাবে সরকার নির্বাচন করতো। অথচ এখানে আমরা ম্যাগনাকার্টার প্রশংসা করতে ব্যস্ত। এখানে ভগবান বাসবান্না এবং তাঁর অনুভব মন্তপ নিয়েও কথা বলা হয় না। অনুভব মন্তপে মানুষ সামাজিক, ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তর্ক করতেন এবং সম্মিলিত ঐক্যমত্যের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হত। অথচ দাসত্বের মানসিকতার জন্য প্রজন্মের পর প্রজন্ম ভারতীয় এ সম্পর্কে কিছুই জানেন না। 

বন্ধুরা,

দাসত্বের এই মানসিকতা আমাদের ব্যবস্থার প্রতিটি কোনো ছড়িয়ে ছিল। আপনারা ভারতীয় নৌবাহিনীর পতাকা মনে করুন। শতাব্দীর পর শতাব্দীর ধরে সেই পতাকায় এমন চিহ্ন ছিল যার সঙ্গে আমাদের সভ্যতা, আমাদের শক্তি, আমাদের ঐতিহ্যের কোনও সম্পর্কে নেই। এখন আমরা নৌবাহিনীর পতাকা থেকে সেইসব চিহ্ন সরিয়ে দিয়েছি। সেখানে আমরা ছত্রপতি শিবাজী মহারাজের উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছি। এটা শুধুমাত্র নকশার বদল নয়, এ হল মানসিকতার বদল। এ হল এক ঘোষণা যে ভারত এখন তার নিজস্ব শক্তি এবং নিজস্ব প্রতীকেই চিহ্নিত হবে। অন্য কারুর উত্তরাধিকার সে বহন করবে না। 

 

বন্ধুরা,

এই একই পরিবর্তন আজ অযোধ্যার সর্বত্র দেখা যাচ্ছে। 

বন্ধুরা,

এই দাসত্বের মানসিকতাই আমাদের বছরের পর বছর রামত্ব থেকে বঞ্চিত করেছে। ভগবান রাম নিজেই এক মূল্যবোধ। ওর্চার রাজা রাম থেকে শুরু করে রামেশ্বরমের ভক্ত রাম, শবরীর ভগবান রাম, মিথিলার অতিথি রাম জি- রাম ভারতের প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি ভারতবাসীর হৃদয়ে, ভারতের প্রতি কণায় রয়েছেন। অথচ দাসত্বের এই মানসিকতা এতটাই প্রবল ছিল যে ভগবান রামকেও কাল্পনিক চরিত্র বলা হয়েছে। 

বন্ধুরা,

আমরা যদি আগামী ১০ বছরের মধ্যে নিজেদের এই দাসত্বের মানসিকতা থেকে মুক্ত করার সংকল্প গ্রহণ করি তাহলে এমন এক শিখা প্রজ্বলিত হবে, এমন আত্মবিশ্বাসের জন্ম হবে, যে ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারতের স্বপ্প পূরণে কেউ বাধা দিতে পারবে না। আগামী ১০০০ বছরের জন্য ভারতের ভিত্তি তখনই মজবুত হবে যখন আগামী ১০ বছরের মধ্যে আমরা মেকলের দাসত্বের মানসিকতাকে সম্পূর্ণ রূপে ধ্বংস করতে পারবো। 

বন্ধুরা,

অযোধ্যা ধামের রামলালা মন্দির চত্ত্বর ক্রমশই আরও মহতী হয়ে উঠছে। একইসঙ্গে অযোধ্যার সৌন্দর্য্যায়নের কাজও ধারাবাহিকভাবে চলছে। অযোধ্যারও একবার বিশ্বের সামনে দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠার পথে এগোচ্ছে। ত্রেতা যুগের অযোধ্যা মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা দিয়েছিল আর একবিংশ শতাব্দীর অযোধ্যা মানবতাকে উন্নয়নের এক নতুন মডেল দিচ্ছে। সেই সময়ে অযোধ্যা ছিল মর্যাদার কেন্দ্রবিন্দু। আর আজ অযোধ্যা হয়ে উঠছে উন্নত ভারতের মেরুদন্ড।

বন্ধুরা,

ভবিষ্যেতের অযোধ্যায় পৌরানিক কাহিনী ও অভিনবত্তের সঙ্গম ঘটবে। সরযূ এবং উন্নয়নের স্রোত একইসঙ্গে বইবে। এখানে আধ্যাত্মিকতা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বয় ঘটবে। রাম পথ, ভক্রি পথ, জন্মভূমি পথ নতুন অযোধ্যার ঝলক দেখাচ্ছে। আজ অযোধ্যায় চমৎকার বিমান বন্দর ও দুর্দান্ত রেল স্টেশন হয়েছে। বন্দে ভারত, অমৃত ভারত এক্সপ্রেসের মতো ট্রেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে অযোধ্যাকে সংযুক্ত করছে। অযোধ্যার মানুষ যাতে সব রকমের সুযোগ-সুবিধা পান, তাঁদের জীবনে সমৃদ্ধি আসে সেই লক্ষ্যে নিরন্তর কাজ চলছে। 

বন্ধুরা,

প্রাণ প্রতিষ্ঠা থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় ৪৫ কোটি ভক্ত এখানে রামলালার দর্শন করতে এসেছেন। এই পবিত্র ভূমিতে ৪৫ কোটি মানুষের পায়ের চিহ্ন রয়েছে। এর ফলে অযোধ্যার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বদলে গেছে। শুধু এখানকার নয়, আশপাশের মানুষজনের উপার্জনও বেড়েছে। এক সময় অযোধ্যাকে উন্নয়নের মাপকাঠির বাইরে রাখা হত। আর আজ অযোধ্যা উত্তরপ্রদেশের অন্যতম প্রধান শহর হয়ে উঠেছে। 

বন্ধুরা,

একবিংশ শতাবাদীর আগামী সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাধীনতার পর ৭০ বছর ধরে 
রত বিশ্ব অর্থনীতির একাদশ স্থানে পৌঁছতে পেরেছে। কিন্তু মাত্র ১১ বছরে ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে উঠেছে। সেই দিন আর খুব দূরে নয় যেদিন ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে উঠবে। আগামী সময় নতুন সুযোগ, নতুন সম্ভাবনায় পরিপূর্ণ। আর এই গুরত্বপূর্ণ সময়েও ভগবান রামের ভাবনাই আমাদের অনুপ্রেরণা। রাম যখন রাবনকে পরাস্ত করার জন্য যুদ্ধে তাঁর মুখোমুখি হয়েছিলেন তখন তিনি বলেছিলেন सौरज धीरज तेहि रथ चाका। सत्य सील दृढ़ ध्वजा पताका।। बल बिबेक दम परहित घोरे। छमा कृपा समता रजु जोरे।।  অর্থাৎ রাবনকে জয় করার জন্য যে রথের প্রয়োজন তার চাকা হবে সাহস ও ধৈর্যের, তার পতাকা হবে সত্য ও সদাচারের। সেই রথের চারটি ঘোড়া হবে শক্তি, জ্ঞান, সংযম ও দান। রথকে সঠিক পথে পরিচালিত করার লাগাম হল ক্ষমা, দয়া এবং সাম্য। 

বন্ধুরা,

উন্নত ভারতের দিকে যাত্রায় গতি আনতে আমাদেরও এমন এক রথের প্রয়োজন। এমন এক রথ যার চাকা হবে সাহস ও ধৈর্য্য। অর্থাৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার সাহস থাকতে হবে, লক্ষ্যে পৌঁছনো না পর্যন্ত দৃঢ়ভাবে অপেক্ষা করার ধৈর্য্য রাখতে হবে। রথের পতাকা হবে সত্য ও সদাচার। অর্থাৎ নীতি, উদ্দেশ্য ও নৈতিকতার সঙ্গে কোনও আপোষ করা চলবে না। সেই রথের ঘোড়া হবে শক্তি, বিচক্ষণতা, সংযম ও পরোপকার। অর্থাৎ শক্তি, বুদ্ধিমত্তা, শৃঙ্খলা এবং সহমর্মিতা থাকতে হবে। সেই রথের লাগাম হল ক্ষমা, সহানুভূতি ও সাম্য। অর্থাৎ সাফল্যের জন্য কোনও অহঙ্কার থাকবে না। ব্যর্থতার মধ্যেও অন্যের জন্য শ্রদ্ধা থাকবে। তাই আমি আজ শ্রদ্ধার সঙ্গে বলছি এটি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াবার মুহূ্র্ত, দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলার মুহূর্ত। আমাদের এমন এক ভারত গড়ে তুলতে হবে যা রাম রাজ্য থেকে অনুপ্রাণিত। সেটা তখনই সম্ভব যখন দেশের স্বার্থকে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হবে। যখন জাতীয় স্বার্থ সর্বোপরি হবে। আরও একবার আমি আপনাদের সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই। 


জয় সিয়ারাম !

জয় সিয়ারাম !

জয় সিয়ারাম !

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India stands tall in shaky world economy as Fitch lifts FY26 growth view to 7.5%

Media Coverage

India stands tall in shaky world economy as Fitch lifts FY26 growth view to 7.5%
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Barak Valley will become a major logistics and trade hub for the North East: PM Modi in Silchar, Assam
March 14, 2026
Today, North-East India is the center of India’s Act East Policy; It is becoming a bridge that connects India with South-East Asia: PM
The farmers of Barak Valley and tea garden workers have made a significant contribution to Assam’s development; the Government is continuously working for farmers’ welfare: PM
We consider border villages as the nation’s first villages; the next phase of the Vibrant Village Programme was launched from Cachar district to boost development in several Barak Valley villages as well: PM

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

प्रानोप्रिय बोराक उपत्यकार, सम्मानित नागरिकवृंद, आपनादेर शोबाई के आमार प्रोणाम जानाई।

राज्य के लोकप्रिय मुख्यमंत्री हिमंता बिस्वा सरमा जी, केंद्रीय मंत्रिमंडल में मेरे साथी सर्बानंद सोनोवाल जी, उपस्थित राज्य सरकार के मंत्रीगण, जनप्रतिनिधिगण और मेरे प्यारे भाईयों और बहनों।

संस्कृति, साहस और जीवंतता से भरपूर बराक वैली के आप सभी परिवारजनों के बीच आना बहुत विशेष अनुभव रहता है। सिलचर को तो बराक घाटी का गेटवे कहा जाता है। ये वो जगह है जहां इतिहास, भाषा, संस्कृति और उद्यम ने मिलकर अपनी एक विशेष पहचान बनाई है। यहां बांग्ला बोली जाती है, असमिया की गूँज सुनाई देती है और अन्य जनजातीय परंपराएं भी फुलती-फलती हैं। यहां इतनी विविधता को अपनी ताकत बनाकर आप सभी भाईचारे के साथ, सद्भाव के साथ, इस पूरे क्षेत्र का विकास कर रहे हैं। ये बराक वैली का बहुत बड़ा सामर्थ्य है

साथियों,

बराक नदी के उपजाऊ मैंदानों ने, यहां के चाय बागानों ने, यहां के किसानों को, यहां के ट्रेड रूट्स को, एजुकेशन सेंटर्स को हमेशा प्रोत्साहित किया है। ये क्षेत्र असम ही नहीं, पूरे नॉर्थ ईस्ट और पश्चिम बंगाल को भी कनेक्ट करता है। बराक घाटी के इसी महत्व को 21वीं सदी में और अधिक सशक्त करने के लिए मैं आज आपके बीच आया हूं, आपके आशीर्वाद लेने आया हूं। थोड़ी देर पहले यहां बराक वैली की कनेक्टिविटी से जुड़े, नॉर्थ ईस्ट की कनेक्टिविटी से जुड़े, हजारों करोड़ रूपये के प्रोजेक्ट्स का शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। रोड़ हो, रेल हो, एग्रीकल्चर कॉलेज हो, ऐसे हर प्रोजेक्ट्स से बराक वैली नॉर्थ ईस्ट का एक बड़ा लॉजिस्टिक और ट्रेड हब बनने जा रहा है। इससे यहां के नौजवानों के लिए रोजगार के, स्वरोजगार के अनगिनत, अनगिनत अवसर बनने जा रहे हैं। मैं आप सभी को इन सभी विकास परियोजाओं के लिए बहुत-बहुत बधाई देता हूं।

साथियों,

आजादी के अनेक दशकों तक कांग्रेस की सरकारों ने नॉर्थ ईस्ट को दिल्ली से और दिल से, दोनों से ही दूर रखा। कांग्रेस ने नॉर्थ ईस्ट को एक प्रकार से भुला दिया था। लेकिन बीजेपी की डबल इंजन सरकार ने नॉर्थ ईस्ट को ऐसे कनेक्ट किया है कि आज हर तरफ इसकी चर्चा है। आज नॉर्थ ईस्ट भारत की एक्ट ईस्ट पॉलिसी का केंद्र है, दक्षिण पूर्व एशिया के साथ भारत को जोड़ने वाला सेतु बन रहा है।

लेकिन साथियों,

जैसे कांग्रेस ने नॉर्थ ईस्ट को अपने हाल पर छोड़ दिया था, ठीक वैसे ही बराक वैली को भी बेहाल करने में कांग्रेस की बहुत बड़ी भूमिका रही है। जब देश आज़ाद हुआ, तो कांग्रेस ने ऐसी बाउंड्री खींचने दी, जिससे बराक घाटी का समंदर से संपर्क ही कट गया। जो बराक वैली कभी ट्रेड रूट के रूप में, एक औद्योगिक केंद्र के रूप में जानी जाती थी, उस बराक वैली से उसकी ताकत ही छीन ली गई। आज़ादी के बाद भी दशकों तक कांग्रेस की सरकारें रहीं, लेकिन बराक घाटी के विकास के लिए कुछ खास नहीं हुआ।

साथियों,

बीजेपी की डबल इंजन सरकार, इस स्थिति को बदल रही है। हम बराक घाटी को फिर से व्यापार कारोबार का बड़ा हब बनाने के लिए निरंतर काम कर रहे हैं। आज इस दिशा में एक बहुत बड़ा और अत्यंत महत्वपूर्ण कदम उठाया जा रहा है। आज करीब 24 हजार करोड़ रुपए के शिलांग-सिलचर हाई-स्पीड कॉरिडोर का भूमि पूजन हुआ है, 24 हजार करोड़ रुपए, कितने? कितने? 24 हजार करोड़ रुपए। कितने? कितने? कितने? ये जरा कांग्रेस वालों को पूछना, जरा कागज पेन देना और उनको कहना कि जरा कागज पर 24 हजार करोड़ लिखो तो, कितने, कितने जीरो लगते हैं, आएगा नहीं उनको। ये कांग्रेस वालों के दिमाग का ताला जहां बंद हो जाता है ना, वहां हमारा काम शुरू हो जाता है। यह नॉर्थ-ईस्ट का पहला Access Controlled High-Speed Corridor होगा।

साथियों,

ये सिर्फ एक हाईवे प्रोजेक्ट नहीं है, ये नॉर्थ ईस्ट के लोगों के दशकों पुराने इंतजार का अंत हो रहा है। इस कॉरिडोर से सिलचर, मिजोरम, मणिपुर और त्रिपुरा, ये सब राज्य कनेक्ट होने वाले हैं। इन तीनों राज्यों से आगे बांग्लादेश और म्यांमार हैं और फिर आगे दक्षिण-पूर्व एशिया का विशाल बाजार है। यानी बराक घाटी, एक बहुत उज्जवल भविष्य की तरफ जुड़ने का आज शिलान्यास कर रही है। इसका फायदा असम सहित पूरे नॉर्थ ईस्ट के किसानों को होगा, यहां के नौजवानों को होगा। इतनी अच्छी कनेक्टिविटी वाले ये सारा क्षेत्र बनने से, इस पूरे क्षेत्र में इंडस्ट्री को बल मिलेगा, टूरिज्म को फायदा होगा और सबसे बड़ी बात, हिन्दुस्तान का कोना-कोना आसानी से आप लोगों से जुड़ जाने वाला है।

साथियों,

आप सभी यहां सिलचर में ट्रैफिक को लेकर भी काफी परेशान रहे हैं। अब सिलचर फ्लाईओवर से ये समस्या भी कम हो जाएगी। सिल्चर मेडिकल कॉलेज, NIT सिल्चर और असम यूनिवर्सिटी में पढ़ाई कर रहे युवा साथियों के लिए, ये बहुत अच्छी सुविधा हो गई है। इससे आने-जाने में उनका बहुत ही कीमती समय बचने वाला है।

साथियों,

डबल इंजन की बीजेपी सरकार, असम की रेल कनेक्टिविटी पर भी बहुत अधिक काम कर रही है। खासतौर पर रेलवे का बिजलीकरण हमारी बहुत बड़ी प्राथमिकता रहा है। अब असम का ढाई हजार किलोमीटर से अधिक का रेल नेटवर्क, अब इलेक्ट्रिफाई हो चुका है। अब यहां भी तेज़ गति से ट्रेनें चल पाएंगी, इससे बराक वैली के स्वच्छ वातावरण को भी फायदा मिलेगा।

साथियों,

बराक वैली के किसानों और यहां के चाय-बागानों में काम करने वाले श्रमिकों का असम के विकास में बहुत बड़ा योगदान है। डबल इंजन सरकार किसानों के कल्याण के लिए निरंतर कदम उठा रही है। कल ही, गुवाहाटी से मैंने पीएम किसान सम्मान निधि की अगली किश्त जारी की है। अब तक पीएम किसान सम्मान निधि का देश के किसानों को लाखों करोड़ रूपया, और अकेले हमारे असम के किसानों को 20 हजार करोड़ रुपए से ज्यादा पैसा असम के किसानों को मिल चुका है। अब आप सोचिये, हमने 10 साल में यहां के किसानों की जेब में, 20 हजार करोड़ रुपया उनकी जेब में दिया है। ये कांग्रेस वालों ने 10 साल राज किया, प्रधानमंत्री तो असम से चुनकर के गए थे, उसके बावजूद भी एक फूटी कौड़ी नहीं दी, एक फूटी कौड़ी किसानों को नहीं दी, हमने 20 हजार करोड़ रूपया दिया है। कल बराक वैली के हज़ारों किसानों के खाते में भी, ये आखिरी किस्त भी पहुंची है, ये वाली किस्त पहुंची है और फिर जब चुनाव के बाद आएगा समय, तब भी पहुंचेगी। ये पैसा खेती से जुड़ी छोटी-छोटी जरूरतों को पूरा करने में, मेरे गांव के छोटे-छोटे किसान भाई-बहनों को बहुत बड़ी मदद कर रहा है।

साथियों,

बराक वैली अब अपनी फसलों के लिए ही नहीं, बल्कि कृषि से जुड़ी पढ़ाई और रिसर्च के लिए भी जानी जाएगी। पत्थरकांडी में बराक घाटी के पहले एग्रीकल्चर कॉलेज का निर्माण कार्य आज से शुरु हो रहा है। इससे किसानों को तो फायदा होगा ही, यहां के नौजवानों को कृषि स्टार्टअप्स के लिए सहयोग, समर्थन और प्रोत्साहन मिलेगा।

साथियों,

भाजपा का मंत्र है- जो विकास की दौड़ में पीछे रह गया, उसे प्राथमिकता देना। कांग्रेस की सरकारें बॉर्डर एरिया को, देश के अंतिम गांव मानती थीं। हम बॉर्डर के गांवों को देश के पहले गांव मानते हैं। और इसलिए, बॉर्डर एरिया के विकास के लिए, कछार जिले से ही वाइब्रेंट विलेज प्रोग्राम का अगला चरण शुरु किया था। इससे बराक वैली के अनेक गांवों में भी सुधार होना तय हो गया है।

साथियों,

यहां बड़ी संख्या में चाय-बागानों में कार्य करने वाले साथी भी हैं। असम सरकार ने, चाय-बगानों से जुड़े हजारों परिवारों को, उनकी जमीन का अधिकार देने का ऐतिहासिक काम किया है, वो इन परिवारों के भविष्य को बदलने की एक बड़ी शुरुआत है। जमीन के पट्टे मिलने से, इन परिवारों को सुरक्षा मिली है, उन्हें सम्मान का जीवन मिलना सुनिश्चित हुआ है।

साथियों,

आप जरा वहां से दूर रहिए, अब जगह नहीं है, आगे नहीं आ सकते हैं। देखिए वहां से जरा दूर रखिये उनको, अब आगे नहीं आ सकते भईया, अरे हमारे असम के भाई-बहन तो बड़े समझदार हैं। आपका से प्यार, आपका आशीर्वाद, ये इतनी बड़ी ताकत है, कृपा करके आप।

साथियों,

मैं हेमंता जी की सरकार को बधाई देता हूं, चाय-बागानों में करीब 200 सालों से सेवा दे रही अनेक पीढ़ियों के संघर्ष को आपने आज सम्मान दिया है। देखिए मेरी इस बात पर बादल भी गरजने लग गए। मुझे खुशी है कि जिनको पहले की सरकारों ने अपने हाल पर छोड़ दिया था, उनकी सुध बीजेपी सरकार ने ली है।

साथियों,

ये सिर्फ भूमि पर कानूनी अधिकार का ही मामला नहीं है। इससे ये लाखों परिवार, केंद्र और राज्य सरकार की अनेक कल्याणकारी योजनाओं से भी तेज़ी से जुड़ेंगे। पक्के घर की योजना हो, बिजली, पानी और गैस की योजनाएं हों, इन सब स्कीम्स का पूरा फायदा अब इन परिवारों को मिलना संभव होगा।

साथियों,

बीते सालों में बीजेपी सरकार ने चाय-बागानों में अनेक स्कूल खोले हैं, बच्चों को स्कॉलरशिप्स दिए हैं। सरकारी नौकरियों के लिए भी रास्ते खोले गए हैं। ऐसे प्रयासों से चाय-बागानों के युवाओं के लिए सुनहरे भविष्य के द्वार खुल रहे हैं।

साथियों,

बीजेपी की डबल इंजन सरकार के लिए शिक्षा, कौशल विकास और स्वास्थ्य सुविधाएं बहुत बड़ी प्राथमिकताएं रही हैं। असम ने तो शिक्षा और स्वास्थ्य को लेकर कांग्रेस की उपेक्षा को बहुत लंबे समय तक भुगता है। आज असम शिक्षा और स्वास्थ्य का बहुत बड़ा हब बनकर सामने आ रहा है। इसका बहुत अधिक फायदा बराक वैली को मिला है। आज यहां शिक्षा और स्वास्थ्य से जुड़े अनेक बड़े संस्थान बन चुके हैं।

साथियों,

कांग्रेस ने असम के युवाओं को सिर्फ हिंसा और आतंकवाद के कुचक्र में ही उलझाए रखा था। कांग्रेस ने असम को फूट डालो और राज करो की नीति की प्रयोगशाला बनाया। आज असम के युवाओं के सामने अवसरों का खुला आसमान है। आज असम भारत के सेमीकंडक्टर सेक्टर का अहम हिस्सा बन रहा है। यहां नेक्स्ट जेनरेशन टेक्नॉलॉजी से जुड़ा इकोसिस्टम और टैलेंट तैयार हो रहा है। यहां IIT और IIM जैसे संस्थान बन रहे हैं। मेडिकल कॉलेज, एम्स और कैंसर अस्पतालों का सशक्त नेटवर्क बन रहा है। शांति और प्रगति का ये नया दौर, अनेक बलिदानों और अनेक प्रयासों से आया है। अब ऐसी हर ताकत को मुंहतोड़ जवाब देना है, जो असम को पुराने दौर में धकेलने की कोशिश करती है।

साथियों,

आज मैं सिलचर से असम को सावधान-सतर्क भी करना चाहता हूं। आपने कांग्रेस को असम से बाहर किया। आज देश का हर राज्य कांग्रेस को सबक सिखा रहा है। कांग्रेस एक के बाद एक चुनाव हार रही है। अब निकट भविष्य में, कांग्रेस खुद के पराजय के इतिहास की सेंचूरी मारने वाला है। हार की हताशा से भरी कांग्रेस ने देश के खिलाफ ही मोर्चा खोल दिया है। कांग्रेस के नेता देश को बदनाम करने में जुट गए हैं, आपने देखा है, दिल्ली में इतनी बड़ी AI समिट हुई। आज पूरी दुनिया जब आर्टिफिशियल इंटेलिजेंस, AI को लेकर बहुत ही उत्सुक है। दिल्ली में सफलतापूर्वक विश्व की एक नई आशा पैदा करने वाला AI समिट हुआ। दुनियाभर के नेता, दुनियाभर की टेक्नॉलॉजी कंपनियां, टेक्नॉलॉजी के बड़े-बड़े लीडर दिल्ली आए थे। कांग्रेस ने इस समिट को बदनाम करने के लिए कपड़ा फाड़ प्रदर्शन किया। अब कांग्रेस के पास खुद के कपड़े फाड़ने के सिवा कुछ नहीं बचा है। पूरे देश ने कांग्रेस के इस भौंडे और भद्दे प्रदर्शन की आलोचना की। लेकिन दिल्ली में जो कांग्रेस का शाही परिवार है, वो इस कांड को भी अपना मेडल बता रहा है, देश को बदनाम करने वालों की वाहवाही कर रहा है। ऐसी कांग्रेस, जो देश की विरोधी हो, वो किसी राज्य का भला नहीं कर सकती, वो असम के युवाओं का कभी भला नहीं सोच सकती।

साथियों,

आजकल दुनिया में चारों तरफ और हमारे तो अड़ोस पड़ोस में ही युद्ध के हालात और आप सब भलिभांति युद्ध कि क्या भयानकता है, वो रोजमर्रा देख रहे हो। युद्ध से जो स्थितियां बनी हैं, हमारी सरकार उनसे निपटने के लिए, हमारे देश के नागरिकों को कम से कम मुसीबत आए इसलिए हो सके उतने सारे प्रयास कर रही है। हमारा प्रयास है कि देश के नागरिकों पर युद्ध का कम से कम प्रभाव पड़े। इस समय कांग्रेस से उम्मीद थी कि वो एक जिम्मेदार राजनीतिक दल की भूमिका निभाए, लेकिन कांग्रेस देश हित के इस महत्वपूर्ण काम में भी फिर एक बार फेल हो गई। कांग्रेस पूरी कोशिश कर रही है कि देश में पैनिक क्रिएट हो, देश मुश्किल में फंस जाए। और उसके बाद कांग्रेस भर-भर कर मोदी को गाली दे।

साथियों,

कांग्रेस के लिए और कांग्रेस असम के लिए, देश के लिए कांग्रेस का कोई विजन ही नहीं है, इसलिए, इन्होंने अफवाहों को, झूठ-प्रपंच को ही, और जैसे झूठे रील बनाने की इंडस्ट्री खोलकर रखी है, उसी को हथियार बना दिया है। दुनिया में जो ताकतें भारत के तेज़ विकास को नहीं पचा पा रहीं हैं, जिन विदेशी ताकतों को देश की प्रगति रास नहीं आ रही, कांग्रेस देश का दुर्भाग्य देखिए, कांग्रेस उनके हाथ की कठपुतली बनती जा रही है। इसलिए, असम के हर नागरिक को, हर नौजवान को कांग्रेस से सावधान रहना है।

साथियों,

असम हो, बराक वैली हो, अब ये विकास के पथ पर बढ़ चुका है। बराक वैली, अपनी भाषा, अपने साहित्य, अपनी संस्कृति के लिए जानी जाती है। वो दिन दूर नहीं, जब बराक वैली को विकास के नए सेंटर के रूप में पहचान मिलेगी।

साथियों,

आप इतनी बड़ी तादाद में हमें आशीर्वाद देने आए हैं। जो राजनीति के भविष्य की रेखाएं अंकित करने वाले लोग हैं, वो भांति-भांति की जो संभावनाएं तलाशते रहते हैं, वे आज बराक वैली का ये दृश्य, कल बोड़ो समुदाय का वो दृश्य, टी गार्डन वालों के समूह का दृश्य, ये साफ-साफ बता रहा है कि, इस चुनाव का नतीजा भी क्या होने वाला है। और आप इतनी बड़ी तादाद में आशीर्वाद देने के लिए आए हैं, मैं आपका हृदय से आभारत व्यक्त करता हूं और आप सभी को फिर से विकास परियोजनाओं की बहुत-बहुत बधाई देता हूं। मेरे साथ बोलिये-

भारत माता की जय!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!