The Somnath Temple stands as a beacon of unwavering faith, divinity and a sacred symbol of India’s eternal soul: PM
The restoration of the Somnath Temple on this exact day 75 years ago was no ordinary occasion; If India attained independence in 1947, then the consecration of Somnath in 1951 proclaimed the independent spirit of India: PM
The Somnath Amrit Mahotsav will serve as India's guiding inspiration for the next thousand years: PM
Looters tried to destroy the magnificence of the Somnath temple;Thinking of Somnath as nothing but a physical edifice, they kept striking against it; The temple was broken repeatedly, yet it was rebuilt time and again, standing tall after every fall: PM
Not only was the Somnath temple reconstructed, but the country also washed away the blemish of centuries: PM
Somnath serves as a reminder that a nation can sustain its strength over time only if it remains connected to its roots: PM

জয় সোমনাথ!

জয় সোমনাথ!

হর হর মহাদেব!

গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী ভূপেন্দ্রভাই প্যাটেল, উপ-মুখ্যমন্ত্রী শ্রী হর্ষ সাংভি, গুজরাট সরকারের মন্ত্রীরা, সাংসদ ও বিধায়করা এবং উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা, ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ।

বন্ধুগণ,

আজ আমরা সেই দেবাদিদেব মহাদেবের বিগ্রহ প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপন করছি, যাঁর ইচ্ছানুসারেই সময় আবর্তিত হয়, যিনি কালহীন, যিনি স্বয়ং সময়ের প্রতিমূর্তি। যাঁর থেকে ছন্দের সৃষ্টি, ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টি। ‘যতো যায়তে পল্যতে যেন বিশ্বম্, তামিশং ভজে লেয়তে যত্র বিশ্বম্!’ আজ আমরা তাঁর মন্দিরের পুনর্নির্মাণ উদযাপন করছি। হলাহল পান করে নীলকণ্ঠে পরিণত হওয়া সেই ব্যক্তির আশ্রয়ে আজ এখানে সোমনাথ অমৃত মহোৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে। এ সবই ভগবান সদাশিবের লীলা।

বন্ধুগণ,

আজ আমরা সেই দেবাদিদেব মহাদেবের বিগ্রহ প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপন করছি, যাঁর ইচ্ছানুসারেই সময় প্রকাশিত হয়, যিনি কালহীন, যিনি স্বয়ং সময়ের প্রতিমূর্তি। যাঁর থেকে ছন্দের সৃষ্টি, সেই ব্রহ্মাণ্ডেরই সৃষ্টি, ‘যতো যায়তে পল্যতে যেন বিশ্বম্, তামিশং ভজে লেয়তে যত্র বিশ্বম্!’ আজ আমরা তাঁর মন্দিরের পুনর্নির্মাণ উদযাপন করছি। হলাহল পান করে নীলকণ্ঠে পরিণত হওয়া সেই ব্যক্তির আশ্রয়ে আজ এখানে সোমনাথ অমৃত মহোৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে। এই সবই ভগবান সদাশিবের লীলা।

বন্ধুগণ,

দাদা সোমনাথের একনিষ্ঠ ভক্ত হিসেবে আমি এখানে বহুবার এসেছি এবং অগণিতবার তাঁকে প্রণাম করেছি। কিন্তু আজ এখানে আসা একটি সুখকর অভিজ্ঞতা বলে মনে হলো। মাত্র কয়েক মাস আগেই আমি এখানে এসেছিলাম। আমরা সোমনাথ স্বাভিমান উৎসব পালন করেছি। প্রথমবার ধ্বংস হওয়ার হাজার বছর পরেও অবিনশ্বর সোমনাথের গৌরব এবং আজ এই আধুনিক রূপের প্রাণপ্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্তি — আমরা শুধু এই দুটি অধ্যায়ের অংশই হইনি, মহাদেব আমাদের সহস্র বছরের অমৃত যাত্রা অনুভব করার সুযোগ এনে দিয়েছেন। 

বন্ধুগণ, 

আজ থেকে ৭৫ বছর আগে এই দিনে সোমনাথ মন্দিরের পুনর্নির্মাণ কোনো সাধারণ ঘটনা ছিল না। ভারত ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভ করেছে, আর ১৯৫১ সালে সোমনাথের প্রতিষ্ঠা ভারতের স্বাধীন চেতনারই ঘোষণা করেছিল। স্বাধীনতার সময়, সর্দার সাহেব ৫০০-রও বেশি দেশীয় রাজ্যকে অন্তর্ভুক্ত করে ভারতের আধুনিক রূপ গড়ে তুলেছিলেন। সোমনাথের পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে তিনি বিশ্বের কাছে একটি বার্তা পাঠিয়েছিলেন, সেটি হল ভারত যেমন স্বাধীন হয়েছে পাশাপাশি সে তার প্রাচীন গৌরব পুনরুদ্ধারেরও উদ্যোগী হয়েছে । 

বন্ধুগণ,

আজ এই উপলক্ষে, আমি কেবল ৭৫ বছরের একটি মুহূর্ত প্রত্যক্ষ করছি না, আমি সোমনাথের মধ্যে মূর্ত, ধ্বংসের মাধ্যমে সৃষ্টির সংকল্প প্রত্যক্ষ করছি। আমি এই প্রভাস-পাটনে দ্বারা বারবার জীবন্ত হয়ে ওঠা, মিথ্যার উপর সত্যের বিজয় প্রত্যক্ষ করছি। আমি এখানে হাজার হাজার বছরের আধ্যাত্মিক চেতনা প্রত্যক্ষ করছি, যা সমগ্র বিশ্বকে মানবজাতির কল্যাণের শিক্ষা দিয়েছে। আমি এখানে ভারতের সেই অবিনশ্বর রূপ প্রত্যক্ষ করছি, যাকে শতাব্দীর পর শতাব্দীর অশুভ শক্তি মুছে ফেলতে বা পরাজিত করতে পারেনি। সোমনাথ অমৃত মহোৎসব শুধু অতীতের উদযাপন নয়, এটি আগামী হাজার বছরের জন্য ভারতের অনুপ্রেরণারও উদযাপন। এই উৎসবে আমি আমার সকল দেশবাসী এবং দাদা সোমনাথের লক্ষ লক্ষ ভক্তকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। 

বন্ধুগণ,

আজকের দিনটি আরও একটি কারণে বিশেষ। ১৯৯৮ সালের ১১ই মে, অর্থাৎ আজকের দিনে, ভারত পোখরানে পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়েছিল। প্রথম তিনটি পারমাণবিক পরীক্ষাই ১১ই মে তারিখে হয়। আমাদের বিজ্ঞানীরা বিশ্বের সামনে ভারতের শক্তি ও ক্ষমতা প্রদর্শন করেন এবং সেই ঝড়ে পৃথিবী কেঁপে উঠেছিল। ভারতের মতো একটি দেশ পারমাণবিক পরীক্ষা চালাবে কেন? সারা পৃথিবী বিরক্ত হয়েছিল। সারা বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলো ভারতকে দমন করতে এগিয়ে এসেছিল। বহু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। অর্থনৈতিক সংকট থেকে বের হয়ে আসার সমস্ত পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এই অবস্থায় যে কেউই বিচলিত হয়ে পড়তেন। যখন সারা বিশ্বের প্রধান শক্তিগুলি তীব্র আক্রমণ শুরু করে, তখন তা সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু আমরা ভিন্ন ধাতুতে গড়া। ১১ই মে-র পর সারা বিশ্ব আমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। ১১ই মে-তে বিজ্ঞানীরা প্রথম দফায় পরীক্ষা করেন। কিন্তু ১৩ই মে আরও দুটি পারমাণবিক পরীক্ষা চালানো হয়, যা বিশ্বের সামনে ভারতের অটল রাজনৈতিক ইচ্ছাকে তুলে ধরে। সেই সময় ভারতের উপর সারা পৃথিবী বিরূপ ছিল, কিন্তু অটল বিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার দেখিয়ে দেয় দেশই সর্বাগ্রে। কোনো বিশ্বশক্তিই ভারতকে দমন বা চাপ দিতে পারে না।

বন্ধুগণ, 

পোখরান পারমাণবিক পরীক্ষার নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন শক্তি’। কারণ, শিবের সঙ্গে শক্তির আরাধনা করাই আমাদের ঐতিহ্য। স্বয়ং অর্ধনারীশ্বর শিব শুধু শক্তিতেই পরিপূর্ণ। আপনাদের হয়তো মনে আছে, ভারতের সফল চন্দ্রযান অভিযানের সময়, চাঁদের যে স্থানে ভারতের রোভার অবতরণ করেছিল, আমরা সেই জায়গার নাম দিয়েছিলাম ‘শিব শক্তি পয়েন্ট’। কারণ, আমাদের বিশ্বাসে চাঁদ শিবের সঙ্গে এবং শিব শক্তির সঙ্গে যুক্ত। আর কী অসাধারণ ব্যাপার দেখুন, আমরা এই জ্যোতির্লিঙ্গ সোমনাথকে চাঁদের নামেই ডেকে থাকি।

বন্ধুগণ, 

শিব ও শক্তির উদ্দেশে আমাদের আরাধনা দেশের বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে। আজ আমরা সেই সংকল্পের বাস্তবায়ন প্রত্যক্ষ করছি। এই প্রেক্ষাপটে, ভগবান সোমনাথের চরণ থেকে আমিও আমার সকল দেশবাসীকে ‘অপারেশন শক্তি’-র বার্ষিকীতে অভিনন্দন জানাই। 

বন্ধুগণ,

গতবার যখন এখানে এসেছিলাম, তখন বলেছিলাম, "যাঁর নামের সাথেই অমৃতের নাম জড়িয়ে আছে, তাঁকে কে ধ্বংস করতে পারে?" এই মন্দির তার দীর্ঘ ইতিহাসে অসংখ্য আক্রমণ সহ্য করেছে। মাহমুদ গজনভী এবং আলাউদ্দিন খিলজির মতো অনেক হামলাকারী এসে সোমনাথ মন্দিরের পবিত্রতা ধ্বংস করার চেষ্টা চালায়। তাঁরা এখানকার সম্পদ লুট করে নিয়ে গিয়েছিল। এরা সোমনাথকে নিছক একটি ভৌত কাঠামো হিসেবে বিবেচনা করে এর উপর হামলা চালায়। এই মন্দির, এই স্থাপত্য, বারবার ধ্বংস হয়েছে। আর এই মন্দিরও বারবার পুনর্নির্মিত ও পুনরুজ্জীবিত হতে থাকল, কারণ যারা এটিকে ধ্বংস করেছিল তাদের আমাদের জাতির আদরশের শক্তি সম্পর্কে ধারণা ছিল না। আমরা এমন এক জাতি, যারা বিশ্বাস করি যে দেহ নশ্বর। কিন্তু আমরা জানি আত্মা অমর। আবার, শিবই পরমাত্মা। তাই, বিভিন্ন যুগে শিব বিভিন্ন সত্তার ইচ্ছাশক্তির মধ্যে প্রকাশিত হতে থাকলেন। রাজা ভোজ, রাজা প্রথম ভীমদেব, রাজা কুমারপাল, রাজা প্রথম মহিপাল এবং রাও খাঙ্গার—শিবের এমন অনেক ভক্ত নানা সময়ে সোমনাথ মন্দির পুনর্নির্মাণ করেছেন। লাকুলিষ ও সোম শর্মার মতো অনেক মনিষী প্রভাস পাটন অঞ্চলের ঐতিহ্য সংরক্ষণ করে একে শৈব দর্শনের এক মহান কেন্দ্রে পরিণত করেছিলেন। ভব বৃহস্পতি, পশুপাতাচার্য এবং অসংখ্য পণ্ডিত এই তীর্থস্থানের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে জাগ্রত করে রেখেছিলেন। বিশালদেব ও ত্রিপুরান্তকের মতো ব্যক্তিত্বরা এখানে বৌদ্ধিক চেতনা সংরক্ষণের পবিত্র কাজটি সম্পাদন করেছিলেন। 

বন্ধুগণ,

বীর হামিরজি গোহিল, বীর ভেগাদাজি ভিল, পুণ্যশ্লোক অহিল্যাবাঈ হোলকারজি, বরোদার গায়কোয়াড়, জাম সাহেব মহারাজা দিগ্বিজয় সিংজি-র মত অনেক মহান ব্যক্তিত্ব সোমনাথের সেবায় তাদের সর্বস্ব উৎসর্গ করেছেন। এই প্রসঙ্গে আমি সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল, ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ, শ্রী কে. এম. মুন্সি সহ বিভিন্ন মহান ব্যক্তিত্বদের প্রতি সশ্রদ্ধ শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করছি। তাঁদের কর্মকাণ্ড আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে শুধু এগিয়ে নিয়ে যেতেই নয়, বরং এই দায়িত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতেও অনুপ্রাণিত করে। 

বন্ধুগণ,

সাংস্কৃতিক দিক থেকে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলি হাজার হাজার বছর ধরে ভারতের পরিচিতির প্রতীক। উত্তরাধিকার সুত্রে আমরা এক সমৃদ্ধ ঐতিহ্য পেয়েছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, আমরা কয়েক দশক ধরে এর তাৎপর্য অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়েছি। বিশ্বজুড়ে এমন অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে যেখানে বিদেশী হামলাকারীরা জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে জড়িত স্থানগুলো ধ্বংস করেছে। অথচ যখন সেই দেশগুলির নাগরিকরা নিজেরা যখন সুযোগ পেয়েছিল, তখন তারা তাদের পরিচয় সংরক্ষণ, সংস্কার এবং পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে উদ্যোগী হয়। আর আমাদের এখানে দেশের গর্বের বিষয়গুলি নিয়ে রাজনীতি করা অব্যাহত রয়েছে। সোমনাথ নিজেই এর একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ। স্বাধীনতার পর প্রথম অঙ্গীকারগুলোর মধ্যে একটি ছিল সোমনাথ মন্দির পুনরুদ্ধার করা। তাই, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল এবং ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ এটি বাস্তবায়নের জন্য উদ্যোগী হন। তবে, আমরা সকলেই জানি যে নেহরুর কাছ থেকে তাঁরা কী প্রচণ্ড বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছিলেন। আজ আমি সেই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় যাব না, তবে সর্দার সাহেবের অদম্য ইচ্ছাশক্তিই নিশ্চিত করেছিল যে এত বিরোধিতা সত্ত্বেও তিনি নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকবেন। সোমনাথ মন্দির পুনর্নির্মিত হয়েছিল এবং দেশ শত শত বছরের কলঙ্ক থেকে মুক্ত হয়েছিল।

বন্ধুগণ,

দুর্ভাগ্যবশত, দেশে এখনও এমন শক্তির আধিপত্য রয়েছে যারা দেশের গর্বের চেয়ে তোষণকে বেশি মূল্য দেয়। আমরা দেখেছি, রাম মন্দির নির্মাণের মতো ক্ষেত্রেও নির্মাণ কাজটিরই বিরোধিতা করা হয়। আমাদের এই ধরনের মানসিকতা সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। এই সংকীর্ণ রাজনীতিকে ছুঁড়ে ফেলে দিতে হবে। উন্নয়ন ও ঐতিহ্যকে সঙ্গী করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। 

বন্ধুগণ,

গত কয়েক বছর আমি সোমনাথ ট্রাস্টের সভাপতি হিসেবে সোমনাথ দাদার সেবা করার সুযোগ পেয়েছি এবং এই মন্দির ও অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য যে ঐতিহাসিক কাজ হয়েছে, তা আমরা সকলেই প্রত্যক্ষ করছি। কিন্তু এই সেবা করার কাজ করায় ব্যক্তিগতভাবে আমি উপকৃত হয়েছি। দেশের প্রতিটি পবিত্র তীর্থস্থানের উন্নয়নের যে সুযোগ আমি এখন পেয়েছি, তা ভগবান সোমনাথের কৃপাতেই সম্ভব হয়েছে।

বন্ধুগণ,

আজ, কয়েকশ’ বছর পর, কাশীতে বাবা বিশ্বনাথধামের সম্প্রসারণ হয়েছে। আজ আমরা উজ্জয়িনীতে মহাকাল ও মহালোকের এক অসাধারণ দৃশ্যও প্রত্যক্ষ করছি। কেদারনাথ ধামও পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। আর আমি তো আগেই বলেছি, অযোধ্যার ৫০০ বছরের অপেক্ষারও অবসান হয়েছে। আজ সেখানে এক চমৎকার মন্দিরে রাম লালা অধিষ্ঠিত।

বন্ধুগণ,

আজ আমরা এমন অনেক পবিত্র তীর্থস্থান, মঠ, মন্দির এবং অঞ্চলের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য প্রত্যক্ষ করছি, যেগুলির মহিমার কথা আমরা পুরাণে শুনেছি। আর এই সবকিছুই বাস্তবায়িত হয়েছে গত ১০-১২ বছরের মধ্যে। 

বন্ধুগণ,

আমাদের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলিকে অবহেলা করায় দেশের উন্নয়ন বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। কারণ আমাদের তীর্থস্থানগুলি শুধু ভারতের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুই নয়, এগুলো অর্থনৈতিক উন্নয়নেরও উৎস। আজ, চার ধাম মহাসড়ক প্রকল্প, গোবিন্দঘাট থেকে হেমকুন্ড সাহিব পর্যন্ত রোপওয়ে প্রকল্প, কর্তারপুর করিডোর এবং বৌদ্ধ সার্কিটের উন্নয়ন — এসবই দেশজুড়ে তীর্থস্থানগুলিতে অর্থনৈতিক কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি করেছে। সোমনাথ প্রাঙ্গণ এরকমই এক শক্তিশালী উদাহরণ। আজ শত শত পরিবার সোমনাথ মন্দির ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত। হাজার হাজার মানুষের জীবন এই অঞ্চলের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দেশ বিদেশের নানা প্রান্ত থেকে যাঁরা এখানে আসেন, তাঁরা গুজরাটের অন্যান্য অংশেও ভ্রমণ করেন। এর ফলে রাজ্য ও দেশের উন্নতির নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। 

বন্ধুগণ,
আমাদের ধর্মবিশ্বাস আমাদের জীবনশৈলী শেখায়। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, “সর্বং খল্বিদং ব্রহ্ম!” অর্থাৎ, সৃষ্টির প্রতিটি উপাদান, এই সমগ্র প্রকৃতিই ঈশ্বরের প্রকাশ। তাই নদী, গাছ, বনকেও আমরা শ্রদ্ধার চোখে দেখি। আমরা পর্বতরাজিকেও পরম পবিত্র বলে গণ্য করি। বিশ্ব যখন আরও প্রাকৃতিক পদ্ধতিকে অনুসরণ করার জীবনধারার দিকে ফিরে যাচ্ছে, তখন আমাদের এই শক্তিকে অবশ্যই স্বীকৃতি দিতে হবে। আমাদের তীর্থস্থান ও মন্দিরগু লির উন্নয়নের পাশাপাশি সেগুলির মর্যাদা রক্ষার বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে। আসুন আমরা এমন এক জীবনধারা অনুসরণ করি যা প্রকৃতি ও পরিবেশকে রক্ষা করে। একই সঙ্গে, আসুন আমরা আমাদের তীর্থস্থানগুলোকে এমন ভাবে গড়ে তুলি, যা সারা বিশ্বের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে। আমাদের আস্থার সঙ্গে এই সংকল্পগুলোকে যুক্ত করে সেগুলিকে জীবনযাত্রার অঙ্গ করতে হবে। 

বন্ধুগণ,

যখন নতুন প্রজন্ম তাদের ইতিহাস, ধর্মবিশ্বাস এবং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে, তখন জাতির আত্মবিশ্বাস আরও শক্তিশালী হয়। এই সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতাই আজকের দিনে ভারতের এগিয়ে চলার আত্মবিশ্বাসের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভারতে আধুনিকতা ও ঐতিহ্য আমাদের জীবনে অবিচ্ছেদ্য। ভারতে এই দুটি উপাদান একত্রে এগিয়ে চলার শক্তি, যারা একে অপরকে উজ্জীবিত করে। সোমনাথ আমাদের মনে করিয়ে দেন, একটি জাতি, যখন তার শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তখনই সে দীর্ঘকাল ধরে শক্তিশালী থাকতে পারে। আমরা আমাদের ঐতিহ্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হাতে শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের সঙ্গে তুলে দিই। ৭৫ বছর আগে, যখন নবনির্মিত সোমনাথ মন্দিরে অভিষেক অনুষ্ঠান হয়েছিল, ভারত সেই সময় এক নতুন চেতনার পথে যাত্রা শুরু করেছিল। আজ, ৭৫ বছর পর, সেই একই যাত্রা আরও শক্তিশালী ভাবে আমাদের সামনে উপস্থিত। আমাদের একে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে। আমাদের এই সংকল্প পূরণে দাদা সোমনাথের আশীর্বাদ যেন সবসময় আমাদের সঙ্গে থাকে, এটাই আমার প্রার্থনা। এই বিশেষ উপলক্ষে আমি আবারও সকল দেশবাসীকে, ঐতিহ্যে বিশ্বাসী প্রত্যেক নাগরিককে আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমার সঙ্গে আপনারা সকলে বলুন: 

জয় সোমনাথ।

জয় সোমনাথ।

হর হর মহাদেব।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India-UK FTA comes into effect today, unlocking duty-free access for Indian exports

Media Coverage

India-UK FTA comes into effect today, unlocking duty-free access for Indian exports
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister pays homage to Thiru K. Kamaraj Ji on his birth anniversary
July 15, 2026

Prime Minister Shri Narendra Modi today, paid homage to Thiru K. Kamaraj Ji on his birth anniversary, remembering him as a stalwart of India's freedom movement and an exceptional public figure who dedicated his life to nation-building. Shri Modi said that Thiru K. Kamaraj Ji's unwavering commitment to education, inclusive development and the welfare of the underprivileged continues to inspire generations.

Shri Modi posted on X;

Remembering Thiru K. Kamaraj Ji on his birth anniversary. A stalwart of India’s freedom movement and an exceptional public figure, he dedicated his life to nation-building. His unwavering commitment to areas like education, inclusive development and the welfare of the underprivileged continues to guide generations.