Many ships are stranded in the Strait of Hormuz, with a large number of Indian crew members on board. This is a major cause of concern for India: PM
In such a critical situation, it is essential that a united voice of peace and dialogue goes out to the entire world from this Upper House of India's Parliament: PM
Around one crore Indians live and work in the Gulf countries, The safety of their lives and livelihoods is also a very big concern for India: PM
More than three weeks have passed since this war began in West Asia , This war has created a serious energy crisis across the entire world: PM
Attacks on commercial ships and disruption of international waterways like the Strait of Hormuz is unacceptable: PM
India has condemned attacks on civilians, on civil infrastructure, and on energy and transport-related infrastructure: PM
Since the start of the war, I have held two rounds of phone conversations with the heads of state of most countries in West Asia: PM
We are in constant touch with all the Gulf countries, We are also in contact with Iran, Israel, and the United States: PM
Our goal is to restore peace in the region through dialogue and diplomacy: PM
We have also discussed de-escalation and the reopening of the Strait of Hormuz with them: PM
India is making continuous efforts, through diplomacy, to ensure the safe passage of Indian ships even in this atmosphere of war: PM
Since the war began, ship movement through the Strait of Hormuz has become very challenging, but the government is seeking a way forward through dialogue and diplomacy: PM
The effort is to ensure that oil and gas supplies reach India from wherever possible, The country is witnessing the results of every such effort: PM
In the past few days, ships carrying crude oil and LPG have arrived in India from many countries around the world, Our efforts in this direction will continue in the coming days: PM
The fundamentals of our economy are strong,the government is closely monitoring the rapidly changing situation: PM
The government is working with a strategy to address every impact in the short term, medium term, and long term: PM
The government has made the necessary preparations to ensure an adequate supply of fertilizers: PM
The government is making continuous efforts to ensure that farmers do not bear the burden of any crisis: PM
I would like to reassure the farmers of the country once again that the government stands with them to resolve every challenge: PM

মাননীয় সভাপতি, 

পশ্চিম এশিয়ায় যে যুদ্ধ চলছে এবং তার ফলে যে পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে, সে বিষয়ে আমরা সকলেই অবগত। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে সরকারের অবস্থান তুলে ধরতে আমি আজ সংসদের উচ্চকক্ষে তথা দেশবাসীর সামনে উপস্থিত হয়েছি। পশ্চিম এশিয়ায় এই যুদ্ধ তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলছে। এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে এক গুরুতর জ্বালানি সংকট তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতি ভারতের জন্যও উদ্বেগজনক। এই যুদ্ধ আমাদের বাণিজ্য পথগুলোকে প্রভাবিত করছে। পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাস এবং সারের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের নিয়মিত সরবরাহ আজ প্রভাবিত। উপসাগরীয় দেশগুলোতে প্রায় ১ কোটি ভারতীয় বসবাস করেন এবং কাজ করেন। তাদের জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তার বিষয়টি ভারতের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বহু জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে আটকা পড়েছে, এই জাহাজগুলিতে প্রচুর ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। ভারতের জন্য এটিও অত্যন্ত উদ্বেগের। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে, ভারতীয় সংসদের এই উচ্চকক্ষ থেকে শান্তি ও আলোচনার জন্য ঐক্যবদ্ধ এক ধ্বনি সারা পৃথিবীর কাছে পৌছে দেওয়া অপরিহার্য।  

 

মাননীয় সভাপতি মহাশয়, 

 

 

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমি পশ্চিম এশিয়ার অধিকাংশ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে দুটি পর্যায়ে টেলিফোনে কথা বলেছি। উপসাগরের সব দেশগুলোর সঙ্গে আমরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। আমরা ইরান, ইজ্রায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছি। আমাদের উদ্দেশ্য হলো কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে এই অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনা। আমরা উত্তেজনা হ্রাস এবং হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা করেছি। বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলা এবং হরমুজ প্রণালীর মতো আন্তর্জাতিক জলপথে অবরোধ সৃষ্টি করা অভিপ্রেত নয়। ভারত অসামরিক নাগরিক, অসামরিক পরিকাঠামো এবং জ্বালানি ও পরিবহন সংক্রান্ত পরিকাঠামোর ওপর হামলার নিন্দা জানিয়েছে। ভারত এই যুদ্ধের মধ্যেও কূটনৈতিক আলাপ আলোচনার মাধ্যমে ভারতীয় জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার জন্য সব সময় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানের উপায় হিসেবে ভারত আলোচনার পক্ষে সওয়াল করছে। এই যুদ্ধে মানবতার স্বার্থে কারও জীবন বিপন্ন করা উচিৎ নয়। তাই, সব পক্ষকে যত দ্রুত সম্ভব একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছাতে উৎসাহিত করাই হল ভারতের লক্ষ্য।    

 

মাননীয় সভাপতি মহাশয়,  

 

সঙ্কটের এই সময়ে দেশ-বিদেশে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ৩ লক্ষ ৭৫ হাজারেরও বেশি ভারতীয় নিরাপদে দেশে ফিরে এসেছেন। শুধু ইরান থেকেই ১ হাজারেরও বেশি ভারতীয় নিরাপদে ফিরে এসেছেন। এদের মধ্যে ৭০০ জনেরও বেশি তরুণ ডাক্তারী ছাত্র। এই সঙ্কটকালে আমাদের সরকার অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সঙ্গে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। প্রতিটি দেশ সেখানে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তার পূর্ণ আশ্বাস দিয়েছে। তবে, এটি অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে এই হামলায় কয়েকজন ভারতীয় প্রাণ হারিয়েছেন এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। কঠিন এই পরিস্থিতিতে তাদের পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। যারা আহত হয়েছেন, তাদের সব থেকে ভালো চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হচ্ছে। 

 

 

   মাননীয় সভাপতি মহাশয়,    

 

হরমুজ প্রণালী বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। বিশেষ করে অশোধিত তেল, গ্যাস এবং সার এই অঞ্চল দিয়ে প্রচুর পরিমাণে পরিবহণ করা হয়। যুদ্ধের পর থেকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে, প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও, আমাদের সরকার কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমে জাহাজ চলাচলের বিষয়টিতে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে, সেই চেষ্টা করে আসছে। যেখান থেকেই সম্ভব হবে, ভারতে সেখান থেকেই তেল ও গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করছে। দেশ এই ধরনের সব উদ্যোগের ফল দেখতে পাচ্ছে। গত কয়েকদিনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অশোধিত তেল এবং রান্নার গ্যাস বহনকারী জাহাজ ভারতে এসে পৌঁছেছে। আগামী দিনগুলোতেও এই বিষয়ে আমাদের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। 

 

মাননীয় সভাপতি মহাশয়,   

 

তেল, গ্যাস বা সারের মতো অত্যাবশ্যকীয় পণ্যবাহী জাহাজগুলো যাতে নিরাপদে ভারতে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে আমরা উদ্যোগী হয়েছি। তবে, এই যুদ্ধের ফলে উদ্ভূত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি যদি দীর্ঘদিন একই রকম থাকে, তবে গুরুতর পরিণতি অবশ্যম্ভাবী। তাই, ভারত তার ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গৃহীত নানা উদ্যোগ বাস্তবায়নে আরও গতি আনছে।  

 

 

মাননীয় সভাপতি মহাশয়,   

 

যেকোনো সংকট আমাদের সাহস ও উদ্যোগ— দুইয়েরই পরীক্ষা নেয়। গত ১১ বছর ধরে, এই ধরনের সঙ্কটের জন্য দেশকে আরও ভালোভাবে তৈরি করতে ধারাবাহিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে নানা দেশের সঙ্গে যোগযোগ করা এই প্রচেষ্টারই একটি অংশ। আগে, জ্বালানির চাহিদা মেটাতে ২৭টি দেশ থেকে অশোধিত তেল, এলএনজি এবং রান্নার গ্যাস আমদানি করা হতো। বর্তমানে, ভারত ৪১টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করে। গত এক দশকে, ভারত এই ধরনের সঙ্কটকালীন পরিস্থিতির জন্য অশোধিত তেলের মজুতকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। আমাদের তেল সংস্থাগুলো জরুরি অবস্থার জন্য প্রচুর পরিমাণে পেট্রোল ও ডিজেল মজুদ করে রাখে। গত ১১ বছরে, ৫৩ লক্ষ মেট্রিক টনেরও বেশি পেট্রোলিয়াম মজুত করা হয়েছে এবং দেশ ৬৫ লক্ষ মেট্রিক টনেরও বেশি মজুত রাখার জন্য পরিকাঠামো গড়ার কাজ করছে। এছাড়াও, গত এক দশকে ভারতের শোধন ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনাদের মাধ্যমে আমি এই সদন এবং দেশকে জানাতে চাই, ভারতে অশোধিত তেল মজুত রাখার পর্যাপ্ত সুবিধা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের ব্যবস্থা রয়েছে।     

 

 

মাননীয় সভাপতি মহাশয়,  

 

আমাদের সরকার জ্বালানির জন্য কোনো একটি উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা এড়ানোর জন্য উদ্যোগী হয়েছে। সরকার দেশের অভ্যন্তরে গ্যাস সরবরাহে রান্নার গ্যাসের পাশাপাশি পিএনজি-র ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে। গত এক দশকে দেশে পিএনজির সংযোগ স্থাপনে অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এই কাজ আরও গতি পেয়েছে। এছাড়াও, রান্নার গ্যাসের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করার চেষ্টা চলছে। 

 

 

মাননীয় সভাপতি মহাশয়,   

 

বিগত বছরগুলোতে সরকার প্রত্যেক ক্ষেত্রে অন্যান্য দেশের উপর নির্ভরশীলতা কমানোর জন্য ক্রমাগত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যথাসম্ভব আত্মনির্ভর হওয়াই একমাত্র উপায়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ভারতের ৯০ শতাংশেরও বেশি তেল বিদেশি জাহাজে পরিবহন করা হয়, ফলে আন্তর্জাতিক যেকোনো সঙ্কটে ভারতের পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে। তাই, সরকার ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ জাহাজ তৈরির জন্য প্রায় ৭০,০০০ কোটি টাকার একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দ্রুত জাহাজ নির্মাণ, জাহাজ ভাঙা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ওভারহলিং সুবিধা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ব্যয় কমাচ্ছে ভারত। দেশ তার প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে। গত এক দশকের উদ্যোগে, ভারত এখন তার প্রয়োজনীয় অস্ত্রের বেশিরভাগই দেশে তৈরি করছে। একটা সময় ছিল যখন ভারত তার জীবনদায়ী ওষুধের কাঁচামাল, অর্থাৎ এপিআই এর জন্যও অন্য দেশগুলোর উপর নির্ভরশীল ছিল। অতীতে, ভারতের অভ্যন্তরে একটি এপিআই ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার জন্য প্রচুর চেষ্টা চালিয়েছে। একইভাবে, বিরল মৃত্তিকা সংক্রান্ত খনিজ পদার্থের উপর আমদানী নির্ভরতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।  

 

 

 

শ্রদ্ধেয় সভাপতি মহাশয়,  

 

বর্তমান সঙ্কট বিশ্ব অর্থনীতিকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। পশ্চিম এশিয়ায় ইতোমধ্যে যে ক্ষতি হয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসতে দীর্ঘ সময় লাগবে। ভারতের উপর এর প্রভাব কমানোর জন্য প্রতিনিয়ত নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আমাদের অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত, এবং সরকার এই পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির উপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে। সরকার স্বল্পমেয়াদী, মধ্যমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী সব ধরনের প্রভাব মোকাবিলার জন্য কৌশল তৈরি করছে। কেন্দ্রীয় সরকার একটি আন্তঃমন্ত্রক গোষ্ঠীও গঠন করেছে। এই গোষ্ঠী আমাদের আমদানি ও রপ্তানির ক্ষেত্রে যেকোনো সমস্যার মূল্যায়নের জন্য নিয়মিত বৈঠক করে এবং প্রয়োজনীয় সমস্যার সমাধানের জন্য নিরন্তর কাজ করে চলেছে। কোভিড-১৯ মহামারীর সময় বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলার জন্য যেমন রপ্তানিকারক ও কর্মকর্তাদের ক্ষমতাপ্রাপ্ত গোষ্ঠী গঠন করা হয়েছিল, ঠিক একই ভাবে গতকাল সাতটি নতুন ক্ষমতাপ্রাপ্ত গোষ্ঠী গঠন করা হয়েছে। এই গোষ্ঠীগুলো একটি দ্রুত ও দীর্ঘমেয়াদী কৌশল ব্যবহার করে সরবরাহ শৃঙ্খল বজায় রাখা, পেট্রোল-ডিজেল, সার, গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং মুদ্রাস্ফীতির মতো বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কাজ করবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে সামাল দিতে যে পারব, সে বিষয়ে আমি আত্মবিশ্বাসী।

 

 

 

শ্রদ্ধেয় সভাপতি মহোদয়,    

 

সরকার আসন্ন রোপণ মরশুমে কৃষকদের কাছে পর্যাপ্ত সার পৌঁছে দিতেও উদ্যোগ নিচ্ছে। সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। কৃষকরা যেন কোনো সংকটে না পড়েন, তা নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আমি দেশের কৃষকদের আশ্বস্ত করতে চাই, প্রত্যেক প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবিলায় সরকার আপনাদের পাশে আছে।

 

 

 শ্রদ্ধেয় সভাপতি মহোদয়,    

 

এই হলো বর্তমান পরিস্থিতি। আগামী দিনে এই সঙ্কট আমাদের দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষা হবে এবং এই পরীক্ষায় সাফল্যের জন্য রাজ্যগুলির সহযোগিতা অপরিহার্য। তাই, এই উচ্চকক্ষের মাধ্যমে আমি সব রাজ্য সরকারের কাছে কয়েকটি অনুরোধ করতে চাই। সংকটের সময় দরিদ্র নাগরিক, শ্রমিক এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে। তাই, প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনার সুবিধাগুলি যাতে সময়মতো পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করাতে হবে। পরিযায়ী শ্রমিকরা যেখানেই কাজ করুন না কেন, তাদের অসুবিধা দূর করতে সক্রিয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। রাজ্য সরকারগুলি যদি এই ধরনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তবে তা অত্যন্ত সহায়ক হবে। রাজ্য সরকারগুলিকে আরও একটি চ্যালেঞ্জের দিকেও কড়া নজর রাখতে হবে। এই সময়ে কালোবাজারি এবং মজুতদাররা খুব সক্রিয় হয়ে ওঠে। যেখানেই এই ধরনের অভিযোগ পাওয়া যাবে, সেখানেই দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রতিটি রাজ্যের জন্য অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।  

 

শ্রদ্ধেয় সভাপতি মহোদয়,    

 

আমি সব রাজ্য সরকারের কাছে আরও একটি অনুরোধ করতে চাই। সঙ্কট যত গভীর হোক না কেন, ভারতের দ্রুত উন্নয়নের ধারা বজায় রাখা আমাদের দায়িত্ব। এটি অর্জন করতে, আমাদের অবশ্যই প্রতিটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়ন করে যেতে হবে। রাজ্য সরকারগুলির কাছে এ এক বিরাট সুযোগ। টিম ইন্ডিয়ার জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। কোভিড-১৯ সংকটের সময়, কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারগুলি টিম ইন্ডিয়া হিসাবে কাজ করে কোভিড ব্যবস্থাপনার একটি চমৎকার মডেল গড়ে তুলেছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সরকার থাকা সত্ত্বেও, শুধুমাত্র টিম ইন্ডিয়ার উদ্যোগেই পরীক্ষা, টিকাদান এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছিল। আমাদের অবশ্যই সেই একই মনোভাব নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। সমস্ত রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে, দেশ এই গুরুতর আন্তর্জাতিক সঙ্কটকে কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে পারবে।    

 

শ্রদ্ধেয় সভাপতি মহোদয়,  

 

 অভূতপূর্ব এই সংকটের সমাধানগুলোও আলাদাভাবে তৈরি করা হচ্ছে। আমাদের ধৈর্য সহকারে, সংযত হয়ে এবং শান্ত ভাবে সব ধরণের প্রতিকূলতার মোকাবিলা করতে হবে। 

  

শ্রদ্ধেয় সভাপতি মহোদয়,     

 

আমরা দেখছি, যুদ্ধ সংক্রান্ত এই পরিস্থিতি প্রতি মুহূর্তে বদলাচ্ছে। তাই আমি দেশবাসীকে বলতে চাই, আমাদের অবশ্যই যে কোন চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এই যুদ্ধের কুফল দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার প্রভূত সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু আমি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করছি, সরকার সতর্ক আছে, যে কোন পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে। গুরুত্ব সহকারে কৌশল প্রণয়ন করে প্রতিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে। দেশের মানুষের স্বার্থকেই আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি। এটিই আমাদের শক্তি। এই ভাবনার মাধ্যমেই আমি আমার বক্তব্য শেষ করছি।   

 

অনেক অনেক ধন্যবাদ। 

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
EU Firms Generate 186 Billion Euros In India, Support 6 Million Jobs: Report

Media Coverage

EU Firms Generate 186 Billion Euros In India, Support 6 Million Jobs: Report
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
সোশ্যাল মিডিয়া কর্নার 8 মে 2026
May 08, 2026

Nari Shakti to National Security: One Vision, a Thousand Victories Under PM Modi