Women may forget everything, but will never forget insult to their pride: PM
Those parties that have opposed the Nari Shakti Vandan Adhiniyam Amendment in Parliament are taking women's power for granted: PM
Nari Shakti Vandan Adhiniyam Amendment was a 'Mahayagya' to empower women of the 21st century : PM
One major reason for opposition to Nari Shakti Vandan Adhiniyam by dynastic parties is their fear : PM
The blessings of the country's 100 percent Nari Shakti are with us: PM
We will remove every obstacle coming in the way of women's reservation: PM
Snatching away women's rights, these people were thumping the tables ; That was an assault on the dignity of women, on their self-respect: PM
For opposing women’s reservation, the opposition will be punished for the sin they have committed: PM

আজ আমি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিশেষ করে দেশের মা-বোন ও কন্যাদের সঙ্গে কথা বলতে এসেছি। আজ ভারতের প্রতিটি নাগরিক দেখছেন, কীভাবে ভারতের নারীশক্তির উড়ানকে থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের স্বপ্নগুলো নির্মমভাবে পিষে ফেলা হয়েছে। আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও আমরা সফল হতে পারিনি—“নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম”-এ সংশোধন করা সম্ভব হয়নি। আর এর জন্য আমি দেশের সমস্ত মা-বোনদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।

সাথীরা,

আমাদের কাছে দেশের স্বার্থই সর্বোচ্চ। কিন্তু যখন কিছু মানুষের কাছে দলীয় স্বার্থই সবকিছু হয়ে যায়—যখন দলীয় স্বার্থ দেশের স্বার্থের চেয়েও বড় হয়ে ওঠে—তখন নারীশক্তি এবং দেশের স্বার্থকে তার খেসারত দিতে হয়। এবারও ঠিক সেটাই হয়েছে। কংগ্রেস, ডিএমকে, টিএমসি এবং সমাজবাদী পার্টির মতো দলগুলির স্বার্থপর রাজনীতির ক্ষতি দেশের নারীশক্তিকে বহন করতে হয়েছে।

সাথীরা,

গতকাল দেশের কোটি কোটি নারীর দৃষ্টি সংসদের দিকে ছিল। দেশের নারীশক্তি দেখছিল, আর আমিও এটা দেখে খুব দুঃখ পেয়েছি যে, যখন এই নারী-স্বার্থের প্রস্তাবটি পরাজিত হল, তখন কংগ্রেস, ডিএমকে, টিএমসি, সপা-র মতো পরিবারতান্ত্রিক দলগুলি আনন্দে হাততালি দিচ্ছিল। নারীদের কাছ থেকে তাদের অধিকার কেড়ে নিয়ে এরা টেবিল চাপড়াচ্ছিল। তারা যা করেছে, তা শুধু টেবিল চাপড়ানো ছিল না—তা ছিল নারীর আত্মসম্মান ও মর্যাদার ওপর আঘাত।

 

নারী সব কিছু ভুলে যেতে পারে, কিন্তু নিজের অপমান কখনও ভোলে না। তাই সংসদে কংগ্রেস ও তার সহযোগীদের এই আচরণের বেদনা প্রতিটি নারীর মনে চিরকাল রয়ে যাবে। দেশের নারী যখনই নিজের এলাকায় এই নেতাদের দেখবে, তখন সে মনে করবে—এই লোকেরাই সংসদে মহিলা সংরক্ষণ ঠেকানোর উৎসব করেছিল, আনন্দ করেছিল।

গতকাল সংসদে “নারী শক্তি বন্দন সংশোধন”-এর যে দলগুলি বিরোধিতা করেছে, তাদের আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই—এরা নারীশক্তিকে অবহেলা করছে। তারা ভুলে যাচ্ছে যে, একবিংশ শতাব্দীর নারী দেশের প্রতিটি ঘটনায় নজর রাখছে। তারা তাদের উদ্দেশ্য বুঝে ফেলছে এবং সত্যিটাও ভালোভাবেই জেনে গেছে।

তাই মহিলা সংরক্ষণের বিরোধিতা করে বিরোধীরা যে পাপ করেছে, তার শাস্তি তারা অবশ্যই পাবে। এই দলগুলি সংবিধান প্রণেতাদের ভাবনাকেও অপমান করেছে এবং জনগণের শাস্তি থেকেও তারা বাঁচতে পারবে না।

সাথীরা,

সদনে “নারী শক্তি বন্দন সংশোধন” কারও কাছ থেকে কিছু কেড়ে নেওয়ার জন্য ছিল না। এটি ছিল সবার জন্য কিছু না কিছু দেওয়ার উদ্দেশ্যে আনা একটি সংশোধন। এটি ছিল গত ৪০ বছর ধরে ঝুলে থাকা নারীর অধিকারকে ২০২৯ সালের পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনের মাধ্যমে বাস্তবায়িত করার একটি উদ্যোগ।

“নারী শক্তি বন্দন সংশোধন” ছিল ২১শ শতাব্দীর ভারতের নারীদের নতুন সুযোগ দেওয়া, নতুন উড়ান দেওয়া এবং তাদের সামনে থাকা বাধা দূর করার এক মহাযজ্ঞ। দেশের ৫০ শতাংশ, অর্থাৎ অর্ধেক জনসংখ্যাকে সততার সঙ্গে তাদের ন্যায্য অধিকার দেওয়ার একটি স্পষ্ট অভিপ্রায় এবং পবিত্র প্রচেষ্টা ছিল এটি। নারীদের ভারতের উন্নয়নের যাত্রায় সহযাত্রী করে তোলা এবং সবাইকে একসূত্রে বাঁধার একটি উদ্যোগ ছিল।

“নারী শক্তি বন্দন সংশোধন” সময়ের দাবি। এটি উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম—সমস্ত রাজ্যের শক্তিকে সমানভাবে বাড়ানোর একটি প্রচেষ্টা ছিল। সংসদে সব রাজ্যের কণ্ঠস্বরকে আরও শক্তিশালী করার একটি উদ্যোগ ছিল এটি। রাজ্য ছোট হোক বা বড়, জনসংখ্যা কম হোক বা বেশি—সবার শক্তি সমান অনুপাতে বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

কিন্তু এই সৎ প্রচেষ্টাকে কংগ্রেস এবং তার সহযোগীরা সংসদে সবার সামনে নষ্ট করে দিয়েছে। কংগ্রেস, টিএমসি, সমাজবাদী পার্টি, ডিএমকের মতো দলগুলো এই কাজের জন্য দায়ী। তারা দেশের সংবিধানের প্রতি অপরাধ করেছে, তারা দেশের নারীশক্তির প্রতিও অন্যায় করেছে।

সাথীরা,

কংগ্রেস নারী সংরক্ষণের বিষয়টিকেই অপছন্দ করে। তারা সবসময়ই নারী সংরক্ষণকে বাধা দেওয়ার জন্য নানা ষড়যন্ত্র করেছে। এই দিক থেকে আগে যতবার চেষ্টা হয়েছে, প্রতিবারই কংগ্রেস তাতে বাধা সৃষ্টি করেছে। এবারও কংগ্রেস এবং তার সহযোগীরা নারী সংরক্ষণ ঠেকাতে একের পর এক নতুন মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে। কখনও সংখ্যার অজুহাতে, কখনও অন্য কোনও উপায়ে—তারা দেশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে।

এভাবে এই দলগুলি ভারতের নারীশক্তির সামনে তাদের আসল চেহারা তুলে ধরেছে, তাদের মুখোশ খুলে দিয়েছে।

সাথীরা,

ব্যক্তিগতভাবে আমার আশা ছিল যে কংগ্রেস তাদের বহু দশকের পুরনো ভুল সংশোধন করবে। তারা তাদের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করবে। কিন্তু কংগ্রেস ইতিহাস গড়ার সুযোগ হারিয়েছে, নারীদের পক্ষে দাঁড়ানোর সুযোগও হারিয়েছে। আজ দেশের অধিকাংশ অংশে কংগ্রেস নিজের অস্তিত্বই হারিয়ে ফেলেছে। তারা পরজীবীর মতো আঞ্চলিক দলগুলির কাঁধে ভর দিয়ে নিজেদের টিঁকিয়ে রেখেছে। কিন্তু কংগ্রেস এটাও চায় না যে আঞ্চলিক দলগুলোর শক্তি বাড়ুক। তাই এই সংশোধনের বিরোধিতা করে তারা বহু আঞ্চলিক দলের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ঠেলে দেওয়ার রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করেছে।

সাথীরা,

কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, ডিএমকে, টিএমসি এবং অন্যান্য দল বহু বছর ধরে একই অজুহাত, একই ভ্রান্ত যুক্তি তুলে ধরছে। তারা কোনও না কোনও প্রযুক্তিগত জটিলতা তৈরি করে বারবার নারীদের অধিকার হরণ করছে। দেশের মানুষ এখন এই কুৎসিত রাজনৈতিক ধারা ভালোভাবেই বুঝে ফেলেছে এবং এর পেছনের কারণও জেনে গেছে।

 

ভাই ও বোনেরা,

“নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম”-এর বিরোধিতার একটি বড় কারণ হলো এই পরিবারতান্ত্রিক দলগুলোর ভয়। তাদের আশঙ্কা, যদি নারীরা সত্যিই ক্ষমতাবান হয়ে ওঠে, তাহলে এই পরিবারতান্ত্রিক দলগুলির নেতৃত্ব হুমকির মুখে পড়বে। তারা কখনও চাইবে না যে তাদের পরিবারের বাইরে থেকে অন্য নারীরা এগিয়ে আসুক।

আজ পঞ্চায়েত ও স্থানীয় সংস্থাগুলিতে হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ নারী তাদের দক্ষতা প্রমাণ করেছেন। এখন তারা এগিয়ে এসে লোকসভা ও বিধানসভায় প্রবেশ করতে চান, দেশের সেবা করতে চান। কিন্তু পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির মধ্যে তাদের নিয়ে এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতা কাজ করছে।

পরিসীমা নির্ধারণের পর নারীদের জন্য আরও বেশি আসন থাকবে, নারীদের প্রভাব বাড়বে—এই কারণেই এই দলগুলো “নারী শক্তি বন্দন সংশোধন”-এর বিরোধিতা করেছে। দেশের নারীশক্তি কংগ্রেস ও তার সহযোগীদের এই কাজের জন্য কখনও ক্ষমা করবে না।

আমার প্রিয় দেশবাসী,

কংগ্রেস এবং তাদের সহযোগী দলগুলি ডিলিমিটেশন বা পরিসীমা নির্ধারণ নিয়ে বারবার মিথ্যা কথা বলছে। এই অজুহাতে তারা বিভাজনের আগুন উসকে দিতে চায়। কারণ “ডিভাইড অ্যান্ড রুল ”—এই রাজনীতি কংগ্রেস ইংরেজদের কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে শিখেছে, এবং আজও তারা সেই পথেই চলছে। কংগ্রেস সবসময় দেশে বিভেদের মানসিকতাকে উসকে দিয়েছে। তাই এই মিথ্যা ছড়ানো হয়েছে যে, পরিসীমা নির্ধারণের ফলে কিছু রাজ্যের ক্ষতি হবে।

কিন্তু সরকার প্রথম দিন থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, কোনও রাজ্যের অংশগ্রহণের অনুপাত বদলাবে না, কারও প্রতিনিধিত্ব কমবে না। বরং, সব রাজ্যের আসন সমান অনুপাতে বাড়বে। তবুও কংগ্রেস, ডিএমকে, টিএমসি এবং সমাজবাদী পার্টির মতো দলগুলো এটা মানতে প্রস্তুত নয়।

সাথীরা,

এই সংশোধনী বিল সব দল এবং সব রাজ্যের জন্য একটি সুযোগ ছিল। এই বিল পাস হলে তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, কেরল—প্রতিটি রাজ্যের আসন বাড়ত। কিন্তু নিজেদের স্বার্থপর রাজনীতির কারণে এই দলগুলি নিজেদের রাজ্যের মানুষদেরও প্রতারিত করেছে।

যেমন, ডিএমকের কাছে সুযোগ ছিল আরও বেশি তামিল প্রতিনিধিকে সাংসদ ও বিধায়ক করার, তামিলনাড়ুর কণ্ঠস্বরকে আরও শক্তিশালী করার। কিন্তু তারা সেই সুযোগ হারিয়েছে। টিএমসির কাছেও পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল, কিন্তু তারাও সেটি হারিয়েছে। সমাজবাদী পার্টির কাছেও সুযোগ ছিল নারী-বিরোধী ভাবমূর্তির দাগ কিছুটা মুছে ফেলার, কিন্তু তারাও ব্যর্থ হয়েছে।

 

সমাজবাদী পার্টি লোহিয়াজিকে অনেক আগেই ভুলে গেছে। “নারী শক্তি বন্দন সংশোধন”-এর বিরোধিতা করে তারা লোহিয়া জি'র সমস্ত স্বপ্নকে পদদলিত করেছে। সমাজবাদী পার্টি নারী সংরক্ষণের বিরোধী—এ কথা উত্তরপ্রদেশ ও দেশের নারীরা কখনও ভুলবে না।

সাথীরা,

মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধিতা করে কংগ্রেস আবারও একটি বিষয় প্রমাণ করেছে—কংগ্রেস একটি সংস্কার-বিরোধী (অ্যান্টি-রিফর্ম) দল। ২১শ শতাব্দীর উন্নত ভারতের জন্য যে সব সিদ্ধান্ত ও সংস্কার প্রয়োজন, দেশ যে সিদ্ধান্তই নিচ্ছে, কংগ্রেস তার সবকিছুরই বিরোধিতা করছে, তা খারিজ করছে এবং সেই কাজে বাধা সৃষ্টি করছে। এটাই কংগ্রেসের ইতিহাস এবং এটাই তাদের নেতিবাচক রাজনীতি।

সাথীরা,

এই সেই কংগ্রেস, যারা জনধন-আধার-মোবাইল এই ত্রিশক্তির বিরোধিতা করেছিল। কংগ্রেস ডিজিটাল পেমেন্টের বিরোধিতা করেছে, জিএসটির বিরোধিতা করেছে, সাধারণ শ্রেণির গরিবদের জন্য সংরক্ষণের বিরোধিতা করেছে, তিন তালাকের বিরুদ্ধে আইনের বিরোধিতা করেছে। কংগ্রেস অনুচ্ছেদ ৩৭০ অপসারণের বিরোধিতা করেছে।

আমাদের সংবিধান ও আদালত যে ইউনিফর্ম সিভিল কোড  (ইউসিসি)-কে প্রয়োজনীয় বলে মনে করে, কংগ্রেস তারও বিরোধিতা করে। “সংস্কার” শব্দটি শুনলেই কংগ্রেস প্রতিবাদের প্ল্যাকার্ড নিয়ে নেমে পড়ে।

দেশকে শক্তিশালী করে এমন যে কোনও কাজের ক্ষেত্রেই কংগ্রেস বাধা সৃষ্টি করার জন্য সর্বশক্তি প্রয়োগ করে। কংগ্রেস “ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন”-এর বিরোধিতা করে, দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বের করে দেওয়ার বিরোধিতা করে, ভোটার তালিকার শুদ্ধিকরণ (SIR)-এর বিরোধিতা করে এবং ওয়াক্‌ফ বোর্ডে সংস্কারের বিরোধিতাও করে।

সাথীরা,

কংগ্রেস শরণার্থীদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য প্রণীত CAA আইনেরও বিরোধিতা করেছে। এই বিষয়টি নিয়ে মিথ্যা কথা বলে, গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিরতা তৈরি করেছিল। কংগ্রেস মাওবাদী-নকশাল সহিংসতা শেষ করার দেশের প্রচেষ্টাতেও বাধা সৃষ্টি করে। কংগ্রেসের একটাই ধারা—যে কোনও সংস্কার এলে মিথ্যা বলা, বিভ্রান্তি ছড়ানো। ইতিহাস সাক্ষী, কংগ্রেস সবসময়ই এই নেতিবাচক পথই বেছে নিয়েছে।

সাথীরা,

দেশের জন্য যে কোনও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এলে কংগ্রেস সেটিকে চাপা দিয়ে দেয়। কংগ্রেসের এই মনোভাবের কারণেই ভারত  উন্নতির সেই শিখরে পৌঁছাতে পারেনি, যার যোগ্য ভারত। স্বাধীনতার সময় আমাদের সঙ্গে আরও অনেক দেশ স্বাধীন হয়েছিল; তাদের অধিকাংশই আজ আমাদের থেকে অনেক এগিয়ে গেছে। এর একটি বড় কারণ হলো—কংগ্রেস প্রতিটি সংস্কারকে আটকে রেখেছে।

ঝুলিয়ে রাখা, ঘোরানো, আটকে রাখা—এটাই কংগ্রেসের নীতি, এটাই তাদের কাজের সংস্কৃতি। কংগ্রেস প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ ঝুলিয়ে রেখেছে, পাকিস্তানের সঙ্গে জলবণ্টন সংক্রান্ত বিরোধ ঝুলিয়ে রেখেছে, ওবিসি সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত ৪০ বছর ধরে আটকে রেখেছে। এমনকি সেনাদের জন্য ‘ওয়ান র‍্যাঙ্ক, ওয়ান পেনশন’-এর বিষয়টিও ৪০ বছর ধরে ঝুলিয়ে রেখেছিল।

সাথীরা,

কংগ্রেসের এই মনোভাব সবসময় দেশকে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। তাদের প্রতিটি বিরোধিতা, প্রতিটি সিদ্ধান্তহীনতা এবং প্রতিটি কৌশলের খেসারত দেশকে দিতে হয়েছে, দেশের প্রজন্মের পর প্রজন্মকে দিতে হয়েছে। আজ দেশের সামনে যে বড় বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তার অনেকটাই এই মনোভাব থেকেই সৃষ্টি হয়েছে।

তাই এই লড়াই শুধু একটি আইনের জন্য নয়—এটি কংগ্রেসের সেই সংস্কার-বিরোধী মানসিকতার বিরুদ্ধে লড়াই, যেখানে শুধু নেতিবাচকতা রয়েছে। এবং আমার এতে কোনও সন্দেহ নেই যে দেশের সমস্ত মা-বোন ও কন্যারা এই মানসিকতার জবাব দেবে।

সাথীরা,

কিছু মানুষ দেশের নারীদের স্বপ্ন ভেঙে যাওয়াকে সরকারের ব্যর্থতা বলে তুলে ধরছে। কিন্তু এই বিষয়টি সাফল্যের কৃতিত্ব নেওয়ার বা ব্যর্থতার  বিষয়ই ছিল না। আমি সংসদে বলেছিলাম—দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী যেন তাদের অধিকার পায়, আমি তার কৃতিত্ব বিজ্ঞাপন দিয়ে বিরোধী দলের সকলকেই দিয়ে দেব।

কিন্তু যারা নারীদের প্রতি পুরনো ও সংকীর্ণ মানসিকতা পোষণ করে, তারা এখনও তাদের মিথ্যাকে আগলে রয়েছে।

সাথীরা,

নারীশক্তির অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করার লড়াই বহু দশক ধরে চলছে। বহু বছর ধরে আমিও এই প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত। অসংখ্য নারী এই বিষয়টি আমার সামনে তুলে ধরেছেন, বহু বোন চিঠির মাধ্যমে তাঁদের কথা জানিয়েছেন।

আমার দেশের মা-বোন ও কন্যারা, আমি জানি আজ আপনারা সবাই দুঃখিত। আপনাদের এই দুঃখে আমিও সমানভাবে দুঃখিত। আজ হয়তো বিল পাশ করানোর জন্য প্রয়োজনীয় ৬৬ শতাংশ ভোট আমরা পাইনি, কিন্তু আমি জানি দেশের ১০০ শতাংশ নারীশক্তির আশীর্বাদ আমাদের সঙ্গে রয়েছে।

আমি দেশের প্রতিটি নারীকে আশ্বস্ত করছি—আমরা নারী সংরক্ষণের পথে আসা প্রতিটি বাধা দূর করবই। আমাদের মনোবল অটুট, আমাদের সাহস অদম্য এবং আমাদের সংকল্প অটল। নারী সংরক্ষণের বিরোধিতা করা দলগুলো দেশের নারীশক্তিকে সংসদ ও বিধানসভায় তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানো থেকে কখনওই থামাতে পারবে না—এ শুধু সময়ের অপেক্ষা।

নারীশক্তির ক্ষমতায়নের জন্য বিজেপি-এনডিএ-র সংকল্প অটুট রয়েছে। গতকাল আমাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল না, কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে আমরা হেরে গেছি। আমাদের আত্মবিশ্বাস অদম্য। আমাদের প্রচেষ্টা থামবে না, থামানো যাবে না।

আগামী দিনে আমাদের সামনে আরও সুযোগ আসবে, আর দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীর স্বপ্ন এবং দেশের ভবিষ্যতের জন্য এই সংকল্প পূরণ করতেই হবে।

আপনাদের সকলকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

(এটি প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের বঙ্গানুবাদ। প্রধানমন্ত্রীর মূল ভাষণটি ছিল হিন্দীতে)

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
FPOs’ sales rise via commodity exchanges in FY26

Media Coverage

FPOs’ sales rise via commodity exchanges in FY26
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
সোশ্যাল মিডিয়া কর্নার 11 মে 2026
May 11, 2026

Society Above Politics: PM Modi’s Call for a Stronger, Self-Reliant & Sacred Bharat