Artificial Intelligence marks a transformative chapter in human history: PM
We must democratise AI; It must become a tool for inclusion and empowerment, particularly for the Global South: PM
PM outlines the M.A.N.A.V. vision for AI - Moral and Ethical Systems, Accountable Governance, National Sovereignty, Accessible and Inclusive, Valid and Legitimate
We are entering an era where humans and intelligent systems co-create, co-work and co-evolve; AI will make our work smarter, more efficient and more impactful: PM
We must develop a collective resolve of AI for Global Common Good: PM
In AI, India sees opportunity and the blueprint of tomorrow: PM

সুধীবৃন্দ,

শ্রদ্ধেয় মন্ত্রীগণ, শিল্পজগতের নেতৃবৃন্দ, উদ্ভাবকরা, শিল্পোদ্যোগীবন্ধুরা, গবেষক, বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি সহ উপস্থিত ভদ্রমহোদয়া ও ভদ্রমহোদয়গণ! নমস্কার! 

বিশ্বের সর্ববৃহৎ ঐতিহাসিক এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে আপনাদের সকলকে আন্তরিক স্বাগত জানাই। যে ভারতে এই শীর্ষ সম্মেলন  অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেখানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার এক-ষষ্ঠাংশ মানুষের বাস।  পৃথিবীর সবথেকে বেশী যুবক যুবতীর বাস এই ভারতেই, এটি  প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বৃহত্তম প্রতিভাবানদের  আবাসস্থল এবং প্রযুক্তিকে সহজেই যারা ব্যবহার করতে পারেন, তাঁদের সিংহভাগের আবাসস্থল এই দেশ। ভারত নতুন যে প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে সেই প্রযুক্তি যথেষ্ট শক্তিশালী হয়। নতুন প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহী দেশের ১৪০ কোটি মানুষের সকলেই। আমি এখানে উপস্থিত বিভিন্ন সরকারের প্রধান, আন্তর্জাতিক স্তরে কৃত্রিম মেধা নিয়ে কাজ করছেন যাঁরা সেইসব নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব ও উদ্ভাবকদের এই সম্মেলনে স্বাগত জানাই। এখানে উপস্থিত হওয়ার জন্য সকলকে কৃতজ্ঞতা জানাই।

এই শীর্ষ সম্মেলন ভারতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভারতের পাশাপাশি সমগ্র দক্ষিণী বিশ্ব এর জন্য গর্বিত। এখানে কৃত্রিম মেধার সঙ্গে যুক্ত সকলেই প্রায় উপস্থিত। পৃথিবীর ১০০টির বেশি দেশের প্রতিনিধিরা এখানে উপস্থিত রয়েছেন যাঁরা নিজেদের সাফল্যের জন্য সকলের কাছে পরিচিত। নতুন প্রযুক্তিকে নিয়ে যাঁরা কাজ করছেন, সেইসব ব্যক্তিত্বের সক্ষমতার বিষয়ে কারো কারো মনে সন্দেহ দেখা দিলেও, যে গতিতে যুব সম্প্রদায় কৃত্রিম মেধাকে গ্রহণ করে এগিয়ে চলেছে, তা এক কথায় অভূতপূর্ব। এই অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক যুব সম্প্রদায় উপস্থিত রয়েছেন। তাঁদের প্রতিভা, কৃষি, নিরাপত্তা, ভিন্নভাবে সক্ষম, বহুভাষিক ব্যবস্থাপনায় বিকশিত হবে। কারণ, সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলিতে যে সমস্যা দেখা যায়, সেই সমস্যার সমাধানে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’র ক্ষমতা আজ প্রকাশ পাচ্ছে। ভারতের উদ্ভাবনী ক্ষমতা আজ অনুভূত হচ্ছে। 

 

বন্ধুগণ,

মানব সভ্যতার ইতিহাসে প্রত্যেক শতাব্দীতে কিছু না কিছু বিশেষত্ব থাকে। এই টার্নিং পয়েন্ট সভ্যতার অভিমুখ নির্ধারণ করে। এই অভিমুখ সভ্যতার উন্নয়নে সহায়ক হয়, যা আমাদের চিন্তাভাবনা, বোঝার ক্ষমতা এবং কাজ করার অভ্যাসকে পরিবর্তন করে। আর সবথেকে মজার কথা হল, যখন আমরা এই পরিবর্তনকে বাস্তবায়িত হতে দেখি, তখন তার কার্যকারিতা সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাই না। যখন প্রথমবার পাথরের সঙ্গে পাথরের ঘষা দিয়ে আগুনের স্ফুলিঙ্গ বার করা হয়েছিল, তখন কেউ কল্পনাও করেননি এটি নতুন এক সভ্যতার সূচনা করবে। যখন মানুষ লিখতে শিখল, তখন কারোর ধারণা ছিল না, লেখার ফলে আমাদের জ্ঞানচর্চা আগামীদিনে সভ্যতার মেরুদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হবে। যখন ওয়্যারলেসের মাধ্যমে সঙ্কেত পাঠানো হল, তখন কেউ কল্পনাও করেননি একদিন সারা পৃথিবী জুড়ে কত সহজে পারস্পরিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।

বন্ধুগণ,

কৃত্রিম মেধা মানবজাতির ইতিহাসে এরকমই এক পরিবর্তনকে সূচিত করছে। আজ আমরা যা দেখছি, যে বিষয় নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছি, তার প্রভাব এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। কৃত্রিম মেধাকে প্রয়োগ করে যে কাজ করা হচ্ছে, তার সাহায্যে মানুষের ক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে, যে উন্নতি হচ্ছে তা অপ্রত্যাশিত। প্রথমে প্রযুক্তির প্রভাব উপলব্ধি করতে কয়েক দশক লেগে যেত। আর আজ মেশিন লার্নিং থেকে লার্নিং মেশিন পর্যন্ত সবকিছু দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। তাই আমরা যে আগামীর কথা বিবেচনা করছি, সেই আগামীদিনের প্রতি দায়িত্ব আমাদের আরও বৃদ্ধি পাবে। বর্তমান প্রজন্মের সঙ্গে আমরা ভাবনাচিন্তা করছি, আগামীদিনে এআই কিভাবে আমাদের সকলের সামনে আত্মপ্রকাশ করবে। আর তাই, আজ এটি মূল প্রশ্ন নয় যে ভবিষ্যতের কৃত্রিম মেধা কি করতে পারবে। বরং প্রশ্ন হচ্ছে এটি, আমরা এই কৃত্রিম মেধাকে কিভাবে কাজে লাগাতে পারব। এই প্রশ্নগুলি এখন মানবজাতির সামনে উঠে আসছে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হল পারমাণবিক শক্তি। আমরা এর ধ্বংসাত্মক দিকটি দেখেছি। কিন্তু এখন এর গঠনমূলক ভূমিকাও দেখতে পাচ্ছি। কৃত্রিম মেধারও এরকমই একটি সংস্কারমুখী ক্ষমতা রয়েছে। আমরা যদি নির্দিষ্ট অভিমুখে না এগোই, তাহলে সঙ্গত কারণেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাঘাত ঘটবে। কিন্তু, আমরা যখন সঠিক দিশায় এগিয়ে চলব, তখন বিভিন্ন সমস্যার সঠিকভাবে সমাধান করতে পারব। এখন কৃত্রিম মেধাকে মেশিন-কেন্দ্রিক না করে মানবমুখী করে তুলতে হবে। কৃত্রিম মেধার সাহায্যে সংবেদনশীল এবং জবাবদিহি এক ব্যবস্থাপনা কিভাবে গড়ে তোলা যায়, তার জন্য এই আন্তর্জাতিক এআই শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। 

 

বন্ধুগণ,

ভারত এআই-কে কেমনভাবে বিবেচনা করছে তার স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়, এই শীর্ষ সম্মেলনের মূল ভাবনা থেকে – ‘সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়’। সকলের জন্য কল্যাণ, সকলের জন্য সুখ। আমাদের লক্ষ্য এটিই। এআই মানবজাতির শুধুমাত্র তথ্যভাণ্ডার হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, মানুষ কৃত্রিম মেধার কাছে কাঁচামাল হিসেবে বিবেচিত হবে না, বরং এর গণতান্ত্রিক পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রয়োগ প্রয়োজন। একে বিশেষ করে দক্ষিনী বিশ্বের জন্য অন্তর্ভুক্তি এবং ক্ষমতায়নের একটি হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। 

বন্ধুগণ,

এআই-কে মুক্ত আকাশ দিতে হবে। কিন্তু, তাকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা থাকতে হবে আমাদের হাতে। যেমন ধরুন জিপিএস। জিপিএস পথ দেখায়, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন যিনি জিপিএস ব্যবহার করছেন। আজ আমরা কৃত্রিম মেধাকে যে পথে নিয়ে যাব, সেই পথেই আমাদের ভবিষ্যৎ তৈরি হবে। 

বন্ধুগণ,

আজ নতুন দিল্লিতে কৃত্রিম মেধা ইমপ্যাক্ট সামিটে আমি এআই-এর জন্য মানব ভিশন উপস্থাপিত করছি। ‘মানব’ অর্থাৎ, 
এম – মরাল অ্যান্ড এথিক্যাল সিস্টেমস বা নৈতিক ব্যবস্থাপনা অর্থাৎ, এআই যে পথে এগিয়ে চলবে।  
এ – অ্যাকাউন্টেবল গভরন্যান্স অর্থাৎ, দায়বদ্ধ প্রশাসনিক ব্যবস্থা যেখানে স্বচ্ছ নীতি গ্রহণ করা হবে।
এন – ন্যাশনাল সোভ্যারিনিটি অর্থাৎ, জাতীয় সার্বভৌমত্ব যেখানে তথ্য সঠিক হাতে থাকবে।
এ- অ্যাক্সেসেবেল অ্যান্ড ইনক্লিসিভ অর্থাৎ, সমন্বিত এক ব্যবস্থাপনা যেখানে এআই কারোর কাছে কুক্ষিগত থাকবে না, সকলের মধ্যে তা বিরাজ করবে।
ভি – ভ্যালিড অ্যান্ড লেজিটিমাইট বা বৈধ এবং আইনানুগ, অর্থাৎ এআই-কে নিয়ম মেনে চলতে হবে। ভারতের একবিংশ শতাব্দীতে মানবজাতির কল্যাণে কৃত্রিম মেধার সাহায্যে এগিয়ে যাওয়ার এটিই হবে মূল লক্ষ্য।

 

বন্ধুগণ,

বহু দশক পূর্বে ইন্টারনেট যখন শুরু হয়েছিল, তখন কেউ কল্পনাও করেননি যে এর মাধ্যমে কিভাবে নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। এআই-এর ক্ষেত্রেও সেই একই ঘটনাই ঘটবে। আজ আমরা কল্পনাও করতে পারছি না, আগামীদিনে কৃত্রিম মেধা কত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। এআই-এর কাজের ধারা কোনো নির্দিষ্ট পথে হবে না। আমরা যেমনভাবে সিদ্ধান্ত নেব, ঠিক সেইভাবেই এর ফিউচার অফ ওয়ার্ক বাস্তবায়িত হবে। আমি বুঝতে পারছি, আমাদের ভবিষ্যৎ নতুন নতুন সুযোগ তৈরি করবে। এর ফলে, নতুন এক যুগের সূচনা হবে, যেখানে মানুষ ও কৃত্রিম মেধা ব্যবস্থাপনা একযোগে কাজ করবে, নতুন নতুন পরিকল্পনা করবে। কৃত্রিম মেধার সাহায্যে দক্ষ এবং কার্যকরী এক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হবে। আমরা আরও উন্নত পরিকল্পনা করব, ভালোভাবে নির্মাণ করব এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব। এর সাহায্যে মানুষ আরও বেশি সৃজনশীল এবং অর্থবহ ভূমিকা পালন করবে। উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা এবং নতুন শিল্পের জন্য এ একটি বিশাল সুযোগ। অতএব, আমাদের দক্ষতা, এবং সেই দক্ষতা্র বৃদ্ধি ঘটাতে হবে, যা  সারা জীবনের শিক্ষাকে এক গণআন্দোলনে পরিণত করবে।

বন্ধুগণ,  

আগামী দিনে কাজের ভবিষ্যৎ হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক, বিশ্বস্ত এবং মানব-কেন্দ্রিক। আমরা যদি একসঙ্গে সকলে মিলে কাজ করি, তাহলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সমগ্র মানবজাতির সম্ভাবনাকে নতুন এক উচ্চতায় পৌছে দেবে। 

বন্ধুগণ,  

বলা হয়, সূর্যের আলো সবথেকে ভালো সংক্রমণকে মুক্ত করে। অর্থাৎ, পারদর্শীতার মাধ্যমেই সবথেকে বেশি সুরক্ষা পাওয়া যায়। কোনো কোনো দেশ ও সংস্থা কৃত্রিম মেধাকে ‘কৌশলগত সম্পদ’ হিসেবে বিবেচনা করত। তারা তাই এটিকে নিয়ে ‘কনফিডেনশিয়াল’ ভাবে কাজকর্ম করত। কিন্তু, ভারতের ভাবনা আলাদা। আমরা বিশ্বাস করি, এআই-এর মতো প্রযুক্তি সমগ্র পৃথিবীর কাছে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই, এআই সংক্রান্ত সমস্ত কাজকর্ম আমরা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিই। যখন ‘কোড ওপেন’ করা হয় এবং তা সকলের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া হয়, তখন আমাদের লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষের কাছে সেই কোড সুরক্ষিত থাকে। তাই আসুন, আমরা সকলে সঙ্কল্প গ্রহণ করি যে, কৃত্রিম মেধাকে সারা পৃথিবীর কল্যাণের কাজে প্রয়োগ করব।

 

বন্ধুগণ,  

বর্তমানে কৃত্রিম মেধার একটি আন্তর্জাতিক মান তৈরি করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। ডিপ-ফেক এবং ফেব্রিকেটেড কন্টেন্টের কারণে মুক্ত সমাজে এক অস্থিরতার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে যুগে আমরা যেমন বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যের ওপর পুষ্টি সংক্রান্ত জিনিসের লেবেল দেখতে পাই, সেই একইভাবে আমরা কি কৃত্রিম মেধার ক্ষেত্রেও কাজ করতে পারি না? ডিজিটাল দুনিয়ায় যে বিষয়বস্তু থাকে তার ওপর যদি ‘অথেন্টিসিটি’র একটি লেবেল লাগিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে মানুষ বুঝতে পারবেন কোনটা আসল আর কোনটা এআই-এর মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। আজকাল কৃত্রিম মেধার সাহায্যে প্রচুর টেক্সট, ছবি এবং ভিডিও তৈরি করা হচ্ছে। তাই, এই শিল্পে ওয়াটার মার্কিং এবং সংশ্লিষ্ট জিনিসটির উৎস সম্পর্কে জানানোর প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তাই এক্ষেত্রে প্রযুক্তিকে শুরু থেকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। 

বন্ধুগণ,

আমরা শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে খুব সচেতন থাকি। স্কুলের পাঠক্রমের বিষয়বস্তু কিংবা কৃত্রিম মেধার ফলে উদ্ভূত পরিবেশটিকেও শিশুদের জন্য নিরাপদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে যেখানে পরিবার তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারবে। 

বন্ধুগণ,

বর্তমানে পৃথিবীতে দু’ধরনের মানুষ রয়েছেন। একদল এআই-কে নিয়ে সকলের মধ্যে ভয় তৈরি করতে চাইছেন। তাঁরা এমন এমন কথা বলছেন যে সবাই কৃত্রিম মেধার বিষয়ে ভয় পাচ্ছেন। আর দ্বিতীয় দলটি কৃত্রিম মেধার মাধ্যমে উন্নত ভবিষ্যৎ দেখাচ্ছে। 

 

বন্ধুগণ,  

আমি দায়িত্বের সঙ্গে বলতে পারি, গর্ব করে বলতে পারি, আমরা ভয় দেখাই না, বরং ভারত কৃত্রিম মেধার মাধ্যমে উন্নত ভবিষ্যৎ দেখাচ্ছে। আমাদের কাছে প্রতিভা রয়েছে, দক্ষতা রয়েছে, আমরা যে নীতি গ্রহণ করেছি সেই নীতি অত্যন্ত স্পষ্ট। আজ আমি আপনাদের কাছে একটি খুশির খবর জানাচ্ছি। এই শীর্ষ সম্মেলনে তিনটি ভারতীয় সংস্থা তাদের কৃত্রিম মেধা সংক্রান্ত মডেল এবং অ্যাপের সূচনা করেছে। এই মডেলগুলির মাধ্যমে আমাদের যুব সম্প্রদায়ের প্রতিভা প্রকাশিত হয়েছে। অর্থাৎ, ভারতের কাছে সমস্যার সমাধান রয়েছে। এর মধ্য দিয়ে গভীরভাবে নানা বিষয় নিয়ে যে আমরা ভাবনাচিন্তা করতে পারি, সে বিষয়টিই প্রতিফলিত হচ্ছে।

বন্ধুগণ,

ভারত সেমি-কন্ডাক্টর, চিপ তৈরি এবং ক্লাউড কম্পিউটিং-এর মতো ক্ষেত্রে এক প্রাণবন্ত ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলেছে। সুরক্ষিত তথ্যভাণ্ডার, শক্তিশালী তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা, উচ্চাকাঙ্ক্ষী স্টার্ট-আপ ব্যবস্থাপনার ফলে ভারতে ব্যয়সাশ্রয়ী, উন্নত ও সুরক্ষিত এক পরিবেশ তৈরি হয়েছে যেখানে কৃত্রিম মেধার সাহায্যে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান স্বাভাবিকভাবেই করা যাচ্ছে। ভারতের বৈচিত্র্য রয়েছে, এ দেশের জনবিন্যাসের সঙ্গে গণতন্ত্রও যুক্ত। ভারতে কৃত্রিম মেধার যে মডেল সফল হয়, সেই মডেল সারা পৃথিবীতেও কার্যকর হবে। আর তাই আমি আপনাদের সকলকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি, আপনারা ভারতে প্রয়োজনীয় ডিজাইন করুন, সেগুলি তৈরি করুন। আপনাদের উৎপাদিত সামগ্রী সারা পৃথিবীকে সরবরাহ করুন, মানবজাতির কাছে পাঠান। আরও একবার আপনাদের সকলকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। 

ধন্যবাদ! 

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Nagaland gets its first natural gas supply via National Gas Grid

Media Coverage

Nagaland gets its first natural gas supply via National Gas Grid
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Cabinet approves a road upgradation project in Bihar at a total capital cost of Rs.3590.73 crore
August 19, 2026

The Cabinet Committee on Economic Affairs, chaired by the Prime Minister Shri Narendra Modi, today has approved the Upgradation of the Muzaffarpur-Sitamarhi-Sonbarsa Section of NH-22 to four-Lane Standard in Bihar. The project will be developed on Hybrid Annuity Mode (HAM) at a total capital cost of Rs.3590.73 crore with a total length of 82.578 km.

The proposed project holds significant strategic and economic relevance due to its integration with Bihar’s expanding National Highway network. It acts as a key feeder corridor connecting the India–Nepal border at Sonbarsa with economic centers like Muzaffarpur at NH-27 (East–West Corridor). The project will significantly reduce congestion in densely populated areas of Muzaffarpur, Muksudpur, Runni Saidpur, Thumma, Dumra, Bhutahi, and Sonbarsa.

The project is expected to enable faster and safer movement of passengers and freight, improve travel efficiency and strengthen regional connectivity. It has been designed for a speed of 100 kmph with an average speed of 80 kmph, having no at-grade median openings, ensuring fast and safe travel.

Planned in accordance with the principles of the PM GatiShakti National Master Plan, the project will enhance multimodal integration by improving connectivity to key economic, social and logistics nodes, including industrial areas and major railway stations. Improved connectivity will facilitate efficient movement of goods and agricultural supply chains, support regional economic growth, and provide better access to important cultural and religious destinations such as the Buddhist Circuit and historic Janaki Punaura Dham Temple, Sitamarhi.

The Muzaffarpur–Sitamarhi–Sonbarsa stretch of NH-22 holds significant strategic and economic relevance, ensuring seamless linkage to the national freight grid. It is in synergy with existing corridors such as NH-31 and NH-122 enhances connectivity to industrial zones like Barauni and riverine logistics hubs along the Ganga It also enhances cross-border passenger and cargo movement via the nearby Land Port at Bhithamore.

In addition, the project has provision for seven Major Bridges (including a 340m long major bridge over the perennial Bagmati River), three Railway Over Bridges (ROBs), and two Flyovers (1170m & 270m) to maintain cross movement of the traffic and ensure safe, high-speed travel.

The project will increase average travel speeds, reduce travel time, and improve overall road safety, fuel efficiency, and vehicle operating costs, thereby enhancing regional mobility and socio-economic development.

The project provides seamless connectivity to key economic, social, and logistics nodes across Bihar. Additionally, the upgraded corridor will enhance connectivity to five PM Gati-Shakti Economic Nodes (four Industrial Estates and one Mega Food park), four Social Nodes (Baba Garibnath Temple, Mata Janki Temple, Punaura Dham, Muzaffarpur & Sitamarhi aspirational Districts), and two Logistic Nodes (Muzaffarpur & Sitamarhi Railway Stations), thereby facilitating faster movement of goods and passengers across the region.