Yoga helps to maintain balance amidst this disintegration. It does the job of uniting us: PM Modi
Yoga brings about peace in this modern fast paced life by combining the body, mind, spirit and soul: PM Modi
Yoga unites individuals, families, societies, countries and the world and it unites the entire humanity: PM Modi
Yoga has become one of the most powerful unifying forces in the world: PM Narendra Modi
Yoga Day has become one of the biggest mass movements in the quest for good health and well-being, says PM
The way to lead a calm, creative and content life is Yoga: PM Modi
Practicing Yoga has the ability to herald an era of peace, happiness and brotherhood: PM Modi

মঞ্চে উপস্থিত বিশিষ্টজন এবং এই মনোরম মাঠে সমবেত বন্ধুরা, চতুর্থ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে বিশ্বের সকল প্রান্তের যোগ-প্রেমীদের উত্তরাখন্ডের এই পবিত্র দেবভূমি থেকে আমি আমার শুভেচ্ছা জানাই।

 

গঙ্গামাতার সন্নিহিত এই স্থলভূমিতে যোগ দিবস উপলক্ষে এইভাবে আমাদের সকলের মিলিত হওয়া কম সৌভাগ্যের বিষয় নয়। এই স্থানটিতে চারটি পুণ্য তীর্থভূমি রয়েছে। আদি শঙ্করাচার্য এই স্থান পরিদর্শন করেছেন এবং স্বামী বিবেকানন্দও বেশ কয়েকবার এখানে এসেছিলেন।

 

এছাড়াও, কয়েক দশক ধরে যোগচর্চা তথা যোগাভ্যাসের একটি মূল কেন্দ্র হ’ল উত্তরাখন্ড। উত্তরাখন্ডের এই পর্বতমালা যোগাভ্যাস ও আয়ুর্বেদচর্চায় আমাদের স্বতঃপ্রণোদিত করে।

 

এমনকি, একজন সাধারণ মানুষও এই স্থান পরিদর্শনকালে এক বিরল অভিজ্ঞতা লাভ করে। এই পবিত্র ভূমির রয়েছে এক অবিশ্বাস্য ক্ষমতা, যা তার চৌম্বকশক্তির সাহায্যে আমাদের মধ্যে আলোড়ন ঘটায়।

বন্ধুগণ,

 

সকল ভারতীয়র পক্ষে খুবই গর্বের বিষয় হ’ল এই যে সূর্য পরিক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে সূর্যরশ্মি যেমন ভূ-পৃষ্ঠকে আলোকিত করে তোলে, তেমনভাবেই বিশ্বের অন্য প্রান্তের মানুষও তাঁদের যোগচর্চার মাধ্যমে সূর্যকে স্বাগত জানান।

 

দেরাদুন থেকে ডাবলিন, সাংহাই থেকে শিকাগো, জাকার্তা থেকে জোহানেসবার্গ সর্বত্রই চলছে যোগাভ্যাস ও যোগচর্চা।

 

হাজার হাজার উচ্চতার হিমালয় পর্বতশৃঙ্গই হোক কিংবা প্রখর সূর্যরশ্মির মরু অঞ্চল, সর্বত্রই যে কোনও পরিস্থিতিতেই যোগচর্চার অভ্যাস বর্তমানে ক্রমপ্রসারমান।

 

বিচ্ছিন্নতাকামী শক্তি যখন সবকিছুকে ধ্বংস করে দিতে উদ্যত, তখন মানুষে মানুষে সমাজের মধ্যে এমনকি বিভিন্ন দেশের মধ্যেও বিভেদের মানসিকতা মাথা চাড়া দেয়। বিভেদ সমাজে যখন শিকড় গড়তে থাকে তখন সংহতির অভাব দেখা যায় পরিবার জীবনেও। একজন ব্যক্তি মানুষ ভেতরে ভেতরে অসহায়তার শিকার হয়ে পড়েন, ফলে উত্তেজনা ক্রমশ গ্রাস করতে থাকে তাঁকে।

 

কিন্তু এই দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ও উত্তেজনার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে যোগাভ্যাস। তা আমাদের ঐক্যবদ্ধ করে।

 

দেহ, মন, আত্মা ও শক্তির মধ্যে যোগস্থাপন করে আমাদের এই আধুনিক ব্যস্ত জীবনে শান্তি নিয়ে আসে যোগাভ্যাস।

 

পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ঐক্যের প্রসার ঘটিয়ে পারিবারিক শান্তি অক্ষুণ্ন রাখতে সাহায্য করে যোগচর্চা।

 

পরিবারকে সমাজ সম্পর্কে সংবেদনশীল করে তোলার মাধ্যমে যোগ সম্প্রীতির প্রসার ঘটায় আমাদের সমাজ জীবনেও।

 

বিভিন্ন ধরণের সমাজের সহাবস্থান হ’ল জাতীয় সংহতির এক বিশেষ যোগসূত্র।

 

এইভাবেই যদি দেশকে গড়ে তোলা যায়, তা হলে বিশ্ব শান্তি ও সম্প্রীতিরও প্রসার ঘটে। মানবতার বিকাশের মধ্য দিয়ে সৌভ্রাতৃত্ববোধ তাতে শক্তি যোগায়।

 

এর অর্থ হ’ল ব্যক্তি-মানুষ, পরিবার, সমাজ, দেশ তথা সমগ্র বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করে যোগাভ্যাস। আর এইভাবেই তা মিলন ঘটায় সমগ্র মানবতার।

 

রাষ্ট্রসংঘে যোগ দিবস পালনের প্রস্তাব যখন পেশ করা হয়, তখন তা রাষ্ট্রসংঘের ইতিহাসে এক রেকর্ড ঘটনা বলে চিহ্নিত হয়। এই ধরণের প্রস্তাব সেখানে পেশ করা হলে বিশ্বের অধিকাংশ দেশই তাতে অনুমোদন জানায়।  আবার রাষ্ট্রসংঘের ইতিহাসে এটাই হ’ল প্রথম প্রস্তাব, যা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই অনুমোদনলাভ করে। বর্তমানে বিশ্বের প্রত্যেক নাগরিক এমনকি বিশ্বের প্রতিটি দেশ যোগকে আপন করে নিয়েছে। শুধু তাই নয়, ভারতীয়দের পক্ষে তা এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও বহন করে এনেছে, যার মূল অর্থই হ’ল এই যে এক মহান ঐতিহ্যের আমরা হলাম প্রকৃত উত্তরসূরী। এক বিশেষ উত্তরাধিকারকে আমরা সর্বতোভাবে সংরক্ষিত করে এসেছি।

 

আমাদের এই উত্তরাধিকারের প্রশ্নে যদি আমরা গর্ব অনুভব করি এবং সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, এমন অভ্যাসগুলি যদি আমরা ত্যাগ করি তা হলে অপ্রচলিত রীতিনীতিকে আমরা বর্জন করতে পারি। তবে, সময়ের সঙ্গে যা কিছু সঙ্গতিপূর্ণ এবং ভবিষ্যৎ গঠনে যা একান্ত প্রয়োজনীয় তাকে যদি আমরা গ্রহণ করি, তা হলে আমাদের এই ধরণের মহান উত্তরাধিকারের জন্য আমাদের গর্বিত হতেই হবে। এমনকি, বিশ্ববাসীও এই গর্বের অংশীদার হতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না। কিন্তু নিজেদের শক্তি ও ক্ষমতার ওপর যদি আমাদের কোনও রকম আস্থা না থাকে, তা হলে বাইরের কোনও মানুষই তাকে গ্রহণ করতে এগিয়ে আসবে না। কোনও পরিবারে একটি শিশুকে যদি নীতিভ্রষ্ট হতে মদত দেওয়া হয়, তা হলে সেই পরিবার কখনই আশা করতে পারে না যে তাঁদের সন্তান একদিন অন্যের কাছ থেকে সম্মান ও সমীহ অর্জন করবে। পিতামাতা, ভাইবোন এবং সমগ্র পরিবার যখন তাঁদের সন্তানকে সন্তানের মতোই প্রতিপালন করবে তখন পাড়া-প্রতিবেশীরাও তাকে আপন করে নিতে আগ্রহী হয়ে উঠবে।

 

যোগাভ্যাসের শক্তিতে ভারত যে আজ বলীয়ান, সেকথা প্রামাণিত হয়েছে যোগের মাধ্যমে। তাই, সমগ্র বিশ্বও যোগের সঙ্গে তার বন্ধনকে নিবিড় করে তুলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

 

বর্তমান বিশ্বে যোগই হ’ল ঐক্য সৃষ্টিকারী ক্ষমতাগুলির অন্যতম।

 

সম্পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাসের সঙ্গেই আমি আজ বলতে পারি যে, সমগ্র বিশ্বের মানুষকে যদি যোগচর্চার সূত্রে আমরা মিলিত করতে পারি, তা হলে অনেক অকল্পনীয় সত্যই প্রকাশিত হবে বিশ্ববাসীর কাছে।

 

বিভিন্ন দেশের পার্ক ও উদ্যানে, উন্মুক্ত প্রান্তরে, পথপ্রান্তে, অফিস ও বাড়িতে, স্কুল-কলেজ ও হাসপাতালে এবং ঐতিহাসিক ভবনগুলিতে আপনাদের মতোই আর সকলেই যখন সমবেত হয়েছেন, তখন বিশ্বজনীন ভ্রাতৃত্ববোধ এবং বিশ্বমৈত্রীর প্রসার ঘটানোর মতো শক্তির আমরা সঞ্জীবন ঘটাই।

 

বন্ধুগণ, যোগকে আজ আপন করে নিয়েছে সমগ্র বিশ্বই। এর কিছু কিছু খন্ডচিত্র সুপরিস্ফুট হয়ে ওঠে প্রতি বছর আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপনকালে।

যোগ দিবস হ’ল প্রকৃতপক্ষে এক বৃহত্তম জনআন্দোলন, যার লক্ষ্যই হ’ল সুস্বাস্থ্য।

 

বন্ধুগণ, টোকিও থেকে টরেন্টো, স্টকহোম থেকে সাওপাওলো সর্বত্রই কোটি কোটি মানুষের জীবনকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করেছে যোগাভ্যাস।

 

যোগ হ’ল একাধারে সুপ্রাচীন অথচ আধুনিক একটি চর্চা-বিশেষ এবং প্রতিনিয়তই তা আরও বিকশিত হচ্ছে। এই কারণেই যোগচর্চা হ’ল একটি সুন্দর জীবনবোধ।

 

যোগ হ’ল আমাদের অতীত ও বর্তমান উভয়ের ক্ষেত্রেই সর্বশ্রেষ্ঠ এক অভ্যাস, যা আমাদের ভবিষ্যতের জন্যও আশার আলো বহন করে আনে।

যোগচর্চার মধ্যে ব্যক্তি-কেন্দ্রিক বা সামাজিক অনেক রকম সমস্যারই আমরা প্রকৃত সমাধান খুঁজে পাই।

 

আমাদের বিশ্ব সংসার সতত জাগরূক। বিশ্বের কোনও না কোনও প্রান্তে সকল সময়েই ঘটে চলেছে নতুন কোনও ঘটনা।

 

আমাদের জীবন যেহেতু দ্রুত গতিশীল, সেই কারণে তার মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘাতেরও অবকাশ থেকে যায়। শুধুমাত্র হৃদযন্ত্রের বিকলতায় প্রতি বছর বিশ্বের প্রায় ১ কোটি ৮০ লক্ষ মানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে, তা জেনে আমি মর্মাহত। আবার প্রচুর সংখ্যক মানুষ শর্করা রোগের সঙ্গে নিয়ত যুদ্ধ করতে করতে পরাভাব শিকার করতে বাধ্য হন।

 

এক শান্ত, সৃজনশীল কর্মজীবনের দ্যোতকই হ’ল যোগ। উত্তেজনা ও অশান্তিকে জয় করার শক্তি রয়েছে যোগের।

 

তাই, যোগ আমাদের বিচ্ছিন্ন করে না, বরং ঐক্যবদ্ধ করে।

 

বৈরিতা নয়, বরং মিলন ও সম্প্রীতি ঘটায় যোগ।

 

মানুষের রোগব্যাধির উপশম ও নির্মূল ঘটাতে সাহায্য করে যোগাভ্যাস।

 

আর এইভাবেই যোগচর্চা সুখ, শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্বের জগতকে সাদর আহ্বান জানায়।

 

বহু মানুষ যোগচর্চার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন – এ কথার অর্থ হ’ল এই যে, সমগ্র বিশ্বের এখন প্রয়োজন রয়েছে আরও বেশি সংখ্যক মানুষের, যাঁরা যোগ শিক্ষাদানের ক্ষমতা রাখেন। গত তিন বছরে যোগ শিক্ষাদানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন বহু সংখ্যক মানুষ। এই লক্ষ্যে নতুন নতুন প্রতিষ্ঠানও গড়ে তোলা হচ্ছে। এমনকি, প্রযুক্তিও মানুষকে যুক্ত হতে সাহায্য করে যোগাভ্যাসের সঙ্গে। এই কারণে, আগামী দিনে এর ওপর ভিত্তি করে এগিয়ে চলার জন্য আমি আপনাদের সকলের কাছে আহ্বান জানাই।

 

আজকের এই যোগ দিবস হ’ল যোগের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে নিবিড়তর করে তোলার এক সুযোগবিশেষ। এই দিনটি আমাদের পারিপার্শিকতায় যোগাভ্যাসের জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে। আজকের দিনটি পালনের বিশেষ তাৎপর্যই হ’ল তাই।

 

বন্ধুগণ, রোগ-জরার পথ থেকে সুস্থতার পথে মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে যোগাভ্যাস।

 

ঠিক এই কারণেই বিশ্বের সর্বত্র যোগের কদর দিন দিন বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে।

 

কভেন্ট্রি বিশ্ববিদ্যালয় এবং র‍্যাডবাউড বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত সমীক্ষায় প্রকাশ যে, যোগ শুধুমাত্র আমাদের দেহেরই রোগ মুক্তি ঘটায় না, সেই সঙ্গে আমাদের ডিএনএ-তে রোগ সৃষ্টিকারী যে প্রতিক্রিয়া ঘটে চলে, তাকেও বিপরীতমুখী করে তোলে।

 

সুস্বাস্থ্য ছাড়াও বেশ কিছু রোগব্যাধি থেকে আমরা আমাদের রক্ষা করতে পারি যদি আমরা যোগের মাধ্যমে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম অভ্যাস করতে পারি। নিয়মিত যোগাভ্যাস যে কোনও পরিবারেরই চিকিৎসার খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনতে সাহায্য করে।

 

জাতি গঠন সহ প্রতিটি কাজে, প্রতিটি প্রক্রিয়ায় সামিল হওয়ার জন্য আমাদের সুস্থ থাকা একান্ত জরুরি। কারণ, তাতে যোগাভ্যাসের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে।

 

সুতরাং, যোগাভ্যাসের সঙ্গে যুক্ত সকল মানুষের কাছেই আমি আর্জি জানাই যে, এই চর্চাকে আপনারা নিয়মিত করে তুলুন। যাঁরা এখনও যোগাভ্যাসের সঙ্গে যুক্তহতে পারেননি, তাঁদেরও উচিৎ এই অভ্যাসের সঙ্গে রপ্ত হওয়ার চেষ্টা করা।

 

বন্ধুগণ, যোগচর্চার ক্রমপ্রসার ভারত ও বিশ্বকে পরস্পরের আরও কাছে নিয়ে আসতে সাহায্য করেছে। আমাদের নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলে যোগচর্চার ক্ষেত্রে যে পরিবেশ ও পরিস্থিতির আজ সৃষ্টি হয়েছে কালক্রমে তা আরও জোরদার হয়ে উঠবে।

 

মানব জীবনকে সুখী ও নীরোগ করে তুলতে যোগের ভূমিকা যে অনস্বীকার্য এই বোধকে আরও বেশি মাত্রায় জাগিয়ে তোলার দায়িত্ব হ’ল আমাদেরই। তাই আমি আহ্বান জানাই যে, আপনারা সকলে এগিয়ে আসুন। আমরা সকলে মিলে আমাদের প্রচেষ্টাকে আরও জোরদার করে তুলি। দায়িত্বশীলতার এই বোধ যেন আমরা কখনই বিস্মৃত না হই।

 

এই পবিত্র ভূমিতে দাঁড়িয়ে বিশ্বের সকল প্রান্তের যোগ উৎসাহীদের আমি শুভেচ্ছা জানাই।

 

এই ধরণের একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য আমি আন্তরিকভাবেই শ্রদ্ধাশীল উত্তরাখন্ড সরকারের প্রতি।

 

আপনাদের সকলকেই জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Indian Railways renews 54,600 km of tracks since 2014, boosting speed potential and safety

Media Coverage

Indian Railways renews 54,600 km of tracks since 2014, boosting speed potential and safety
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
India is not just progressing, India is moving to the Next: PM Modi
March 12, 2026
We have One goal, one destination, ‘Viksit Bharat’: PM
Despite many global crises, the world's leaders and experts look to India with great hope: PM
If you want to be part of the future, you have to be in India : PM
India is not just progressing; India is moving to the Next level : PM
India will make every effort to ensure that its farmers and citizens are protected from the burden of global challenges : PM

आज 12 मार्च का दिन बहुत ऐतिहासिक है। 12 मार्च, 1930 को महात्मा गांधी ने साबरमती आश्रम से दांडी यात्रा शुरू की थी। ये भारत के स्वतंत्रता आंदोलन का एक टर्निंट प्वाइंट था। क्योंकि इस यात्रा ने देश के कोने-कोने को एक लक्ष्य के साथ जोड़ दिया था और ये लक्ष्य था- भारत की आजादी। आज इस ऐतिहासिक यात्रा के करीब 100 वर्षों के आसपास हम भारतीय फिर एक नई यात्रा पर निकले हैं। ये यात्रा है- विकसित भारत की यात्रा। हमारा लक्ष्य एक है, हमारी मंजिल एक है - विकसित भारत। और इस लक्ष्य की प्राप्ति में ऐसी समिट्स में हुआ मंथन इनसे निकला अमृत बड़ी भूमिका निभाता है। मैं आप सभी का आभारी हूं आपने मुझे नेक्स्ट समिट के लिए आमंत्रित किया। यहां देश से दुनिया से बहुत सारे साथी आए हैं, कुछ पुराने परिचित भी हैं, मैं आप सभी का अभिनंदन करता हूं।

साथियों,

21वीं सदी का ये कालखंड ना भूतो न भविष्यति जैसा है। एक तरफ युद्ध की विभिषिका है, सप्लाई चेन फिर से तहस-नहस हो रही है संयुक्त राष्ट्र जैसी वैश्विक संस्थाओं की प्रासंगिकता पर सवालिया निशान लग रहा है, और ऐसे कालखंड में हमारा भारत इन विपरीत परिस्थितियों में भी आगे बढ़ रहा है। आज दुनिया इतिहास के जिस महत्वपूर्ण पड़ाव पर खड़ी है, उस पड़ाव पर जिस देश के नाम सबसे ज्यादा चर्चा में है- वो है भारत। वर्तमान में इतने सारे संकटों के बीच दुनिया का हर गंभीर नेतृत्व हर जानकार भारत को लेकर बहुत उम्मीदों से भरा हुआ है। अभी हाल ही में फिनलैंड के प्रेसिडेंट एलेक्जेंडर स्टब भारत आए थे। उन्होंने कहा कि अब दुनिया की दिशा, ग्लोबल साउथ तय करेगा और उस दिशा को निर्धारित करने वाली सबसे बड़ी शक्ति होगा - भारत। इससे पहले कनाडा के पीएम कार्नी ने भी कहा था कि अगले तीन दशकों में दुनिया की Economic Gravity जिस सेंटर की ओर शिफ्ट हो रही है, उसका नाम भारत है। फ्रांस के राष्ट्रपति मैक्रों भी मानते हैं कि भारत दुनिया के सबसे बड़े मुद्दों को सुलझाने वाला एक इनएविटेबल पार्टनर बन चुका है। आज टेक वर्ल्ड और अर्थ जगत के ग्लोबल लीडर्स के बयानों का निचोड़ निकालें तो एक ही भाव सामने आता है, अगर आप भविष्य का हिस्सा बनना चाहते हैं, तो आपको भारत से जुड़ना ही होगा, भारत में होना ही होगा।

साथियों,

अभी-अभी भारत ने टी-ट्वेंटी वर्ल्ड कप जीता है। हर कोई खुश है और भारत में तो क्रिकेट का मामला ऐसा है कि अगर किसी ऑफिस में कोई करोड़ों की बात चलती हो, कोई बढ़िया प्रेज़ेंटेशन चल रहा होता है विदेश के मेहमान प्रेज़ेंटेशन कर रहे हों फिर भी वो जरा स्लाइड से नजर हटा कर के वो स्कोर क्या देखता है। और कोई न कोई तो पूछ ही लेता है- भाई स्कोर क्या हुआ ठीक ऐसी ही स्थिति, आज भारतीय अर्थव्यवस्था की है। आज हर कोई इकॉनॉमी की रनिंग कमेंट्री चाहता है। भारत की इकॉनॉमी का पिछले महीने क्या स्टेटस था आज क्या हाल है ये सब जानने के लिए देशवासी उत्सुक रहते हैं। मुझे याद नहीं पड़ता, इतनी उत्सुकता देश में पहले थी या नहीं थी ? और थी तो कब थी? ये दिखाता है कि आज भारतीयों की एस्पिरेशन्स और आत्मविश्वास किस स्तर पर हैं। यही, दुनिया के भारत पर भरोसे का सबसे बड़ा कारण भी है।

और साथियों,

निश्चित तौर पर जब इतनी सारी उम्मीदें जुड़ी हों, दुनिया की नजर हमारे देश पर हो तो हम सभी की जिम्मेदारी और ज्यादा जाती है।

साथियों,

आज का भारत सिर्फ आगे नहीं बढ़ रहा। भारत खुद को Next Level पर ले जा रहा है। आज देश में Next Generation फिजिकल इंफ्रास्ट्रक्चर बन रहा है, हम नेक्स्ट जेनरेशन डिजिटल इंफ्रास्ट्रक्चर की ओर बढ़ रहे हैं UPI ने Digital Payments को Next Phase में पहुँचा दिया है। आज भारत दुनिया में सबसे तेज़ real-time digital payments करने वाला देश बना है।

साथियों,

भारत आज नेक्स्ट जेनरेशन रिफॉर्म्स भी कर रहा है, वो Reform एक्सप्रेस पर सवार है। कभी भारत में कई काम, कई निर्णय Next to Impossible माने जाते थे, आज भारत वो निर्णय भी ले रहा है। कभी कहा जाता था कि Article 370 हटाना नामुमकिन है। लेकिन आज जम्मू-कश्मीर में Article 370 की दीवार गिर चुकी है। कभी लगता था कि देश में सबका बैंकिंग सिस्टम से जुड़ना असंभव है। लेकिन आज 50 करोड़ से ज्यादा जनधन खातों ने ये संभव कर दिखाया है। कभी लगता था कि ट्रिपल तलाक को खत्म करना असंभव है। लेकिन आज मुस्लिम बहनों को इस अन्याय से मुक्ति मिली है। कभी महिलाओं को लोकसभा और विधानसभा में तैंतीस परसेंट आरक्षण भी असंभव लगता था। लेकिन आज इसके लिए कानून बन चुका है। कभी अंतरिक्ष और advanced technology को लेकर भी भारत की लिमिट्स बताई जाती थीं। लेकिन आज मून मिशन, Semiconductor Mission, क्वांटम मिशन, ये सब भारत को Next फ्रंटियर of Technology की ओर ले जा रहे हैं।

साथियों,

आज का भारत केवल सपने नहीं देख रहा। भारत उन्हें सच कर रहा है। इसीलिए आज दुनिया कह रही है- India is not just progressing. India is moving to the Next.

साथियों,

देश के विकास का एक बहुत बड़ा आधार होता है कि हम चुनौतियों से कैसे मुकाबला कर रहे हैं। हम सभी जानते हैं कि वैश्विक परिस्थितियाँ अचानक बदलती हैं। बीते वर्षों में हमने पहले कोरोना की आपदा देखी फिर रूस-यूक्रेन का संकट देखा और अब हमारे बहुत पास में ही एक और बड़ा युद्ध चल रहा है। इस युद्ध ने पूरे विश्व को बहुत बड़े ऊर्जा संकट में धकेल दिया है।

साथियों,

ऐसी विकट परिस्थितियों में बहुत अहम है कि एक देश के तौर पर हम इसका कैसे मुकाबला करते हैं। संकट काल एक प्रकार से, पूरे राष्ट्र की परीक्षा होती है। शांति के साथ धैर्य के साथ हमें परिस्थितियों से निपटना होता है जनविश्वास बढ़ाकर जनता को जागरूक करते हुए, हमें चलना होता है। और इसमें हर किसी की भूमिका होती है। हर राजनीतिक दल की, मीडिया की, सामाजिक संस्थाओं की, इंडस्ट्री की, युवाओ की गांव की शहर की हर किसी की भूमिका अहम होती है। और हमने कोरोना काल में देखा है जब सब मिलकर चलते हैं तो संकट से मुकाबले के लिए देश का सामर्थ्य कई गुणा बढ़ जाता है। आज देश के सामने एक और चुनौती है और इसलिए हमें मिलकर प्रयास करने होंगे, राष्ट्रहित को सर्वोपरि रखते हुए अपने कर्तव्य निभाने होंगे।

साथियों,

आजकल बहुत चर्चा LPG को लेकर हो रही है। कुछ लोग हैं जो पैनिक क्रिएट करने का प्रयास कर रहे हैं, अपना एजेंडा चलाना चाहते हैं। मैं इस समय उन पर राजनीतिक टिप्पणी नहीं करना चाहता. लेकिन इतना जरूर कहूंगा कि ऐसा करके वो जनता के समक्ष खुद तो एक्सपोज़ हो ही रहे हैं और देश का भी बड़ा नुकसान कर रहे हैं।

साथियों,

आज युद्ध से जो ये वैश्विक संकट आया है उसके प्रभाव से कोई देश अछूता नहीं है। कम अधिक मात्रा में हर कोई शिकार है, भारत सरकार भी, इस संकट से निपटने के लिए कोई कसर बाकी नहीं छोड़ रही है। और हम अलग-अलग स्तरों पर प्रयास कर रहे हैं। बीते दिनों, दुनिया के कई देशों के शीर्ष नेताओं से मेरी इसको लेकर बातचीत हुई है। सप्लाई चेन में जो बाधाएं आई हैं, उससे हम कैसे पार पाएं, इसके लिए भी निरंतर प्रयास चल रहे हैं।

साथियों,

भारत के तेज विकास के लिए अलग-अलग एनर्जी सोर्सेस को बढ़ावा देना निरंतर जरूरी रहा है। और इसको मजबूत करने के लिए हमने दो स्तरों पर एक साथ काम किया है। पहला देश में एनर्जी एक्सेस बढ़े हमने इंफ्रास्ट्रक्चर तैयार किया।

और दूसरा- Energy के लिए हमें सिर्फ विदेशों पर निर्भर ना रहना पड़े, इसके लिए Energy सेक्टर में आत्मनिर्भरता पर बल दिया। अब मैं आपको Gas सेक्टर के ही कुछ आंकड़े देता हूं। साल 2014 तक देश में सिर्फ 14 करोड़ LPG कनेक्शन थे। यानि देश के करीब-करीब आधे परिवारों पास ही LPG कनेक्शन था। आज दोगुने से भी अधिक यानि करीब 33 करोड़ घरेलू LPG कनेक्शन हैं। बीते 11 वर्षों में हमने अपनी बॉटलिंग कैपेसिटी को दोगुना किया है। डिस्ट्रिब्यूशन सेंटर भी 13 हज़ार से बढ़कर 25 हज़ार से अधिक हो गए हैं 2014 में देश में सिर्फ 4 LNG Terminals थे, आज इनकी संख्या भी बढ़कर दोगुनी हो गई है। गैस पाइपलाइन जो करीब साढ़े तीन हज़ार किलोमीटर होती थी उसको 10 हज़ार किलोमीटर तक विस्तार दिया है। क्योंकि करीब 60 परसेंट LPG विदेशों से आती है इसलिए देश के बड़े पोर्ट्स पर इंपोर्ट टर्मिनल कैपैसिटी भी बहुत बढ़ाई गई है।

साथियों,

साल 2014 से पहले तक देश में सिर्फ 25-26 लाख घरों में ही, पाइप से सस्ती गैस यानि PNG की सुविधा थी। आज ये संख्या भी सवा करोड़ से अधिक पहुंच गई है। 2014 में देश में CNG पर चलने वाली गाड़ियां भी 10 लाख से ज्यादा नहीं थी। आज ये संख्या 70 लाख से अधिक है। और ये तभी संभव हो पा रहा है क्योंकि बीते दशक में देश के 600 से अधिक जिलों में City Gas Distribution network स्थापित किए गए हैं।

साथियों,

इस वैश्विक संकट ने एक बार फिर दिखाया है कि किसी भी देश का आत्मनिर्भर होना इतना अधिक जरूरी क्यों है। इसलिए ही बीते वर्षों में हमने भारत को एनर्जी सेक्टर्स में आत्मनिर्भर बनाने के लिए होलिस्टिक तरीके से काम किया है।

साथियों,

पेट्रोलियम पर निर्भरता को कम करने के लिए हमने इथेनॉल पर, बायोफ्यूल पर बल दिया। 2014 से पहले देश में सिर्फ एक-डेढ़ परसेंट इथेनॉल ब्लेंडिंग कैपेसिटी ही थी। आज हम पेट्रोल में 20 परसेंट इथेनॉल ब्लेंडिंग के करीब पहुंच रहे हैं। अगर ये काम न किया होता तो हमें बीते 11 वर्षों में करीब 18 करोड़ बैरल अतिरिक्त तेल विदेशों से खरीदना पड़ता। आज की स्थिति देखें तो इथेनॉल के कारण हमें प्रतिवर्ष करीब साढ़े चार करोड़ बैरल कम ऑयल इंपोर्ट करना पड़ रहा है। यानि करीब डेढ़ लाख करोड़ रुपए की बचत तो देश को सिर्फ इसी से हुई है।

साथियों,

भारत में पेट्रोलियम का बहुत बड़ा कंज्यूमर हमारी रेलवे भी है। हमारे देश में रेलवे लाइनों के इलेक्ट्रिफिकेशन का काम 60 साल पहले शुरू हुआ था। बावजूद इसके 2014 तक सिर्फ 20 परसेंट रेलवे रूट का इलेक्ट्रिफिकेशन ही हो पाया था। बाकी रेलवे रूट्स पर हजारों डीजल इंजन चला करते थे। आज भारत में ब्रॉडगेज नेटवर्क का करीब-करीब 100 percent बिजलीकरण हो चुका है। इससे, साल 2024-25 में ही भारतीय रेलवे ने करीब 180 करोड़ लीटर डीज़ल की बचत की है। अगर इलेक्ट्रिफिकेशन न हुआ होता तो हर वर्ष इतना डीज़ल बनाने के लिए एक्स्ट्रा क्रूड ऑयल इंपोर्ट करना पड़ता। ऐसे ही, हमने मेट्रो का नेटवर्क बढ़ाया, इलेक्ट्रिक मोबिलिटी पर फोकस किया।

ऐसे ही एक और बहुत बड़ा काम हमने रीन्युएबल एनर्जी को लेकर किया है। आज हमारी टोटल installed power generation capacity का आधा हिस्सा रीन्यूएबल सोर्स से आता है। हमारी कुल रिन्यूएबल क्षमता आज 250 गीगावाट के ऐतिहासिक आंकड़े को पार कर गई है। आप सोचिए साल 2014 में भारत की सोलर पावर कैपेसिटी सिर्फ दो गीगावॉट थी, आज ये करीब चालीस गुणा बढ़कर hundred and thirty गीगावॉट हो चुकी है। घरेलू उपयोग में गैस के अलावा बिजली अधिक से अधिक काम आए इसके लिए पीएम सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना लागू की गई। अभी तक इस स्कीम के तहत करीब 30 लाख परिवारों ने रूफटॉप सोलर लगाए हैं।

साथियों,

इसके अलावा हमने गोबरधन स्कीम पर भी काम किया। इसके तहत Compressed Biogas बनाने पर काम किया गया। अभी तक देश में 100 से अधिक प्लांट चालू हो चुके हैं और 600 से ज्यादा पर काम चल रहा है।

साथियों,

पेट्रोल-डीज़ल के क्षेत्र में हमने कैपेसिटी बिल्डिंग की दिशा में भी व्यापक प्रयास किया है। 2014 से पहले भारत के पास strategic पेट्रोलियम रिज़र्व यानि संकट के समय के लिए कच्चा तेल स्टोर करने की कैपेसिटी ना के बराबर थी। आज हमारे पास, 50 लाख टन से अधिक का strategic पेट्रोलियम रिज़र्व है। और इससे भी अधिक कैपेसिटी पर काम चल रहा है। बीते दशक में अपनी रिफाइनिंग कैपेसिटी में भी हमने सालाना 40 मिलियन टन से अधिक की वृद्धि की है। तभी भारत आज दुनिया के सबसे बड़े refining hubs में से एक बना है। यानि आप अंदाजा लगा सकते हैं कि हम भारत को आत्मनिर्भर बनाने के लिए कितने बड़े पैमाने पर और कितनी बड़ी दिशाओ में काम कर रहे हैं। ये युद्ध की वजह से जो संकट बना है, उसका मुकाबला भी हम जरूर कर पाएंगे। मेरा 140 करोड़ देशवासियों पर पूरा भरोसा है। जैसे एक साथ संगठित होकर कोविड के संकट से हमने देश को बाहर निकाला था उसी प्रकार हम इस वैश्विक संकट को भी पार कर लेंगे। और मैं फिर दोहराउंगा जहां तक सरकार का प्रश्न है, हम किसी भी प्रकार के प्रयत्न या प्रयास में कोई कमी नहीं आने देंगे। हमारे हर निर्णय में जनता का हित सर्वोपरि रहेगा।

साथियों,

यूक्रेन युद्ध से लेकर आज तक हमने ये देखा है कि कैसे इसका प्रभाव वैश्विक मार्केट से लेकर दुनिया के नागरिकों पर पड़ता रहा है। लेकिन भारत सरकार का हमेशा से हर संभव प्रयास रहा है कि युद्ध से बनी परिस्थितियों का बोझ भारत के नागरिकों पर ना पड़े। जैसे जब रूस-यूक्रेन का संकट बढ़ा था , तो उस कालखंड में फर्टिलाइजर की कीमतें आसमान छूने लगी थीं। इसके बावजूद यूरिया की जो बोरी अंतरराष्ट्रीय बाजार में 3000 रुपए में मिल रही थी वो हमने अपने किसानों को सिर्फ 300 रुपए में दी थी। दुनिया में 3000 रुपया चल रहा था हमारे यहाँ 300 में दिया जा रहा था , इस बार भी हमारा हर संभव प्रयास होगा कि देश के किसान देश के नागरिकों के जीवन पर युद्ध का कम से कम प्रभाव पड़े।

साथियों,

आज के इस अहम समय में... आज इस मंच से राज्य सरकारों से भी एक अनुरोध है। ये जरूरी है कि कालाबाज़ारी न हो, अफवाहें न फैलें इसलिए स्थिति की गंभीरता से मॉनीटरिंग आवश्यक है जो कालाबाजारी कर रहे हैं, उनके खिलाफ कड़े एक्शन भी जरूरी हैं।

साथियों,

बीता एक दशक, आत्मनिर्भरता के साथ-साथ संवेदनशील गवर्नेंस का भी रहा है। हमारे देश का एक बड़ा हिस्सा, वहां रहने वाले लोग दिल्ली में बैठी कांग्रेस सरकारों की सोच से भी दूर रहे। लेकिन हमारी सरकार ने विकास की दौड़ में पीछे रह गए लोगों को गवर्नेंस की प्राथमिकताओं से जोड़ा। आज इन इलाकों में हाउसिंग हो, रोड्स हों, स्कूल-हॉस्पिटल हों ऐसे इंफ्रास्ट्रक्चर निर्माण के लिए ही Aspirational District योजना, Aspirational ब्लाक योजना पीएम जनमन योजना जैसी स्पेशल अभियान चलाए जा रहे हैं।

साथियों,

कांग्रेस की सरकारों का एक बहुत बड़ा पाप ये भी रहा कि उन्होंने देश के एक बड़े हिस्से को माओवादी आतंक की आग में जलने के लिए छोड़ दिया था। देश के करीब-करीब हर बड़े राज्य का बहुत बड़ा हिस्सा माओवादी आतंक की गिरफ्त में था। लेकिन साथियों,

बीते सालों में देश ने इस स्थिति को बदलने का संकल्प लिया। हम बुलंद हौसले के साथ आगे बढ़े। और इसका नतीजा आज देश देख रहा है। साल 2013 में 180 से अधिक जिले, 180 से ज्यादा डिस्ट्रिक्ट माओवादी आतंक से प्रभावित थे। आज माओवादी आतंक से प्रभावित जिलों की संख्या सिंगल डिजिट में पहुंच चुकी है।

साथियों,

बीते एक साल में ही 2100 से ज्यादा नक्सलियों ने आत्मसमर्पण किया है 900 से ज्यादा गिरफ्तारियां हुईं हैं, और जो हथियार छोड़ने के लिए तैयार नहीं थे, ऐसे 300 से अधिक कट्टर नक्सलियों को सुरक्षा बलों ने मार गिराया है। इसका परिणाम ये हुआ कि जो इलाके कभी डर के साए में जीने को मजबूर थे वहां आज विकास की नई ऊर्जा का संचार हो रहा है।

साथियों,

भारत आज जिस गति से आगे बढ़ रहा है, उसकी प्रगति की गति को रोकना असंभव है। 140 करोड़ भारतीयों की आकांक्षा आज next level पर है। मैं जानता हूं कि जब एक सपना पूरा होता है तो नए सपने, नई आकाक्षाएं जन्म लेती हैं। मैं इसे बोझ नहीं मानता, बल्कि जनता के विश्वास की पूंजी मानता हूं। हां...देश में मेरे कुछ ऐसे शुभचिंतक हैं जिनको लगता है कि उम्मीदों के बोझ तले मोदी कभी तो दबेगा, कभी तो कुचला जाएगा लेकिन उनकी नीयत इतनी खोटी है, कि उनकी उम्मीदें पूरी ही नहीं होती, और देशवासियों का आशीर्वाद जब तक है तब तक ये पूरी होंगी भी नहीं। अब सिर्फ 140 करोड़ भारतीयों की आशाएं और आकांक्षाएं ही पूरी होंगी। भारत हर सेक्टर में आत्मनिर्भर बनेगा भारत हर हाल में विकसित बनेगा।

इसी भावना के साथ मैं अपनी बात को विराम देता हूं।

आप सभी का फिर से बहुत-बहुत आभार।

धन्यवाद