শেয়ার
 
Comments

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতের বৈশ্বিক অবস্থানকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, গোটা বিশ্ব তাঁর রূপান্তরমূলক নেতৃত্বের প্রশংসা করছে। তিনি অনেক দেশ এবং সংগঠনের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। 

অর্ডার অফ সেন্ট অ্যান্ড্রু দ্য অ্যাপস্টল: এপ্রিল ২০১৯

সম্প্রতি, "আন্তর্জাতিক স্তরে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে কূটনীতিগত সম্পর্কের উন্নতিতে অনবদ্য অবদান ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিশ্চিত করার" জন্য রাশিয়া সরকার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সে দেশের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করেছে। 

অর্ডার অফ জায়েদ: এপ্রিল ২০১৯

সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ২০১৯-র এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সে দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত করেছে ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য। 

প্রধানমন্ত্রী মোদী বিভিন্ন ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষ রয়েছে এমন দেশের প্রত্যেকের জন্য কাজ করছেন, এই সন্মান তারই স্বীকৃতি। .

সিওল শান্তি পুরস্কার ২০১৮ - অক্টোবর ২০১৮

ভারতীয় ও বিশ্ব অর্থনীতির বিকাশে অবদান রাখার জন্য ২০১৮-র অক্টোবর মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সিওল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। 

ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে আর্থ-সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে মোদীনমিক্স নীতির প্রশংসা করেছে সিওল শান্তি কমিটি। দুর্নীতি দমনে বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং সরকারি ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ করতে প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত উদ্যোগগুলিরও অকুন্ঠ প্রশংসা করেছে কমিটি। 

মোদীর শাসনকালে’ 'অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি' বা পূর্বে তাকাও নীতি এবং আঞ্চলিক ও বিশ্ব শান্তি রক্ষার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক অবদানকেও কমিটি বিশেষ কৃতিত্ব দিয়েছে। 

২০১৯-র ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ কোরিয়া প্রজাতন্ত্র সফরকালে প্রধানমন্ত্রী মোদীর হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। 

সিওল শান্তি পুরস্কার ২০১৮ - অক্টোবর ২০১৮

 

ইউএনপি চ্যাম্পিয়নস্‌ অফ দ্য আর্থ পুরস্কার - সেপ্টেম্বর ২০১৮

'চ্যাম্পিয়নস্‌ অফ দ্য আর্থ' পুরস্কার পরিবেশ সংক্রান্ত ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপুঞ্জের সর্বোচ্চ সম্মান। 

আন্তর্জাতিক সৌরসংঘের কাজে নেতৃত্বদান ও ২০২২ সালের মধ্যে ভারতকে প্লাস্টিকমুক্ত করতে অভূতপূর্ব অঙ্গীকার গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে রাষ্ট্রসঙ্ঘের চ্যাম্পিয়নস্‌ অফ দ্য আর্থ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে।

 

গ্রান্ড কলার অফ স্টেট অব ফিলিস্তিন - ফেব্রুয়ারি ২০১৮

'গ্রান্ড কলার অফ স্টেট অব ফিলিস্তিন' হচ্ছে ফিলিস্তিনের সর্বোচ্চ পুরস্কার। 

ভারত ও ফিলিস্তিনের মধ্যে সম্পর্ক সর্বোচ্চ শিখরে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী মোদীর অবদানের জন্য গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে ফিলিস্তিন সফরকালে তাঁকে সে দেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার গ্রান্ড কলার অফ স্টেট অব ফিলিস্তিন দেওয়া হয়।

 

আমির আমানুল্লাহ খান পুরস্কার জুন ২০১৬

২০১৬-র জুন মাসে আফগানিস্তান প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীকে সে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান আমির আমানুল্লাহ খান পুরস্কার প্রদান করেছে।  

আফগান-ভারত মৈত্রী বাঁধের ঐতিহাসিক উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীকে এই সম্মান প্রদান করা হয়।

কিং আবদুল্লাজিজ সাশ পুরস্কার - এপ্রিল ২০১৬

২০১৬-র জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সেদেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান দ্য কিং আবদুল্লাজিজ সাশ-এ ভূষিত করেছে সৌদি আরব। 

আধুনিক সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল আজিজ আল সৌদের পর প্রধানমন্ত্রীকে এই পুরস্কার প্রদান করেন যুবরাজ সালমান বিন আবদুল আজিজ।

 

ডোনেশন
Explore More
আমাদের ‘চলতা হ্যায়’ মানসিকতা ছেড়ে ‘বদল সাকতা হ্যায়’ চিন্তায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনপ্রিয় ভাষণ

আমাদের ‘চলতা হ্যায়’ মানসিকতা ছেড়ে ‘বদল সাকতা হ্যায়’ চিন্তায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
7th Pay Commission: Modi govt makes big announcement for J&K, Ladakh; 4.5 lakh employees to benefit

Media Coverage

7th Pay Commission: Modi govt makes big announcement for J&K, Ladakh; 4.5 lakh employees to benefit
...

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
একটি প্রতিশ্রুতি দিন, বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী
March 18, 2019
শেয়ার
 
Comments

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৪ মার্চ, ২০১৯ তারিখে বিশ্ব ঊমিয়াধাম কমপ্লেক্সের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন। সেখানে বিশাল জনসমাবেশে তিনি বলেন, "আপনাদের কাছে আমার একটি অনুরোধ আছে, আপনারা আমাকে সাহায্য করবেন"।

যখন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এই ধরনের বিবৃতি দেয়, তখন স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হবে যে তিনি ভোট বা সমর্থন চাইছেন। এভাবেই ভারতের রাজনৈতিক সংস্কৃতি দশক ধরে চলছে। 

যাইহোক, প্রধানমন্ত্রী মোদী কন্যাভ্রূণ হত্যার পাপ না করার এবং লিঙ্গ বৈষম্য বিহীন সমাজ সৃষ্টি করার আবেদন রাখেন জনসাধারণের কাছে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী মোদী লিঙ্গ সমতা এবং মহিলাদের ক্ষমতায়ন করতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। তিনি সবসময় মহিলাদের বিকাশের চেয়ে মহিলাদের নেতৃত্বে উন্নয়ন প্রক্রিয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। 

 প্রধানমন্ত্রী মোদী কন্যা সন্তান ও পুত্র সন্তানের অনুপাতের পার্থক্য কমিয়ে আনার উদ্দেশে 'বেটি বাঁচাও, বেশি পড়াও' প্রকল্প চালু করেন। গত পাঁচ বছরে এই প্রকল্প অসাধারণ ফল করেছে। 

লক্ষ লক্ষ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করেছে মুদ্রা যোজনা, এই যোজনার সুবিধাভোগীর বেশিরভাগ হচ্ছেন মহিলা। 

বৈপ্লবিক পদক্ষেপ, ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় পরিবারের মহিলা সদস্যের নামে ঘর বরাদ্ধ করা হয়েছে। মহিলাদের সম্মান ও নিরাপত্তার জন্য এটা দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ। 

এই প্রচেষ্টাগুলির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মোদী এমন একটি ভারত গড়তে চান, যেখানে দেশের অগ্রগতিতে আমাদের নারী শক্তি থাকবে সামনের সারিতে এবং কোনো ভয় বা বাধা ছাড়াই তাঁরা তাঁদের আশা-আকাঙ্খা পূরণ করতে পারবে।