“ভারতীয় খেলোয়াড়দের কঠোর শ্রম ও প্রচেষ্টার নিরিখে আরও উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গেই সূচনা হচ্ছে ‘আজাদি কা অমৃতকাল’-এর”
“দেশের যুব সমাজকে খেলোয়াড়রা উৎসাহিত করেছেন খেলাধূলা ছাড়াও অন্যান্য ক্ষেত্রের কাজকর্মে”
“তোমরা তোমাদের চিন্তাভাবনা ও স্থির লক্ষ্যকে এমনভাবে একসূত্রে বাঁধতে পেরেছ যা ছিল এককালে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি”
“ইউক্রেনে আমরা এই ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকার শক্তি উপলব্ধি করেছি। যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে সরিয়ে নিয়ে আসার জন্য শুধু ভারতীয়দেরই নয়, অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও ত্রিবর্ণা ছিল রক্ষাকবচ”
“আমাদের খেলার জগৎ-কে সর্বাঙ্গীন, বৈচিত্র্যপূর্ণ ও প্রাণবন্ত করে তুলতে হবে। দেশের কোনও প্রতিভা যাতে নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে আমাদের সচেতন থাকতে হবে”

ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’ গড়ে তোলার সঙ্কল্পকে আরও সুদৃঢ় করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেছেন, খেলোয়াড়রা দেশকে শুধুমাত্র পদকই এনে দেননি, সেইসঙ্গে দেশবাসীর সামনে গর্ব অনুভবের সুযোগও এনে দিয়েছেন। দেশের যুব সমাজকে তাঁরা উৎসাহিত করেছেন খেলাধূলা ছাড়াও অন্যান্য ক্ষেত্রের কাজকর্মে।

আজ নয়াদিল্লিতে কমনওয়েলথ গেমস, ২০২২-এর বিভিন্ন বিভাগে জয়ী ভারতীয় খেলোয়াড়দের এক সংবর্ধনা সভায় ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ক্রীড়াবিদদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “তোমরা তোমাদের চিন্তাভাবনা ও স্থির লক্ষ্যকে এমনভাবে একসূত্রে বাঁধতে পেরেছ যা ছিল এককালে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।” স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্মৃতিচারণ প্রসঙ্গে শ্রী মোদী বলেন যে তাঁদের মত ও পথ হয়তো ছিল ভিন্ন, কিন্তু স্থির লক্ষ্য ছিল এক – দেশের স্বাধীনতা অর্জন। আজকের দিনের খেলোয়াড়রাও এইভাবেই এই মানসিকতা নিয়েই দেশকে এক মর্যাদার আসনে বসিয়েছেন। প্রসঙ্গত তিনি ইউক্রেনে ভারতের ত্রিবর্ণ রঞ্জিত পতাকার শক্তির উল্লেখ করে বলেন, সঙ্কটকালে আমাদের জাতীয় পতাকা শুধুমাত্র ভারতীয়দেরই রক্ষা করেনি, অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও সাহায্য করেছিল যুদ্ধ বিদীর্ণ দেশটি থেকে বেরিয়ে আসতে।

ভবিষ্যতে এশিয়ান গেমস এবং অলিম্পিক্সের জন্য খেলোয়াড়দের ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ উপলক্ষে গত বছর দেশের ৭৫টি বিদ্যালয় ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সফর করে শিশু ও কিশোরদের উৎসাহিত করার জন্য খেলোয়াড় ও তাঁদের প্রশিক্ষকদের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ‘মিট দ্য চ্যাম্পিয়ন’ অভিযানের অঙ্গ হিসেবে বেশ কিছু ক্রীড়াবিদ তাতে অংশগ্রহণ করে তাঁদের সেই সফরসূচিকে সফল করে তুলেছিলেন বলে উল্লেখ করেন শ্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের উত্তরোত্তর স্বীকৃতি, দক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে তরুণ প্রজন্মকে উৎসাহিত ও উদ্বুদ্ধ করার সময় এখন এসেছে।

সাম্প্রতিককালে, ক্রীড়াক্ষেত্রে ভারতের দুটি বড় নজিরের উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। কমনওয়েলথ গেমস-এ ঐতিহাসিক সাফল্যের পাশাপাশি ভারত দাবা অলিম্পিয়াডেরও আয়োজন করছে এই সর্বপ্রথম। অ্যাথলিটদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “বার্মিংহামে তোমরা যখন প্রতিযোগিতায় মনোনিবেশ করেছ, কোটি কোটি ভারতীয় তখন বিনিদ্র রজনী যাপন করেছেন তোমাদের প্রত্যেকটি খেলা প্রত্যক্ষ করার জন্য। অনেকেই আবার ঘড়িতে অ্যালার্ম সেট করে ঘুমোতে যেতেন যাতে খেলার সর্বশেষ তথ্য সম্পর্কে তাঁরা ওয়াকিবহাল থাকতে পারেন।”

কমনওয়েলথ গেমস-এ দেশের বিরাট সাফল্যের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র সংখ্যা দিয়ে সাফল্য বা ব্যর্থতাকে বিচার করা যায় না। বহু পদকই হয়তো একটুর জন্য আমরা জিততে পারিনি, কিন্তু দেশের সঙ্কল্পবদ্ধ খেলোয়াড়রা এই ত্রুটি অচিরেই শুধরে নেবেন বলে তিনি আশাবাদী। গতবারের তুলনায় এ বছর চারটি নতুন খেলায় বিজয়ী হয়েছে ভারত। লং বউলস থেকে অ্যাথলেটিক্স – সর্বত্রই সফল আমাদের খেলোয়াড়রা। এই পথ ধরেই নতুন নতুন খেলাধূলার প্রতি দেশের তরুণরা আকৃষ্ট ও উৎসাহিত হবে বলে মনে করেন তিনি। বার্মিংহাম কমনওয়েলথ গেমস-এ অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য খেলোয়াড় এবং তাঁদের প্রশিক্ষকদের অভিনন্দিত করেন প্রধানমন্ত্রী। গেমস-এর বিভিন্ন বিভাগে ভারত এবার ২২টি সোনা, ১৬টি রূপো এবং ২৩টি ব্রোঞ্জ পদক জয় করেছে। এই দৃষ্টান্তের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে ভারতীয় খেলোয়াড়দের কঠোর শ্রম ও প্রচেষ্টার নিরিখে আরও উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গেই সূচনা হচ্ছে ‘আজাদি কা অমৃতকাল’-এর।

ভবিষ্যতে এশিয়ান গেমস এবং অলিম্পিক্সের জন্য খেলোয়াড়দের ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ উপলক্ষে গত বছর দেশের ৭৫টি বিদ্যালয় ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সফর করে শিশু ও কিশোরদের উৎসাহিত করার জন্য খেলোয়াড় ও তাঁদের প্রশিক্ষকদের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ‘মিট দ্য চ্যাম্পিয়ন’ অভিযানের অঙ্গ হিসেবে বেশ কিছু ক্রীড়াবিদ তাতে অংশগ্রহণ করে তাঁদের সেই সফরসূচিকে সফল করে তুলেছিলেন বলে উল্লেখ করেন শ্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের উত্তরোত্তর স্বীকৃতি, দক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে তরুণ প্রজন্মকে উৎসাহিত ও উদ্বুদ্ধ করার সময় এখন এসেছে।

সাম্প্রতিককালে, ক্রীড়াক্ষেত্রে ভারতের দুটি বড় নজিরের উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। কমনওয়েলথ গেমস-এ ঐতিহাসিক সাফল্যের পাশাপাশি ভারত দাবা অলিম্পিয়াডেরও আয়োজন করছে এই সর্বপ্রথম। অ্যাথলিটদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “বার্মিংহামে তোমরা যখন প্রতিযোগিতায় মনোনিবেশ করেছ, কোটি কোটি ভারতীয় তখন বিনিদ্র রজনী যাপন করেছেন তোমাদের প্রত্যেকটি খেলা প্রত্যক্ষ করার জন্য। অনেকেই আবার ঘড়িতে অ্যালার্ম সেট করে ঘুমোতে যেতেন যাতে খেলার সর্বশেষ তথ্য সম্পর্কে তাঁরা ওয়াকিবহাল থাকতে পারেন।”

কমনওয়েলথ গেমস-এ দেশের বিরাট সাফল্যের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র সংখ্যা দিয়ে সাফল্য বা ব্যর্থতাকে বিচার করা যায় না। বহু পদকই হয়তো একটুর জন্য আমরা জিততে পারিনি, কিন্তু দেশের সঙ্কল্পবদ্ধ খেলোয়াড়রা এই ত্রুটি অচিরেই শুধরে নেবেন বলে তিনি আশাবাদী। গতবারের তুলনায় এ বছর চারটি নতুন খেলায় বিজয়ী হয়েছে ভারত। লং বউলস থেকে অ্যাথলেটিক্স – সর্বত্রই সফল আমাদের খেলোয়াড়রা। এই পথ ধরেই নতুন নতুন খেলাধূলার প্রতি দেশের তরুণরা আকৃষ্ট ও উৎসাহিত হবে বলে মনে করেন তিনি। বার্মিংহাম কমনওয়েলথ গেমস-এ অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য খেলোয়াড় এবং তাঁদের প্রশিক্ষকদের অভিনন্দিত করেন প্রধানমন্ত্রী। গেমস-এর বিভিন্ন বিভাগে ভারত এবার ২২টি সোনা, ১৬টি রূপো এবং ২৩টি ব্রোঞ্জ পদক জয় করেছে। এই দৃষ্টান্তের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে ভারতীয় খেলোয়াড়দের কঠোর শ্রম ও প্রচেষ্টার নিরিখে আরও উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গেই সূচনা হচ্ছে ‘আজাদি কা অমৃতকাল’-এর।

উল্লেখ্য, বিভিন্ন ক্রীড়া অঙ্গনে ভারতীয় খেলোয়াড়দের বরাবরই উৎসাহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বিগত টোকিও অলিম্পিক্স, ২০২০-র সময়েও ভারতের প্রতিনিধিত্বকারী খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেছিলেন তিনি।

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Science and the power of jan bhagidari can lead to a TB-free India

Media Coverage

Science and the power of jan bhagidari can lead to a TB-free India
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister shares Sanskrit Subhashitam, seeks blessings of Maa Katyayani and shares devotional recital
March 24, 2026

The Prime Minister, Shri Narendra Modi, sought the blessings of Maa Katyayani and said that worship of Maa Jagadambe fills the mind with infinite energy and inner strength, while her divine radiance illuminates the heart with higher consciousness. He prayed that with the blessings of the Goddess, who is the embodiment of divinity and valour, all her devotees are endowed with immense strength and self-confidence.

The Prime Minister shared a Sanskrit verse-

“चन्द्रहासोज्ज्वलकरा शार्दूलवरवाहना। कात्यायनी शुभं दद्याद् देवी दानवघातिनी॥”

The Prime Minister also shared a recital in praise of the Goddess.

The Prime Minister wrote on X;

“मां कात्यायनी को वंदन! दिव्यता और पराक्रम की अधिष्ठात्री देवी मां की कृपा से उनके सभी भक्तों में अपार शक्ति और आत्मविश्वास का संचार हो।

चन्द्रहासोज्ज्वलकरा शार्दूलवरवाहना।

कात्यायनी शुभं दद्याद् देवी दानवघातिनी॥”

“मां जगदम्बे की उपासना से मन अनंत ऊर्जा और आत्मबल से भर जाता है। देवी मां का अलौकिक ओज हृदय को दिव्य चेतना से आलोकित कर देता है।