প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সেবা তীর্থে স্থানান্তরিত হওয়ার পর শ্রী নরেন্দ্র মোদী প্রথম যে সিদ্ধান্তগুলি গ্রহণ করেছেন তার মধ্য দিয়ে সরকারের সেবা করার মানসিকতা প্রতিফলিত হয়েছে। এ সংক্রান্ত যে ফাইলগুলিতে প্রধানমন্ত্রী স্বাক্ষর করেছেন, সেগুলি কৃষক, মহিলা, যুব সম্প্রদায় এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর নাগরিকরা – অর্থাৎ, সমাজের প্রতিটি মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করবে।
১) পিএম রাহাত প্রকল্প : প্রত্যেক নাগরিকের জন্য জীবন রক্ষা করার প্রকল্প
প্রধানমন্ত্রী পিএম রাহাত প্রকল্পের সূচনার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন।
এই উদ্যোগের আওতায় দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নগদহীন চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। এর মাধ্যমে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা দেখা দেবে না, অর্থাৎ চিকিৎসা না পাওয়ার কারণে কারোর প্রাণহানি হবে না।
২) লাখপতি দিদির সংখ্যা ৬ কোটি করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
সরকার ২০২৭ সালের মার্চ মাসে লাখপতি দিদির সংখ্যা ৩ কোটি করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল। কিন্তু, এক বছরেরও বেশি সময় আগে সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এখন ২০২৯ সালের মার্চ মাসের মধ্যে নতুন একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছেন। এই সময়কালের মধ্যে ৬ কোটি লাখপতি দিদি করতে হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণ করা হয়েছে।
৩) কৃষকদের জন্য বিশেষ প্রকল্প : কৃষিক্ষেত্রের পরিকাঠামো সংক্রান্ত তহবিলের থেকে ঋণ প্রদানের পরিমাণ দ্বিগুণ, অর্থাৎ ২ লক্ষ কোটি টাকা করা হয়েছে
দেশের কৃষিক্ষেত্রের মূল্যশৃঙ্খলকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে প্রধানমন্ত্রী কৃষি পরিকাঠামো তহবিলের থেকে ঋণ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণ করার ঘোষণা করেছেন। বর্তমানে ১ লক্ষ কোটি টাকার পরিবর্তে ২ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হবে।
৪) ১০ হাজার কোটি টাকা তহবিলের স্টার্ট-আপ ইন্ডিয়া ফান্ডের জন্য ফান্ডস ২.০ : উদ্ভাবনের নতুন জোয়ার
ভারতে উদ্ভাবন ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করে তুলতে প্রধানমন্ত্রী স্টার্ট-আপ ইন্ডিয়া ফান্ডের জন্য ফান্ডস ২.০-এর তহবিল ১০ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন। এর ফলে, ডিপ টেক, বিভিন্ন ধারণাকে বাস্তবায়িত করা, উন্নত প্রযুক্তি এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে।


