“The National Creators Award recognises the talent of our creator's community and celebrates their passion for driving a positive change”
“National Creator Awards is giving identity to the new era before its onset”
“Digital India campaign has created a new world of content creators”
“Our Shiv is Natraj, his dumroo produces Maheshwar Sutra, his Taandav lays the foundation for rhythm and creation”
“Youth with their positive actions have urged the government to look towards content creators”
“You forged an idea, innovated it and gave a life form on the screen. You are the MVPs of the internet”
“Content creation can help in rectifying incorrect perceptions about the country”
“Can we create content which brings awareness among the youth about the negative effects of drugs? We can say - Drugs are not cool”
“India has taken the resolve to become a developed nation by taking pride in hundred percent democracy”
“You are the digital ambassadors of India all over the world. You are the brand ambassadors of Vocal for Local”
“Let us start a Create on India Movement and share India’s stories, culture, heritage and traditions with the whole world. Let us Create on India and Create for the World”

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ নতুন দিল্লির ভারত মণ্ডপমে প্রথম জাতীয় স্রষ্টা পুরস্কার প্রাপকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য সৃজনশীল ক্ষমতাকে কাজে লাগাতে উৎসাহ দেওয়ার জন্য এই পুরস্কারের প্রবর্তন করা হয়েছে।

 

নিউ ইন্ডিয়া চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে অভি অ্যান্ড নিউ-কে। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের কাছে জানতে চান, নিছক কতগুলি তথ্য কিভাবে তাঁরা আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করেন। জবাবে এই গোষ্ঠীর সদস্যরা জানান, যেভাবে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করে থাকেন, সেই একই ধারায় তাঁরাও শ্রোতাদের কাছে এই তথ্যগুলি নিয়ে হাজির হন। শ্রী মোদী গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রের এই তথ্যগুলিকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করার জন্য তাঁদের প্রশংসা করেন।

সেরা গল্প কথন পুরস্কার পেয়েছেন কীর্তিকা গোবিন্দস্বামী, যিনি কীর্তি হিস্ট্রি নামে পরিচিত। যখন কীর্তি প্রধানমন্ত্রীকে প্রণাম করেন, শ্রী মোদীও পালটা তাঁর পায়ে হাত দেন। তিনি বলেন, যখন কোনো মেয়ে তাঁর পা স্পর্শ করেন, তখন ব্যক্তিগতভাবে তিনি বিব্রত হয়ে পড়েন। কীর্তি জানান, তিনি হিন্দিতে সড়গড় নন। শ্রী মোদী তাঁকে যেকোনো ভাষায় কথা বলার আহ্বান জানান। “এই বৃহৎ দেশে আপনি এই ভাষা দেশের কোনো না কোনো প্রান্তে শুনতে পাবেন।” কীর্তি তামিল ভাষার প্রসারে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের প্রশংসা করেন। ইতিহাস এবং রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রের মধ্যে যোগাযোগের কথা তিনি তুলে ধরেন। এগুলি সামাজিক মাধ্যমে মাঝে মাঝে বিতর্কের সৃষ্টি করে। ভারতের মহত্বের কথা কিশোর শ্রোতাদের কাছে তুলে ধরতে উৎসাহ বোধ করেন তিনি। 

 

রনবীর আল্লাবাড়িয়া ডিজরাপ্টার অফ দ্য ইয়ার পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী রনবীরকে পরামর্শ দেন, ঘুম সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলার জন্য। তিনি যোগ নিদ্রার উপকারিতার বিষয়টিও উল্লেখ করেন। 

ইসরোর প্রাক্তন বিজ্ঞানী, আমেদাবাদের শ্রীমতী পংক্তি পান্ডে গ্রিন চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। মিশন লাইফ-এর বার্তাকে প্রচার করার জন্যই তাঁকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে আমেদাবাদের জনসাধারণের মধ্যে প্রচলিত কিছু উপাখ্যান সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে হর্ষোল্লাসে ফেটে পড়েন। শ্রীমতী পংক্তি সকলকে তাঁদের বর্জ্য পদার্থগুলিকে পুনর্ব্যবহারের পন্থাপদ্ধতি উদ্ভাবনের পরামর্শ দেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে মিশন লাইফ সম্পর্কে বিস্তারিত পরীক্ষানিরীক্ষা চালানোর অনুরোধ করেন।  

 

বেস্ট ক্রিয়েটিভ ফর সোশ্যাল চেঞ্জ পুরস্কার দেওয়া হয় জয়া কিশোরীকে। জয়া বর্তমান সময়কালের মীরা হিসেবে পরিচিত। তিনি ভগবদ্গীতা এবং রামায়ণের ব্যাখ্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন উপাখ্যান প্রচার করেন। অনুষ্ঠানে ‘কথাকার’ হিসেবে তাঁর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে জয়া জানান, আমাদের সংস্কৃতির এইসব মহাকাব্যগুলির বিস্তারিত তথ্য যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে আকর্ষণ সৃষ্টি করে। বাস্তব জীবনের বিভিন্ন দায়িত্ব পালনে যথাযথ জীবনযাপনের সম্পর্কেও তিনি আলোচনা করেন। 

মোস্ট ইম্প্যাক্টফুল এগ্রি ক্রিয়েটারের সম্মান প্রদান করা হয় লক্ষ দাবাসকে। লক্ষ, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির সাহায্যে কৃষিকাজের মানোন্নয়নের জন্য এই পুরস্কার পেলেন। তাঁর হয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন তাঁর ভাই, যিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে জানান, প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে কৃষিকাজের বিষয়ে তাঁরা ৩০ হাজার কৃষককে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। বিভিন্ন জীবাণু এবং পতঙ্গের হাত থেকে ফসল রক্ষা করার পন্থা-পদ্ধতির কথাও তিনি তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের ভাবনার প্রশংসা করেন এবং তাঁকে গুজরাটের রাজ্যপাল শ্রী আচার্য দেবব্রতজির সঙ্গে দেখা করার পরামর্শ দেন।  তিনি লক্ষকে কৃষকদের সহায়তা করার জন্য অনুরোধ জানান।

 

মৈথিলী ঠাকুরকে কালচারাল অ্যাম্বাসাডার পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। মৈথিলী বিভিন্ন ভারতীয় ভাষায় প্রচলিত লোকগান সহ নানা ধরনের সঙ্গীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে তিনি মহা শিবরাত্রি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে একটি ভক্তিগীতি পরিবেশন করেন। শ্রী মোদী বলেন, তাঁর একটি ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে তিনি ক্যাসেন্ড্রা মাই স্পিটমানকে নিয়ে এসেছিলেন, যিনি বিভিন্ন ভারতীয় ভাষায় ভক্তিগীতি পরিবেশন করেন।

বেস্ট ইন্টারন্যাশনাল ক্রিয়েটার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন তানজানিয়ার কীরি পাল, আমেরিকার ড্রু হিটস এবং জার্মানির ক্যাসেন্ড্রা মাই স্পিটমান। ড্রু প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন। তিনি হিন্দি এবং বিহারী টানে সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট করে থাকেন। তাঁর বাবার বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় এবং পাটনার সঙ্গে যোগসূত্রের কারণে ভারতের সংস্কৃতির প্রতি তাঁর আগ্রহ তৈরি হয়।  
 
কার্লি টেলস-এর কামিয়া জানি সেরা পর্যটক স্রষ্টা পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁর ভিডিওতে কার্লি ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রার পাশাপাশি, এ দেশের সৌন্দর্য সম্পর্কিত তথ্য তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে তিনি লাক্ষাদ্বীপ এবং দ্বারকার মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির কথা উল্লেখ করলে প্রধানমন্ত্রী তাঁকে দ্বারকায় স্নান করার পরামর্শ দেন। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তাঁর দ্বারকা দর্শনের অভিজ্ঞতা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। তিনি পর্যটকদের মোট বাজেটের ৫-১০ শতাংশ স্থানীয় পণ্য কেনার অনুরোধ জানান। এর ফলে স্থানীয় অর্থনীতিকে সহায়তা করা হবে। পাশাপাশি, ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর ভাবনাকেও বিকশিত করা যাবে।

 

টেক ক্রিয়েটার পুরস্কার পেয়েছেন গৌরব চৌধুরি যিনি ‘টেকনিক্যাল গুরুজি’ নাম পরিচিত। গৌরব তাঁর চ্যানেলে ডিজিটাল ইন্ডিয়ার বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “উন্নত ভবিষ্যতের জন্য আমাদের প্রয়োজন প্রযুক্তি ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা। ইউপিআই যার সবথেকে বড় উদাহরণ। যখন এই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা কার্যকর হবে, তখন সারা বিশ্বের উন্নতি হবে।” অনুষ্ঠানে গৌরব প্যারিসে তাঁর ইউপিআই ব্যবহারের অভিজ্ঞতার কথা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। 

পরিচ্ছন্নতার জন্য স্বচ্ছতা অ্যাম্বাসাডার পুরস্কার পেয়েছেন মালহার কালাম্বে। তিনি প্লাস্টিক থেকে সৃষ্ট দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিপদ সম্পর্কে সকলক সচেতন করে তোলার কাজ চালাচ্ছেন। ‘বিচ প্লিজ’-এর প্রতিষ্ঠাতা মালহারকে প্রধানমন্ত্রী জানান, এখানে অনেক স্রষ্টা খাদ্য এবং পুষ্টির বিষয়ে তাঁকে পরামর্শ দিতে পারেন।  

 

২০ বছর বয়সী জাহ্নবী সিং-কে হেরিটেজ ফ্যাশন আইকন অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। জাহ্নবী ইনস্টাগ্রামে ভারতের ফ্যাশন এবং এ দেশের শাড়ি সম্পর্কে নানা তথ্য তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর উদ্যোগের প্রশংসা করেন। জাহ্নবী জানান, ভারতের সংস্কৃতি, শাস্ত্র এবং শাড়িকে তিনি তাঁর চ্যানেলে তুলে ধরছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত সব সময়ই ফ্যাশনের জগতে প্রথম সারিতে থাকে।
 
শ্রদ্ধাকে বেস্ট ক্রিয়েটিভ ক্রিয়েটার – ফিমেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। শ্রদ্ধা বিভিন্ন ভাষায় কমেডি তৈরি করেন যা নানা বয়সী মানুষের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে তাঁর প্রচলিত বচনশৈলী ‘আইয়ো’ বলে সম্বর্ধনা জানান। প্রধানমন্ত্রীর স্বতঃস্ফূর্ততা এবং সকলের সঙ্গে মেলামেশার প্রশংসা করেন শ্রদ্ধা।

বেস্ট ক্রিয়েটিভ ক্রিয়েটার – মেল পুরস্কার দেওয়া হয় আরজে রৌনককে। রৌনক জানান, প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানটি বেতার জগতে এক নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে। বেতার জগতের সকলের পক্ষ থেকে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।  

খাদ্য বিভাগে শ্রেষ্ঠ স্রষ্টার পুরস্কার পায় কবিতাজ কিচেন। কবিতা একজন গৃহবধূ, যিনি তাঁর রান্নার মাধ্যমে ডিজিটাল জগতে শিল্পোদ্যোগী হয়ে ওঠেন। প্রধানমন্ত্রী মজা করে কবিতাকে তাঁর খেয়াল রাখার জন্য অনুরোধ জানান। কবিতা বলেন, বিদ্যালয়গুলিকে কৃষি সম্পর্কে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে যাতে ছাত্রছাত্রীরা খাবার অপচয় না করে। শ্রী মোদী উপস্থিত সকলকে পরামর্শ দেন, কোথাও বেড়াতে গেল তাঁরা যাতে স্থানীয় খাবার খান। একইসঙ্গে তিনি মোটা দানার শস্য, অর্থাৎ শ্রীঅন্ন সম্পর্কে প্রচারেরও পরামর্শ দেন। 

শিক্ষাক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ স্রষ্টার পুরস্কার পেয়েছেন নমন দেশমুখ। ইনস্টাগ্রামে নমন প্রযুক্তি, অর্থনীতি, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মার্কেটিং, কৃত্রিম মেধা, কোডিং সহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। নিরাপদে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করতে সচেতন করে তোলার উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রশংসা করেন।

প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য এবং ফিটনেস ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ স্রষ্টার পুরস্কার দেন অঙ্কিত বাইয়ানপুরিয়াকে। অঙ্কিত জানান, তিনি ৭৫টি কঠিন চ্যালেঞ্জকে বাস্তবায়িত করেছেন। তিনি শ্রোতাদের সুষম জীবনযাত্রার পরামর্শ দেন। 

গেমিং ক্রিয়েটার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ট্রিগার্ড ইনসান নিশ্চয়। দিল্লির এই ইউটিউবার তাঁর কাজের স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

বেস্ট মাইক্রো ক্রিয়েটারের সম্মান পেয়েছেন অরিদমন। বৈদিক জ্যোতিষ শাস্ত্র এবং প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্য সম্পর্কে তিনি বিভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী একবার ট্রেনে একটি অসংরক্ষিত কামরায় হাত দেখা নিয়ে মজার গল্প বলেন। অরিদমন জানান, তিনি ধর্মশাস্ত্রের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য পরিবেশন করেন। 

 

উত্তরাখণ্ডের চামোলির পীযূষ পুরোহিত পেয়েছেন বেস্ট ন্যানো ক্রিয়েটার অ্যাওয়ার্ড। পীযূষ স্বল্প পরিচিত বিভিন্ন স্থান এবং আঞ্চলিক উৎসব নিয়ে কাজ করেন। প্রধানমন্ত্রী এই প্রসঙ্গে ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে কেরালার কয়েকজন বালিকা চামোলির একটি সঙ্গীত পরিবেশনের তথ্য তুলে ধরেন।  


 বোট-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক আমন গুপ্তা শার্ক ট্যাঙ্ক ইন্ডিয়ার জন্য বেস্ট সেলিব্রিটি ক্রিয়েটার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। শ্রী গুপ্তা জানান, ২০১৬ সালে স্টার্ট-আপ এবং স্ট্যান্ড-আপ ইন্ডিয়া কর্মসূচি যখন শুরু হয় তখন তিনি তাঁর সংস্থা গড়ে তোলেন। খুব কম সময়ের মধ্যে এই সংস্থাটি বিশ্বের বৃহত্তম অডিও ব্র্যান্ড সংস্থা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India records highest-ever startup surge with 55,200 recognised in FY26

Media Coverage

India records highest-ever startup surge with 55,200 recognised in FY26
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Text of PM’s address to the Nation
April 18, 2026

आज मैं एक बेहद महत्वपूर्ण विषय पर विशेष कर देश की माता बहनों और बेटियों से बात करने के लिए आया हूं! आज भारत का हर नागरिक देख रहा है कि कैसे भारत की नारी शक्ति की उड़ान को रोक दिया गया। उनके सपनों को बेरहमी से कुचल दिया गया है। हमारे भरसक प्रयास के बावजूद हम सफल नहीं हो पाए, नारी शक्ति वंदन अधिनियम में संशोधन नहीं हो पाया! और मैं इसके लिए सभी माताओं-बहनों, उनसे मैं क्षमा प्रार्थी हूं।

साथियों,

हमारे लिए देश हित सर्वोपरि है, लेकिन जब कुछ लोगों के लिए दल हित सब कुछ हो जाता है, दल हित, देश हित से बड़ा हो जाता है, तो नारी शक्ति को, देश हित को, इसका खामियाजा उठना पड़ता है। इस बार भी यही हुआ है। कांग्रेस, डीएमके, टीएमसी और समाजवादी पार्टी जैसे दलों की स्वार्थी राजनीति का नुकसान देश के नारी शक्ति को उठाना पड़ा है।

साथियों,

कल देश की करोड़ों महिलाओं की नजर संसद पर थी, देश की नारी शक्ति देख रही थी, मुझे भी यह देखकर बहुत दुख हुआ, कि जब ये नारी हित का प्रस्ताव गिरा, तो कांग्रेस, डीएमके, टीएमसी, सपा, जैसी परिवारवादी पार्टियां, खुशी से तालियां बजा रही थीं। महिलाओं से उनके अधिकार छिनकर ये लोग मेजें थपथपा रहे थे। उन्होंने जो किया वो केवल टेबल पर थाप नहीं थी, वो नारी के स्वाभिमान पर उसके आत्मसम्मान पर चोट थी और नारी सब भूल जाती है, अपना अपमान कभी नहीं भूलती, इसलिए संसद में कांग्रेस और उसके सहयोग के उन सबके व्यवहार की कसक हर नारी के मन में हमेशा रहेगी। देश की नारी जब भी अपने क्षेत्र में इन नेताओं को देखेगी, तो वो याद करेगी कि इन्हीं लोगों ने, इन्हीं लोगों ने, संसद में महिला आरक्षण को रोकने का जश्न मनाया था, खुशियां मनाई थीं। कल संसद में नारी शक्ति वंदन संशोधन का जिन दलों ने विरोध किया है, उनसे मैं दो टूक कहूंगा, ये लोग नारी शक्ति को फॉर ग्रांटेड ले रहे हैं, वो ये भूल रहे हैं, कि 21वीं सदी की नारी देश की हर घटना पर नजर रख रही है, वो उनकी की मंशा भाप रही है और सच्चाई भी भली भांति जान चुकी है। इसलिए महिला आरक्षण विरोध करके जो पाप विपक्ष ने किया है, इसकी उन्हें सजा जरूर मिलेगी। इन दलों ने संविधान निर्माताओं की भावनाओं का भी अपमान किया है और जनता द्वारा इसकी सजा से भी वो बच नहीं पाएंगे।

साथियों,

सदन में नारी शक्ति वंदन संशोधन किसी से भी कुछ छिनने का नहीं था। नारी शक्ति वंदन संशोधन हर किसी को कुछ ना कुछ देने का था, देने के लिए संशोधन का था। ये 40 साल से लटके हुए नारी के हक को, 2029 के अगले लोकसभा चुनाव से उसका हक देने का संशोधन था।

नारी शक्ति वंदन संशोधन 21वीं सदी के भारत की नारी को नए अवसर देने, नई उड़ान देने, उसके सामने से बाधाएं हटाने का महायज्ञन था। देश की 50% यानी आधी आबादी को उसका अधिकार देने का साफ नियत के साथ, ईमानदारी के साथ किया गया एक पवित्र प्रयास था। नारी को भारत की विकास यात्रा में सहयात्री बनाने और सबको जोड़ने का प्रयास था। नारी शक्ति वंदन संशोधन समय की मांग है। नारी शक्ति वंदन संशोधन उत्तर, दक्षिण, पूर्व, पश्चिम, सभी राज्यों की हर राज्य की शक्ति में समान वृद्धि का प्रयास था। ये संसद में सभी राज्यों की आवाज को अधिक शक्ति देने का प्रयास था। राज्य छोटा हो, राज्य बड़ा हो, राज्य की आबादी कम हो या राज्य की आबादी ज्यादा हो। सब की समान अनुपात में शक्ति बढ़ाने की कोशिश थी। लेकिन इस ईमानदार प्रयास की कांग्रेस और उसके सहयोगियों ने सदन में पूरे देश के सामने भ्रूण हत्या कर दी है, भ्रूण हत्या कर दी है। ये कांग्रेस, टीएमसी, समाजवादी पार्टी, टीएमके जैसे दल, इस भ्रूण हत्या के गुनहगार हैं। ये देश के संविधान के अपराधी हैं, ये देश की नारी शक्ति के अपराधी हैं।

साथियों,

कांग्रेस महिला आरक्षण के विषय से ही नफरत करती है, उसने हमेशा से ही महिला आरक्षण को रोकने के लिए षड्यंत्र किए हैं। इस दिशा में पहले जितनी बार भी प्रयास हुए, हर बार कांग्रेस ने इसमें रो़ड़े अटकाए हैं। इस बार भी कांग्रेस और उसके साथियों ने महिला आरक्षण को रोकने के लिए एक के बाद एक नए झूठ का सहारा लिया। कभी संख्या को लेकर, कभी किसी और तरीके से, कांग्रेस और उसके साथियों ने देश को गुमराह करने की कोशिश की। ऐसा करके इन दलों ने भारत के नारी शक्ति के सामने अपना असली चेहरा सामने ला दिया है। अपना मुखौटा उतर दिया है।

साथियों,

मुझे व्यक्तिगत तौर पर आशा थी कि कांग्रेस अपनी दशकों पुरानी गलती सुधारेंगी। कांग्रेस अपने पापों का प्रायश्चित करेगी, लेकिन कांग्रेस ने इतिहास रचने का, महिलाओं के पक्ष में खड़े होने का, अवसर खो दिया। कांग्रेस खुद देश के अधिकांश हिस्सों में अपना वजूद खो चुकी है। कांग्रेस परजीवी की तरह क्षेत्रीय दलों के पीठ पर सवार होकर खुद को जिंदा रखे हुए है। लेकिन कांग्रेस, ये भी नहीं चाहती कि क्षेत्रीय दलों की ताकत बढ़े, इसलिए कांग्रेस ने इस संशोधन का विरोध करवारकर अनेक क्षेत्रीय दलों के भविष्य को अंधकार में धकेलना का राजनीतिक षड्यंत्र किया है।

साथियों,

कांग्रेस, समाजवादी पार्टी, डीएमके, टीएमसी और दूसरी पार्टियां, इतने वर्षों से हर बार वही बहाने, वही कुतर्क गढ़ते आए हैं, बनाते आए हैं, कोई ना कोई टेक्निकल पेंच फंसाकर, ये महिलाओं के अधिकारों पर डाका डालते रहे हैं। देश राजनीति का यह भद्दा पैटर्न बराबर समझ चुका है, और उसके पीछे की वजह भी जान चुका है।

भाइयों बहनों,

नारी शक्ति वंदन अधिनियम के विरोध की एक बड़ी वजह है, इन परिवारवादी पार्टियों का डर। इन्हें डर है, अगर महिलाएं सशक्त हो गईं, तो इन परिवारवादी पार्टियों का नेतृत्व खतरे में पड़ जाएगा। ये कभी नहीं चाहेंगे कि उनके परिवार के बाहर की महिलाएं आगे बढ़ें। आज पंचायतों में, लोकल बॉडीज में, जिन हजारों लाखों महिलाओं ने अपनी क्षमता को साबित किया है, जब आगे बढ़कर लोकसभा और विधानसभाओं में आना चाहती हैं, देश की सेवा करना चाहती हैं, परिवारवादियों के भीतर उनसे असुरक्षा की भावना बैठी हुई है। परिसीमन के बाद महिलाओं के लिए कहीं ज्यादा सीटें होंगी, महिलाओं का कद बढ़ेगा, इसीलिए, इन लोगों ने नारी शक्ति वंदन संशोधन का विरोध किया है। देश की नारीशक्ति कांग्रेस और उसके सहयोगियों को इस पाप के लिए कभी माफ नहीं करेगी।

मेरे प्रिय देशवासियों,

कांग्रेस और उसके साथी दल, डिलिमिटेशन पर लगातार, लगातार झूठ बोल रहे हैं। ये इस बहाने विभाजन की आग को सुलगाना चाहते हैं। क्योंकि, बांटो और राज करो, काँग्रेस ये पॉलिटिक्स अंग्रेजों से विरासत में सीखकर आई है। और, कांग्रेस आज भी उसी के सहारे चल रही है। कांग्रेस ने हमेशा देश में दरार पैदा करने वाली भावनाओं को हवा दी है। इसलिए, ये झूठ फैलाया गया कि डिलिमिटेशन यानी परिसीमन से कुछ राज्यों को नुकसान होगा! जबकि, सरकार ने पहले दिन से स्पष्ट किया है, कि न किसी

राज्य की भागीदारी का अनुपात बदलेगा, न किसी का representation कम होगा। बल्कि,सभी राज्यों की सीटें समान अनुपात में ही बढ़ेंगी। फिर भी काँग्रेस,DMK,TMC और समाजवादी पार्टी जैसे दल इसे मानने को तैयार नहीं हुए।

साथियों,

ये संशोधन बिल सभी दलों, और सभी राज्यों के लिए एक मौका था, एक अवसर था। ये बिल पास होता तो तमिलनाडु, बंगाल, यूपी, केरलम, हर राज्य की सीटें बढ़तीं। लेकिन अपनी स्वार्थी राजनीति की वजह से इन दलों ने, अपने राज्य के लोगों को भी धोखा दे दिया। जैसे कि, DMK के पास मौका था कि वो और ज्यादा तमिल लोगों को सांसद, विधायक बना सकती थी, तमिलनाडु की आवाज़ और मजबूत कर सकती थी! लेकिन, उसने वो मौका खो दिया। TMC के पास भी बंगाल के लोगों को आगे बढ़ाने का मौका था। लेकिन TMC ने भी ये मौका गवां दिया। समाजवादी पार्टी के पास भी मौका था कि वो महिला विरोधी छवि होने के दाग को कुछ कम कर सके। लेकिन सपा भी इसमें चूक गई। समाजवादी पार्टी लोहिया जी को तो पहले ही भूल चुकी है। सपा ने नारीशक्ति वंदन संशोधन का विरोध करके, लोहिया जी के सारे सपनों को पैरों तले रौंद दिया है। सपा महिला आरक्षण विरोधी है, ये यूपी की और देश की महिलाएं कभी नहीं भूलेंगी।

साथियों,

महिलाओं के आरक्षण का विरोध करके, कांग्रेस ने फिर एक बात सिद्ध कर दी है। कांग्रेस, एक एंटी रिफॉर्म पार्टी है। 21वीं सदी के विकसित भारत के लिए, जो भी निर्णय, जो भी रिफॉर्म्स ज़रूरी हैं, जो भी निर्णय देश ले रहा है, कांग्रेस उन सबका विरोध करती है, उसे खारिज कर देती है, उस काम के अंदर खलल डालती है। यही कांग्रेस का इतिहास है और यही कांग्रेस की नेगेटिव पॉलिटिक्स है।

साथियों,

ये वही कांग्रेस है, जिसने जनधन-आधार-मोबाइल की त्रिशक्ति का विरोध किया। कांग्रेस ने, डिजिटल पेमेंट्स का विरोध किया, कांग्रेस ने, GST का विरोध किया, कांग्रेस ने, सामान्य वर्ग के गरीबों को आरक्षण का विरोध किया, कांग्रेस ने, ट्रिपल तलाक के विरुद्ध कानून का विरोध किया। कांग्रेस ने, आर्टिकल 370 हटाने का विरोध किया। हमारा संविधान, हमारे कोर्ट, जिस यूनिफॉर्म सिविल कोड, समान नागरिक आचार संहिता को, यूसीसी को ज़रूरी बताते हैं, कांग्रेस उसका भी विरोध करती है। Reform का नाम सुनते ही कांग्रेस, विरोध की तख्ती लेकर दौड़ पड़ती है। ऐसा कोई भी काम जिससे देश मजबूत होता है, कांग्रेस उसमें बाधाएं खड़ी करने के लिए पूरी शक्ति लगा देती है। कांग्रेस, वन नेशन वन इलेक्शन का विरोध करती है, कांग्रेस, देश से घुसपैठियों को भगाने का विरोध करती है, कांग्रेस, मतदाता सूची के शुद्धिकरण, SIR का विरोध करती है, कांग्रेस, वक्फ बोर्ड में Reform का विरोध करती है।

साथियों,

कांग्रेस ने, शरणार्थियों को सुरक्षा देने वाले CAA कानून तक का विरोध किया। इस पर झूठ बोलकर-अफवाहें फैलाकर देश में बवंडर खड़ा कर दिया। कांग्रेस, माओवादी-नक्सली हिंसा को समाप्त करने के देश के प्रयासों में भी रुकावटें डालती है। कांग्रेस का एक ही पैटर्न रहा है, कोई भी Reform आए तो झूठ बोलो, भ्रम फैलाओ। इतिहास साक्षी है, कांग्रेस ने हमेशा यही नेगेटिव रास्ता चुना है।

साथियों,

जो भी कार्य देश के लिए जरूरी फैसला होता है, कांग्रेस इसको कार्पेट के नीचे डाल देती है। कांग्रेस के इसी रवैये की वजह से भारत विकास की उस ऊंचाई पर नहीं पहुंच पाया, जिसका भारत हकदार है। आजादी के समय, उस दौर में हमारे साथ और भी कई देश आजाद हुए थे। ज्यादातर देश हमसे बहुत आगे निकल गए, और इसकी वजह थी, कि कांग्रेस हर Reform को रोककर बैठी रही। लटकाना-भटकाना- अटकाना यही कांग्रेस का सिद्धांत रहा है, यही कांग्रेस का वर्क कल्चर रहा है। कांग्रेस ने पड़ोसी देशों के साथ सीमा-विवादों को लटकाया, कांग्रेस ने पाकिस्तान के साथ पानी के बंटवारे से जुड़े विवादों को लटकाया, कांग्रेस ने ओबीसी आरक्षण के निर्णय को 40 साल तक लटकाए रखा। कांग्रेस ने सैनिकों के लिए वन रैंक वन पेंशन को 40 साल तक रोके रखा।

साथियों,

कांग्रेस के इस रवैये ने हमेशा देश का बहुत बड़ा नुकसान किया है। कांग्रेस के हर विरोध, हर अनिर्णय, हर छल-प्रपंच का खामियाजा देश ने भुगता है, देश की पीढ़ियों ने भुगता है। आज देश के सामने जितनी भी बड़ी चुनौतियां हैं, वो कांग्रेस के इसी रवैये से उपजी हुई हैं। इसलिए, ये लड़ाई सिर्फ एक कानून की नहीं है, ये लड़ाई, कांग्रेस की उस एंटी-रिफॉर्म मानसिकता के साथ है, जिसमें सिर्फ नेगेटिविटी है, नकारात्मकता है। और मुझे इसमें कोई संदेह नहीं है, कि देश की सभी बहनें-बेटियां, कांग्रेस की इस मानसकिता को करारा जवाब देकर रहेगी।

साथियों,

कुछ लोग देश की महिलाओं के सपने टूटने को सरकार की नाकामी बता रहे हैं। लेकिन, ये विषय कामयाबी या नाकामयाबी क्रेडिट का था ही नहीं। मैंने संसद में भी कहा था, आधी आबादी को उनका हक मिल जाने दीजिये, मैं इसका क्रेडिट, विज्ञापन छपवाकर विपक्ष के सभी लोगों को दे दूँगा। लेकिन, महिलाओं को दक़ियानूसी सोच से देखने वाले फिर भी अपने झूठ पर अड़े रहे, कायम रहे!

साथियों,

नारीशक्ति को भागीदारी दिलाने की लड़ाई दशकों से चल रही है। वर्षों से मैं भी इसके लिए प्रयास करने वालों में से एक हूं। कितनी ही महिलाएं ये विषय मेरे सामने उठाती रही हैं। कितनी ही बहनों ने पत्र के द्वारा मुझे सारी बातें बताई हैं। मेरे देश की माताएं-बहनें-बेटियां, मैं जानता हूं, आज आप सब दुखी हैं। मैं भी आपके इस दुःख में दुःखी हूँ। आज भले ही, बिल पास कराने के लिए जरूरी 66 परसेंट वोट हमें नहीं मिला हो, लेकिन मैं जानता हूं, देश की 100 परसेंट नारीशक्ति का आशीर्वाद हमारे साथ है। मैं देश की हर नारी को विश्वास दिलाता हूं, हम महिला आरक्षण के रास्ते में आने वाले हर रुकावट को खत्म करके रहेंगे, हटाकर के रहेंगे। हमारा हौसला भी बुलंद है, हमारी हिम्मत भी अटूट है और हमारा इरादा भी अडिग है। महिला आरक्षण का विरोध करने वाली पार्टियां, ये देश की नारी शक्ति को संसद और विधानसभाओं में उनकी भागीदारी बढ़ाने से कभी भी रोक नहीं पाएंगे, सिर्फ वक्त का इंतजार है। नारी शक्ति के सशक्तीकरण का बीजेपी-एनडीए का संकल्प अक्षुण्ण है। कल हमारे पास संख्याबल नहीं था, लेकिन इसका मतलब ये नहीं है कि हम हार गए। हमारा आत्मबल अजेय है। हमारा प्रयास रुकेगा नहीं, हमारा प्रयास थमेगा नहीं। हमारे पास आगे अभी और मौके आएंगे, हमें आधी आबादी के सपनों के लिए, देश के भविष्य के लिए, इस संकल्प को पूरा करना ही है। आप सबका बहुत-बहुत धन्यवाद।