মহামান্য প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম
উভয় দেশের প্রতিনিধিবৃন্দ,
সংবাদমাধ্যমের বন্ধুবৃন্দ,
নমস্কার!
সালাম পাগি!
প্রথমত, আমি আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু,  প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। গত বছর, আমি আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে পারিনি। কিন্তু আমি আমার প্রিয় বন্ধুকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মালয়েশিয়া সফর করব। এবং আজ, ২০২৬ সালের আমার প্রথম বিদেশ ভ্রমণে, আমি মালয়েশিয়ায় এসেছি।
 

বন্ধুগণ,
ভারত এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। আমরা সমুদ্র উপকূলীয় প্রতিবেশী। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে, আমাদের জনগণের মধ্যে গভীর এবং আন্তরিক সম্পর্ক রয়েছে। আজ, মালয়েশিয়া ভারতীয় বংশোদ্ভূত জনসংখ্যার ক্ষেত্রে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। আমাদের উভয় দেশের সভ্যতা দু’দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আদানপ্রদান এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের মাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে জুড়ে আছে।
বন্ধুগণ,
গত কয়েক বছরে আমাদের সম্পর্ক নতুন গতি অর্জন করেছে। এবং আমার বন্ধু, প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন।
শক্তি, পরিকাঠামো এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে। ডিজিটাল অর্থনীতি, জৈবপ্রযুক্তি এবং তথ্যপ্রযুক্তিতে পারস্পরিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে। পর্যটন এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কও গভীর হয়েছে।এই সাফল্যগুলি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে, আজ আমরা আমাদের অংশীদারিত্বে অভূতপূর্ব গতি এবং গভীরতা আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
বন্ধুগণ,
নিরাপত্তার ক্ষেত্রে, আমরা সন্ত্রাসবাদ দমন, গোয়েন্দা তথ্য আদানপ্রদান এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তায় সহযোগিতা জোরদার করব। আমরা প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ করব।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির পাশাপাশি, আমরা সেমিকন্ডাক্টর, স্বাস্থ্য এবং খাদ্য নিরাপত্তায় অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নেব। আজকের সিইও ফোরাম বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য নতুন সুযোগ খুলে দিয়েছে। আমরা কৌশলগত আস্থার মাধ্যমে অর্থনৈতিক রূপান্তরের পথ প্রশস্ত করব।
 

বন্ধুগণ,
গতকাল আমার মালয়েশিয়ার ভারতীয় প্রবাসীদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমও সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। ৩০ লক্ষ প্রবাসীর এই জীবন্ত সেতু আমাদের উভয় দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাঁদের কল্যাণের জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলি আমাদের সম্পর্ককে একটি মানবিক ভিত্তি প্রদান করে।
মালয়েশিয়ায় ভারতীয় কর্মীদের সুরক্ষার জন্য সামাজিক নিরাপত্তা চুক্তি, পর্যটনের জন্য বিনামূল্যে ই-ভিসা এবং মালয়েশিয়ায় ডিজিটাল পেমেন্ট ইন্টারফেস ইউপিআই চালু করা, এই সমস্ত পদক্ষেপ উভয় দেশের নাগরিকদের জীবনকে সহজ করবে। কারণ যেকোনো অংশীদারিত্ব তখনই সফল হয় যখন এর সুবিধাগুলি সরাসরি জনগণের কাছে পৌঁছায়।
বন্ধুগণ,
ভারত এবং মালয়েশিয়া তামিল ভাষার প্রতি একটি যৌথ ভালোবাসার দ্বারা আবদ্ধ। মালয়েশিয়ায় তামিলদের শক্তিশালী এবং প্রাণবন্ত উপস্থিতি শিক্ষা, সংবাদমাধ্যম এবং সাংস্কৃতিক জীবনে দৃশ্যমান। আমি নিশ্চিত যে আজকের অডিও-ভিজ্যুয়াল চুক্তি আমাদের হৃদয়কে চলচ্চিত্র এবং সঙ্গীতের প্রতি, বিশেষ করে তামিল চলচ্চিত্রের প্রতি আরও ঘনিষ্ঠ করবে।
আমরা আমাদের যুবসমাজের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় বিনিময়, স্টার্ট-আপ সংযোগ এবং দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগও প্রসারিত করছি। আমাদের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ককে সমর্থন করার জন্য, আমরা মালয়েশিয়ায় একটি নতুন কনস্যুলেটও খুলছি।
বন্ধুগণ,
ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বিশ্বের প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিন হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। আমরা, আশিয়ান (ASEAN)-এর সঙ্গে, সমগ্র ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে উন্নয়ন, শান্তি এবং স্থিতিশীলতার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভারত আশিয়ান কেন্দ্রিকতাকে অগ্রাধিকার দেয়। আমি আবারও মালয়েশিয়াকে তার সফল আশিয়ান সভাপতিত্বের জন্য অভিনন্দন জানাই।
 

মালয়েশিয়ার মতো বন্ধুপ্রতিম দেশগুলির সহায়তায়, ভারত আশিয়ান-এর সঙ্গে তার সম্পর্ক আরও প্রসারিত করবে। আমরা একমত যে আশিয়ান-ভারত বাণিজ্য চুক্তি, আইটিআইজিএ-এর পর্যালোচনা দ্রুত সম্পন্ন করা উচিত।
বন্ধুগণ,
আজ আমরা আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক বিষয়গুলিতেও অর্থবহ আলোচনা করেছি। বিশ্বব্যাপী অস্থিরতার এই পরিবেশে, ভারত এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে ক্রমবর্ধমান বন্ধুত্ব উভয় দেশের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আমরা এই মতামত বিনিময় করে নিই যে আজকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলির সংস্কার অপরিহার্য। আমরা শান্তির জন্য সকল প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে যাব। এবং সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে আমাদের বার্তা স্পষ্ট:
কোন দ্বিমুখী মান নয়। কোনও আপস নয়।
মহামান্য,
আমরা ভারত-মালয়েশিয়া সম্পর্কের প্রতি আপনার প্রতিশ্রুতির প্রশংসা করি। আসুন আমরা একসঙ্গে আপনার সমৃদ্ধ মালয়েশিয়ার স্বপ্ন এবং উন্নত ভারতের জন্য আমাদের সংকল্প বাস্তবায়ন করি।
আরও একবার, আপনার বন্ধুত্ব, আপনার উষ্ণ অভ্যর্থনা এবং আপনার আতিথেয়তার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমরা আপনাকে ভারতে স্বাগত জানাতে উন্মুখ।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আপনাদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।
আপনাদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ!

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India's banking sector resilient; 11-13% credit growth for January-June likely: Survey

Media Coverage

India's banking sector resilient; 11-13% credit growth for January-June likely: Survey
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
PM to visit Rajasthan on 21st April
April 20, 2026
PM to dedicate India’s first greenfield integrated Refinery-cum-Petrochemical Complex at Pachpadra in Balotra
9 MMTPA Greenfield Refinery-cum-Petrochemical Complex has been established with an investment of over ₹79,450 crore
The state-of-the-art complex integrates refining and petrochemical production
Project to play a pivotal role in strengthening India’s energy security and enhancing petrochemical self-sufficiency

Prime Minister Shri Narendra Modi will visit Rajasthan on 21st April 2026. At around 11:30 AM, Prime Minister will dedicate to the nation India’s first greenfield integrated Refinery-cum-Petrochemical Complex at Pachpadra in Balotra. He will also address a public gathering on the occasion.

This landmark project represents a significant milestone in India’s energy and petrochemical sector. Developed as a joint venture between Hindustan Petroleum Corporation Limited (HPCL) and the Government of Rajasthan, the 9 Million Metric Tonnes Per Annum (MMTPA) Greenfield Refinery-cum-Petrochemical Complex has been established with an investment of over ₹79,450 crore.

The state-of-the-art complex integrates refining and petrochemical production, with a petrochemical capacity of 2.4 MMTPA. The refinery features a high Nelson Complexity Index of 17.0 and petrochemical yields exceeding 26%, aligning with global benchmarks for efficiency and sustainability.

The project is expected to play a pivotal role in strengthening India’s energy security, enhancing petrochemical self-sufficiency, and driving industrial growth. It will serve as an anchor industry for the development of a Petrochemical and Plastic Park in the region, promoting downstream industries and ancillary sectors. Additionally, the refinery is poised to generate significant employment opportunities, contributing to the socio-economic development of the region.