Seva Teerth and Kartavya Bhavan have been built to fulfil the aspirations of the people of India: PM
As we move towards a Viksit Bharat, it is vital that India sheds every trace of colonial mindset: PM
Race Course Road was renamed Lok Kalyan Marg, this was not merely a change of name, it was an effort to transform the mindset of power into a spirit of service: PM
The new Prime Minister's Office has been named Seva Teerth; Seva, or the spirit of service, is the soul of India, it is the identity of India: PM

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ নতুন দিল্লিতে সেবা তীর্থ এবং কর্তব্য ভবন-১ এবং ২-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, আজ সকলেই একটি নতুন ইতিহাস রচনার সাক্ষী হয়েছেন। তিনি বলেন, ২০৮২ সালের বিক্রম সংবৎ, ফাল্গুন কৃষ্ণপক্ষে, বিজয়া একাদশীর শুভ তিথিতে, মাঘ ২৪ তারিখে এবং ১৯৪৭ সালের শক সংবৎ, যা বর্তমান ক্যালেন্ডারে ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, এই দিনটি ভারতের উন্নয়ন যাত্রায় এক নতুন সূচনার সাক্ষী হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন যে, শাস্ত্রে বিজয়া একাদশীর তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই দিনে গৃহীত সংকল্প সর্বদা বিজয়ের দিকে পরিচালিত করে। শ্রী মোদী বলেন যে, আজ, একটি উন্নত ভারতের সংকল্পের সঙ্গে সকলেই সেবা তীর্থ এবং কর্তব্য ভবনে প্রবেশ করছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এই লক্ষ্যে বিজয়ের জন্য ঐশ্বরিক আশীর্বাদ তাদের সঙ্গে রয়েছে। তিনি সেবা তীর্থ এবং নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দল, মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয় এবং বিভিন্ন বিভাগের কর্মচারী সহ সকলকে অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রী এই ভবন নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত সকল প্রকৌশলী এবং কর্মী ও সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

স্বাধীনতার পরে, সাউথ ব্লক এবং নর্থ ব্লকের মতো ভবনগুলি থেকে দেশের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এবং নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল একথা  উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই স্থাপনাগুলি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রতীক হিসেবে নির্মিত হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল ভারতকে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ রাখা।

 

শ্রী মোদী স্মরণ করেন যে, কলকাতা একসময় দেশের রাজধানী ছিল, কিন্তু ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের সময় এটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের এক শক্তিশালী কেন্দ্র হয়ে ওঠে। এরফলে ১৯১১ সালে, ব্রিটিশরা কলকাতা থেকে দিল্লিতে রাজধানী স্থানান্তর করে। তিনি বলেন, পরবর্তীকালে, ঔপনিবেশিক শাসনের চাহিদা এবং মানসিকতার কথা মাথায় রেখে, নর্থ ব্লক এবং সাউথ ব্লকের নির্মাণ শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখন রাইসিনা হিলসের ভবনগুলি উদ্বোধন করা হয়েছিল, তখন তৎকালীন ভাইসরয় বলেছিলেন যে নতুন ভবনগুলি ব্রিটিশ রাজার ইচ্ছা অনুসারে নির্মিত হয়েছিল, অর্থাৎ এগুলি ছিল দাসত্বপ্রাপ্ত ভারতের মাটিতে ব্রিটেনের রাজার চিন্তাভাবনা চাপিয়ে দেওয়ার একটি মাধ্যম। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, রাইসিনা হিলস বেছে নেওয়া হয়েছিল কারণ যাতে এই ভবনগুলি অন্য সকলের উপরে দাঁড়ায়, কাউকে সমান হতে না দেয়। শ্রী মোদী নতুন সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সের সঙ্গে এর তুলনা করেন। তিনি বলেন, এই ভবন কোনও পাহাড়ের উপর নয় বরং মাটির সঙ্গে আরও সংযুক্ত। প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে বলেন যে, আজ, সেবা তীর্থ এবং কর্তব্য ভবন ভারতের জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য নির্মিত হয়েছে। তিনি বলেন যে, এখানে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলি কোনও রাজার চিন্তাভাবনাকে প্রতিফলিত করবে না বরং ১৪০ কোটি নাগরিকের প্রত্যাশাকে এগিয়ে নেওয়ার ভিত্তি হিসাবে কাজ করবে। এই চিন্তাভাবনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ভারতের জনগণের উদ্দেশ্যে সেবা তীর্থ এবং কর্তব্য ভবন উৎসর্গ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একবিংশ শতাব্দীর প্রথম অধ্যায় এখন সম্পূর্ণ হয়ে গেছে, এবং উন্নত ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি কেবল নীতি ও পরিকল্পনাতেই নয়, কর্মক্ষেত্র এবং ভবনেও প্রতিফলিত হওয়া অপরিহার্য। তিনি বলেন, যে স্থান থেকে দেশ পরিচালিত হয় সেগুলি কার্যকর এবং অনুপ্রেরণামূলক, চিত্তাকর্ষক এবং প্রেরণাদায়ক হতে হবে। তিনি বলেন,  দ্রুত নতুন প্রযুক্তির আবির্ভাবের সঙ্গে সঙ্গে পুরনো ভবনগুলি সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ এবং নতুন সরঞ্জাম গ্রহণের জন্য অপর্যাপ্ত প্রমাণিত হচ্ছে। শ্রী মোদী বলেন, সাউথ ব্লক এবং নর্থ ব্লক স্থানের সীমাবদ্ধতা এবং সীমিত সুযোগ-সুবিধার মুখোমুখি হচ্ছে। এই ভবনগুলি একশ বছর বয়সী হওয়ায়, তারা ভেতর থেকে দুর্বল হয়ে পড়ছে, পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকটি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, এই চ্যালেঞ্জগুলি সম্পর্কে দেশকে ক্রমাগত অবহিত করা জরুরি। তিনি বলেন, স্বাধীনতার কয়েক দশক পরেও, ভারত সরকারের অসংখ্য মন্ত্রক দিল্লির ৫০ টিরও বেশি বিভিন্ন স্থান থেকে কাজ করছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, প্রতি বছর, এই মন্ত্রকগুলির ভবনগুলির ভাড়া বাবদ ১,৫০০ কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে, যেখানে ৮,০০০ থেকে ১০,০০০ কর্মচারীর অফিস থেকে অন্য অফিসে যাতায়াতের জন্য দৈনিক সরবরাহ ব্যয় হচ্ছে। তিনি বলেন যে, সেবা তীর্থ এবং কর্তব্য ভবন নির্মাণের ফলে এই ব্যয় হ্রাস পাবে এবং কর্মীদের সময় সাশ্রয় হবে।

 

শ্রী মোদী স্বীকার করেছেন যে, এই পরিবর্তনের মধ্যেও, পুরানো ভবনগুলিতে  বছরের পর বছর ধরে কাটানো নানা স্মৃতি রয়ে যাবে।  সেখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যা দেশকে নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছে এবং সংস্কারের সূচনা করেছে। তিনি বলেন, এই প্রাঙ্গণগুলি ভারতের ইতিহাসের একটি অমর অংশ। প্রধানমন্ত্রী পুরানো ভবনটিকে দেশের জন্য একটি জাদুঘর হিসাবে উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ভবনটি ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার কেন্দ্র হিসাবে কাজ করবে এবং যখন তরুণরা এই ভবন  পরিদর্শন করবে, তখন ঐতিহাসিক ঐতিহ্য তাদের পথ দেখাবে।

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, উন্নত ভারতের যাত্রায়, ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে মুক্ত হয়ে এগিয়ে যাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যবশত, স্বাধীনতার পরেও, ঔপনিবেশিক শাসনের প্রতীক বহন করা অব্যাহত ছিল। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনকে একসময় রেসকোর্স রোড বলা হত, উপরাষ্ট্রপতির কোনও নির্দিষ্ট বাসভবন ছিল না এবং রাষ্ট্রপতি ভবনে যাওয়ার রাস্তাটিকে রাজপথ বলা হত। তিনি বলেন, স্বাধীন ভারতে প্রাণ উৎসর্গকারী সৈনিকদের জন্য কোন স্মৃতিস্তম্ভ ছিল না, অথবা প্রাণ উৎসর্গকারী পুলিশ কর্মীদের জন্য কোন স্মৃতিস্তম্ভ ছিল না। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন যে, একটি স্বাধীন দেশের রাজধানী ঔপনিবেশিক মানসিকতায় গভীরভাবে আবদ্ধ ছিল, দিল্লির ভবন, এবং ঐতিহাসিক স্থানগুলিতে এই জাতীয় প্রতীকে পরিপূর্ণ ছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, সময় কখনও একই থাকে না এবং ২০১৪ সালে দেশ সংকল্প নেয় যে ঔপনিবেশিক মানসিকতা আর চলবে না। তিনি বলেন, এই মানসিকতা পরিবর্তনের জন্য একটি অভিযান শুরু করা হয়েছিল, যার ফলে শহীদদের সম্মানে জাতীয় যুদ্ধ স্মারক এবং পুলিশের সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ পুলিশ স্মারক তৈরি করা হয়। তিনি বলেন,  রেসকোর্স রোডের নামকরণ করা হয়েছিল লোক কল্যাণ মার্গ, যা কেবল নাম পরিবর্তন নয় বরং ক্ষমতার মনোভাবকে সেবার মনোভাবে রূপান্তরিত করার একটি প্রচেষ্টা ছিল।

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, এই সিদ্ধান্তগুলির পিছনে একটি গভীর অনুভূতি এবং দৃষ্টিভঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে, যা ভারতের বর্তমান, অতীত এবং ভবিষ্যৎকে  গর্বের সঙ্গে সংযুক্ত করে। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন যে, একসময় রাজপথ নামে পরিচিত এই স্থানটিতে সাধারণ নাগরিকদের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা এবং ব্যবস্থার অভাব ছিল। এই রাস্তাটিকে কর্তব্য পথ হিসেবে পুনর্নির্মাণ করা হয়। তিনি বলেন, এই চত্বরে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর একটি বিশাল মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। রাজধানী এখন মহান বীরদের সম্মান জানায় এবং নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে। শ্রী মোদী আরও বলেন যে, রাষ্ট্রপতি ভবন কমপ্লেক্সেও পরিবর্তন আনা হয়েছে, মুঘল উদ্যানের নামকরণ করা হয়েছে অমৃত উদ্যান। তিনি বলেন যে, যখন নতুন সংসদ ভবন নির্মিত হয়েছিল, তখন পুরানো ভবনটির কথা ভুলে যাওয়া হয়নি বরং 'সংবিধান সদন' হিসাবে একটি নতুন পরিচয় দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, যখন মন্ত্রকগুলিকে একটি কমপ্লেক্সে একত্রিত করা হয়েছিল, তখন ভবনগুলির নামকরণ করা হয়েছিল 'কর্তব্য ভবন'। তিনি বলেন যে, নামকরণের এই উদ্যোগগুলি কেবল শব্দের পরিবর্তন নয়, বরং একটি সুসংগত আদর্শের সূত্রকে প্রতিফলিত করে - ঔপনিবেশিক ছাপ থেকে মুক্ত নিজস্ব পরিচয় সহ একটি স্বাধীন ভারত।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নামকরণ করা হয়েছে সেবা তীর্থ, যা সেবার চেতনা ভারতের আত্মা এবং এর প্রকৃত পরিচয়। তিনি শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন যে, এই ভবনটি সর্বদা সকলকে মনে করিয়ে দেবে যে শাসন মানে সেবা এবং দায়িত্ব মানে উৎসর্গ। "সেবা পরমো ধর্মঃ", যার অর্থ সেবাই সর্বোচ্চ কর্তব্য, একথা তুলে ধরে শ্রী মোদী বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি। তিনি বলেন যে, সেবা তীর্থ কেবল একটি নাম নয় বরং একটি সংকল্প - নাগরিকদের সেবার অঙ্গীকার পূরণের স্থান। 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত যখন সংস্কার এক্সপ্রেসে চেপে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায় লিখছে, বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে নতুন দরজা খুলেছে এবং দ্রুত সম্পৃক্ততার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন কাজের নতুন গতি এবং সেবা তীর্থ এবং কর্তব্য ভবনের প্রতি নতুন আস্থা জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ভারতীয় সংস্কৃতি শিক্ষা দেয় যে প্রতিটি শুভ কাজের আগে কল্যাণের জন্য একটি সংকল্প থাকা উচিত, যা সর্বদিক থেকে প্রবাহিত মহৎ চিন্তাভাবনা দ্বারা পরিচালিত হয়। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন যে, এটিই ভবনের আত্মা হওয়া উচিত, যেমন ভারতের মহান গণতন্ত্রে, জনগণের চিন্তাভাবনাই আসল শক্তি, তাদের স্বপ্নই আসল মূলধন, তাদের প্রত্যাশাই অগ্রাধিকার এবং তাদের আকাঙ্ক্ষাই পথপ্রদর্শক আলো। তিনি বলেন, এই অনুভূতি এবং ভবনের মধ্যে কোনও প্রাচীর বা দূরত্ব থাকা উচিত নয়, কারণ নীতিগুলি তখনই জীবন্ত হয়ে ওঠে যখন জনগণের স্বপ্ন বোঝা যায় এবং সিদ্ধান্তগুলি তখনই কার্যকর হয় যখন তাদের আকাঙ্ক্ষাগুলি উপলব্ধি করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, গত এগারো বছরে, শাসনব্যবস্থার একটি নতুন মডেল স্থাপিত হয়েছে, যেখানে নাগরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। তিনি বলেন যে "নাগরিক দেবো ভাব" কেবল একটি বাক্যাংশ নয় বরং কর্মসংস্কৃতি। কর্মীদের এই নতুন ভবনগুলিতে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে তা গ্রহণ করতে হবে। শ্রী মোদী বলেন যে, সেবা তীর্থে গৃহীত প্রতিটি সিদ্ধান্ত, প্রতিটি ফাইল স্থানান্তর এবং ব্যয় করা প্রতিটি মুহূর্ত ১৪০ কোটি নাগরিকের জীবন উন্নত করার জন্য নিবেদিত হওয়া উচিত। তিনি প্রত্যেক আধিকারিক কর্মচারী এবং কর্মযোগীকে ভবনে পা রাখার সময় থেমে নিজেকে একথা জিজ্ঞাসা করার আহ্বান জানান যে, সেদিন তাদের কাজ লক্ষ লক্ষ নাগরিকের জীবনকে সহজ করে তুলবে কিনা? 

 

শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, “আমরা কর্তৃত্ব প্রদর্শনের জন্য নয় বরং দায়িত্ব পালনের জন্য এসেছি”। তিনি বলেন যে, এভাবেই ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন এবং অর্থনীতি  নতুন গতি অর্জন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, উন্নত ভারত ২০৪৭ কেবল একটি লক্ষ্য নয় বরং বিশ্বের কাছে ভারতের অঙ্গীকার। এখানে গৃহীত প্রতিটি নীতি এবং সিদ্ধান্ত অবশ্যই সেবার ধারাবাহিক চেতনার দ্বারা অনুপ্রাণিত হতে হবে। তিনি বলেন, একদিন, যখন কর্মকর্তারা অবসর নেবেন বা এই ভবন থেকে সরে যাবেন, তখন তারা পিছনে ফিরে তাকাবেন এবং এখানে তাদের দিনগুলির কথা স্মরণ করবেন, এই জেনে সান্ত্বনা পাবেন যে সেবা তীর্থ এবং কর্তব্য ভবনের প্রতিটি মুহূর্ত নাগরিকদের সেবা করার জন্য নিবেদিত ছিল এবং প্রতিটি সিদ্ধান্ত জাতীয় স্বার্থে নেওয়া হয়েছিল, যা তাদের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন এবং ব্যক্তিগত পুঁজি হবে, তাদের জীবনকে গর্বে ভরিয়ে দেবে।

মহাত্মা গান্ধীর বিশ্বাসকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, যখন যথাযথভাবে কর্তব্য পালন করা হয়, তখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলিও মোকাবেলা করা এবং সমাধান করা যেতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এই কারণেই সংবিধান প্রণেতারা কর্তব্যের উপর জোর দিয়েছেন, স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে কোটি কোটি নাগরিকের স্বপ্ন এই ভিত্তির উপরই প্রতিষ্ঠিত। শ্রী মোদী বলেন যে, কর্তব্য হলো সূচনা। তিনি বলেন যে, কর্তব্য হলো সমতা, কর্তব্য হলো স্নেহ, কর্তব্য হলো সর্বজনীন এবং সর্বব্যাপী, "সবকা সাথ, সবকা বিকাশ" এর চেতনায় বপন করা। তিনি কর্তব্যকে দেশের প্রতি নিবেদনের অনুভূতি, প্রতিটি জীবনকে আলোকিত করে এমন ইচ্ছাশক্তি, আত্মনির্ভর ভারতের আনন্দ, আগামী প্রজন্মের জন্য উজ্জ্বল ভবিষ্যতের গ্যারান্টি, ভারত মাতার শক্তির পতাকাবাহী এবং "নাগরিক দেবো ভাব" এর জাগ্রত পথ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি কর্তব্যের এই সর্বোচ্চ চেতনা নিয়ে সকলকে সেবা তীর্থ এবং নবনির্মিত কমপ্লেক্সে প্রবেশ করার আহ্বান জানান। 

 

ভারত দ্রুত নতুন উচ্চতা এবং নতুন যুগের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, আগামী বছরগুলিতে, দেশের পরিচয় কেবল তার অর্থনীতির দ্বারা নয়, বরং শাসনের মান, নীতির স্পষ্টতা এবং কর্মযোগীদের নিষ্ঠার দ্বারা সংজ্ঞায়িত হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, সেবা তীর্থ এবং কর্তব্য ভবনে গৃহীত প্রতিটি সিদ্ধান্ত কেবল একটি ফাইলের অনুমোদন হবে না বরং উন্নত ভারত ২০৪৭-এর দিকনির্দেশনা তৈরি করবে। তিনি মনে করিয়ে দেন যে ২০৪৭ কেবল একটি তারিখ নয় বরং ১৪০ কোটি স্বপ্নের সময়রেখা, যেখানে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান, প্রতিটি কর্মকর্তা, প্রতিটি কর্মচারী এবং প্রতিটি কর্মযোগী তাৎপর্যপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেবা তীর্থ সংবেদনশীল শাসনের প্রতীক এবং নাগরিক-কেন্দ্রিক প্রশাসনের একটি রোল মডেল হয়ে উঠবে বলে তাঁর আশা। এটি এমন একটি জায়গা হয়ে উঠবে যেখানে ক্ষমতার পরিবর্তে সেবা, পদের পরিবর্তে প্রতিশ্রুতি, কর্তৃত্বের পরিবর্তে দায়িত্ব দৃশ্যমান হবে। তিনি লাল কেল্লা থেকে তাঁর বক্তব্যের কথা স্মরণ করেন। তিনি আবারও সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

 

ভারত দ্রুত নতুন উচ্চতা এবং নতুন যুগের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, আগামী বছরগুলিতে, দেশের পরিচয় কেবল তার অর্থনীতির দ্বারা নয়, বরং শাসনের মান, নীতির স্পষ্টতা এবং কর্মযোগীদের নিষ্ঠার দ্বারা সংজ্ঞায়িত হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, সেবা তীর্থ এবং কর্তব্য ভবনে গৃহীত প্রতিটি সিদ্ধান্ত কেবল একটি ফাইলের অনুমোদন হবে না বরং উন্নত ভারত ২০৪৭-এর দিকনির্দেশনা তৈরি করবে। তিনি মনে করিয়ে দেন যে ২০৪৭ কেবল একটি তারিখ নয় বরং ১৪০ কোটি স্বপ্নের সময়রেখা, যেখানে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান, প্রতিটি কর্মকর্তা, প্রতিটি কর্মচারী এবং প্রতিটি কর্মযোগী তাৎপর্যপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেবা তীর্থ সংবেদনশীল শাসনের প্রতীক এবং নাগরিক-কেন্দ্রিক প্রশাসনের একটি রোল মডেল হয়ে উঠবে বলে তাঁর আশা। এটি এমন একটি জায়গা হয়ে উঠবে যেখানে ক্ষমতার পরিবর্তে সেবা, পদের পরিবর্তে প্রতিশ্রুতি, কর্তৃত্বের পরিবর্তে দায়িত্ব দৃশ্যমান হবে। তিনি লাল কেল্লা থেকে তাঁর বক্তব্যের কথা স্মরণ করেন। তিনি আবারও সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং ভারত সরকারের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
From welfare to opportunity: How DPI 2.0 and AI will unlock India’s productivity

Media Coverage

From welfare to opportunity: How DPI 2.0 and AI will unlock India’s productivity
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
State Visit of Prime Minister to Seychelles
June 28, 2026

As part of Prime Minister Shri Narendra Modi’s State Visit to Seychelles from 27-29 June 2026, Prime Minister and the President of Seychelles, H.E. Dr. Patrick Herminie today held official talks at the State House in Victoria, Mahe.

The talks covered the full spectrum of bilateral relations, with the leaders agreeing to further strengthen cooperation in health, education, capacity building, digital transformation, sustainable development, social infrastructure, renewable energy, maritime security and defence. They also exchanged views on regional and global developments, including challenges in the Indian Ocean region, such as illegal fishing, drug trafficking and piracy. Both leaders expressed satisfaction at the progress made in the implementation of projects and initiatives under the Special Economic Package announced by India. Prime Minister reaffirmed India’s commitment to supporting the development priorities of Seychelles and to further deepen the close and enduring partnership between the two countries.

Following the official talks, both leaders released a joint commemorative logo marking 50 years of the establishment of diplomatic relations between the two countries. Several MoUs/agreements in the fields of Capacity Building, UPI, Health, Agriculture, Shipping, Space, Extradition and Line of Credit were exchanged thereafter. The amount of the Line of Credit stands at INR 1250 crores. The full list of MoUs/agreements may be seen here [link]. In addition, several announcements in the fields of food security, infrastructure, health, vocational training, maritime security and defence were made in support of the development needs of Seychelles. The details of these announcements may be seen here [link]. Seychelles also announced that it is joining the Coalition for Disaster Resilient Infrastructure [CDRI].

Later in the day, Prime Minister addressed an Extraordinary Sitting of the National Assembly of Seychelles, becoming the first Indian Prime Minister to do so. In his address, he highlighted the historical bonds of friendship between India and Seychelles and underscored the shared values of democracy, rule of law and people-centric governance that guide the two countries. He noted that mutual trust and close cooperation have shaped a robust partnership spanning development cooperation, maritime security, technology, innovation, health and capacity building. Prime Minister also called for enhanced parliamentary exchanges between the two democracies. The full address of Prime Minister may be seen here [link]

The Leader of Opposition of Seychelles, H.E. Mr. Bernard Georges, also called on Prime Minister. The two leaders discussed India-Seychelles bilateral ties and conveyed their strong support to further build the special friendship between the two countries.