It is India’s privilege and a matter of pride that the WHO Global Centre for Traditional Medicine has been established in Jamnagar: PM
Yoga has guided humanity across the world towards a life of health, balance, and harmony: PM
Through India’s initiative and the support of over 175 nations, the UN proclaimed 21 June as International Yoga Day; over the years, yoga has spread worldwide, touching lives across the globe: PM
The inauguration of the WHO South-East Asia Regional Office in Delhi marks another milestone. This global hub will advance research, strengthen regulation & foster capacity building: PM
Ayurveda teaches that balance is the very essence of health, only when the body sustains this equilibrium can one be considered truly healthy: PM
Restoring balance is no longer just a global cause-it is a global urgency, demanding accelerated action and resolute commitment: PM
The growing ease of resources and facilities without physical exertion is giving rise to unexpected challenges for human health: PM
Traditional healthcare must look beyond immediate needs, it is our collective responsibility to prepare for the future as well: PM

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ নতুনদিল্লির ভারত মণ্ডপমে ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা বিষয়ক  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও)দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক শীরষ সম্মেলনের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ বলেন গত তিন দিন ধরে, বিশ্বজুড়ে ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা গুরুত্ব সহকারে এবং অর্থপূর্ণ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছেন। ভারত এই উদ্দেশ্যে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে বলে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী এই প্রক্রিয়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সক্রিয় ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। তিনি শীর্ষ সম্মেলনের সফল আয়োজনের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আয়ুষ মন্ত্রক এবং উপস্থিত সকল অংশগ্রহণকারীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন “এটা ভারতের সৌভাগ্য এবং গর্বের বিষয় যে ডব্লিউএইচও গ্লোবাল সেন্টার ফর ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন জামনগরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে” । তিনি বলেন যে, ২০২২ সালে, প্রথম ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন শীর্ষ সম্মেলনের সময়, বিশ্ব ভারতকে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এই দায়িত্ব অর্পণ করেছিল। শ্রী মোদী বলেন যে, এটি সকলের জন্য আনন্দের বিষয় যে এই কেন্দ্রের খ্যাতি এবং প্রভাব বিশ্বব্যাপী প্রসারিত হচ্ছে। তিনি বলেন শীর্ষ সম্মেলনটি ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান এবং আধুনিক অনুশীলনের সঙ্গম প্রত্যক্ষ করছে এবং এখানে বেশ কয়েকটি নতুন উদ্যোগ চালু করা হয়েছে যা চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ভবিষ্যতকে রূপান্তরিত করতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, শীর্ষ সম্মেলনটি বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং প্রতিনিধিদের মধ্যে আলাপ আলোচনাকে সহজ করেছে। যৌথ গবেষণা প্রচার, নিয়মকানুন সরলীকরণ এবং প্রশিক্ষণ ও জ্ঞান বন্টনের বিষয়টি এগিয়ে নেওয়ার জন্য নতুন পথ খুলে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, এই ধরনের সহযোগিতা ভবিষ্যতে ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাকে আরও নিরাপদ এবং আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

 

শীর্ষ সম্মেলনে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐক্যমত্যের কথা তুলে ধরে শ্রী মোদী বলেন যে, গবেষণা জোরদার করা, ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করা এবং বিশ্বব্যাপী বিশ্বাসযোগ্য নিয়ন্ত্রক কাঠামো তৈরি করা ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাকে ব্যাপকভাবে শক্তিশালী করবে। তিনি বলেন, এক্সপোতে ডিজিটাল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি, এআই-ভিত্তিক সরঞ্জাম, গবেষণা উদ্ভাবন এবং আধুনিক সুস্থতা পরিকাঠামো প্রদর্শিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, যখন ঐতিহ্য এবং প্রযুক্তি একত্রিত হয়, তখন বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যকে আরও কার্যকর করার ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। আন্তর্জাতিক  দৃষ্টিকোণ থেকে এই শীর্ষ সম্মেলনের সাফল্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যোগ ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা ব্যবস্থার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং সমগ্র বিশ্বকে স্বাস্থ্য, ভারসাম্য এবং সম্প্রীতির পথ দেখিয়েছে”। তিনি বলেন, ভারতের প্রচেষ্টা এবং ১৭৫ টিরও বেশি দেশের সমর্থনের মাধ্যমে,  রাষ্ট্রসংঘ ২১ জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। শ্রী মোদী বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে যোগব্যায়াম বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছেছে। যোগব্যায়ামের প্রচার ও উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা প্রত্যেক ব্যক্তির তিনি প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আজ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে প্রধানমন্ত্রীর পুরষ্কারে ভূষিত করা হয়েছে। এই পুরষ্কারপ্রাপ্তরা যোগব্যায়ামের প্রতি নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা এবং আজীবন প্রতিশ্রুতির প্রতীক এবং তাদের জীবন সকলের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে। প্রধানমন্ত্রী সম্মানিত পুরষ্কারপ্রাপ্তদের আন্তরিক অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা জানান ও তাদের কাজের প্রশংসা করেন।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি আনন্দের সঙ্গে লক্ষ্য করেছেন যে এই শীর্ষ সম্মেলনের ফলাফলকে স্থায়ী করার জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা গ্লোবাল লাইব্রেরির সূচনাকে একটিআন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তুলে ধরেন। এটি ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক তথ্য এবং নীতিগত নথিগুলিকে এক জায়গায় সংরক্ষণ করবে। শ্রী মোদী বলেন যে, এই উদ্যোগের ফলে প্রতিটি দেশে সমানভাবে কার্যকর তথ্য পৌঁছানো সহজ হবে। তিনি স্মরণ করেন যে, এই লাইব্রেরির ঘোষণা ভারতের জি-২০ সভাপতিত্বের সময় প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গ্লোবাল শীর্ষ সম্মেলনে করা হয়েছিল এবং আজ সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়েছে।

বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা বিশ্বব্যাপী অংশীদারিত্বের এক চমৎকার উদাহরণ উপস্থাপন করেছেন বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অংশীদার হিসেবে মান, নিরাপত্তা এবং বিনিয়োগের মতো বিষয়গুলিতে আলোচনা হয়েছে। এই আলোচনা দিল্লি ঘোষণার পথ প্রশস্ত করেছে, যা আগামী বছরগুলির জন্য একটি পথদিশা হিসেবে কাজ করবে। শ্রী মোদী বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট মন্ত্রীদের যৌথ প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং তাদের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। 

 

শ্রী মোদী বলেন যে, আজ দিল্লিতে, ডব্লিউএইচও-এর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয়েরও উদ্বোধন করা হয়েছে। এটিকে ভারতের পক্ষ থেকে একটি বিনম্র উপহার হিসেবে বর্ণনা করে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে এই কার্যালয় গবেষণা, নিয়ন্ত্রণ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য একটি বিশ্বব্যাপী কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।

ভারত বিশ্বজুড়ে নিরাময়ের অংশীদারিত্বের উপর জোর দিয়ে, প্রধানমন্ত্রী মোদী দুটি গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতার উল্লেখ করেন।  প্রথমটি হল দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে নিয়ে বিমসটেক দেশগুলির জন্য একটি সেন্টার অফ এক্সিলেন্স প্রতিষ্ঠা করা, এবং দ্বিতীয়টি হল বিজ্ঞান, ঐতিহ্যবাহী অনুশীলন এবং স্বাস্থ্যকে একীভূত করার লক্ষ্যে জাপানের সঙ্গে একটি সহযোগিতা। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই শীর্ষ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য, 'ভারসাম্য পুনরুদ্ধার : স্বাস্থ্য ও সুস্থতার বিজ্ঞান ও অনুশীলন', সামগ্রিক স্বাস্থ্যের মূল চিন্তাভাবনাকে প্রতিফলিত করে। তিনি বলেন যে, আয়ুর্বেদ স্বাস্থ্যের  সঙ্গে ভারসাম্যকে সমান করে এবং যাদের শরীর এই ভারসাম্য বজায় রাখে কেবল তারাই প্রকৃত সুস্থ।  তিনি বলেন, বর্তমানে ডায়াবেটিস, হার্ট অ্যাটাক এবং হতাশা থেকে শুরু করে ক্যান্সার পর্যন্ত রোগগুলির ক্ষেত্রে প্রায়শই জীবনযাত্রা এবং ভারসাম্যহীনতা অন্তর্নিহিত কারণ হিসাবে কাজ করে। এর  মধ্যে রয়েছে কর্মজীবনের ভারসাম্যহীনতা, খাদ্যের ভারসাম্যহীনতা, ঘুমের ভারসাম্যহীনতা, অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম ভারসাম্যহীনতা, ক্যালোরি ভারসাম্যহীনতা এবং মানসিক ভারসাম্যহীনতা। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এই ভারসাম্যহীনতা থেকে অনেক বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ দেখা দিচ্ছে।  প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, 'ভারসাম্য পুনরুদ্ধার' কেবল একটি বিশ্বব্যাপী কারণ নয় বরং একটি বিশ্বব্যাপী জরুরি প্রয়োজন এবং তিনি এটি মোকাবেলার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

 

একবিংশ শতাব্দীতে জীবনে ভারসাম্য বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ আরও বড় হয়ে উঠবে বলে উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং রোবোটিক্সের মাধ্যমে একটি নতুন প্রযুক্তিগত যুগের সূচনা মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রূপান্তরের প্রতিনিধিত্ব করে। আগামী বছরগুলিতে জীবনযাত্রার ধরণ অভূতপূর্বভাবে পরিবর্তিত হবে। এই ধরনের আকস্মিক জীবনযাত্রার পরিবর্তন, শারীরিক শ্রম ছাড়াই সম্পদ এবং সুযোগ-সুবিধার সুবিধার সঙ্গে মিলিত হয়ে মানবদেহের জন্য অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, ঐতিহ্যবাহী স্বাস্থ্যসেবা কেবল বর্তমান চাহিদার উপরই মনোনিবেশ করবে না, ভবিষ্যতের দায়িত্বও পূরণ করবে এবং এটি সকলের জন্য এক যৌথ দায়িত্ব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখন ঐতিহ্যবাহী ঔষধ নিয়ে আলোচনা করা হয়, তখন সুরক্ষা এবং প্রমাণ সম্পর্কে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন ওঠে। তিনি উল্লেখ করেন যে ভারত ধারাবাহিকভাবে এই দিকে কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন যে এই শীর্ষ সম্মেলনে অশ্বগন্ধার উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, শতাব্দীর পর শতাব্দী  ধরে ভারতের ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা ব্যবস্থায় অশ্বগন্ধা ব্যবহার করা হচ্ছে। শ্রী মোদী বলেন কোভিড-১৯ এর সময়, এর বিশ্বব্যাপী চাহিদা তীব্রভাবে বৃদ্ধি পায় এবং এটি অনেক দেশে ব্যবহার শুরু হয়। তিনি বলেন যে, ভারত তার গবেষণা এবং প্রমাণ-ভিত্তিক বৈধতার মাধ্যমে অশ্বগন্ধাকে একটি বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে এগিয়ে নিচ্ছে। তিনি বলেন যে, এই শীর্ষ সম্মেলনে, অশ্বগন্ধা সম্পর্কে একটি বিশেষ বিশ্বব্যাপী আলোচনার আয়োজন করা হয়েছিল। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা এর সুরক্ষা, গুণমান এবং ব্যবহার নিয়ে গভীরভাবে আলোচনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত এই ধরনের সময়-পরীক্ষিত ভেষজকে বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্যের অংশ করে তুলতে সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

 

শ্রী মোদী বলেন, একসময় একটা ধারণা ছিল যে ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা কেবল সুস্থতা বা জীবনযাত্রার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু আজ এই ধারণা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। সনাতন চিকিৎসা সংকটজনক পরিস্থিতিতেও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে এবং ভারত এই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে চলেছে। তিনি আনন্দ প্রকাশ করেন যে, আয়ুষ মন্ত্রক এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা কেন্দ্র একটি নতুন উদ্যোগ চালু করেছে। তিনি বলেন, ভারতে সমন্বিত ক্যান্সার পরিষেবা জোরদার করার জন্য উভয়ই যৌথ প্রচেষ্টা চালিয়েছে, যার অধীনে ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা ব্যবস্থা আধুনিক ক্যান্সার চিকিৎসার সাথে সংযুক্ত করা হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এই উদ্যোগ প্রমাণ-ভিত্তিক নির্দেশিকা তৈরিতেও সাহায্য করবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন ভারতের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান রক্তাল্পতা, আর্থ্রাইটিস এবং ডায়াবেটিসের মতো গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে ক্লিনিক্যাল গবেষণা পরিচালনা করছে। তিনি বলেন যে, ভারতে অনেক স্টার্ট-আপও এই ক্ষেত্রে প্রবেশ করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এই সমস্ত প্রচেষ্টার মাধ্যমে, ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা দৃশ্যত নতুন উচ্চতায় পৌঁছে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি বলেন যে, বিশ্ব জনসংখ্যার একটি বৃহৎ অংশ দীর্ঘদিন ধরে এর উপর নির্ভরশীল। ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা তার বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও প্রকৃতভাবে প্রাপ্য স্থান পায়নি। তিনি বলেন যে, বিজ্ঞানের মাধ্যমে আস্থা অর্জন করতে হবে এবং এর পরিধি আরও প্রসারিত করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এই দায়িত্ব কোনও একজনের নয় বরং সকলের যৌথ কর্তব্য। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই শীর্ষ সম্মেলনে গত তিন দিনের অংশগ্রহণ, আলোচনা এবং প্রতিশ্রুতি এই বিশ্বাসকে আরও গভীর করেছে যে বিশ্ব এই দিকে একযোগে এগিয়ে যেতে প্রস্তুত। তিনি সকলকে বিশ্বাস, শ্রদ্ধা এবং দায়িত্বের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সংকল্পবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং আবারও শীর্ষ সম্মেলনের সাফল্যের জন্য সকলকে অভিনন্দন জানান।

ডব্লিউএইচও-এর মহাপরিচালক ডঃ টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসুস, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী জেপি নাড্ডা, শ্রী প্রতাপরাও যাদব, অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশিষ্টজনের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

 

পটভূমি – 

ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা সংক্রান্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক শীর্ষ সম্মেলন বিশ্বব্যাপী, বিজ্ঞান-ভিত্তিক এবং জন-কেন্দ্রিক ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা বিষয়ক এজেন্ডা গঠনে ভারতের ক্রমবর্ধমান নেতৃত্ব এবং অগ্রণী উদ্যোগের উপর জোর দেয়।

 

প্রধানমন্ত্রী গবেষণা, মানসম্মতকরণ এবং বিশ্বব্যাপী সহযোগিতার মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী ঔষধ এবং ভারতীয় জ্ঞান ব্যবস্থাকে মূলধারায় আনার উপর ক্রমাগত জোর দিয়েছেন। 

প্রধানমন্ত্রী যোগব্যায়াম প্রশিক্ষণের উপর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কারিগরি প্রতিবেদন এবং "ফ্রম রুটস টু গ্লোবাল রিচ: ১১ ইয়ার্স অফ ট্রান্সফরমেশন ইন আয়ুশ" বইটি প্রকাশ করেন। তিনি অশ্বগন্ধার উপর একটি স্মারক ডাকটিকিটও প্রকাশ করেন, যা ভারতের ঐতিহ্যবাহী ঔষধি ঐতিহ্যের বিশ্বব্যাপী অনুরণনের প্রতীক।

প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতে নতুন ডব্লিওএইচও-দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক অফিস কমপ্লেক্সের উদ্বোধনও করেন। এখানে ডব্লিওএইচও ইন্ডিয়া কান্ট্রি অফিসও থাকবে, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে ভারতের অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

যোগব্যায়ামের প্রচার ও উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য ২০২১-২০২৫ সাল পর্যন্তপ্রধানমন্ত্রী পুরষ্কার প্রাপকদের  শ্রী মোদী  অভিনন্দন জানান। 

প্রধানমন্ত্রী ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন ডিসকভারি স্পেসও পরিদর্শন করেন। এই প্রদর্শনীতে ভারত এবং বিশ্বজুড়ে ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন জ্ঞান ব্যবস্থার বৈচিত্র্য, গভীরতা এবং সমসাময়িক প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরা হয়েছে।

 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Safran’s Hyderabad engine MRO starts operations, targets 300 LEAP engines annually

Media Coverage

Safran’s Hyderabad engine MRO starts operations, targets 300 LEAP engines annually
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Text of PM’s speech at the launch of ‘Nasha Mukt Yuva for Viksit Bharat Sankalp Abhiyan’ via VC
August 02, 2026


नमस्‍कार!

आज हम सभी देशवासी एक महान और महत्वपूर्ण संकल्प के लिए एकजुट हुए हैं। इस संकल्प को लेकर, इसक कार्यक्रम से जुड़े सभी पूज्य संतजन, अलग-अलग राज्यों का प्रतिनिधित्व कर रहे सभी राज्यपाल, सभी मुख्यमंत्री, अन्‍य सभी जनप्रतिनिधिगण, 28 हजार से अधिक स्थानों से जुड़े एक करोड़ से युवा साथी, मैं आज इस शुभ घड़ी पर, शुभ संकल्प के लिए करोड़ों-करोड़ों नौजवानों का विशेष रूप से अभिनंदन करता हूं। आज हम सभी जिस अभियान के साक्षी बन रहे हैं, वह अभियान व्यक्ति के लिए हैं, परिवार के लिए हैं, समाज के लिए भी है और सबसे बड़ी बात है, यह राष्‍ट्र के लिए है।

साथियों,

विकसित भारत संकल्प अभियान के लिए ‘नशा मुक्त युवा’ इस मूवमेंट का नाम ही इसके संकल्प को स्पष्ट करता है, क्योंकि आज जब देश ने विकसित भारत का लक्ष्य तय किया है, तो इसके लिए आवश्यक है, देश का युवा तन से स्वस्थ हो, मन से स्वस्थ हो, आत्‍मविश्‍वास से भरपूर हो और ड्रग्स जैसी घातक आदत से हमेशा-हमेशा दूर ही रहे, दूर हो। यही इस अभियान का उद्देश्य है। इसलिए हम सबको यह संकल्प लेना है, हमारे युवा नशे और ड्रग्स के खतरों को समझे, हर तरह से जागरूक रहे और उससे दूर रहें और इस संकल्प में अब ‘राष्‍ट्रीय नशा मुक्त युवा’ अभियान की बड़ी भूमिका है।

साथियों,

काशी का सांसद होने के नाते मुझे खुशी है कि यह अभियान का पायलट प्रोजेक्ट के तौर पर पिछले साल काशी की पवित्र धरती से शुरू हुआ था। इसलिए वैज्ञानिक स्‍पष्‍टता के साथ-साथ इसमें आध्यात्मिक ऊर्जा भी है, संतों के आशीर्वाद भी हैं और महान सांस्कृतिक विरासत भी हैं। इसमें वह सांस्कृतिक समर्पण भी है, जिसने सदियों से नशे को खारिज किया है। यही वजह है, देश के 125 से अधिक आध्यात्मिक संगठन करोड़ों-करोड़ों देशवासियों के हित के लिए आज हमारे साथ जुड़ चुके हैं। सामाजिक संगठनों ने, NGOs ने इस दिशा में संकल्प लिया है। सबने मिलकर ‘काशी डिक्लेरेशन’ के जरिए रोडमैप तैयार किया है और आज हम देख रहे हैं, काशी से उठा वो कल्याणकारी विचार अब यह एक नेशनल प्रोजेक्ट्स बन गया है। आज से देशभर में ‘नशा मुक्त युवा’ अभियान आरंभ हो रहा है।

साथियों,

कुछ काम ऐसे होते हैं, जो व्यक्तिगत रूप से कोई प्रयास करे, तो कभी-कभी निराश हो जाता है, थकान महसूस करता है, लंबी दूरी चलने में मन तैयार नहीं होता है, लेकिन जब सामूहिक अभियान बन जाता है, कंधे से कंधा मिलाकर करोड़ों लोग चल पड़ते हैं, तो ऐसे सभी जो व्यक्तिगत रूप से अपने आप कुछ नहीं कर पाते हैं, उनको भी एक नई ऊर्जा मिल जाती है। सामूहिकता की एक ताकत होती है और आज उस ताकत को लेकर के यह अभियान हर युवा मन को छूने वाला है। थोड़ी देर पहले देश के लाखों युवाओं ने नशा मुक्ति की शपथ ली है। आपने अपने जीवन को नशे से दूर रखने का संकल्प लिया है। आपने अपने स्कूल, अपने कॉलेज और अपने समाज में नशा मुक्ति का संदेश पहुंचाने का संकल्प लिया है।

साथियों,

आज लिया गया यह संकल्प आने वाले 100 सप्ताह तक लगातार ऐसे ही आगे बढ़ेगा। हर रविवार, कला, संस्‍कृति, स्पोर्ट्स, मेडिटेशन, आध्यात्म और सेवा से जुड़ी गतिविधियां होंगी। नशा मुक्ति का संदेश नए लोगों तक पहुंचेगा। आने वाले 100 रविवार नशा मुक्त भारत की दिशा में 100 मजबूत कदम होंगे, हंड्रेड मजबूत स्‍टेप्‍स।

साथियों,

आज हजारों स्कूलों, कॉलेजों और यूनिवर्सिटीज़ के लाखों विद्यार्थी इस कार्यक्रम से ऑनलाइन जुड़े हैं। माई भारत के वॉलंटियर्स भी लाखों की तादाद में आज इससे जुड़े हैं। मेरे एनएसएस के नौजवान भी आज हमारे साथ शामिल हैं। देश के अलग-अलग क्षेत्रों से, अलग-अलग संस्‍थानों से, अलग-अलग बैकग्राउंड के एक करोड़ से अधिक युवा आज एक साथ हैं। मेरा आप सभी से आग्रह है, आप सब इस बड़े मोवमेंट के लीडर हैं। आपने मेरे इस विश्वास को और मजबूत किया है कि भारत का युवा कितना जागरूक है, कितना समझदार है और अपने कर्तव्यों के प्रति कितना गंभीर है। मैं आप सभी को इस अभियान के लिए अनेक-अनेक शुभकामनाएं देता हूं।

मेरे युवा साथियों,

आप भारत की अमृत पीढ़ी हैं। आप अगले 20-25 वर्षों में अपने जीवन को भी दिशा देंगे और आप ही 2047 में देश को विकसित भारत की मंजिल तक लेकर जाएंगे और उसको शिखर पर आप ही बैठे होंगे, उसका सारा रसपान करने का अवसर आप ही को मिलने वाला है। देश को आपकी ऊर्जा, आपकी कल्पनाशक्ति और आपके टैलेंट की जरूरत है। इसलिए, देश के लिए और अपने जीवन के लिए, खुद को नशा मुक्त रखना बहुत जरूरी है। नशा फोकस को भटकाता है, और धीरे-धीरे युवा को उसके अपने सपनों से दूर ले जाता है। अभी जिन नौजवानों ने नाट्य मंचन किया, बहुत कम समय में, बहुत अच्छे तरीके से नाट्य मंचन में उन्होंने समस्या भी बताई, समस्या के कारण पैदा हुए संकट भी बताए और बाहर निकलने के सामूहिक प्रयत्न का रास्ता भी दिखाया। नाट्य मंचन छोटा था, लेकिन जैसा उन्होंने कहा, आओ हम नाटक देखें! यह नाटक नहीं था, यह हम लोगों के लिए एक बहुत बड़ा संदेश था। हमें जगा रहा था, हमें जूझने के लिए प्रेरित कर रहा था।

साथियों,

आजकल हम देखते हैं, आज के युवा स्‍टार्टअप्‍स की दुनिया में छाए हैं, AI को लीड कर रहे हैं, Sports में तिरंगा लहरा रहे हैं, स्‍पेस से लेकर Science तक नए कीर्तिमान बना रहे हैं। लेकिन साथियों, जब कोई युवा, अगर ड्रग्स के एडिक्‍शन में फंस जाए, तो केवल एक युवा नहीं हारता, एक सपना हार जाता है, एक सपने की बाल मृत्यु हो जाती है, एक परिवार हार जाता है, पूरा का पूरा परिवार टूट जाता है, समाज से भी नफरत का शिकार बन जाता है। नशा केवल शरीर को नुकसान नहीं पहुंचाता, नशा एक माँ की मुस्कान छीन लेता है। नशा एक पिता के सपनों को चूर-चूर कर देता है। एक बहन की राखी की उम्मीद को कमजोर कर देता है। एक छोटे भाई का आदर्श छीन लेता है। घर के बुजुर्ग हर दिन इस दर्द को जीते हैं कि उनका अपना बच्चा धीरे-धीरे खुद को खो रहा है, खुद को गला रहा है, तिल-तिल गल रहा है, आंखों के सामने उसे बर्बाद होते देख रहे हैं और जब परिवार में, समाज में ऐसा होता है और कहीं न कहीं, राष्ट्र की शक्ति भी कमजोर पड़ जाती है और इसलिए दुश्मन देश भी षड्यंत्र करके हमारे देश के युवाओं को इस नशे की लत में खींचने के लिए कोई कोशिश बाकी नहीं रखते हैं। ड्रग्स सप्लाई कर-करके कमाई करना और हमारे जैसे देश को तबाह करना, यह भी उनकी आतंकी साजिश का हिस्सा होता है और इसलिए हमें हर एक युवा को नशे के चंगुल में फंसने से बचाना है।

साथियों,

नशा मुक्त रहकर आपको अपने पोटेंशियल को प्रोटेक्ट करना है! आपको ध्यान रखना है, ड्रग्स कुछ समय के लिए 'High' देता है। लेकिन आपके करियर और फैमिली लाइफ को 'Low' कर देता है। हमें नशे को किसी भी तरह की स्वीकार्यता नहीं देनी है।

साथियों,

हमारे समाज में भी हमेशा नशे को एक बुराई के रूप में देखा है। हमारे संतों ने, गुरुओं ने हमें इससे बचने के लिए चेताया। श्री गुरु ग्रंथ साहिब में भी कहा गया है- "जितु पीतै मति दूरि होइ बरलु पवै विचि आइ। आपणा पराइआ न पछाणई खसमहु धके खाइ॥'' अर्थात, जिस पदार्थ के सेवन से बुद्धि और विवेक साथ छोड़ दें, इंसान अपने और पराए की पहचान भूल जाए, ऐसा नशा उसे पतन की ओर ले जाता है।

साथियों,

हमारी संस्कृति में बचाव के लिए चेतावनी भी दी गईं है और नशे की आदत लगने पर उससे निकलने के रास्ते भी बताए गए हैं। समाज का सहयोग, योग और ध्यान की ताकत, यह नशे के खिलाफ हमारे अंतर्मन को ताकत देते हैं। और आज तो हमारे पास नशा छोड़ने के लिए rehabilitation center जैसी सुविधाएं भी हैं। इसलिए, अगर कोई युवा गलती से नशे में फंस भी गया है, तो इसका ये मतलब बिल्कुल नहीं है कि उसके सारे रास्ते बंद हो गए हैं। हमें हमेशा इस बात का ध्यान रखना है, घर का कोई बच्चा अगर नशे का शिकार बन गया है, तो इसे सामाजिक प्रतिष्ठा की आड़ में छिपाएं नहीं। जिसकी जरूरत हो, उसका सहयोग मांगे, मन खोलकर के उससे बात करें, जो एक्सपर्ट्स हैं, उनका सहयोग लें। मेडिकल हेल्प से अपने बच्चे को नशे से मुक्त कराने का प्रयास करें। हमें परिवार में बच्चों से खुलकर संवाद की संस्कृति भी बनानी चाहिए, ताकि ऐसे भंवर में फंसने से पहले ही आप उसका हाथ थाम सके। आपको भनक आ जाएगी, थोड़ा ध्यान रखिए पता चलेगा, उसमें बदलाव आ रहा है, वो खोया-खोया लग रहा है, वो मुँह छुपा रहा है, कमरे में बंद हो जा रहा है, देर रात आ रहा है, पैसे अनाब-शनाब मांग रहा है, यह सारी चीजों से पता चल जाता है, भनक आ जाती है, कुछ मामला गड़बड़ है।

साथियों,

एक आवाहन मैं कॉलेज और यूनिवर्सिटीज़ के हमारे प्रोफेसर्स साथियों से भी करना चाहता हूँ, आप भी कोर्स की पढ़ाई के साथ-साथ स्टूडेंट्स के साथ ड्रग्स के खतरों पर बात करें। नशे के खिलाफ अपने कैम्पस में एक मूवमेंट चलाएं। आपके प्रयास बड़े-बड़े परिणाम ला सकते हैं। और साथियों, हमें एक और बात ध्यान रखनी है, जो युवा नशे से लड़कर बाहर निकलते हैं, वह कमजोर नहीं होते, जो नशे को परास्‍त करके निकला है न, वह असली योद्धा होता है, समाज को उनका सम्मान करना चाहिए, अपनापन देना चाहिए, उसे दूसरा अवसर देना चाहिए क्योंकि ड्रग्स से जुड़ा किसी का अतीत उसकी पहचान नहीं हो सकता, उसका साहस उसकी पहचान होता है।

साथियों,

ड्रग्स के खिलाफ अभियान में आज सरकार भी मजबूती से युवाओं के साथ खड़ी है। देश में नशे के कारोबारियों और तस्करों पर सख्ती के साथ कार्रवाई हो रही है। पहले की तुलना में कई गुना ज्यादा गिरफ्तारियां हुई हैं। हजारों करोड़ रुपए की ड्रग्स भी जब्त की गई है। यह दिखाता है कि, ड्रग्स के खिलाफ हमारी सरकार कितनी सख्त है। मुझे विश्वास है, केन्‍द्र सरकार, राज्य सरकार, हर कोई इसे मिशन मोड में करेंगे। मुझे विश्वास है, हमारे देश का युवा नशे से मुक्त रहकर अपनी युवा ऊर्जा को न केवल संरक्षित करेगा, बल्कि विकसित भारत के संकल्पों को भी आगे बढ़ाएगा। और जब मैं आज अनेक महान संतों को मेरे सामने देख रहा हूं, दूर से मैं मन से उनको प्रणाम करता हूं। मैं इन सभी सामाजिक संस्‍थाएं, आध्यात्मिक संस्‍थाएं, आध्यात्मिक गुरुजन, आपका देश के कोने-कोने में संगठन है, आपके युवा साथी डिवोटीज हैं। आने वाले 100 दिन में हर एक संगठन, एक सप्ताह अपने जिम्मे ले सकता है, पूरा सप्ताह पूरे देश में वह संगठन नेतृत्व करे, बाकी सब शक्तियां उसके साथ जुड़े और रविवार को बहुत बड़ा कार्यक्रम करें। दूसरे सप्ताह, दूसरा संगठन, दूसरी शक्ति, सप्ताह भर प्रयोग करें, कार्यक्रम करे और रविवार को बड़ा कार्यक्रम करे। अगर 100 सप्ताह हमारे देश के ऐसे आध्यात्मिक, सामाजिक संगठन, युवा संगठन एक-एक सप्ताह अपने जिम्मे ले लें और बाकी सारी शक्तियां वह जुड़े और रविवार सब मिलकर के करें, आप कल्पना कर सकते हैं, देश में कितना बड़ा आंदोलन खड़ा हो जाएगा। मैं एक बार फिर आप सबने समय निकाला, इस पवित्र कार्य में हम सबको आशीर्वाद दिए, इसके लिए संतों का, आचार्यो का, संगठन के महारथियों का हृदय से आभार व्यक्त करता हूं। मैं इन एक करोड़ से ज्यादा जुटे नौजवानों का विशेष रूप से अभिनंदन करता हूं, आपने यह बहुत बड़ा काम किया है। मैं माई भारत के वॉलंटियर्स की बधाई करता हूं, वो जो भी ठान लेते हैं, आजकल करके दिखाते हैं। अभी पिछले दिनों मुझे माई भारत के वॉलंटियर्स को मिलने का मौका मिला, वह हिन्‍दुस्‍तान के सीमावर्ती गांवों में जाकर के एक-एक सप्ताह रूक करके आए हैं। जिसे कभी देश का आखिरी गांव कहा जाता है, जाता था जिसको आज हम देश का पहला गांव कहते हैं, वहां जाकर के आए। उनके अनुभव बड़े प्रेरक थे और आज इतना बड़ा कार्यक्रम माई भारत के वॉलंटियर्स कर पाते हैं, यह अपने आप में उनकी राष्‍ट्र के प्रति जागरूक समर्पित भावना का प्रतीक है, मैं उनकी बधाई देता हूं, उनका भी अभिनंदन करता हूं। और मुझे पूरा विश्वास है कि आप सबके सामूहिक प्रयत्नों से यह हमारी मोवमेंट घर-घर पहुंचेगी, हर युवा के दिन में पहुंचेगी और यह ड्रग्स के कारोबारियों के लिए बहुत बड़ा खौफ भी बन जाएगी। आइए, हम सब मिलकर के आगे चलें, मेरी आप सबको बहुत-बहुत शुभकामनाएं!

बहुत-बहुत धन्यवाद!