আজ আমার কাছে পিএম কিষাণ-এর ১৯তম কিস্তি প্রকাশ করার সৌভাগ্য হয়েছে। আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট যে এই প্রকল্পটি সারা দেশের ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য খুবই কার্যকর প্রমাণিত হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
মাখনা বিকাশ বোর্ড গঠনের আমাদের পদক্ষেপ বিহারের চাষাবাদে নিযুক্ত কৃষকদের জন্য অত্যন্ত উপকারী হতে চলেছে, এটি মাখনার উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মূল্য সংযোজন এবং বিপণনে অনেক সাহায্য করবে: প্রধানমন্ত্রী
যদি এনডিএ সরকার না থাকত, তাহলে বিহার সহ সারা দেশের কৃষকরা পিএম কিষাণ সম্মান নিধি পেতেন না, গত ৬ বছরে, এর প্রতিটি পয়সা সরাসরি আমাদের অন্নদাতাদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছেছে: প্রধানমন্ত্রী
সেটি সুপারফুড মাখনা হোক বা ভাগলপুরের রেশম, আমাদের লক্ষ্য বিহারের এই বিশেষ পণ্যগুলিকে বিশ্বজুড়ে বাজারে নিয়ে যাওয়া: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী ধন-ধন্য যোজনা কেবল কৃষিক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকা অঞ্চলে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি করবে না বরং আমাদের কৃষকদের ক্ষমতায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী
আজ, বিহারের ভূমি ১০,০০০তম এফপিও গঠনের সাক্ষী হয়েছে, এই উপলক্ষে, সমস্ত সদস্যদের অনেক অভিনন্দন। দেশজুড়ে কৃষক উৎপাদক সমিতি!: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ বিহারের ভাগলপুরে পিএম কিষাণের ১৯তম কিস্তির অর্থ প্রদান করেছেন, সূচনা করেছেন একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক প্রকল্পের। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহাকুম্ভের এই সময়ে মন্দরাচলের ভূমিতে আসতে পেরে তিনি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছেন। এই অঞ্চলে আধ্যাত্মিকতা, ঐতিহ্য এবং বিকশিত ভারতের অপরিসীম সম্ভাবনা রয়েছে। এখানেই শহীদ তিলকা মাঝি জন্মগ্রহণ করেছিলেন, এটি সিল্ক শহর হিসেবেও বিখ্যাত। বাবা অজগাইবিনাথের পবিত্র এই ভূমিতে এখন মহাশিবরাত্রির প্রস্তুতি চলছে। এমন একসময়ে পিএম কিষাণ-এর ১৯তম কিস্তির অর্থ প্রদান করতে পেরে তিনি আনন্দিত। সরাসরি সুবিধা হস্তান্তর পদ্ধতিতে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হচ্ছে বলে তিনি জানান। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিহারের প্রায় ৭৫ লক্ষ কৃষক পরিবার পিএম কিষাণ প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করেন। আজ তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ১,৬০০ কোটি টাকা জমা পড়ছে। বিহার সহ দেশের প্রতিটি কৃষক পরিবারকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। 

লালকেল্লায় তাঁর দেওয়া ভাষণের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিকশিত ভারতের চারটি মূল স্তম্ভ হল দরিদ্র, কৃষক, যুবসমাজ এবং মহিলা। কেন্দ্র অথবা রাজ্য – যে কোন সরকারের কাছেই কৃষক কল্যাণ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের এক ক্ষেত্র। গত এক দশকে কৃষকদের প্রতিটি সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে তাঁরা পূর্ণ উদ্যমে কাজ করেছেন। কৃষকদের ভালো বীজ, সুলভে পর্যাপ্ত সার, জল সেচের সুবিধা দরকার। পালিত পশুদের রোগ থেকে রক্ষা এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময়ে হওয়া ক্ষতির হাত থেকে তাদের বাঁচানো প্রয়োজন। আগে এই বিষয়গুলি নিয়ে কৃষকরা চিন্তিত থাকতেন। কিন্তু তাঁর সরকার পরিস্থিতি পাল্টে দিয়েছে। আগে কৃষকদের ইউরিয়া পাওয়ার জন্য মাথা খুঁড়তে হতো, কালোবাজারে ইউরিয়া কিনতে হতো। কিন্তু আজ তাঁরা পর্যাপ্ত সারের যোগান পান। অতিমারীর সময়ও কৃষকদের সারের অভাব যাতে না হয় সরকার তার ব্যবস্থা করেছিল। তাঁর সরকার না এলে বারাউনি সার কারখানা এখনও বন্ধ পড়ে থাকতো। ভারতীয় কৃষকরা আজ ৩০০ টাকারও কমে সারের বস্তা কিনতে পান। কিন্তু, বহু দেশে সারের বস্তার দাম ৩ হাজার টাকা বলে প্রধানমন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, তাঁর সরকার কৃষক কল্যাণে অঙ্গীকারবদ্ধ। তাই ইউরিয়া এবং ডিএপি-র যে খরচ কৃষকদের বহন করতে হতো, তা কেন্দ্রীয় সরকার বহন করে। গত ১০ বছরে কেন্দ্রীয় সরকার এই বাবদ প্রায় ১২ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করেছে। 

 

প্রধানমন্ত্রী জানান, কিষাণ সম্মান নিধি প্রকল্পে গত ৬ বছরে সরকার প্রায় ৩.৭ লক্ষ কোটি টাকা কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পৌঁছে দিয়েছে। যে সব ক্ষুদ্র কৃষকরা আগে সরকারি প্রকল্পের পূর্ণ সুবিধা পেতেন না, তাঁরা আজ তাঁদের প্রাপ্য পাচ্ছেন। যেসব মধ্যসত্ত্বভোগী আগে ছোট কৃষকদের শোষণ করতো, তাঁর এবং শ্রী নীতীশ কুমারের শাসনে আজ তা বন্ধ হয়েছে। তাঁর সরকার যে পরিমাণ টাকা কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে, তা পূর্বতন সরকারগুলি কৃষি বাজেটকেও ছাপিয়ে গেছে বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন। 

শ্রী মোদী বলেন, আগের সরকারগুলির আমলে কৃষকদের সমস্যাকে কোন গুরুত্ব দেওয়া হতো না। বন্যা, খরা, শিলাবৃষ্টি সহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময়ে কৃষকদের ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দেওয়া হতো। তাঁর সরকার ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর পিএম ফসল বীমা যোজনা চালু হয়েছে। এর আওতায় প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় কৃষকরা ১.৭৫ লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ পেয়েছে। 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার ভূমিহীন ও ক্ষুদ্র কৃষকদের আয় বাড়াতে পশুপালনে উৎসাহ দিচ্ছে। এর মাধ্যমে গ্রামগুলিতে প্রায় ১.২৫ লক্ষ লাখপতি দিদি তৈরি হয়েছে। বিহারে রয়েছেন হাজার হাজার জীবিকা দিদি। ভারতের দুগ্ধ উৎপাদন গত এক দশকে ১৪ কোটি টন থেকে বেড়ে ২৪ কোটি টনে পৌঁছেছে। ভারত এখন দুগ্ধ উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম স্থান অধিকার করে। এক্ষেত্রে বিহারের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। বিহারের দুগ্ধ সমবায় সমিতিগুলি প্রতিদিন ৩০ লক্ষ লিটার দুধ কেনে। এর ফলে বিহারের পশুপালক এবং মা-বোনেদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বার্ষিক ৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ জমা পড়ে। 

শ্রী রাজীব রঞ্জনের নেতৃত্বে বিহারে ডেয়ারি ক্ষেত্রের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিহারের দুটি প্রকল্প বর্তমানে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। মতিহারির উৎকর্ষ কেন্দ্র থেকে উন্নত প্রজাতির দেশীয় পশুর জন্ম হচ্ছে। বারাউনির দুগ্ধ কারখানা থেকে ওই অঞ্চলে ৩ লক্ষ কৃষক উপকৃত হচ্ছেন। যুবসমাজের সামনে কর্মসংস্থানের পথ খুলে যাচ্ছে। 

পূর্বতন সরকারগুলি মৎস্যজীবী ও মাঝিদের উন্নয়নে কিছুই করেনি বলে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকারই প্রথম মৎস্যজীবীদের কিষাণ ক্রেডিট কার্ড দিয়েছে। এই সব উদ্যোগের জন্য বিহার মৎস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। ১০ বছর আগে বিহার দেশের প্রথম ১০টি মৎস্য উৎপাদক রাজ্যের মধ্যে ছিল, আজ তা প্রথম পাঁচে উঠে এসেছে। ভাগলপুর গঙ্গার ডলফিনের জন্যও বিখ্যাত। এটি নমামী গঙ্গে প্রচারাভিযানের সুফল। 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকারের উদ্যোগের ফলে ভারত কৃষি রপ্তানির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। কৃষকরা এখন তাঁদের ফসলের বেশি দাম পাচ্ছেন। আগে যে সব কৃষিপণ্য কখনও রপ্তানি করা হয়নি, সেগুলি বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছোচ্ছে। এবার বিহারের মাখানাকে আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়ে যাওয়া হবে। ভারতের শহরগুলিতে ইতিমধ্যেই প্রাতঃরাশের অঙ্গ হিসেবে মাখানা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। একে সুপারফুডের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এই বছরের বাজেটে মাখানার উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মূল্য সংযোজন এবং বিপণনে কৃষকদের সাহায্য করার জন্য মাখানা পর্ষদ গড়ে তোলার ঘোষণা করা হয়েছে। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিহার এখন পূর্ব ভারতের অন্যতম প্রধান খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে। বিহারে খাদ্য প্রযুক্তি এবং উদ্যোগ সংক্রান্ত জাতীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ঘোষণা করেন তিনি। এছাড়া কৃষি সংক্রান্ত তিনটি উৎকর্ষ কেন্দ্রও রাজ্যে স্থাপন করা হবে। এর মধ্যে একটি হবে ভাগলপুরে, সেখানে জর্দালু প্রজাতির আম নিয়ে কাজ হবে। অন্য দুটি গড়ে উঠবে মুঙ্গের ও বক্সারে। সেগুলি টমেটো, পেঁয়াজ এবং আলু চাষীদের সাহায্য করবে।  

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত বর্তমানে বস্ত্র ক্ষেত্রেও অন্যতম প্রধান রপ্তানিকারক হয়ে উঠেছে। বস্ত্র ক্ষেত্রের উন্নয়নে একগুচ্ছ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভাগলপুরের রেশম ও তসর সারা ভারতে প্রসিদ্ধ। এখানকার তসরের চাহিদা অন্যান্য দেশেও বেড়ে চলেছে। রেশম ক্ষেত্রে পরিকাঠামো উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকার বিশেষ জোর দিচ্ছে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সব উদ্যোগ ভাগলপুরের তাঁতিদের কাছে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেবে, তাঁদের পণ্য সারা বিশ্বে পৌঁছে যাবে। 

বিহারের পরিবহণ সমস্যা দূর করতে সরকার বিভিন্ন নদীর ওপর অজস্র সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান। গঙ্গার ওপর দিয়ে ১,১০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে চার লেনের একটি সেতু গড়ে তোলা হচ্ছে। 

 

বন্যার কারণে বিহারকে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সমস্যা দূর করতে সরকার কয়েক হাজার কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এই বছরের বাজেটে পশ্চিম কোশি খাল ইআরএম প্রকল্পে অর্থ সাহায্যের সংস্থান রাখা হয়েছে। এর ফলে, মিথিলা অঞ্চলে ৫০ হাজার হেক্টর জমি জলসেচের আওতায় আসবে, উপকৃত হবেন লক্ষ লক্ষ কৃষক। 

কৃষকদের উপার্জন বাড়াতে তাঁর সরকার একাধিক স্তরে উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষি পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, ডাল ও তৈলবীজ উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জন, আরও বেশি খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প স্থাপন এবং ভারতীয় কৃষকদের পণ্য বিশ্ব বাজারে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে নানা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই বছরের বাজেটে পিএম ধনধান্য যোজনার ঘোষণা করা হয়েছে। এর আওতায় শস্য উৎপাদনের দিক থেকে সব থেকে পিছিয়ে পড়া ১০০টি জেলাকে চিহ্নিত করে উৎপাদনশীলতা বাড়াবার বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সারা দেশে ১০ হাজারটি কৃষক উৎপাদক সংস্থা এফপিও প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছিল। সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে। ১০,০০০তম এফপিও-টি বিহারের খাগারিয়া জেলায় স্থাপিত হয়েছে। এগুলি নিছক সংস্থা নয়, কৃষকদের উপার্জন বৃদ্ধির এক অভূতপূর্ব শক্তি। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র কৃষকরা বাজারের সরাসরি নাগাল পাবেন। বর্তমানে দেশের প্রায় ৩০ লক্ষ কৃষক এফপিও-গুলির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এর প্রায় ৪০ শতাংশই মহিলা। এই এফপিও-গুলি কৃষি ক্ষেত্রে হাজার হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করছে। এফপিও সদস্যদের শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। 

 

বিহারের শিল্পোন্নয়নের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিহার সরকার ভাগলপুরে একটি বড় মাপের বিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়তে চলেছে। এতে কয়লার যোগানের যাতে কোন সমস্যা না হয়, কেন্দ্রীয় সরকার তা সুনিশ্চিত করছে। এখানকার উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিহারের উন্নয়নে গতি আনবে এবং বিহারের যুবসমাজের কাছে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশাপ্রকাশ করেন। 

শ্রী মোদী বলেন, বিহার পূর্ব ভারতের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ, ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক। বিকশিত ভারতের উত্থান শুরু হবে পূর্বোদয় থেকে। প্রাচীন ভারতে বিহার যে মর্যাদায় আসীন ছিল উন্নত ভারতে সেই আসন আবার ফিরে আসবে। তাঁর সরকার বিহারে আধুনিক সংযোগ স্থাপন, সড়ক নেটওয়ার্কের বৃদ্ধি এবং জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের প্রসারে অঙ্গীকারবদ্ধ। মুঙ্গের থেকে ভাগলপুর হয়ে মির্জা চৌকি পর্যন্ত ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে একটি নতুন মহাসড়ক গড়ে তোলার ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া ভাগলপুর থেকে অংশদিওয়া পর্যন্ত রাস্তা চওড়া করার কাজ শীঘ্রই শুরু হবে। বিক্রমশিলা থেকে কাটারির মধ্যে একটি রেল সেতু ও নতুন রেললাইন পাতা হবে বলে তিনি জানান। 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাগলপুর সংস্কৃতি এবং ইতিহাসের দিক থেকে অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। প্রাচীনকালে বিক্রমশিলা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বজ্ঞানের কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। সরকার নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ শুরু করেছে। নালন্দার পরে বিক্রমশিলাতেও একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হবে বলে তিনি জানান। 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রয়াগরাজে ভারতের আস্থা, ঐক্য ও সমন্বয়ের সর্ববৃহৎ উৎসব মহাকুম্ভ চলছে। যে সংখ্যক মানুষ মহাকুম্ভে এসেছেন তার সংখ্যা ইউরোপের সমগ্র জনসংখ্যার থেকেও বেশি। বিহারের বহু গ্রাম থেকেও ভক্তরা মহাকুম্ভে যোগ দিতে গেছেন। কিছু মানুষ যাঁরা রামমন্দির নির্মাণের বিরোধিতা করেছিলেন, তাঁরা আজ মহাকুম্ভেরও সমালোচনা করছেন। মহাকুম্ভকে যাঁরা অপমান করছেন, বিহার তাঁদের কোন দিনই ক্ষমা করবে না। বিহারের উন্নয়নে তাঁর সরকার নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাবে। 

 

বিহারের রাজ্যপাল শ্রী আরিফ মহম্মদ খান, মুখ্যমন্ত্রী শ্রী নীতীশ কুমার, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী শিবরাজ সিং চৌহান, শ্রী জিতেনরাম মাঝি, শ্রী গিরিরাজ সিং, শ্রী লালন সিং, শ্রী চিরাগ পাসওয়ান, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শ্রী রামনাথ ঠাকুর প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

 

 

 

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Millennials Rejected Them, Gen Z Too…’: PM Modi Dismisses Rahul Gandhi’s ‘Vote Chori’ Claims

Media Coverage

Millennials Rejected Them, Gen Z Too…’: PM Modi Dismisses Rahul Gandhi’s ‘Vote Chori’ Claims
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Text of PM’s address during launch of development works, nationwide campaign for HPV vaccination from Ajmer
February 28, 2026
Our government is committed to all-round development: PM
Today, I had the privilege of launching the nationwide HPV vaccination campaign from Ajmer, inaugurating and laying foundation stones for multiple projects and distributing appointment letters to the youth: PM
The HPV vaccination campaign has commenced from Ajmer, this campaign is a significant step towards empowering the Nari Shakti of the country: PM
The double-engine government is moving forward by taking both Rajasthan’s heritage and development together: PM
The campaign to link rivers started by our government will significantly benefit Rajasthan: PM
There is no shortage of sunlight in Rajasthan, this very sunshine is becoming a source of savings and income for the common man: PM
A very significant role is being played by the PM Surya Ghar Free Electricity Scheme, this scheme has the power to change Rajasthan's destiny: PM

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

तीर्थराज पुष्कर और माता सावित्री की इस पावन भूमि पर, आज मुझे आप सबके बीच आने का, आपके आशीर्वाद प्राप्त करने का अवसर मिला है। इस मंच से मैं सुरसुरा के तेजाजी धाम को, पृथ्वीराज की भूमि अजमेर को प्रणाम करता हूं।

मेरे साथ बोलिए –

तीर्थराज पुष्कर की जय।

तीर्थराज पुष्कर की जय।

वीर तेजाजी महाराज की जय।

वीर तेजाजी महाराज की जय।

भगवान देव नारायण की जय।

भगवान देव नारायण की जय।

वरूण अवतार भगवान झूलेलाल जी की जय।

भगवान झूलेलाल जी की जय।

मंच पर विराजमान राजस्थान के राज्यपाल हरिभाउ बागडे जी, राज्य के लोकप्रिय मुख्यमंत्री श्री भजनलाल शर्मा जी, पूर्व मुख्यमंत्री बहन वसुंधरा जी, केंद्रीय मंत्रिमंडल में मेरे साथी भगीरथ चौधरी जी, उपमुख्यमंत्री प्रेमचंद भैरवा जी, दिया कुमारी जी, संसद में मेरे साथी, भाजपा के प्रदेश अध्यक्ष मदन राठौर जी, उपस्थित अन्य मंत्रिगण, अन्य महानुभाव और राजस्थान के मेरे प्यारे भाई और बहनों। मैं पूज्य संतों का बहुत आभारी हूं, कि हमें आशीर्वाद देने के लिए इतनी बड़ी संख्या में पूज्य संतगण यहां मौजूद हैं।

साथियों,

अजमेर आस्था और शौर्य की धरती है। यहां तीर्थ भी है और क्रांतिवीरों के पदचिन्ह भी हैं। अभी कल ही मैं इजराइल की यात्रा को पूरा करके भारत लौटा हूं। राजस्थान के सपूत मेजर दलपत सिंह के शौर्य को इजराइल के लोग आज भी गौरव से याद करते हैं। मुझे भी इजराइल की संसद में, मेजर दलपत सिंह जी के शौर्य को नमन करने का सौभाग्य मिला। राजस्थान के वीर बाकुरों की, इजराइल के हाइफा शहर को आजाद कराने में जो भूमिका थी, मुझे उसका गौरवगान करने का अवसर मिला है।

साथियों,

कुछ समय पहले ही, राजस्थान में भाजपा की डबल इंजर सरकार को दो साल पूरे हुए हैं, मुझे संतोष है कि आज राजस्थान विकास के नए पथ पर अग्रसर है। विकास के जिन वायदों के साथ भाजपा सरकार आपकी सेवा में आई थी, उन्हें तेजी के साथ पूरा कर रही है। और आज का दिन, विकास के इसी अभियान को तेज करने का दिवस है। थोड़ी देर पहले यहां राजस्थान के विकास से जुड़ी करबी 17 हजार करोड़ रूपयों की परियोजनाओं का शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। सड़क, बिजली, पानी, स्वास्थ्य, शिक्षा, हर क्षेत्र में नई शक्ति जुड़ रही है। ये सारे प्रोजेक्टस राजस्थान की जनता की सुविधा बढ़ाएंगे और राजस्थान के युवाओं के लिए, रोजगार के भी अवसर पैदा करेंगे।

साथियों,

भाजपा की डबल इंजर सरकार लगातार युवा शक्ति को सशक्त कर रही है। दो साल पहले तक राजस्थान से भर्तियों में भ्रष्टाचार और पेपर लीक की ही खबरें चमकती रहती थीं, आती रहती थीं। अब राजस्थान में पेपर लीक पर लगाम लगी है, दोषियों पर सख्त कार्रवाई हो रही है। आज यहां इसी मंच से राजस्थान के 21 हजार से अधिक युवाओं को नियुक्ति पत्र भी सौंपे गए हैं। ये बहुत बड़ा बदलाव आया है। मैं इस बदलाव के लिए, नई नौकरियों के लिए, विकास के सभी कामों के लिए, राजस्थान के आप सभी लोगों को बहुत-बहुत बधाई देता हूं।

साथियों,

आज वीरांगनाओं की इस धरती से, मुझे देशभर की बेटियों के लिए एक अहम अभियान शुरू करने का अवसर मिला है। यहां अजमेर से HPV वैक्सीनेशन अभियान शुरू हुआ है। ये अभियान, देश की नारीशक्ति को सशक्त करने की दिशा में अहम कदम है।

साथियों,

हम सब जानते हैं कि परिवार में जब मां बीमार होती है, तो घर बिखर सा जाता है। अगर मां स्वस्थ है, तो परिवार हर संकट का सामना करने में सक्षम रहता है। इसी भाव से, भाजपा सरकार ने महिलाओं को संबल देने वाली अनेक योजनाएं चलाई हैं।

साथियों,

हमने 2014 से पहले का वो दौर देखा है, जिसमें शौचालय के अभाव में बहनों-बेटियों को कितनी पीड़ा, कितना अपमान झेलना पड़ता था। बच्चियां स्कूल छोड़ देती थीं, क्योंकि वहां अलग टॉयलेट की सुविधा नहीं होती थी। गरीब बेटियां सेनिटरी पैड्स नहीं ले पाती थीं। पहले जो सत्ता में रहे, उनके लिए ये छोटी बातें थीं। इसलिए इन समस्याओं की चर्चा तक नहीं होती थी। लेकिन हमारे लिए ये बहनों-बेटियों को बीमार करने वाला, उनके अपमान से जुड़ा संवेदनशील मसला था। इसलिए, हमने इनका मिशन मोड पर समाधान किया।

साथियों,

गर्भावस्था के दौरान कुपोषण माताओं के जीवन के लिए बहुत बड़ा खतरा होता था। हमने सुरक्षित मातृत्व के लिए योजना चलाई, मां को पोषक आहार मिले, इसके लिए पांच हज़ार रुपए बहनों के खाते में जमा करने की योजना शुरु की। मां धुएं में खांसती रहती थी, लेकिन उफ्फ तक नहीं करती थी। हमने कहा ये नहीं चलेगा। और इसलिए उज्जवला गैस योजना बनाई गई। ये सब इसलिए संभव हुआ, क्योंकि भाजपा सरकार, सत्ता भाव से नहीं, संवेदनशीलता के साथ काम करती है।

साथियों,

21वीं सदी का एक चौथाई हिस्सा बीत चुका है। आज का समय राजस्थान के विकास के लिए बड़ा महत्वपूर्ण है। भाजपा की डबल इंजन सरकार, राजस्थान की विरासत और विकास, दोनों को साथ लेकर चल रही है। हम सब जानते हैं, अच्छी सड़क, अच्छी रेल और हवाई सुविधा सिर्फ सफर आसान नहीं करती, वो पूरे इलाके की किस्मत बदल देती है। जब गांव-गांव तक अच्छी सड़क पहुँचती है, तो किसान अपनी फसल सही दाम पर बेच पाता है। व्यापारी आसानी से अपना सामान बाहर भेज पाते हैं। और हमारा अजमेर-पुष्कर तो, उसकी पर्यटन की ताकत कौन नहीं जानता। अच्छी कनेक्टिविटी का पर्यटन पर सबसे अच्छा असर पड़ता है। जब सफर आसान होता है, तो ज्यादा लोग घूमने आते हैं।

और साथियों,

जब पर्यटक आते हैं तो स्वाभाविक है होटल चलते हैं, ढाबे चलते हैं, कचौड़ी और दाल बाटी ज्यादा बिकती है, यहां राजस्थान के कारीगरों का बनाया सामान बिकता है, टैक्सी चलती है, गाइड को काम मिलता है। यानी एक पर्यटक कई परिवारों की रोज़ी-रोटी बन जाता है। इसी सोच के साथ हमारी सरकार, राजस्थान में आधुनिक कनेक्टिविटी पर बहुत बल दे रही है।

साथियों,

जैसे-जैसे राजस्थान में कनेक्टिविटी का विस्तार हो रहा है, वैसे-वैसे यहां निवेश के लिए भी अवसर लगातार बढ़ते जा रहे हैं। दिल्ली-मुंबई इंडस्ट्रियल कॉरिडोर के इर्द-गिर्द उद्योगों के लिए एक बहुत ही शानदार इंफ्रास्ट्रक्चर बनाया जा रहा है। यानी राजस्थान को अवसरों की भूमि बनाने के लिए, डबल इंजन सरकार हर संभव, अनेक विध काम कर रही है।

साथियों,

राजस्थान की माताएं अपने बच्चों को पालने में ही, राष्ट्र भक्ति का संस्कार देती हैं। राजस्थान की ये धरा जानती है कि देश का सम्मान क्या होता है, और इसीलिए आज राजस्थान की इस धरा पर, मैं आप लोगों से एक और बात कहने आया हूं।

साथियों,

हाल में ही, दिल्ली में, दुनिया का सबसे बड़ा AI सम्मेलन हुआ, Artificial Intelligence इसमें दुनिया के अनेक देशों के प्रधानमंत्री, अनेक देशों के राष्ट्रपति, अनेक देशों के मंत्रि, उस कार्यक्रम में आए थे। दुनिया की बड़ी-बड़ी कंपनियां, उन कंपनियों के कर्ता-धर्ता वो भी एक छत के नीचे इकट्ठे हुए थे। सबने भारत की खुले मन से प्रशंसा की। मैं जरा राजस्थान के मेरे भाई-बहनों से पूछना चाहता हूं। जब दुनिया के इतने सारे लोग, भारत की प्रशंसा करते हैं, ये सुनकर के आपको गर्व होता है की नहीं होता है? आपको गर्व होता है कि नहीं होता है? आपको अभिमान होता है कि नहीं होता है? आपका माथा ऊंचा हुआ या नहीं हुआ? आपका सीना चौड़ा हुआ कि नहीं हुआ?

साथियों,

आपको गर्व हुआ, लेकिन हताशा निराशा में डूबी, लगातार पराजय के कारण थक चुकी कांग्रेस ने क्या किया, ये आपने देखा है। दुनियाभर के मेहमानों के सामने, कांग्रेस ने देश को बदनाम करने की कोशिश की। इन्होंने विदेशी मेहमानों के सामने देश को बेइज्जत करने के लिए पूरा ड्रामा किया।

साथियों,

कांग्रेस, पूरे देश में ल्रगातार हार रही है, और गुस्से में वो इसका बदला, वो भारत को बदनाम करके ले रही है। कभी कांग्रेस, INC यानी इंडियन नेशनल कांग्रेस थी, लेकिन अब INC नहीं बची है, इंडियन नेशनल कांग्रेस नहीं बची है, आज वो INC के बजाय MMC, MMC बन गई है। MMC यानी मुस्लिम लीगी माओवादी कांग्रेस हो चुकी है।

राजस्थान के मेरे वीरों,

इतिहास गवाह है, मुस्लिम लीग भारत से नफरत करती थी, और इसलिए मुस्लिम लीग ने देश बांट दिया। आज कांग्रेस भी वही कर रही है। माओवादी भी, भारत की समृद्धि, हमारे संविधान और हमारे सफल लोकतंत्र से नफरत करते हैं, ये घात लगाकर हमला करते हैं, कांग्रेस भी घात लगाकर, देश को बदनाम करने के लिए कहीं भी घुस जाती है। कांग्रेस के ऐसे कुकर्मों को देश कभी माफ नहीं करेगा।

साथियों,

देश को बदनाम करना, देश की सेनाओं को कमजोर करना, ये कांग्रेस की पुरानी आदत रही है। आप याद कीजिए, यही कांग्रेस है, जिसने हमारी सेना के जवानों को हथियारों और वर्दी तक के लिए तरसा कर रखा था। ये वही कांग्रेस है, जिसने सालों तक हमारे सैनिक परिवारों को वन रैंक वन पेंशन से वंचित रखा था। ये वही कांग्रेस है, जिसके जमाने में विदेशों से होने वाले रक्षा सौदों में बड़े-बड़े घोटाले होते थे।

साथियों,

बीते 11 वर्षों में भारत की सेना ने हर मोर्चे पर आतंकियों पर, देश के दुश्मनों पर करारा प्रहार किया। हमारी सेना, हर मिशन, हर मोर्चे में विजयी रही। सर्जिकल स्ट्राइक से लेकर ऑपरेशन सिंदूर तक, वीरता का लोहा मनवाया, लेकिन कांग्रेस के नेताओं ने इसमें भी दुश्मनों के झूठ को ही आगे बढ़ाया। देश के लिए जो भी शुभ है, जो भी अच्छा है, जो भी देशवासियों का भला करने वाला है, कांग्रेस उस सबका विरोध करती है। इसलिए, देश आज कांग्रेस को सबक सिखा रहा है।

साथियों,

राजस्थान में तो आपने कांग्रेस के कुशासन को करीब से अनुभव किया है। यहां जितने दिन कांग्रेस की सरकार रही, वो भ्रष्टाचार करने और आपसी लड़ाई-झगड़े में ही उलझी रही। कांग्रेस ने हमारे किसानों को भी हमेशा धोखा दिया है। आप याद कीजिए, कांग्रेस ने दशकों तक सिंचाई की परियोजनाओं को कैसे लटकाए रखा। इसका राजस्थान के किसानों को बहुत अधिक नुकसान हुआ है। ERCP परियोजना को कांग्रेस की सरकारों ने केवल फाइलों और घोषणाओं में उलझाकर रखा। हमारी सरकार ने आते ही इस स्कीम को फाइलों से निकालकर धरातल पर उतारने का प्रयास किया है।

साथियों,

हमारी सरकार ने नदियों को जोड़ने का जो अभियान शुरु किया है, उसका बहुत अधिक फायदा राजस्थान को मिलना तय है। संशोधित पार्वती-कालीसिंध-चंबल लिंक परियोजना हो, यमुना-राजस्थान लिंक प्रोजेक्ट हो, डबल इंजन सरकार ऐसी अनेक सिंचाई परियोजनाओं का लाभ किसानों तक पहुंचाने के लिए प्रतिबद्ध है। आज भी झालावाड़, बारां, कोटा और बूंदी जिले के लिए पानी की अनेक परियोजनाओं पर काम शुरु हुआ है। हमारा प्रयास है, कि राजस्थान में भूजल का स्तर भी ऊपर उठे।

साथियों,

भाजपा सरकार, राजस्थान के सामर्थ्य को समझते हुए, योजनाएं बना रही है, उन्हें लागू कर रही है। मुझे खुशी है कि राजस्थान अब, सूरज की ताकत से समृद्धि कमाने वाली धरती बन गया है। हम सब जानते हैं, हमारे राजस्थान में धूप की कोई कमी नहीं। अब यही धूप, सामान्य मानवी के घर की बचत और कमाई का साधन बन रही है। और इसमें बहुत बड़ी भूमिका है, प्रधानमंत्री सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना की। इस योजना में राजस्थान का भाग्य बदलने की ताकत है। इस योजना में भाजपा सरकार लोगों को अपनी छत पर सोलर पैनल लगाने के लिए 78 हजार रुपए की सहायता देती है। सरकार सीधे आपके बैंक खाते में पैसे भेजती है। आजादी के बाज सब बजट, सब योजनाएं देख लीजिए, जिसमें मध्यम वर्ग को सबसे ज्यादा लाभ होने वाला है, ऐेसी योजना कभी नजर नहीं आएगी, आज इन परिवारों को सोलर पैनल लगाने के लिए 78 हजार रुपए सीधा सरकार देती है। सबसे अधिक लाभ मध्यम वर्ग के लोग ले रहे हैं। और जिससे घर पर एक छोटा सा बिजली घर तैयार हो जाता है। दिन में सूरज की रोशनी से बिजली बनती है, घर में वही बिजली काम आती है और जो ज्यादा बिजली बनती है, वो बिजली ग्रिड में जाती है। और जिस घर में बिजली बनी होती है, उसे भी इसका लाभ मिलता है।

साथियों,

आज राजस्थान में सवा लाख से अधिक परिवार इस योजना से जुड़ चुके हैं। और इस योजना की वजह से, कई घरों का बिजली बिल लगभग जीरो आ रहा है। यानी खर्च कम हुआ है, बचत ज़्यादा हुई है।

साथियों,

विकसित राजस्थान से विकसित भारत के मंत्र पर हम लगातार काम कर रहे हैं। आज जिन योजनाओं पर काम शुरू हुआ है, वो विकसित राजस्थान की नींव को और अधिक मजबूत करेंगे। जब राजस्थान विकसित होगा, तो यहां के हर परिवार का जीवन समृद्ध होगा। आप सभी को एक बार फिर, विकास परियोजनाओं के लिए बहुत-बहुत शुभकामनाएं। मेरे साथ बोलिये-

भारत माता की जय!

भारत माता की जय!

वंदे मातरम के 150 साल देश मना रहा है। मेरे साथ बोलिये-

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

बहुत-बहुत धन्यवाद।