শেয়ার
 
Comments
এই পাইপলাইন কেরল ও কর্ণাটকের মানুষের জীবনযাপনে মানোন্নয়ন ঘটাবে : প্রধানমন্ত্রী
নীল অর্থনীতি আত্মনির্ভর ভারতের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে উঠতে চলেছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কোচি-ম্যাঙ্গালুরু প্রাকৃতিক গ্যাস পাইপলাইন জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন। 'এক দেশ এক গ্যাস গ্রিড' ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। কোচি-ম্যাঙ্গালুরু গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পের উদ্বোধনে দুই রাজ্যের রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীরা ছাড়াও কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।

এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী এই পাইপলাইন প্রকল্পটিকে কেরল ও কর্ণাটকের মানুষের কাছে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, এই পাইপলাইনের ফলে দুই রাজ্যের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। গ্যাস-ভিত্তিক অর্থনীতির দ্রুত সম্প্রসারণ আত্মনির্ভর ভারত গঠনের উদ্দেশ্য পূরণে অত্যন্ত আবশ্যক। তাই, এই প্রকল্প সরকারের 'এক দেশ এক গ্যাস গ্রিড' গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারকেই প্রতিফলিত করে।

কোচি-ম্যাঙ্গালুরু গ্যাস পাইপলাইনের একাধিক সুবিধার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই পাইপলাইন দুই রাজ্যের মানুষের জীবনযাপনে মানোন্নয়ন ঘটাবে। এমনকি দরিদ্র, মধ্যবিত্ত শ্রেণী এবং শিল্পোদ্যোগীদের খরচ কমাতে সাহায্য করবে। শ্রী মোদী বলেন, এই গ্যাস পাইপলাইনটি একাধিক শহরে গ্যাস বন্টন ব্যবস্থার ভিত্তি হয়ে উঠবে এবং এই শহরগুলিতে সিএনজি-ভিত্তিক পরিবহণ ব্যবস্থার প্রসারে সাহায্য করবে। এই গ্যাস পাইপলাইন ম্যাঙ্গালোর তৈল শোধনাগারে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির চাহিদা মেটাবে এবং দুই রাজ্যে দূষণের মাত্রা কমাতে সাহায্য করবে। তিনি আরও বলেন, দূষণের মাত্রা কম হলে তা পরিবেশের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়ে। পক্ষান্তরে, লক্ষ লক্ষ চারাগাছ রোপণের সদৃশ্যতাই প্রতিফলিত হয়। পরিবেশের প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যে এবং স্বাস্থ্যক্ষেত্রে তাঁদের খরচ কমে। তিনি আরও বলেন, দূষণের পরিমাণ কমলে এবং দূষণমুক্ত বায়ুর মাত্রা বাড়লে তা পর্যটকদের আরও বেশি আকৃষ্ট করে। কোচি-ম্যাঙ্গালুরু পাইপলাইন নির্মাণে ১২ লক্ষ কর্মদিবস তৈরি হয়েছে এবং এই পাইপলাইনটি দুই রাজ্যে স্বনিযুক্তির ক্ষেত্রে এক অনুকূল বাতাবরণ গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। এই পাইপলাইনটির ফলে দুই রাজ্যের সারশিল্প, পেট্রো-রসায়ন এবং বিদ্যুৎক্ষেত্রও লাভবান হবে। জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে ভারতের কোটি কোটি বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয়ের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, একবিংশ শতাব্দী হবে সেই দেশগুলি যারা যোগাযোগ ও দূষণমুক্ত শক্তির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশে যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে যে গতিতে কাজ হচ্ছে তা আগে কখনও দেখা যায়নি। তিনি বলেন, ২০১৪-র পূর্বে বিগত ২৭ বছরে কেবল ১৫ হাজার কিলোমিটার প্রাকৃতিক গ্যাসের পাইপলাইন বসানো হয়েছিল। কিন্তু এখন ১৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি গ্যাস পাইপলাইন বসানোর কাজ চলছে, যা আগামী ৫-৬ বছরের মধ্যেই শেষ হবে। শ্রী মোদী উদাহরণ দিয়ে বলেন, সিএনজি জ্বালানি স্টেশনের সংখ্যা বাড়ছে। একইসঙ্গে, পিএনজি এবং এলপিজি সংযোগ আগের তুলনায় লক্ষ্যণীয় পরিমাণে বাড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, রান্নার গ্যাসের সংযোগ ব্যবস্থায় অগ্রগতির ফলে কেরোসিনের ঘাটতি মেটানো গেছে। বহু রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিজেদের কেরোসিনমুক্ত হিসেবে ঘোষণা করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ থেকে সরকার তেল ও গ্যাসক্ষেত্রে একাধিক সংস্কার করেছে। তেল ও গ্যাসের অনুসন্ধান ও উৎপাদন, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং তার বিপণন ও বন্টনে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। 'এক দেশ এক গ্যাস গ্রিড' গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থ ব্যবস্থাকে গ্যাস-ভিত্তিক অর্থনীতিতে পরিণত করার চেষ্টা চলছে কারণ, গ্যাসের একাধিক পরিবেশগত উপকারিতা রয়েছে। শ্রী মোদী বলেন, ভারতের শক্তি উৎপাদন ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিমাণ বাড়াতে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। শক্তিক্ষেত্রে প্রাকৃতিক গ্যাসের অংশ বর্তমানে ৬ শতাংশ যা বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। গ্যাস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া লিমিটেডের কোচি-ম্যাঙ্গালুরু প্রাকৃতিক গ্যাস পাইপলাইন 'এক দেশ এক গ্যাস গ্রিড' গড়ে তোলার লক্ষ্যেই একটি পদক্ষেপ। পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই পাইপলাইন দেশে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির যোগান বাড়াতে সাহায্য করবে বলেও শ্রী মোদী অভিমত প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ শক্তি চাহিদা পূরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যৎ শক্তি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে একদিকে যেমন প্রাকৃতিক গ্যাসের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে শক্তির উৎসগুলিতে বৈচিত্র্যকরণের চেষ্টা চলছে। এই প্রসঙ্গে তিনি গুজরাটে প্রস্তাবিত বিশ্বের বৃহত্তম পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদন কেন্দ্রের কথা উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে তিনি জৈব জ্বালানির উৎপাদন ও ব্যবহারে গুরুত্ব দেন। শ্রী মোদী বলেন, চাল ও আখ থেকে ইথানল নিষ্কাশনের লক্ষ্যে কাজ চলছে। আগামী ১০ বছরে পেট্রোলে ২০ শতাংশে হারে ইথানল মিশ্রণের এক উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য স্থির হয়েছে। সরকার প্রতিটি নাগরিককে সুলভে দূষণমুক্ত জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহে অঙ্গীকারবদ্ধ বলেও প্রধানমন্ত্রী জানান। প্রধানমন্ত্রী যখন দক্ষিণের এই দুটি উপকূলীয় রাজ্যের গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পের উদ্বোধনে ভাষণ দিচ্ছেন, তখন তিনি উপকূল এলাকার দ্রুত ও সামঞ্জস্যপূর্ণ উন্নয়নেও তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির কথা তুলে ধরেন। এ প্রসঙ্গে শ্রী মোদী বলেন, কর্ণাটক, কেরল ও দক্ষিণের অন্যান্য উপকূলীয় রাজ্যগুলিতে নীল অর্থনীতির উন্নয়নে এক সুসংবদ্ধ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। নীল অর্থনীতি আত্মনির্ভর ভারত গঠনের এক গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে উঠবে বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উপকূল এলাকায় সড়ক এবং বন্দরগুলির মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনে মাল্টি-মোডাল যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শ্রী মোদী বলেন, “আমরা উপকূল অঞ্চলকে সহজে জীবনযাপনের এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের এক আদর্শ মডেল হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছি।"

উপকূল অঞ্চলে মৎস্যজীবীদের প্রসঙ্গের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এঁরা কেবল মহাসমুদ্রের সম্পদের ওপরই নির্ভরশীল নন, বরং তাঁরা সমুদ্রসম্পদের অভিভাবক। এই লক্ষ্যে সরকার উপকূল অঞ্চলের বাস্তুতন্ত্রের সংরক্ষণ ও সমৃদ্ধকরণে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। গভীর সমুদ্রে যাঁরা মৎস্য শিকার করেন তাঁদেরকে সাহায্যের পাশাপাশি, পৃথক মৎস্যচাষ দপ্তর, সহজ শর্তে ঋণ সহায়তা এবং কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা শিল্পোদ্যোগী তথা সাধারণ মৎস্যজীবীদের কাছেও পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি ২০ হাজার কোটি টাকার মৎস্য সম্পদ যোজনা চালু করার প্রসঙ্গে উল্লেখ করে বলেন, এই কর্মসূচির ফলে কেরল ও কর্ণাটকের লক্ষ লক্ষ মৎস্যজীবী সরাসরি লাভবান হবেন। ভারত দ্রুততার সঙ্গে মৎস্যসম্পদ রপ্তানিতে অগ্রগতি করছে। ভারতকে প্রক্রিয়াজাত গুণমানবিশিষ্ট সামুদ্রিক খাদ্যপণ্যে এক অগ্রণী দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সবরকম চেষ্টা চলছে। কৃষকদের পাশাপাশি, সমুদ্রসম্পদ আহরণকারীদের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে ভারত। এই লক্ষ্যে সমুদ্রসম্পদ আহরণকারীদের পাশাপাশি সামুদ্রিক খাদ্যপণ্য উৎপাদনে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
৭৬তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের বঙ্গানুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

৭৬তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের বঙ্গানুবাদ
‘Never thought I’ll watch Republic Day parade in person’

Media Coverage

‘Never thought I’ll watch Republic Day parade in person’
...

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Text of PM's speech at commemoration of 1111th Avataran Mahotsav of Bhagwan Shri Devnarayan Ji in Bhilwara, Rajasthan
January 28, 2023
শেয়ার
 
Comments
Performs mandir darshan, parikrama and Purnahuti in the Vishnu Mahayagya
Seeks blessings from Bhagwan Shri Devnarayan Ji for the constant development of the nation and welfare of the poor
“Despite many attempts to break India geographically, culturally, socially and ideologically, no power could finish India”
“It is strength and inspiration of the Indian society that preserves the immortality of the nation”
“Path shown by Bhagwan Devnarayan is of ‘Sabka Vikas’ through ‘Sabka Saath’ and the country, today, is following the same path”
“Country is trying to empower every section that has remained deprived and neglected”
“Be it national defence or preservation of culture, the Gurjar community has played the role of protector in every period”
“New India is rectifying the mistakes of the past decades and honouring its unsung heroes”

मालासेरी डूंगरी की जय, मालासेरी डूंगरी की जय!
साडू माता की जय, साडू माता की जय!

सवाईभोज महाराज की जय, सवाईभोज महाराज की जय!

देवनारायण भगवान की जय, देवनारायण भगवान की जय!

 

साडू माता गुर्जरी की ई तपोभूमि, महादानी बगड़ावत सूरवीरा री कर्मभूमि, और देवनारायण भगवान री जन्मभूमि, मालासेरी डूँगरी न म्हारों प्रणाम।

श्री हेमराज जी गुर्जर, श्री सुरेश दास जी, दीपक पाटिल जी, राम प्रसाद धाबाई जी, अर्जुन मेघवाल जी, सुभाष बहेडीया जी, और देशभर से पधारे मेरे प्यारे भाइयों और बहनों,

आज इस पावन अवसर पर भगवान देवनारायण जी का बुलावा आया और जब भगवान देवनारायण जी का बुलावा आए और कोई मौका छोड़ता है क्या? मैं भी हाजिर हो गया। और आप याद रखिये, ये कोई प्रधानमंत्री यहां नहीं आया है। मैं पूरे भक्तिभाव से आप ही की तरह एक यात्री के रूप में आर्शीवाद लेने आया हूं। अभी मुझे यज्ञशाला में पूर्णाहूति देने का भी सौभाग्य मिला। मेरे लिए ये भी सौभाग्य का विषय है कि मुझ जैसे एक सामान्य व्यक्ति को आज आपके बीच आकर के भगवान देवनारायण जी का और उनके सभी भक्तों का आशीर्वाद प्राप्त करने का ये पुण्य प्राप्त हुआ है। भगवान देवनारायण और जनता जनार्दन, दोनों के दर्शन करके मैं आज धन्य हो गया हूं। देशभर से यहां पधारे सभी श्रद्धालुओं की भांति, मैं भगवान देवनारायण से अनवरत राष्ट्रसेवा के लिए, गरीबों के कल्याण के लिए आशीर्वाद मांगने आया हूं।

 

साथियों,

ये भगवान देवनारायण का एक हज़ार एक सौ ग्यारहवां अवतरण दिवस है। सप्ताहभर से यहां इससे जुड़े समारोह चल रहे हैं। जितना बड़ा ये अवसर है, उतनी ही भव्यता, उतनी दिव्यता, उतनी ही बड़ी भागीदारी गुर्जर समाज ने सुनिश्चित की है। इसके लिए मैं आप सभी को बधाई देता हूं, समाज के प्रत्येक व्यक्ति के प्रयास की सराहना करता हूं।

 

भाइयों और बहनों,

भारत के हम लोग, हज़ारों वर्षों पुराने अपने इतिहास, अपनी सभ्यता, अपनी संस्कृति पर गर्व करते हैं। दुनिया की अनेक सभ्यताएं समय के साथ समाप्त हो गईं, परिवर्तनों के साथ खुद को ढाल नहीं पाईं। भारत को भी भौगोलिक, सांस्कृतिक, सामाजिक और वैचारिक रूप से तोड़ने के बहुत प्रयास हुए। लेकिन भारत को कोई भी ताकत समाप्त नहीं कर पाई। भारत सिर्फ एक भूभाग नहीं है, बल्कि हमारी सभ्यता की, संस्कृति की, सद्भावना की, संभावना की एक अभिव्यक्ति है। इसलिए आज भारत अपने वैभवशाली भविष्य की नींव रख रहा है। और जानते हैं, इसके पीछे सबसे बड़ी प्रेरणा, सबसे बड़ी शक्ति क्या है? किसकी शक्ति से, किसके आशीर्वाद से भारत अटल है, अजर है, अमर है?

 

मेरे प्यारे भाइयों और बहनों,

ये शक्ति हमारे समाज की शक्ति है। देश के कोटि-कोटि जनों की शक्ति है। भारत की हजारों वर्षों की यात्रा में समाजशक्ति की बहुत बड़ी भूमिका रही है। हमारा ये सौभाग्य रहा है कि हर महत्वपूर्ण काल में हमारे समाज के भीतर से ही एक ऐसी ऊर्जा निकलती है, जिसका प्रकाश, सबको दिशा दिखाता है, सबका कल्याण करता है। भगवान देवनारायण भी ऐसे ही ऊर्जापुंज थे, अवतार थे, जिन्होंने अत्याचारियों से हमारे जीवन और हमारी संस्कृति की रक्षा की। देह रूप में मात्र 31 वर्ष की आयु बिताकर, जनमानस में अमर हो जाना, सर्वसिद्ध अवतार के लिए ही संभव है। उन्होंने समाज में फैली बुराइयों को दूर करने का साहस किया, समाज को एकजुट किया, समरसता के भाव को फैलाया। भगवान देवनारायण ने समाज के विभिन्न वर्गों को साथ जोड़कर आदर्श व्यवस्था कायम करने की दिशा में काम किया। यही कारण है कि भगवान देवनारायण के प्रति समाज के हर वर्ग में श्रद्धा है, आस्था है। इसलिए भगवान देवनारायण आज भी लोकजीवन में परिवार के मुखिया की तरह हैं, उनके साथ परिवार का सुख-दुख बांटा जाता है।

 

भाइयों और बहनों,

भगवान देवनारायण ने हमेशा सेवा और जनकल्याण को सर्वोच्चता दी। यही सीख, यही प्रेरणा लेकर हर श्रद्धालु यहां से जाता है। जिस परिवार से वे आते थे, वहां उनके लिए कोई कमी नहीं थी। लेकिन सुख-सुविधा की बजाय उन्होंने सेवा और जनकल्याण का कठिन मार्ग चुना। अपनी ऊर्जा का उपयोग भी उन्होंने प्राणी मात्र के कल्याण के लिए किया।

 

भाइयों और बहनों,

‘भला जी भला, देव भला’। ‘भला जी भला, देव भला’। इसी उद्घोष में, भले की कामना है, कल्याण की कामना है। भगवान देवनारायण ने जो रास्ता दिखाया है, वो सबके साथ से सबके विकास का है। आज देश इसी रास्ते पर चल रहा है। बीते 8-9 वर्षों से देश समाज के हर उस वर्ग को सशक्त करने का प्रयास कर रहा है, जो उपेक्षित रहा है, वंचित रहा है। वंचितों को वरीयता इस मंत्र को लेकर के हम चल रहे हैं। आप याद करिए, राशन मिलेगा या नहीं, कितना मिलेगा, ये गरीब की कितनी बड़ी चिंता होती थी। आज हर लाभार्थी को पूरा राशन मिल रहा है, मुफ्त मिल रहा है। अस्पताल में इलाज की चिंता को भी हमने आयुष्मान भारत योजना से दूर कर दिया है। गरीब के मन में घर को लेकर, टॉयलेट, बिजली, गैस कनेक्शन को लेकर चिंता हुआ करती थी, वो भी हम दूर कर रहे हैं। बैंक से लेन-देन भी कभी बहुत ही कम लोगों के नसीब होती थी। आज देश में सभी के लिए बैंक के दरवाज़े खुल गए हैं।

 

साथियों,

पानी का क्या महत्व होता है, ये राजस्थान से भला बेहतर कौन जान सकता है। लेकिन आज़ादी के अनेक दशकों बाद भी देश के सिर्फ 3 करोड़ परिवारों तक ही नल से जल की सुविधा थी। 16 करोड़ से ज्यादा ग्रामीण परिवारों को पानी के लिए संघर्ष करना पड़ता था। बीते साढ़े 3 वर्षों के भीतर देश में जो प्रयास हुए हैं, उसकी वजह से अब 11 करोड़ से ज्यादा परिवारों तक पाइप से पानी पहुंचने लगा है। देश में किसानों के खेत तक पानी पहुंचाने के लिए भी बहुत व्यापक काम देश में हो रहा है। सिंचाई की पारंपरिक योजनाओं का विस्तार हो या फिर नई तकनीक से सिंचाई, किसान को आज हर संभव मदद दी जा रही है। छोटा किसान, जो कभी सरकारी मदद के लिए तरसता था, उसे भी पहली बार पीएम किसान सम्मान निधि से सीधी मदद मिल रही है। यहां राजस्थान में भी किसानों को पीएम किसान सम्मान निधि के तहत 15 हजार करोड़ रुपए से अधिक सीधे उनके बैंक खातों में भेजे गए हैं।

 

साथियों,

भगवान देवनारायण ने गौसेवा को समाज सेवा का, समाज के सशक्तिकरण का माध्यम बनाया था। बीते कुछ वर्षों से देश में भी गौसेवा का ये भाव निरंतर सशक्त हो रहा है। हमारे यहां पशुओं में खुर और मुंह की बीमारियां, खुरपका और मुंहपका, कितनी बड़ी समस्या थी, ये आप अच्छी तरह जानते हैं। इससे हमारी गायों को, हमारे पशुधन को मुक्ति मिले, इसलिए देश में करोड़ों पशुओं के मुफ्त टीकाकरण का बहुत बड़ा अभियान चल रहा है। देश में पहली बार गौ-कल्याण के लिए राष्ट्रीय कामधेनु आयोग बनाया गया है। राष्ट्रीय गोकुल मिशन से वैज्ञानिक तरीकों से पशुपालन को प्रोत्साहित करने पर बल दिया जा रहा है। पशुधन हमारी परंपरा, हमारी आस्था का ही नहीं, बल्कि हमारे ग्रामीण अर्थतंत्र का भी मजबूत हिस्सा है। इसलिए पहली बार पशुपालकों के लिए भी किसान क्रेडिट कार्ड की सुविधा दी गई है। आज पूरे देश में गोबरधन योजना भी चल रही है। ये गोबर सहित खेती से निकलने वाले कचरे को कंचन में बदलने का अभियान है। हमारे जो डेयरी प्लांट हैं- वे गोबर से पैदा होने वाली बिजली से ही चलें, इसके लिए भी प्रयास किए जा रहे हैं।

 

साथियों,

पिछले वर्ष स्वतंत्रता दिवस के अवसर पर मैंने लाल किले से पंच प्राणों पर चलने का आग्रह किया था। उद्देश्य यही है कि हम सभी अपनी विरासत पर गर्व करें, गुलामी की मानसिकता से बाहर निकलें और देश के लिए अपने कर्तव्यों को याद रखें। अपने मनीषियों के दिखाए रास्तों पर चलना और हमारे बलिदानियों, हमारे शूरवीरों के शौर्य को याद रखना भी इसी संकल्प का हिस्सा है। राजस्थान तो धरोहरों की धरती है। यहां सृजन है, उत्साह और उत्सव भी है। परिश्रम और परोपकार भी है। शौर्य यहां घर-घर के संस्कार हैं। रंग-राग राजस्थान के पर्याय हैं। उतना ही महत्व यहां के जन-जन के संघर्ष और संयम का भी है। ये प्रेरणा स्थली, भारत के अनेक गौरवशाली पलों की व्यक्तित्वों की साक्षी रही है। तेजा-जी से पाबू-जी तक, गोगा-जी से रामदेव-जी तक, बप्पा रावल से महाराणा प्रताप तक, यहां के महापुरुषों, जन-नायकों, लोक-देवताओं और समाज सुधारकों ने हमेशा देश को रास्ता दिखाया है। इतिहास का शायद ही कोई कालखंड है, जिसमें इस मिट्टी ने राष्ट्र के लिए प्रेरणा ना दी हो। इसमें भी गुर्जर समाज, शौर्य, पराक्रम और देशभक्ति का पर्याय रहा है। राष्ट्ररक्षा हो या फिर संस्कृति की रक्षा, गुर्जर समाज ने हर कालखंड में प्रहरी की भूमिका निभाई है। क्रांतिवीर भूप सिंह गुर्जर, जिन्हें विजय सिंह पथिक के नाम से जाना जाता है, उनके नेतृत्व में बिजोलिया का किसान आंदोलन आज़ादी की लड़ाई में एक बड़ी प्रेरणा था। कोतवाल धन सिंह जी और जोगराज सिंह जी, ऐसे अनेक योद्धा रहे हैं, जिन्होंने देश के लिए अपना जीवन दे दिया। यही नहीं, रामप्यारी गुर्जर, पन्ना धाय जैसी नारीशक्ति की ऐसी महान प्रेरणाएं भी हमें हर पल प्रेरित करती हैं। ये दिखाता है कि गुर्जर समाज की बहनों ने, गुर्जर समाज की बेटियों ने, कितना बड़ा योगदान देश और संस्कृति की सेवा में दिया है। और ये परंपरा आज भी निरंतर समृद्ध हो रही है। ये देश का दुर्भाग्य है कि ऐसे अनगिनत सेनानियों को हमारे इतिहास में वो स्थान नहीं मिल पाया, जिसके वो हकदार थे, जो उन्हें मिलना चाहिए था। लेकिन आज का नया भारत बीते दशकों में हुई उन भूलों को भी सुधार रहा है। अब भारत की संस्कृति और स्वतंत्रता की रक्षा के लिए, भारत के विकास में जिसका भी योगदान रहा है, उसे सामने लाया जा रहा है।

 

साथियों,

आज ये भी बहुत जरूरी है कि हमारे गुर्जर समाज की जो नई पीढ़ी है, जो युवा हैं, वो भगवान देवनारायण के संदेशों को, उनकी शिक्षाओं को, और मजबूती से आगे बढ़ाएं। ये गुर्जर समाज को भी सशक्त करेगा और देश को भी आगे बढ़ने में इससे मदद मिलेगी।

 

साथियों,

21वीं सदी का ये कालखंड, भारत के विकास के लिए, राजस्थान के विकास के लिए बहुत अहम है। हमें एकजुट होकर देश के विकास के लिए काम करना है। आज पूरी दुनिया भारत की ओर बहुत उम्मीदों से देख रही है। भारत ने जिस तरह पूरी दुनिया को अपना सामर्थ्य दिखाया है, अपना दमखम दिखाया है, उसने शूरवीरों की इस धरती का भी गौरव बढ़ाया है। आज भारत, दुनिया के हर बड़े मंच पर अपनी बात डंके की चोट पर कहता है। आज भारत, दूसरे देशों पर अपनी निर्भरता कम कर रहा है। इसलिए ऐसी हर बात, जो हम देशवासियों की एकता के खिलाफ है, उससे हमें दूर रहना है। हमें अपने संकल्पों को सिद्ध कर दुनिया की उम्मीदों पर खरा उतरना है। मुझे पूरा विश्वास है कि भगवान देनारायण जी के आशीर्वाद से हम सब जरूर सफल होंगे। हम कड़ा परिश्रम करेंगे, सब मिलकर करेंगे, सबके प्रयास से सिद्धि प्राप्त होकर रहेगी। और ये भी देखिए कैसा संयोग है। भगवान देवनारायण जी का 1111वां अवतरण वर्ष उसी समय भारत की जी-20 की अध्यक्षता और उसमें भी भगवान देवनारायण का अवतरण कमल पर हुआ था, और जी-20 का जो Logo है, उसमें भी कमल के ऊपर पूरी पृथ्वी को बिठाया है। ये भी बड़ा संयोग है और हम तो वो लोग हैं, जिसकी पैदाइशी कमल के साथ हुई है। और इसलिए हमारा आपका नाता कुछ गहरा है। लेकिन मैं पूज्य संतों को प्रणाम करता हूं। इतनी बड़ी तादाद में यहां आशीर्वाद देने आए हैं। मैं समाज का भी हृदय से आभार व्यक्त करता हूं कि एक भक्त के रूप में मुझे आज यहां बुलाया, भक्तिभाव से बुलाया। ये सरकारी कार्यक्रम नहीं है। पूरी तरह समाज की शक्ति, समाज की भक्ति उसी ने मुझे प्रेरित किया और मैं आपके बीच पहुंच गया। मेरी आप सब को अनेक-अनेक शुभकामनाएं हैं।

जय देव दरबार! जय देव दरबार! जय देव दरबार!