মাননীয় প্রেসিডেন্ট খুরেলসুখ,
দু’দেশের প্রতিনিধিবৃন্দ,
সংবাদ মাধ্যমের বন্ধুগণ
নমস্কার!
কেমন আছেন?
প্রেসিডেন্ট খুরেলসুখ এবং তাঁর সঙ্গে আসা প্রতিনিধিদের ভারতে স্বাগত জানাতে পেরে আমি আনন্দিত।
ছয় বছর বাদে মঙ্গোলিয়ার রাষ্ট্রপতি ভারতে এসেছেন। এই সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এই বছর ভারত ও মঙ্গোলিয়া কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭০ বছর এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের ১০ বছর উদযাপন করছে। এই উপলক্ষ্যে আমরা একটি যৌথ ডাকটিকিট প্রকাশ করেছি, যা আমাদের ঐতিহ্য, বৈচিত্র্য ও সভ্যতাগত সংযোগকে তুলে ধরে।
বন্ধুগণ,
আজ আমাদের বৈঠক শুরু হয়েছে “এক পেড় মা কে নাম” কর্মসূচির আওতায় চারাগাছ রোপণের মধ্য দিয়ে। প্রেসিডেন্ট খুরেলসেখ তাঁর প্রয়াত মায়ের সম্মানে বটবৃক্ষের একটি চারা রোপন করেছেন। এই বৃক্ষ পরিবেশ রক্ষায় আমাদের দায়বদ্ধতা এবং সুদৃঢ় মৈত্রীর প্রতীক হয়ে থাকবে।
বন্ধুগণ,
১০ বছর আগে মঙ্গোলিয়া সফরের সময়ে আমাদের সহযোগিতা কৌশলগত অংশীদারিত্বের স্তরে উন্নীত হয়েছিল। বিগত ১০ বছরে তা আরও শক্তিশালী হয়েছে।
আমাদের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সহযোগিতা ধীরে ধীরে আরও প্রসারিত হচ্ছে। প্রশিক্ষণ কর্মসূচি থেকে শুরু করে দূতাবাসে প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে নিয়োগ সহ একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছি আমরা। মঙ্গলিয়ার সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর কর্মীদের জন্য ভারত খুব শীঘ্রই একটি নতুন দক্ষতায়ন কর্মসূচি চালু করবে।
বন্ধুগণ,
আন্তর্জাতিক নানা বিষয়ে আমাদের দু’পক্ষের অবস্থান অভিন্ন মূল্যবোধের উপর প্রোথিত। বিভিন্ন মঞ্চে মুক্ত এবং সুস্থিত ভারত – প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পক্ষে আমরা সওয়াল করেছি। দক্ষিণ বিশ্বের জন্য আমাদের সওয়াল আরও জোরদার হবে।
বন্ধুগণ,
ভারত ও মঙ্গোলিয়ার সম্পর্ক কেবলমাত্র কূটনীতির পরিসরেই সীমাবদ্ধ নয়। এর মধ্যে আত্মিক ও আধ্যাত্মিক সংযোগও রয়েছে। আমাদের অংশীদারিত্বের গভীরতা প্রতিফলিত মানুষে মানুষে সংযোগের মধ্য দিয়ে।
দুটি দেশই বৌদ্ধ মতবাদের ক্ষেত্রে একসূত্রে বাঁধা। আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে, ভগবান বুদ্ধের দুই শিষ্য সারিপুত্র এবং মৌদগাল্যায়নের অস্থি আগামী বছর ভারত থেকে মঙ্গোলিয়ায় পাঠানো হবে।
মঙ্গোলিয়ার গান্ডান মনাস্ট্রি’তে পাঠানো হবে একজন সংস্কৃত শিক্ষককে। ১০ লক্ষ প্রাচীন লেখের সংরক্ষণে একটি ডিজিটাইজেশন প্রকল্পের সূচনা হবে খুব শীঘ্রই। গান্ডান মনাস্ট্রির সঙ্গে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের আদান-প্রদানের সেতু আরও জোরদার করা হবে।
কেবলমাত্র কেন্দ্রীয় স্তরেই নয়, আমাদের সম্পর্ক প্রসারিত আরও বিস্তৃত পরিসরে। দু’দেশের সাংস্কৃতিক বন্ধনকে জোরদার করবে লাদাখ স্বশাসিত পার্বত্য উন্নয়ন পরিষদ এবং মঙ্গোলিয়ার আরখাংগাই প্রদেশের মধ্যে আজ স্বাক্ষরিত হওয়া চুক্তিটি।
বন্ধুগণ,
এই দুটি দেশ পরস্পরের সীমান্তবর্তী নয়, কিন্তু ভারত মঙ্গোলিয়াকে বরাবরই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবেই দেখেছে। মানুষে মানুষে সংযোগ আরও প্রসারিত করব আমরা। মঙ্গোলিয়ার নাগরিকদের জন্য চালু হবে ই-ভিসা। ঐ দেশ থেকে তরুণ সাংস্কৃতিক দূতদের বার্ষিক ভিত্তিতে ভারত সফরে ব্যবস্থা করা হবে।
বন্ধুগণ,
মঙ্গোলিয়ার উন্নয়ন কর্মসূচিতে ভারত এক নির্ভরযোগ্য অংশীদার।
মঙ্গোলিয়ায় তেল শোধন প্রকল্পে ভারত ১.৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ প্রদান করবে। এরফলে, ঐ দেশে জ্বালানী নিরাপত্তা সুদৃঢ় হবে। ঐ প্রকল্পে মঙ্গোলিয়ার নাগরিকদের পাশাপাশি, কর্মসংস্থান হবে ২ হাজার ৫০০-রও বেশি ভারতীয় পেশাদারের।
দক্ষতায়নের ক্ষেত্রেও সহযোগিতা জোরদার করব আমরা। ভারত – মঙ্গোলিয়া মৈত্রী বিদ্যালয়ে তথ্য প্রযুক্তি সংক্রান্ত অটল বিহারী বাজপেয়ী উৎকর্ষ কেন্দ্র ঐ দেশের যুবক-যুবতীদের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সহায়ক হবে।
আজ আমরা সাধারণ মানুষের জীবনযাপন উন্নত করতে বেশ কয়েকটি প্রকল্পের কথা ঘোষণা করছি।
ভারত – মঙ্গোলিয়া সহযোগিতার পরিসরে শক্তি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, রেয়ার আর্ট, ডিজিটাল পরিষেবা, কৃষি ও পশুপালন এবং সমবায়ের মতো ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থাগুলিও উদ্যোগী হচ্ছে, যা অত্যন্ত আনন্দের।
মাননীয়,
আমাদের সম্পর্ক আস্থা ও বন্ধুত্বের দৃঢ় ভিত্তির উপর গড়ে উঠেছে। তাকে পুষ্ট করেছে সাংস্কৃতিক সংযোগ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং বিকাশের প্রশ্নে অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গী। এই কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও প্রসারিত হবে বলে আমি প্রত্যয়ী।
আরও একবার এই ঐতিহাসিক সফরের জন্য এবং ভারতের প্রতি অবিচল দায়বদ্ধতার জন্য আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাই।
অনেক ধন্যবাদ।
राष्ट्रपति हुरेलसुख और उनके डेलीगेशन का भारत में स्वागत करते हुए मुझे बहुत प्रसन्नता हो रही है।
— PMO India (@PMOIndia) October 14, 2025
छह वर्ष के बाद मंगोलिया के राष्ट्रपति का भारत आना अपने आप में एक बहुत विशेष अवसर है।
और यह यात्रा तब हो रही है जब भारत और मंगोलिया अपने राजनयिक संबंधों के 70 वर्ष और स्ट्रेटेजिक…
आज हमारी मुलाकात की शुरुआत वृक्षारोपण से हुई।
— PMO India (@PMOIndia) October 14, 2025
राष्ट्रपति हुरेलसुख ने अपनी स्वर्गीय माताजी के नाम पर जो वटवृक्ष लगाया है, वह आने वाली कई पीढ़ियों तक हमारी गहरी मित्रता और पर्यावरण के प्रति हमारी साझा प्रतिबद्धता का प्रतीक रहेगा: PM @narendramodi
दस साल पहले, मेरी मंगोलिया यात्रा के दौरान, हमने आपसी साझेदारी को स्ट्रटीजिक पार्ट्नर्शिप का रूप दिया था।
— PMO India (@PMOIndia) October 14, 2025
पिछले एक दशक में इस पार्ट्नर्शिप के हर आयाम में नई गहराई आई है, नया विस्तार हुआ है।
हमारा रक्षा और सुरक्षा सहयोग भी लगातार मजबूत हो रहा है: PM @narendramodi
भारत और मंगोलिया के संबंध केवल राजनयिक नहीं है — यह हमारे बीच आत्मीय और आध्यात्मिक बंधन है।
— PMO India (@PMOIndia) October 14, 2025
हमारे संबंधों की असली गहराई और व्यापकता हमारे people-to-people ties में दिखाई पड़ती है।
सदियों से दोनों देश Buddhism के सूत्र में बंधे हैं, जिसकी वजह से हमें spiritual sibling भी कहा…
मुझे यह बताते हुए ख़ुशी है कि अगले वर्ष भगवान बुद्ध के दो महान शिष्यों — सारिपुत्र और मौद्गल्या-यन के holy relics को भारत से मंगोलिया भेजा जाएगा।
— PMO India (@PMOIndia) October 14, 2025
हम ‘गंदन मॉनेस्टेरी’ में एक संस्कृत शिक्षक भी भेजेगे, ताकि वहाँ के बौद्ध ग्रंथों का गहराई से अध्ययन किया जा सके और प्राचीन ज्ञान…
मंगोलिया में बौद्ध धर्म के लिए नालंदा विश्वविद्यालय की अहम् भूमिका रही है। और आज हमने तय किया है कि नालंदा और ‘गंदन मॉनेस्टेरी’ को साथ जोड़कर हम इस ऐतिहासिक संबधो में एक नयी उर्जा लायेंगे: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 14, 2025
हमने निर्णय लिया है कि मंगोलिया के नागरिकों को निःशुल्क e-visa दिया जाएगा। साथ ही भारत हर साल मंगोलिया से युवा कल्चरल एम्बेसडर्स की भारत यात्रा भी sponsor करेगा: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 14, 2025
भारत मंगोलिया के विकास में एक दृढ़ और विश्वसनीय साझेदार रहा है।
— PMO India (@PMOIndia) October 14, 2025
भारत की 1.7 बिलियन डॉलर की लाइन ऑफ क्रेडिट से बन रहा Oil Refinery Project मंगोलिया की ऊर्जा सुरक्षा को नई मजबूती देगा।
यह भारत का विश्व में सबसे बड़ा डेवलपमेंट पार्ट्नर्शिप प्रोजेक्ट है: PM @narendramodi


