Published By : Admin |
September 26, 2020 | 18:47 IST
Share
There are several instances that point to the need for a serious introspection of the work of the United Nations: PM Modi
Every Indian, aspires for India's expanded role in the UN, seeing India's contributions towards it: PM Modi
India's vaccine production and vaccine delivery capability will work to take the whole humanity out of this crisis: PM Modi
India has always spoken in support of peace, security and prosperity: PM Modi
মাননীয় সাধারণ পরিষদের সভাপতি মহোদয়,
১৩০ কোটি ভারতবাসীর পক্ষ থেকে আমি রাষ্ট্রসঙ্ঘের ৭৫তম বার্ষিকীতে প্রত্যেক সদস্য রাষ্ট্রকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে ভারত গর্বিত। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে আমি এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে ১৩০ কোটি ভারতবাসীর আবেগের কথা আপনাদের মধ্যে ভাগ করে নেব।
মহামান্য,
১৯৪৫ সালের পৃথিবীর সঙ্গে আজকের পৃথিবীর তাৎপর্যপূর্ণভাবে তফাৎ রয়েছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, সূত্র-সম্পদ, সমস্যা-সমাধান – সবকিছুই বেশ আলাদা। গঠনগত চরিত্রের ওপর ভিত্তি করে যে আন্তর্জাতিক কল্যাণে এই প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়েছিল, সেদিনের সময়ের নিরিখে তা যুক্তিযুক্ত ছিল। আজ আমরা সম্পূর্ণ আলাদা এক জগতে রয়েছি। একবিংশ শতাব্দীতে বর্তমানে আমরা যে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন এবং আমরা যে ভবিষ্যতের মুখোমুখি তা অতীতের সেই সময় থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। তাই, আজ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের সম্মুখীন : যে প্রতিষ্ঠানের সনদ ১৯৪৫ সালের পরিস্থিতি অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছিল, তা কি আজ প্রাসঙ্গিক? যদি শতাব্দী বদলায়, আর আমরা না বদলাই, তাহলে শক্তি এক সময় দুর্বল হয়ে যায়। আমরা যদি গত ৭৫ বছরের রাষ্ট্রসঙ্ঘকে মূল্যায়ন করি, তাহলে আমরা অনেক সাফল্য দেখতে পাব।
কিন্তু একই সময়ে এমন অনেক ঘটনাও রয়েছে যার নিরিখে বলা যায় রাষ্ট্রসঙ্ঘের আত্মসমীক্ষার প্রয়োজন আছে। যে কেউ বলতে পারেন যে আমরা সফলভাবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধকে এড়াতে পেরেছি। কিন্তু বিভিন্ন যুদ্ধ, গৃহযুদ্ধ আমরা এড়াতে পারিনি, সেটা অস্বীকার করা যায় না। বহু সন্ত্রাসবাদী হামলায় বিশ্ব কেঁপে উঠেছে, রক্তস্নাত হয়েছে। যেসব মানুষ তাঁদের জীবন এই যুদ্ধ এবং হামলায় হারিয়েছেন তাঁরা সকলেই মানুষ, আপনার মতো, আমার মতো। হাজার হাজার শিশু যারা এই বিশ্বকে সমৃদ্ধ করতে পারত, তারা অকালে ঝরে গেছে। বহু মানুষ তাদের জীবনের সঞ্চয় হারিয়ে গৃহহীন হয়ে উদ্বাস্তু হয়েছেন। সেই সময়ের রাষ্ট্রসঙ্ঘের উদ্যোগ কি যথেষ্ট ছিল? এমনকি, আজকের নিরিখেও তা কি যথেষ্ট? সারা বিশ্ব গত ৮-৯ মাস ধরে করোনা মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এই মহামারীর বিরুদ্ধে যৌথ লড়াইয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘ কোথায়? তার সক্রিয় ভূমিকা কোথায়?
মহামান্য,
এই আঙ্গিকে সংস্কারের প্রক্রিয়া শুরু করা রাষ্ট্রসঙ্ঘের চরিত্রের দিক থেকে অত্যন্ত প্রয়োজন। এটা ঘটনা যে, রাষ্ট্রসঙ্ঘ যে বিশ্বাস এবং সম্মান ভারতে পেয়ে আসছে তা অনবদ্য। কিন্তু এটাও সত্যি যে ভারতের জনসাধারণ দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সার্বিক সংস্কারের অপেক্ষায় রয়েছে। আজ ভারতের জনসাধারণ ভাবছেন, এই সংস্কার প্রক্রিয়া কখন যুক্তিসম্মতভাবে শেষ হবে।
রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারত আর কতদিন সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামোর বাইরে থাকবে? বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, সারা পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ১৮ শতাংশ যে দেশে বাস করেন, যে দেশে শত শত ভাষা রয়েছে, উপ-ভাষা আছে, অনেক মতের মানুষ বাস করেন, সেই দেশ ౼ যে দেশ এক সময়ে শতাব্দীর পর শতাব্দী সারা বিশ্বের অর্থনীতিকে নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে, আবার সেই দেশ যারা শত শত বছর বিদেশি শাসনের অধীনে ছিল।
মহামান্য,
যখন আমরা শক্তিশালী ছিলাম, আমরা সারা পৃথিবীতে কোনও সমস্যার সৃষ্টি করিনি; যখন আমরা দুর্বল ছিলাম, আমরা তখনও পৃথিবীর বোঝা হয়ে থাকিনি।
মহামান্য,
যখন সেই দেশের পরিবর্তন বিশ্বের বৃহৎ অংশের ওপর প্রভাব বিস্তার করে, তখন আর কতদিন সে অপেক্ষা করে থাকবে?
মহামান্য,
রাষ্ট্রসঙ্ঘ যে ভাবনা নিয়ে গঠিত হয়েছিল তার সঙ্গে ভারতের ভাবনার যথেষ্ট মিল রয়েছে এবং ভারতের মৌলিক দর্শনের থেকে তা কিছু আলাদা নয়। 'বসুধৈব কুটুম্বকম' – সারা বিশ্ব একটি পরিবার – এই ভাবনাই তো গোটা রাষ্ট্রসঙ্ঘের মধ্যে আছে। আমরা সারা বিশ্বকে একটি পরিবার বলে বিবেচনা করি। আমাদের সংস্কৃতি, স্বভাব এবং ভাবনার এটি অঙ্গ। রাষ্ট্রসঙ্ঘেও ভারত সবসময় সারা বিশ্বের কল্যাণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। ভারত হল সেই দেশ যে তার সাহসী সৈনিকদের ৫০টি শান্তিরক্ষী বাহিনীতে পাঠিয়েছে। ভারত হল সেই দেশ যার সাহসী সৈন্যরা শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে সবথেকে বেশি আত্মোৎসর্গ করেছেন। আজ প্রতিটি ভারতীয় যখন রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারতের অবদান দেখেন, তাঁরা এই প্রতিষ্ঠানে ভারতের বর্ধিত ভূমিকার আশা করেন।
মাননীয় চেয়ারম্যান,
২ অক্টোবর 'আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস' এবং ২১ জুন 'আন্তর্জাতিক যোগ দিবস' পালনের উদ্যোগ ভারত নিয়েছিল। একইভাবে, আজ ভারতের উদ্যোগে বিপর্যয় ব্যবস্থাপনার পরিকাঠামো উন্নয়নের জোট এবং আন্তর্জাতিক সৌর জোট বাস্তবায়িত হয়েছে। ভারত সবসময়ই সারা মানবজাতির স্বার্থের কথা বিবেচনা করে। তার নিজের কুক্ষিগত স্বার্থের কথা ভাবে না। ভারতের নীতি গ্রহণের ক্ষেত্রে এই দর্শনই সবসময় চালিকাশক্তির ভূমিকা পালন করে। ভারতের এই দর্শনের এক ঝলক আপনারা দেখতে পাবেন আমাদের 'প্রতিবেশীই প্রথম নীতি’ থেকে আমাদের 'অ্যাক্ট ইস্ট নীতি', এই অঞ্চলের সকলের নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের বিষয়ে চিন্তাভাবনা ও ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ক্ষেত্রে আমাদের ভূমিকার মধ্য দিয়ে। ভারতের অংশীদারিত্ব সবসময়ই এই নীতির ওপর ভর করে চলে। ভারতের যে কোনও বন্ধুত্বসুলভ আচরণ কখনই কোন রাষ্ট্রের বিপক্ষে যায় না। ভারত যখন উন্নয়নমূলক অংশীদারিত্বকে শক্তিশালী করে, তার পেছনে তার কোনও অসৎ উদ্দেশ্য কাজ করে না – যাতে অংশীদার রাষ্ট্রটি নির্ভরশীল অথবা অসহায় হয়ে পরে। আমাদের উন্নয়নের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে আমরা কখনই পিছপা হই না।
মহামান্য,
মহামারীর এই সময়ে যখন প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, ভারতের ওষুধ শিল্প ১৫০টির বেশি দেশকে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করেছে। বিশ্বের সবথেকে বড় টিকা প্রস্তুতকারক দেশ হিসেবে আমি আজ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই আশ্বাস দিতে চাই যে, এই সঙ্কটের বিরুদ্ধে মানবজাতিকে ভারতের টিকা উৎপাদন এবং সরবরাহ ব্যবস্থা সাহায্য করবে। ভারতে এবং আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির মধ্যে আমরা তৃতীয় পর্যায়ের চিকিৎসামূলক পরীক্ষা চালাচ্ছি। ভারত সব রাষ্ট্রকে তাদের টিকা প্রদানের জন্য কোল্ড চেন এবং সংরক্ষণ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।
মহামান্য,
আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে ভারত তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবে। যাঁরা তাদের আস্থা ভারতের প্রতি দেখিয়েছেন, আমি আমার দেশবাসীর পক্ষ থেকে তাঁদেরকে কৃতজ্ঞতা জানাই। সারা বিশ্বের উপকারের জন্য বৃহত্তম গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা আমরা ব্যবহার করব। মানবকল্যাণে আমাদের যে পথ অনুসরণ করি, তা সারা বিশ্বের কল্যাণের জন্য ব্যবহৃত হবে। ভারত সবসময়ই শান্তি, নিরাপত্তা এবং সমৃদ্ধির পক্ষে বক্তব্য রেখে এসেছে। মানবতা, মানবজাতি এবং মানবিক মূল্যবোধের শত্রুর বিরুদ্ধে অর্থাৎ, জঙ্গিবাদ, অবৈধ অস্ত্রের চোরাচালান, মাদক পাচার এবং অর্থ তছরূপের বিরুদ্ধে ভারত সোচ্চার হতে কখনও দ্বিধাবোধ করেনি। ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, পরম্পরা এবং হাজার বছরের অভিজ্ঞতা౼ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলির ভালোর জন্য সবসময় সাহায্য করবে। ভারতের অভিজ্ঞতা, ভারতের উন্নয়নের পথে যাত্রা, তার চড়াই-উৎরাই সবসময়েই বিশ্বের কল্যাণের পথকে মজবুত করবে।
মহামান্য,
গত কয়েক বছর ধরে সংস্কার-সম্পাদন-রূপান্তর – এই মন্ত্র অনুসরণ করে ভারত তার লক্ষ লক্ষ নাগরিকের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এনেছে। বিশ্বের অনেক দেশের জন্য এই অভিজ্ঞতা সহায়ক হবে। মাত্র ৪-৫ বছরের মধ্যে ৪০ কোটি নাগরিককে ব্যাঙ্কিং পরিষেবায় যুক্ত করা কোনও সহজ কাজ নয়। কিন্তু ভারত দেখিয়েছে, সে এটি করতে পারে। ৪-৫ বছরের মধ্যে ৬০ কোটি মানুষকে খোলা শৌচকর্ম থেকে মুক্ত করাটা খুব একটা সহজ কাজ নয়। কিন্তু ভারত তা অর্জন করেছে। ৫০ কোটির বেশি নাগরিককে ২-৩ বছরের মধ্যে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদান করা সহজ জিনিস নয়। কিন্তু ভারত তাও করে দেখিয়েছে। আজ ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে ভারত নেতৃত্ব দিচ্ছে। ভারতের লক্ষ লক্ষ নাগরিকের জীবনে ডিজিটাল প্রক্রিয়া ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়ার মাধ্যমে তাঁদের ক্ষমতায়নের পাশাপাশি, স্বচ্ছতাকে নিশ্চিত করা হয়েছে। ২০২৫ সালের মধ্যে ভারত যক্ষ্মা নির্মূল করার প্রকল্প বাস্তবায়িত করছে। আজ গ্রামাঞ্চলের ১৫ কোটি বাড়িতে নলবাহিত পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সম্প্রতি ভারত ব্রডব্যান্ড অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে ৬ লক্ষ গ্রামের মধ্যে যোগাযোগ গড়ে তুলতে একটি বৃহৎ প্রকল্পের সূচনা করেছে।
মহামান্য,
আমরা আজ পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কোভিড-পরবর্তী সময়ে আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের পথে এগোচ্ছি। আত্মনির্ভর ভারত বিশ্বের অর্থনীতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আজ যখন এটা নিশ্চিত করা হচ্ছে যে, দেশের প্রতিটি নাগরিক যাতে সবরকমের প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনরকমের বৈষম্যের স্বীকার না হন, তখন ভারত মহিলা শিল্পোদ্যোগীদের উৎসাহিত করছে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র আর্থিক সহায়তা প্রকল্পের সুবিধা ভারতীয় মহিলারা পাচ্ছেন। বিশ্বের যেসব দেশে মহিলারা ২৬ সপ্তাহের সবেতন মাতৃত্বকালীন ছুটি উপভোগ করতে পারেন, ভারত তার মধ্যে অন্যতম। প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কারের মধ্য দিয়ে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
মহামান্য,
প্রগতির এই যাত্রাপথে ভারত সারা বিশ্বের থেকে শিখতে চায়। একইসঙ্গে, তার অভিজ্ঞতাও সারা পৃথিবীর সঙ্গে ভাগ করে নিতে চায়। আমি আশাবাদী যে, রাষ্ট্রসঙ্ঘের ৭৫তম বর্ষ পূর্তিতে এই প্রতিষ্ঠান এবং তার সদস্য রাষ্ট্রগুলি এই মহান সংস্থার প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার জন্য দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ হবে। সারা বিশ্বের কল্যাণের জন্য রাষ্ট্রসঙ্ঘের স্থিতিশীলতা এবং ক্ষমতায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রসঙ্ঘের ৭৫তম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আসুন আমরা আরও একবার বিশ্বের কল্যাণের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করতে শপথ গ্রহণ করি।
Today, India is becoming the key growth engine of the global economy: PM Modi
December 06, 2025
Share
India is brimming with confidence: PM
In a world of slowdown, mistrust and fragmentation, India brings growth, trust and acts as a bridge-builder: PM
Today, India is becoming the key growth engine of the global economy: PM
India's Nari Shakti is doing wonders, Our daughters are excelling in every field today: PM
Our pace is constant, Our direction is consistent, Our intent is always Nation First: PM
Every sector today is shedding the old colonial mindset and aiming for new achievements with pride: PM
आप सभी को नमस्कार।
यहां हिंदुस्तान टाइम्स समिट में देश-विदेश से अनेक गणमान्य अतिथि उपस्थित हैं। मैं आयोजकों और जितने साथियों ने अपने विचार रखें, आप सभी का अभिनंदन करता हूं। अभी शोभना जी ने दो बातें बताई, जिसको मैंने नोटिस किया, एक तो उन्होंने कहा कि मोदी जी पिछली बार आए थे, तो ये सुझाव दिया था। इस देश में मीडिया हाउस को काम बताने की हिम्मत कोई नहीं कर सकता। लेकिन मैंने की थी, और मेरे लिए खुशी की बात है कि शोभना जी और उनकी टीम ने बड़े चाव से इस काम को किया। और देश को, जब मैं अभी प्रदर्शनी देखके आया, मैं सबसे आग्रह करूंगा कि इसको जरूर देखिए। इन फोटोग्राफर साथियों ने इस, पल को ऐसे पकड़ा है कि पल को अमर बना दिया है। दूसरी बात उन्होंने कही और वो भी जरा मैं शब्दों को जैसे मैं समझ रहा हूं, उन्होंने कहा कि आप आगे भी, एक तो ये कह सकती थी, कि आप आगे भी देश की सेवा करते रहिए, लेकिन हिंदुस्तान टाइम्स ये कहे, आप आगे भी ऐसे ही सेवा करते रहिए, मैं इसके लिए भी विशेष रूप से आभार व्यक्त करता हूं।
साथियों,
इस बार समिट की थीम है- Transforming Tomorrow. मैं समझता हूं जिस हिंदुस्तान अखबार का 101 साल का इतिहास है, जिस अखबार पर महात्मा गांधी जी, मदन मोहन मालवीय जी, घनश्यामदास बिड़ला जी, ऐसे अनगिनत महापुरूषों का आशीर्वाद रहा, वो अखबार जब Transforming Tomorrow की चर्चा करता है, तो देश को ये भरोसा मिलता है कि भारत में हो रहा परिवर्तन केवल संभावनाओं की बात नहीं है, बल्कि ये बदलते हुए जीवन, बदलती हुई सोच और बदलती हुई दिशा की सच्ची गाथा है।
साथियों,
आज हमारे संविधान के मुख्य शिल्पी, डॉक्टर बाबा साहेब आंबेडकर जी का महापरिनिर्वाण दिवस भी है। मैं सभी भारतीयों की तरफ से उन्हें श्रद्धांजलि अर्पित करता हूं।
Friends,
आज हम उस मुकाम पर खड़े हैं, जब 21वीं सदी का एक चौथाई हिस्सा बीत चुका है। इन 25 सालों में दुनिया ने कई उतार-चढ़ाव देखे हैं। फाइनेंशियल क्राइसिस देखी हैं, ग्लोबल पेंडेमिक देखी हैं, टेक्नोलॉजी से जुड़े डिसरप्शन्स देखे हैं, हमने बिखरती हुई दुनिया भी देखी है, Wars भी देख रहे हैं। ये सारी स्थितियां किसी न किसी रूप में दुनिया को चैलेंज कर रही हैं। आज दुनिया अनिश्चितताओं से भरी हुई है। लेकिन अनिश्चितताओं से भरे इस दौर में हमारा भारत एक अलग ही लीग में दिख रहा है, भारत आत्मविश्वास से भरा हुआ है। जब दुनिया में slowdown की बात होती है, तब भारत growth की कहानी लिखता है। जब दुनिया में trust का crisis दिखता है, तब भारत trust का pillar बन रहा है। जब दुनिया fragmentation की तरफ जा रही है, तब भारत bridge-builder बन रहा है।
साथियों,
अभी कुछ दिन पहले भारत में Quarter-2 के जीडीपी फिगर्स आए हैं। Eight परसेंट से ज्यादा की ग्रोथ रेट हमारी प्रगति की नई गति का प्रतिबिंब है।
साथियों,
ये एक सिर्फ नंबर नहीं है, ये strong macro-economic signal है। ये संदेश है कि भारत आज ग्लोबल इकोनॉमी का ग्रोथ ड्राइवर बन रहा है। और हमारे ये आंकड़े तब हैं, जब ग्लोबल ग्रोथ 3 प्रतिशत के आसपास है। G-7 की इकोनमीज औसतन डेढ़ परसेंट के आसपास हैं, 1.5 परसेंट। इन परिस्थितियों में भारत high growth और low inflation का मॉडल बना हुआ है। एक समय था, जब हमारे देश में खास करके इकोनॉमिस्ट high Inflation को लेकर चिंता जताते थे। आज वही Inflation Low होने की बात करते हैं।
साथियों,
भारत की ये उपलब्धियां सामान्य बात नहीं है। ये सिर्फ आंकड़ों की बात नहीं है, ये एक फंडामेंटल चेंज है, जो बीते दशक में भारत लेकर आया है। ये फंडामेंटल चेंज रज़ीलियन्स का है, ये चेंज समस्याओं के समाधान की प्रवृत्ति का है, ये चेंज आशंकाओं के बादलों को हटाकर, आकांक्षाओं के विस्तार का है, और इसी वजह से आज का भारत खुद भी ट्रांसफॉर्म हो रहा है, और आने वाले कल को भी ट्रांसफॉर्म कर रहा है।
साथियों,
आज जब हम यहां transforming tomorrow की चर्चा कर रहे हैं, हमें ये भी समझना होगा कि ट्रांसफॉर्मेशन का जो विश्वास पैदा हुआ है, उसका आधार वर्तमान में हो रहे कार्यों की, आज हो रहे कार्यों की एक मजबूत नींव है। आज के Reform और आज की Performance, हमारे कल के Transformation का रास्ता बना रहे हैं। मैं आपको एक उदाहरण दूंगा कि हम किस सोच के साथ काम कर रहे हैं।
साथियों,
आप भी जानते हैं कि भारत के सामर्थ्य का एक बड़ा हिस्सा एक लंबे समय तक untapped रहा है। जब देश के इस untapped potential को ज्यादा से ज्यादा अवसर मिलेंगे, जब वो पूरी ऊर्जा के साथ, बिना किसी रुकावट के देश के विकास में भागीदार बनेंगे, तो देश का कायाकल्प होना तय है। आप सोचिए, हमारा पूर्वी भारत, हमारा नॉर्थ ईस्ट, हमारे गांव, हमारे टीयर टू और टीय़र थ्री सिटीज, हमारे देश की नारीशक्ति, भारत की इनोवेटिव यूथ पावर, भारत की सामुद्रिक शक्ति, ब्लू इकोनॉमी, भारत का स्पेस सेक्टर, कितना कुछ है, जिसके फुल पोटेंशियल का इस्तेमाल पहले के दशकों में हो ही नहीं पाया। अब आज भारत इन Untapped पोटेंशियल को Tap करने के विजन के साथ आगे बढ़ रहा है। आज पूर्वी भारत में आधुनिक इंफ्रास्ट्रक्चर, कनेक्टिविटी और इंडस्ट्री पर अभूतपूर्व निवेश हो रहा है। आज हमारे गांव, हमारे छोटे शहर भी आधुनिक सुविधाओं से लैस हो रहे हैं। हमारे छोटे शहर, Startups और MSMEs के नए केंद्र बन रहे हैं। हमारे गाँवों में किसान FPO बनाकर सीधे market से जुड़ें, और कुछ तो FPO’s ग्लोबल मार्केट से जुड़ रहे हैं।
साथियों,
भारत की नारीशक्ति तो आज कमाल कर रही हैं। हमारी बेटियां आज हर फील्ड में छा रही हैं। ये ट्रांसफॉर्मेशन अब सिर्फ महिला सशक्तिकरण तक सीमित नहीं है, ये समाज की सोच और सामर्थ्य, दोनों को transform कर रहा है।
साथियों,
जब नए अवसर बनते हैं, जब रुकावटें हटती हैं, तो आसमान में उड़ने के लिए नए पंख भी लग जाते हैं। इसका एक उदाहरण भारत का स्पेस सेक्टर भी है। पहले स्पेस सेक्टर सरकारी नियंत्रण में ही था। लेकिन हमने स्पेस सेक्टर में रिफॉर्म किया, उसे प्राइवेट सेक्टर के लिए Open किया, और इसके नतीजे आज देश देख रहा है। अभी 10-11 दिन पहले मैंने हैदराबाद में Skyroot के Infinity Campus का उद्घाटन किया है। Skyroot भारत की प्राइवेट स्पेस कंपनी है। ये कंपनी हर महीने एक रॉकेट बनाने की क्षमता पर काम कर रही है। ये कंपनी, flight-ready विक्रम-वन बना रही है। सरकार ने प्लेटफॉर्म दिया, और भारत का नौजवान उस पर नया भविष्य बना रहा है, और यही तो असली ट्रांसफॉर्मेशन है।
साथियों,
भारत में आए एक और बदलाव की चर्चा मैं यहां करना ज़रूरी समझता हूं। एक समय था, जब भारत में रिफॉर्म्स, रिएक्शनरी होते थे। यानि बड़े निर्णयों के पीछे या तो कोई राजनीतिक स्वार्थ होता था या फिर किसी क्राइसिस को मैनेज करना होता था। लेकिन आज नेशनल गोल्स को देखते हुए रिफॉर्म्स होते हैं, टारगेट तय है। आप देखिए, देश के हर सेक्टर में कुछ ना कुछ बेहतर हो रहा है, हमारी गति Constant है, हमारी Direction Consistent है, और हमारा intent, Nation First का है। 2025 का तो ये पूरा साल ऐसे ही रिफॉर्म्स का साल रहा है। सबसे बड़ा रिफॉर्म नेक्स्ट जेनरेशन जीएसटी का था। और इन रिफॉर्म्स का असर क्या हुआ, वो सारे देश ने देखा है। इसी साल डायरेक्ट टैक्स सिस्टम में भी बहुत बड़ा रिफॉर्म हुआ है। 12 लाख रुपए तक की इनकम पर ज़ीरो टैक्स, ये एक ऐसा कदम रहा, जिसके बारे में एक दशक पहले तक सोचना भी असंभव था।
साथियों,
Reform के इसी सिलसिले को आगे बढ़ाते हुए, अभी तीन-चार दिन पहले ही Small Company की डेफिनीशन में बदलाव किया गया है। इससे हजारों कंपनियाँ अब आसान नियमों, तेज़ प्रक्रियाओं और बेहतर सुविधाओं के दायरे में आ गई हैं। हमने करीब 200 प्रोडक्ट कैटगरीज़ को mandatory क्वालिटी कंट्रोल ऑर्डर से बाहर भी कर दिया गया है।
साथियों,
आज के भारत की ये यात्रा, सिर्फ विकास की नहीं है। ये सोच में बदलाव की भी यात्रा है, ये मनोवैज्ञानिक पुनर्जागरण, साइकोलॉजिकल रेनसां की भी यात्रा है। आप भी जानते हैं, कोई भी देश बिना आत्मविश्वास के आगे नहीं बढ़ सकता। दुर्भाग्य से लंबी गुलामी ने भारत के इसी आत्मविश्वास को हिला दिया था। और इसकी वजह थी, गुलामी की मानसिकता। गुलामी की ये मानसिकता, विकसित भारत के लक्ष्य की प्राप्ति में एक बहुत बड़ी रुकावट है। और इसलिए, आज का भारत गुलामी की मानसिकता से मुक्ति पाने के लिए काम कर रहा है।
साथियों,
अंग्रेज़ों को अच्छी तरह से पता था कि भारत पर लंबे समय तक राज करना है, तो उन्हें भारतीयों से उनके आत्मविश्वास को छीनना होगा, भारतीयों में हीन भावना का संचार करना होगा। और उस दौर में अंग्रेजों ने यही किया भी। इसलिए, भारतीय पारिवारिक संरचना को दकियानूसी बताया गया, भारतीय पोशाक को Unprofessional करार दिया गया, भारतीय त्योहार-संस्कृति को Irrational कहा गया, योग-आयुर्वेद को Unscientific बता दिया गया, भारतीय अविष्कारों का उपहास उड़ाया गया और ये बातें कई-कई दशकों तक लगातार दोहराई गई, पीढ़ी दर पीढ़ी ये चलता गया, वही पढ़ा, वही पढ़ाया गया। और ऐसे ही भारतीयों का आत्मविश्वास चकनाचूर हो गया।
साथियों,
गुलामी की इस मानसिकता का कितना व्यापक असर हुआ है, मैं इसके कुछ उदाहरण आपको देना चाहता हूं। आज भारत, दुनिया की सबसे तेज़ी से ग्रो करने वाली मेजर इकॉनॉमी है, कोई भारत को ग्लोबल ग्रोथ इंजन बताता है, कोई, Global powerhouse कहता है, एक से बढ़कर एक बातें आज हो रही हैं।
लेकिन साथियों,
आज भारत की जो तेज़ ग्रोथ हो रही है, क्या कहीं पर आपने पढ़ा? क्या कहीं पर आपने सुना? इसको कोई, हिंदू रेट ऑफ ग्रोथ कहता है क्या? दुनिया की तेज इकॉनमी, तेज ग्रोथ, कोई कहता है क्या? हिंदू रेट ऑफ ग्रोथ कब कहा गया? जब भारत, दो-तीन परसेंट की ग्रोथ के लिए तरस गया था। आपको क्या लगता है, किसी देश की इकोनॉमिक ग्रोथ को उसमें रहने वाले लोगों की आस्था से जोड़ना, उनकी पहचान से जोड़ना, क्या ये अनायास ही हुआ होगा क्या? जी नहीं, ये गुलामी की मानसिकता का प्रतिबिंब था। एक पूरे समाज, एक पूरी परंपरा को, अन-प्रोडक्टिविटी का, गरीबी का पर्याय बना दिया गया। यानी ये सिद्ध करने का प्रयास किया गया कि, भारत की धीमी विकास दर का कारण, हमारी हिंदू सभ्यता और हिंदू संस्कृति है। और हद देखिए, आज जो तथाकथित बुद्धिजीवी हर चीज में, हर बात में सांप्रदायिकता खोजते रहते हैं, उनको हिंदू रेट ऑफ ग्रोथ में सांप्रदायिकता नज़र नहीं आई। ये टर्म, उनके दौर में किताबों का, रिसर्च पेपर्स का हिस्सा बना दिया गया।
साथियों,
गुलामी की मानसिकता ने भारत में मैन्युफेक्चरिंग इकोसिस्टम को कैसे तबाह कर दिया, और हम इसको कैसे रिवाइव कर रहे हैं, मैं इसके भी कुछ उदाहरण दूंगा। भारत गुलामी के कालखंड में भी अस्त्र-शस्त्र का एक बड़ा निर्माता था। हमारे यहां ऑर्डिनेंस फैक्ट्रीज़ का एक सशक्त नेटवर्क था। भारत से हथियार निर्यात होते थे। विश्व युद्धों में भी भारत में बने हथियारों का बोल-बाला था। लेकिन आज़ादी के बाद, हमारा डिफेंस मैन्युफेक्चरिंग इकोसिस्टम तबाह कर दिया गया। गुलामी की मानसिकता ऐसी हावी हुई कि सरकार में बैठे लोग भारत में बने हथियारों को कमजोर आंकने लगे, और इस मानसिकता ने भारत को दुनिया के सबसे बड़े डिफेंस importers के रूप में से एक बना दिया।
साथियों,
गुलामी की मानसिकता ने शिप बिल्डिंग इंडस्ट्री के साथ भी यही किया। भारत सदियों तक शिप बिल्डिंग का एक बड़ा सेंटर था। यहां तक कि 5-6 दशक पहले तक, यानी 50-60 साल पहले, भारत का फोर्टी परसेंट ट्रेड, भारतीय जहाजों पर होता था। लेकिन गुलामी की मानसिकता ने विदेशी जहाज़ों को प्राथमिकता देनी शुरु की। नतीजा सबके सामने है, जो देश कभी समुद्री ताकत था, वो अपने Ninety five परसेंट व्यापार के लिए विदेशी जहाज़ों पर निर्भर हो गया है। और इस वजह से आज भारत हर साल करीब 75 बिलियन डॉलर, यानी लगभग 6 लाख करोड़ रुपए विदेशी शिपिंग कंपनियों को दे रहा है।
साथियों,
शिप बिल्डिंग हो, डिफेंस मैन्यूफैक्चरिंग हो, आज हर सेक्टर में गुलामी की मानसिकता को पीछे छोड़कर नए गौरव को हासिल करने का प्रयास किया जा रहा है।
साथियों,
गुलामी की मानसिकता ने एक बहुत बड़ा नुकसान, भारत में गवर्नेंस की अप्रोच को भी किया है। लंबे समय तक सरकारी सिस्टम का अपने नागरिकों पर अविश्वास रहा। आपको याद होगा, पहले अपने ही डॉक्यूमेंट्स को किसी सरकारी अधिकारी से अटेस्ट कराना पड़ता था। जब तक वो ठप्पा नहीं मारता है, सब झूठ माना जाता था। आपका परिश्रम किया हुआ सर्टिफिकेट। हमने ये अविश्वास का भाव तोड़ा और सेल्फ एटेस्टेशन को ही पर्याप्त माना। मेरे देश का नागरिक कहता है कि भई ये मैं कह रहा हूं, मैं उस पर भरोसा करता हूं।
साथियों,
हमारे देश में ऐसे-ऐसे प्रावधान चल रहे थे, जहां ज़रा-जरा सी गलतियों को भी गंभीर अपराध माना जाता था। हम जन-विश्वास कानून लेकर आए, और ऐसे सैकड़ों प्रावधानों को डी-क्रिमिनलाइज किया है।
साथियों,
पहले बैंक से हजार रुपए का भी लोन लेना होता था, तो बैंक गारंटी मांगता था, क्योंकि अविश्वास बहुत अधिक था। हमने मुद्रा योजना से अविश्वास के इस कुचक्र को तोड़ा। इसके तहत अभी तक 37 lakh crore, 37 लाख करोड़ रुपए की गारंटी फ्री लोन हम दे चुके हैं देशवासियों को। इस पैसे से, उन परिवारों के नौजवानों को भी आंत्रप्रन्योर बनने का विश्वास मिला है। आज रेहड़ी-पटरी वालों को भी, ठेले वाले को भी बिना गारंटी बैंक से पैसा दिया जा रहा है।
साथियों,
हमारे देश में हमेशा से ये माना गया कि सरकार को अगर कुछ दे दिया, तो फिर वहां तो वन वे ट्रैफिक है, एक बार दिया तो दिया, फिर वापस नहीं आता है, गया, गया, यही सबका अनुभव है। लेकिन जब सरकार और जनता के बीच विश्वास मजबूत होता है, तो काम कैसे होता है? अगर कल अच्छी करनी है ना, तो मन आज अच्छा करना पड़ता है। अगर मन अच्छा है तो कल भी अच्छा होता है। और इसलिए हम एक और अभियान लेकर आए, आपको सुनकर के ताज्जुब होगा और अभी अखबारों में उसकी, अखबारों वालों की नजर नहीं गई है उस पर, मुझे पता नहीं जाएगी की नहीं जाएगी, आज के बाद हो सकता है चली जाए।
आपको ये जानकर हैरानी होगी कि आज देश के बैंकों में, हमारे ही देश के नागरिकों का 78 thousand crore रुपया, 78 हजार करोड़ रुपए Unclaimed पड़ा है बैंको में, पता नहीं कौन है, किसका है, कहां है। इस पैसे को कोई पूछने वाला नहीं है। इसी तरह इन्श्योरेंश कंपनियों के पास करीब 14 हजार करोड़ रुपए पड़े हैं। म्यूचुअल फंड कंपनियों के पास करीब 3 हजार करोड़ रुपए पड़े हैं। 9 हजार करोड़ रुपए डिविडेंड का पड़ा है। और ये सब Unclaimed पड़ा हुआ है, कोई मालिक नहीं उसका। ये पैसा, गरीब और मध्यम वर्गीय परिवारों का है, और इसलिए, जिसके हैं वो तो भूल चुका है। हमारी सरकार अब उनको ढूंढ रही है देशभर में, अरे भई बताओ, तुम्हारा तो पैसा नहीं था, तुम्हारे मां बाप का तो नहीं था, कोई छोड़कर तो नहीं चला गया, हम जा रहे हैं। हमारी सरकार उसके हकदार तक पहुंचने में जुटी है। और इसके लिए सरकार ने स्पेशल कैंप लगाना शुरू किया है, लोगों को समझा रहे हैं, कि भई देखिए कोई है तो अता पता। आपके पैसे कहीं हैं क्या, गए हैं क्या? अब तक करीब 500 districts में हम ऐसे कैंप लगाकर हजारों करोड़ रुपए असली हकदारों को दे चुके हैं जी। पैसे पड़े थे, कोई पूछने वाला नहीं था, लेकिन ये मोदी है, ढूंढ रहा है, अरे यार तेरा है ले जा।
साथियों,
ये सिर्फ asset की वापसी का मामला नहीं है, ये विश्वास का मामला है। ये जनता के विश्वास को निरंतर हासिल करने की प्रतिबद्धता है और जनता का विश्वास, यही हमारी सबसे बड़ी पूंजी है। अगर गुलामी की मानसिकता होती तो सरकारी मानसी साहबी होता और ऐसे अभियान कभी नहीं चलते हैं।
साथियों,
हमें अपने देश को पूरी तरह से, हर क्षेत्र में गुलामी की मानसिकता से पूर्ण रूप से मुक्त करना है। अभी कुछ दिन पहले मैंने देश से एक अपील की है। मैं आने वाले 10 साल का एक टाइम-फ्रेम लेकर, देशवासियों को मेरे साथ, मेरी बातों को ये कुछ करने के लिए प्यार से आग्रह कर रहा हूं, हाथ जोड़कर विनती कर रहा हूं। 140 करोड़ देशवसियों की मदद के बिना ये मैं कर नहीं पाऊंगा, और इसलिए मैं देशवासियों से बार-बार हाथ जोड़कर कह रहा हूं, और 10 साल के इस टाइम फ्रैम में मैं क्या मांग रहा हूं? मैकाले की जिस नीति ने भारत में मानसिक गुलामी के बीज बोए थे, उसको 2035 में 200 साल पूरे हो रहे हैं, Two hundred year हो रहे हैं। यानी 10 साल बाकी हैं। और इसलिए, इन्हीं दस वर्षों में हम सभी को मिलकर के, अपने देश को गुलामी की मानसिकता से मुक्त करके रहना चाहिए।
साथियों,
मैं अक्सर कहता हूं, हम लीक पकड़कर चलने वाले लोग नहीं हैं। बेहतर कल के लिए, हमें अपनी लकीर बड़ी करनी ही होगी। हमें देश की भविष्य की आवश्यकताओं को समझते हुए, वर्तमान में उसके हल तलाशने होंगे। आजकल आप देखते हैं कि मैं मेक इन इंडिया और आत्मनिर्भर भारत अभियान पर लगातार चर्चा करता हूं। शोभना जी ने भी अपने भाषण में उसका उल्लेख किया। अगर ऐसे अभियान 4-5 दशक पहले शुरू हो गए होते, तो आज भारत की तस्वीर कुछ और होती। लेकिन तब जो सरकारें थीं उनकी प्राथमिकताएं कुछ और थीं। आपको वो सेमीकंडक्टर वाला किस्सा भी पता ही है, करीब 50-60 साल पहले, 5-6 दशक पहले एक कंपनी, भारत में सेमीकंडक्टर प्लांट लगाने के लिए आई थी, लेकिन यहां उसको तवज्जो नहीं दी गई, और देश सेमीकंडक्टर मैन्युफैक्चरिंग में इतना पिछड़ गया।
साथियों,
यही हाल एनर्जी सेक्टर की भी है। आज भारत हर साल करीब-करीब 125 लाख करोड़ रुपए के पेट्रोल-डीजल-गैस का इंपोर्ट करता है, 125 लाख करोड़ रुपया। हमारे देश में सूर्य भगवान की इतनी बड़ी कृपा है, लेकिन फिर भी 2014 तक भारत में सोलर एनर्जी जनरेशन कपैसिटी सिर्फ 3 गीगावॉट थी, 3 गीगावॉट थी। 2014 तक की मैं बात कर रहा हूं, जब तक की आपने मुझे यहां लाकर के बिठाया नहीं। 3 गीगावॉट, पिछले 10 वर्षों में अब ये बढ़कर 130 गीगावॉट के आसपास पहुंच चुकी है। और इसमें भी भारत ने twenty two गीगावॉट कैपेसिटी, सिर्फ और सिर्फ rooftop solar से ही जोड़ी है। 22 गीगावाट एनर्जी रूफटॉप सोलर से।
साथियों,
पीएम सूर्य घर मुफ्त बिजली योजना ने, एनर्जी सिक्योरिटी के इस अभियान में देश के लोगों को सीधी भागीदारी करने का मौका दे दिया है। मैं काशी का सांसद हूं, प्रधानमंत्री के नाते जो काम है, लेकिन सांसद के नाते भी कुछ काम करने होते हैं। मैं जरा काशी के सांसद के नाते आपको कुछ बताना चाहता हूं। और आपके हिंदी अखबार की तो ताकत है, तो उसको तो जरूर काम आएगा। काशी में 26 हजार से ज्यादा घरों में पीएम सूर्य घर मुफ्त बिजली योजना के सोलर प्लांट लगे हैं। इससे हर रोज, डेली तीन लाख यूनिट से अधिक बिजली पैदा हो रही है, और लोगों के करीब पांच करोड़ रुपए हर महीने बच रहे हैं। यानी साल भर के साठ करोड़ रुपये।
साथियों,
इतनी सोलर पावर बनने से, हर साल करीब नब्बे हज़ार, ninety thousand मीट्रिक टन कार्बन एमिशन कम हो रहा है। इतने कार्बन एमिशन को खपाने के लिए, हमें चालीस लाख से ज्यादा पेड़ लगाने पड़ते। और मैं फिर कहूंगा, ये जो मैंने आंकडे दिए हैं ना, ये सिर्फ काशी के हैं, बनारस के हैं, मैं देश की बात नहीं बता रहा हूं आपको। आप कल्पना कर सकते हैं कि, पीएम सूर्य घर मुफ्त बिजली योजना, ये देश को कितना बड़ा फायदा हो रहा है। आज की एक योजना, भविष्य को Transform करने की कितनी ताकत रखती है, ये उसका Example है।
वैसे साथियों,
अभी आपने मोबाइल मैन्यूफैक्चरिंग के भी आंकड़े देखे होंगे। 2014 से पहले तक हम अपनी ज़रूरत के 75 परसेंट मोबाइल फोन इंपोर्ट करते थे, 75 परसेंट। और अब, भारत का मोबाइल फोन इंपोर्ट लगभग ज़ीरो हो गया है। अब हम बहुत बड़े मोबाइल फोन एक्सपोर्टर बन रहे हैं। 2014 के बाद हमने एक reform किया, देश ने Perform किया और उसके Transformative नतीजे आज दुनिया देख रही है।
साथियों,
Transforming tomorrow की ये यात्रा, ऐसी ही अनेक योजनाओं, अनेक नीतियों, अनेक निर्णयों, जनआकांक्षाओं और जनभागीदारी की यात्रा है। ये निरंतरता की यात्रा है। ये सिर्फ एक समिट की चर्चा तक सीमित नहीं है, भारत के लिए तो ये राष्ट्रीय संकल्प है। इस संकल्प में सबका साथ जरूरी है, सबका प्रयास जरूरी है। सामूहिक प्रयास हमें परिवर्तन की इस ऊंचाई को छूने के लिए अवसर देंगे ही देंगे।
साथियों,
एक बार फिर, मैं शोभना जी का, हिन्दुस्तान टाइम्स का बहुत आभारी हूं, कि आपने मुझे अवसर दिया आपके बीच आने का और जो बातें कभी-कभी बताई उसको आपने किया और मैं तो मानता हूं शायद देश के फोटोग्राफरों के लिए एक नई ताकत बनेगा ये। इसी प्रकार से अनेक नए कार्यक्रम भी आप आगे के लिए सोच सकते हैं। मेरी मदद लगे तो जरूर मुझे बताना, आईडिया देने का मैं कोई रॉयल्टी नहीं लेता हूं। मुफ्त का कारोबार है और मारवाड़ी परिवार है, तो मौका छोड़ेगा ही नहीं। बहुत-बहुत धन्यवाद आप सबका, नमस्कार।