মাননীয়া প্রেসিডেন্ট,
ভাইস প্রেসিডেন্ট,
প্রধানমন্ত্রী,
নামিবিয়ার মন্ত্রীগণ,
বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ,
প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে নামিবিয়ার সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান – "দ্য অর্ডার অফ দ্য মোস্ট এনসিয়েন্ট ওয়েলউইটসচিয়া মিরাবিলিস” গ্রহণ আমার কাছে অত্যন্ত গর্বের এবং সম্মানের।
প্রেসিডেন্ট, সরকার এবং নামিবিয়ার মানুষের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। ১৪০ কোটি ভারতবাসীর পক্ষে আমি বিনীতভাবে এই সম্মান গ্রহণ করছি।

বন্ধুগণ,
নামিবিয়ার উদ্ভিদ “ওয়েলউইটসচিয়া”, যে নামে এই সম্মান প্রদান করা হয়েছে, সেটি কোনও সাধারণ উদ্ভিদ নয়। এটি হল পরিবারের বয়ঃজ্যেষ্ঠদের মতো, যা সময়ের অনেক পরিবর্তনের সাক্ষী থেকেছে। এটি হল, নামিবিয়ার মানুষের লড়াই, সাহস এবং সংস্কৃতির প্রতীক। এটি হল, ভারত ও নামিবিয়ার মধ্যে অটল বন্ধুত্বের সাক্ষী।
আজ আমি এর সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে অত্যন্ত গর্ব অনুভব করছি। এই পুরস্কার আমি নামিবিয়া ও ভারতের মানুষকে উৎসর্গ করছি।
বন্ধুগণ,
কঠিন সময়ে আমরা উপলব্ধি করতে পেরেছি যে, কারা আমাদের প্রকৃত বন্ধু। স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় থেকেই ভারত ও নামিবিয়া পরস্পরকে সমর্থন জানিয়ে এসেছে। শুধুমাত্র রাজনীতির ওপর ভিত্তি করে নয়, পারস্পরিক লড়াইয়ে অংশীদারিত্ব, সহযোগিতা এবং গভীর বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে আমাদের বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে।

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যতের লক্ষ্যে অভিন্ন স্বপ্ন আমাদের বন্ধনকে মজবুত করেছে। আগামী দিনগুলিতে আমরা একসঙ্গে, পরস্পরের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাব।
বন্ধুগণ,
নামিবিয়া হল, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ হীরে উৎপাদনকারী দেশ এবং ভারতে রয়েছে হীরে পালিশের বৃহত্তম শিল্প এবং সেটিও রয়েছে আমার নিজের রাজ্য গুজরাতে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আগামীদিনে এই হীরের মতোই আমাদের অংশীদারিত্ব উজ্জ্বল হবে।
আসুন, আমরা সবাই একত্রিত হই এবং প্রেসিডেন্টের দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি। অটুট থাকুক, ভারত-নামিবিয়ার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব।
আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।
প্রধানমন্ত্রী মূল ভাষণটি দিয়েছেন হিন্দিতে।



