Lays foundation stone for Gurugram Metro Rail project to be developed at a cost of about Rs 5,450 crores
Lays foundation stone for AIIMS Rewari to be built at a cost of about Rs 1,650 crores
Inaugurates experiential museum ‘Anubhav Kendra’ at Jyotisar, Kurukshetra
Lays foundation stone and dedicates to nation multiple railway projects
Flags off train service in the Rohtak-Meham-Hansi section
“Double engine government of Haryana is committed to building world-class infrastructure”
“Very important for Haryana to become developed to make Viksit Bharat”
“Anubhav Kendra Jyotisar will introduce the world to the lessons by Lord Shri Krishna in Bhagavad Gita”
“Haryana Government has done commendable work to resolve water-related issues”
“Haryana making a huge name for itself in the textile and apparel industry”
“Haryana is emerging as a top state for investment, and increasing investment means an increase in new job opportunities”

ভারতমাতার জয়!
ভারতমাতার জয়!
ভারতমাতার জয়!

বীর ভূমি রেওয়ারি থেকে সমগ্র হরিয়াণাকে রাম রাম! আমি যখনই রেওয়ারিতে আসি, তখন অনেক পুরনো স্মৃতি জেগে ওঠে। রেওয়ারির সঙ্গে আমার একটি ভিন্নরকম সম্পর্ক রয়েছে। আমি জানি যে, রেওয়ারির জনগণ মোদীকে অনেক বেশি ভালোবাসেন। একটু আগেই আমার বন্ধু রাও ইন্দ্রজিৎজী এবং হরিয়াণার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলালজী যেমন বললেন, ২০১৩ সালে আমাকে যখন ভারতীয় জনতা পার্টি প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছিল, তখন আমার প্রথম কর্মসূচি রেওয়ারি থেকে শুরু হয়েছিল। সেবার রেওয়ারি আমাকে ২৭২ পার করার আশীর্বাদ দিয়েছিল। আর আপনাদের আশীর্বাদ ফলে গিয়েছিল। এখন যখন আমি আরেকবার রেওয়ারি এসেছি, তখন শুনতে পাচ্ছি যে, আপনারা একথা বলে আশীর্বাদ করছেন, ‘আপকি বার চারশো পার!’। তার মানে, এবার এনডিএ সরকার ৪০০ পার করবে।

 

বন্ধুগণ,

গণতন্ত্রে আসনের গুরুত্ব তো থাকেই। কিন্তু, এর সঙ্গে আমার জন্য জনগণের আশীর্বাদ অনেক বড় পুঁজি। আজ গোটা বিশ্বে ভারত আপনাদের আশীর্বাদের জোরেই এই নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আমি গতকালই দুটি দেশ সফর করে গভীর রাতে ভারতে ফিরেছি। ইউ এ ই এবং কাতার; আজ এই দুই দেশে ভারত যে সম্মান পায়, এই দেশগুলির প্রতিটি প্রান্ত থেকে যে শুভকামনা ভারত পায়, এই সম্মান শুধুই মোদীর নয়, এই সম্মান প্রতিটি ভারতবাসীর – আপনাদের সকলের। ভারত যে জি-২০ শিখর সম্মেলনকে এত সাফল্যের সঙ্গে আয়োজন করতে পেরেছে, তা আপনাদের এই আশীর্বাদের মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। আপনাদের আশীর্বাদের মাধ্যমেই আজ ভারতের ত্রিবর্ণরঞ্জিত জাতীয় পতাকা চাঁদে পৌঁছে গেছে, যেখানে আগে কেউ পৌঁছতে পারেনি, চাঁদের সেই জায়গায় পৌঁছেছে। গত ১০ বছরে ভারত অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্বের একাদশ স্থান থেকে এগিয়ে পঞ্চম মহাশক্তিতে পরিণত হয়েছে। এটাও আপনাদের আশীর্বাদের ফলেই সম্ভব হয়েছে। আর এখন আমার তৃতীয় শাসনকালের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আগামী বছরগুলিতে ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে আপনাদের আশীর্বাদ চাই। 

আমার হরিয়াণার ভাই ও বোনেরা,

উন্নত ভারত গড়ে তুলতে হরিয়াণার উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। আর হরিয়াণার উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন এখানে আধুনিক সড়কপথ নির্মাণ হবে, যখন আধুনিক রেল নেটওয়ার্ক গড়ে উঠবে, যখন এখানে বড় বড় উন্নতমানের হাসপাতাল নির্মাণ হবে। কিছুক্ষণ আগেই আমার প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে নির্মিত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প হরিয়াণার জনগণকে উৎসর্গ করার সৌভাগ্য হয়েছে। এতে রয়েছে – রেওয়ারি এইমস্‌ হাসপাতাল, গুরুগ্রাম মেট্রো, বেশ কিছু নতুন রেললাইন ও কয়েকটি নতুন ট্রেন। এছাড়া জ্যোতিসরে কৃষ্ণ সার্কিট প্রকল্পের অন্তর্গত একটি আধুনিক ও অনিন্দ্য সুন্দর সংগ্রহালয়ও রয়েছে। আর প্রভু রামের আশীর্বাদ এমনই যে, আজকাল প্রত্যেক জায়গায় আমার এ ধরনের পবিত্র কাজের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সৌভাগ্য হয়। প্রভু রামের কৃপায় এই মিউজিয়াম ভগবান শ্রীকৃষ্ণের গীতার সন্দেশ আর এই পবিত্র ভূমির ভূমিকা সম্পর্কে বিশ্বকে পরিচিত করাবে। আমি রেওয়ারি সহ সমগ্র হরিয়ানার জনগণকে এই পরিষেবাগুলির জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। 

 

ভাই ও বোনেরা,

আজকাল দেশ ও বিশ্বে মোদীর গ্যারান্টি নিয়ে খুব আলোচনা চলছে। আর আপনারা - রেওয়ারির জনগণ তো মোদীর গ্যারান্টির সর্বপ্রথম সাক্ষী ছিলেন। এখানে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে আমি দেশকে কিছু গ্যারান্টি দিয়েছিলাম। দেশের ইচ্ছা ছিল যে, বিশ্বে ভারতের প্রতিপত্তি বৃদ্ধি হোক। এটা আমি করে দেখিয়েছি। দেশের ইচ্ছা ছিল, অযোধ্যায় প্রভু রামের অনিন্দ্যসুন্দর মন্দির গড়ে উঠুক। আজ গোটা দেশ একটি অসাধারণ রামমন্দিরে বিরাজমান রামলালার দর্শন করতে পারছে। আমার যে কংগ্রেসের বন্ধুরা, আমাদের ভগবান রামকে কাল্পনিক বলতেন, যাঁরা কখনই চাইতেন না যে, অযোধ্যায় কখনই রামমন্দির নির্মিত হোক। তাঁরাও এখন ‘জয় সীয়া-রাম’ বলে জয়জয়কার করছেন। 

বন্ধুগণ,

কংগ্রেস অনেক দশক ধরে জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য সংবিধানে নির্ধারিত ৩৭০ ধারা বিলোপের বিরোধিতা করেছে। আমি আপনাদের গ্যারান্টি দিয়েছিলাম যে, এই ৩৭০ ধারা বিলোপ করে ছাড়বো। এরপর থেকে কংগ্রেসের নানারকম বাধা দানের পরও ৩৭০ ধারা আজ ইতিহাসের পাতায় হারিয়ে গেছে। আজ জম্মু ও কাশ্মীরের মহিলারা, দলিতরা আর পিছিয়ে পড়া বিভিন্ন জনজাতির মানুষ তাঁদের প্রাপ্য অধিকার পেতে শুরু করেছেন। সেজন্যই তো জনগণ আরেকটি সংকল্প গ্রহণ করেছেন। আপনারা বলছেন, যে দল ৩৭০ ধারা বিলোপ করেছে, সেই বিজেপি-কে এবার অন্তত ৩৭০টি আসনে জেতাতে হবে। আর তা হলেই এনডিএ ৪০০ পার করবে। 

বন্ধুগণ,

এই রেওয়ারিতে দাঁড়িয়েই আমি প্রাক্তন সৈনিকদের ‘এক পদ এক পেনশন’ চালু করার গ্যারান্টি দিয়েছিলাম। কংগ্রেস সরকার মাত্র ৫০০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ দেখিয়ে ‘এক পদ এক পেনশন’ চালু করার ধাপ্পা দিচ্ছিল। এই রেওয়ারির বীর ভূমি থেকে আমি যে সংকল্প নিয়েছিলাম, আপনাদের আশীর্বাদে তা বাস্তবায়িত করেছি। ইতিমধ্যেই এই ‘এক পদ এক পেনশন’ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাক্তন সৈনিকরা প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকা পেয়েছেন। আর এক্ষেত্রে হরিয়ানার প্রাক্তন সৈনিকরাও অত্যন্ত লাভবান হয়েছেন। শুধু রেওয়ারির সৈনিক পরিবারদের প্রাপ্য যদি হিসেব করি, তা হলে ‘এক পদ এক পেনশন’ – এর মাধ্যমে আপনারা ৬০০ কোটি টাকারও বেশি পেয়েছেন। আপনারা আমাকে বলুন, শুধু রেওয়ারির সৈনিক পরিবারগুলি যে টাকা পেয়েছে, তার থেকেও কম টাকা কংগ্রেস সরকার তার বাজেটে প্রাক্তন সৈনিকদের জন্য বরাদ্দ করেছিল। এরকম মিথ্যে এবং ধোকার কারণেই কংগ্রেসকে দেশবাসী প্রত্যাখ্যান করেছেন।

 

বন্ধুগণ,

আমি রেওয়ারির জনগণকে এই শহরের আশেপাশের এলাকার হরিয়াণার আত্মীয়জনদের গ্যারান্টি দিয়েছিলাম যে, এখানে এইমস্ গড়ে তুলবো। আর আজ থেকে এখানে এইমস্ নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেলো। আমাদের রাও ইন্দ্রজিৎ জি কম কথার মানুষ। কিন্তু, এই কাজটি করার জন্য তিনি লাগাতার তদবির করে গেছেন। আজ এইমস্ – এর শিলান্যাস হ’ল আর আপনাদের কথা দিচ্ছি, আমাদের কর্মসংস্কৃতি অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে এটির উদ্বোধনও আমিই করবো। এর মাধ্যমে এই এলাকার মানুষ উন্নত চিকিৎসার সুযোগ পাবেন। এখানকার তরুণ-তরুণীরা চিকিৎসক ও চিকিৎসা কর্মী হয়ে ওঠার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি, এই এলাকার অনেক তরুণ-তরুণী স্বনির্ভর হয়ে ওঠারও সুযোগ পাবেন। এটি দেশের ২২তম এইমস্ হবে। বিগত ১০ বছরে সারা দেশে ১৫টি নতুন এইমস্ হাসপাতাল গড়ে তোলা হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ভারতে প্রায় ৩৮০টি মেডিকেল কলেজ গড়ে উঠেছিল। আর গত ১০ বছরে ৩০০টিরও বেশি নতুন মেডিকেল কলেজ গড়ে উঠেছে। হরিয়াণাতেও প্রত্যেক জেলায় কমপক্ষে ১টি করে মেডিকেল কলেজ গড়ে তোলার কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। 

বন্ধুগণ,

আমি এরকম অনেক গ্যারান্টির কথা তুলে ধরতে পারি, যা আমরা দেশবাসীর আশীর্বাদে বাস্তবায়িত করতে পেরেছি। কিন্তু, কংগ্রেসের ট্র্যাক রেকর্ড কেমন? কংগ্রেসের ট্র্যাক রেকর্ড হ’ল দেশের অর্ধেকেরও বেশি জনসংখ্যাকে দশকের পর দশক ধরে ছোট ছোট প্রয়োজনগুলিকে এড়িয়ে চলা। শুধু একটি পরিবারের হিতকে দেশ ও দেশবাসীর হিতের উপরে রাখা। সেজন্য কংগ্রেসের ট্র্যাক রেকর্ড ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারির। কংগ্রেসের ট্র্যাক রেকর্ড সন্ত্রাসবাদ ও বিচ্ছন্নতাবাদকে প্রশ্রয় দেওয়া, সেনা এবং পুলিশ উভয়কে দুর্বল করে দেওয়া। এসব কথা বলা দরকার, কারণ আজও কংগ্রেসের ঐ টিমই রয়েছে। সেই নেতারাই রয়েছেন। আর তাঁদের উদ্দেশ্যও একই। তাঁদের সকলের নিষ্ঠা একটি পরিবারের মধ্যে নিহিত। তাহলে নীতিও সেরকমই হবে। লুঠমার, দুর্নীতি ও গরীব মানুষের সর্বনাশ।

বন্ধুগণ,

কংগ্রেস ভাবে যে, ক্ষমতায় থাকা তাঁদের জন্মসিদ্ধ অধিকার। সেজন্য গরীবের ছেলেটি যবে থেকে প্রধানমন্ত্রী হয়েছে, তাঁরা আমার বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। কিন্তু, ঈশ্বররূপী জনগণের আশীর্বাদ আমার সঙ্গে রয়েছে। কংগ্রেসের প্রত্যেকের ষড়যন্ত্রের সামনে এই আশীর্বাদই আমার ঢাল। এবার তো কংগ্রেস আমার বিরুদ্ধে সমস্ত রকম লড়াইয়ের পরিকল্পনা নিয়েছে। কিন্তু, আমার দেশের জনগণের সুরক্ষাকবচ তাঁদের সমস্ত প্রচেষ্টায় জল ঢেলে দেবে। জনগণের আশীর্বাদ, মা ও বোনেদের ইচ্ছাশক্তি, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আকুতি, তাঁদের ইচ্ছাকে সফল হতে দেবে না। সেজন্য আপনাদের সকলের আশীর্বাদে ভারতের প্রত্যেক প্রান্তের মানুষ আজ বলছেন, ‘আপকি বার এনডিএ সরকার’ ‘এনডিএ সরকার চারশো পার’ ‘এনডিএ সরকার চারশো পার’ ‘এনডিএ সরকার চারশো পার’। 

 

বন্ধুগণ,

এক পরিবারের মোহজালে আটকে পড়া কংগ্রেস আজ ইতিহাসের সবচেয়ে করুন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। হরিয়ানাতেও একই অবস্থা। তাঁদের নেতা তাঁর একটি স্টার্টআপ সামলাতে পারছেন না। আর এরা দেশ সামলানোর স্বপ্ন দেখছে। একের পর এক পুরনো নেতারা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। যাঁরা কখনও তাঁদের সঙ্গে আসবেন বলে ভেবেছিলেন, তাঁরাও তাঁদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। আজ পরিস্থিতি এতটাই সঙ্গীন যে, কংগ্রেসের যথেষ্ট কর্মী নেই, যেসব রাজ্যে কংগ্রেসের সরকার রয়েছে, সেখানে তাঁরা ভালোভাবে সরকার চালাতে পারছেন না। আজ হিমাচলের সরকারি কর্মচারীরা নিয়মিত বেতন ও পেনশন পাচ্ছেন না। কর্ণাটকে কংগ্রেস নির্ধারিত সময়ে কোনও প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করতে পারছে না।

ভাই ও বোনেরা,

একদিকে কংগ্রেসের কুশাসন আর অন্যদিকে বিজেপি-র সুশাসন। হরিয়াণায় ১০ বছর ধরে ডবল ইঞ্জিনের সরকার চলছে। সেজন্য মোদীর সমস্ত গরীব কল্যাণ প্রকল্প ১০০ শতাংশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে হরিয়াণা দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। চাষের ক্ষেত্রে হরিয়ানার অগ্রগতি অভূতপূর্ব। শিল্পোদ্যোগের পরিধিও এ রাজ্যে নিরন্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। যে দক্ষিণ হরিয়াণাকে পিছিয়ে রাখা হয়েছিল, আজ সেখানকার মানুষ শিল্পক্ষেত্রে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। দেশে সড়কপথ, রেলপথ ও মেট্রোকে সংযোগ করার বড়ো বড়ো প্রকল্প এই এলাকাকে সমৃদ্ধ করবে। দিল্লি – মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়ের দিল্লি – দোউসা – লাসোট প্রথম পর্যায়ের উদ্বোধন করে দেওয়া হয়েছে। দেশের দীর্ঘতম এক্সপ্রেসওয়ে হরিয়াণার গুরুগ্রাম, পলওয়ল এবং নূঁহ জেলা হয়ে যাবে। 

 

বন্ধুগণ,

২০১৪’র আগে হরিয়াণার জন্য রেল উন্নয়নের ক্ষেত্রে গড়ে ৩০০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ হ’ত। এ বছর হরিয়াণায় রেলের জন্য প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ হয়েছে। এখন দেখুন, কোথায় ৩০০ কোটি আর কোথায় ৩ হাজার! আর এই পরিবর্তন বিগত ১০ বছরে এসেছে। রোহতক – মহম – হাঁসি, জিন্দ – সোনীপথের মতো নতুন নতুন রেল লাইন স্থাপিত হয়েছে। আর আম্বালা ক্যান্ট থেকে ডপ্পর পর্যন্ত রেলপথকে ডবলিং করা হয়েছে। এই উন্নয়নের ফলে আপনাদের জীবনযাপন আরও সহজ হবে, ব্যবসা-বাণিজ্যেও দ্রুত সমৃদ্ধি আসবে। 

ভাই ও বোনেরা,

এই এলাকার কৃষকদের অনেক জলের সমস্যা ভুগতে হ’ত। হরিয়ানা রাজ্য সরকার এই সমস্যার সমাধানে প্রশংসনীয় কাজ করেছে। ফলে, আজ বিশ্বের কয়েকশো বড় কোম্পানী হরিয়াণাতে বিনিয়োগ করছে। এর ফলে, অসংখ্য নবীন প্রজন্মের মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। 

বন্ধুগণ,

আজ হরিয়ানা কাপড় ও বস্ত্র শিল্পে নাম উজ্জ্বল করছে। দেশ থেকে রপ্তানী হওয়া ৩ – ৫ শতাংশেরও বেশি কার্পেট, প্রায় ২০ শতাংশ পরিধেয় বস্ত্র হরিয়াণাতেই তৈরি হয়। হরিয়াণার বস্ত্রশিল্পকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে আমাদের ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগগুলি। পানীপথ হস্তচালিত তাঁতে তৈরি বস্ত্রের জন্য আর ফরিদাবাদ, গুরুগ্রাম রেডিমেড পোশাকের জন্য, সোনীপথ প্রযুক্তি নির্মিত বস্ত্রশিল্পের জন্য আর ভিওয়ানি মেশিনে বোনা বস্ত্রের জন্য বিখ্যাত। বিগত ১০ বছরে সরকার অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগগুলিকে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা সাহায্য করেছে। এর ফলে, আমাদের পুরনো ক্ষুদ্র শিল্প ও কুটির শিল্প তো শক্তিশালী হয়েছেই, পাশাপাশি হরিয়ানায় হাজার হাজার নতুন শিল্পোদ্যোগ গড়ে উঠেছে। 

 

বন্ধুগণ,

রেওয়ারি তো বিশ্বকর্মা বন্ধুদের কর্মনৈপুণ্যের জন্য বিখ্যাত। এখানকার পিতলের নকশা এবং হস্তশিল্প অত্যন্ত বিখ্যাত। ১৮টি ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্কিত এই ঐতিহ্যশালী কারিগরদের জন্য প্রথমবার আমরা পিএম বিশ্বকর্মা নামক একটি বড় প্রকল্পের কাজ শুরু করেছি। পিএম বিশ্বকর্মা যোজনার মাধ্যমে সারা দেশের লক্ষ লক্ষ সুবিধাভোগী এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার এই প্রকল্পের জন্য ১৩ হাজার কোটি টাকা খরচ করতে চলেছে। আমি নিশ্চিত যে, এই প্রকল্প এই ঐতিহ্যশালী কারিগর ও তাঁদের পরিবারের জীবন বদলে দেবে।

ভাই ও বোনেরা,

যাঁদের কাছে গ্যারান্টি দেওয়ার কিছু নেই, তাঁদের সঙ্গে রয়েছে মোদীর গ্যারান্টি। দেশের ক্ষুদ্র কৃষকদের ব্যাঙ্কে গ্যারান্টি দেওয়ার কিছু ছিল না। মোদী তাঁদের ‘পি এম কিষাণ সম্মান নিধি’র গ্যারন্টি দিয়েছে। দেশের গরীব, দলিত, পিছিয়ে পড়া এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর ছেলেমেয়েদের কাছে ব্যাঙ্কে গ্যারান্টি দেওয়ার কিছু ছিল না। তাঁদের কথা ভেবে মোদী মুদ্রা যোজনা শুরু করেছে। আর কোনও রকম গ্যারান্টি ছাড়াই ঋণদান করেছে। দেশের অনেক বন্ধুরা ঠেলা চালিয়ে অথবা রেলপথের দু’পাশে পসরা সাজিয়ে বসা বন্ধুদের গ্যারান্টি দেওয়ার কিছু ছিল না। অনেক দশক ধরে তাঁরা এই ব্যবসা করে যাচ্ছিলেন। তাঁদের কাছে গ্যারান্টি দেওয়ার মতো কিছু ছিল না। ‘পিএম স্বনিধি যোজনা’র মাধ্যমে তাঁরা যদি ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নেন, সেক্ষেত্রেও তাঁদের হয়ে মোদী গ্যারান্টি দিয়েছে।  

বন্ধুগণ,

আজ আমাদের বোনেরা যেভাবে আছেন, ১০ বছর আগে কি তাঁরা সেভাবে ছিলেন? তাঁদের জীবনের অধিকাংশ সময় দূরদূরান্ত থেকে জল আনতে, কাঠ জ্বালিয়ে ধোঁয়ায় রান্না করতেই সময় কেটে যেত। মোদী বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস সংযোগ আর বাড়িতে বাড়িতে নলবাহিত পরিশ্রুত জল পৌঁছে দিয়েছে। সেজন্য আজ হরিয়াণার গ্রামে গ্রামে আমার বোনেদের অনেক সময় সাশ্রয় হচ্ছে। এখন তাঁরা নিজেদের রোজগার বৃদ্ধির জন্য অনেক কাজ করতে পারছেন। বিগত ১০ বছরে সারা দেশে আমরা ১০ কোটি বোনেদের স্বনির্ভর প্রকল্পগুলির সঙ্গে যুক্ত করেছি। এতে আমার হরিয়াণার কয়েক লক্ষ বোন রয়েছেন। বোনেদের এই সমবায়গুলিকে কয়েক লক্ষ কোটি টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আমরা যত বেশি সম্ভব বোনেদের লাখপতি দিদিতে পরিণত করতে চাই। এখনও পর্যন্ত দেশের ১ কোটি বোনেরা লাখপতি দিদি হয়ে উঠেছেন। কিছুদিন আগে আমরা যে বাজেট পেশ করেছি, এতে অদূর ভবিষ্যতেই ৩ কোটি বোনেদের লাখপতি দিদি তৈরি করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। আমরা নমো ড্রোন দিদি যোজনাও চালু করেছি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সমবায়গুলিকে ড্রোন চালনার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আর প্রয়োজন অনুসারে, ড্রোনও দেওয়া হবে। এই ড্রোনগুলি কৃষির কাজে লাগবে আর এগুলির মাধ্যমে বোনেদের অতিরিক্ত রোজগারও সুনিশ্চিত হবে। 

 

বন্ধুগণ,

হরিয়াণা একটি অসাধারণ সম্ভাবনাময় রাজ্য। এবার হরিয়াণায় যাঁরা প্রথমবার ভোট দেবেন, সেই ১৮ – ২০ -২২ বছর বয়সী নবীনদেরকে বিশেষভাবে বলতে চাই যে, আপনাদের ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল হতে চলেছে। আমাদের ডবল ইঞ্জিন সরকার আপনাদের জন্য উন্নত হরিয়াণা গড়ে তুলছে। প্রযুক্তি থেকে শুরু করে বস্ত্র শিল্প পর্যন্ত, পর্যটন থেকে শুরু করে বাণিজ্য পর্যন্ত – প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা আপনাদের জন্য নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির চেষ্টা করছি। আজ গোটা বিশ্ব ভারতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। আর বিনিয়োগের ক্ষেত্রে হরিয়াণা ইতিমধ্যেই একটি শ্রেষ্ঠ পছন্দের রাজ্য হয়ে উঠে আসছে। আর বিনিয়োগ বৃদ্ধির মানে হ’ল যে, এই রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি হওয়া। সেজন্য ডবল ইঞ্জিন সরকার যাতে আপনাদের এই আশীর্বাদ পেতে থাকে, এটা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আরেকবার আপনাদের সকলকে নতুন এইমস্ – এর জন্য, হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে তৈরি এই প্রকল্পগুলির জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। আপনারা সবাই আমার সঙ্গে বলুন –

ভারতমাতার জয়!
ভারতমাতার জয়!
ভারতমাতার জয়!

অনেক অনেক ধন্যবাদ। 

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India’s Agricultural Transformation: How India’s Agri sector transformed over the last decade

Media Coverage

India’s Agricultural Transformation: How India’s Agri sector transformed over the last decade
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister congratulates Mr. Nikol Pashinyan on the impressive victory of the Civil Contract Party in the parliamentary elections in Armenia
June 08, 2026

Prime Minister Shri Narendra Modi today congratulated Mr. Nikol Pashinyan on the impressive victory of the Civil Contract Party in the parliamentary elections in Armenia. The Prime Minister stated that the renewed mandate reflects the enduring trust and confidence of the people of Armenia in his leadership and vision.

Shri Modi noted that he looks forward to working closely with him to further deepen the warm and historic ties of friendship and cooperation between India and Armenia.

The Prime Minister posted on X:

"Congratulations to Mr. Nikol Pashinyan on the impressive victory of the Civil Contract Party in the parliamentary elections. The renewed mandate reflects the enduring trust and confidence of the people of Armenia in your leadership and vision. I look forward to working closely with you to further deepen the warm and historic ties of friendship and cooperation between India and Armenia.

@NikolPashinyan"