“Need of the hour to solve the challenge faced by our planet using human-centric, collective efforts and robust action that further sustainable development”
“Mission LiFE borrows from the past, operates in the present and focuses on the future”
“Reduce, Reuse and Recycle are the concepts woven into our life. The Circular Economy has been an integral part of our culture and lifestyle”
“When technology and tradition mix, the vision of life is taken further”
“Our planet is one but our efforts have to be many - One earth, many efforts”
I congratulate Prime Minister Modi for taking a lead on this global initiative of citizen action to promote pro-climate behaviours: Bill Gates
India and the Prime Minister have been the world leaders with respect to environmental protection and climate change and human behaviour :Prof. Cass Sunstein, author of Nudge Theory
India is central to global environmental action: Ms Inger Andersen, UNEP Global Head
India is serving as kinetic energy behind the decisive climate action on the world stage: Mr Achim Steiner, UNDP Global Head
Mr Aniruddha Dasgupta, CEO and President of World Resources Institute thanks PM for a much needed global movement and conversation
Lord Nicholas Stern, Climate Economist recalls Prime MInister’s landmark speech at CoP 26 at Glasgow to set out an inspiring vision of a new path of development
Mr David Malpass, World Bank President praises Prime Minister’s leadership and empowerment of frontline workers in India’s key initiatives like Swachh Bharat, Jan Dhan, POSHAN etc

নমস্কার!

আমরা এইমাত্র যাঁদের বক্তব্য শুনলাম তাঁরা হলেন ইউএনইপি-র কর্ণধার মাননীয়া ইঙ্গার অ্যান্ডারসন, ইউএনডিপি-র কর্ণধার মাননীয় আকিম স্টেইনার, বিশ্বব্যাঙ্কের সভাপতি, আমার বন্ধু মিঃ ডেভিড ম্যালপাস, লর্ড নিকোলাস স্টার্ন, মিঃ কাস সানস্টেন, আমার বন্ধু মিঃ বিল গেটস, শ্রী অনীল দাশগুপ্ত, ভারতের পরিবেশ মন্ত্রী শ্রী ভূপিন্দর যাদব,

আপনাদের বক্তব্য জানানোর জন্য ধন্যবাদ,

ভদ্রমহোদয়া ও ভদ্রমহোদয়গণ

প্রিয় বন্ধু,

নমস্কার।

আজকের এই অনুষ্ঠান এবং আজকের দিনটি – দুটিই  অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আমরা পরিবেশ আন্দোলনের জন্য জীবনশৈলী – ‘লাইফ’এর সূচনা করলাম। এবছরের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের শ্লোগান হল ‘শুধুমাত্র একটি পৃথিবী।‘ এবারের মূল ভাবনা ‘প্রকৃতির সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে স্থিতিশীলভাবে জীবনযাপন করা।’ এই ভাবনার মধ্যে বিষয়টির গুরুত্ব ও সমাধান দুটিই রয়েছে।  

বন্ধুগণ,

আমাদের গ্রহের সমস্যাগুলি আমাদের সকলেরই জানা। সময় এসেছে স্থিতিশীল উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য মানবকেন্দ্রিক এক যৌথ উদ্যোগের মধ্য দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া। গত বছর গ্লাসগোতে COP26 সম্মেলনে আমি মিশন লাইফ – লাইফস্টাইল ফর এনভায়রনমেন্টের প্রস্তাব রেখেছিলাম। সারা বিশ্বজুড়ে এই প্রস্তাবের পক্ষে সমর্থন পাওয়া গেছে। আমি আনন্দিত যে, লাইফ আন্দোলনের বিষয়ে সিদ্ধান্তটি আজ কার্যকর হল। এই রেকর্ড পরিমাণ সমর্থনের জন্য আমি আমার কৃতজ্ঞতা জানাই। নাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে মিশন লাইফ ব্যক্তিগতস্তরে ও যৌথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। একটি উন্নত গ্রহের জন্য আমাদের পক্ষে যা যা সম্ভব আমরা তাই করব। লাইফের উদ্দেশ্য হল আমাদের গ্রহের নিয়মের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে জীবনযাপন করা, যাতে গ্রহের কোনো ক্ষতি না হয়। যাঁরা এই ধরণের জীবনযাপন করবেন তাঁদের ‘প্রো-প্ল্যানেট পিপল’ (গ্রহদরদী মানব) হিসেবে আখ্যায়িত করা হবে। অতীতের থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে বর্তমান সময়কালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

বন্ধুগণ,  

পৃথিবীর দীর্ঘ জীবনের মূল রহস্য হল আমাদের পূর্বপুরুষরা প্রকৃতির সঙ্গে সৌহার্দ্য বজায় রেখে চলতেন। যখন প্রথার প্রশ্ন আসে, তখন দেখা যায় পৃথিবীর প্রায় সর্বত্রই খুব সহজ সরল ও স্থিতিশীল সমাধান রয়েছে।

ঘানায় প্রচলিত নিয়ম কচ্ছপের সংরক্ষণকে সাহায্য করে। তাঞ্জানিয়ার সেরেঙ্গাটি অঞ্চলে হাতি ও বুশবাক হরিণকে পবিত্র বলে বিবেচনা করা হয়।    

তাই, এইসব প্রাণীরা অবৈধ শিকারের হাত থেকে রেহাই পায়। ইথিওপিয়ার ওকপাঘা ও ওকরিকি গাছগুলি বিশেষভাবে পূজিত হয়। জাপানে প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে ফুরোশিকিকে বিবেচনা করা হয়। সুইডেনের লাগম দর্শন একটি সুষম জীবনযাত্রা অতিবাহিত করতে উৎসাহ দেয়। ভারতে আমরা প্রকৃতিকে পবিত্র হিসেবে গণ্য করি। আমাদের দেবদেবীদের নিজস্ব গ্রহ রয়েছ এবং কোনো না কোনো প্রাণী তাঁদের সঙ্গে যুক্ত। আমি তো মাত্র কয়েকটি উদাহরণ দিলাম। এধরণের বহু আচার ব্যবহার রয়েছে। সম্পদের ব্যবহার কমানো, সেটির পুনর্ব্যবহার এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলা আমাদের জীবনশৈলীর অঙ্গ। আমাদের সংস্কৃতিক ও জীবনযাত্রায় বৃত্তীয় অর্থনীতি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।  

বন্ধুগণ,

আমি ১৩০ কোটি ভারতবাসীকে ধন্যবাদ জানাই। আমাদের দেশে আমাদের পরিবেশের জন্য বহু ভালো  কাজ  আমরা করেছি। আমাদের বনাঞ্চল বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে সিংহ, বাঘ, লেপার্ড, হাতি এবং গন্ডারের সংখ্যাও বেড়েছে। নির্ধারিত সময়ের ৯ বছর আগেই মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ জীবাশ্ম নয়, এধরণের জ্বালানির মাধ্যমে উৎপাদিত হচ্ছে। গত কয়েক বছরে প্রায় ৩৭ কোটি এলইডি বাল্ব বিতরণ করা হয়েছে। এর ফলে, প্রতি বছর প্রায় ৫ হাজার কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ বেঁচেছে। যার ফলে, প্রতি বছর প্রায় ৪ কোটি টন কার্বন ডাই অক্সাইড কম মিশ্রিত হচ্ছে। আজ ভারত নির্ধারিত ৫ মাস আগেই জ্বালানিতে ১০ শতাংশ ইথানল মিশ্রণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে। নভেম্বর মাসে এই লক্ষ্য পূরণের পরিকল্পনা ছিল। যা ইতিমধ্যেই পূরণ হয়েছে।  

২০১৩-১৪ সময়কালে জ্বালানির মধ্যে মাত্র ১.৫ শতাংশ ইথানল মেশানো হত। ২০১৯-২০ সময়কালে এই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৫ শতাংশ। এর ফলে, ভারতে জ্বালানি ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বৃদ্ধি পেয়েছে, অপরিশোধিত তেল আমদানির পরিমাণ কমেছে, আমরা ৫৫০ কোটি মার্কিন ডলার সাশ্রয় করতে পেরেছি। এর ফলে, প্রায় ২৭ লক্ষ টন কার্বন ডাই অক্সাইড কম নিঃসৃত হচ্ছে। আবার কৃষকের আয়ও ৫৫০ কোটি ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে। পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি ক্রমশ জনপ্রিয় হচ্ছে। আমাদের সরকার এই ক্ষেত্রের উন্নয়নের বিষয়ে  যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে থাকে।  

বন্ধুগণ,

আগামী দিনে আরও উদ্ভাবনের মাধ্যমে আমাদের এগিয়ে চলতে হবে। স্থিতিশীল উন্নয়নের জন্য প্রতিক্ষেত্রে আমরা উদ্ভাবকদের উৎসাহিত করব। প্রযুক্তি এক্ষেত্রে আমাদের সব থেকে বড় সমর্থক হতে পারে। যখন প্রযুক্তি এবং প্রথার মেলবন্ধন ঘটে, তখন জীবনযাত্রার ধারণার পরিবর্তন হয়। আমি এই বিষয়টি নিয়ে বিশেষ করে শিক্ষা জগতের সঙ্গে যাঁরা যুক্ত আছেন, গবেষক এবং আমাদের স্টার্ট-আপ সংস্থাগুলির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের౼ বিষয়গুলি নিয়ে ভাবার প্রস্তাব জানাচ্ছি। তাঁদের তারুণ্যে ভরপুর উৎসাহ উদ্দীপনা এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সারা পৃথিবীর অত্যন্ত প্রয়োজন। আমাদের ভালো নিয়মগুলি আমরা অন্যদের মধ্যে ভাগ করে নেবো এবং অন্যেরা যে বিষয়গুলি মেনে চলে সাফল্য অর্জন করেছেন আমরা সেগুলি শিখবো।

মহাত্মা গান্ধী এমন এক জীবনশৈলীর কথা বলেছিলেন, যেখানে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ হবে শূন্য। আসুন আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় সেই পথ অনুসরণ করি।

আমরা স্থিতিশীল বিভিন্ন ব্যবস্থাপনাকে গ্রহণ করি। সম্পদের পুনর্ব্যবহার, কম সম্পদ ব্যবহার এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য নীতি অনুসরণ করে চলি। আমাদের গ্রহ একটিই, কিন্তু আমাদের উদ্যোগ অনেক। এক গ্রহ অনেক উদ্যোগ।

বন্ধুগণ,  

উন্নত পরিবেশের জন্য যে কোনো উদ্যোগকে সমর্থন করতে ভারত প্রস্তুত,  যার মাধ্যমে সারা বিশ্বের মঙ্গল হবে। আমাদের  ট্র্যাক রেকর্ড সেকথাই বলছে। আজ যোগ অভ্যাসকে জনপ্রিয় করার জন্য আমরা গর্বিত। আন্তর্জাতিক সৌর জোট, ওয়ান সান, ওয়ান ওয়ার্ল্ড, ওয়ান গ্রিড ব্যবস্থাপনাকে গুরুত্ব দেওয়া, কোয়ালিশন ফর ডিজাস্টার রেসিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচারের মতো উদ্যোগগুলি এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। সারা বিশ্ব এই উদ্যোগগুলিকে সমর্থন যোগানোয় আমরা আনন্দিত। আমি নিশ্চিত লাইফ আন্দোলন আমাদের আবারও একত্রিত করবে এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে। আরও একবার আমি সারা পৃথিবীকে এই আন্দোলনে সামিল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা সবাই একসঙ্গে মিলে আমাদের গ্রহকে সুন্দর করে তুলবো। আসুন আমরা একসঙ্গে কাজ করি। এটাই কাজের সময়, লাইফের জন্য কাজের সময়, জীবনযাত্রার জন্য কাজের সময়, পরিবেশের জন্য কাজের সময়।  

ধন্যবাদ।

অনেক অনেক ধন্যবাদ

(প্রধানমন্ত্রী মূল ভাষণটি ইংরেজিতে দিয়েছেন)

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
IIT Delhi tops India in QS Rankings 2027; 52 Indian institutions feature

Media Coverage

IIT Delhi tops India in QS Rankings 2027; 52 Indian institutions feature
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Text of Prime Minister addresses the Indian Community in Paris
June 18, 2026

नमस्ते!

बों जू!

ऐसा लग रहा है, आप सब छुट्टी के मूड में हैं।

साथियों,

ये पेरिस शहर, Lights का शहर है, रंगों का शहर है, यहां Art है, Ideas हैं, और innovation की प्रेरणा भी है। इस शहर को भारत के अलग-अलग राज्यों से आए आप सभी लोग और भी खूबसूरत बना देते हैं। नए नए रंगों से भर देते हैं।

कोई तमिल है, कोई पंजाबी है, कोई गुजराती है, तो कोई मराठी है, और कोई बंगाली है। भारत के हर कोने का प्रतिनिधित्व यहां दिखाई देता है।

साथियों,

मैं जब 14 जून को नीस पहुंचा था तो सबसे पहले भारत इनोवेट्स कार्यक्रम में शामिल हुआ था। आज जब मैं फ्रांस से वापसी की तैयारी में हूं तो लग रहा है जैसे भारत कनेक्ट्स कार्यक्रम में आ गया हूं।

फ्रांस में रहने वाले आप लोगों ने 21वीं सदी के भारत-फ्रांस रिश्तों को जिस तरह कनेक्ट किया है, वो हमारी Strategic Partnership की बहुत बड़ी ताकत बन रही है। मैं आप सभी के लिए भारत से 140 करोड़ देशवासियों की शुभकामनाएं लेकर आया हूं। इस आत्मीय स्वागत के लिए, मैं आप सभी का हृदय से आभार व्यक्त करता हूं।

साथियों,

आज मैं ऐसे समय में फ्रांस आया हूं जब कुछ ही दिन पहले हमारी सरकार के 12 वर्ष पूरे हुए हैं। चुने हुए प्रधानमंत्री के रूप निरंतर 12 साल तक देश की सेवा करना मेरे जीवन का बहुत बड़ा सौभाग्य रहा है। यह भारत के लोकतंत्र की शक्ति है जिसने एक चायवाले को यहां तक पहुंचा दिया।

साथियों,

बीते 12 वर्ष, 140 करोड़ भारतीयों के अद्भुत सामर्थ्य के रहे हैं। 12 साल के इस कालखंड में भारत का GDP दोगुना हुआ है। Airports की संख्या दोगुनी हुई है। Universities की संख्या भी दोगुनी हो गई है। Highway Construction की स्पीड तीन गुना बढ़ गई। और Metro Network, चार गुणा बड़ा हो गया है।

मैं आपको कुछ और फैक्ट्स दूंगा, उससे आप अंदाजा लगा पाएंगे कि भारत किस स्पीड और कितने बड़े स्केल पर काम कर रहा है। पिछले 12 वर्षों में भारत का Defence Export 35 गुणा यानि Thirty Five Times बढ़ गया है।

औऱ एक फैक्ट सुनिए भारत में मोबाइल मैन्यूफैक्टरिंग यूनिट्स में, 100 गुणा की बढ़ोतरी हुई है। 100 times. भारत अब दुनिया का दूसरा सबसे बड़ा mobile phone manufacturer है। इसी गति, इसी प्रगति का नतीजा है कि आज भारत दुनिया की Fastest Growing Major Economy है।

साथियों,

आज भारत की कहानी सिर्फ Economic Progress की कहानी नहीं है। सिर्फ यहाँ अटक नहीं जाती है। ये Social Transformation की भी कहानी है।

पिछले 12 साल में देश में 25 करोड़ लोग गरीबी से बाहर निकले हैं। यानि एक ऐसी प्रगति जिसका लाभ समाज के अंतिम व्यक्ति तक पहुंच रहा है। फ्रांस में जितने घर हैं, उससे भी अधिक पक्के घर बीते 12 वर्ष में हमने जरूरतमंदों के लिए बनाए हैं।

अब हर परिवार के पास, गरीब से गरीब क्यों न हो, Bank Account है। Financial Inclusion एक सरकारी कार्यक्रम नहीं, बल्कि सामाजिक परिवर्तन का अभियान बना है।

साथियों,

इन 12 वर्षों की उपलब्धियों में, एक उपलब्धि ऐसी भी है जिसे किसी आंकड़े से, या अंकों से, नहीं मापा जा सकता। वह है 140 करोड़ भारतीयों का आत्मविश्वास।

आज का भारत और आज के भारत का युवा बहुत बड़े सपने देख रहा है। भारत का किसान नई संभावनाओं के साथ आगे बढ़ रहा है। भारत की महिलाएं नए नेतृत्व का परिचय दे रही हैं। इसलिए ये सिर्फ Achievements के 12 साल नहीं हैं, ये भारत की एस्पिरेशन्स को नई बुलंदी देने का कालखंड रहा है।

साथियों,

एक समय था जब दूर-दराज के गांवों तक आधुनिक सुविधाएं पहुंचाना वाकई बहुत मुश्किल भरा था। आज उन्हीं गांवों में बिजली भी है, इंटरनेट भी है, और डिजिटल सेवाओं की पूरी दुनिया भी है। आज एक क्लिक पर, कभी भी, कहीं भी बैंकिंग सेवाएं उपलब्ध हैं।

आज मोबाइल फोन, भारत के नागरिकों को अनेक सुविधाओं से कनेक्ट कर रहा है। हमारे किसान, हमारे मछुआरे, हमारे dairy farmers, हमारी महिलाएं, हमारे स्टूडेंट्स, सभी टेक्नोलॉजी के माध्यम से सशक्त हो रहे हैं, और अपने लिए नए अवसर बना रहे हैं।

साथियों,

आपने 125 करोड़ से अधिक Aadhaar IDs के बारे में सुना है। लेकिन आज भारत सिर्फ पहचान को डिजिटल नहीं बना रहा। आज करीब 90 करोड़ भारतीयों की Unique Digital Health IDs बनाई जा चुकी हैं। जिससे मेडिकल रिकॉर्ड सुरक्षित और accessible बन गए हैं। इससे हेल्थकेयर डिलीवरी और अधिक आसान और efficient हो रही है।

साथियों,

इन उपलब्धियों की सबसे बड़ी विशेषता यह है कि इनमें से अधिकांश चीजें कुछ वर्ष पहले तक कल्पना जैसी लगती थीं। कौन सोच सकता था कि गांव-गांव तक हाई-स्पीड इंटरनेट पहुंचेगा ? कौन सोच सकता था कि दूर-सुदूर के गांवों में भी QR code जीवन का हिस्सा बन जायेगा ? गांव में कोई बहन, ड्रोन से खेती करने में मदद करेगी, ये भी असंभव लगता था।

लेकिन आज यह सब, भारत के करोड़ों लोगों के जीवन का सामान्य हिस्सा बनता जा रहा है। और आपको गर्व होगा साथियों, यही नए भारत की पहचान है।

जो कभी सपना था, वह आज सच्चाई है। जो कभी नामुमकिन लगता था, वो आज मुमकिन हुआ है, औऱ ये करने के पीछे सबसे बड़ी ताकत क्या है? किसकी वजह से ये सब संभव हुआ है? यह मोदी के कारण नहीं, वो ताकत है- भारत का लोकतंत्र, भारत की डेमोक्रेसी। इस डेमोक्रेसी में सबका साथ है, सबका विकास है।

साथियों,

आज से 50 या 100 साल बाद जब भारत के इस कालखंड की समीक्षा होगी, तो ये बात उभरकर सामने आएगी कि इस कालखंड को भारत की Aspirations ने ड्राइव किया। यह भारत के एस्पिरेशन्स का नया युग है।

जहां बिजली पहुंची है, वहां लोग सिर्फ बिजली नहीं चाहते, वे Smart Living चाहते हैं। जहां ट्रेन पहुंची है, वहां लोग High-Speed Connectivity चाहते हैं। जहां हाईवे बने हैं, वहां लोग World-Class Expressways चाहते हैं। जहां इंटरनेट पहुंचा है, वहां लोग AI और Digital Innovation में नेतृत्व चाहते हैं।

यानि आज भारत के लोग अपने जीवन को भी Next Level पर ले जाना चाहते हैं, और भारत को भी Next Level पर ले जाना उनका मकसद है, उनका संकल्प है, उनके सपने है।

और साथियों,

यही Aspirations आज भारत की विकास यात्रा की सबसे बड़ी शक्ति हैं। मैं आपको भारत की Space Journey का उदाहरण दूंगा।

भारत ने चंद्रयान को चंद्रमा के South Pole पर उतारा। दुनिया ने इसे एक बहुत बड़ी उपलब्धि माना। लेकिन भारत इसे अपनी मंजिल मानकर रुका नहीं। आज देश गगनयान की तैयारी कर रहा है। भारत अंतरिक्ष में अपना Space Station बनाने की दिशा में आगे बढ़ रहा है।

हमारे Space Startups Global Space Economy में अपनी जगह बनाने के लिए पुरजोश काम कर रहे हैं, आगे बढ़ रहे हैं।

साथियों,

Green Energy के क्षेत्र में भी भारत की यही एस्पिरेशंस दिखाई देती है। Solar Power में भारत की उपलब्धियों की दुनिया भर में लगातार चर्चा हो रही हैं। लेकिन भारत अगली छलांग की तैयारी कर रहा है।

Green Hydrogen में बड़े निवेश हो रहे हैं। Advanced Nuclear Energy पर तेजी से काम हो रहा है। आपने भारत के Fast Breeder nuclear Reactor से जुड़ी प्रोग्रेस के बारे में भी सुना ज़रूर होगा। ये भारत के न्यूक्लियर एनर्जी लैंडस्केप में क्रांतिकारी परिवर्तन करने का बहुत बड़ा अचीवमेंट हमारे सीसेन्टिस्टों ने किया है।

साथियों,

आज का भारत भविष्य का पूरा Ecosystem बना रहा है। भारत एक साथ हर उस क्षेत्र में निवेश कर रहा है, जो आने वाले दशकों की दिशा तय करेगा।

अभी आपने कुछ दिन पहले ही देखा है नीस में भारत इनोवेट्स का एक आयोजन किया। ये इवेंट भारत के डीप टेक सामर्थ्य को दुनिया तक पहुंचाने का एक और माध्यम था। इसमें भारत के 120 Deep-Tech Startups उपस्थित थे। Bharat Innovates में करीब एक हजार चार सौ B2B Meetings हुईं है। कई Startups के लिए Investment Commitments आगे बढ़ीं, Commercial Orders के लिए रास्ते खुले। French और European Universities तथा Incubators के साथ Engagements बढ़ रही हैं।

Student Exchanges, Joint Research, और Innovation Support के नए रास्ते बने। इसलिए Bharat Innovates सिर्फ एक Summit नहीं रहा। यह Innovation Diplomacy का एक नया मॉडल बना है।

और आज ही पेरिस में VivaTech इवेंट के जरिए, इस यात्रा को हमने और आगे बढ़ाया। नीस में हमने Ideas को Capital से जोड़ा और पेरिस में Indian Innovation को Global Scale से जोड़ा। आज दुनिया देख रही है भारत केवल भविष्य के लिए तैयार नहीं हो रहा है। भारत भविष्य को आकार दे रहा है।

साथियों,

एक समय था, जब देशों के बीच रिश्ते केवल व्यापार से तय होते थे। आज व्यापार के साथ-साथ Trust यानि भरोसा भी उतना ही महत्वपूर्ण हो गया है।

हर देश Reliable Supply Chains चाहता है। हर देश Stable Partnerships चाहता है। हर देश ऐसे साथियों की तलाश में है, जिन पर लंबे समय तक भरोसा किया जा सके। और ऐसे समय में, भारत विश्व में एक Trusted Partner के रूप में उभर रहा है।

एवियां में G7 बैठक के दौरान मैंने trust based partnerships बनाने पर ज़ोर दिया। ग्लोबल साउथ के देशों के साथ equal पार्टनर्स के रूप में आगे बढ़ने का आह्वान किया। भारत का G7 समिट में संदेश था Global Governance तभी प्रभावी होगी जब वह Inclusive होगी। Global Growth तभी Sustainable होगी जब वह शेयर्ड होगी। और Global Technology तभी मानवता के लिए उपयोगी होगी जब वह Trusted होगी।

साथियों,

भारत और दुनिया के बीच व्यापारिक रिश्तों में नई ऊर्जा नज़र आ रही है। फ्रांस के साथ भारत का ट्रेड लगतार बढ़ रहा है। पिछले कुछ वर्षों में भारत ने दुनिया के अनेक देशों के साथ Free Trade Agreements किए हैं। यूरोपियन यूनियन हो, यूनाइटेड किंगडम हो दुनिया के हर देश, हर रीजन के साथ भारत समझौते कर रहा है।

अगले महीने से भारत और UK के बीच ट्रेड एग्रीमेंट भी लागू हो जाएगा। यह एग्रीमेंट भारत के farmers, workers और innovators को अनेक नए अवसर प्रदान करेगा।

साथियों,

आज दुनिया Uncertainty और Disruption के दौर से गुजर रही है। ऐसे समय में भारत और फ्रांस की साझेदारी विश्वास, स्थिरता और सहयोग का एक मजबूत स्तंभ बन रहा है।

इस वर्ष हमने भारत और फ्रांस के संबंधों को Special Global Strategic Partnership का दर्जा दिया था। नीस में मेरे मित्र President Macron और मैंने हमारे संबंधों को force for global good बनाने पर चर्चा की। Defence से लेकर space और नुक्लियर तक AI और क्रिटीकल मिनरल्स से लेकर high speed railway तक, हर क्षेत्र में हम मिलकर आगे बढ़ेंगे।

साथियों,

Solar energy हो, या AI के क्षेत्र में सहयोग हो, भारत और फ्रांस मिलकर ऐसे समाधान विकसित कर रहे हैं जो पूरी मानवता के हित में हैं। पिछले वर्ष पेरिस में और इस वर्ष दिल्ली में हमने AI Summit को Co-chair किया।

अब हम साथ मिलकर अगले वर्ष “तृष्णा” satellite को लॉन्च करने जा रहें हैं। यह “तृष्णा” satellite जो विश्व में फूड और वाटर सिक्युरिटी सुनिश्चित करने में योगदान देगा।

और साथियों,

यह सभी गवर्नमेंट टू गवर्नमेंट पहलो में आप सभी का योगदान बहुत महत्वपूर्ण है। ये आप हैं जो भारत और यूरोप के बीच सबसे मजबूत सेतु हैं। आप दोनों समाजों को समझते हैं। दोनों बाजारों को समझते हैं। आने वाले समय में Talent, Trade, Technology, Tourism और Investment के नए अवसरों को आगे बढ़ाने में आपकी भूमिका लगातार बढ़ने वाली हैं।

साथियों,

भारत और फ्रांस के रिश्तों को साझा इतिहास, साझा मूल्यों और साझा विश्वास ने आगे बढ़ाया है। विश्व युद्धों के दौरान फ्रांस की धरती पर बलिदान देने वाले भारतीय सैनिकों की स्मृतियां आज भी हमें जोड़ती हैं।

मुझे पहले नव शापेल में श्रद्धांजलि देने का अवसर मिला, पिछले वर्ष प्रेसिडेंट मैक्रों के साथ मार्सेय के वॉर मेमोरियल जाने का अवसर भी मिला। ये हमारी साझा विरासत है।

फ्रांस, भारतीयों के योगदान को संजोता भी है और सराहता भी है। भारतीय मूल की नूर इनायत खान हों, जिन्होंने फ्रांस की Resistance के लिए अपना जीवन बलिदान किया, या महाराजा रणजीत सिंह के साथ काम करने वाले जनरल जां फ्रांस्वा अलार हों ये सभी भारत और फ्रांस की साझा विरासत के प्रतीक हैं।

भारत के राज्य पुडुचेरी में भी फ्रेंच विरासत की झलक दिखाई देती है। वहां का Architecture, वहां की कला-संस्कृति और खान-पान सभी में हमारे संबंधों की महेक है।

साथियों,

इस समय फ्रांस समेत पूरी दुनिया में International Yoga Day की तैयारी भी चल रही है। इस अवसर पर मैं, फ्रांस में योग को आगे बढ़ाने वाले श्रीमान महेश घाट्राड्याल जी को भी आदरपूर्वक श्रद्धांजलि देता हूं। मैं पद्म पुरस्कार से सम्मानित, शार्लोत शोपां जी को भी प्रणाम करता हूं। जिन्होंने सौ वर्ष की आयु में भी, योग के माध्यम से फ़्रांस को भारत की विरासत से जोड़ा है। उनका जीवन यह सिद्ध करता है: Yoga does not add years to life, it adds life to years.

साथियों,

मैं फ्रेद नेग्री जी को भी आदरपूर्वक श्रद्धापूर्वक याद करता हूं। भारतीय विरासत को संरक्षित करने में उनका योगदान अतुल्य रहा है।

साथियों,

भारत और फ्रांस को कनेक्ट करने वाली एक और चीज है, और वो है फुटबॉल। इस वक्त यहां फुटबॉल फीवर पूरे जोर पर है। फ्रांस में इसकी दीवानगी, चप्पे-चप्पे पर दिखती है। लेकिन भारत में भी फुटबॉल का क्रेज़ सिर चढ़कर बोलता है।

खासतौर पर फ्रांस की टीम के फैन्स भारत में बहुत अधिक हैं। फ़्रांस ने इस वर्ल्ड कप की शुरुआत एक जोरदार जीत से शुरू की है। मैं फ्रांस की टीम को बहुत-बहुत शुभकामनाएं देता हूं।

साथियों,

जाने से पहले, आप सभी के लिए कुछ और अच्छी खबरें भी लेकर के आया हूँ। वो आपके लिए हैं। पिछले वर्ष, मार्सेय में कॉन्सुलेट खोला गया, इससे काफी अधिक सुविधा मिल रही है। कुछ हफ्ते पहले, Indian Nationals के लिए French Airports पर Visa-free Transit की व्यवस्था शुरू हो गई है।

Students और Professionals की Mobility बढ़ाना हो, या Educational Qualifications की Mutual Recognition की बात हो, या फिर French Universities के भारत में Campus खोलना हो, इन सभी पर हम मिलकर आगे बढ़ रहें हैं।

अब फ्रांस में UPI के उपयोग का दायरा भी और बढ़ने जा रहा है। यानि भारत-फ्रांस कनेक्ट भी Instant और आपसी Payment भी Instant!

साथियों,

इन सभी पहलों से, हम भारत और फ़्रांस को और करीब ला रहें हैं। और मैं फिर कहूंगा इस साझेदारी की नींव, इस रिश्ते की असली ताकत आप सभी हैं। आप सब मेरे देशवासी हैं।

आज जब भारत तेज़ी से विकसित भारत के लक्ष्य की ओर बढ़ रहा है, तो मैं आप सभी से भारत के साथ और गहराई से जुडने का आग्रह करूंगा। इससे भारत की विकास यात्रा को नई शक्ति मिलेगी, और आपको अपनी पुरखों की धरती की सेवा करने का अवसर भी मिलेगा।

इन्हीं शब्दों के साथ आप सभी के प्रेम आपके उत्साह और इस आत्मीय स्वागत के लिए मैं एक बार फिर आप सभी का आभार व्यक्त करता हूं।

भारत माता की जय!

बहुत बहुत धन्यवाद।