“Dedicating this project on Ekta Diwas makes it more special”
“Due to double-engine government ‘Gati’ as well as ‘Shakti’ of development is increasing”
“Improvement in the condition of railway stations across the country is clearly visible today”
“Poor and middle class are getting the ambience that was once accessible only to the well-to-do”
​​​​​​​“Unbalanced development has been a big challenge in our country. Our government is working to solve this”

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আমার সহযোগী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবজী, দর্শনা বেন জার্দোশ, রাজ্যের মন্ত্রী, সাংসদ ও বিধায়কগণ আর বিপুল সংখ্যায় আগত আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা!

গুজরাটের উন্নয়নের জন্য এই রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের ক্ষেত্রে আজ একটি অত্যন্ত বড় দিন। গুজরাটের লক্ষ লক্ষ মানুষ, যাঁরা আগে একটি বড় অঞ্চলে ব্রডগেজ লাইন না থাকার কারণে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতেন - আজ থেকে তাঁরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবেন। কিছুক্ষণ আগে আমার অসারভা রেল স্টেশনে, অসারওয়া থেকে উদয়পুরগামী ট্রেনটিকে সবুজ পতাকা দেখানোর সৌভাগ্য হয়েছে। লুণিধর ও জেতলসর – এর মধ্যে ব্রডগেজ লাইনে আজ বেশ কিছু নতুন ট্রেনকে সবুজ পতাকা দেখানো হয়েছে।

বন্ধুগণ,

আজকের এই আয়োজন শুধুই দুটি রেল রুটে দুটি ট্রেন চালু করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। এই শুভারম্ভের মাধ্যমে কত বড় কাজ হয়েছে, সে সম্পর্কে বাইরের কোনও মানুষ সহজে অনুভব করতে পারবেন না। এই কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে করতে অনেক দশক পেরিয়ে গেছে। কিন্তু, এই কাজ সম্পূর্ণ করার সৌভাগ্য আজ আমার হ’ল।

বন্ধুগণ,

ব্রডগেজ ছাড়া অন্য রেললাইনগুলি বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো হয়। অর্থাৎ, এগুলি অন্য কারও সঙ্গে যুক্ত করা থাকে না। এ যেন ইন্টারনেট ছাড়া কম্প্যুটার, সংযোগ বিহীন টিভি কিংবা নেটওয়ার্ক বিহীন মোবাইলের মতো। এই রুটে চলতে থাকা ট্রেনগুলি দেশের অন্যান্য রাজ্যে যেতে পারতো না আর অন্য রাজ্য থেকে কোনও ট্রেনও আসতে পারতো না। আজ থেকে এই সম্পূর্ণ রুটে নতুন পরিবর্তন এল। এখন অসারওয়া থেকে হিম্মতনগর হয়ে উদয়পুর পর্যন্ত মিটারগেজ লাইন ব্রডগেজে রূপান্তরিত হয়েছে। আর আজ আমাদের এই কর্মসূচির সঙ্গে গুজরাটের পাশাপাশি, রাজস্থানের জনগণও যুক্ত হয়েছেন। লুণিধর – জেতলসর এর মধ্যে যে মিটারগেজ থেকে ব্রডগেজে পরিবর্তনের কাজ হয়েছে, সেটিও এই এলাকায় রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সহজ করে তুলবে। এখন এই এলাকা থেকে চালু হওয়া রেলগাড়িগুলি দেশের অন্য যে কোনও জায়গায় যেতে পারবে।

বন্ধুগণ,

যখন কোনও রুটে মিটারগেজের লাইন ব্রডগেজে রূপান্তরিত হয়, এই পরিবর্তন তার সঙ্গে অনেক সম্ভাবনা নিয়ে আসে। অসারওয়া থেকে উদয়পুর পর্যন্ত প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ রেললাইনের ব্রডগেজে রূপান্তরণ এজন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অংশের রেললাইন ব্রডগেজে রূপান্তরিত হওয়ায় গুজরাট ও রাজস্থানে জনজাতি অধ্যুষিত এলাকাগুলি দিল্লি ও উত্তর ভারতের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানের সঙ্গে যুক্ত। এই অংশের রেললাইন ব্রডগেজে রূপান্তরিত হওয়ার মাধ্যমে আমেদাবাদ ও দিল্লির মধ্যে একটি বিকল্প রুটও তৈরি হয়ে গেল। শুধু তাই নয়, এখন কচ্ছের পর্যটন কেন্দ্রগুলি আর উদয়পুরের বিভিন্ন পর্যটন স্থলের মধ্যেও একটি প্রত্যক্ষ রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হয়ে গেল। এর ফলে, কচ্ছ, উদয়পুর, চিতরগড় এবং শ্রীনাথদ্বারের পর্যটন স্থলগুলিতে আরও বেশি পর্যটক যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়লো। আমেদাবাদের মতো বড় শিল্প কেন্দ্রগুলির সঙ্গে এই এলাকার ব্যবসায়ীরা এখন সরাসরি যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে, হিম্মত নগরে টাইলস্‌ শিল্প অনেক উপকৃত হতে চলেছে। একই রকমভাবে লুণিধর - জেতলসর রেললাইন ব্রডগেজে রূপান্তরণের ফলে এখন ঢসা থেকে জেতলসর অংশটি সম্পূর্ণ ব্রডগেজে রূপান্তরিত হ’ল। এই রেললাইন বোটাদ, অমরেলি এবং রাজকোট জেলার মধ্য দিয়ে এগিয়েছে, যেখানে এতদিন পর্যন্ত সীমিত রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল। এই ব্রডগেজ রূপান্তরণের কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার ফলে এখন ভাবনগর থেকে অমরেলি - এই এলাকার জনগণ সরাসরি সোমনাথ এবং পোরবন্দরে যাতায়াত করতে পারবেন।

বন্ধুগণ,

এর মাধ্যমে আরেকটি লাভ হবে। এই রুটের মাধ্যমে আমাদের ভাবনগর ও সৌরাষ্ট্র এলাকা জনগণের জন্য রাজকোট, পোরবন্দর এবং ভেরাওয়ালের শহরগুলির দূরত্ব হ্রাস পেয়েছে। এখন ভাবনগর থেকে ভেরাওয়ালের দূরত্ব ৪৭০ কিলোমিটার, যেতে লাগে ১২ ঘন্টা। এই ব্রডগেজের কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর যখন নতুন রুট খুলবে, তখন এই দূরত্ব হ্রাস পেয়ে ২৯০ কিলোমিটারেরও কম হবে। আর প্রায় ৬ ঘন্টাতেই এই যাত্রা সম্পন্ন করা যাবে।

বন্ধুগণ,

নতুন রুট হওয়ার পর ভাবনগর থেকে পোরবন্দরের মধ্যে দূরত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার কমেছে। আর ভাবনগর থেকে রাজকোটের মধ্যে দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার হ্রাস পেয়েছে। এই রেল রুট এখন সুরেন্দ্রনগর – রাজকোট – সোমনাথ – পোরবন্দরগামী রেলপথের বিকল্প পথ হিসাবে ব্যবহার করা যাবে। এই ব্রডগেজ রেলপথগুলিতে চলতে থাকা রেলগাড়িগুলি গুজরাটের শিল্পোন্নয়নকে আরও গতিশীল করবে। গুজরাটের পর্যটন শিল্পকেও সহজ করে তুলবে। আর যে এলাকা গোটা দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল, সেটিকে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করবে। আজ জাতীয় একতা দিবসে এই প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন দেশের একতা ও অখন্ডতার পক্ষে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বন্ধুগণ,

যখন ডবল ইঞ্জিন সরকার কাজ করে, তখন তার প্রভাব দ্বিগুণ হয় না, বরং কয়েকগুণ বেশি হয়। এখানে একে একে দুই না, বরং একের পাশে এক বসে এগারোর শক্তি ধারণ করে। গুজরাটে রেল পরিকাঠামোর উন্নয়নও এরকম এগারোর শক্তি ধারণের একটি উদাহরণ। আমি সেইদিনের কথা কখনও ভুলতে পারব না, ২০১৪ সালের আগে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী রূপে এই রাজ্যে নতুন নতুন রেল রুটের জন্য আমাকে বারবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দরবার করতে হ’ত। কিন্তু, তখন অন্যান্য অনেক অঞ্চলের মতোই গুজরাটের সঙ্গে অন্যায় ব্যবহার করা হ’ত। ডবল ইঞ্জিন সরকার হওয়ার পর গুজরাটে উন্নয়নের কাজ ত্বরান্বিত হয়েছে। উন্নয়নের ফল সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার শক্তিও বেড়েছে। ২০০৯ – ২০১৪ সালের মধ্যে গুজরাটে ১২৫ কিলোমিটারেরও কম রেলপথকে ডবল লাইন করা হয়েছিল। আর ২০১৪ – ২০২২ সালের মধ্যে এই রাজ্যে ৫৫০ কিলোমিটারেরও বেশি রেলপথকে ডবল লাইন করা হয়েছে। এভাবেই ২০০৯-২০১৪’র মধ্যে গুজরাটে মাত্র ৬০ কিলোমিটার রেলপথে বৈদ্যুতিকীকরণ হয়েছিল। যেখানে ২০১৪ – ২০২২ এর মধ্যে ১ হাজার ৭০০ কিলোমিটারেরও বেশি ট্র্যাকের বৈদ্যুতিকীকরণ সম্পন্ন হয়েছে। অর্থাৎ, আমাদের ডবল ইঞ্জিন সরকার আগের তুলনায় অনেক গুণ বেশি কাজ করে দেখিয়েছে।

বন্ধুগণ,

আমরা যে শুধু মাত্রা ও গতিকে উন্নত করেছি, তা নয়। অনেক স্তরে আমরা এর সংস্কারও করেছি। এই সংস্কার উৎকর্ষে, পরিষেবায়, নিরাপত্তায় এবং পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে হয়েছে। সারা দেশে রেল স্টেশনগুলির পরিস্থিতি যে উন্নত হয়েছে, তা আজ স্পষ্টভাবেই দেখা যায়। গরীব ও মধ্যবিত্তদেরও আজ সেই পরিবেশ দেওয়া হচ্ছে, যা কোনও দিন বিত্তশালী মানুষেরাই উপভোগ করতে পারতেন। গুজরাটে গান্ধীনগর স্টেশন কতটা আধুনিক আর অসাধারণ দেখতে হয়েছে, তা আপনারাও অনুভব করছেন। এখন আমেদাবাদ স্টেশনকেও এভাবে উন্নত করা হচ্ছে। এছাড়া, ভবিষ্যতেও সুরাট, উধনা, সবরমতী, সোমনাথ এবং নিউ ভুজ স্টেশনকেও আধুনিকীকরণের মাধ্যমে নতুন রূপে গড়ে তোলা হবে। এখন তো গান্ধীনগর ও মুম্বাইয়ের মধ্যে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস পরিষেবাও শুরু হয়ে গেছে। এই রুটে দেশের সর্বাধিক গতিসম্পন্ন ট্রেন পরিষেবা চালু হঅয়ার ফলে এটি এখন দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিজনেস করিডরে রূপান্তরিত হয়েছে। এই সাফল্য ডবল ইঞ্জিন সরকারের সক্রিয় উদ্যোগের ফলেই সম্ভব হয়েছে।

বন্ধুগণ,

পশ্চিম রেলওয়ের উন্নয়নকে নতুন মাত্রা দিতে ১২টি গতিশক্তি কার্গো টার্মিনাল গড়ে তোলার প্রকল্প রচনা করা হয়েছে। ভদোদরা সার্কেলে প্রথম গতিশক্তি মাল্টিমডেল কার্গো টার্মিনাল চালু হয়ে গেছে। অতিদ্রুত অন্যান্য টার্মিনালও তাদের অত্যাধুনিক পরিষেবা প্রদানের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে। ডবল ইঞ্জিন সরকারের মাধ্যমে প্রত্যেক ক্ষেত্রে উন্নয়নের গতি ও শক্তি বাড়ছে।

বন্ধুগণ,

স্বাধীনতার পর অনেক দশক ধরে আমাদের দেশে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে বিভেদ, গ্রাম ও শহরের মধ্যে বিভেদ, ভারসাম্যহীন উন্নয়ন – এগুলি ছিল অনেক বড় সমস্যা। আমাদের সরকার দেশে এই সমস্যা সমাধানের কাজ আন্তরিকভাবে করে চলেছে। সকলের উন্নয়নের জন্য আমরা স্পষ্ট নীতি নিয়ে কাজ করছি। পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দিয়েছি। মধ্যবিত্তদের পরিবেশ পরিষেবা দিয়েছি আর গরীবদের দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে সাহায্য করেছি। উন্নয়নের এই পরম্পরা আজ গোটা দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গরীবের জন্য পাকা বাড়ি, শৌচালয়, বিদ্যুৎ সরবরাহ, জল সরবরাহ, রান্নার গ্যাস সরবরাহ, বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা ও বীমা পরিষেবা – এই সবকিছুই আজ সুশাসনের পরিচয় হয়ে উঠেছে। আজ মেট্রো যোগাযোগ ব্যবস্থা, বৈদ্যুতিক যানবাহন, সৌরশক্তি, সুলভে ইন্টারনেট, উন্নত সড়কপথ, অনেক এইমস্‌ এবং বহু মেডিকেল কলেজ, আইআইটি – এ ধরনের পরিকাঠামো গড়ে তোলায় আজ দেশবাসীর জন্য নতুন নতুন সুযোগ উন্মোচিত হচ্ছে। কিভাবে সাধারণ পরিবারগুলির জীবনকে সহজ করে তোলা যায় – সেই চেষ্টাই আমরা করে চলেছি। তাঁদের যাতায়াত ও ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য অনুকূল আবহ গড়ে তোলার চেষ্টা করেছি।

ভাই ও বোনেরা,

দেশে এখন যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে জনগণের ভাবনায় অনেক বড় পরিবর্তন এসেছে। এখন কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে সড়ক তৈরি, কোথাও রেলপথ সম্প্রসারণ আর কোথাও বিমানবন্দর না গড়ে সুপরিকল্পিতভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি সম্পূর্ণ ও পরিপূরক ‘সিস্টেম’ গড়ে তোলা হচ্ছে। অর্থাৎ, যাতায়াতের ভিন্ন ভিন্ন মাধ্যম যেন পরস্পরের সঙ্গেও যুক্ত থাকে, তা সুনিশ্চিত করা হচ্ছে। এখানে আমেদাবাদেও রেল, মেট্রো ও বাস পরিষেবাকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। অন্যান্য শহরেও একই রকমভাবে এ ধরনের কাজ হচ্ছে, যাতে পণ্য পরিবহণ থেকে শুরু করে মানুষের যাতায়াতে সমস্ত ধরনের সুবিধা প্রতিবন্ধকতামুক্ত হয়, তা সুনিশ্চিত করা হচ্ছে। যাতায়াতের একটি উপায় থেকে বেরিয়ে সরাসরি যেন অন্য উপায় ব্যবহার করা যায়; এতে সময় ও অর্থ উভয়েরই সাশ্রয় হবে।

বন্ধুগণ,

গুজরাট একটি অনেক বড় শিল্প কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। আগে এখানে পণ্য পরিবহণের বিপুল খরচ একটা বড় বিষয় ছিল। পণ্য পরিবহণের খরচ বেশি হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পের ক্ষেত্রে সমস্যা তো হবেই। এর ফলে, জিনিসের দামও বেড়ে যায়। সেজন্য আজ রেলপথ থেকে শুরু করে সড়কপথ, বিমানবন্দর থেকে শুরু করে সমুদ্র বন্দরকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। গুজরাটে সমুদ্রবন্দরগুলি যখন শক্তিশালী হয়ে ওঠে তখন সমগ্র দেশের অর্থনীতিতে প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে। এটাই আমাদের বিগত ৮ বছরের অভিজ্ঞতা। এই সময়ের মধ্যে গুজরাটের সমুদ্রবন্দরগুলির ক্ষমতা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এখন ওয়েস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেইড করিডরের মাধ্যমে গুজরাটের সমুদ্রবন্দরগুলিতে দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। এর একটা বড় অংশের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে। মালগাড়ির জন্য যে বিশেষ রেল লাইন বিছানো হচ্ছে, তা গুজরাটের শিল্পোদ্যোগকেও অনেক উপকৃত করবে। নতুন নতুন ক্ষেত্রে শিল্প গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে। একইরকমভাবে, সাগরমালা প্রকল্পের মাধ্যমে সমগ্র সমুদ্র তটবর্তী এলাকায় উন্নতমানের সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে।

বন্ধুগণ,

উন্নয়ন একটি প্রতিনিয়ত চলতে থাকা প্রক্রিয়া। উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত লক্ষ্যগুলি যেন একেকটি পর্বতের শিখর। একটি শিখরে পৌঁছলে তার চেয়েও উঁচু অন্য শিখর দেখা যায়। তারপর সেখানে পৌঁছনোর চেষ্টা হয়। উন্নয়নও এমনই একটি প্রক্রিয়া। বিগত ২০ বছরে গুজরাট উন্নয়নের এমন অনেক শিখর অতিক্রম করেছে। কিন্তু, আগামী ২৫ বছরে আমাদের সামনে উন্নত গুজরাটের একটি বিরাট লক্ষ্য রয়েছে। যেভাবে বিগত দু’দশক ধরে আমরা মিলেমিশে কাজ করে সাফল্য অর্জন করেছি, একই রকমভাবে স্বাধীনতার অমৃতকালেও প্রত্যেক গুজরাটিকে যুক্ত হতে হবে। প্রত্যেক গুজরাটবাসীকেও যুক্ত হতে হবে, প্রত্যেক গুজরাটবাসীকে অবশ্যই যুক্ত হতে হবে। উন্নত ভারতের জন্য উন্নত গুজরাট গড়ে তোলাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। আমরা সবাই জানি যে, কোনও গুজরাটি যদি একবার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে কিছু ভেবে নেন, তা হলে তা পূর্ণ করেই থামেন। এই সংকল্পবোধ নিয়ে আমরা এগিয়ে চলেছি। আজ আমি অবাক হয়েছি, আজ সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মজয়ন্তী দেশের জন্য অত্যন্ত গৌরবের মুহূর্ত। যে মহাপুরুষ, যে লৌহপুরুষ ভারতকে যুক্ত করেছেন, ঐক্যবদ্ধ করেছেন, আজ সেই একতা আমরা সবাই উপভোগ করছি। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল দেশের প্রথম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ছিলেন। তিনি যেভাবে অনেক রাজা ও রাজপুত্র শাসিত রাজ্যকে দেশের সঙ্গে যুক্ত করার কাজ করেছেন, তার জন্য প্রত্যেক ভারতবাসী গর্ববোধ করেন। আপনারা সকলেই গর্বিত তাই না! ঠিক বলছি কিনা! ঠিক বলছি কিনা! ঠিক বলছি কিনা! সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল কি ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা ছিলেন? তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা ছিলেন না। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল কংগ্রেসের অনেক বড় নেতা ছিলেন। আজ তাঁর জন্মদিনে আমি দুটি খবরের কাগজ দেখেছি। কংগ্রেস পার্টি রাজস্থানের কংগ্রেস সরকার গুজরাটি খবরের কাগজগুলিকে পূর্ণ পৃষ্ঠা বিজ্ঞাপন ছেপেছে। কংগ্রেস সরকারের বিজ্ঞাপন। কিন্তু, সেই বিজ্ঞাপনে আজ সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মদিনের উল্লেখ নেই। এমনকি, সেই বিজ্ঞাপনে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের নাম কিংবা ছবিও ছাপা হয়নি। তাঁর দলের পক্ষ থেকে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের প্রতি এটাই প্রত্যাশিত শ্রদ্ধাঞ্জলি। এই অপমান? তাও গুজরাটের মাটিতে! যে কংগ্রেস সরকার সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে নিজেদের বিজ্ঞাপনে যুক্ত করতে পারছে না, তারা দেশকে কিভাবে জুড়বে। এটা সর্দার সাহেবের অপমান, এটা দেশের অপমান। তিনি তো ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা ছিলেন না, তিনি কংগ্রেসের নেতা ছিলেন। কিন্তু, দেশের স্বার্থে লড়েছেন, দেশের জন্য বেঁচেছেন, দেশকে অনেক কিছু দিয়ে গেছেন। আজ আমরা গর্বিত। তাঁর পুন্য স্মৃতিতে বিশ্বের সর্বোচ্চ মূর্তি নির্মাণ করে আমরা আনন্দিত। আর তাঁরা নাম উচ্চারণ করতে চাইছেন না!

ভাই ও বোনেরা,

গুজরাট এইসব বিষয়কে কখনও ক্ষমা করে না। আর দেশবাসীও কোনও দিন এই অপমান মেনে নেবেন না।

বন্ধুগণ,

এই রেলপথও দেশকে যুক্ত করার কাজ করে। উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম – এই যুক্ত করার প্রক্রিয়াকে গতিশীল করা, তার বিস্তার ঘটানোর কাজ আমরা নিরন্তর করে চলেছি, দ্রুতগতিতে করে চলেছি। এর ফলে, আপনারা সকলেও আজ উপকৃত হচ্ছেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সকলকে অনেক অনেক শুভ কামনা!

অনেক অনেক ধন্যবাদ।

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
On Puri’s Grand Road, a devotee’s submission

Media Coverage

On Puri’s Grand Road, a devotee’s submission
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister speaks with the Amir of Qatar
July 16, 2026
PM conveys heartfelt condolences on the passing of the Father Amir of Qatar
PM recalls the Father Amir’s visionary leadership and his contribution to strengthening India-Qatar relations
The two leaders reaffirm their resolve to carry forward the Father Amir’s legacy

Prime Minister Shri Narendra Modi had a telephone conversation today with the Amir of the State of Qatar, H.H. Sheikh Tamim bin Hamad Al Thani.

Prime Minister conveyed his heartfelt condolences on the passing of H.H. Sheikh Hamad bin Khalifa Al Thani, the Father Amir of Qatar.

Recalling the Father Amir’s significant contributions as the chief architect of modern Qatar, Prime Minister paid tribute to his visionary leadership, and recalled his pivotal role in strengthening India-Qatar relations over the years as well as his deep affection for India and the Indian community in Qatar.

The Amir of Qatar thanked Prime Minister for his call and conveyed his appreciation for the words of support in this difficult hour.

The two leaders reaffirmed their resolve to carry forward the Father Amir’s legacy and further strengthen the India-Qatar Strategic Partnership and people-to-people ties.

They agreed to remain in close touch.