AI Impact Summit will shape a human‑centric, sensitive global ecosystem: PM
AI must be accessible to all, with Global South priorities at the center of governance: PM
Ethics in AI must be unlimited; profit must align with purpose: PM
PM outlines three key suggestions for ethical use of AI: Trusted global data framework, transparent ‘glass box’ safety rules, and embedding human values in AI
AI is a shared resource for the welfare of humanity: PM

ভারতে অনুষ্ঠিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে আরও একবার আপনাদের স্বাগত জানাই। এই শীর্ষ সম্মেলন কৃত্রিম মেধার ব্যবস্থাপনায় একটি মানবমুখী স্পর্শকাতর আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। 

বন্ধুগণ,

আমরা যদি ইতিহাসের দিকে তাকাই তাহলে দেখব, মানুষ যখনই কোনো সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে, তখনই সেই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসার নতুন এক সুযোগ সে খুঁজে পেয়েছে। আজ আমাদের সামনে আবারও সেই সুযোগ এসেছে। আমরা সকলে মিলে একসঙ্গে এই সমস্যাকে মানবজাতির সবথেকে বড় সুযোগে রূপান্তরিত করব। 

 

বন্ধুগণ,

ভারত বুদ্ধের জন্মস্থান। ভগবান বুদ্ধ বলেছিলেন, যথাযথ বোঝাপড়ার মধ্য দিয়েই সঠিক সিদ্ধান্ত বেরিয়ে আসে। তাই, যখন কোনকিছুর প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়, তখন আমাদের সকলে মিলে একসঙ্গে একটি পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। এক্ষেত্রে কৃত্রিম মেধার প্রভাব আপনারা দেখুন। আমরা এমন একটি সময়ে দাঁড়িয়ে আছি যখন ভবিষ্যতের কথা ভেবে সঠিক সিদ্ধান্ত আমাদের নিতে হবে।

বন্ধুগণ,

কোভিড মহামারীর সময় সারা পৃথিবী দেখেছে আমরা একে অন্যের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। এর ফলে আমরা অসম্ভবকে সম্ভব করেছি। টিকা উদ্ভাবন করে সেই টিকা সরবরাহ শৃঙ্খলে পৌঁছে দেওয়া, এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য সকলের মধ্যে ভাগ করে নিয়ে মানুষের প্রাণ বাঁচানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল। অর্থাৎ, পরস্পরকে সহযোগিতার মধ্য দিয়ে সমাধানসূত্রটি বেড়িয়ে এসেছিল। প্রযুক্তি কিভাবে মানবজাতির সেবা করার মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে, সেটি ভারত কোভিডের সময়কালে প্রত্যক্ষ করেছে। আমরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে টিকাকরণের যে প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছিলাম, সেই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া সহজ হয়েছিল। আমাদের ইউপিআই কঠিন সেই পরিস্থিতিতে অনলাইন আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে মানুষের জীবনকে সহজ করে তুলেছিল। ভারতকে ডিজিটাল প্রযুক্তির কারণে বিভাজন দূর করতে ইউপিআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। বিগত বছরগুলিতে ভারত একটি প্রাণবন্ত ডিজিটাল সরকারি পরিকাঠামো গড়ে তুলেছে, এই ব্যবস্থাপনা এখন সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, প্রযুক্তি, শক্তি প্রদর্শনের কোনো মাধ্যম নয়, প্রযুক্তি সেবা করার মাধ্যম। প্রযুক্তির মাধ্যমে ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হবে। কৃত্রিম মেধাকে সেই একই অভিমুখে চালিত করতে হবে যার ফলে সমগ্র মানবজাতির কল্যাণ নিশ্চিত হয়। 

বন্ধুগণ,

অতীতে প্রযুক্তি বিভাজন তৈরি করেছে। কিন্তু বর্তমানে কৃত্রিম মেধার প্রযুক্তি সকলের কাছে সহজেই পৌঁছে যাচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য সেটিই হওয়া উচিত। তাই, আজকে যখন আমরা কৃত্রিম মেধার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করছি, তখন আমাদের দক্ষিণী বিশ্বের আকাঙ্ক্ষা এবং চাহিদার কথা বিবেচনা করে কৃত্রিম মেধাকে যথাযথভাবে পরিচালনা করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। 

 

সুধী,

যে কোনো সময়েই এশিয়া মহাদেশ সবরকমের আলোচনার কেন্দ্রে ছিল। অতীতে অনৈতিক আচরণের কারণে ছোটখাটো নানা অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটত। কিন্তু, কৃত্রিম মেধার প্রভাব অপরিসীম। তাই, কৃত্রিম মেধাকে নিয়ে আমরা যথাযথ ভাবনাচিন্তা করব, যাতে এর পরিচালনার ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম মেনে চলা হয়। কৃত্রিম মেধার সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলিকে গুরুদায়িত্ব পালন করতে হবে। এই সংস্থাগুলি লাভের দিক যেমন চিন্তা করবে, পাশাপাশি তাদের যে উদ্দেশ্য,  সেটি যেন সাধিত হয়, সেদিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। এক্ষেত্রে নীতিগত অঙ্গীকারের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। ব্যক্তিগত স্তরে এআই আমাদের শিক্ষালাভ এবং আবেগকে প্রভাবিত করছে।   

সুধীবৃন্দ,

এআই-কে যাতে যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হয় তার জন্য আমার তিনটি প্রস্তাব রয়েছে। প্রথমটি হল, তথ্যের সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানানো। এর জন্য এআই সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের কাজে একটি তথ্যভাণ্ডার গড়ে তুলতে হবে। যেমন, এআই-তে বলা হয়, গার্বেজ-ইন-গার্বেজ-আউট। যদি তথ্য সুরক্ষিত ও ভরসাযোগ্য না হয়, তাহলে সেই তথ্যের প্রয়োগও যথাযথ হবে না। তাই, বিশ্বজনীন এক ভরসাযোগ্য তথ্য সংক্রান্ত ফ্রেমওয়ার্ক গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। দ্বিতীয়ত, এআই প্ল্যাটফর্মের জন্য একটি সুরক্ষা সংক্রান্ত নীতি গড়ে তুলতে হবে। এই নীতি অত্যন্ত স্পষ্ট ও স্বচ্ছ থাকবে। আমরা ব্ল্যাক বক্স নয়, বরং গ্লাস বক্স-এর কথা ভাবব। অর্থাৎ, সুরক্ষা সংক্রান্ত বিধি অনুসরণ করে এবং তথ্য যাচাই করার প্রয়োজনীয় দায়বদ্ধতা সকলের মধ্যে থাকতে হবে। এর ফলে, এআই সংক্রান্ত ব্যবসা-বাণিজ্যের নীতিগত আচরণও যথাযথ থাকবে। তৃতীয়ত, কৃত্রিম মেধা সংক্রান্ত গবেষণার ক্ষেত্রে পেপার ক্লিপের সমস্যা আলোচিত হয়। যখন কোনো মেশিনে শুধু পেপার ক্লিপই বানানো হয়, তখন সেই মেশিন তার সমস্ত সম্পদকে কাজে লাগিয়ে শুধু ঐ একটি জিনিসই উৎপাদন করে। এআই-কে মানুষের চাহিদার কথা বিবেচনা করে এবং মানুষের পরামর্শ মেনে চলতে হবে। প্রযুক্তি শক্তিশালী কিন্তু, সেই প্রযুক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করবে মানুষ। 

 

বন্ধুগণ,

কৃত্রিম মেধার আন্তর্জাতিক যাত্রাপথে উচ্চাকাঙ্ক্ষী ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আর আপনাদের বুঝতে হবে ভারত আজ কত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ নিতে চলেছে। এআই মিশনের মাধ্যমে বর্তমানে ভারতে ৩৮ হাজার জিপিইউ রয়েছে। আগামী ছ’মাসে আমরা আরও ২৪ হাজার জিপিইউ যুক্ত করতে চলেছি। আমরা আমাদের স্টার্ট-আপ সংস্থাগুলিকে ব্যয়সাশ্রয়ী মূল্যে আন্তর্জাতিক মানের কম্পিউটিং পাওয়ার সরবরাহ করব। আমরা এমন এক কৃত্রিম মেধা সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলব যেখানে ৭,৫০০-রও বেশি ডেটা সেট এবং ২৭০টি এআই সংক্রান্ত মডেল জাতীয় স্তরে সম্পদ সরবরাহ করার কাজে নিয়োজিত থাকবে। 

বন্ধুগণ,

এআই-এর বিষয়ে ভারতের লক্ষ্য অত্যন্ত স্পষ্ট, ভারতের ভাবনা অত্যন্ত স্পষ্ট। এআই সমগ্র মানবজাতির কল্যাণের জন্য অভিন্ন এক সম্পদ। আমরা সকলে মিলে এআই-এর এমন এক ভবিষ্যৎ গড়ে তুলব যেখানে উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা হবে। সমন্বিত এক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করে মানবিক মূল্যবোধকে যুক্ত করতে হবে। যখন প্রযুক্তি এবং মানুষের আস্থা মিলিত হবে, তখন সারা বিশ্ব এআই-এর সঠিক প্রভাব উপলব্ধি করতে পারবে।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India’s pharma exports cross $28 bn till February, likely to end up with growth in rupee terms in FY26

Media Coverage

India’s pharma exports cross $28 bn till February, likely to end up with growth in rupee terms in FY26
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
সোশ্যাল মিডিয়া কর্নার 5 এপ্রিল 2026
April 05, 2026

From Aatmanirbhar to Viksit Bharat: PM Modi’s Leadership Powers India’s Multi-Sector Triumph