Personalities like Sri Guru Teg Bahadur Ji are rare in history; Guru Sahib’s life, sacrifice, and character remain a profound source of inspiration; During the era of Mughal invasions, Guru Sahib established the ideal of courage and valor: PM
The tradition of our Gurus forms the foundation of our nation’s character, our culture, and our core spirit: PM
Some time ago, when three original forms of Guru Granth Sahib arrived in India from Afghanistan, it became a moment of pride for every citizen: PM
Our government has endeavoured to connect every sacred site of the Gurus with the vision of modern India and has carried out these efforts with utmost devotion, drawing inspiration from the glorious tradition of the Gurus: PM
We all know how the Mughals crossed every limit of cruelty even with the brave Sahibzadas, The Sahibzadas accepted being bricked alive, yet never abandoned their duty or the path of faith, In honor of these ideals, we now observe Veer Bal Diwas every year on December 26: PM
Last month, as part of a sacred journey, the revered ‘Jore Sahib’ of Guru Maharaj were carried from Delhi to Patna Sahib. There, I too was blessed with the opportunity to bow my head before these holy relics: PM
Drug addiction has pushed the dreams of many of our youth into deep challenges, The government is making every effort to eradicate this problem from its roots,this is also a battle of society and of families: PM


জো বোলে সো নিহাল, সত শ্রী অকাল!

হরিয়ানার রাজ্যপাল অসীম ঘোষ মহোদয়, জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনি মহোদয়, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার আমার সহকর্মী মনোহর লাল মহোদয়, রাও ইন্দ্রজিৎ সিং জি, কৃষাণ পাল মহোদয়, হরিয়ানা এসজিপিসির সভাপতি জগদীশ সিং ঝিন্দা মহোদয়, অন্যান্য বিশিষ্ট জনেরা, ভদ্রমহোদয় ও ভদ্রমহোদয়াগণ!

আজ ভারতের ঐতিহ্যের এক অসাধারণ সঙ্গমস্থল। সকালে আমি রামায়ণের নগরী অযোধ্যায় ছিলাম এবং এখন আমি গীতার ভূমি কুরুক্ষেত্রে। এখানে, আমরা সকলেই শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জির ৩৫০ তম শহীদ দিবস উপলক্ষে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। আমি এখানে উপস্থিত সকল শ্রদ্ধেয় সাধু এবং সম্মানিত সংঘকে শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রণাম জানাই।

বন্ধুগণ,

আরও একটি অসাধারণ কাকতালীয় ঘটনা ঘটেছিল প্রায় ৫-৬ বছর আগে, এবং আমি অবশ্যই এটি উল্লেখ করতে চাই। ৯ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে যখন সুপ্রিম কোর্ট রাম মন্দিরের উপর রায় দেয়, তখন আমি কর্তারপুর করিডোরের উদ্বোধনের জন্য ডেরা বাবা নানকে-তে ছিলাম। সেদিন আমি প্রার্থনা করেছিলাম যে রাম মন্দির নির্মাণের পথ পরিষ্কার হোক এবং কোটি কোটি রাম ভক্তের আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হোক। এবং সেই দিনই রাম মন্দিরের পক্ষে রায় আসার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের প্রার্থনার উত্তর দেওয়া হয়েছিল। এবং আজ, যখন অযোধ্যায় 'ধর্মধ্বজা' উত্তোলন করা হয়েছে, তখন আমি আবারও শিখ সম্প্রদায়ের কাছ থেকে আশীর্বাদ পাচ্ছি।

 

বন্ধুগণ,

কিছুক্ষণ আগে, কুরুক্ষেত্রের ভূমিতে পঞ্চজন্য স্মারক (স্মারক)ও উদ্বোধন করা হয়েছে। এই মাটি থেকেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ শিক্ষা দিয়েছিলেন যে সত্য ও ন্যায় রক্ষা করাই সর্বোচ্চ ধর্ম। তিনি বলেছিলেন, স্বধর্মে নিধনং শ্রেয়ঃ। অর্থাৎ, সত্য এবং কর্তব্যের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করা মহৎ। শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জীও সত্য, ন্যায় এবং বিশ্বাস রক্ষা করাকে নিজের কর্তব্য বলে মনে করেছিলেন এবং নিজের জীবন উৎসর্গ করে এই কর্তব্য পালন করেছিলেন। এই ঐতিহাসিক উপলক্ষে, ভারত সরকার শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জীকে একটি স্মারক ডাকটিকিট এবং একটি বিশেষ মুদ্রা উৎসর্গ করার সৌভাগ্য লাভ করেছে। 

বন্ধুগণ,

কুরুক্ষেত্রের এই পবিত্র ভূমি শিখ ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এই ভূমির সৌভাগ্য লক্ষ্য করুন! শিখ ঐতিহ্যের প্রায় সকল শ্রদ্ধেয় গুরু তাদের পবিত্র যাত্রার সময় এই স্থানটি পরিদর্শন করেছিলেন। নবম গুরু, শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জি যখন এই পবিত্র ভূমিতে এসেছিলেন, তখন তিনি এখানে তাঁর গভীর তপস্যা এবং নির্ভীক সাহসের ছাপ রেখে গেছেন।

বন্ধুগণ,

শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জির মতো ব্যক্তিত্ব ইতিহাসে অত্যন্ত বিরল। তাঁর জীবন, তাঁর ত্যাগ এবং তাঁর চরিত্র অনুপ্রেরণার এক বিরাট উৎস। মুঘল আগ্রাসনের সেই যুগে গুরু সাহেব সাহসিকতার সর্বোচ্চ উদাহরণ স্থাপন করেছিলেন। শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জির আত্মবলিদানের আগে কী ঘটেছিল তা আমরা সকলেই জানি। মুঘল অত্যাচারের সেই সময় কাশ্মীরি হিন্দুদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছিল। সেই সংকটের সময়, একদল নির্যাতিত মানুষ গুরু সাহেবের সমর্থন চেয়েছিলেন। সেই সময়, গুরু সাহেব তাদের বলেছিলেন: "তোমরা সকলে আওরঙ্গজেবকে স্পষ্ট করে বলো যে যদি শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর ইসলাম গ্রহণ করেন, তাহলে আমরাও ইসলাম গ্রহণ করব।"

 

 

বন্ধুগণ,

এই কথাগুলো শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জী'র নির্ভীকতার চরম শিক্ষাকে প্রতিফলিত করে। তারপর, যা আশঙ্কা করা হয়েছিল, তা ঘটে। নিষ্ঠুর আওরঙ্গজেব গুরু সাহেবকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন, কিন্তু গুরু সাহেব নিজেই ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি দিল্লি যাবেন। মুঘল শাসকরা তাকে প্রলোভন দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর অবিচল ছিলেন। তিনি ধর্ম বা নীতির সঙ্গে আপস করেননি। তাঁর মনোবল ভেঙে দেওয়ার জন্য, তাঁর সংকল্পকে নাড়া দেওয়ার জন্য, তাঁর তিন সঙ্গী, ভাই দয়ালা জি, ভাই সতী দাস জি এবং ভাই মতি দাস জি,-কে তাঁর সামনেই নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। তবুও গুরু সাহেব দৃঢ় ছিলেন, তাঁর সংকল্প অটল ছিল। তিনি ধর্মের পথ ত্যাগ করেননি; এবং গভীর ধ্যানমগ্ন অবস্থায়, গুরু সাহেব বিশ্বাসের সুরক্ষার জন্য তাঁর মাথা উৎসর্গ করেছিলেন।

বন্ধুগণ,

মুঘলদের জন্য তাও যথেষ্ট ছিল না। তারা গুরু মহারাজের পবিত্র মাথার অবমাননা করারও চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ভাই জৈতা জি অত্যন্ত বীরত্বের সঙ্গে গুরুর মাথা নিরাপদে আনন্দপুর সাহেবে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই কারণেই শ্রী গুরু গোবিন্দ সিং জি লিখেছিলেন : “तिल्कजंजू राखा प्रभ ता का,तेग बहादुर सी क्रिया, करी न किन्हुं आन।” এর অর্থ হল বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষা করার জন্য, মানুষের বিশ্বাসের উপর অত্যাচার রোধ করার জন্য, গুরু সাহেব সবকিছু ত্যাগ করেছিলেন।

বন্ধুগণ,

আজ, দিল্লির সিসগঞ্জ গুরুদ্বার সেই ত্যাগের ভূমি হিসেবে আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার জীবন্ত উৎস হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। আনন্দপুর সাহেব আমাদের জাতীয় চেতনার পবিত্র ভূমি। অতুলনীয় ত্যাগের কারণে, শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জিকে হিন্দ দি চাদর হিসেবে সম্মান করা হয়।

 

বন্ধুগণ,

আমাদের গুরুদের ঐতিহ্য আমাদের দেশের জনগনের চরিত্র, সংস্কৃতি এবং আমাদের মূল চেতনার ভিত্তি। আমি সন্তুষ্ট যে গত ১১ বছরে, আমাদের সরকার  শিখ ঐতিহ্যের প্রতিটি উদযাপনকে জাতীয় উদযাপন হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। আমাদের সরকার শ্রী গুরু নানক দেব জির ৫৫০ তম প্রকাশ পর্ব, শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর সাহেব জির ৪০০ তম প্রকাশ পর্ব এবং শ্রী গুরু গোবিন্দ সিং জির ৩৫০ তম প্রকাশ পর্বকে ভারতের ঐক্য ও অখণ্ডতার উৎসব হিসাবে উদযাপন করার সৌভাগ্য অর্জন করেছে। ভারতজুড়ে মানুষ তাদের নিজস্ব বিশ্বাস, ঐতিহ্য এবং রীতিনীতির ঊর্ধ্বে উঠে এই অনুষ্ঠানগুলিতে অংশগ্রহণ করেছে।

বন্ধুগণ,

আমাদের সরকারও গুরুদের সঙ্গে সম্পর্কিত পবিত্র স্থানগুলিকে একটি বিশাল এবং ঐশ্বরিক রূপ দেওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছে। কিছু সময় আগে, যখন গুরু গ্রন্থ সাহেবের তিনটি মূল রূপ আফগানিস্তান থেকে ভারতে এসেছিল, তখন এটি প্রতিটি ভারতীয়ের জন্য গর্বের মুহূর্ত হয়ে ওঠে।

বন্ধুগণ,

আমাদের সরকার প্রতিটি গুরু তীর্থস্থানকে আধুনিক ভারতের চেতনার সঙ্গে সংযুক্ত করার চেষ্টা করেছে। কর্তারপুর করিডোরের কাজ শেষ করা হোক, হেমকুন্ড সাহেবে রোপওয়ে প্রকল্প নির্মাণ করা হোক, অথবা আনন্দপুর সাহেবে বিরাসত-ই-খালসা জাদুঘর সম্প্রসারণ করা হোক, আমরা গৌরবময় গুরু ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে পূর্ণ নিষ্ঠার সঙ্গে এই সমস্ত কাজ সম্পন্ন করেছি।

 

বন্ধুগণ,,

আমরা সকলেই জানি কিভাবে মুঘলরা সাহসী সাহেবজাদাদের সঙ্গেও নিষ্ঠুরতার সমস্ত সীমা অতিক্রম করেছিল। সাহসী সাহেবজাদারা জীবন্ত ইট বিদ্ধ হওয়া মেনে নিয়েছিলেন কিন্তু কর্তব্য ও ধর্মের পথ ত্যাগ করেননি। এই আদর্শকে সম্মান জানাতে, আমরা এখন প্রতি বছর ২৬শে ডিসেম্বর বীর বাল দিবস পালন করি।

বন্ধুগণ,

সেবা, সাহস এবং সত্যের আদর্শগুলি আমাদের নতুন প্রজন্মের চিন্তাভাবনার ভিত্তি হয়ে ওঠে তার জন্য আমরা শিখ ঐতিহ্যের ইতিহাস এবং গুরুদের শিক্ষাগুলিকে জাতীয় পাঠ্যক্রমের অংশ করে তুলেছি।

বন্ধুগণ,

আমার বিশ্বাস, আপনারা সকলেই নিশ্চয়ই 'জোড়া সাহেব'-এর পবিত্র দর্শন পেয়েছেন। আমার মনে আছে, আমার মন্ত্রিসভার সহকর্মী হরদীপ সিং পুরী জী প্রথম আমার সঙ্গে এই গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শনগুলি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। তিনি আমাকে বলেছিলেন যে তাঁর পরিবার প্রায় তিনশ বছর ধরে গুরু গোবিন্দ সিং জী এবং মাতা সাহেব কৌর জী-এর পবিত্র 'জোড়া সাহেব' (পাদুকা) সংরক্ষণ করে আসছে। এবং এখন তারা এই পবিত্র ঐতিহ্য দেশ এবং বিশ্বের শিখ সম্প্রদায়ের কাছে উৎসর্গ করতে চান।

 

বন্ধুগণ,

এই পবিত্র জোড়া সাহেবকে পূর্ণ সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা করা হয়েছিল যাতে এই পবিত্র নিদর্শনগুলি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করা যায়। সমস্ত তথ্য বিবেচনা করে, আমরা সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নিলাম যে এই পবিত্র জোড়া সাহেব তখত শ্রী পাটনা সাহেবে উৎসর্গ করা হবে। সেখানে গুরু মহারাজ তাঁর শৈশবের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ অতিবাহিত করেছিলেন। গত মাসে, এই পবিত্র জোড়া সাহেবকে একটি পবিত্র যাত্রার অংশ হিসেবে দিল্লি থেকে পাটনা সাহেবে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে, আমিও জোড়া সাহেবের সামনে মাথা নত করার সুযোগ পেয়েছিলাম। আমি এটিকে গুরুদের বিশেষ করুণা বলে মনে করি, যে তারা আমাকে এই সেবা, এই নিষ্ঠা এবং এই পবিত্র ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন।

বন্ধুগণ,,

শেখায় যে ভারতের সংস্কৃতি কতটা বিশাল, কতটা উদার এবং কতটা মানবকেন্দ্রিক সে বিষয়ে গুরু তেগ বাহাদুর সাহেবের স্মৃতি আমাদের শিক্ষা দেয়। তিনি তাঁর জীবনের মধ্য দিয়ে সকলের কল্যাণ নীতিটি প্রমাণ করেছিলেন। আজকের এই অনুষ্ঠান কেবল এই স্মৃতি এবং শিক্ষাকে সম্মান করার একটি মুহূর্ত নয়, বরং আমাদের বর্তমান এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণাও। গুরু সাহেব শিখিয়েছিলেন : जो नर दुख मै दुख नहीं मानै, सोई पूर्ण ज्ञानी। অর্থাৎ, কঠিন পরিস্থিতিতেও যে দ্বিধাগ্রস্ত হয় না, সেই প্রকৃত জ্ঞানী, প্রকৃত সাধক। এই অনুপ্রেরণার মাধ্যমে, আমাদের প্রতিটি চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে হবে এবং আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে, ভারতকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করতে হবে।

বন্ধুগণ,

গুরু সাহেবই আমাদের শিখিয়েছেন, 'ভয় কাহু কো দেত নয়, নয় ভয় মানত আন' অর্থাৎ, আমাদের কাউকে ভয় দেখানো উচিত নয়। এই নির্ভীকতা সমাজ ও দেশকে শক্তিশালী করে। ভারতও বর্তমানে এই নীতি অনুসরণ করে। আমরা বিশ্বের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বের কথা বলি, এবং আমরা আমাদের সীমান্তও রক্ষা করি। আমরা শান্তি কামনা করি, কিন্তু আমরা আমাদের নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করি না। অপারেশন সিঁদুর এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ। সমগ্র বিশ্ব দেখেছে যে নতুন ভারত সন্ত্রাসবাদের সামনে ভয় পায় না, নত হয় না। বর্তমান ভারত পূর্ণ শক্তি, সাহস এবং স্পষ্টতার সঙ্গে এগিয়ে চলেছে।

 

বন্ধুগণ,

এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে, আমি আমাদের সমাজ এবং যুব সমাজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিষয় নিয়েও কথা বলতে চাই। এই বিষয়টি নিয়ে গুরু সাহেবও চিন্তিত ছিলেন। এই বিষয়টি হল আসক্তি, মাদক। আসক্তি আমাদের অনেক যুবকের স্বপ্নকে গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে। সরকার এই সমস্যাটিকে মূল থেকে নির্মূল করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। কিন্তু এটি সমাজ এবং পরিবারের জন্যও একটি যুদ্ধ। এমন সময়ে, শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর সাহেবের শিক্ষা অনুপ্রেরণা এবং সমাধান উভয়ই প্রদান করে। আমরা সকলেই জানি যে গুরু সাহেব যখন আনন্দপুর সাহেব থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন, তখন তিনি অসংখ্য গ্রামের সংগঠকদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছিলেন। তিনি কেবল তাদের ভক্তি এবং বিশ্বাসকে শক্তিশালী করেননি বরং এই অঞ্চলগুলিতে বসবাসকারী সমাজের আচরণকেও পরিবর্তন করেছিলেন। এই গ্রামের মানুষ সকল ধরণের নেশার চাষ ত্যাগ করে গুরু সাহেবের চরণে তাদের ভবিষ্যৎ উৎসর্গ করেছিলেন। সমাজ, পরিবার এবং যুবসমাজ যদি গুরু মহারাজের দেখানো পথে একসঙ্গে চলে এবং মাদকের বিরুদ্ধে একটি চূড়ান্ত লড়াই করে, তাহলে এই সমস্যা সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা সম্ভব।

বন্ধুগণ,

শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর সাহেবের শিক্ষা আমাদের আচরণে শান্তি, নীতিতে ভারসাম্য এবং সমাজের মধ্যে আস্থার ভিত্তি হয়ে উঠুক। এটাই আজকের অনুষ্ঠানের মূল কথা। সমগ্র দেশ যেভাবে শ্রী গুরু তেগ বাহাদুরের শহীদ দিবস উদযাপন করছে তা দেখায় যে গুরুদের শিক্ষা এখনও আমাদের সমাজের চেতনায় কতটা জীবন্ত। এই আশায় যে এই উদযাপনগুলি আমাদের তরুণ প্রজন্মের জন্য ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অর্থপূর্ণ অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে, আমি আবারও আপনাদের সকলকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

ওয়াহেগুরু জি কা খালসা, ওয়াহেগুরু জি কি ফাতেহ।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India's electronics exports cross $47 billion in 2025 on iPhone push

Media Coverage

India's electronics exports cross $47 billion in 2025 on iPhone push
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
সোশ্যাল মিডিয়া কর্নার 19 জানুয়ারি 2026
January 19, 2026

From One-Horned Rhinos to Global Economic Power: PM Modi's Vision Transforms India