India has turned diversity into the strength of its democracy: PM
India has shown that democratic institutions and democratic processes give democracy with stability, speed and scale: PM
In India, democracy means last mile delivery: PM
Our democracy is like a large tree supported by deep roots; We have a long tradition of debate, dialogue and collective decision-making: PM
India is raising the concerns of the Global South on every global platform and placed its priorities at the centre of the global agenda during its G20 Presidency: PM

লোকসভার মাননীয় অধ্যক্ষ শ্রী ওম বিড়লাজি, রাজ্যসভার ডেপুটি-চেয়ারম্যান শ্রী হরিবংশজি, আন্তঃসংসদীয় ইউনিয়নের সভাপতি শ্রীমতী তুলিয়া অ্যাকসন, কমনওয়েলথ সংসদীয় সংগঠনের সভাপতি শ্রী ক্রিস্টোফার কালিলা, কমনওয়েলথ দেশগুলির অধ্যক্ষ ও  প্রিসাইডিং অফিসার, অন্য প্রতিনিধিরা, ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ!

বন্ধুরা,

সংসদীয় গণতন্ত্রে আপনাদের ভূমিকা হলো স্পিকারের। মজার ব্যাপার হলো, স্পিকারকে খুব বেশি কথা বলতে হয় না। তাঁদের কাজ হলো অন্যদের কথা শোনা এবং সবাই যাতে বক্তব্য রাখার সুযোগ পান, তা নিশ্চিত করা। স্পিকারদের একটি সাধারণ গুণ হলো ধৈর্য। স্বর সপ্তমে তুলে চিৎকার করছেন, এমন অতি উৎসাহী সদস্যদেরও তাঁরা হাসিমুখে সামলান।

 

বন্ধুরা,

এই বিশেষ অনুষ্ঠানে আপনাদের আমি আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। আপনাদের এখানে পেয়ে আমরা সম্মানিত।

বন্ধুরা,

যেখানে আপনারা বসে আছেন, সেই স্থানটি ভারতের গণতান্ত্রিক যাত্রায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঔপনিবেশিক শাসনের শেষ বছরগুলিতে, যখন ভারত স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে, তখন এই সেন্ট্রাল হলেই ভারতের সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদের সভা বসেছিল। স্বাধীনতার পর ৭৫ বছর ধরে এই ভবনটি ভারতের সংসদ ছিল এবং এই হলেই ভারতের ভবিষ্যৎ নির্ধারণকারী অসংখ্য আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এখন গণতন্ত্রের প্রতি উৎসর্গীকৃত এই স্থানটির নাম দেওয়া হয়েছে সংবিধান ভবন। সম্প্রতি ভারত তার সংবিধান কার্যকর হওয়ার ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপন করেছে। এই সংবিধান ভবনে আপনাদের উপস্থিতি ভারতীয় গণতন্ত্রের কাছে এক বিশেষ ঘটনা। 

বন্ধুরা,

এই নিয়ে চতুর্থবার কমনওয়েলথ অধ্যক্ষ ও প্রিসাইডিং অফিসারদের সম্মেলন ভারতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের সম্মেলনের মূল ভাবনা হলো “সংসদীয় গণতন্ত্রের কার্যকর বাস্তবায়ন”। আপনারা সবাই জানেন যে, ভারত যখন স্বাধীন হয়েছিল, তখন এমন বৈচিত্র্যের মধ্যে গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু ভারত এই বৈচিত্র্যকে তার গণতন্ত্রের শক্তিতে পরিণত করেছে। আরেকটি বড় সন্দেহ ছিল যে, যদি কোনোভাবে গণতন্ত্র টিঁকেও থাকে, ভারত কখনোই উন্নতি করতে পারবে না। কিন্তু ভারত প্রমাণ করেছে যে, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুস্থিতি, গতি এবং ব্যাপকমাত্রা আনতে পারে। 

 

ভারত বিশ্বের দ্রুততম বিকাশশীল অন্যতম প্রধান অর্থনীতি। আজ ভারতের ইউপিআই বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম। ভারত বিশ্বের বৃহত্তম টিকা উৎপাদনকারী দেশ। ভারত দ্বিতীয় বৃহত্তম ইস্পাত উৎপাদনকারী। ভারতে তৃতীয় বৃহত্তম স্টার্টআপ পরিমণ্ডল রয়েছে। ভারত তৃতীয় বৃহত্তম বিমান চলাচল বাজার। ভারতে চতুর্থ বৃহত্তম রেল নেটওয়ার্ক রয়েছে। ভারতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো রেল নেটওয়ার্ক রয়েছে। ভারত বিশ্বের বৃহত্তম দুধ উৎপাদনকারী দেশ। ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধান উৎপাদনকারী দেশ।

বন্ধুরা,

ভারতে গণতন্ত্র মানে শেষ প্রান্ত পর্যন্ত পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া। জনকল্যাণের মানসিকতা নিয়ে আমরা কোনো ভেদাভেদ ছাড়াই প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য কাজ করি। আর এই জনকল্যাণের মানসিকতার কারণেই সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারতে ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্র্যের করার গ্রাস থেকে বেরিয়ে এসেছেন। ভারতে গণতন্ত্র তার সুফল পৌঁছে দেয়।

বন্ধুরা,

ভারতে গণতন্ত্র তার সুফল পৌঁছে দেয়, কারণ আমাদের কাছে দেশের জনগণই সর্বোচ্চ। আমরা তাঁদের আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং আমাদের নাগরিকদের স্বপ্নকে অগ্রাধিকার দিয়েছি। যাতে পথে কোনো বাধা না আসে, তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা প্রক্রিয়া থেকে প্রযুক্তি পর্যন্ত সবকিছুকে গণতান্ত্রিক করেছি। এই গণতান্ত্রিক চেতনা আমাদের রক্তে, আমাদের মনে এবং আমাদের সংস্কৃতিতে প্রবাহিত।

আপনাদের একটি উদাহরণ দিই: কয়েক বছর আগে যখন সারা বিশ্ব কোভিড-১৯ মহামারীর সঙ্গে লড়াই করছিল, ভারতও তখন বিশাল চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছিল। তবুও, সেই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত ১৫০টিরও বেশি দেশে ওষুধ এবং টিকা সরবরাহ করেছিল। মানুষের কল্যাণ, তাদের মঙ্গল এবং তাদের সুবিধা—এটাই আমাদের ঐতিহ্য।

বন্ধুরা,

আপনাদের অনেকেই ভারতকে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে চেনেন। সত্যিই, আমাদের গণতন্ত্রের পরিধি অসাধারণ। ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত ভারতের সাধারণ নির্বাচনের কথাই ধরুন। এটি ছিল মানব ইতিহাসের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক অনুশীলন। প্রায় ৯৮ কোটি নাগরিক ভোট দেওয়ার জন্য নথিভুক্ত ছিলেন। এই সংখ্যাটি কয়েকটি মহাদেশের জনসংখ্যার চেয়েও বেশি। আট হাজারেরও বেশি প্রার্থী এবং সাত শতাধিক রাজনৈতিক দল ছিল। এই নির্বাচনে মহিলা ভোটারদের অংশগ্রহণও ছিল রেকর্ডসংখ্যক।

 

আজ ভারতীয় মহিলারা শুধু অংশগ্রহণই করছেন না, নেতৃত্বও দিচ্ছেন। ভারতের রাষ্ট্রপতি, আমাদের প্রথম নাগরিক, একজন মহিলা। আমরা এখন যে শহরে আছি, সেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীও একজন মহিলা। গ্রামীণ ও স্থানীয় শাসন কর্তৃপক্ষগুলিতে ভারতে প্রায় ১৫ লক্ষ নির্বাচিত মহিলা প্রতিনিধি রয়েছেন। তাঁরা তৃণমূল স্তরের প্রায় ৫০ শতাংশ নেতার প্রতিনিধিত্ব করেন, যা বিশ্বজুড়ে অতুলনীয়। ভারতীয় গণতন্ত্র বৈচিত্র্যেও সমৃদ্ধ। এখানে শত শত ভাষায় কথা বলা হয়। বিভিন্ন ভাষায় নয় শতাধিক টেলিভিশন চ্যানেল রয়েছে। হাজার হাজার সংবাদপত্র ও সাময়িকী প্রকাশিত হয়। খুব কম সমাজই এই মাপের বৈচিত্র্য সামলাতে পারে। ভারত এই ধরনের বৈচিত্র্য উদযাপন করে কারণ আমাদের গণতন্ত্রের ভিত্তি অত্যন্ত মজবুত। আমাদের গণতন্ত্র গভীর শিকড় থাকা এক বিশাল গাছের মতো। বিতর্ক, সংলাপ এবং সম্মিলিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের দীর্ঘ ঐতিহ্য আমাদের রয়েছে। ভারতকে গণতন্ত্রের জননী বলা হয়। আমাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ বেদ পাঁচ হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো। এতে এমন সভার উল্লেখ রয়েছে, যেখানে মানুষ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করার জন্য একত্রিত হতো। আলোচনা ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো। আমরা ভগবান বুদ্ধের দেশ। বৌদ্ধ সংঘে উন্মুক্ত ও সুশৃঙ্খল আলোচনা হতো। ঐকমত্য বা ভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো।

ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যে দশম শতাব্দীর একটি শিলালিপি রয়েছে। তাতে একটি গ্রামসভার বর্ণনা রয়েছে, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে কাজ করত। সেখানে দায়বদ্ধতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সুস্পষ্ট নিয়ম ছিল। আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ, বৈচিত্র্যের মধ্য দিয়ে সমর্থিত এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে শক্তিশালী হয়েছে।

বন্ধুরা,

কমনওয়েলথের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫০ শতাংশ ভারতে বাস করে। ভারত যাতে সব দেশের উন্নয়নে যথাসম্ভব অবদান রাখতে পারে, সেই প্রচেষ্টা আমাদের সর্বদাই থাকে। কমনওয়েলথের সুস্থিত উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা—স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে—আমরা সম্পূর্ণ দায়িত্বের সঙ্গে আমাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করছি। ভারত আপনাদের সকলের কাছ থেকে ক্রমাগত শিখতে সচেষ্ট, এবং ভারতের অভিজ্ঞতা যাতে কমনওয়েলথের অন্যান্য অংশীদারের উপকারে লাগে, সেই বিষয়েও আমরা নিরন্তর প্রয়াসী।

 

বন্ধুরা,

আজ যখন বিশ্ব অভূতপূর্ব পরিবর্তনের এক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য নতুন পথ তৈরি করারও সময় এসেছে। ভারত প্রতিটি বিশ্বমঞ্চে উন্নয়নশীল দেশগুলির উদ্বেগ জোরালোভাবে তুলে ধরছে। জি-২০-র সভাপতিত্বের সময়ে ভারত উন্নয়নশীল দেশগুলির উদ্বেগকে বিশ্বের কর্মসূচির কেন্দ্রে স্থাপন করেছিল। আমরা যে উদ্ভাবনই করি না কেন, তা যাতে উন্নয়নশীল দেশ এবং কমনওয়েলথ দেশগুলির উপকারে আসে, সেই প্রয়াস ভারত নিরন্তরভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা ওপেন-সোর্স প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মও তৈরি করছি, যাতে উন্নয়নশীল বিশ্বে আমাদের অংশীদার দেশগুলি ভারতের মতো ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে।

বন্ধুরা,

এই সম্মেলনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো, আমরা কীভাবে বিভিন্ন উপায়ে সংসদীয় গণতন্ত্র সম্পর্কে জ্ঞান ও বোঝাপড়াকে উৎসাহিত করতে পারি, তা অন্বেষণ করা। এক্ষেত্রে অধ্যক্ষ এবং প্রিসাইডিং অফিসারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কাজটি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে মানুষকে আরও নিবিড়ভাবে সংযুক্ত করে। ভারতীয় সংসদ ইতিমধ্যেই এই ধরনের প্রচেষ্টায় নিয়োজিত রয়েছে। স্টাডি ট্যুর, বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে নাগরিকরা সংসদকে আরও কাছ থেকে বোঝার সুযোগ পেয়েছেন। আমাদের সংসদে, আমরা বিতর্ক এবং সভার কার্যক্রমকে রিয়েল টাইমে আঞ্চলিক ভাষায় অনুবাদ করার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার শুরু করেছি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে সংসদ সম্পর্কিত সম্পদগুলোকেও আরও ব্যবহারকারী-বান্ধব করা হচ্ছে। এতে আমাদের তরুণ প্রজন্ম সংসদকে আরও ভালো করে বোঝার সুযোগ পাচ্ছে।

বন্ধুরা,

এখন পর্যন্ত, আমি আপনাদের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ২০টিরও বেশি সদস্য দেশ সফর করার সুযোগ পেয়েছি। আমি বেশ কয়েকটি সংসদে ভাষণ দেওয়ারও সুযোগ পেয়েছি। আমি যেখানেই গিয়েছি, সেখানেই অনেক কিছু শিখেছি। আমি প্রতিটি ভালো কাজের অভিজ্ঞতা আমাদের লোকসভার অধ্যক্ষ এবং রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ও ডেপুটি চেয়ারম্যানের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছি। এই সম্মেলন শিক্ষা গ্রহণ ও ভাগ করে নেওয়ার এই প্রক্রিয়াকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে আমা বিশ্বাস। এই আশা নিয়ে আমি আপনাদের সকলকে আমার শুভেচ্ছা জানাই।

ধন্যবাদ!

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
PM Modi apologises to women after Lok Sabha rejects 33% quota bill, vows to ‘remove every obstacle’ to ensure representation

Media Coverage

PM Modi apologises to women after Lok Sabha rejects 33% quota bill, vows to ‘remove every obstacle’ to ensure representation
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister condoles the passing of prolific writer, thinker and public intellectual, Shri Balbir Punj
April 19, 2026

The Prime Minister, Shri Narendra Modi has expressed grief over the demise of prolific writer, thinker and public intellectual Shri Balbir Punj.

Shri Modi said that Shri Balbir Punj Ji was a prolific writer, thinker and public intellectual who made a rich contribution to the world of media. His writings were widely read and reflected his strong passion towards national regeneration. He noted that Shri Punj’s Parliamentary interventions were rich in facts and theory.

The Prime Minister wrote on X;

“Shri Balbir Punj Ji was a prolific writer, thinker and public intellectual. He made a rich contribution to the world of media. His writings were widely read, reflecting his strong passion towards national regeneration. His Parliamentary interventions were rich in facts and theory.

Shri Balbir Punj Ji worked tirelessly to strengthen the BJP, especially among students, professionals, scholars and intellectuals. He was in-charge of various states, including Gujarat. Fondly remember our interactions from those times. Pained by his passing. Condolences to his family and friends. Om Shanti.”

“बलबीर पुंज जी एक प्रसिद्ध लेखक होने के साथ-साथ प्रखर विचारक और सम्मानित बुद्धिजीवी थे। मीडिया के क्षेत्र में उनका योगदान बहुत सराहनीय रहा है। लोग उनकी लेखनी के कायल थे, जिससे राष्ट्र निर्माण के प्रति उनकी गहरी प्रतिबद्धता परिलक्षित होती थी । उनके संसदीय भाषणों में तथ्यों और मानवीय मूल्यों का भरपूर समावेश रहता था।

बलबीर पुंज जी ने भाजपा को सशक्त बनाने के लिए अथक प्रयास किए। विद्यार्थियों, पेशेवरों, विद्वतजनों और बुद्धिजीवियों को उन्होंने पार्टी से जोड़ने में उल्लेखनीय भूमिका निभाई। वे गुजरात सहित कई राज्यों के प्रभारी रहे। उस दौर में उनसे हुए संवाद मेरे लिए अविस्मरणीय रहेंगे। उनके निधन से अत्यंत दुख हुआ है। शोक की इस घड़ी में उनके परिजनों और मित्रों के प्रति मेरी हार्दिक संवेदनाएं। ओम शांति!”