ভণক্কম!
তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল শ্রদ্ধেয় আর এন রবি জি, আমার মন্ত্রিসভার সহযোগী কিঞ্জরাপু রামমোহন নাইডু জি, ডঃ এল. মুরুগন জি, তামিলনাড়ুর মন্ত্রী তঙ্গম টেন্নরসু জি, ডক্টর টি. আর. বি. রাজা জি, পি. গীতা জীবন জি, অনিতা আর. রাধাকৃষ্ণন জি, সাংসদ কনিমোঝি জি, তামিলনাড়ু ভারতীয় জনতা পার্টির অধ্যক্ষ এবং আমাদের বিধায়ক নয়নার নাগেন্দ্রন জি, আর আমার প্রিয় তামিলনাড়ুর ভাই ও বোনেরা!
আজ কার্গিল বিজয় দিবস। আমি সবার আগে কার্গিলের বীরদের প্রণাম জানাই, শহীদদের শ্রদ্ধাঞ্জলী জানাই।
বন্ধুগণ,
আমার সৌভাগ্য যে গত চার দিন বিদেশ সফরের পর সরাসরি ভগবান রামেশ্বরের এই পবিত্র ভূমিতে আসার সুযোগ হয়েছে। বিদেশ সফরের সময়, ভারত এবং ইংল্যান্ডের মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। এই চুক্তি ভারতের ওপর বিশ্ববাসীর ভরসা এবং ভারতের নতুন আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। এই আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমেই আমরা উন্নত ভারত গড়ে তুলবো, উন্নত তামিলনাড়ু গড়ে তুলবো। আজও এখানে ভগবান রামেশ্বর এবং ভগবান তিরুচেন্দুর মুরুগনের আশীর্বাদে, থুথুকুডির উন্নয়নের এক নতুন অধ্যায় লেখা হচ্ছে। ২০১৪ সালে তামিলনাড়ুকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাওয়ার যে মিশন শুরু হয়েছিল থুথুকুডি লাগাতার তার সাক্ষী থাকছে।

বন্ধুগণ,
গত বছর ফেব্রুয়ারিতে, আমি এখানে 'ভি.ও. চিদাম্বরনার পোর্ট'-এর জন্য 'আউটার হারবার কন্টেইনার টার্মিনাল'-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলাম। সেই সময়ে, কয়েকশো কোটি টাকা বিনিয়োগে নির্মিত কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধনও করেছিলাম। তারপর, সেপ্টেম্বর মাসে এখানে নতুন 'থুথুকুডি ইন্টারন্যাশনাল কন্টেইনার টার্মিনাল'-এর উদ্বোধন করেছিলাম। আজ আর একবার এখানে ৪৮০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে বিমানবন্দর, মহাসড়ক, সমুদ্রবন্দর এবং রেলপথের প্রকল্প রয়েছে। পাশাপাশি শক্তি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপও রয়েছে। আমি আপনাদের সবাইকে, তামিলনাড়ুর জনগণকে এর জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই।
বন্ধুগণ,
পরিকাঠামো এবং শক্তি উৎপাদন যে কোনও রাজ্যের উন্নয়নের মেরুদণ্ড। এই ১১ বছরে আমাদের পরিকাঠামো ও শক্তি উৎপাদন ক্ষেত্রে গুরুত্ব প্রদান থেকে বোঝা যায় তামিলনাড়ুর উন্নয়নকে আমরা কত বড় অগ্রাধিকার দিই। আজ উদ্বোধন করা ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা সমস্ত প্রকল্পই থুথুকুডি তথা তামিলনাড়ুকে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, পরিবেশবান্ধব শক্তি উৎপাদন এবং নতুন নতুন সুযোগের হাব করে তুলবে।
বন্ধুগণ,
তামিলনাড়ু এবং থুথুকুডির ভূমি এখানকার জনগণ শতাব্দীর পর শতাব্দী কাল ধরে সমৃদ্ধ এবং শক্তিশালী ভারত গড়ার ক্ষেত্রে নিজেদের অবদান রেখেছে। এই ভূমি থেকেই ভি.ও. চিদম্বরম পিল্লাইয়ের মতো দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মনীষী জন্মগ্রহণ করেছেন। পরাধীনতার সময়েও তিনি সমুদ্র পথে বাণিজ্যের শক্তিকে অনুধাবন করে সমুদ্রে স্বদেশী জাহাজ চালিয়ে ব্রিটিশদের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়। এই মাটিতে বীর-পান্ডিয়া কট্টা-বোম্মন এবং অজগু-মুথু কন-এর মতো মহাপুরুষরা স্বাধীন এবং সমর্থ ভারতের স্বপ্ন বুনেছিলেন। সুব্রহ্মনিয়াম ভারতীর মতো রাষ্ট্র কবির জন্ম এখান থেকে কিছু দূরেই হয়েছিল। আপনারা সবাই জানেন, সুব্রহ্মনিয়াম ভারতী জির যতটা নিবিড় সম্পর্ক থুথুকুডির সঙ্গে ছিল, ততটাই নিবিড় সম্পর্ক আমার সংসদীয় এলাকা কাশীর সঙ্গেও ছিল। তাঁকে সম্মান জানিয়ে আমরা ‘কাশী-তামিল সঙ্গমম’-এর মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করে তুলছি।

বন্ধুগণ,
আমার মনে আছে, গত বছরই আমি থুথুকুডির বিখ্যাত মুক্তা বিল গেটসকে উপহার দিয়েছিলাম। সেই মুক্তাগুলো বিল গেটসের খুব পছন্দ হয়েছিল। এখানকার পাণ্ড্য মুক্তা একসময় গোটা বিশ্বে ভারতের অর্থনৈতিক শক্তির প্রতীক ছিল।
বন্ধুগণ,
আজ, আমরা এখানে নিজেদের প্রচেষ্টায় উন্নত তামিলনাড়ু, তথা উন্নত ভারতের স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলেছি। ব্রিটেন এবং ভারতের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি(এফটিএ) হয়েছে। এফটিএ এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের গতিকে ত্বরান্বিত করবে। আজ, ভারতের উন্নতিতে বিশ্ব নিজেদের উন্নয়ন দেখতে পাচ্ছে। এই চুক্তিও ভারতকে নতুন অর্থনৈতিক শক্তি যোগাবে। এর মাধ্যমে আমাদের, বিশ্বের তৃতীয় অর্থনীতির দেশ হয়ে ওঠার গতি আরও ত্বরান্বিত হবে।
বন্ধুগণ,
এই এফটিএ চুক্তির পর, ব্রিটেনে বিক্রি হওয়া ৯৯% ভারতীয় পণ্য করমুক্ত হবে। ব্রিটেনে ভারতীয় পণ্যের দাম সস্তা হওয়ায়, সেখানে এখন চাহিদা বাড়বে। ফলে, সেই পণ্যগুলি ভারতে আরও বেশি পরিমাণে উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হবে।
বন্ধুগণ,
ভারত -ব্রিটেন এফটিএ-র মাধ্যমে তামিলনাড়ুর তরুণ প্রজন্ম, আমাদের ক্ষুদ্র শিল্পোদ্যোগগুলি, অতিক্ষুদ্র-ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগগুলি এবং স্টার্টআপগুলি সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে। এর ফলে, শিল্পোদ্যোগ থেকে শুরু করে আমাদের মৎস্যজীবী ভাই-বোনেরা এবং গবেষণা ও উদ্ভাবন সব ক্ষেত্রেই লাভবান হবে।

বন্ধুগণ,
আজ, ভারত সরকার ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘মিশন ম্যানুফ্যাকচারিং’ প্রকল্পকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আপনারা সবাই সম্প্রতি অপারেশন সিন্দুরের সময় ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র শক্তি দেখেছেন। সন্ত্রাসবাদের ঠিকানাগুলিকে ধূলিসাৎ করার ক্ষেত্রে মেক ইন ইন্ডিয়া হাতিয়ারগুলির বড় ভূমিকা ছিল। ভারতে নির্মিত অস্ত্রশস্ত্র আজও সন্ত্রাসবাদের চাঁইদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে।
বন্ধুগণ,
তামিলনাড়ুর সম্ভাবনাকে সম্পূর্ণভাবে ব্যবহার করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার তামিলনাড়ুর পরিকাঠামোকে আধুনিকীকরণের চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমরা তামিলনাড়ুতে সমুদ্রবন্দর পরিকাঠামোকেও হাই-টেক করে গড়ে তুলছি। পাশাপাশি, বিমানবন্দর, মহাসড়ক ও রেলপথকেও পরস্পরের সঙ্গে সংহত করছি। আজ থুথুকুডি বিমানবন্দরের নতুন অ্যাডভান্স টার্মিনালের শুভ উদ্বোধন এই লক্ষ্যে আরেকটি বড় পদক্ষেপ। ৪৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগে নির্মিত এই টার্মিনাল এখন প্রতি বছর ২০ লক্ষেরও বেশি যাত্রীকে আতিথেয়তা দেবে। আগে এর ক্ষমতা ছিল মাত্র ৩ লক্ষ যাত্রীকে আতিথেয়তা প্রদানের।
বন্ধুগণ,
নতুন টার্মিনাল নির্মাণের পর দেশের আরও অনেক গন্তব্যের সঙ্গে থুথুকুডির যোগাযোগ ব্যবস্থা বৃদ্ধি পাবে। তামিলনাড়ুতে কর্পোরেট ট্রাভেল, এডুকেশন হাব এবং স্বাস্থ্য পরিকাঠামো এর মাধ্যমে বেশি লাভবান হবে। পাশাপাশি, এই এলাকার ট্যুরিজম পোটেনশিয়ালও নতুন শক্তি পাবে।

বন্ধুগণ,
আজ আমরা তামিলনাড়ুর দুটি বৃহৎ সড়ক প্রকল্পকে জনগণের উদ্দেশে সমর্পণ করেছি। প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সড়কপথ চেন্নাইয়ের সঙ্গে দুটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নশীল এলাকাকে যুক্ত করবে। এই সড়কপথের মাধ্যমে ডেলটা জেলাগুলির সঙ্গে চেন্নাইয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হয়েছে।
বন্ধুগণ,
এই প্রকল্পগুলির সাহায্যে, থুথুকুডি সমুদ্রবন্দরের যোগাযোগ ব্যবস্থাও অনেক উন্নত হয়েছে। এই সড়কপথ এই গোটা অঞ্চলের জন্য 'ইজ অফ লিভিং' বাড়াবে। বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের নতুন নতুন পথও খুলবে।
বন্ধুগণ,
আমাদের সরকার দেশের রেলপথকে শিল্প উন্নয়ন এবং আত্মনির্ভর ভারতের লাইফলাইন বলে মনে করে। সেই জন্য বিগত ১১ বছরে দেশবাসী রেল পরিকাঠামোর আধুনিকীকরণের একটি নতুন পর্যায় দেখেছে। তামিলনাড়ু রেল পরিকাঠামো আধুনিকীকরণ অভিযানে একটি প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। আমাদের সরকার 'অমৃত ভারত স্টেশন স্কিম'-এর মাধ্যমে তামিলনাড়ুর ৭৭টি স্টেশনকে পুনোন্নয়ন করছে। আধুনিক বন্দে ভারত ট্রেনগুলির মাধ্যমে তামিলনাড়ুর জনগণ নতুন অভিজ্ঞতা উপভোগ করছেন। দেশের প্রথম এবং অনুপম ভার্টিক্যাল লিফট রেল ব্রিজ, যা পম্বন ব্রিজ নামে খ্যাত, সেই সেতুটিও তামিলনাড়ুতেই তৈরি হয়েছে। এই পম্বন ব্রিজ নিঃসন্দেহে সেতুর দুপারের অসংখ্য মানুষের ও দেশের নানা প্রান্ত ও বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পর্যটকদের‘ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস’ এবং ‘ইজ অফ ট্রাভেল’ বাড়াবে।
বন্ধুগণ,
আজ দেশের সর্বত্র বিপুল আকার ও আধুনিক পরিকাঠামো উন্নয়নের মহা অভিযান চলছে। কিছুদিন আগে উদ্বোধন হওয়া জম্মু ও কাশ্মীরের চেনাব ব্রিজ কারিগরি শিল্পের চমৎকার উদাহরণ। এই সেতু প্রথমবার জম্মু ও শ্রীনগরকে রেলপথে যুক্ত করেছে। তাছাড়া, দেশের দীর্ঘতম সমুদ্র সেতু অটল সেতু নির্মাণ, আসামে বোগিবিল সেতু নির্মাণ, ৬ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ সোনামার্গ সুরঙ্গ নির্মাণ - এরকম কত না প্রকল্প আমাদের কেন্দ্রীয় সরকার সম্পূর্ণ করেছে। এই সব প্রকল্পের মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

বন্ধুগণ,
আজও, আমরা তামিলনাড়ুতে যে রেল প্রকল্পগুলি জনগণের উদ্দেশে সমর্পণ করলাম সেগুলির মাধ্যমে দক্ষিণ তামিলনাড়ুর লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন। মাদুরাই থেকে বোদি-নায়ক্কানুর রেলপথের বৈদ্যুতিকীকরণ হওয়ার পর এখন এখানে বন্দে ভারত-এর মতো ট্রেনগুলি আসার পথ খুলে গেছে। এই রেল প্রকল্পগুলি তামিলনাড়ুর গতি ও পরিমাণকে একটি নতুন শক্তি প্রদান করতে চলেছে।
বন্ধুগণ,
আজ, ২০০০ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষম কুদানকুলাম নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্রোজেক্ট সংশ্লিষ্ট ট্রান্সমিশন প্রকল্পেরও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগে নির্মিয়মান এই ব্যবস্থা আগামীদিনে দেশে পরিবেশবান্ধব শক্তি উৎপাদনে বড় ভূমিকা পালন করবে। এই শক্তি উৎপাদন প্রকল্প ভারতের 'গ্লোবাল এনার্জি টার্গেট' এবং 'এনভায়োরমেন্টাল কমিটমেন্ট'-গুলিকে কাজে লাগানোর মাধ্যম হয়ে উঠবে। যখন বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়বে, তখন তামিলনাড়ুর শিল্পোদ্যোগগুলি এবং দেশীয় ব্যবহারকারীরা সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন।
বন্ধুগণ,
আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে তামিলনাড়ুতে 'পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনা' দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। এখন পর্যন্ত, সরকার প্রায় ১ লক্ষ আবেদনপত্র পেয়েছে, আর ইতিমধ্যেই ৪০০০০ সোলার রুফটপ লাগানো সম্ভব হয়েছে। এই প্রকল্প শুধু যে বিনামূল্যে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে না, হাজার হাজার গ্রিন জবস বা পরিবেশবান্ধব কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে।

বন্ধুগণ,
তামিলনাড়ুর উন্নয়ন, উন্নত তামিলনাড়ুর স্বপ্নই আমাদের মূল দায়বদ্ধতা। আমরা তামিলনাড়ুর উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত নীতিগুলিকে প্রতিনিয়ত অগ্রাধিকার দিই। গত এক দশকে কেন্দ্রীয় সরকার তিন লক্ষ কোটি টাকারও বেশি তামিলনাড়ুকে হস্তান্তর করেছে। এই অর্থ বিগত ইউপিএ সরকারের পাঠানো অর্থের তুলনায় তিনগুণেরও বেশি। বিগত ১১ বছরে, তামিলনাড়ু এগারোটি নতুন মেডিকেল কলেজ পেয়েছে। প্রথমবার সমুদ্র তটবর্তী এলাকায় বসবাসকারী মৎস্যজীবীদের সম্পর্কে কোন সরকার এতটা ভেবেছে। নীল বিপ্লবের মাধ্যমে আমরা তটবর্তী এলাকার অর্থনীতিকে আরও উন্নত করছি।

বন্ধুগণ,
আজ, থুথুকুডির এই ভূমি উন্নয়নের নতুন অধ্যায়ের সাক্ষী হয়ে উঠেছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে উন্নত তামিলনাড়ু, উন্নত ভারতের শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে উঠছে। আমি আর একবার আমার তামিলনাড়ুর পরিবারের সদস্যদের এই সকল প্রকল্পের জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমার আর একটি প্রার্থনা হল, আজ আমি দেখছি যে আপনারা অত্যন্ত উৎসাহ প্রকাশ করছেন, একটা কাজ করুন, নিজেদের মোবাইল ফোন হাতে নিন, মোবাইল ফোনের ফ্ল্যাশ লাইট দিয়ে এই নতুন বিমানবন্দরের গৌরব বৃদ্ধি করুন।
ভারত মাতার জয়।
ভারত মাতার জয়।
ভারত মাতার জয়।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
ভণক্কম।





