“আজ যেখানে প্রয়োজন রয়েছে সেখানেই সরকারের বিভিন্ন নীতি ও সিদ্ধান্তের ইতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে”
“আজ মানুষ সরকারকে বাধা সৃষ্টিকারী হিসেবে বিবেচনা করে না; বরং বলা চলে জনসাধারণ আমাদের সরকারকে নতুন সম্ভাবনার অনুঘটক হিসেবে মনে করেন। নিশ্চিতভাবে এক্ষেত্রে প্রযুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে”
“নাগরিকরা সরকারের কাছে তাঁদের মতামত খুব সহজেই জানাতে পারেন এবং বিভিন্ন সমস্যার সমাধানও তৎক্ষণাৎ পেয়ে থাকেন”
“আমরা ভারতে আধুনিক ডিজিটাল পরিকাঠামো গড়ে তুলছি, একইসঙ্গে ডিজিটাল বিপ্লবের সুফল যাতে সমাজে প্রত্যেকের কাছে পৌঁছয় সেটিও নিশ্চিত করা হচ্ছে”
“আমরা কি সমাজের ১০টি সমস্যাকে চিহ্নিত করতে পারি যেগুলির কৃত্রিম মেধার সাহায্যে সমাধান করা সম্ভব”
“সরকার এবং জনসাধারণের মধ্যে আস্থার অভাব থাকায় দাসত্বের একটি মানসিকতা গড়ে উঠেছে”
“আমাদের সমাজে আস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে আন্তর্জাতিক স্তরে ভাল ভাল নিয়মগুলিকে জানার প্রয়োজন”

নমস্কার!

জাতীয় বিজ্ঞান দিবসে আয়োজিত আজকের বাজেট পরবর্তী ওয়েবিনারের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একুশ শতকের পরিবর্তিত ভারত প্রযুক্তির শক্তি দিয়ে ক্রমাগত তার নাগরিকদের ক্ষমতায়ন করছে। বিগত বছরগুলোতে আমাদের সরকারের প্রতিটি বাজেটেই প্রযুক্তির সাহায্যে দেশবাসীর জীবনযাত্রার স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এবারের বাজেটেও প্রযুক্তির পাশাপাশি ‘হিউম্যান টাচ’বা মানবিক স্পর্শকে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

বন্ধুরা, একটা সময় ছিল যখন আমাদের দেশে সরকারের অগ্রাধিকারগুলির মধ্যে অনেক বৈপরীত্য লক্ষ্য করা যেত। সমাজের এমন একটি অংশ ছিল, যারা চেয়েছিলেন যে তাঁদের জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে সরকারের কিছু হস্তক্ষেপ থাকুক, সরকারের প্রভাব থাকুক, অর্থাৎ সরকার তাঁদের জন্য কিছু না কিছু করুক। কিন্তু বিগত সরকারের আমলে এই শ্রেণী সবসময়ই অভাব- অনটন অনুভব করেছে। অভাব- অনটনের সঙ্গে লড়াইয়েই তাঁদের জীবন কেটে যেত । সমাজে এমন এক শ্রেণির মানুষও ছিলেন, যাঁরা ছিলেন একটু অন্য ধরনের; তাঁরা নিজেদের শক্তিতে এগিয়ে যেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু বিগত সরকারের আমলেও এই শ্রেণীর মানুষও সর্বদাই প্রতি পদে পদে সরকারি হস্তক্ষেপের চাপ ও নানা প্রতিবন্ধকতা অনুভব করেছেন। গত কয়েক বছরে আমাদের সরকারের প্রচেষ্টার কারণে এই অবস্থার পরিবর্তন শুরু হয়েছে। আজ সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্তের ইতিবাচক প্রভাব সেই সব ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায় যেখানে এর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

আমাদের ক্রমাগত প্রচেষ্টা আজ প্রত্যেক দরিদ্র এবং বঞ্চিত মানুষের জীবনকে সহজ করে তুলছে, তাঁদের জীবনযাত্রার স্বাচ্ছন্দ্য বাড়িয়ে তুলছে। মানুষের জীবনে সরকারের হস্তক্ষেপ এবং চাপও কমেছে। আজ কোনও উদ্যোগী মানুষ আর সরকারকে পথের বাধা বলে মনে করে না। বরং মানুষ আমাদের সরকারকে নতুন নতুন সুযোগ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অনুঘটক হিসেবে দেখে। এবং অবশ্যই প্রযুক্তি এক্ষেত্রে অনেক বড় ভূমিকা পালন করছে।

আপনারা দেখুন, আজ প্রযুক্তি ‘এক দেশ-এক রেশন কার্ড’-এর ভিত্তি হয়ে উঠেছে এবং এর কারণে কোটি কোটি দরিদ্র মানুষ যাতে দেশের যে কোনও জায়গা থেকে স্বচ্ছভাবে রেশন পান তা সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে এটি দেশের নানা প্রান্তে কাজের খোঁজে বেরিয়ে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য একটি অনেক বড় আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে। জন ধন অ্যাকাউন্ট, আধার এবং মোবাইল এই তিনটির সহযোগে ইতিমধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে কোটি কোটি দরিদ্রের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রযুক্তির মাধ্যমে সরাসরি টাকা পাঠানো সম্ভব হয়েছে।

একইভাবে প্রযুক্তি, আরোগ্য সেতু এবং কোউইন অ্যাপ -এর সার্থক প্রয়োগের মাধ্যেমে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হয়ে উঠেছে এবং তা বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারী প্রতিরোধের ক্ষেত্রে ট্রেসিং এবং টিকাকরণে অনেক সাহায্য করেছে। আমরা আজ দেখতে পাচ্ছি যে প্রযুক্তি রেলওয়ে সংরক্ষণকে আরও আধুনিক করেছে এবং এতে সাধারণ মানুষের অনেক সমস্যা দূর হয়েছে। কমন সার্ভিস সেন্টারের নেটওয়ার্কও অতি সহজেই প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী দরিদ্রতম মানুষকেও সরকারি পরিষেবা পেতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। এমন অনেক সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের সরকার দেশবাসীর জীবনযাপণে স্বাচ্ছন্দ্য বাড়িয়েছে।

বন্ধুগণ, আজ ভারতের প্রত্যেক নাগরিক এই পরিবর্তনটি স্পষ্টভাবে অনুভব করছেন যে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা কত সহজ হয়ে গেছে। অর্থাৎ, দেশবাসী সহজে তাঁদের বার্তা, সমস্যার কথা সরকারের কাছে পৌঁছে দিতে পারছেন, এবং দ্রুত তার সমাধানও পাচ্ছেন। যেমন, কর-সংক্রান্ত অভিযোগ আগে অনেক বেশি ছিল এবং সে কারণে করদাতারা নানাভাবে হয়রানির শিকার হতেন। সেজন্য আমরা প্রযুক্তির সাহায্যে সম্পূর্ণ কর প্রক্রিয়াটিকে ‘ফেসলেস’ বা কোনও কর্মচারির সঙ্গে প্রত্যক্ষ সম্পর্কবিহীন করে দিয়েছি। এখন আপনার অভিযোগ এবং সেগুলির নিষ্পত্তির মধ্যে প্রত্যক্ষভাবে কোনও ব্যক্তি থাকেন না, শুধুই প্রযুক্তি থাকে। এটা আমি আপনাদের একটি উদাহরণ দিলাম। তবে অন্যান্য বিভাগেও প্রযুক্তির সাহায্যে আমরা আরও ভালো উপায়ে সমস্যার সমাধান করতে পারি। বিভিন্ন বিভাগ তাদের পরিষেবাকে আন্তর্জাতিক মানের করে তুলতে সম্মিলিতভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে। এর থেকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে আমরা এমন ক্ষেত্রগুলিও চিহ্নিত করতে পারি যেখানে সরকারের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ আরও সহজ করে তোলা যেতে পারে।

বন্ধুগণ, আপনারা জানেন যে আমরা ‘মিশন কর্মযোগী’ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। এই প্রশিক্ষণের পিছনে আমাদের লক্ষ্য কর্মচারীদের ‘সিটিজেন সেন্ট্রিক’ বা নাগরিক পরিষেবা  কেন্দ্রিক করে তোলা। এই প্রশিক্ষণের পাঠক্রমকে নিয়মিত ‘আপডেট’ বা বাস্তবিক প্রয়োজনের ভিত্তিতে পরিবর্তন করে যেতে হবে, আর তা জনগণের মতামতের ভিত্তিতে পরিবর্তন করা হলে এই প্রশিক্ষণ আরও সুফলদায়ক হবে। আমরা এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করতে পারি যেখানে এই  প্রশিক্ষণ পাঠক্রমের উন্নতির জন্য নিয়মিত সাধারণ মানুষের পরামর্শ পাওয়া যাবে।

বন্ধুগণ, প্রযুক্তি সবাইকে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সমান সুযোগ করে দিচ্ছে। আমাদের সরকার প্রযুক্তির ব্যবহারকে উৎসাহ জোগাতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করছে। আমরা ভারতে আধুনিক ডিজিটাল পরিকাঠামো তৈরি করছি। এর পাশাপাশি এটাও সুনিশ্চিত করছি যাতে এই ডিজিটাল বিপ্লবের সুফল সমাজের প্রতিটি স্তরের কাছে পৌঁছয়। আজ, জি ই এম পোর্টালটি এমনকি ছোট দোকানদার বা রাস্তার দুপাশে পসরা সাজিয়ে বসা বিক্রেতাদেরকেও দূর-দূরান্ত এলাকা থেকে তাঁদের পণ্য সরাসরি সরকারের কাছে বিক্রি করার সুযোগ এনে দিয়েছে। ‘ই-ন্যাম’ পোর্টালটি দেশের কৃষকদের বিভিন্ন জায়গা থেকে ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের সুযোগ এনে দিয়েছে। এখন কৃষকরা এক জায়গায় বসে তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের সেরা দাম পেতে পারেন।

বন্ধুগণ, আজকাল অনেকদিন ধরেই ফাইভ –জি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এটাও বলা হচ্ছে যে, শিল্প, চিকিৎসা, শিক্ষা, কৃষিসহ সমস্ত ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে চলেছে। কিন্তু এখন আমাদের নিজেদের জন্য কিছু নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। এই প্রযুক্তিগুলিকে সাধারণ মানুষের উন্নতির জন্য ব্যবহার করার উপায় কি কি? কোন কোন ক্ষেত্রে আমাদের আরও মনোযোগ দিতে হবে? আমরা কি সমাজের এমন ১০টি সমস্যা চিহ্নিত করতে পারি, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে সমাধান করা যেতে পারে? দেশের তরুণরা যখন সরকার আয়োজিত হ্যাকাথন-এ অংশগ্রহণ করে, তখন তাঁদের সামনে দেশের যে সমস্যাগুলি তুলে ধরা হয়, তরুণরা প্রযুক্তির মাধ্যমে সেগুলির সমাধানের পথ দেখায়। প্রতি বছর সারা দেশের লক্ষ লক্ষ যুবক-যুবতী এতে অংশগ্রহণ করে এবং খুব ভালো সমাধানের পথ দেখায়।

বন্ধুগণ, প্রযুক্তির সাহায্যে, সম্প্রতি আমরা প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য ডিজি-লকারের পরিষেবা চালু করেছি, এখন ‘ডিজি-লকার ফর এন্টিটিস’বা সংস্থাগুলির জন্য ডিজি-লকারের সুবিধা রয়েছে। এর মাধ্যমে যে কোনও কোম্পানি, অতিক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ গুলি তাদের ফাইল সংরক্ষণ করতে পারে এবং বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক এবং সরকারি বিভাগের সঙ্গে শেয়ার করতে পারে। ডিজিলকারের ধারণাকে আমাদের আরও প্রসারিত করতে হবে, আমাদের দেখতে হবে আর কী কী উপায়ে সাধারণ মানুষ এর মাধ্যমে উপকৃত হতে পারে!

বন্ধুগণ, বিগত কয়েক বছরে আমরা অতিক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ গুলিকে সমর্থন করার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছি। আজ এই বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা দরকার যে ভারতের অতিক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ গুলির ক্রমে একেকটি বড় কোম্পানি হয়ে উঠতে কোন কোন বাধার সম্মুখীন হতে হয়?  আমরা ছোট ব্যবসা এবং ছোট শিল্পোদ্যোগের জন্য ‘কমপ্লায়েন্স কস্ট’ বা সরকারের সম্মতি পাওয়ার খরচ কমাতে চাই। আপনারা জানেন যে  বানিজ্যের ক্ষেত্রে বলা হয় – ‘টাইম ইজ মানি’ বা সময় হল অর্থ। সেজন্য সম্মতি পাওয়ার সময় বাঁচানো মানে সম্মতি পাওয়ার খরচ বাঁচানো। আপনি যদি অপ্রয়োজনীয় সম্মতি পাওয়ার খরচের তালিকা তৈরি করতে চান, তাহলে এটাই সঠিক সময়, কারণ আমরা ইতিমধ্যেই চল্লিশ হাজার কমপ্লায়েন্স বাতিল করেছি।

বন্ধুগণ, সরকার এবং জনগণের মধ্যে আস্থার অভাব সমাজে দীর্ঘকাল ধরে জাঁকিয়ে বসে থাকা ঔপনিবেশিক দাসত্বের মানসিকতার পরিণাম। কিন্তু আজ ছোটখাটো ভুলগুলোকে ‘ডি- ক্রিমিন্যালাইজ’বা অপরাধের তালিকা থেকে মুক্ত করা হয়েছে আর অতিক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগগুলিকে প্রদেয় ঋণের গ্যারান্টার বা জামিনদার হিসেবে সরকার জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। তবে এখানেই থেমে থাকলে চলবে না, সমাজের সঙ্গে আস্থা মজবুত করতে বিশ্বের অন্যান্য দেশে কী করা হয়েছে তাও দেখতে হবে। তাঁদের কাছ থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা আমাদের দেশেও একই ধরনের চেষ্টা করে দেখতে পারি।

বন্ধুগণ, বাজেট বা যেকোনো সরকারি নীতির সাফল্য কিছুটা হলেও নির্ভর করে, সেটি  কতটা ভালোভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে তার ওপর। তবে এর থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হল সেগুলিকে বাস্তবায়নের উপায়;  এক্ষেত্রে জনগণের সহযোগিতা খুবই জরুরি। আমি নিশ্চিত যে সংশ্লিষ্ট সবার থেকে ইনপুট নিয়ে, জীবনযাত্রা সহজ করে তোলার ক্ষেত্রে বড় উত্সাহ জোগানো সম্ভব হবে। আর আমি অবশ্যই বলতে চাই যে, আমরা যখন বলি যে ‘ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ তৈরি করতে হবে, তখন সেখানে ‘জিরো ডিফেক্ট, জিরো ইফেক্ট’ সুনিশ্চিত করাকেও আমাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। আমাদের মানের ক্ষেত্রে কোনোরকম আপস করা উচিত নয়। এক্ষেত্রেও প্রযুক্তি অনেক সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। প্রযুক্তির সাহায্যে, আমরা পণ্য উৎপাদনের সুক্ষ্মাতিসুক্ষ্ম ক্ষেত্র পর্যন্ত পরীক্ষা ও যাচাইয়ের মাধ্যমে পণ্যটিকে নিখুঁত করে তুলতে পারি। আর শুধুমাত্র তখনই আমাদের পক্ষে সেই পণ্যের বিশ্ব বাজার দখল করা সম্ভব হতে পারে।

আমাদের মেনে নিতে হবে যে একবিংশ শতাব্দী প্রযুক্তি চালিত শতাব্দী। আমাদের জীবনে প্রযুক্তির প্রভাব ক্রমে আরও অনেকটাই বাড়তে চলেছে। আসুন, আমরা যেন নিজেদেরকে শুধুমাত্র ইন্টারনেট এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিতেই সীমাবদ্ধ না রাখি! আজ একইভাবে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক পৌঁছে যাচ্ছে প্রতিটি গ্রামে। এই অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক পঞ্চায়েত ভবনে পৌঁছবে, প্রতিটি সুস্থতা কেন্দ্রে পৌঁছবে, টেলি মেডিসিন চলবে, এমনকি আমাদের স্বাস্থ্য ক্ষেত্রও ক্রমে পুরোপুরি প্রযুক্তিচালিত হয়ে উঠছে। বর্তমানে আমাদের দেশ প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রের মতো কিছু ক্ষেত্রে অনেক সরঞ্জাম বিপুল পরিমাণে আমদানি করতে বাধ্য হয়। আমরা স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রেও অনেক সরঞ্জাম আমদানি করি। আমাদের দেশের শিল্পপতিরা কি প্রযুক্তির মানোন্নয়ন করে সেসব সরঞ্জাম উৎপাদনের দিকে যেতে পারে না? আর সে জন্যই এখন আমরা প্রতিটি গ্রামে অপটিক্যাল ফাইবার পৌঁছে দিচ্ছি।

যতক্ষণ পর্যন্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিষেবা প্রদান করতে এগিয়ে না আসে, ততক্ষণ পর্যন্ত নতুন নতুন সফট্‌ওয়্যার-ও আসে না। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিষেবা প্রদান করতে এলেই সাধারণ নাগরিক সেই অপ্টিক্যাল ফাইবার থেকে কী পরিষেবা নিতে পারেন, কিভাবে উপকৃত হতে পারেন – তার মডেল আমরা তৈরি করতে পারি। আর আমরা সমস্ত ক্ষেত্রেই গণঅংশীদারিত্ব চাই। সরকারি সবকিছু জানে – এরকম ভাবনা নিয়ে আমরা চলি না। সেজন্য আপনাদের মতো সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে আমার সনির্বন্ধ অনুরোধ যে, আপনারা একবিংশ শতাব্দী উপযোগী প্রযুক্তি-বান্ধব ভাবনাচিন্তা করুন। এই শতাব্দী প্রযুক্তি সঞ্চালিত শতাব্দী। প্রযুক্তিকে আমরা যতবেশি জনপ্রিয় করে তুলব, যত বেশি দ্রুত সরল করে তুলব, যত দ্রুত জনগণের ক্ষমতায়নের অনুকূল করে তুলব – ততটাই দেশ ও জনসাধারণ উপকৃত হবে। ২০৪৭ সালে আমাদের ভারতকে উন্নত ভারতে পরিণত করার লক্ষ্যে প্রযুক্তি আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি জোগায়। আমরা ভাগ্যবান যে, ভারতের কাছে প্রযুক্তির এই প্রাকৃতিক উপহার রয়েছে।

আমাদের রয়েছে প্রতিভাবান যুবসম্প্রদায়। এছাড়াও রয়েছে দক্ষ মানবসম্পদ। ভারতের গ্রামের মানুষেরও অসাধারণ প্রযুক্তি গ্রহণ ক্ষমতা রয়েছে। আমরা কিভাবে এই প্রাকৃতিক মেধা ও গ্রহণ ক্ষমতাকে কাজে লাগাবো, তা নিয়ে আপনারা ভাবুন। আমি চাই যে, আপনারা এ বিষয়ে বিস্তারিত ও পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা করি - কিভাবে এবারের বাজেটকে সবচেয়ে ভালোভাবে ব্যবহার করা যায়। কিভাবে এর দ্বারা দেশের মানুষকে সবচেয়ে বেশি উপকৃত করা যায়। এ বিষয়ে আপনারা যত নিবিড় আলাপ-আলোচনা করবেন, আমাদের বাজেট ততটাই সার্থক হয়ে উঠবে।

আমি আপনাদের সকলকে অনেক অনেক শুভকামনা জানাই।

অনেক অনেক ধন্যবাদ।

 

Explore More
ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

জনপ্রিয় ভাষণ

ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
Credit card spends rise 27% to Rs 18.26 trillion in FY24: RBI data

Media Coverage

Credit card spends rise 27% to Rs 18.26 trillion in FY24: RBI data
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Our government is dedicated to tribal welfare in Chhattisgarh: PM Modi in Surguja
April 24, 2024
Our government is dedicated to tribal welfare in Chhattisgarh: PM Modi
Congress, in its greed for power, has destroyed India through consistent misgovernance and negligence: PM Modi
Congress' anti-Constitutional tendencies aim to provide religious reservations for vote-bank politics: PM Modi
Congress simply aims to loot the 'hard-earned money' of the 'common people' to fill their coffers: PM Modi
Congress will set a dangerous precedent by implementing an 'Inheritance Tax': PM Modi

मां महामाया माई की जय!

मां महामाया माई की जय!

हमर बहिनी, भाई, दद्दा अउ जम्मो संगवारी मन ला, मोर जय जोहार। 

भाजपा ने जब मुझे पीएम पद का उम्मीदवार बनाया था, तब अंबिकापुर में ही आपने लाल किला बनाया था। और जो कांग्रेस का इकोसिस्टम है आए दिन मोदी पर हमला करने के लिए जगह ढ़ूंढते रहते हैं। उस पूरी टोली ने उस समय मुझपर बहुत हमला बोल दिया था। ये लाल किला कैसे बनाया जा सकता है, अभी तो प्रधानमंत्री का चुनाव बाकि है, अभी ये लाल किले का दृश्य बना के वहां से सभा कर रहे हैं, कैसे कर रहे हैं। यानि तूफान मचा दिया था और बात का बवंडर बना दिया था। लेकिन आप की सोच थी वही  मोदी लाल किले में पहुंचा और राष्ट्र के नाम संदेश दिया। आज अंबिकापुर, ये क्षेत्र फिर वही आशीर्वाद दे रहा है- फिर एक बार...मोदी सरकार ! फिर एक बार...मोदी सरकार ! फिर एक बार...मोदी सरकार !

साथियों, 

कुछ महीने पहले मैंने आपसे छत्तीसगढ़ से कांग्रेस का भ्रष्टाचारी पंजा हटाने के लिए आशीर्वाद मांगा था। आपने मेरी बात का मान रखा। और इस भ्रष्टाचारी पंजे को साफ कर दिया। आज देखिए, आप सबके आशीर्वाद से सरगुजा की संतान, आदिवासी समाज की संतान, आज छत्तीसगढ़ के मुख्यमंत्री के रूप में छत्तीसगढ़ के सपनों को साकार कर रहा है। और मेरा अनन्य साथी भाई विष्णु जी, विकास के लिए बहुत तेजी से काम कर रहे हैं। आप देखिए, अभी समय ही कितना हुआ है। लेकिन इन्होंने इतने कम समय में रॉकेट की गति से सरकार चलाई है। इन्होंने धान किसानों को दी गारंटी पूरी कर दी। अब तेंदु पत्ता संग्राहकों को भी ज्यादा पैसा मिल रहा है, तेंदू पत्ता की खरीद भी तेज़ी से हो रही है। यहां की माताओं-बहनों को महतारी वंदन योजना से भी लाभ हुआ है। छत्तीसगढ़ में जिस तरह कांग्रेस के घोटालेबाज़ों पर एक्शन हो रहा है, वो पूरा देश देख रहा है।

साथियों, 

मैं आज आपसे विकसित भारत-विकसित छत्तीसगढ़ के लिए आशीर्वाद मांगने के लिए आया हूं। जब मैं विकसित भारत कहता हूं, तो कांग्रेस वालों का और दुनिया में बैठी कुछ ताकतों का माथा गरम हो जाता है। अगर भारत शक्तिशाली हो गया, तो कुछ ताकतों का खेल बिगड़ जाएगा। आज अगर भारत आत्मनिर्भर बन गया, तो कुछ ताकतों की दुकान बंद हो जाएगी। इसलिए वो भारत में कांग्रेस और इंडी-गठबंधन की कमज़ोर सरकार चाहते हैं। ऐसी कांग्रेस सरकार जो आपस में लड़ती रहे, जो घोटाले करती रहे। 

साथियों,

कांग्रेस का इतिहास सत्ता के लालच में देश को तबाह करने का रहा है। देश में आतंकवाद फैला किसके कारण फैला? किसके कारण फैला? किसके कारण फैला? कांग्रेस की नीतियों के कारण फैला। देश में नक्सलवाद कैसे बढ़ा? किसके कारण बढ़ा? किसके कारण बढ़ा? कांग्रेस का कुशासन और लापरवाही यही कारण है कि देश बर्बाद होता गया। आज भाजपा सरकार, आतंकवाद और नक्सलवाद के विरुद्ध कड़ी कार्रवाई कर रही है। लेकिन कांग्रेस क्या कर रही है? कांग्रेस, हिंसा फैलाने वालों का समर्थन कर रही है, जो निर्दोषों को मारते हैं, जीना हराम कर देते हैं, पुलिस पर हमला करते हैं, सुरक्षा बलों पर हमला करते हैं। अगर वे मारे जाएं, तो कांग्रेस वाले उन्हें शहीद कहते हैं। अगर आप उन्हें शहीद कहते हो तो शहीदों का अपमान करते हो। इसी कांग्रेस की सबसे बड़ी नेता, आतंकवादियों के मारे जाने पर आंसू बहाती हैं। ऐसी ही करतूतों के कारण कांग्रेस देश का भरोसा खो चुकी है।

भाइयों और बहनों, 

आज जब मैं सरगुजा आया हूं, तो कांग्रेस की मुस्लिम लीगी सोच को देश के सामने रखना चाहता हूं। जब उनका मेनिफेस्टो आया उसी दिन मैंने कह दिया था। उसी दिन मैंने कहा था कि कांग्रेस के मोनिफेस्टो पर मुस्लिम लीग की छाप है। 

साथियों, 

जब संविधान बन रहा था, काफी चर्चा विचार के बाद, देश के बुद्धिमान लोगों के चिंतन मनन के बाद, बाबासाहेब अम्बेडकर के नेतृत्व में तय किया गया था कि भारत में धर्म के आधार पर आरक्षण नहीं होगा। आरक्षण होगा तो मेरे दलित और आदिवासी भाई-बहनों के नाम पर होगा। लेकिन धर्म के नाम पर आरक्षण नहीं होगा। लेकिन वोट बैंक की भूखी कांग्रेस ने कभी इन महापुरुषों की परवाह नहीं की। संविधान की पवित्रता की परवाह नहीं की, बाबासाहेब अम्बेडकर के शब्दों की परवाह नहीं की। कांग्रेस ने बरसों पहले आंध्र प्रदेश में धर्म के आधार पर आरक्षण देने का प्रयास किया था। फिर कांग्रेस ने इसको पूरे देश में लागू करने की योजना बनाई। इन लोग ने धर्म के आधार पर 15 प्रतिशत आरक्षण की बात कही। ये भी कहा कि SC/ST/OBC का जो कोटा है उसी में से कम करके, उसी में से चोरी करके, धर्म के आधार पर कुछ लोगों को आरक्षण दिया जाए। 2009 के अपने घोषणापत्र में कांग्रेस ने यही इरादा जताया। 2014 के घोषणापत्र में भी इन्होंने साफ-साफ कहा था कि वो इस मामले को कभी भी छोड़ेंगे नहीं। मतलब धर्म के आधार पर आरक्षण देंगे, दलितों का, आदिवासियों का आरक्षण कट करना पड़े तो करेंगे। कई साल पहले कांग्रेस ने कर्नाटका में धर्म के आधार पर आरक्षण लागू भी कर दिया था। जब वहां बीजेपी सरकार आई तो हमने संविधान के विरुद्ध, बाबासाहेब अम्बेडर की भावना के विरुद्ध कांग्रेस ने जो निर्णय किया था, उसको उखाड़ करके फेंक दिया और दलितों, आदिवासियों और पिछड़ों को उनका अधिकार वापस दिया। लेकिन कर्नाटक की कांग्रेस सरकार उसने एक और पाप किया मुस्लिम समुदाय की सभी जातियों को ओबीसी कोटा में शामिल कर दिया है। और ओबीसी बना दिया। यानि हमारे ओबीसी समाज को जो लाभ मिलता था, उसका बड़ा हिस्सा कट गया और वो भी वहां चला गया, यानि कांग्रेस ने समाजिक न्याय का अपमान किया, समाजिक न्याय की हत्या की। कांग्रेस ने भारत के सेक्युलरिज्म की हत्या की। कर्नाटक अपना यही मॉडल पूरे देश में लागू करना चाहती है। कांग्रेस संविधान बदलकर, SC/ST/OBC का हक अपने वोट बैंक को देना चाहती है।

भाइयों और बहनों,

ये सिर्फ आपके आरक्षण को ही लूटना नहीं चाहते, उनके तो और बहुत कारनामे हैं इसलिए हमारे दलित, आदिवासी और ओबीसी भाई-बहनों  को कहना चाहता हूं कि कांग्रेस के इरादे नेक नहीं है, संविधान और सामाजिक न्याय के अनुरूप नहीं है , भारत की बिन सांप्रदायिकता के अनुरूप नहीं है। अगर आपके आरक्षण की कोई रक्षा कर सकता है, तो सिर्फ और सिर्फ भारतीय जनता पार्टी कर सकती है। इसलिए आप भारतीय जनता पार्टी को भारी समर्थन दीजिए। ताकि कांग्रेस की एक न चले, किसी राज्य में भी वह कोई हरकत ना कर सके। इतनी ताकत आप मुझे दीजिए। ताकि मैं आपकी रक्षा कर सकूं। 

साथियों!

कांग्रेस की नजर! सिर्फ आपके आरक्षण पर ही है ऐसा नहीं है। बल्कि कांग्रेस की नज़र आपकी कमाई पर, आपके मकान-दुकान, खेत-खलिहान पर भी है। कांग्रेस के शहज़ादे का कहना है कि ये देश के हर घर, हर अलमारी, हर परिवार की संपत्ति का एक्स-रे करेंगे। हमारी माताओं-बहनों के पास जो थोड़े बहुत गहने-ज़ेवर होते हैं, कांग्रेस उनकी भी जांच कराएगी। यहां सरगुजा में तो हमारी आदिवासी बहनें, चंदवा पहनती हैं, हंसुली पहनती हैं, हमारी बहनें मंगलसूत्र पहनती हैं। कांग्रेस ये सब आपसे छीनकर, वे कहते हैं कि बराबर-बराबर डिस्ट्रिब्यूट कर देंगे। वो आपको मालूम हैं ना कि वे किसको देंगे। आपसे लूटकर के किसको देंगे मालूम है ना, मुझे कहने की जरूरत है क्या। क्या ये पाप करने देंगे आप और कहती है कांग्रेस सत्ता में आने के बाद वे ऐसे क्रांतिकारी कदम उठाएगी। अरे ये सपने मन देखो देश की जनता आपको ये मौका नहीं देगी। 

साथियों, 

कांग्रेस पार्टी के खतरनाक इरादे एक के बाद एक खुलकर सामने आ रहे हैं। शाही परिवार के शहजादे के सलाहकार, शाही परिवार के शहजादे के पिताजी के भी सलाहकार, उन्होंने  ने कुछ समय पहले कहा था और ये परिवार उन्हीं की बात मानता है कि उन्होंने कहा था कि हमारे देश का मिडिल क्लास यानि मध्यम वर्गीय लोग जो हैं, जो मेहनत करके कमाते हैं। उन्होंने कहा कि उनपर ज्यादा टैक्स लगाना चाहिए। इन्होंने पब्लिकली कहा है। अब ये लोग इससे भी एक कदम और आगे बढ़ गए हैं। अब कांग्रेस का कहना है कि वो Inheritance Tax लगाएगी, माता-पिता से मिलने वाली विरासत पर भी टैक्स लगाएगी। आप जो अपनी मेहनत से संपत्ति जुटाते हैं, वो आपके बच्चों को नहीं मिलेगी, बल्कि कांग्रेस सरकार का पंजा उसे भी आपसे छीन लेगा। यानि कांग्रेस का मंत्र है- कांग्रेस की लूट जिंदगी के साथ भी और जिंदगी के बाद भी। जब तक आप जीवित रहेंगे, कांग्रेस आपको ज्यादा टैक्स से मारेगी। और जब आप जीवित नहीं रहेंगे, तो वो आप पर Inheritance Tax का बोझ लाद देगी। जिन लोगों ने पूरी कांग्रेस पार्टी को पैतृक संपत्ति मानकर अपने बच्चों को दे दी, वो लोग नहीं चाहते कि एक सामान्य भारतीय अपने बच्चों को अपनी संपत्ति दे। 

भाईयों-बहनों, 

हमारा देश संस्कारों से संस्कृति से उपभोक्तावादी देश नहीं है। हम संचय करने में विश्वास करते हैं। संवर्धन करने में विश्वास करते हैं। संरक्षित करने में विश्वास करते हैं। आज अगर हमारी प्रकृति बची है, पर्यावरण बचा है। तो हमारे इन संस्कारों के कारण बचा है। हमारे घर में बूढ़े मां बाप होंगे, दादा-दादी होंगे। उनके पास से छोटा सा भी गहना होगा ना? अच्छी एक चीज होगी। तो संभाल करके रखेगी खुद भी पहनेगी नहीं, वो सोचती है कि जब मेरी पोती की शादी होगी तो मैं उसको यह दूंगी। मेरी नाती की शादी होगी, तो मैं उसको दूंगी। यानि तीन पीढ़ी का सोच करके वह खुद अपना हक भी नहीं भोगती,  बचा के रखती है, ताकि अपने नाती, नातिन को भी दे सके। यह मेरे देश का स्वभाव है। मेरे देश के लोग कर्ज कर करके जिंदगी जीने के शौकीन लोग नहीं हैं। मेहनत करके जरूरत के हिसाब से खर्च करते हैं। और बचाने के स्वभाव के हैं। भारत के मूलभूत चिंतन पर, भारत के मूलभूत संस्कार पर कांग्रेस पार्टी कड़ा प्रहार करने जा रही है। और उन्होंने कल यह बयान क्यों दिया है उसका एक कारण है। यह उनकी सोच बहुत पुरानी है। और जब आप पुरानी चीज खोजोगे ना? और ये जो फैक्ट चेक करने वाले हैं ना मोदी की बाल की खाल उधेड़ने में लगे रहते हैं, कांग्रेस की हर चीज देखिए। आपको हर चीज में ये बू आएगी। मोदी की बाल की खाल उधेड़ने में टाइम मत खराब करो। लेकिन मैं कहना चाहता हूं। यह कल तूफान उनके यहां क्यों मच गया,  जब मैंने कहा कि अर्बन नक्सल शहरी माओवादियों ने कांग्रेस पर कब्जा कर लिया तो उनको लगा कि कुछ अमेरिका को भी खुश करने के लिए करना चाहिए कि मोदी ने इतना बड़ा आरोप लगाया, तो बैलेंस करने के लिए वह उधर की तरफ बढ़ने का नाटक कर रहे हैं। लेकिन वह आपकी संपत्ति को लूटना चाहते हैं। आपके संतानों का हक आज ही लूट लेना चाहते हैं। क्या आपको यह मंजूर है कि आपको मंजूर है जरा पूरी ताकत से बताइए उनके कान में भी सुनाई दे। यह मंजूर है। देश ये चलने देगा। आपको लूटने देगा। आपके बच्चों की संपत्ति लूटने देगा।

साथियों,

जितने साल देश में कांग्रेस की सरकार रही, आपके हक का पैसा लूटा जाता रहा। लेकिन भाजपा सरकार आने के बाद अब आपके हक का पैसा आप लोगों पर खर्च हो रहा है। इस पैसे से छत्तीसगढ़ के करीब 13 लाख परिवारों को पक्के घर मिले। इसी पैसे से, यहां लाखों परिवारों को मुफ्त राशन मिल रहा है। इसी पैसे से 5 लाख रुपए तक का मुफ्त इलाज मिल रहा है। मोदी ने ये भी गारंटी दी है कि 4 जून के बाद छत्तीसगढ़ के हर परिवार में जो बुजुर्ग माता-पिता हैं, जिनकी आयु 70 साल हो गई है। आज आप बीमार होते हैं तो आपकी बेटे और बेटी को खर्च करना पड़ता है। अगर 70 साल की उम्र हो गई है और आप किसी पर बोझ नहीं बनना चाहते तो ये मोदी आपका बेटा है। आपका इलाज मोदी करेगा। आपके इलाज का खर्च मोदी करेगा। सरगुजा के ही करीब 1 लाख किसानों के बैंक खाते में किसान निधि के सवा 2 सौ करोड़ रुपए जमा हो चुके हैं और ये आगे भी होते रहेंगे।

साथियों, 

सरगुजा में करीब 400 बसाहटें ऐसी हैं जहां पहाड़ी कोरवा परिवार रहते हैं। पण्डो, माझी-मझवार जैसी अनेक अति पिछड़ी जनजातियां यहां रहती हैं, छत्तीसगढ़ और दूसरे राज्यों में रहती हैं। हमने पहली बार ऐसी सभी जनजातियों के लिए, 24 हज़ार करोड़ रुपए की पीएम-जनमन योजना भी बनाई है। इस योजना के तहत पक्के घर, बिजली, पानी, शिक्षा, स्वास्थ्य, कौशल विकास, ऐसी सभी सुविधाएं पिछड़ी जनजातियों के गांव पहुंचेंगी। 

साथियों, 

10 वर्षों में भांति-भांति की चुनौतियों के बावजूद, यहां रेल, सड़क, अस्तपताल, मोबाइल टावर, ऐसे अनेक काम हुए हैं। यहां एयरपोर्ट की बरसों पुरानी मांग पूरी की गई है। आपने देखा है, अंबिकापुर से दिल्ली के ट्रेन चली तो कितनी सुविधा हुई है।

साथियों,

10 साल में हमने गरीब कल्याण, आदिवासी कल्याण के लिए इतना कुछ किया। लेकिन ये तो सिर्फ ट्रेलर है। आने वाले 5 साल में बहुत कुछ करना है। सरगुजा तो ही स्वर्गजा यानि स्वर्ग की बेटी है। यहां प्राकृतिक सौंदर्य भी है, कला-संस्कृति भी है, बड़े मंदिर भी हैं। हमें इस क्षेत्र को बहुत आगे लेकर जाना है। इसलिए, आपको हर बूथ पर कमल खिलाना है। 24 के इस चुनाव में आप का ये सेवक नरेन्द्र मोदी को आपका आशीर्वाद चाहिए, मैं आपसे आशीर्वाद मांगने आया हूं। आपको केवल एक सांसद ही नहीं चुनना, बल्कि देश का उज्ज्वल भविष्य भी चुनना है। अपनी आने वाली पीढ़ियों का भविष्य चुनना है। इसलिए राष्ट्र निर्माण का मौका बिल्कुल ना गंवाएं। सर्दी हो शादी ब्याह का मौसम हो, खेत में कोई काम निकला हो। रिश्तेदार के यहां जाने की जरूरत पड़ गई हो, इन सबके बावजूद भी कुछ समय आपके सेवक मोदी के लिए निकालिए। भारत के लोकतंत्र और उज्ज्वल भविष्य के लिए निकालिए। आपके बच्चों की गारंटी के लिए निकालिए और मतदान अवश्य करें। अपने बूथ में सारे रिकॉर्ड तोड़नेवाला मतदान हो। इसके लिए मैं आपसे प्रार्थना करता हूं। और आग्राह है पहले जलपान फिर मतदान। हर बूथ में मतदान का उत्सव होना चाहिए, लोकतंत्र का उत्सव होना चाहिए। गाजे-बाजे के साथ लोकतंत्र जिंदाबाद, लोकतंत्र जिंदाबाद करते करते मतदान करना चाहिए। और मैं आप को वादा करता हूं। 

भाइयों-बहनों  

मेरे लिए आपका एक-एक वोट, वोट नहीं है, ईश्वर रूपी जनता जनार्दन का आर्शीवाद है। ये आशीर्वाद परमात्मा से कम नहीं है। ये आशीर्वाद ईश्वर से कम नहीं है। इसलिए भारतीय जनता पार्टी को दिया गया एक-एक वोट, कमल के फूल को दिया गया एक-एक वोट, विकसित भारत बनाएगा ये मोदी की गारंटी है। कमल के निशान पर आप बटन दबाएंगे, कमल के फूल पर आप वोट देंगे तो वो सीधा मोदी के खाते में जाएगा। वो सीधा मोदी को मिलेगा।      

भाइयों और बहनों, 

7 मई को चिंतामणि महाराज जी को भारी मतों से जिताना है। मेरा एक और आग्रह है। आप घर-घर जाइएगा और कहिएगा मोदी जी ने जोहार कहा है, कहेंगे। मेरे साथ बोलिए...  भारत माता की जय! 

भारत माता की जय! 

भारत माता की जय!