Our tribal communities have faced several challenges. But, they are blessed with the strength to overcome any obstacle: PM
Tribal communities should get their rights. No one has right to snatch their lands: PM
With Vanbandhu Kalyan Yojana, we want to ensure that the tribal communities are not deprived of their priorities: PM Modi
If there is someone who saved the forests it is our tribal community: PM Modi

দেশের ইতিহাসে প্রথমবার দেশের নানাপ্রান্ত থেকেআগত উপজাতীয় বোনেদের সঙ্গে নিয়ে রাজধানী দিল্লিতে দীপাবলী পালন করা হবে। প্রায়চারদিন ধরে দিল্লি অনুভব করবে যে ভারত কত বিশাল, কত বৈচিত্র্যময়, আর অরণ্যবাসীভাই-বোনেদের কত সামর্থ্য ও শক্তি রয়েছে। দূর-দূরান্তের অরণ্যে বসবাস করেও তাঁরাদেশের স্বার্থে কত কাজ করেন দিল্লি তা প্রথমবার প্রত্যক্ষ করবে।

ভারত বৈচিত্র্যময় দেশ। আমাদের দেশে কথিত আছে,‘প্রত্যেক ২০-টি’ গ্রামের পর কথ্যভাষা বদলে যায়। এখানে আমরা একটি প্রতীকি ঝলকদেখলাম । এটা নেহাতই একটা ঝলকমাত্র । দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা সকল আদিবাসীকলাকুশলীদের উপস্থাপনা দেখতে হলে সকাল থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পেরিয়ে যাবে, তারপরওহয়তো সবারটা দেখা হবে না! শহুরে মানুষদের জীবনে ছোটখাট সমস্যা এলে, তাঁদের ইচ্ছারবিরুদ্ধে কিছু হলে, কল্পনার অনুকূল পরিণাম না পেলে নানারকম রোগের শিকার হন,হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন, অনেকে তো এমনকি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। অথচ আমার এইআদিবাসী ভাই-বোনেদের দেখুন, তাঁদের অঞ্চলে অভাব-অনটন লেগেই আছে, জীবন প্রতিমুহূর্তই সংগ্রামপূর্ণ । জীবনের অধিকাংশ সময়ই কাটে সংগ্রামে । তারপরও তাঁরা কেমন সুন্দর বাঁচার উপায় বেছেনিয়েছেন – প্রতি মুহূর্তে খুশি, নাচ-গান, গোষ্ঠীবদ্ধ জীবন, একে অন্যের পায়ে পামিলিয়ে চলা তাঁদের সহজাত জীবনশৈলীর অংশবিশেষ। তাঁরা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধেপ্রতিস্পর্ধী হয়ে ওঠার সামর্থ্য রাখেন।

আমার পরম সৌভাগ্য যে যৌবনের কিছু মূল্যবান বছরআমি আদিবাসীদের মাঝে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। তাঁরা যখন কথা বলেন, ঘন্টার পর ঘন্টা কথাবলার পরও কোনরকম অভিযোগের কথা শোনান না। সঙ্কটের মধ্যে বাঁচা, অভাবের মধ্য থেকেকেমন করে আনন্দ খুঁজে পেতে হয় তা শিখতে হলে এই আদিবাসী ভাই-বোনদের থেকে বড় গুরু আরকেউ হতে পারে না।

স্বাভাবিকভাবেই এঁরা কলা ও সঙ্গীতের পুজো করেন।নিজেদের কথ্যভাষা, নানা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, বেশভূষায় সময় সময় অনুকূল রঙ লাগালেওনিজস্বতা না হারানোর এই বৈশিষ্ট্য অবশিষ্ট ভারতবাসী তাঁদের থেকে শিখতে পারেন। এইসামর্থ্য আমাদের জনশক্তির পরিচায়ক। সেজন্যই ভারতের মতো দেশে এই বৈচিত্র্যগুলিকেসঞ্জীবিত রাখা, এগুলিকে কদর করা, এগুলির সংহত সমন্বয়ে ভারতের ‘বৈচিত্র্যের মধ্যেঐক্য’কে ফুলের তোড়ার মতো অনুভব করলেই দেশের শক্তি ও সামর্থ্যকে অনুভব করা যায়। এইঅনুভব দেশের শক্তিবৃদ্ধি করে।

অরণ্য সম্পর্কে আমরা খুব কম জানি। অরণ্যের সাধারণউপাদানগুলির ব্যবহার আদিবাসী ভাই-বোনেরা এত সুচারুভাবে করেন যে অবাক হতে হয়। যেমনবাঁশ দিয়ে এত সুন্দর বৈচিত্র্যময় জিনিস এঁরা বানাতে পারেন যে ফাইভ স্টারহোটেলগুলিতে এগুলির ভীষণ চাহিদা। অতিথিরা অবাক হয়ে ভাবেন, এগুলি কেমন মেশিনে তৈরিহয়েছে? এমনই নিপুণ এঁদের হস্তশিল্প! এখন এগুলিকে যত বড় মাত্রায় বাজারজাত করা যাবে,যত ভালো ব্র্যান্ডিং হবে ততই এগুলি আর্থিক দৃষ্টিতে নতুন নতুন সুযোগ গড়ে তুলবে! এইলক্ষ্যে এখনও অনেক কিছু করা বাকি রয়েছে।

এখানে গোটা দেশ থেকে আদিবাসী ভাই-বোনেরা এসেছেন।তাঁরা সঙ্গে করে নিজেদের হস্তশিল্পের নমুনা এনেছেন। দেশের নানা প্রান্তের আদিবাসীভাই-বোনেরা কী কী জিনিস বানাতে পারেন এবং আমাদের বাড়ি-ঘর-দোকানে, সাজসজ্জায় এগুলিকিভাবে কাজে লাগতে পারে তা আপনারা প্রগতি ময়দানের উৎসব প্রাঙ্গণে অনুভব করেছেন।আমরা যত বেশি এঁদের উৎপাদিত পণ্য কিনবো, আমাদের অরণ্যবাসী ভাই-বোনেরা তত বেশিআর্থিকভাবে লাভবান হবেন। দিল্লিবাসী শুধুই তাঁদের নৃত্য-গীত উপভোগ করলে চল্বে না,তাঁদের আর্থিক সামর্থ্যের শক্তিকেও বুঝতে হবে এবং তাঁদের শক্তিবৃদ্ধির জন্যআন্তরিক চেষ্টা চালাতে হবে।

কিছুদিন আগে আমার সিকিম যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল।সেখানে আমার এক যুবক আর এক যুবতীর সঙ্গে পরিচয় হয়। পোশাক-আশাক দেখে বুঝতে পারি –তাঁরা কোনও বড় শহর থেকে এসেছেন। আমি তাঁদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলে বলেন, তাঁরাদু’জনে আলাদা আলাদা রাজ্যের মানুষ, ভিন্ন আইআইএম থেকে পড়াশোনা করেছেন।

আমি জিজ্ঞাসা করি, সিকিম ঘুরতে এসেছেন?

তাঁরা বলেন, আজ্ঞে না, আমরা তো এখানে দেড় বছর ধরেরয়েছি। পড়াশোনা শেষ করে সিকিমে এসে পাহাড়ি গরিব কৃষক ভাইদের উৎপাদিত ফসলেরপ্যাকেজিং, ব্র্যান্ডিং করে বিদেশে রপ্তানির কাজ করি। আপনারা কল্পনা করতে পারেন?আইআইএম থেকে পাশ করে ওঁরা সিকিমে গিয়ে কেমন সম্ভাবনাময় ‘স্টার্ট আপ’-এর সূচনাকরেছেন, বিশ্ব বাজারে সিকিমের শস্য, ফলমূল, আনাজপাতি পৌঁছে দিচ্ছেন!

কেউ ওখানে গিয়ে সরেজমিনে না দেখলে এত সামর্থ্য ওসম্ভাবনার কথা কেমন করে জানবেন? আজ বিশ্বের সর্বত্র মানুষ ধীরে ধীরে ‘হলিস্টিকহেল্‌থকেয়ার’-এর দিকে ঝুঁকছেন। পারস্পরিক চিকিৎসাপদ্ধতিগুলির প্রতি মানুষের আকর্ষণবাড়ছে। অরণ্যবাসী ভাই-বোনদের তেমন একটা ডাক্তারের কাছে যেতে হয় না। বেড়াতে গিয়েজ্বর হয়েছে? তাঁরা আপনাকেও দ্রুত একটি ভেষজ ওষুধ দিয়ে বলবেন, খেয়ে নিন,ঘন্টাখানেকের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে। এই পরম্পরাগত সামর্থ্যকে আমাদের চিনতে হবে,এগুলিকে আধুনিক স্বরূপে চিকিৎসা-বিজ্ঞানের বোধগম্য করে পরিবেশন করতে হবে। বিশ্বেরসামনে তুলে ধরতে হবে। এক্ষেত্রে আদিবাসী ভাই-বোনেরা আমাদের সহায় হবেন।

একটি আগেই এখানে গুজরাটের ডাঙ্গ জেলার আদিবাসীশিল্পীরা তাঁদের কৃতি পরিবেশন করলেন। অনেক বছর আগে আমি ঐ জেলায় কাজ করেছি। তখনআমার রাজনীতির সঙ্গে কোনও সম্পর্ক ছিল না। তারপর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সেখানে গিয়েআমি অবাক হই। সেখানে ‘নাগলি’ নামে এক ধরনের শস্য উৎপন্ন হয়। সেই শস্য আয়রন সমৃদ্ধ।আমাদের দেশে গরিব মানুষ অপুষ্টিতে ভোগেন। বিশেষ করে, মহিলারা এই সমস্যায় বেশিভোগেন। ‘নাগলি’র রুটি খেলে দ্রুত অপুষ্টি দূর হয়। ৩০-৩৫ বছর আগে যখন আমি গিয়েছিলামতখন এই ‘নাগলি’র রুটি হত কালো রঙের। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর গিয়ে দেখি সাদা রঙেরনাগলি রুটি পরিবেশিত হচ্ছে। আমি আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞাসা করে জানতে পারি আদিবাসীদেরমধ্যেই কেউ গবেষণা করে সাদা নাগলি উৎপাদনে সাফল্য পেয়েছে । এতে নাগলির জনপ্রিয়তাও বেড়েছে।

অর্থাৎ, বড় বড় বিজ্ঞানীরা যেমন জেনেটিক্সইঞ্জিনিয়ারিং জানেন, আমাদের আদিবাসী ভাইয়েরাও তেমনই পরীক্ষানিরীক্ষার মাধ্যমেজেনেটিক পরিবর্তন আনতে পারেন। আমি তাঁদের সামর্থ্য বোঝানোর জন্য একথা বলছি। এইসামর্থ্যকে আমাদের চিনতে হবে। আমাদের দেশে আদিবাসীদের জনসংখ্যা এত বেশি, কিন্তুকেন্দ্রীয় সরকারের জনজাতিদের জন্য কোন আলাদা মন্ত্রণালয় ছিল না। আজ আমি এত বড় উপজাতীয়উৎসবে দাঁড়িয়ে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শ্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীজিকে প্রণাম জানাই। তিনিই প্রথম স্বাধীনতার ৫০ বছর পর প্রধানমন্ত্রীহয়ে দেশে উপজাতিভুক্ত মানুষদের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গড়ে তুলেছিলেন। আমাদেরজুয়েলজি তাঁর মন্ত্রিসভার প্রথম আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রী হয়েছিলেন। তখন থেকে শুরুকরে উপজাতীয় অঞ্চলগুলির উন্নয়ন নানা উপজাতীয় সমাজের শক্তিকে বুঝে তাঁদেরসামর্থ্যকে অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করার নানা প্রকল্প চালু হয়েছে। অনেক অর্থব্যয় হয়েছে। কিন্তু তেমন সুফল কেন দেখতে পাইনি? এর মূল কারণ হল অনভিজ্ঞতা। দিল্লিকিংবা কোন রাজ্যের রাজধানীর শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কামরায় বসে প্রকল্প রচনা করলে চলবেনা। উপজাতি সমাজের মানুষ কী চান সেটা তাঁদের মধ্যে গিয়ে কাজ করলে তবেই বোঝা যাবে। তাঁদেরচাহিদা বুঝে প্রকল্প গড়ে তুললে তার বাস্তবায়নও অনেক বেশি কার্যকরী হবে।

এসব কথা মাথায় রেখেই আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষথেকে ‘বনবন্ধু কল্যাণ যোজনা’ শুরু করেছি। এখন সরকারের ২৮টিরও বেশি বিভাগ উপজাতীয় সম্প্রদায়েরমধ্যে কাজ করছে। এই বিভাগগুলির কাজের সমন্বয়সাধনের জন্য উপজাতীয় সমাজেরপ্রয়োজনীয়তাগুলিকে অগ্রাধিকার দিতে এই যোজনা কাজ করছে। বিভিন্ন উপজাতীয়সম্প্রদায়ের মানুষ এই প্রকল্পগুলির অংশীদার হচ্ছেন। অর্থের সঠিক উপযোগ হচ্ছে। এবারআমরা উন্নয়ন চোখে দেখতে পাচ্ছি।

আমাদের দেশে বড় বড় পরিবেশবিদরা একত্রিত হয়ে অরণ্যরক্ষা কিভাবে করা যায় তা নিয়ে শলাপরামর্শ করেন। আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আমাদেরদেশে যত অরণ্য রয়েছে সেগুলির সবচাইতে বড় সংরক্ষক হলেন এই নানা জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষেরা।তাঁরা যে কোন মূল্যেই অরণ্যের সর্বনাশ হতে দেন না। প্রতিটি আরণ্যক উপাদান তাঁদেরসংস্কারের অংশ হয়ে উঠেছে। অরণ্য রক্ষার ক্ষেত্রে আমাদেরকে একথা মাথায় রেখে এগিয়েযেতে হবে।

অরণ্যবাসীরা যুগ যুগ ধরে অরণ্যকে বাঁচিয়ে রেখেগ্রাসাচ্ছাদনের জন্য ছোট ছোট জমিতে চাষবাস করেন। তাঁদের কাছে সে সব জমির কোন দলিলবা পরচা নেই। শত শত বছর ধরে পরম্পরাগতভাবে তাঁরা পূর্বজদের কাছে এই জমি পেয়েছেন।কিন্তু এখন স্বাধীন দেশেও সংবিধান, আইন-কানুন ইত্যাদির জটিলতা আদিবাসী ভাই-বোনেদেরবিব্রত করে। সেজন্য কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলির সহযোগিতা নিয়ে এখন আদিবাসীদের জমিরপরচা দেওয়ার অভিযান শুরু করেছে। আদিবাসীদের অধিকার সুনিশ্চিত করাকেই আমরাঅগ্রাধিকার দিয়েছি । কেউ যেন আদিবাসীদের জমি ছিনিয়ে নিতে না পারে। এজন্য সরকার কঠোরপদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তেমনই, তাঁদের জীবনে অরণ্যই তাঁদের ঈশ্বর, তাঁদেরউপাসনা। এগুলি থেকে তাঁদের আলাদা করা যাবে না। আমাদের দেশের প্রায় সকল প্রাকৃতিকসম্পদ – কয়লা, লৌহ আকরিক এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদ আরণ্যক অঞ্চলগুলিতেই পাওয়াযায়। আর যেখানে অরণ্য রয়েছে সেখানে আরণ্যক মানুষজন থাকেন। এখন কয়লা কিংবা লৌহআকরিক উত্তোলন না করলে তো চলবে না। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে প্রাকৃতিক সম্পদেরমূল্য সংযোজন করতেই হবে। কিন্তু তা যেন উপজাতীয় সম্প্রদায়গুলিকে শোষণের পথ খুলে নাদেয় । বিগত বাজেটে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয়সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, যে অরণ্য থেকে প্রাকৃতিক সম্পদউত্তোলন হবে তাতে ঐ অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য একটি আলাদা কর দিতে হবে। ঐ কর সংগ্রহেরজন্য প্রত্যেক সংশ্লিষ্ট জেলায় একটি আলাদা ফাউন্ডেশন গড়ে তোলা হবে। ঐ জেলারজেলাশাসককে ঐ ফাউন্ডেশনের দায়িত্ব দেওয়া হবে। ঐ ফাউন্ডেশন উপার্জিত অর্থ ঐ এলাকার উপজাতিসম্প্রদায়ের কল্যাণের জন্য খরচ করতে হবে। স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, পথ-ঘাট, ধর্মশালা– সবই তাঁদের উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে গড়ে তুলতে হবে।

কিছুদিন আগে ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ডঃ রমনসিং-এর সঙ্গে দেখা হয়েছিল। তিনি বলছিলেন, মোদীজি, এই সরকারি সিদ্ধান্ত আমাদের মতোউপজাতি অধ্যুষিত রাজ্যের পক্ষে খুবই লাভজনক হয়েছে। আমাদের রাজ্যে উপজাতি অধ্যুষিতসাতটি জেলা থেকে খনিজ সম্পদ উত্তোলন-বাবদ যে কর সংগ্রহ করা হচ্ছে তার মোট পরিমাণআমাদের বর্তমান বাজেটের থেকে কয়েকগুণ বেশি। ফলে, এই সাতটি জেলার উন্নয়নের জন্যরাজ্যকে আর আলাদা করে খরচ করতে হবে না। আগে এই জেলাগুলি থেকে কয়লা এবং লৌহ আকরিকদেশের অন্যান্য অঞ্চলের কারখানাগুলিতে চলে যেত। কিন্তু এলাকার উপজাতীয় সম্প্রদায়েরমানুষেরা বঞ্চিত থেকে যেতেন। এখন তাঁরা সরাসরি লাভবান হচ্ছেন।

আমরা একটি বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছি, অরণ্যবাঁচাতে হলে, আমাদের উপজাতীয় সম্প্রদায়গুলির জমিকে বাঁচাতে হলে, তাঁদের রোজগারেরবিষয়টিও সুরক্ষিত রাখতে হবে। সেজন্য আমরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেআন্ডারগ্রাউন্ড মাইনিং-এর কাজ বাড়াতে চাই যাতে ওপরের জঙ্গল যেমনটি রয়েছে তেমনইথেকে যায়। নিচে মাটির অনেক গভীরে গিয়ে খনিজ সম্পদ উত্তোলন করা হবে। কেন্দ্রীয়সরকার সারা দেশে খনিজ সম্পদ উত্তোলনের ক্ষেত্রে এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগেরক্ষেত্রে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

দ্বিতীয়ত, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কোলগ্যাসিফিকেশন করা, অর্থাৎ, ভূগর্ভেই কয়লাকে গ্যাসে রূপান্তরিত করে গ্যাস উত্তোলনকরা যাতে পরিবেশ যথাসম্ভব অক্ষত থাকে। আমাদের আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষেরা যেন কোনভাবেইক্ষতিগ্রস্ত না হন।

আদিবাসী উন্নয়নে এ ধরনের বহুবিধ প্রয়াস ছাড়াওসরকার একটি রারবান (গ্রামীণ-শহুরে) মিশনের কাজ শুরু করেছে। এর মাধ্যমে আদিবাসীঅধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে যে বিভিন্ন উপজাতীয় সম্প্রদায়ের মানুষেরা থাকেন, তাঁদের জন্যনতুন নতুন বিকাশ কেন্দ্র গড়ে তোলা। ঐ বিকাশ কেন্দ্রগুলি হবে বহুবিধ আর্থিক লেন-দেনেরকেন্দ্র। আজও উপজাতীয় সম্প্রদায়ের মানুষদেরকে নানা বাজারে যেতে হয়। মাল কেনা-বেচারক্ষেত্রে অরণ্য অঞ্চলে বিনিময় প্রথা রয়েছে। কিন্তু আমরা চাই প্রত্যেক ৫০-১০০টিআদিবাসী গ্রামের মাঝে এক একটি নতুন বিকাশ কেন্দ্র গড়ে উঠুক। এই বিকাশ কেন্দ্রগুলিচারপাশের ৫০-১০০টি গ্রামে উৎপাদিত সকল ফসল ও হস্তশিল্পে বিকি-কিনির কেন্দ্র হয়েউঠুক। সেখানে সকল প্রকার আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে যাতে শহরের শিক্ষক কিংবাচিকিৎসক সেখানে খুশি মনে যেতে পারেন। শহরের ছেলে-মেয়েরাও সেখানে গিয়ে চাকরি করেআনন্দ পাবেন। গোটা দেশে এরকম শতাধিক রারবান সেন্টার গড়ে তুলে সেগুলিকে আমরা বিকাশকেন্দ্র হিসেবে উন্নীত করতে চাই। যেখানকার জীবনের আত্মা হবে উপজাতীয় জীবনের আত্মা।কিন্তু শহরের সকল সুযোগ-সুবিধা সেখানে পাওয়া যাবে। কেন্দ্রীয় সরকার সারা দেশে এরকমবিকাশ কেন্দ্রের জাল বিছানোর কাজ করছে।

আজ দেশের নানা প্রান্ত থেকে আগত আমার উপজাতীয় ভাইও বোনেরা, দিল্লিতে আপনারা এসে নিজেদের নাচ ও গানের মাধ্যমে, নানা শিল্পকলা ওহস্তশিল্পের প্রদর্শনের মাধ্যমে দিল্লিবাসীদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।ব্যবসায়ীদের হৃদয়েও আপনারা উৎসাহ সঞ্চার করেছেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এই মিলন মেলাএকটি নতুন আর্থিক উন্নয়নের দরজা খুলে দেবে। এবারের দীপাবলী আপনাদের জীবনে নতুনআলোর সন্ধান দেবে। উন্নয়নের আলো। আমি আপনাদের সকলকে দীপাবলীর শুভেচ্ছা জানাই। এইপবিত্র উৎসব উপলক্ষে এখানে যাঁরা আমাকে আশীর্বাদ জানাতে বিপুল সংখ্যায় উপস্থিতহয়েছেন তাঁদেরকে সকলকে মাথা নত করে প্রণাম জানিয়ে আমার কথা এখানেই শেষ করছি।

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India's strong growth outlook intact despite global volatility: Govt

Media Coverage

India's strong growth outlook intact despite global volatility: Govt
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister urges MPs to vote in favour of Nari Shakti Vandan Adhiniyam Amendment, Calls it Historic Opportunity
April 17, 2026

The Prime Minister, Shri Narendra Modi, has highlighted that a discussion is currently underway in Parliament on the amendment to the Nari Shakti Vandan Adhiniyam, noting that deliberations continued till 1 AM last night.

He stated that all misconceptions surrounding the amendment have been addressed with logical responses, and every concern raised by members has been resolved. The Prime Minister added that necessary information, wherever lacking, has also been provided to all members, ensuring that issues of opposition have been clarified.

Emphasising that the issue of women’s reservation has witnessed political debates for nearly four decades, the Prime Minister said that the time has now come to ensure that women, who constitute half of the country’s population, receive their rightful representation.

He observed that even after decades of independence, the low representation of women in the decision-making process is not appropriate and needs to be corrected.

The Prime Minister informed that voting in the Lok Sabha is expected shortly and urged all political parties to take a thoughtful and sensitive decision by voting in favour of the women’s reservation amendment.

Appealing on behalf of the women of the country, he urged all Members of Parliament to ensure that no action hurts the sentiments of Nari Shakti. He noted that crores of women are looking towards the Parliament, its intent, and its decisions.

The Prime Minister called upon MPs to reflect upon their families-mothers, sisters, daughters, and wives—and listen to their inner conscience while making the decision.

He described the amendment as a significant opportunity to serve and honour the women of the nation and urged members not to deprive them of new opportunities.

Expressing confidence, the Prime Minister said that if the amendment is passed unanimously, it will further strengthen Nari Shakti as well as the country’s democracy.

Calling it a historic moment, he urged all members to come together to create history by granting rightful representation to women, who form half of India’s population.

The Prime Minister wrote on X;

“संसद में इस समय नारीशक्ति वंदन अधिनियम में संशोधन पर चर्चा चल रही है। कल रात भी एक बजे तक चर्चा चली है।

जो भ्रम फैलाए गए, उनको दूर करने के लिए तर्कबद्ध जवाब दिया गया है। हर आशंका का समाधान किया गया है। जिन जानकारियों का अभाव था, वो जानकारियां भी हर सदस्य को दी गई हैं। किसी के मन में विरोध का जो कोई भी विषय था, उसका भी समाधान हुआ है।

महिला आरक्षण के इस विषय पर देश में चार दशक तक बहुत राजनीति कर ली गई है। अब समय है कि देश की आधी आबादी को उसके अधिकार अवश्य मिलें।

आजादी के इतने दशकों बाद भी भारत की महिलाओं का निर्णय प्रक्रिया में इतना कम प्रतिनिधित्व रहे, ये ठीक नहीं।

अब कुछ ही देर लोकसभा में मतदान होने वाला है। मैं सभी राजनीतिक दलों से आग्रह करता हूं… अपील करता हूं...

कृपया करके सोच-विचार करके पूरी संवेदनशीलता से निर्णय लें, महिला आरक्षण के पक्ष में मतदान करें।

मैं देश की नारी शक्ति की तरफ से भी सभी सदस्यों से प्रार्थना करूंगा… कुछ भी ऐसा ना करें, जिनसे नारीशक्ति की भावनाएं आहत हों।

देश की करोड़ों महिलाओं की दृष्टि हम सभी पर है, हमारी नीयत पर है, हमारे निर्णय पर है। कृपया करके नारीशक्ति वंदन अधिनियम में संशोधन का साथ दें।”

“मैं सभी सांसदों से कहूंगा...

आप अपने घर में मां-बहन-बेटी-पत्नी सबका स्मरण करते हुए अपनी अंतरात्मा को सुनिए ...

देश की नारीशक्ति की सेवा का, उनके वंदन का ये बहुत बड़ा अवसर है।

उन्हें नए अवसरों से वंचित नहीं करिए।

ये संशोधन सर्वसम्मति से पारित होगा, तो देश की नारीशक्ति और सशक्त होगी… देश का लोकतंत्र और सशक्त होगा।

आइए… हम मिलकर आज इतिहास रचें। भारत की नारी को… देश की आधी आबादी को उसका हक दें।”

"Parliament is discussing a historic legislation that paves the way for women’s reservation in legislative bodies. The discussions, which began yesterday, lasted till around 1 AM and have continued since the House proceedings began this morning.

The Government has addressed all apprehensions and misconceptions relating to the legislation with facts and logic. All concerns have been addressed and any gaps in information have also been filled.

For nearly four decades, this issue of women’s reservation in legislative bodies has been inordinately delayed. Now is the time to ensure that half of the nation’s population receives its rightful due in decision making. Even after so many decades of Independence, it is not right that women in India have such limited representation in this area.

In a short while from now, voting will take place in the Lok Sabha. I urge and appeal to all political parties to reflect carefully and take a sensitive decision by voting in favour of women’s reservation.

On behalf of our Nari Shakti, I also request all members not to do anything that may hurt the sentiments of women across India. Crores of women are watching us…our intent and our decisions. I once again request that everyone support the amendments to the Nari Shakti Vandan Adhiniyam.”

"I would like to appeal to all Members of Parliament…

Please reflect upon your conscience, remembering the women in your own families.

The legislation to ensure women’s reservation in legislative bodies is a significant opportunity to do justice to women of our nation.

Please do not deprive our Nari Shakti of new opportunities.

If this amendment is passed unanimously, it will further empower the women of our country and strengthen our democracy.

Let us come together today to create history.

Let us ensure that the women of India, who are half of the nation’s population, receive their rightful due.”