ভোকাল ফর লোকাল ও আত্মনির্ভর অভিযানের সাফল্য আমাদের যুব সম্প্রয়াদের উপর নির্ভর করছে : প্রধানমন্ত্রী
এনসিসি ও এনএসএস সহ অন্যান্য সংগঠনগুলিকে টিকার বিষয়ে সচেতনতা প্রসারের আহ্বান

মন্ত্রিসভায় আমার প্রবীণ সহকর্মী, দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শ্রী রাজনাথ সিংজি, শ্রী অর্জুন মুন্ডাজি, শ্রী কিরণ রিজিজুজি, শ্রীমতী রেণুকা সিং সরুটাজি এবং সারা দেশ থেকে আগত আমার প্রিয় তরুণ বন্ধুরা, করোনা সত্যিই অনেক কিছু বদলে দিয়েছে। মাস্ক, করোনার পরীক্ষা, দু-গজের দূরত্ব, এসব এখন মনে হয় যেন দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে গেছে। আগে ছবি তুলতে গেলে ক্যামেরাম্যান বলতেন, 'স্মাইল'। এখন মাস্ক পরে থাকায় সেটাও বলা হয় না। এখানেও আমরা দেখতে পাচ্ছি যে আলাদা আলাদা বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনেকটা ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসার ব্যবস্থা রাখতে হয়েছে। তবে এসবের পরেও আপনাদের মধ্যে উৎসাহ এবং উদ্দীপনার কোনও অভাব দেখা যায়নি।

বন্ধুগণ,

আপনারা এখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছেন। এখানে দেশের প্রত্যন্ত উপজাতীয় অঞ্চল থেকে আসা বন্ধুরা রয়েছেন, এনসিসি-এনএসএসের উদ্যমী যুবকরাও রয়েছেন এবং রাজপথে বিভিন্ন রাজ্যের ট্যাবলো, বিভিন্ন রাজ্যের বার্তা দেশের বাকী অংশে পৌঁছে দেবেন যে কলাকুশলীরা, তাঁরাও রয়েছেন। আপনারা যখন উৎসাহের সঙ্গে রাজপথে কদম তাল করেন, দেশবাসী আবেগে ভেসে যান। আপনারা যখন ট্যাবলোয় ভারতের সমৃদ্ধ শিল্প, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং পরম্পরার ঝলক দেখান, তখন প্রত্যেক দেশবাসীর মাথা গর্বে উঁচু হয়ে যায়। এবং আমি দেখেছি যে কুচকাওয়াজের সময় আমার পাশের কোনও না কোনো দেশের প্রধান থাকেন। তাঁরা এত কিছু দেখে খুব অবাক হন, অনেক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেন এবং জানার চেষ্টা করেন। দেশের কোন কোনায়, কী আছে, কেমন আছে। যখন আমাদের আদিবাসী বন্ধুরা রাজপথে সংস্কৃতির রঙ ছড়িয়ে দেয়, তাঁদের রাঙানো রঙে সারা ভারত সেজে ওঠে। প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ ভারতের মহান সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরম্পরার পাশাপাশি আমাদের সামরিক সম্ভাবনাকেও শ্রদ্ধা জানায়। প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র, আমাদের সংবিধানকে শ্রদ্ধা জানায়। আমি আপনাদের ২৬ জানুয়ারীর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য অনেক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আপনাদের কাছে একটি অনুরোধও রয়েছে। এখনও দিল্লিতে ঠান্ডা রয়েছে। যাঁরা দক্ষিণ থেকে এসেছেন তাদের সমস্যা হচ্ছে হয়তো এবং আপনারা কয়েকদিন ধরে এখানে রয়েছেন, কিন্তু আমি যেমন বলছিলাম, আপনাদের অনেকের হয়তো এত ঠান্ডার অভ্যেস নেই। আপনাদের সকালে ড্রিলের জন্য উঠতে হচ্ছে। আমি বলব যে আপনারা নিজের খেয়াল অবশ্যই রাখবেন।

বন্ধুগণ,

এ বছর আমাদের দেশ স্বাধীনতার ৭৫ তম বছরে প্রবেশ করছে। এই বছরে গুরু তেগ বাহাদুরজির ৪০০ তম আবির্ভাব দিবস। এবং এ বছর আমরা নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মবার্ষিকীও পালন করছি। এখন দেশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে আমরা নেতাজীর জন্মদিনকে 'পরাক্রম দিবস' হিসেবে পালন করব। গতকাল, পরাক্রম দিবসে, আমি তাঁর কর্মভূমি কলকাতায় ছিলাম। স্বাধীনতার ৭৫ বছর, গুরু তেগ বাহাদুরজির জীবন, নেতাজীর বীরত্ব, তাঁর সাহস, এগুলি আমাদের সকলের জন্য খুব বড় অনুপ্রেরণা। আমরা দেশের স্বাধীনতার জন্য আমাদের সমস্ত কিছু ত্যাগ করার সুযোগ পাইনি, কারণ আমাদের বেশিরভাগেরই জন্ম হয়েছে স্বাধীনতার পরে। তবে দেশ অবশ্যই আমাদের নিজের সেরাটা দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে। আমরা দেশের জন্য যা কিছু করতে পারি, ভারতকে শক্তিশালী করার জন্য আমরা যা করতে পারি তা করা উচিত।

বন্ধুগণ,

এখানে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের প্রস্তুতির সময় আপনিও অনুভব করেছেন যে আমাদের দেশ কতটা বৈচিত্র্যময়। নানা ভাষা, নানা উপভাষা, বিভিন্ন খাদ্যাভ্যাস। কতকিছু আলাদা কিন্তু ভারত একটাই। ভারত মানে কোটি সাধারণ মানুষের রক্ত ও ঘাম, আকাঙ্ক্ষা এবং প্রত্যাশার সম্মিলিত শক্তি।ভারত মানে অনেক রাজ্য, এক রাষ্ট্র। ভারত মানে সমাজ অনেক, প্রকাশ এক। ভারত মানে বহু পথ অনেক তবে লক্ষ্য একটাই। ভারত মানে নানা সংস্কৃতি, মূল্যবোধ এক। ভারত মানে অনেক ভাষা, একটি অভিব্যক্তি। ভারত মানে রঙ অনেক, ত্রিভুজ একটাই। যদি এক লাইনে বলা হয়, ভারতের পথগুলি পৃথক হতে পারে তবে গন্তব্য একই, লক্ষ্যএকই এবং এই লক্ষ্য এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত।

বন্ধুগণ,

এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারতবর্ষের এই চিরন্তন চেতনা আজ দেশের প্রতিটি কোণে প্রকাশ পাচ্ছে, শক্তিশালী হচ্ছে। আপনি নিশ্চয়ই দেখেছেন ও শুনেছেন যে যখন মিজোরামের ৪ বছরের বালিকা বন্দে মাতরম গাইল তখন শ্রোতাদেরও গর্ববোধ হচ্ছিল। যখন কেরলের একটি স্কুলের কোনও এক মেয়ে কঠোর পরিশ্রম করে একটি হিমাচলী শেখে এবং নিখুঁতভাবে গায় তখন রাষ্ট্রের শক্তি অনুভূত হয়। তেলুগুভাষী আমাদের এক মেয়ে যখন তার স্কুলে প্রোজেক্টে খুব আকর্ষণীয়ভাবে হরিয়ানভি খাবারের ব্যাপারে বলে, আমরা ভারতের শ্রেষ্ঠত্ব দেখতে পাই ।

বন্ধুগণ,

ভারতের এই শক্তির সঙ্গে দেশ এবং বিশ্বকে পরিচিত করাতে 'এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত' পোর্টাল তৈরি করা হয়েছে এবং আপনারা তো ডিজিটাল প্রজন্মের মানুষ, তো অবশ্যই দেখবেন। এই পোর্টালে ব্যঞ্জন বিভাগে এক হাজারেরও বেশি মানুষ তাদের রাজ্যের খাদ্যাভ্যাস ভাগ করেছেন। সময় বের করে, আপনি অবশ্যই এই পোর্টালটি দেখবেন এবং নিজের পরিবারেও বলবেন,মা, দেখো তো পারো কিনা, আপনার খুব ভালো লাগবে।

বন্ধুগণ,

গত কয়েক মাসে, করোনার জন্য স্কুল কলেজ ইত্যাদি বন্ধ হওয়া সত্ত্বেও দেশের যুব সমাজ ডিজিটাল মাধ্যমে অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে ওয়েবিনার করেছে। এই ওয়েবিনারগুলিতে বিভিন্ন রাজ্যে সঙ্গীত, নৃত্য এবং খাদ্যাভাসের বিভিন্ন ধরন সম্পর্কে বিশেষ আলোচনা হয়েছে। আজ সরকার চেষ্টা করছে যাতে প্রতিটি প্রদেশ, প্রতিটি অঞ্চল, দেশের ভাষা, খাদ্য ও চারুকলার প্রচার প্রসার হয়। দেশের প্রতিটি রাজ্যের বসবাস এবং রীতি-উৎসব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি হোক। বিশেষত আমাদের আদিবাসী পরম্পরা, শিল্পকলা থেকে দেশ অনেক কিছু শিখতে পারে। 'এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত' অভিযান এই সমস্ত কিছু অগ্রসর করতে অনেক সাহায্য করছে।

বন্ধুগণ,

আজকাল আপনি নিশ্চয়ই শুনেছেন, দেশে বার বার বলা হয় - যে শব্দটি শোনা যায়, 'ভোকাল ফর লোকাল'। যা নিজের বাড়ির চারপাশে জিনিসপত্র তৈরি হচ্ছে, স্থানীয়ভাবে তৈরি হচ্ছে, তাকে সম্মান করা, গর্বিত হওয়া, উৎসাহ দেওয়া, এটাই 'ভোকাল ফর লোকাল'। তবে এই 'ভোকাল ফর লোকাল' চেতনা আরও শক্তিশালী হবে যখন এটি 'এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারতের' চেতনার দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবে। হরিয়ানায় কোনও জিনিসের বিষয়ে, আমি তামিলনাড়ুতে থাকলেও, আমার গর্ব হওয়া উচিত। কেরলের কোনও জিনিস নিয়ে, আমি হিমাচলবাসী হয়েও আমার গর্ব হওয়া উচিত। এক অঞ্চলের স্থানীয় পণ্যে অন্য অঞ্চলও গর্বিত হবে, তার প্রচার করবে, উৎসাহ দেবে, তবেই দেশজুড়ে স্থানীয় পণ্য ছড়িয়ে যাবে, এবং তা বিশ্বব্যাপী পণ্য হওয়ার শক্তি পাবে।

বন্ধুগণ,

ভোকাল ফর লোকাল, এই স্বনির্ভর ভারত অভিযান, এর সাফল্য আপনাদের মতো যুবকযুবতীর উপর নির্ভর করে এবং আজ যখন আমার সামনে এনসিসি এবং এনএসএসের এতজন যুবক যুবতী রয়েছেন, এঁদের তো শিক্ষা এবং দীক্ষা সবই এখানেই দেওয়া হয়। আমি আপনাদের আজ একটি ছোট কাজ দিতে চাই। এবং সারাদেশে আমাদের এনসিসি যুবকরা অবশ্যই এই কাজে আমাকে সাহায্য করবে। আপনারা সকালে উঠে রাতে ঘুমোতে যাওয়া পর্যন্ত, যে জিনিসগুলি ব্যবহার করেন, টুথপেস্ট হোক, ব্রাশ হোক, চিরুনি হোক, যা কিছুই হোক না কেন, বাড়িতে এসি, মোবাইল ফোন, যাই হোক না কেন, সারা দিন আপনার কতগুলি জিনিসের প্রয়োজন হয় এবং এরমধ্যে আমাদের দেশে তৈরি কতগুলি জিনিসে আমাদের দেশের শ্রমিকদের ঘামের গন্ধ আছে , কত জিনিসে আমাদের এই দেশের মাটির গন্ধ রয়েছে। আপনি হতবাক হবেন, অজান্তেই এত বিদেশী জিনিস আমাদের দেশে প্রবেশ করেছে, আমরা জানিই না। একবার আমরা পর্যালোচনা করলে জানতে পারবেন যে একটি স্বনির্ভর ভারত গঠনের প্রথম কর্তব্যটি আমাদের নিজেদের মধ্যে দিয়েই শুরু করা উচিত। এর অর্থ এই নয় যে আমি বলছি যে আপনার যদি কোনও বিদেশী জিনিস থাকে তবে যান এবং আগামীকাল তা ছুঁড়ে ফেলে দিন। আমি এও বলছি না যে পৃথিবীতে যদি কোনও ভাল জিনিস থাকে, এটি যদি আমাদের এখানে না পাওয়া যায়, তবে তা কিনবেন না, এটা করা যায় না। তবে আমরা খেয়াল করি না, এমন অনেক জিনিস রয়েছে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে, যা আমাদের দাস বানিয়ে রেখেছে, মানসিক দাস করে রেখেছে। আমি আমার তরুণ বন্ধুদের অনুরোধ করব। এনসিসি-এনএসএসের শিষ্ট যুবকদের আহ্বান জানাব। আপনারা পরিবারের সবার থেকে একটি তালিকা তৈরি করুন, একবার দেখুন, তখন আপনাকে কখনই আমার কথা মনে রাখতে হবে না, আপনার আত্মাই বলবে যে আমরা আমাদের দেশের ক্ষতি কতটা করেছি।

বন্ধুগণ,

কেবল কারও বলায় ভারত স্বাবলম্বী হবে না। তবে যেমনটা আমি বলছি, আপনাদের মতো দেশের তরুণ বন্ধুদের কাজে হবে। এবং আপনার মধ্যে প্রয়োজনীয় দক্ষতা থাকবে তখন আপনি এটা আরও ভাল করে করতে সক্ষম হবেন।

বন্ধুগণ,

দক্ষতার এই গুরুত্ব বিবেচনা করে, ২০১৪ সালে সরকার গঠন করার পরই দক্ষতা বিকাশের জন্য একটি বিশেষ মন্ত্রক গঠন করা হয়েছে। এই অভিযানের আওতায় এখনও পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ কোটিরও বেশি তরুণ তরুণীদের বিভিন্ন শিল্প ও দক্ষতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। দক্ষতা বিকাশের এই কর্মসূচির আওতায় শুধু প্রশিক্ষণই দেওয়া হচ্ছে না, লক্ষ লক্ষ যুবকদের কর্মসংস্থান ও স্বরোজগারের পথে সাহায্য করা হচ্ছে। লক্ষ্য একটাই, ভারতে দক্ষ যুব সমাজ তৈরি করা এবং দক্ষতার ভিত্তিতে তাদের নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া।

বন্ধুগণ,

স্বনির্ভর ভারত গড়ে তুলতে যুব সমাজের দক্ষতার উপর এই ফোকাস ও দেশের এই নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির অংশ। আপনিও তা বুঝতে পারবেন। এতে শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষাক্ষেত্রে এর প্রয়োগের ব্যাপারেও সমান জোর দেওয়া হয়েছে। জাতীয় শিক্ষা নীতির প্রয়াস হল যুবকদের তাদের আগ্রহ অনুযায়ী বিষয়টি বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। কখন পড়াশুনা করবে, কখন তা ছাড়বে এবং আবার কখন পড়াশুনা শুরু করবে, সেজন্য নমনীয়তাও রয়েছে। আমাদের চেষ্টা হচ্ছে আমাদের শিক্ষার্থীরা নিজেরাই যা করতে চায় সেক্ষেত্রে যাতে অগ্রসর হতে পারে।

বন্ধুগণ,

নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে এই প্রথমবার বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে শিক্ষার মূলধারায় আনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চেষ্টা করা হয়েছে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের স্থানীয় প্রয়োজন এবং স্থানীয় ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত নিজের পছন্দের যে কোনও কোর্স বেছে নেওয়ার বিকল্প দেওয়া হয়েছে। এগুলি শুধু পাঠ্য কোর্সই নয়, শেখার এবং প্রশিক্ষণের কোর্স হবে। এতে স্থানীয় দক্ষ কারিগরদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাও থাকবে। এরপর পর্যায়ক্রমে সমস্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে যুক্ত করার লক্ষ্যও রয়েছে। আমি আজ এটি বিশদে আপনাদের বলছি, কারণ আপনারা যত বেশি সচেতন হবেন, আপনার ভবিষ্যতও আরও উজ্জ্বল হবে।

বন্ধুগণ,

আপনারা সবাই স্বনির্ভর ভারত অভিযানের আসল কর্ণধার। এনসিসি, এনএসএস বা অন্যান্য সংস্থা হোক, আপনারা দেশের প্রতিটি চ্যালেঞ্জ, প্রতিটি সঙ্কটের সময় নিজেদের ভূমিকা পালন করেছেন। এমনকি করোনা অতিমাত্রায় সময়, স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে আপনারা যে কাজ করেছেন তা প্রশংসনীয়। যখন দেশ এবং প্রশাসনের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল, আপনারা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে এগিয়ে এসেছিলেন এবং পরিষেবায় সাহায্য করেছিলেন। আপনারা আরোগ্য সেতু অ্যাপ্লিকেশনের জনগণের কাছে প্রচার হোক বা করোনা সংক্রমণ সম্পর্কিত অন্যান্য তথ্যের বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করা হোক, আপনারা প্রশংসনীয় কাজ করেছেন। করোনার এই সময়ে, ফিট ইন্ডিয়া অভিযানের মাধ্যমে স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতনতা জাগাতে আপনাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

বন্ধুগণ,

আপনারা এখন পর্যন্ত যা করেছেন, এবার তা পরবর্তী পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে। এবং আমি এটা আপনাদের বলছি কারণ আপনাদের দেশের প্রতিটি অঞ্চলে, প্রতিটি সমাজে প্রতিনিধি রয়েছে। আমি আপনাদের দেশে করোনা টিকাকরণ অভিযানের প্রচারে সহায়তার জন্য এগিয়ে আসার অনুরোধ করছি। দরিদ্রতম ও সাধারণ নাগরিককে আপনাদের টিকা সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে হবে। ভারতে করোনার টিকা তৈরি করে ভারতের বৈজ্ঞানিকরা তাঁদের দায়িত্ব ভালভাবে পালন করেছেন। এখন আমাদের নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। আমাদের যথাযথ তথ্য দিয়ে মিথ্যা ও গুজব ছড়িয়ে দেওয়ার প্রতিটি ব্যবস্থাকে পরাস্ত করতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে যে আমাদের প্রজাতন্ত্র শক্তিশালী কারণ তা দায়িত্ববোধের দ্বারা নির্ধারিত হয়। আমাদের এই চেতনাকে দৃঢ় করতে হবে। এর মাধ্যমে, আমাদের প্রজাতন্ত্রও শক্তিশালী হবে এবং স্বনির্ভরতার জন্য আমাদের সংকল্পও পূর্ণ হবে। আপনারা সবাই এই গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় উৎসবে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। মন তৈরি করার, দেশকে জানার এবং দেশের জন্য কিছু করার, চেয়ে বড় কোনও রীতি হতে পারে না। যে সৌভাগ্য আপনারা পেয়েছেন। আমার বিশ্বাস যে ২৬ শে জানুয়ারীর এই অভূতপূর্ব অনুষ্ঠানের পর আপনারা যখন এখান থেকে বাড়ি ফিরবেন, আপনারা এখানকার অনেক কিছুই মনে রাখবেন। তবে একইসঙ্গে কখনই ভুলে যাবেন না যে আমাদের দেশকে নিজেদের সেরাটা দিতে হবে, আমাদের এটা করতেই হবে, করতেই হবে। আমি আপনাদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই।

অনেক ধন্যবাদ !

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Govt directs faster processing of city gas projects, hikes commercial LPG allocation to ease supply stress

Media Coverage

Govt directs faster processing of city gas projects, hikes commercial LPG allocation to ease supply stress
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
This is the New India that leaves no stone unturned for development: PM Modi
March 23, 2026
Today, India is moving forward with a new confidence; Now India faces challenges head-on: PM
From the Gulf to the Global West and from the Global South to neighbouring countries, India is a trusted partner for all: PM
What gets measured gets improved and ultimately gets transformed: PM
This is the new India, It is leaving no stone unturned for development: PM

नमस्कार!

पिछले कुछ समय में मुझे एक-दो बार टीवी9 भारतवर्ष देखने का मौका मिला है। नॉर्मली भी युद्धों और मिसाइलों पर आपका बहुत फोकस होता है और आजकल तो आपको कंटेंट की ओवरफीडिंग हो रही है। बड़े-बड़े देश टीवी9 को इतना सारा कंटेंट देने पर तुले हुए हैं, लेकिन On a Serious Note, आज विश्व जिन गंभीर परिस्थितियों से गुजर रहा है, वो अभूतपूर्व है और बेहद गंभीर है। और इन स्थितियों के बीच, आज टीवी-9 नेटवर्क ने विचारों का एक बेहद महत्वपूर्ण मंच बनाया है। आज इस समिट में आप सभी India and the world, इस विषय पर चर्चा कर रहे हैं। मैं आप सबको बधाई देता हूं। इस समिट के लिए अपनी शुभकामनाएं देता हूं। सभी अतिथियों का अभिनंदन करता हूं।

साथियों,

आज जब दुनिया, conflicts के कारण उलझी हुई है, जब इन conflicts के दुष्प्रभाव पूरी दुनिया पर दिख रहे हैं, तब India and the world की बात करना बहुत ही प्रासंगिक है। भारत आज वो देश है, जिसकी अर्थव्यवस्था तेजी से आगे बढ़ रही है। 2014 के पहले की स्थितियों को पीछे छोड़कर के आज भारत एक नए आत्मविश्वास के साथ आगे बढ़ रहा है। अब भारत चुनौतियों को टालता नहीं है बल्कि चुनौतियों से टकराता है। आप बीते 5-6 साल में देखिए, कोरोना की महामारी के बाद चुनौतियां एक के बाद एक बढ़ती ही गई हैं। ऐसा कोई साल नहीं है, जिसने भारत की, भारतीयों की परीक्षा न ली हो। लेकिन 140 करोड़ देशवासियों के एकजुट प्रयास से भारत हर आपदा का सामना करते हुए आगे बढ़ रहा है। इस समय युद्ध की परिस्थितियों में भी भारत की नीति और रणनीति देखकर, भारत का सामर्थ्य देखकर दुनिया के अनेकों देश हैरान हैं। हमारे यहां कहावत है, सांच को आंच नहीं। 28 फरवरी से दुनिया में जो उथल-पुथल मची है, इन कठोर विपरीत परिस्थितियों में भी भारत प्रगति के, विकास के, विश्वास के संकल्प के साथ आगे बढ़ रहा है। इन 23 दिनों में भारत ने अपनी Relationship Building Capacity दिखाई है, Decision Making Capacity दिखाई है और Crisis Management Capacity दिखाई है।

साथियों,

आज जब दुनिया इतने सारे खेमों में बंटी हुई है, भारत ने अभूतपूर्व और अकल्पनीय bridges बनाए हैं। Gulf से लेकर Global West तक, Global South से लेकर पड़ोसी देशों तक भारत सभी का trusted partner है। कुछ लोग पूछते हैं, हम किसके साथ हैं? तो उनको मेरा जवाब यही है कि हम भारत के साथ हैं, हम भारत के हितों के साथ हैं, शांति के साथ हैं, संवाद के साथ हैं।

साथियों,

संकट के इसी समय में जब global supply chains डगमगा रही हैं, भारत ने diversification और resilience का मॉडल पेश किया है। Energy हो, fertilizers हों या essential goods अपने नागरिकों को कम से कम परेशानी हो, इसके लिए भारत ने निरंतर प्रयास किया है और आज भी कर रहे है।

साथियों,

जब राष्ट्रनीति ही राजनीति का मुख्य आधार हो, तब देश का भविष्य सर्वोपरि होता है। लेकिन जब राजनीति में व्यक्तिगत स्वार्थ हावी हो जाता है, तब लोग देश के फ्यूचर के बजाय अपने फ्यूचर के बारे में सोचते हैं। आप ज़रा याद कीजिए 2004 से 2010 के बीच क्या हुआ था? तब कांग्रेस सरकार के समय पेट्रोल-डीजल और गैस की कीमतों का संकट आया था और तब कांग्रेस ने देश की नहीं बल्कि अपनी सत्ता की चिंता की। उस वक्त कांग्रेस ने एक लाख अड़तालीस हज़ार करोड़ रुपए के ऑयल बॉन्ड जारी किए थे और प्रधानमंत्री मनमोहन सिंह जी ने खुद कहा था कि वो आने वाली पीढ़ी पर कर्ज का बोझ डाल रहे हैं। यह जानते हुए भी कि ऑयल बॉन्ड का फैसला गलत है, जो रिमोट कंट्रोल से सरकार चला रहे थे, उन लोगों ने अपनी सत्ता बचाने के लिए यह गलत निर्णय किया क्योंकि जवाबदेही उस समय नहीं होनी थी, उस बॉन्ड पर री-पेमेंट 2020 के बाद होनी थी।

साथियों,

बीते 5-6 वर्षों में हमारी सरकार ने कांग्रेस सरकार के उस पाप को धोने का काम किया है, और इस धुलाई का खर्चा कम नहीं आया है, ऐसी लाँड्री आपने देखी नहीं होगी। 1 लाख 48 हज़ार करोड़ रुपए की जगह, देश को 3 लाख करोड़ रुपए से अधिक की पेमेंट करनी पड़ी क्योंकि इसमें ब्याज भी जुड़ गया था। यानी हमने करीब-करीब दोगुनी राशि चुकाने के लिए मजबूर हुए। आजकल कांग्रेस के जो नेता बयानों की मिसाइलें दाग रहे हैं, मिसाइल आई तो टीवी9 को मजा आएगा, उनकी इस विषय का जिक्र आते ही बोलती बंद हो जाती है।

साथियों,

पश्चिम एशिया में बनी परिस्थितियों पर मैंने आज लोकसभा में अपना वक्तव्य दिया है। दुनिया में जहां भी युद्ध हो रहे हैं, वो भारत की सीमा से दूर हैं। लेकिन आज की व्यवस्थाओं में कोई भी देश युद्धों से दुष्प्रभाव से दूर रहे, ऐसा संभव नहीं होता। अनेक देशों में तो स्थिति बहुत गंभीर हो चुकी है। और इन हालातों में हम देख रहे हैं कि राजनीतिक स्वार्थ से भरे कुछ लोग, कुछ दल, संकट के इस समय में भी अपने लिए राजनीतिक अवसर खोज रहे हैं। इसलिए मैं टीवी9 के मंच से फिर कहूंगा, यह समय संयम का है, संवेदनशीलता का है। हमने कोरोना महासंकट के दौरान भी देखा है, जब देशवासी एकजुट होकर संकट का सामना करते हैं, तो कितने सार्थक परिणाम आते हैं। इसी भाव के साथ हमें इस युद्ध से बनी परिस्थितियों का सामना करना है।

साथियों,

दुनिया की हर उथल-पुथल के बीच, भारत ने अपनी प्रगति की गति को भी बनाए रखा है। अगर मैं 28 फरवरी को युद्ध शुरू होने के बाद, बीते 23 दिनों का ही ब्यौरा दूं, तो पूरब से पश्चिम तक, उत्तर से दक्षिण तक देश में हजारों करोड़ के डेवलपमेंट प्रोजेक्ट्स का काम हुआ है। दिल्ली मेट्रो रेल के महत्वपूर्ण कॉरिडोर्स का लोकार्पण, सिलचर का हाई स्पीड कॉरिडोर का शिलान्यास, कोटा में नए एयरपोर्ट का शिलान्यास, मदुरै एयरपोर्ट को इंटरनेशनल एयरपोर्ट का दर्जा देना, ऐसे अनेक काम बीते 23 दिनों में ही हुए हैं। बीते एक महीने के दौरान ही औद्योगिक विकास को गति देने के लिए भव्य स्कीम को मंजूरी दी गई है। इसके तहत देशभर में 100 plug-and-play industrial parks विकसित किए जाएंगे। देश में Small Hydro Power Development Scheme को भी हरी झंडी दी गई है। इससे आने वाले वर्षों में 1,500 मेगावाट नई hydro power capacity जोड़ी जाएगी। इसी दौरान जल जीवन मिशन को साल 2028 तक बढ़ाने का निर्णय लिया गया है। किसानों के हित में भी अनेक बड़े निर्णय लिए गए हैं। बीते एक महीने में ही पीएम किसान सम्मान निधि के तहत 18 हजार करोड़ रुपए से अधिक सीधे किसानों के खातों में ट्रांसफर किए गए हैं। और जो हमारे MSMEs हैं, जो हमारे निर्यातक हैं, उनके लिए भी करीब 500 करोड़ रुपए के राहत पैकेज की भी घोषणा की गई है। यह सारे कदम इस बात का प्रमाण हैं कि विकसित भारत बनाने के लिए देश कितनी तेज गति से काम कर रहा है।

साथियों,

Management की दुनिया में एक सिद्धांत कहा जाता है - What gets measured, gets managed. लेकिन मैं इसमें एक बात और जोड़ना चाहता हूं, What gets measured, gets improved और ultimately, gets transformed. क्योंकि आकलन जागरूकता पैदा करता है। आकलन जवाबदेही तय करता है और सबसे महत्वपूर्ण आकलन संभावनाओं को जन्म देता है।

साथियों,

अगर आप 2014 से पहले के 10-11 साल और 2014 के बाद के 10-11 साल का आप आकलन करेंगे, तो यही पाएंगे कि कैसे इसी सिद्धांत पर चलते हुए, भारत ने हर सेक्टर को Transform किया है। जैसे पहले हाईवे बनते थे, करीब 11-12 किलोमीटर प्रति दिन की रफ्तार से, आज भारत करीब 30 किलोमीटर प्रतिदिन की स्पीड से हाईवे बना रहा है। पहले पोर्ट्स पर शिप का Turnaround Time, 5-6 दिन का होता था। आज वही काम, करीब-करीब 2 दिन से भी कम समय में पूरा हो रहा है। पहले Startup Culture के बारे में चर्चा ही नहीं होती थी। 2014 से पहले, हमारे देश में 400-500 स्टार्ट अप्स ही थे। आज भारत में 2 लाख से ज्यादा रजिस्ट्रर्ड स्टार्ट अप्स हैं। पहले मेडिकल education में सीटें भी सीमित थीं, करीब 50-55 हजार MBBS seats थीं, आज यह बढ़कर सवा लाख से ज्यादा हो चुकी हैं। पहले देश के Banking system से भी करोड़ों लोग बाहर थे। देश में सिर्फ 25 करोड़ के आसपास ही बैंक account थे। वहीं जनधन योजना के माध्यम से 55 करोड़ से ज्यादा बैंक अकाउंट खुले हैं। पहले हमारे देश में airports की संख्या भी 70 से कम थी। आज एयरपोर्ट्स की संख्या भी बढ़कर 160 से ज्यादा हो चुकी है।

साथियों,

पहले भी योजनाएं तो बनती थीं, लेकिन आज फर्क है, आज परिणाम दिखते हैं। पहले गति धीमी थी, आज भारत fastrack पर है। पहले संभावनाएं भी अंधकार में थीं, आज संकल्प सिद्धियों में बदल रहे हैं। इसलिए दुनिया को भी यह संदेश मिल रहा है कि यह नया भारत है। यह अपने विकास के लिए कोई कोर-कसर बाकी नहीं छोड़ रहा है।

साथियों,

आज हमारा प्रयास है कि अतीत में विकास का जो असंतुलन पैदा हो गया था, उसको अवसरों में बदला जाए। अब जैसे हमारा पूर्वी भारत है। हमारा पूर्वी भारत संसाधनों से समृद्ध है, दशकों तक वहां जिन्होंने सरकारें चलाई हैं, उनकी उपेक्षा ने पूर्वी भारत के विकास पर ब्रेक लगा दी थी। अब हालात बदल रहे हैं। जिस असम में कभी गोलियों की आवाज सुनाई देती थी, आज वहां सेमीकंडक्टर यूनिट बन रही है। ओडिशा में सेमीकंडक्टर से लेकर पेट्रोकेमिकल्स तक अनेक नए-नए सेक्टर का विकास हो रहा है। जिस बिहार में 6-7 दशक में गंगा जी पर एक बड़ा पुल बन पाया था एक, उस बिहार में पिछले एक दशक में 5 से ज्यादा नए पुल बनाए गए हैं। यूपी में कभी कट्टा मैन्युफैक्चरिंग की कहानियां कही जाती थीं, आज यूपी, मोबाइल फोन मैन्युफैक्चरिंग में दुनिया में अपनी पहचान बना रहा है।

साथियों,

पूर्वी भारत का एक और बड़ा राज्य पश्चिम बंगाल है। पश्चिम बंगाल, एक समय में भारत के कल्चर, एजुकेशन, इंडस्ट्री और ट्रेड का हब होता था। बीते 11 वर्षों में केंद्र सरकार ने पश्चिम बंगाल के विकास के लिए बड़ी मात्रा में निवेश किया है। लेकिन दुर्भाग्य से, आज वहां एक ऐसी निर्मम सरकार है, जो विकास पर ब्रेक लगाकर बैठी है। TV9 बांग्ला के जो दर्शक हैं, वो जानते हैं कि बंगाल में आयुष्मान योजना पर निर्मम सरकार ने ब्रेक लगाया हुआ है। पीएम सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना पर ब्रेक लगाया हुआ है। पीएम आवास योजना पर ब्रेक लगाया हुआ है। चाय बागान श्रमिकों के लिए शुरू हुई योजना के लिए ब्रेक लगाया हुआ है। यानी विकास और जनकल्याण से ज्यादा प्राथमिकता निर्मम सरकार अपने राजनीतिक स्वार्थ को दे रही है।

साथियों,

देश में इस तरह की राजनीति की शुरुआत जिस दल ने की है, वो अपने गुनाहों से बच नहीं सकती और वो पार्टी है - कांग्रेस। कांग्रेस पार्टी की राजनीति का एक ही लक्ष्य रहा है, किसी भी तरह विकास का विरोध और कांग्रेस यह तब से कर रही है, जब मैं गुजरात में था। गुजरात में वर्षों तक जनता ने हमें आशीर्वाद दिया, तो कांग्रेस ने उस जनादेश को स्वीकार नहीं किया। उन्होंने गुजरात की छवि पर सवाल उठाए, उसकी प्रगति को कटघरे में खड़ा किया और जब यही विश्वास पूरे देश में दिखाई दिया, तो कांग्रेस का विरोध भी रीजनल से नेशनल हो गया।

साथियों,

जब राजनीति में विरोध, विकास के विरोध में बदल जाए, जब आलोचना देश की उपलब्धियों पर सवाल उठाने लगे, तब यह सिर्फ सरकार का विरोध नहीं रह जाता, यह देश की प्रगति से असहज होने की मानसिकता बन जाती है। आज कांग्रेस इसी मानसिकता की गुलाम बन चुकी है। आज स्थिति यह है कि देश की हर सफलता पर प्रश्न उठाया जाता है, हर उपलब्धि में कमी खोजी जाती है और हर प्रयास के असफल होने की कामना की जाती है। कोविड के समय, देश ने अपनी वैक्सीन बनाई, तो कांग्रेस ने उस पर भी संदेह जताया। Make in India की बात हुई, तो कहा गया कि यह सफल नहीं होगा, बब्बर शेर कहकर इसका मजाक उड़ाया गया। जब देश में डिजिटल इंडिया अभियान शुरू हुआ, तो उसका मजाक उड़ाया गया। लेकिन हर बार यह कांग्रेस का दुर्भाग्य और देश का सौभाग्य रहा कि भारत ने हर चुनौती को सफलता में बदला। आज भारत दुनिया की सबसे बड़ी वैक्सीनेशन ड्राइव का उदाहरण है। भारत डिजिटल पेमेंट्स में दुनिया का अग्रणी देश है। भारत मैन्युफैक्चरिंग और स्टार्टअप्स में नई ऊंचाइयों को छू रहा है।

साथियों,

लोकतंत्र में विरोध जरूरी होता है। लेकिन विरोध और विद्वेष के बीच एक रेखा होती है। सरकार का विरोध करना लोकतांत्रिक अधिकार है। लेकिन देश को बदनाम करना, यह कांग्रेस की नीयत पर सवाल खड़ा करता है। जब विरोध इस स्तर तक पहुंच जाए कि देश की उपलब्धियां भी असहज करने लगें, तो यह राजनीति नहीं, यह दृष्टिकोण की समस्या है। अभी हमने ग्लोबल AI समिट में भी देखा है। जब पूरी दुनिया भारत में जुटी हुई थी, तो कांग्रेस के लोग कपड़े फाड़ने वहां पहुंच गए थे। इन लोगों को देश की इज्जत की कितनी परवाह है, यह इसी से पता चलता है। इसलिए आज आवश्यकता है कि देशहित को, दलहित से ऊपर रखा जाए क्योंकि अंत में राजनीति से ऊपर, राष्ट्र होता है, राष्ट्र का विकास होता है।

साथियों,

आज का यह दिन भी हमें यही प्रेरणा देता है। आज के ही दिन शहीद भगत सिंह, शहीद राजगुरु और शहीद सुखदेव ने देश के लिए सर्वोच्च बलिदान दिया था। आज ही, समाजवादी आंदोलन के प्रखर आदर्श डॉ. राम मनोहर लोहिया जी की जयंती भी है। यह वो प्रेरणाएं हैं, जिन्होंने देश को हमेशा स्व से ऊपर रखा है। देशहित को सबसे ऊपर रखने की यही प्रेरणा, भारत को विकसित भारत बनाएगी। यही प्रेरणा भारत को आत्मनिर्भर बनाएगी। मुझे पूरा विश्वास है कि टीवी9 की यह समिट भी भारत के आत्मविश्वास और दुनिया के भरोसे पर, भारतीयों पर जो भरोसा है, उस भरोसे को और सशक्त करेगी। आप सभी को मेरी तरफ से बहुत-बहुत शुभकामनाएं हैं और आपके बीच आने का अवसर दिया, आप सबसे मिलने का मौका लिया, इसलिए बहुत-बहुत धन्यवाद!

नमस्‍कार!