Ayurveda in India has transcended time and region, guiding humanity to understand life, achieve balance and live in harmony with nature: PM
We have consistently focused on preventive health, the National AYUSH Mission was launched with this vision: PM
We must adapt to the changing times and increase the use of modern technology and AI in Ayurveda: PM



নমস্কারম !

কেরলের রাজ্যপাল শ্রী রাজেন্দ্র আরলেকর, আর্য বৈদ্যশালার সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ভদ্রমহিলা এবং ভদ্রমহোদয়গণ,

আজকের এই মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে আপনাদের সবার সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আর্য়ুবেদের সংরক্ষণ, সুরক্ষা ও অগ্রগতিতে আর্য বৈদ্যশালা উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। ১২৫ বছরের যাত্রায় এই প্রতিষ্ঠান আর্য়ুবেদকে চিকিৎসার এক শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। আজ এই উপলক্ষে আমি আর্য বৈদ্যশালার প্রতিষ্ঠাতা বৈদ্যরত্নম পিএস ভারিয়রকে স্মরণ করি। আর্য়ুবেদের প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গী এবং জনকল্যাণের তাঁর নিষ্ঠা আজও আমাদের অনুপ্রাণিত করে। 

বন্ধুগণ,

ভারতের যে নিরাময় ঐতিহ্য শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানবতার সেবা করে এসেছে, কেরলের আর্য বৈদ্যশালা তারই এক জীবন্ত প্রতীক। ভারতে আর্য়ুবেদ কোনও একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বা অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল না। প্রতিটি যুগেই এই সুপ্রাচীন চিকিৎসা ব্যবস্থা জীবনকে বোঝার, ভারসাম্য স্থাপনের এবং প্রকৃতির সঙ্গে সমন্বয়ের পথ দেখিয়েছে। আর্য বৈদ্যশালা আজ ৬০০-র বেশি আর্য়ুবেদীয় ওষুধ তৈরি করে; দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই প্রতিষ্ঠানের হাসপাতালে আর্য়ুবেদের মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসা হয়। এই রোগীদের মধ্যে বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশের মানুষ রয়েছেন। আর্য বৈদ্যশালা তার কাজের মধ্য দিয়ে এই আস্থা গড়ে তুলেছে। যেখানেই মানুষ বিপন্ন, সেখানেই আপনারা তাঁদের সামনে আশার আলো হয়ে উঠেছেন। 

বন্ধুগণ,

আর্য বৈদ্যশালার কাছে সেবা কেবল একটি ধারণা নয়। এই অনুভব তাঁদের প্রতিটি কাজ, দৃষ্টিভঙ্গী এবং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দৃশ্যমান। গত ১০০ বছর ধরে এই প্রতিষ্ঠানের দাতব্য হাসপাতাল মানুষের সেবায় নিয়োজিত। ১০০ বছর- বড় কম কথা নয়। হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত সকলের অবদান এতে রয়েছে। আমি হাসপাতালের প্রতিটি বৈদ্য, চিকিৎসক, নার্সিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট সকলকেই অভিনন্দন জানাই। এই দাতব্য হাসপাতালের ১২৫ বছরের যাত্রা পূর্ণ হওয়ায় এই অভিনন্দন আপনাদের সকলের প্রাপ্য। কেরলের মানুষ শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে আর্য়ুবেদের ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। আপনারাও সেই ঐতিহ্যের সংরক্ষণ করছেন, লালন-পালন করছেন। 

বন্ধুগণ,

আমাদের দেশে দীর্ঘদিন ধরে সুপ্রাচীন চিকিৎসা ব্যবস্থাকে একঘরে করে রাখা হয়েছিল। গত ১০-১১ বছরে এই দৃষ্টিভঙ্গীতে এক বিরাট পরিবর্তন এসেছে। এখন স্বাস্থ্য সেবাকে এক সার্বিক দৃষ্টিভঙ্গী থেকে দেখা হচ্ছে। আয়ুর্বেদ, ইউনানি, হোমিওপ্যাথি, সিদ্ধা, যোগ- এই সব কিছুকে আমরা এক ছাতার তলায় নিয়ে এসেছি এবং এজন্যই বিশেষভাবে আয়ুষ মন্ত্রক গঠন করা হয়েছে। আমরা ক্রমাগত প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যের ওপর মনোনিবেশ করেছি। এই ভাবনা-চিন্তা থেকেই জাতীয় আয়ুষ মিশন চালু করা হয়েছে, খোলা হয়েছে ১২০০০-এর বেশি আয়ুষ সুস্থতা কেন্দ্র। এই কেন্দ্রগুলিতে যোগ, প্রতিরোধমূলক যত্ন, গোষ্ঠীভিত্তিক স্বাস্থ্য সেবা- সব কিছুই প্রদান করা হয়। আমরা দেশের অন্যান্য হাসপাতালকেও আয়ুষ পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত করেছি এবং আয়ুষ ওষুধপত্রের নিয়মিত সরবরাহের ওপর মনোযোগ দিয়েছি। এর উদ্দেশ্য সুস্পষ্ট। ভারতের ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা ব্যবস্থার সুফল যাতে দেশের প্রতিটি প্রান্তের মানুষের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। 

বন্ধুগণ,

সরকারের এই নীতিসমূহের স্পষ্ট প্রভাব আয়ুষ ক্ষেত্রে দেখা গেছে। আয়ুষ উৎপাদন ক্ষেত্র দ্রুত অগ্রসর হয়েছে, এর বিস্তার ঘটেছে। ভারতের ঐতিহ্যবাহী সুস্থতাকে বিশ্বের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকার আয়ুষ রপ্তানি প্রসার পরিষদ গঠন করেছে। আয়ুষ পণ্য ও পরিষেবা যাতে বিশ্ব বাজারে জায়গা করে নিতে পারে সেজন্য আমরা প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছি। এর অত্যন্ত ইতিবাচক ফলাফলও আমাদের সামনে আসছে। ২০১৪ সালে ভারত থেকে রপ্তানি করা আয়ুষ ও ভেষজ পণ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩০০০ কোটি টাকা। আজ তা সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এর ফলে দেশের কৃষকরাও ব্যাপকভাবে উপকৃত হচ্ছেন। 

বন্ধুগণ,

ভারত আজ আয়ুষ ভিত্তিক চিকিৎসা ভ্রমণের এক নির্ভরযোগ্য গন্তব্যস্থল হয়ে উঠেছে। সেজন্য আমরা আয়ুষ ভিসা প্রদানের মতো পদক্ষেপও নিয়েছি। এরফলে বিদেশ থেকে আসা মানুষজন আয়ুষ চিকিৎসার উন্নত সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। 

বন্ধুগণ,

আর্য়ুবেদের মতো সুপ্রাচীন এক চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রচারের জন্য সরকার একে গর্বের সঙ্গে বড় বড় মঞ্চে তুলে ধরছে। ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন হোক অথবা জি২০ দেশগুলির বৈঠক, যেখানেই সুযোগ এসেছে, আমি আর্য়ুবেদকে সার্বিক স্বাস্থ্যের এক মাধ্যম হিসেবে উপস্থাপন করেছি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু-এর গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন সেন্টার গুজরাটের জামনগরে গড়ে উঠছে। জামনগরেই আর্য়ুবেদ নিয়ে প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করেছে। আর্য়ুবেদিক ওষুদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে গঙ্গার তীরে ঔষধি চাষকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। 

বন্ধুগণ,

দেশের আরও একটি বড় সাফল্য আজ আমি আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই। আপনারা সবাই জানেন যে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে আমাদের একটি বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। আপনাদের আনন্দের সঙ্গে জানাই যে, এই বাণিজ্য চুক্তি ভারতের ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা পরিষেবা এবং তার চর্চাকারীদের সামনে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দেবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলি, যেখান বিধিনিষেধ নেই, সেখানে আমাদের আয়ুষ চর্চাকারীরা ভারতে পাওয়া তাঁদের পেশাদারি যোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে পরিষেবা প্রদান করতে পারবেন। এর ফলে আর্য়ুবেদ ও যোগের সঙ্গে জড়িত যুব সমাজ ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে। এই চুক্তির ফলে সহজেই ইউরোপে আয়ুষ সুস্থতা কেন্দ্র স্থাপন করা যাবে। আমি আর্য়ুবেদ ও আয়ুষের সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের এই চুক্তির জন্য অভিনন্দন জানাই। 

বন্ধুগণ,

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ভারতে আর্য়ুবেদ চিকিৎসা হয়ে আসছে। তা সত্ত্বেও আমাদের দুর্ভাগ্য যে এখনও দেশের কিছু মানুষ এবং বিদেশের অনেককে আয়ুর্বেদের গুরুত্ব বোঝাতে হয়। এর একটা বড় কারণ হল প্রমাণ ভিত্তিক গবেষণার অভাব, গবেষণাপত্রের অভাব। আর্য়ুবেদ ব্যবস্থা যখন বিজ্ঞানের নীতিতে পরীক্ষিত হবে তখন এর প্রতি মানুষের আস্থা আরও বাড়বে। আমি আনন্দিত যে আর্য বৈদ্যশালা ক্রমাগত আর্য়ুবেদকে বিজ্ঞান ও গবেষণার মাপকাঠিতে পরীক্ষা করে এসেছে। এটি সিএসআইআর এবং আইআইটি-র মতো প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে একযোগে কাজ করেছে। আপনারা ওষুধ নিয়ে গবেষণা, ক্লিনিক্যাল গবেষণা এবং ক্যান্সারের মোকাবিলা নিয়ে কাজ করেছেন। আয়ুষ মন্ত্রকের সহযোগিতায় ক্যান্সার গবেষণা নিয়ে একটি উৎকর্ষ কেন্দ্র স্থাপন এই লক্ষ্যে এক বড় পদক্ষেপ। 

বন্ধুগণ,

বদলাতে থাকা সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের এখন আর্য়ুবেদে আধুনিক প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম মেধার ব্যবহার বাড়াতে হবে। রোগের অনুসন্ধান এবং বিভিন্ন পদ্ধতিতে চিকিৎসার ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী অনেক কিছু করা যেতে পারে। 

বন্ধুগণ,

আর্য বৈদ্যশালা দেখিয়ে দিয়েছে যে ঐতিহ্য এবং আধুনিকতা হাত ধরাধরি করে চলতে পারে। স্বাস্থ্য সেবা মানুষের জীবনে আস্থার ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে। আর্য়ুবেদের পুরনো জ্ঞান বজায় রেখে এই প্রতিষ্ঠান আধুনিক চাহিদা গ্রহণ করেছে। চিকিৎসা ব্যবস্থাকে সংগঠিত করে রোগীদের সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এই প্রেরণাদায়ক যাত্রার জন্য আমি আবারও আর্য বৈদ্যশালাকে অভিনন্দন জানাই। আর্য বৈদ্যশালা এমনই নিষ্ঠা ও সেবামূলক চেতনায় মানুষের জীবনকে আরও উন্নত করে তুলুক, এই প্রার্থনা করি। অনেক অনেক ধন্যবাদ। 

নমস্কার।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India remains among best-performing major economies: S&P Global

Media Coverage

India remains among best-performing major economies: S&P Global
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister speaks to Andhra Pradesh Deputy Chief Minister Shri Pawan Kalyan; enquires about his well-being
April 19, 2026

The Prime Minister, Shri Narendra Modi, spoke to Andhra Pradesh Deputy Chief Minister Shri Pawan Kalyan and enquired about his well-being.

The Prime Minister noted that Shri Pawan Kalyan is remarkably courageous and expressed confidence that he will recover very soon. Shri Modi also prayed for his good health.

The Prime Minister wrote on X;

“Spoke to Andhra Pradesh Deputy Chief Minister Shri Pawan Kalyan Garu and enquired about his well-being. He is remarkably courageous and I am sure he will recover very soon. Praying for his good health.

@PawanKalyan”