Numerous measures undertaken in the last four years to enhance the quality of life of our citizens: PM Modi
Human rights should not be about only slogans but it should be an integral part of our values: PM Modi
For us, ‘Sabka Saath, Sabka Vikas’ is about serving the people: PM Modi
With focus on justice for all, the government is increasing the number of e-Courts, strengthening the National Judicial Data Grid: Prime Minister Modi
With the use of technology, we are making the system transparent and protecting the rights of citizens: PM Modi
To empower the Divyangs, we have strengthened the Rights of Persons with Disabilities Act: PM Modi

মঞ্চে উপস্থিত আমার মন্ত্রী পরিষদের মাননীয় সদস্য রাজনাথ সিংজি, মনোজ সিনহাজি, এনএইচআরসি-র চেয়ারপার্সন বিচারপতি এস এল দত্তুজি, কমিশনের সদস্যগণ এবং উপস্থিত সম্মানিত ভদ্রমহিলা ও ভদ্র মহোদয়গণ।

আজ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ২৫ বছর পূর্ণ হচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছনোর জন্য আপনাদের সবাইকে, দেশের প্রত্যেক নাগরিককে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আপনাদের মাঝে এসে আমার খুব ভাল লাগছে।

বন্ধুগণ, বিগত আড়াই দশকে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন দেশের গরিব, পীড়িত, বঞ্চিত, শোষিত সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠে রাস্ট্রনির্মাণকে দিশা দেখিয়েছে। ন্যায় এবং নীতির পথে আপনারা যে ভূমিকা পালন করেছেন, তাঁর জন্যে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানগুলি বরাবরই ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে ‘এ’ স্ট্যাটাস দিয়েছে। এটি ভারতের জন্যে গর্বের বিষয়।

বন্ধুগণ, মানবাধিকার রক্ষা আমাদের সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংগ। আমাদের পরম্পরায় চিরকালই ব্যক্তির জীবনে সমতা ও সাম্যের গরিমাকে সম্মান ও স্বীকৃতি দিয়ে এসেছে। আজকের অনুষ্ঠানের শুভসূচনা যে শ্লোক দিয়ে হয়েছে, পরে রাজনাথজিও বিস্তারিত বলেছেন, ‘সর্বে ভবন্তু সুখেন’ –র ভাবনা আমাদের ঐতিহ্যের অঙ্গ।

পরাধীনতার দীর্ঘ কালখণ্ডে যে আন্দোলন হয়েছে এটা তারও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বন্ধুগণ, স্বাধীনতার পর এই আদর্শগুলির সংরক্ষণে একটি শক্তিশালী প্রক্রিয়া বিকশিত করেছিল। আমাদের দেশে ত্রিস্তরীয় শাসন ব্যবস্থা, একটি স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা, সক্রিয় সংবাদ মাধ্যম এবং সজাগ বুদ্ধিজীবী সমাজ রয়েছে। অধিকারসমূহ সুনিশ্চিত করার জন্য জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মতো অনেক সংস্থা, কমিশন এবং ট্রাইব্যুনালও রয়েছে। আমাদের ব্যবস্থা এই সমস্ত সংস্থার কাছে কৃতজ্ঞ, যাঁরা দরিদ্র, মহিলা, শিশু, পীড়িত, বঞ্চিত, আদিবাসী ও সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য দায়বদ্ধ। আমাদের পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন স্থানীয় প্রশাসন মানবাধিকার রক্ষার এক একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এই সংস্থাগুলি সাধারণ মানুষের আত্মসম্মান রক্ষা, উন্নয়নের সুফল পৌঁছনো এবং জনকল্যাণকারী প্রকল্পগুলিকে বাস্তবায়িত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই সংস্থাগুলি মহিলা ও সমস্ত প্রকার বঞ্চিতদের ক্ষমতায়ণ এবং অংশীদারীত্বের ক্ষেত্রেও অনেক বড় অবদান রাখছে।

বন্ধুগণ, মানবাধিকারের প্রতি এই আস্থা দেশকে বিগত শতাব্দীর সত্তরের দশকে অনেক বড় সংকট থেকে উদ্ধার করেছে। জরুরী অবস্থা-র সেই কালো দিনগুলিতে জীবনের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, বাকি অধিকারগুলির কথা তো বলেই লাভ নেই। সেই সময় সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ ওঠানো হাজারো লক্ষ মানুষকে কারাগারে বন্দী করা হয়েছিল। ভারতের জনগণ নিজেদের চেষ্টায় এই সংস্থাগুলির সাহায্যে মানবাধিকার পুনরুদ্ধারে সফল হয়েছে। সেজন্য আমি এই সকল সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এই পবিত্র লগ্নে সাদরে প্রণাম জানাই।

বন্ধুগণ, শুধু মানবাধিকারের শ্লোগান দিলেই হবে না, আমাদের সংস্কার ও জননীতির ভিত্তিতে এগিয়ে যেতে হবে। আমি মনে করি, বিগত সাড়ে চার বছরে সরকার দেশের গরিব, বঞ্চিত ও শোষিত সমাজের মানুষদের ব্যক্তি-গরিমার বিকাশে, তাঁদের জীবনমানের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আমাদের সরকার ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ মন্ত্রকে দেশ সেবার মাধ্যম বলে মনে করে। আর এই মন্ত্রই মানবাধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বন্ধুগণ, আপনারা সবাই ভালোভাবেই জানেন যে, মেয়েদের জীবনের অধিকার সুরক্ষা নিয়ে এদেশে কত প্রশ্ন উঠতো। কন্যাসন্তানকে অবাঞ্চিত মনে করে ভ্রূণ হত্যার বিকৃত মানসিকতা সমাজের এক শ্রেণীর সংকীর্ণমনা মানুষের মনে বৃদ্ধি পাচ্ছিল।

আজ আমি গর্বের সঙ্গে বলতে পারি যে, ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ অভিযানের মাধ্যমে হরিয়ানা ও রাজস্থান-সহ অনেক রাজ্যে কন্যাসন্তানের আনুপাতিক জন্মহার বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক নিরাপরাধ মানুষ জীবনের অধিকার পেয়েছেন। জীবনের অর্থ শুধু প্রশ্বাস গ্রহণই নয়, সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকাটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আমি আনন্দের সঙ্গে বলছি যে, ‘দিব্যাঙ্গ’ – এই শব্দটি এখন এক শ্রেণীর ভারতবাসীর জন্য সম্মানের সূচক হয়ে উঠেছে। শুধু তাই নয়, তাঁদের জীবনকে সুগম করে তুলতে ‘সুগম্য ভারত’ অভিযানের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি ভবন, বিমানবন্দর, রেল স্টেশনগুলিতে বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। দরিদ্র মানুষদের যাতে খোলা আকাশের নীচে কিংবা বস্তিতে নোংরা জীবনযাপন না করতে হয়। সামান্য ঋতু পরিবর্তন যাতে তাঁদের জীবনে অভিশাপ না বহন করে আনতে পারে, তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মাধ্যমে দেশের প্রত্যেক গৃহহীনের মাথার ওপর ছাদ সুনিশ্চিত করার জন্য অভিযান চলছে। আমার স্বপ্ন ২০২২ সালে যখন ভারত স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উৎসব পালন করবে, তার আগেই প্রত্যেক ভারতবাসীর নিজস্ব বাড়ি থাকবে।

বন্ধুগণ, গৃহহীনদের গৃহের পাশাপাশি, উজ্জ্বলা যোজনার মাধ্যমে বিনামূল্যে রান্নার গ্যাসের সংযোগ প্রদান করা হচ্ছে। এটি নিছকই একটি উন্নয়ন প্রকল্প নয়। এর সম্পর্ক রয়েছে সাম্য এবং গরিমার সঙ্গে। ইতিমধ্যেই দেশের সাড়ে পাঁচ কোটিরও বেশি গরিব মা-বোনের জন্য নির্মল ধোঁয়ামুক্ত রান্নাঘর সুনিশ্চিত হয়েছে।

শুধু তাই নয়, দেশে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন হওয়া সত্ত্বেও আমাদের হাজার হাজার গ্রামে কোটি কোটি পরিবার অন্ধকারে বসবাস করতেন। কারণ, তাঁরা গরিব, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাস করেন। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, এত অল্প সময়ের মধ্যে আমরা সেই ১৮ হাজার গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি, যাঁরা স্বাধীনতার এত বছর পর অষ্টাদশ শতাব্দীর মতো বিদ্যুৎহীন জীবনযাপন করতেন। সৌভাগ্য যোজনার মাধ্যমে ১০-১১ মাসের মধ্যেই দেড় কোটিরও বেশি পরিবার বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়েছে।

বন্ধুগণ, অন্ধকার দূর করার পাশাপাশি, দেশের মা ও বোনেদের গরিমা রক্ষায় খোলা মাঠে প্রাকৃতিক কর্মসম্পাদন একটি বড় অন্তরায় ছিল। বিগত চার বছরে সারা দেশের গ্রাম ও শহরে ৯ কোটি ২৫ লক্ষেরও বেশি শৌচাগার নির্মিত হয়েছে। ফলে, গরিব মা-বোনেদের পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি, সম্মানের জীবনযাপনের অধিকারও সুনিশ্চিত হয়েছে। আর উত্তর প্রদেশ সরকার তো এই শৌচালয়কে ‘ইজ্জত ঘর’ নাম দিয়েছে।

সম্প্রতি গরিব মানুষের জীবনে স্বাস্থ্যের অধিকার সুনিশ্চিত করতে আমরা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করেছি। একটু আগেই মাননীয় রাজনাথজি এ বিষয়ে বিস্তারিত বলেছেন। এটি কত বড় অধিকার তার প্রমাণ আপনারা রোজ পাচ্ছেন। দেশের নানা প্রান্ত থেকে সংবাদ মাধ্যমে যেসব খবর প্রকাশিত হচ্ছে, সেগুলি অত্যন্ত আনন্দদায়ক। ব্যক্তিগত সম্পদের অভাবে যাঁরা এতদিন ভালো হাসপাতালে পরিষেবা পেতে পারতেন না, আজ তাঁরা উন্নত চিকিৎসা পরিষেবার অধিকার পেয়েছেন। উদ্বোধনের মাত্র দুই-আড়াই সপ্তাহের মধ্যেই এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৫০ হাজারেরও বেশি ভাই ও বোনেদের চিকিৎসা চলছে।

বন্ধুগণ, স্বাস্থ্যের পাশাপাশি, স্বাধীনতার অনেক দশক পরও কোটি কোটি দেশবাসী আর্থিক স্বাধীনতার পরিধি থেকে বঞ্চিত ছিল। সেই পরিধিটা কী? হাতে গোনা কিছু মানুষই শুধু ব্যাঙ্ক পরিষেবা পেতেন, ঋণ নিতে পারতেন। কিন্তু দেশের অধিকাংশ মানুষ নিজেদের স্বল্প সঞ্চয় রান্নাঘরের কৌটায় লুকিয়ে রাখতে বাধ্য হতেন। আমরা এই পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করেই জন ধন অভিযান চালু করেছিলাম। আর তারপর দেখতে দেখতে প্রায় ৩৫ কোটি সাধারণ মানুষ ব্যাঙ্কের খাতা খুলেছেন, তাঁদের আর্থিক স্বাধীনতার অধিকার সুনিশ্চিত হয়েছে। শুধু তাই নয়, মুদ্রা যোজনার মাধ্যমে ছোট ছোট ব্যবসায়ীদের স্বরোজগারের জন্য ব্যাঙ্ক থেকে কোনও রকম গ্যারান্টি ছাড়াই ঋণ দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের আর সুদখোর মহাজনদের ওপর নির্ভর করতে হয় না।

ভাই ও বোনেরা, আমাদের সরকার আইনের শাসন এবং সরকারি নীতি ও সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিরন্তর মানবাধিকার সুনিশ্চিত ও শক্তিশালী করেছে। সম্প্রতি মুসলমান মহিলাদের তিন তালাকের শৃঙ্খল থেকে মুক্তি দিতে যে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে, তা এই প্রক্রিয়ারই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। আশা করি, মুসলমান মহিলাদের অধিকার সংশ্লিষ্ট এই গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা অদূর ভবিষ্যতেই সংসদে স্বীকৃতি পাবে।

গর্ভবতী মহিলাদের সবেতন ছুটি ১২ সপ্তাহ থেকে বাড়িয়ে ২৬ সপ্তাহ করার সিদ্ধান্ত এই ভাবনারই অঙ্গ। এটি এক প্রকার দেশে প্রত্যেক নবজাত শিশুর অধিকার রক্ষার অঙ্গ। প্রতিটি শিশু যাতে তাঁর মাকে কমপক্ষে ছ’মাস কাছে পায়, তা সুনিশ্চিত করা একটি বড় সিদ্ধান্ত। বিশ্বের অনেক উন্নত দেশেও এখনও এরকম সুবিধা চালু হয়নি।

আমাদের মহিলাদের ‘নাইট শিফট’-এ কাজ করার ক্ষেত্রে আইনি প্রতিবন্ধকতা দূর করতে এবং ওই সময়ে তাঁদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

দিব্যাঙ্গদের অধিকার বৃদ্ধিকারী ‘রাইটস্‌ অফ পার্সন উইথ ডিজেবিলিটি অ্যাক্ট’ প্রণয়নের মাধ্যমে তাঁদের জন্য চাকরি ক্ষেত্রে সংরক্ষণ বৃদ্ধি কিংবা ‘ট্র্যান্সজেন্ডার পার্সনস্‌ প্রোটেকশন অফ রাইটস্‌ বিল’ প্রণয়নের মাধ্যমে লিঙ্গ পরিবর্তনকামী ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের মানবাধিকার রক্ষার প্রতি দায়বদ্ধতা আমাদের মানসিকতার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

এইচআইভি পীড়িতদের সঙ্গে কোনও রকম বৈষম্য না করে তাঁদের সমান অধিকার সুনিশ্চিত করার জন্যও আমরা আইন প্রণয়ন করেছি।

বন্ধুগণ, ন্যায়প্রাপ্তির অধিকারকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার ‘ই-কোটস্‌’ – এর সংখ্যা বৃদ্ধি করছে, ‘ন্যাশনাল জুডিশিয়াল ডেটা গ্রিড’-এর ক্ষমতায়ন করছে। ইতিমধ্যেই এই ‘ন্যাশনাল জুডিশিয়াল ডেটা গ্রিড’-এর সঙ্গে দেশের ১৭ হাজারেরও বেশি আদালতকে যুক্ত করা হয়েছে। মামলা সংক্রান্ত তথ্যাদি বিচারকদের সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত তথ্যাদি অনলাইন হওয়ায় দেশে বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা হচ্ছে। আর দীর্ঘ দিন ধরে চলতে থাকা মামলার সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। দেশের দূরদূরান্তে বসবাসকারী নাগরিকদের ‘টেলি-ল’স্কিম’-এর মাধ্যমে আইনি পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

ভাই ও বোনেরা, নাগরিক অধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রে সরকার আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার আর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধির প্রক্রিয়াও নিরন্তর এগিয়ে চলেছে। ইউআইডিএআই অ্যাক্ট প্রণয়নের মাধ্যমে সরকার আধার-কে আইনসম্মতভাবে শক্তিশালী করার পাশাপাশি, এর উপযোগিতা বাড়িয়ে দেশের দরিদ্রতম মানুষদের কাছে সরকারি প্রকল্পগুলির সম্পূর্ণ সুফল পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে।

আধার দেশের সর্ববৃহৎ প্রযুক্তি ক্ষমতায়ন কর্মসূচি হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি সর্বোচ্চ বিচারালয় সরকারের এই ভূমিকার প্রশংসা করেছে। তেমনই গণ-সরবরাহ ব্যবস্থাকে প্রযুক্তি দ্বারা স্বচ্ছ করে তুলে সরকার গরিবদের সুলভে খাদ্যশস্য প্রাপ্তি সুনিশ্চিত করেছে। অন্যথা, আগে কী হ’ত, কিভাবে হ’ত – এগুলি সব আমরা সবাই ভালোভাবেই জানি।

এভাবে যাতে নিজেদের অধিকার অনুসারে সবকিছু পেতে অসুবিধায় না পড়েন, তা সুনিশ্চিত করতে অনেক প্রক্রিয়ায় সংস্কার আনা হয়েছে, অনেক নিয়ম হয়েছে। ‘সেল্‌ফ অ্যাটেস্টেশন’কে উৎসাহ যোগানো কিংবা ভারতীয় বদলানো।

সশস্ত্র সেনায় ‘শর্ট সার্ভিস কমিশন’-এর মাধ্যমে নিযুক্ত মহিলা আধিকারিকদের সমকক্ষ পুরুষ আধিকারিকদের মতোই স্থায়ী কমিশন প্রদানের সিদ্ধান্ত সরকারের এই দৃষ্টিভঙ্গীর প্রতিফলন।

নিয়মে এরকম অনেক ছোট ছোট পরিবর্তন অনেক বড় স্তরে প্রভাব ফেলেছে। যেমন বাঁশের পরিভাষা পরিবর্তনের ফলে দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী আদিবাসী ভাই-বোনেরা এখন বাঁশ কাটা এবং পরিবহণের অধিকার পেয়েছে। এতে তাঁদের আয় অনেক বেড়েছে।

বন্ধুগণ, সবার জন্য রোজগার, সকলের জন্য পড়াশুনা, সকলের জন্য ওষুধ এবং সকলের সমান বিচারের লক্ষ্য নিয়ে অনেক কাজ হয়েছে। ফলে, কোটি কোটি ভারতীয় তীব্র দারিদ্র্য থেকে নিষ্কৃতি পাচ্ছেন। দেশ দ্রুতগতিতে অনেক বড় মধ্যবিত্ত ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে। এই সাফল্যের পেছনে সরকারের প্রচেষ্টা তো আছেই, কিন্তু তার চাইতে বেশি আছে গণ-অংশীদারিত্ব। দেশের কোটি কোটি মানুষ নিজেদের কর্তব্য বুঝেছেন। নিজেদের ব্যবহারে পরিবর্তন আনতে নিজেদের প্রেরণা যুগিয়েছেন।

ভাই ও বোনেরা, আমাদের সিদ্ধান্ত, আমাদের কর্মসূচি তখনই স্থায়ীভাবে সফল হতে পাড়ে, যখন অনেক মানুষ স্বেচ্ছায় এর সঙ্গে যুক্ত হন। আমি নিজেদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বলতে পারি যে, গণ-অংশীদারিত্ব থেকে বড় সাফল্যের মন্ত্র কিছুই হতে পারে না।

আমাকে বলা হয়েছে যে, রজত জয়ন্তী সমারোহ উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় মানবাধিকার কমিশন সারা দেশে গণসচেতনতা বৃদ্ধির অনেক অভিযান চালিয়েছে। এতে প্রযুক্তির সাহায্যও নেওয়া হচ্ছে। কিছুক্ষণ আগে এই উপলক্ষে একটি ডাকটিকিট উদ্বোধন করা হ’ল। রাষ্ট্রীয় মানবাধিকার কমিশনের ওয়েবসাইটের নতুন সংস্করণ-ও প্রকাশিত হ’ল। এর ফলে, নিশ্চিতভাবেই যাঁদের সাহায্যের প্রয়োজন, তাঁরা উপকৃত হবেন। আমার পরামর্শ হ’ল – সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও রাষ্ট্রীয় মানবাধিকার কমিশন ব্যাপক প্রচা ও প্রসার করুক। মানবাধিকারের প্রতি সচেতনতা তো অবশ্যই চাই। পাশাপাশি, নাগরিকদের তাঁদের কর্তব্য, তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে স্মরণ করানোও ততটাই জরুরি। যিনি নিজের দায়িত্ব বোঝেন, তিনি অন্যদের অধিকারকে সম্মান করতে জানেন।

আমি জানি, আপনাদের কাছে অনেক অনেক অভিযোগ আসে। এর মধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ থাকে। আপনারা প্রতিটি অভিযোগ যাচাই করে, সেগুলির বিচার করেন। কিন্তু এটা কি সম্ভব যে ক্ষেত্র কিংবা গোষ্ঠী সংশ্লিষ্ট অভিযোগ আসে, তাঁদের সম্পর্কে কি একটি ডেটাবেস তৈরি করে বিস্তারিত অধ্যয়ন করা সম্ভব? আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এমন অনেক সমস্যার সম্মুখীন হবেন, যেগুলির ব্যাপক সমাধান সম্ভব।

সুদূরপ্রসারী উন্নয়নের লক্ষ্য পূরণে আজ সরকারের যত প্রচেষ্টা, সেখানে রাষ্ট্রীয় মানবাধিকার কমিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার সর্বদাই আপনাদের পরামর্শকে স্বাগত জানিয়েছে। দেশের মানুষের জীবনকে উন্নত করতে, তাঁদের অধিকার সুনিশ্চিত করতে সরকার প্রতি মুহূর্তে দায়বদ্ধ। আরেকবার রাষ্ট্রীয় মানবাধিকার কমিশনের রজত জয়ন্তী উপলক্ষে আপনাদের সকলকে অনেক অনেক অভিনন্দনন ও অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। দেশে সৃষ্টিশীল পরিবর্তনের জন্য আমরা সকলে মিলেমিশে কাজ করে এগিয়ে যেতে থাকব।

এই কামনা নিয়ে আপনাদের সকলকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
IIT Delhi tops India in QS Rankings 2027; 52 Indian institutions feature

Media Coverage

IIT Delhi tops India in QS Rankings 2027; 52 Indian institutions feature
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Text of Prime Minister addresses the Indian Community in Paris
June 18, 2026

नमस्ते!

बों जू!

ऐसा लग रहा है, आप सब छुट्टी के मूड में हैं।

साथियों,

ये पेरिस शहर, Lights का शहर है, रंगों का शहर है, यहां Art है, Ideas हैं, और innovation की प्रेरणा भी है। इस शहर को भारत के अलग-अलग राज्यों से आए आप सभी लोग और भी खूबसूरत बना देते हैं। नए नए रंगों से भर देते हैं।

कोई तमिल है, कोई पंजाबी है, कोई गुजराती है, तो कोई मराठी है, और कोई बंगाली है। भारत के हर कोने का प्रतिनिधित्व यहां दिखाई देता है।

साथियों,

मैं जब 14 जून को नीस पहुंचा था तो सबसे पहले भारत इनोवेट्स कार्यक्रम में शामिल हुआ था। आज जब मैं फ्रांस से वापसी की तैयारी में हूं तो लग रहा है जैसे भारत कनेक्ट्स कार्यक्रम में आ गया हूं।

फ्रांस में रहने वाले आप लोगों ने 21वीं सदी के भारत-फ्रांस रिश्तों को जिस तरह कनेक्ट किया है, वो हमारी Strategic Partnership की बहुत बड़ी ताकत बन रही है। मैं आप सभी के लिए भारत से 140 करोड़ देशवासियों की शुभकामनाएं लेकर आया हूं। इस आत्मीय स्वागत के लिए, मैं आप सभी का हृदय से आभार व्यक्त करता हूं।

साथियों,

आज मैं ऐसे समय में फ्रांस आया हूं जब कुछ ही दिन पहले हमारी सरकार के 12 वर्ष पूरे हुए हैं। चुने हुए प्रधानमंत्री के रूप निरंतर 12 साल तक देश की सेवा करना मेरे जीवन का बहुत बड़ा सौभाग्य रहा है। यह भारत के लोकतंत्र की शक्ति है जिसने एक चायवाले को यहां तक पहुंचा दिया।

साथियों,

बीते 12 वर्ष, 140 करोड़ भारतीयों के अद्भुत सामर्थ्य के रहे हैं। 12 साल के इस कालखंड में भारत का GDP दोगुना हुआ है। Airports की संख्या दोगुनी हुई है। Universities की संख्या भी दोगुनी हो गई है। Highway Construction की स्पीड तीन गुना बढ़ गई। और Metro Network, चार गुणा बड़ा हो गया है।

मैं आपको कुछ और फैक्ट्स दूंगा, उससे आप अंदाजा लगा पाएंगे कि भारत किस स्पीड और कितने बड़े स्केल पर काम कर रहा है। पिछले 12 वर्षों में भारत का Defence Export 35 गुणा यानि Thirty Five Times बढ़ गया है।

औऱ एक फैक्ट सुनिए भारत में मोबाइल मैन्यूफैक्टरिंग यूनिट्स में, 100 गुणा की बढ़ोतरी हुई है। 100 times. भारत अब दुनिया का दूसरा सबसे बड़ा mobile phone manufacturer है। इसी गति, इसी प्रगति का नतीजा है कि आज भारत दुनिया की Fastest Growing Major Economy है।

साथियों,

आज भारत की कहानी सिर्फ Economic Progress की कहानी नहीं है। सिर्फ यहाँ अटक नहीं जाती है। ये Social Transformation की भी कहानी है।

पिछले 12 साल में देश में 25 करोड़ लोग गरीबी से बाहर निकले हैं। यानि एक ऐसी प्रगति जिसका लाभ समाज के अंतिम व्यक्ति तक पहुंच रहा है। फ्रांस में जितने घर हैं, उससे भी अधिक पक्के घर बीते 12 वर्ष में हमने जरूरतमंदों के लिए बनाए हैं।

अब हर परिवार के पास, गरीब से गरीब क्यों न हो, Bank Account है। Financial Inclusion एक सरकारी कार्यक्रम नहीं, बल्कि सामाजिक परिवर्तन का अभियान बना है।

साथियों,

इन 12 वर्षों की उपलब्धियों में, एक उपलब्धि ऐसी भी है जिसे किसी आंकड़े से, या अंकों से, नहीं मापा जा सकता। वह है 140 करोड़ भारतीयों का आत्मविश्वास।

आज का भारत और आज के भारत का युवा बहुत बड़े सपने देख रहा है। भारत का किसान नई संभावनाओं के साथ आगे बढ़ रहा है। भारत की महिलाएं नए नेतृत्व का परिचय दे रही हैं। इसलिए ये सिर्फ Achievements के 12 साल नहीं हैं, ये भारत की एस्पिरेशन्स को नई बुलंदी देने का कालखंड रहा है।

साथियों,

एक समय था जब दूर-दराज के गांवों तक आधुनिक सुविधाएं पहुंचाना वाकई बहुत मुश्किल भरा था। आज उन्हीं गांवों में बिजली भी है, इंटरनेट भी है, और डिजिटल सेवाओं की पूरी दुनिया भी है। आज एक क्लिक पर, कभी भी, कहीं भी बैंकिंग सेवाएं उपलब्ध हैं।

आज मोबाइल फोन, भारत के नागरिकों को अनेक सुविधाओं से कनेक्ट कर रहा है। हमारे किसान, हमारे मछुआरे, हमारे dairy farmers, हमारी महिलाएं, हमारे स्टूडेंट्स, सभी टेक्नोलॉजी के माध्यम से सशक्त हो रहे हैं, और अपने लिए नए अवसर बना रहे हैं।

साथियों,

आपने 125 करोड़ से अधिक Aadhaar IDs के बारे में सुना है। लेकिन आज भारत सिर्फ पहचान को डिजिटल नहीं बना रहा। आज करीब 90 करोड़ भारतीयों की Unique Digital Health IDs बनाई जा चुकी हैं। जिससे मेडिकल रिकॉर्ड सुरक्षित और accessible बन गए हैं। इससे हेल्थकेयर डिलीवरी और अधिक आसान और efficient हो रही है।

साथियों,

इन उपलब्धियों की सबसे बड़ी विशेषता यह है कि इनमें से अधिकांश चीजें कुछ वर्ष पहले तक कल्पना जैसी लगती थीं। कौन सोच सकता था कि गांव-गांव तक हाई-स्पीड इंटरनेट पहुंचेगा ? कौन सोच सकता था कि दूर-सुदूर के गांवों में भी QR code जीवन का हिस्सा बन जायेगा ? गांव में कोई बहन, ड्रोन से खेती करने में मदद करेगी, ये भी असंभव लगता था।

लेकिन आज यह सब, भारत के करोड़ों लोगों के जीवन का सामान्य हिस्सा बनता जा रहा है। और आपको गर्व होगा साथियों, यही नए भारत की पहचान है।

जो कभी सपना था, वह आज सच्चाई है। जो कभी नामुमकिन लगता था, वो आज मुमकिन हुआ है, औऱ ये करने के पीछे सबसे बड़ी ताकत क्या है? किसकी वजह से ये सब संभव हुआ है? यह मोदी के कारण नहीं, वो ताकत है- भारत का लोकतंत्र, भारत की डेमोक्रेसी। इस डेमोक्रेसी में सबका साथ है, सबका विकास है।

साथियों,

आज से 50 या 100 साल बाद जब भारत के इस कालखंड की समीक्षा होगी, तो ये बात उभरकर सामने आएगी कि इस कालखंड को भारत की Aspirations ने ड्राइव किया। यह भारत के एस्पिरेशन्स का नया युग है।

जहां बिजली पहुंची है, वहां लोग सिर्फ बिजली नहीं चाहते, वे Smart Living चाहते हैं। जहां ट्रेन पहुंची है, वहां लोग High-Speed Connectivity चाहते हैं। जहां हाईवे बने हैं, वहां लोग World-Class Expressways चाहते हैं। जहां इंटरनेट पहुंचा है, वहां लोग AI और Digital Innovation में नेतृत्व चाहते हैं।

यानि आज भारत के लोग अपने जीवन को भी Next Level पर ले जाना चाहते हैं, और भारत को भी Next Level पर ले जाना उनका मकसद है, उनका संकल्प है, उनके सपने है।

और साथियों,

यही Aspirations आज भारत की विकास यात्रा की सबसे बड़ी शक्ति हैं। मैं आपको भारत की Space Journey का उदाहरण दूंगा।

भारत ने चंद्रयान को चंद्रमा के South Pole पर उतारा। दुनिया ने इसे एक बहुत बड़ी उपलब्धि माना। लेकिन भारत इसे अपनी मंजिल मानकर रुका नहीं। आज देश गगनयान की तैयारी कर रहा है। भारत अंतरिक्ष में अपना Space Station बनाने की दिशा में आगे बढ़ रहा है।

हमारे Space Startups Global Space Economy में अपनी जगह बनाने के लिए पुरजोश काम कर रहे हैं, आगे बढ़ रहे हैं।

साथियों,

Green Energy के क्षेत्र में भी भारत की यही एस्पिरेशंस दिखाई देती है। Solar Power में भारत की उपलब्धियों की दुनिया भर में लगातार चर्चा हो रही हैं। लेकिन भारत अगली छलांग की तैयारी कर रहा है।

Green Hydrogen में बड़े निवेश हो रहे हैं। Advanced Nuclear Energy पर तेजी से काम हो रहा है। आपने भारत के Fast Breeder nuclear Reactor से जुड़ी प्रोग्रेस के बारे में भी सुना ज़रूर होगा। ये भारत के न्यूक्लियर एनर्जी लैंडस्केप में क्रांतिकारी परिवर्तन करने का बहुत बड़ा अचीवमेंट हमारे सीसेन्टिस्टों ने किया है।

साथियों,

आज का भारत भविष्य का पूरा Ecosystem बना रहा है। भारत एक साथ हर उस क्षेत्र में निवेश कर रहा है, जो आने वाले दशकों की दिशा तय करेगा।

अभी आपने कुछ दिन पहले ही देखा है नीस में भारत इनोवेट्स का एक आयोजन किया। ये इवेंट भारत के डीप टेक सामर्थ्य को दुनिया तक पहुंचाने का एक और माध्यम था। इसमें भारत के 120 Deep-Tech Startups उपस्थित थे। Bharat Innovates में करीब एक हजार चार सौ B2B Meetings हुईं है। कई Startups के लिए Investment Commitments आगे बढ़ीं, Commercial Orders के लिए रास्ते खुले। French और European Universities तथा Incubators के साथ Engagements बढ़ रही हैं।

Student Exchanges, Joint Research, और Innovation Support के नए रास्ते बने। इसलिए Bharat Innovates सिर्फ एक Summit नहीं रहा। यह Innovation Diplomacy का एक नया मॉडल बना है।

और आज ही पेरिस में VivaTech इवेंट के जरिए, इस यात्रा को हमने और आगे बढ़ाया। नीस में हमने Ideas को Capital से जोड़ा और पेरिस में Indian Innovation को Global Scale से जोड़ा। आज दुनिया देख रही है भारत केवल भविष्य के लिए तैयार नहीं हो रहा है। भारत भविष्य को आकार दे रहा है।

साथियों,

एक समय था, जब देशों के बीच रिश्ते केवल व्यापार से तय होते थे। आज व्यापार के साथ-साथ Trust यानि भरोसा भी उतना ही महत्वपूर्ण हो गया है।

हर देश Reliable Supply Chains चाहता है। हर देश Stable Partnerships चाहता है। हर देश ऐसे साथियों की तलाश में है, जिन पर लंबे समय तक भरोसा किया जा सके। और ऐसे समय में, भारत विश्व में एक Trusted Partner के रूप में उभर रहा है।

एवियां में G7 बैठक के दौरान मैंने trust based partnerships बनाने पर ज़ोर दिया। ग्लोबल साउथ के देशों के साथ equal पार्टनर्स के रूप में आगे बढ़ने का आह्वान किया। भारत का G7 समिट में संदेश था Global Governance तभी प्रभावी होगी जब वह Inclusive होगी। Global Growth तभी Sustainable होगी जब वह शेयर्ड होगी। और Global Technology तभी मानवता के लिए उपयोगी होगी जब वह Trusted होगी।

साथियों,

भारत और दुनिया के बीच व्यापारिक रिश्तों में नई ऊर्जा नज़र आ रही है। फ्रांस के साथ भारत का ट्रेड लगतार बढ़ रहा है। पिछले कुछ वर्षों में भारत ने दुनिया के अनेक देशों के साथ Free Trade Agreements किए हैं। यूरोपियन यूनियन हो, यूनाइटेड किंगडम हो दुनिया के हर देश, हर रीजन के साथ भारत समझौते कर रहा है।

अगले महीने से भारत और UK के बीच ट्रेड एग्रीमेंट भी लागू हो जाएगा। यह एग्रीमेंट भारत के farmers, workers और innovators को अनेक नए अवसर प्रदान करेगा।

साथियों,

आज दुनिया Uncertainty और Disruption के दौर से गुजर रही है। ऐसे समय में भारत और फ्रांस की साझेदारी विश्वास, स्थिरता और सहयोग का एक मजबूत स्तंभ बन रहा है।

इस वर्ष हमने भारत और फ्रांस के संबंधों को Special Global Strategic Partnership का दर्जा दिया था। नीस में मेरे मित्र President Macron और मैंने हमारे संबंधों को force for global good बनाने पर चर्चा की। Defence से लेकर space और नुक्लियर तक AI और क्रिटीकल मिनरल्स से लेकर high speed railway तक, हर क्षेत्र में हम मिलकर आगे बढ़ेंगे।

साथियों,

Solar energy हो, या AI के क्षेत्र में सहयोग हो, भारत और फ्रांस मिलकर ऐसे समाधान विकसित कर रहे हैं जो पूरी मानवता के हित में हैं। पिछले वर्ष पेरिस में और इस वर्ष दिल्ली में हमने AI Summit को Co-chair किया।

अब हम साथ मिलकर अगले वर्ष “तृष्णा” satellite को लॉन्च करने जा रहें हैं। यह “तृष्णा” satellite जो विश्व में फूड और वाटर सिक्युरिटी सुनिश्चित करने में योगदान देगा।

और साथियों,

यह सभी गवर्नमेंट टू गवर्नमेंट पहलो में आप सभी का योगदान बहुत महत्वपूर्ण है। ये आप हैं जो भारत और यूरोप के बीच सबसे मजबूत सेतु हैं। आप दोनों समाजों को समझते हैं। दोनों बाजारों को समझते हैं। आने वाले समय में Talent, Trade, Technology, Tourism और Investment के नए अवसरों को आगे बढ़ाने में आपकी भूमिका लगातार बढ़ने वाली हैं।

साथियों,

भारत और फ्रांस के रिश्तों को साझा इतिहास, साझा मूल्यों और साझा विश्वास ने आगे बढ़ाया है। विश्व युद्धों के दौरान फ्रांस की धरती पर बलिदान देने वाले भारतीय सैनिकों की स्मृतियां आज भी हमें जोड़ती हैं।

मुझे पहले नव शापेल में श्रद्धांजलि देने का अवसर मिला, पिछले वर्ष प्रेसिडेंट मैक्रों के साथ मार्सेय के वॉर मेमोरियल जाने का अवसर भी मिला। ये हमारी साझा विरासत है।

फ्रांस, भारतीयों के योगदान को संजोता भी है और सराहता भी है। भारतीय मूल की नूर इनायत खान हों, जिन्होंने फ्रांस की Resistance के लिए अपना जीवन बलिदान किया, या महाराजा रणजीत सिंह के साथ काम करने वाले जनरल जां फ्रांस्वा अलार हों ये सभी भारत और फ्रांस की साझा विरासत के प्रतीक हैं।

भारत के राज्य पुडुचेरी में भी फ्रेंच विरासत की झलक दिखाई देती है। वहां का Architecture, वहां की कला-संस्कृति और खान-पान सभी में हमारे संबंधों की महेक है।

साथियों,

इस समय फ्रांस समेत पूरी दुनिया में International Yoga Day की तैयारी भी चल रही है। इस अवसर पर मैं, फ्रांस में योग को आगे बढ़ाने वाले श्रीमान महेश घाट्राड्याल जी को भी आदरपूर्वक श्रद्धांजलि देता हूं। मैं पद्म पुरस्कार से सम्मानित, शार्लोत शोपां जी को भी प्रणाम करता हूं। जिन्होंने सौ वर्ष की आयु में भी, योग के माध्यम से फ़्रांस को भारत की विरासत से जोड़ा है। उनका जीवन यह सिद्ध करता है: Yoga does not add years to life, it adds life to years.

साथियों,

मैं फ्रेद नेग्री जी को भी आदरपूर्वक श्रद्धापूर्वक याद करता हूं। भारतीय विरासत को संरक्षित करने में उनका योगदान अतुल्य रहा है।

साथियों,

भारत और फ्रांस को कनेक्ट करने वाली एक और चीज है, और वो है फुटबॉल। इस वक्त यहां फुटबॉल फीवर पूरे जोर पर है। फ्रांस में इसकी दीवानगी, चप्पे-चप्पे पर दिखती है। लेकिन भारत में भी फुटबॉल का क्रेज़ सिर चढ़कर बोलता है।

खासतौर पर फ्रांस की टीम के फैन्स भारत में बहुत अधिक हैं। फ़्रांस ने इस वर्ल्ड कप की शुरुआत एक जोरदार जीत से शुरू की है। मैं फ्रांस की टीम को बहुत-बहुत शुभकामनाएं देता हूं।

साथियों,

जाने से पहले, आप सभी के लिए कुछ और अच्छी खबरें भी लेकर के आया हूँ। वो आपके लिए हैं। पिछले वर्ष, मार्सेय में कॉन्सुलेट खोला गया, इससे काफी अधिक सुविधा मिल रही है। कुछ हफ्ते पहले, Indian Nationals के लिए French Airports पर Visa-free Transit की व्यवस्था शुरू हो गई है।

Students और Professionals की Mobility बढ़ाना हो, या Educational Qualifications की Mutual Recognition की बात हो, या फिर French Universities के भारत में Campus खोलना हो, इन सभी पर हम मिलकर आगे बढ़ रहें हैं।

अब फ्रांस में UPI के उपयोग का दायरा भी और बढ़ने जा रहा है। यानि भारत-फ्रांस कनेक्ट भी Instant और आपसी Payment भी Instant!

साथियों,

इन सभी पहलों से, हम भारत और फ़्रांस को और करीब ला रहें हैं। और मैं फिर कहूंगा इस साझेदारी की नींव, इस रिश्ते की असली ताकत आप सभी हैं। आप सब मेरे देशवासी हैं।

आज जब भारत तेज़ी से विकसित भारत के लक्ष्य की ओर बढ़ रहा है, तो मैं आप सभी से भारत के साथ और गहराई से जुडने का आग्रह करूंगा। इससे भारत की विकास यात्रा को नई शक्ति मिलेगी, और आपको अपनी पुरखों की धरती की सेवा करने का अवसर भी मिलेगा।

इन्हीं शब्दों के साथ आप सभी के प्रेम आपके उत्साह और इस आत्मीय स्वागत के लिए मैं एक बार फिर आप सभी का आभार व्यक्त करता हूं।

भारत माता की जय!

बहुत बहुत धन्यवाद।