আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প থেকে আসামে ১.২৫ কোটি মানুষ উপকৃত : প্রধানমন্ত্রী
ভারতীয় চা –এর সুনাম নষ্ট করার চক্রান্ত সফল হবে না : প্রধানমন্ত্রী
অসম মালা প্রকল্পের মাধ্যমে আসামের মানুষের স্বপ্ন পূরণ হবে, সব গ্রামের মধ্যে যোগাযোগ ও চওড়া রাস্তার পরিকাঠামো গড়ে উঠবে : প্রধানমন্ত্রী

ভারত মাতার জয়!
ভারত মাতার জয়!
ভারত মাতার জয়!

অসমের জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী, শ্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালজি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আমার সহকর্মী, শ্রী রামেশ্বর তেলিজি, অসম সরকারের মন্ত্রী শ্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মাজি, শ্রী অতুল বোরাজি, শ্রী কেশব মহন্তজি, শ্রী রণজিৎ দত্তজি, বোড়োল্যান্ড টেরিটোরিয়াল রিজনের প্রধান শ্রী প্রমোদ বোরোজি, অন্যান্য সমস্ত সংসদরা, বিধায়কগণ এবং আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা।

"মোর ভাই বহিন সব, তাহনিদের কী খবর, ভাল তো? খুলম্বায়। নোন্থা মনহা মাবোরৈ দং?"


গত মাসে আমি সমাজের দরিদ্র, পীড়িত, শোষিত, বঞ্চিত মানুষদের জমির পাট্টা বিলি কর্মসূচির অংশ হিসেবে অসমে আসার সৌভাগ্য হয়েছিল। তখন আমি বলেছিলাম যে অসমের মানুষের স্নেহ এবং ভালবাসা এত গভীর, যে তা আমাকে বারবার অসমে নিয়ে আসে। এখন আবার আমি আপনাদের সকলকে প্রণাম জানাতে এসেছি। আমি আপনাদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। গতকাল আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখেছি, যে ঢেকিয়াজুলিকে কতটা সুন্দর করে সাজানো হয়েছে, তারপর সেটা আমি টুইটও করেছিলাম। আপনারা কত প্রদীপ জ্বালিয়ে ছিলেন। আমি এই আত্মীয়তার জন্য অসমের মানুষের চরণে প্রণাম জানাই। আমি অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দজি, হেমন্তজি, রঞ্জিত দত্তজি, সরকার এবং বিজেপির সংগঠনের সকল সদস্যের প্রশংসা জানাই। তাঁরা সকলে অসমের উন্নয়নে, অসমের সেবায় এত দ্রুত গতিতে কাজ করছেন যে আমি মাঝেমাঝেই এখানে উন্নয়নমূলক অনুষ্ঠানে আসার সুযোগ পাচ্ছি। আমার জন্য আজকের দিনটা খূব বিশেষ! আজ আমি সোনিতপুর- ঢেকিয়াজুলির এই পবিত্র ভূমিকে প্রণাম করার সুযোগ পেয়েছি। এটা সেই ভূমি, যেখানে রুদ্রপদ মন্দিরের কাছে অসমের শতাব্দী প্রাচীন ইতিহাস আমরা জানতে পেরেছিলাম।

এটা সেই একই ভূমি যেখানে অসমের মানুষ আক্রমণকারীদের পরাজিত করেছিল, তাদের ঐক্য, তাদের শক্তি, তাদের বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিল। ১৯৪২ সালে, এই ভূমিতেই অসমের স্বাধীনতা সংগ্রামীরা দেশের স্বাধীনতার জন্য, দেশের পতাকার সম্মান জানাতে নিজেদের বলিদান করেছিলেন। এই শহীদদের বীরত্বের স্মরণে ভূপেন হাজারিকা বলেছিলেন-
" ভারত সিংহ আজি জাগ্রত হয়।
প্রতি রক্ত ​​বিন্দুতে,
হহস্র শহীদর
হাহত প্রতিজ্ঞাও উজ্জ্বল হয়"

অর্থাৎ ভারতের সিংহরা আজ জেগে উঠেছে। এই শহীদদের রক্তের এক ফোঁটা, তাঁদের সাহস আমাদের সংকল্পকে শক্তিশালী করে। তাই শহীদদের বীরত্বের সাক্ষী সোনিতপুরের এই ভূমি, অসমের এই অতীত, বারবার আমার মনকে অসমীয়া গৌরবে ভরে তুলছে।

বন্ধুগণ,
আমরা সবসময় শুনেছি, আমরা দেখেছি যে দেশের প্রথম ভোর পূর্বোত্তর থেকেই হয়। তবে এটাও সত্যি যে অসম এবং পূর্বোত্তরকে উন্নয়নের ভোরের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। হিংসা, বঞ্চনা, বৈষম্য, পক্ষপাতিত্ব, বিরোধ, এই সমস্ত বিষয়কে পিছনে ফেলে এখন গোটা পূর্বোত্তর উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে। এবং অসম এর মধ্যে প্রধান ভূমিকা পালন করছে। ঐতিহাসিক বোড়ো শান্তি চুক্তির পর সম্প্রতি বোড়োল্যান্ড টেরিটোরিয়াল কাউন্সিলের নির্বাচন এখানে উন্নয়ন এবং আস্থার একটি নতুন অধ্যায় লিখেছে। আজকের দিনটিও অসমের ভাগ্য এবং অসমের ভবিষ্যতের পথে এই বড় পরিবর্তনের সাক্ষী। আজ একদিকে অসম বিশ্বনাথ ও চরৈদেবে দুটি মেডিকেল কলেজ উপহার পাচ্ছে, অন্যদিকে, 'অসম মালা'র' মাধ্যমে আধুনিক পরিকাঠামোর ভিত্তি স্থাপনও করা হয়েছে।

"অখমর বিকাখর যাত্রাত আজি এক উল্লেখযোগ্য দিন। এই বিখেখ দিনোটোত ময় অখমবাখিক আন্তরিক অভিনন্দন জনাইছু"।

বন্ধুগণ,
সম্মিলিত চেষ্টা থেকে, সম্মিলিত ইচ্ছা থেকে কীভাবে ফলাফল আসে অসম তার একটি বড় উদাহরণ। আপনাদের পাঁচ বছর আগের সেই সময়ের কথা মনে আছে হয়তো, যখন অসমের বেশিরভাগ প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভাল হাসপাতাল শুধুই স্বপ্ন ছিল। ভাল হাসপাতাল, ভাল চিকিৎসার মানে ঘন্টার পর ঘণ্টা যাত্রা, ঘন্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা এবং অগুনতি অসুবিধা! অসমের মানুষ আমাকে বলেছেন যে তাঁরা সর্বদা উদ্বিগ্ন থাকতেন যে কোনও এমারজেন্সি না চলে আসে! কিন্তু এই সমস্যাগুলি এখন দ্রুত সমাধানের দিকে এগিয়ে চলেছে। আপনারা সহজেই এই পার্থক্যটি দেখতে পারেন, অনুভব করতে পারেন। স্বাধীনতার পর থেকে ৭ দশকে, অর্থাৎ ২০১৬ পর্যন্ত অসমে মাত্র ৬টি মেডিকেল কলেজ ছিল। তবে এই ৫ বছরে অসমে এরইমধ্যে আরও ৬ টি মেডিকেল কলেজ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। আজ, উত্তর অসম এবং আপার অসমের প্রয়োজনের কথা ভেবে বিশ্বনাথ এবং চরৈদেবে আরও দুটি মেডিকেল কলেজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। এই মেডিকেল কলেজগুলি নিজেরাই আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার কেন্দ্র হয়ে উঠবে এবং আগামী কয়েক বছরেই আমার কয়েক হাজার যুবক এখান থেকে ডাক্তার হয়ে বেরোবে। আপনি দেখুন, ২০১৬ পর্যন্ত অসমে মোট সোয়া সাতশো এমবিবিএসের আসন ছিল। তবে এই নতুন মেডিকেল কলেজগুলি শুরু হলেই অসম প্রতি বছর ১৬০০ জন নতুন এমবিবিএস ডাক্তার পাবে। এবং আমার আরও একটা স্বপ্ন আছে। এটা একটু সাহসী স্বপ্ন মনে হতে পারে, তবে আমার দেশের গ্রামে আমার দেশের দরিদ্রদের ঘরে প্রতিভার কোনও ঘাটতি নেই। তারা সুযোগ পায় না। স্বাধীন ভারত এখন যখন ৭৫ এ পা দিচ্ছে। তো আমার একটা স্বপ্ন রয়েছে। প্রতিটি রাজ্যে কমপক্ষে একটি মেডিকেল কলেজ, কমপক্ষে একটি টেকনিক্যাল কলেজ, মাতৃভাষায় পড়ানো শুরু করুক। কেউ কি অসমিয়া ভাষায় পড়াশুনা করে ভালো ডাক্তার হতে পারে না? স্বাধীনতার ৭৫ বছর হতে চলেছে এবং নির্বাচনের পরে যখন অসমে নতুন সরকার গঠন হবে, আমি আপনাদের এখানে অসমের মানুষের পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। আমরা অসমেও স্থানীয় ভাষায় একটি মেডিকেল কলেজ চালু করব। স্থানীয় ভাষায় একটি টেকনিক্যাল কলেজ শুরু করা হবে। এবং ধীরে ধীরে এর সংখ্যা বাড়বে। কেউ তাকে থামাতে পারবে না। এই ডাক্তাররা অসমের বিভিন্ন অঞ্চলে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে পরিষেবা দেবেন। এরফলে চিকিৎসা করতেও সুবিধা হবে, মানুষদের চিকিৎসার জন্য খুব বেশি দূর যেতে হবে না।

বন্ধুগণ,
আজ, গুয়াহাটিতে এইমসের কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এর কাজও আগামী দেড়-দু বছরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। এইমসের বর্তমান ক্যাম্পাসে এমবিবিএসের প্রথম ব্যাচ এই একাডেমিক সেশন থেকে শুরুও হয়ে গিয়েছে। যেই আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এর নতুন ক্যাম্পাস তৈরি হয়ে যাবে, আপনারা দেখবেন গুয়াহাটি আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। এইমস গুয়াহাটি কেবল অসমেই নয়, গোটা পূর্বোত্তর পূর্বোত্তরের জীবনেও বড় পরিবর্তন আনতে চলেছে। আজ, যখন আমি এইমস সম্পর্কে বলছি, আমি আপনাদের একটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে চাই। দেশের পূর্ববর্তী সরকারগুলি কেন বুঝতে পারল না যে গুয়াহাটিতে এইমস তৈরি হলে, আপনারা কতটা উপকৃত হবেন। এরা পূর্বোত্তর থেকে এত দূরে ছিলেন যে এরা কখনই আপনাদের সমস্যাগুলো বুঝতে পারেনি।

বন্ধুগণ,
আজ, কেন্দ্র সরকার অসমের উন্নয়নের জন্য সম্পূর্ণ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছে। অসমও দেশের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে। আয়ুষ্মান ভারত যোজনা হোক, জন ঔষধি কেন্দ্র হোক, বা প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ডায়ালাইসিস প্রোগ্রাম হোক, স্বাস্থ্য ও সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র হোক, সাধারণ মানুষের জীবনে যে পরিবর্তন আজ সারা ভারত দেখতে পাচ্ছে, সেই পরিবর্তন, একই সংশোধন অসমেও দেখা যাচ্ছে। আজ, প্রায় ১.২৫ কোটি দরিদ্র মানুষ আসমে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। আমাকে জানানো হয়েছে যে অসমের ৩৫০ এরও বেশি হাসপাতাল এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এত অল্প সময়ে, অসমের দেড় লক্ষ দরিদ্র মানুষ আয়ুষ্মান ভারতের অধীনে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেয়েছেন। এই সমস্ত প্রকল্পগুলির মাধ্যমে অসমের দরিদ্র মানুষদের কয়েক হাজার কোটি টাকা চিকিৎসায় খরচ হওয়া থেকে বেঁচে গিয়েছে। গরিবদের টাকা বেঁচে গেছে। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের পাশাপাশি অসম সরকারের 'অটল অমৃত অভিযান' থেকেও মানুষেরা উপকৃত হচ্ছেন। এই প্রকল্পের আওতায় দরিদ্রদের পাশাপাশি সাধারণ শ্রেণির নাগরিকদেরও খুব কম কিস্তিতে স্বাস্থ্য বীমার সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি, অসমের প্রতিটি কোণে স্বাস্থ্য ও সুস্থতা কেন্দ্র চালু করা হচ্ছে, যা দরিদ্রদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছে। আমাকে বলা হয়েছে যে এখনও পর্যন্ত এই কেন্দ্রগুলিতে অসমের ৫৫ লক্ষেরও বেশি ভাইবোন প্রাথমিক চিকিৎসা পেয়েছেন।

বন্ধুগণ,
করোনার সময়ে স্বাস্থ্যসেবার সংবেদনশীলতা এবং আধুনিক সুবিধাগুলির গুরুত্ব দেশ ভালোভাবে বুঝতে পেরেছে। যেভাবে দেশ করোনা অতিমারির বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, যেভাবে ভারত নিজের টিকাকরণ অভিযান চালাচ্ছে, তার প্রসংশা সারা বিশ্ব করছে। করোনার থেকে শিক্ষা নিয়ে, দেশ প্রত্যেক দেশবাসীর জীবনকে আরও নিরাপদ ও সহজ করতে আরও দ্রুতগতিতে কাজ শুরু করেছে। আপনি এবারের বাজেটেও এর ঝলক আপনারা দেখেছেন। এবারের বাজেটে স্বাস্থ্যের ব্যয়ে অভূতপূর্ব বৃদ্ধি করা হয়েছে। সরকার আরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে দেশে ৬০০ টিরও বেশি জেলায় ইন্টিগ্রেটেড ল্যাব তৈরি করা হবে। ছোট শহর এবং গ্রামগুলির মানুষ, যাঁদের চিকিৎসা এবং পরীক্ষার জন্য অনেকদূর যেতে হয় তাঁরা এরফলে উপকৃত হবেন।

বন্ধুগণ,
অসমের চা বাগানগুলো অসমের সমৃদ্ধির, এখানকার অগ্রগতির একটি প্রধান কেন্দ্র। সোনিতপুরের লাল চা তো এমনই তার অভিন্ন স্বাদের জন্য পরিচিত। সোনিতপুর ও অসমের চায়ের স্বাদ কতটা বিশেষ, সেটা আমার থেকে কে জানবে? সে কারণেই আমি সবসময় অসমের চা শ্রমিকদের অগ্রগতির সঙ্গে গোটা অসমের উন্নতির সঙ্গে মিলিয়ে দেখি। আমি আনন্দিত যে অসম সরকার এই দিকে অনেক ইতিবাচক প্রচেষ্টা করছে। গতকালই অসম 'চাহ উদ্যান ধন পুরস্কার মেলা' প্রকল্পের আওতায় অসমের সাড়ে সাত লক্ষ চা বাগান শ্রমিকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা সরাসরি পাঠানো হয়েছে। চা বাগানে কর্মরত গর্ভবতী মহিলাদের একটি বিশেষ প্রকল্পের আওতায় সরাসরি সহায়তা করা হচ্ছে, চা শ্রমিক এবং তাদের পরিবারের স্বাস্থ্যসেবার জন্য, পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ইউনিট চা বাগানে পাঠানো হচ্ছে, বিনামূল্যে ওষুধও দেওয়া হচ্ছে। অসম সরকারের এই প্রয়াসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে, এবার চা বাগানে কর্মরত আমাদের ভাই-বোনদের জন্য এবারের বাজেটেও আমাদের ভাই-বোনদের জন্য এক হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ প্রকল্প ঘোষণা করা হয়েছে। চা শ্রমিকের জন্য এক হাজার কোটি টাকা। এই অর্থ আপনার সুবিধাগুলোর বিস্তার করবে, আমাদের চা শ্রমিকদের জীবনকে আরও সহজ করে দেবে।

বন্ধুগণ,
আজ যখন আমি অসমের চা শ্রমিকদের কথা বলছি, তখন আমি আজকাল দেশের বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র চলছে তার বিষয়েও কথা বলতে চাই। আজ দেশকে বদনাম করতে ষড়যন্ত্রের অপরাধীরা এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে যে তারা ভারতের চা-কেও ছাড়ছে না। আপনি নিশ্চয়ই খবরে শুনেছেন, এই চক্রান্তকারীরা বলছে যে ভারতীয় চায়ের ছবি মলিন করতে হবে, পরিকল্পনা করে। কিছু নথি প্রকাশিত হয়েছে যা থেকে জানা গিয়েছে যে বিদেশে বসে থাকা কিছু শক্তি ভারতীয় চায়ের যে পরিচিতি রয়েছে, তার ওপর আক্রমণ করার চেষ্টায় রয়েছে। আপনি কি এই আক্রমণকে গ্রহণ করছেন? এই আক্রমণের পরেও যাঁরা চুপ করে থাকে তাঁদের আপনারা গ্রহণ করবেন? যাঁরা আক্রমণকারীদের প্রশংসা করেছেন, তাঁদের আপনারা গ্রহণ করবেন? প্রত্যেককেই উত্তর দিতে হবে। যাঁরা ভারতের চা বদনাম করার প্রতিশ্রুতি নিয়েছেন। এবং যারা এখানে চুপ করে বসে আছেন সেসমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে প্রতিটি চা বাগান উত্তর চাইবে। ভারতে চা পান করা প্রত্যেক ব্যক্তি এর উত্তর চাইবে। আমি অসমের ভূমি থেকে এই ষড়যন্ত্রকারীদের বলতে চাই, তারা যত ইচ্ছা ষড়যন্ত্র করে নিক, দেশ তাদের ঘৃণ্য পরিকল্পনা সফল হতে দেবে না। আমার চা কর্মীরা এই যুদ্ধে জিতবে। ভারতীয় চায়ের ওপর যে আক্রমণগুলো হচ্ছে তাতে তেমন শক্তি নেই, যা আমাদের চা বাগানের শ্রমিকদের কঠোর পরিশ্রমের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা করতে পারে। দেশ এভাবেই উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে অগ্রসর হতে থাকবে। অসম একইভাবে উন্নয়নের নতুন উচ্চতা স্পর্শ করবে। অসমের উন্নয়নের এই চাকা এরকমই দ্রুতগতিতে ঘুরতে থাকবে।

বন্ধুগণ,
আজ, যখন অসমের প্রতি অঞ্চলে এত বেশি কাজ করা হচ্ছে, প্রতিটি শ্রেণি এবং প্রত্যেক অঞ্চলের উন্নয়ন হচ্ছে, তখন অসমের শক্তি বৃদ্ধি করাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অসমের শক্তি বাড়াতে এখানকার আধুনিক রাস্তা ও পরিকাঠামোর বড় ভূমিকা রয়েছে। এটা মাথায় রেখেই, আজ ভারত মালা প্রকল্পের আদলে অসমের জন্য 'অসম মালা' শুরু করা হয়েছে। আগামী ১৫ বছরের মধ্যে অসমের প্রশস্ত মহাসড়কের নেটওয়ার্ক তৈরি, এখানকার সমস্ত গ্রামকে প্রধান সড়কের সঙ্গে যুক্ত করা, এখানকার রাস্তাগুলি দেশের বড় বড় শহরের মতো আধুনিক হওয়া, অসম মালা প্রকল্পটি আপনাদের স্বপ্ন পূরণ করবে , আপনাদের শক্তি বৃদ্ধি করবে। গত কয়েক বছরের মধ্যেই অসমে কয়েক হাজার কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হয়েছে, নতুন-নতুন সেতু তৈরি হয়েছে। আজ ভূপেন হাজারিকা সেতু ও সরাইঘাট সেতু আধুনিক অসমের পরিচয়ের অংশ হয়ে উঠছে।আগামী দিনে এই কাজ আরও দ্রুত হতে চলেছে। উন্নয়ন এবং অগ্রগতির গতি বাড়াতে, এবার বাজেটের পরিকাঠামো খাতে নজিরবিহীন জোর দেওয়া হয়েছে। একদিকে, আধুনিক পরিকাঠামোগত কাজ এবং অন্যদিকে 'অসম মালা'র মতো প্রকল্পগুলির মাধ্যমে যোগাযোগ বাড়ানোর কাজ, আপনি কল্পনা করতে পারেন, অসমে আসন্ন দিনগুলিতে কত কাজ হতে চলেছে, এবং এরফলে কত যুবকের কর্মসংস্থান হবে। এবার মহাসড়কগুলো আরও উন্নত হবে, যোগাযোগ আরও ভাল হবে, তখন বাণিজ্য ও শিল্পও বৃদ্ধি পাবে, পর্যটনও বাড়বে। এরফলেও আমাদের যুবকদের কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে, অসমের উন্নয়ন নতুন গতি পাবে।

বন্ধুগণ,
অসমের বিখ্যাত কবি রূপকুঁওর জ্যোতি প্রসাদ আগরওয়ালের লাইনগুলি হ'ল-

আমার নতুন ভারত,
নতুন চিত্র,
জাগলো রে,
জাগলো রে,


আজ, এই লাইনগুলি অনুভব করে, আমাদের নতুন ভারতকে জাগ্রত করতে হবে। এই নতুন ভারত স্বনির্ভর ভারত হবে, এই নতুন ভারত অসমকে উন্নয়নের এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এই শুভেচ্ছার সঙ্গে, আপনাদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ! অনেক অনেক অভিনন্দন। আমার সঙ্গে দুই মুঠো করে পুরো শক্তি দিয়ে বলুন, ভারত মাতার জয়। ভারত মাতার জয়। ভারত মাতার জয়। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India stands tall in shaky world economy as Fitch lifts FY26 growth view to 7.5%

Media Coverage

India stands tall in shaky world economy as Fitch lifts FY26 growth view to 7.5%
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Barak Valley will become a major logistics and trade hub for the North East: PM Modi in Silchar, Assam
March 14, 2026
Today, North-East India is the center of India’s Act East Policy; It is becoming a bridge that connects India with South-East Asia: PM
The farmers of Barak Valley and tea garden workers have made a significant contribution to Assam’s development; the Government is continuously working for farmers’ welfare: PM
We consider border villages as the nation’s first villages; the next phase of the Vibrant Village Programme was launched from Cachar district to boost development in several Barak Valley villages as well: PM

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

प्रानोप्रिय बोराक उपत्यकार, सम्मानित नागरिकवृंद, आपनादेर शोबाई के आमार प्रोणाम जानाई।

राज्य के लोकप्रिय मुख्यमंत्री हिमंता बिस्वा सरमा जी, केंद्रीय मंत्रिमंडल में मेरे साथी सर्बानंद सोनोवाल जी, उपस्थित राज्य सरकार के मंत्रीगण, जनप्रतिनिधिगण और मेरे प्यारे भाईयों और बहनों।

संस्कृति, साहस और जीवंतता से भरपूर बराक वैली के आप सभी परिवारजनों के बीच आना बहुत विशेष अनुभव रहता है। सिलचर को तो बराक घाटी का गेटवे कहा जाता है। ये वो जगह है जहां इतिहास, भाषा, संस्कृति और उद्यम ने मिलकर अपनी एक विशेष पहचान बनाई है। यहां बांग्ला बोली जाती है, असमिया की गूँज सुनाई देती है और अन्य जनजातीय परंपराएं भी फुलती-फलती हैं। यहां इतनी विविधता को अपनी ताकत बनाकर आप सभी भाईचारे के साथ, सद्भाव के साथ, इस पूरे क्षेत्र का विकास कर रहे हैं। ये बराक वैली का बहुत बड़ा सामर्थ्य है

साथियों,

बराक नदी के उपजाऊ मैंदानों ने, यहां के चाय बागानों ने, यहां के किसानों को, यहां के ट्रेड रूट्स को, एजुकेशन सेंटर्स को हमेशा प्रोत्साहित किया है। ये क्षेत्र असम ही नहीं, पूरे नॉर्थ ईस्ट और पश्चिम बंगाल को भी कनेक्ट करता है। बराक घाटी के इसी महत्व को 21वीं सदी में और अधिक सशक्त करने के लिए मैं आज आपके बीच आया हूं, आपके आशीर्वाद लेने आया हूं। थोड़ी देर पहले यहां बराक वैली की कनेक्टिविटी से जुड़े, नॉर्थ ईस्ट की कनेक्टिविटी से जुड़े, हजारों करोड़ रूपये के प्रोजेक्ट्स का शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। रोड़ हो, रेल हो, एग्रीकल्चर कॉलेज हो, ऐसे हर प्रोजेक्ट्स से बराक वैली नॉर्थ ईस्ट का एक बड़ा लॉजिस्टिक और ट्रेड हब बनने जा रहा है। इससे यहां के नौजवानों के लिए रोजगार के, स्वरोजगार के अनगिनत, अनगिनत अवसर बनने जा रहे हैं। मैं आप सभी को इन सभी विकास परियोजाओं के लिए बहुत-बहुत बधाई देता हूं।

साथियों,

आजादी के अनेक दशकों तक कांग्रेस की सरकारों ने नॉर्थ ईस्ट को दिल्ली से और दिल से, दोनों से ही दूर रखा। कांग्रेस ने नॉर्थ ईस्ट को एक प्रकार से भुला दिया था। लेकिन बीजेपी की डबल इंजन सरकार ने नॉर्थ ईस्ट को ऐसे कनेक्ट किया है कि आज हर तरफ इसकी चर्चा है। आज नॉर्थ ईस्ट भारत की एक्ट ईस्ट पॉलिसी का केंद्र है, दक्षिण पूर्व एशिया के साथ भारत को जोड़ने वाला सेतु बन रहा है।

लेकिन साथियों,

जैसे कांग्रेस ने नॉर्थ ईस्ट को अपने हाल पर छोड़ दिया था, ठीक वैसे ही बराक वैली को भी बेहाल करने में कांग्रेस की बहुत बड़ी भूमिका रही है। जब देश आज़ाद हुआ, तो कांग्रेस ने ऐसी बाउंड्री खींचने दी, जिससे बराक घाटी का समंदर से संपर्क ही कट गया। जो बराक वैली कभी ट्रेड रूट के रूप में, एक औद्योगिक केंद्र के रूप में जानी जाती थी, उस बराक वैली से उसकी ताकत ही छीन ली गई। आज़ादी के बाद भी दशकों तक कांग्रेस की सरकारें रहीं, लेकिन बराक घाटी के विकास के लिए कुछ खास नहीं हुआ।

साथियों,

बीजेपी की डबल इंजन सरकार, इस स्थिति को बदल रही है। हम बराक घाटी को फिर से व्यापार कारोबार का बड़ा हब बनाने के लिए निरंतर काम कर रहे हैं। आज इस दिशा में एक बहुत बड़ा और अत्यंत महत्वपूर्ण कदम उठाया जा रहा है। आज करीब 24 हजार करोड़ रुपए के शिलांग-सिलचर हाई-स्पीड कॉरिडोर का भूमि पूजन हुआ है, 24 हजार करोड़ रुपए, कितने? कितने? 24 हजार करोड़ रुपए। कितने? कितने? कितने? ये जरा कांग्रेस वालों को पूछना, जरा कागज पेन देना और उनको कहना कि जरा कागज पर 24 हजार करोड़ लिखो तो, कितने, कितने जीरो लगते हैं, आएगा नहीं उनको। ये कांग्रेस वालों के दिमाग का ताला जहां बंद हो जाता है ना, वहां हमारा काम शुरू हो जाता है। यह नॉर्थ-ईस्ट का पहला Access Controlled High-Speed Corridor होगा।

साथियों,

ये सिर्फ एक हाईवे प्रोजेक्ट नहीं है, ये नॉर्थ ईस्ट के लोगों के दशकों पुराने इंतजार का अंत हो रहा है। इस कॉरिडोर से सिलचर, मिजोरम, मणिपुर और त्रिपुरा, ये सब राज्य कनेक्ट होने वाले हैं। इन तीनों राज्यों से आगे बांग्लादेश और म्यांमार हैं और फिर आगे दक्षिण-पूर्व एशिया का विशाल बाजार है। यानी बराक घाटी, एक बहुत उज्जवल भविष्य की तरफ जुड़ने का आज शिलान्यास कर रही है। इसका फायदा असम सहित पूरे नॉर्थ ईस्ट के किसानों को होगा, यहां के नौजवानों को होगा। इतनी अच्छी कनेक्टिविटी वाले ये सारा क्षेत्र बनने से, इस पूरे क्षेत्र में इंडस्ट्री को बल मिलेगा, टूरिज्म को फायदा होगा और सबसे बड़ी बात, हिन्दुस्तान का कोना-कोना आसानी से आप लोगों से जुड़ जाने वाला है।

साथियों,

आप सभी यहां सिलचर में ट्रैफिक को लेकर भी काफी परेशान रहे हैं। अब सिलचर फ्लाईओवर से ये समस्या भी कम हो जाएगी। सिल्चर मेडिकल कॉलेज, NIT सिल्चर और असम यूनिवर्सिटी में पढ़ाई कर रहे युवा साथियों के लिए, ये बहुत अच्छी सुविधा हो गई है। इससे आने-जाने में उनका बहुत ही कीमती समय बचने वाला है।

साथियों,

डबल इंजन की बीजेपी सरकार, असम की रेल कनेक्टिविटी पर भी बहुत अधिक काम कर रही है। खासतौर पर रेलवे का बिजलीकरण हमारी बहुत बड़ी प्राथमिकता रहा है। अब असम का ढाई हजार किलोमीटर से अधिक का रेल नेटवर्क, अब इलेक्ट्रिफाई हो चुका है। अब यहां भी तेज़ गति से ट्रेनें चल पाएंगी, इससे बराक वैली के स्वच्छ वातावरण को भी फायदा मिलेगा।

साथियों,

बराक वैली के किसानों और यहां के चाय-बागानों में काम करने वाले श्रमिकों का असम के विकास में बहुत बड़ा योगदान है। डबल इंजन सरकार किसानों के कल्याण के लिए निरंतर कदम उठा रही है। कल ही, गुवाहाटी से मैंने पीएम किसान सम्मान निधि की अगली किश्त जारी की है। अब तक पीएम किसान सम्मान निधि का देश के किसानों को लाखों करोड़ रूपया, और अकेले हमारे असम के किसानों को 20 हजार करोड़ रुपए से ज्यादा पैसा असम के किसानों को मिल चुका है। अब आप सोचिये, हमने 10 साल में यहां के किसानों की जेब में, 20 हजार करोड़ रुपया उनकी जेब में दिया है। ये कांग्रेस वालों ने 10 साल राज किया, प्रधानमंत्री तो असम से चुनकर के गए थे, उसके बावजूद भी एक फूटी कौड़ी नहीं दी, एक फूटी कौड़ी किसानों को नहीं दी, हमने 20 हजार करोड़ रूपया दिया है। कल बराक वैली के हज़ारों किसानों के खाते में भी, ये आखिरी किस्त भी पहुंची है, ये वाली किस्त पहुंची है और फिर जब चुनाव के बाद आएगा समय, तब भी पहुंचेगी। ये पैसा खेती से जुड़ी छोटी-छोटी जरूरतों को पूरा करने में, मेरे गांव के छोटे-छोटे किसान भाई-बहनों को बहुत बड़ी मदद कर रहा है।

साथियों,

बराक वैली अब अपनी फसलों के लिए ही नहीं, बल्कि कृषि से जुड़ी पढ़ाई और रिसर्च के लिए भी जानी जाएगी। पत्थरकांडी में बराक घाटी के पहले एग्रीकल्चर कॉलेज का निर्माण कार्य आज से शुरु हो रहा है। इससे किसानों को तो फायदा होगा ही, यहां के नौजवानों को कृषि स्टार्टअप्स के लिए सहयोग, समर्थन और प्रोत्साहन मिलेगा।

साथियों,

भाजपा का मंत्र है- जो विकास की दौड़ में पीछे रह गया, उसे प्राथमिकता देना। कांग्रेस की सरकारें बॉर्डर एरिया को, देश के अंतिम गांव मानती थीं। हम बॉर्डर के गांवों को देश के पहले गांव मानते हैं। और इसलिए, बॉर्डर एरिया के विकास के लिए, कछार जिले से ही वाइब्रेंट विलेज प्रोग्राम का अगला चरण शुरु किया था। इससे बराक वैली के अनेक गांवों में भी सुधार होना तय हो गया है।

साथियों,

यहां बड़ी संख्या में चाय-बागानों में कार्य करने वाले साथी भी हैं। असम सरकार ने, चाय-बगानों से जुड़े हजारों परिवारों को, उनकी जमीन का अधिकार देने का ऐतिहासिक काम किया है, वो इन परिवारों के भविष्य को बदलने की एक बड़ी शुरुआत है। जमीन के पट्टे मिलने से, इन परिवारों को सुरक्षा मिली है, उन्हें सम्मान का जीवन मिलना सुनिश्चित हुआ है।

साथियों,

आप जरा वहां से दूर रहिए, अब जगह नहीं है, आगे नहीं आ सकते हैं। देखिए वहां से जरा दूर रखिये उनको, अब आगे नहीं आ सकते भईया, अरे हमारे असम के भाई-बहन तो बड़े समझदार हैं। आपका से प्यार, आपका आशीर्वाद, ये इतनी बड़ी ताकत है, कृपा करके आप।

साथियों,

मैं हेमंता जी की सरकार को बधाई देता हूं, चाय-बागानों में करीब 200 सालों से सेवा दे रही अनेक पीढ़ियों के संघर्ष को आपने आज सम्मान दिया है। देखिए मेरी इस बात पर बादल भी गरजने लग गए। मुझे खुशी है कि जिनको पहले की सरकारों ने अपने हाल पर छोड़ दिया था, उनकी सुध बीजेपी सरकार ने ली है।

साथियों,

ये सिर्फ भूमि पर कानूनी अधिकार का ही मामला नहीं है। इससे ये लाखों परिवार, केंद्र और राज्य सरकार की अनेक कल्याणकारी योजनाओं से भी तेज़ी से जुड़ेंगे। पक्के घर की योजना हो, बिजली, पानी और गैस की योजनाएं हों, इन सब स्कीम्स का पूरा फायदा अब इन परिवारों को मिलना संभव होगा।

साथियों,

बीते सालों में बीजेपी सरकार ने चाय-बागानों में अनेक स्कूल खोले हैं, बच्चों को स्कॉलरशिप्स दिए हैं। सरकारी नौकरियों के लिए भी रास्ते खोले गए हैं। ऐसे प्रयासों से चाय-बागानों के युवाओं के लिए सुनहरे भविष्य के द्वार खुल रहे हैं।

साथियों,

बीजेपी की डबल इंजन सरकार के लिए शिक्षा, कौशल विकास और स्वास्थ्य सुविधाएं बहुत बड़ी प्राथमिकताएं रही हैं। असम ने तो शिक्षा और स्वास्थ्य को लेकर कांग्रेस की उपेक्षा को बहुत लंबे समय तक भुगता है। आज असम शिक्षा और स्वास्थ्य का बहुत बड़ा हब बनकर सामने आ रहा है। इसका बहुत अधिक फायदा बराक वैली को मिला है। आज यहां शिक्षा और स्वास्थ्य से जुड़े अनेक बड़े संस्थान बन चुके हैं।

साथियों,

कांग्रेस ने असम के युवाओं को सिर्फ हिंसा और आतंकवाद के कुचक्र में ही उलझाए रखा था। कांग्रेस ने असम को फूट डालो और राज करो की नीति की प्रयोगशाला बनाया। आज असम के युवाओं के सामने अवसरों का खुला आसमान है। आज असम भारत के सेमीकंडक्टर सेक्टर का अहम हिस्सा बन रहा है। यहां नेक्स्ट जेनरेशन टेक्नॉलॉजी से जुड़ा इकोसिस्टम और टैलेंट तैयार हो रहा है। यहां IIT और IIM जैसे संस्थान बन रहे हैं। मेडिकल कॉलेज, एम्स और कैंसर अस्पतालों का सशक्त नेटवर्क बन रहा है। शांति और प्रगति का ये नया दौर, अनेक बलिदानों और अनेक प्रयासों से आया है। अब ऐसी हर ताकत को मुंहतोड़ जवाब देना है, जो असम को पुराने दौर में धकेलने की कोशिश करती है।

साथियों,

आज मैं सिलचर से असम को सावधान-सतर्क भी करना चाहता हूं। आपने कांग्रेस को असम से बाहर किया। आज देश का हर राज्य कांग्रेस को सबक सिखा रहा है। कांग्रेस एक के बाद एक चुनाव हार रही है। अब निकट भविष्य में, कांग्रेस खुद के पराजय के इतिहास की सेंचूरी मारने वाला है। हार की हताशा से भरी कांग्रेस ने देश के खिलाफ ही मोर्चा खोल दिया है। कांग्रेस के नेता देश को बदनाम करने में जुट गए हैं, आपने देखा है, दिल्ली में इतनी बड़ी AI समिट हुई। आज पूरी दुनिया जब आर्टिफिशियल इंटेलिजेंस, AI को लेकर बहुत ही उत्सुक है। दिल्ली में सफलतापूर्वक विश्व की एक नई आशा पैदा करने वाला AI समिट हुआ। दुनियाभर के नेता, दुनियाभर की टेक्नॉलॉजी कंपनियां, टेक्नॉलॉजी के बड़े-बड़े लीडर दिल्ली आए थे। कांग्रेस ने इस समिट को बदनाम करने के लिए कपड़ा फाड़ प्रदर्शन किया। अब कांग्रेस के पास खुद के कपड़े फाड़ने के सिवा कुछ नहीं बचा है। पूरे देश ने कांग्रेस के इस भौंडे और भद्दे प्रदर्शन की आलोचना की। लेकिन दिल्ली में जो कांग्रेस का शाही परिवार है, वो इस कांड को भी अपना मेडल बता रहा है, देश को बदनाम करने वालों की वाहवाही कर रहा है। ऐसी कांग्रेस, जो देश की विरोधी हो, वो किसी राज्य का भला नहीं कर सकती, वो असम के युवाओं का कभी भला नहीं सोच सकती।

साथियों,

आजकल दुनिया में चारों तरफ और हमारे तो अड़ोस पड़ोस में ही युद्ध के हालात और आप सब भलिभांति युद्ध कि क्या भयानकता है, वो रोजमर्रा देख रहे हो। युद्ध से जो स्थितियां बनी हैं, हमारी सरकार उनसे निपटने के लिए, हमारे देश के नागरिकों को कम से कम मुसीबत आए इसलिए हो सके उतने सारे प्रयास कर रही है। हमारा प्रयास है कि देश के नागरिकों पर युद्ध का कम से कम प्रभाव पड़े। इस समय कांग्रेस से उम्मीद थी कि वो एक जिम्मेदार राजनीतिक दल की भूमिका निभाए, लेकिन कांग्रेस देश हित के इस महत्वपूर्ण काम में भी फिर एक बार फेल हो गई। कांग्रेस पूरी कोशिश कर रही है कि देश में पैनिक क्रिएट हो, देश मुश्किल में फंस जाए। और उसके बाद कांग्रेस भर-भर कर मोदी को गाली दे।

साथियों,

कांग्रेस के लिए और कांग्रेस असम के लिए, देश के लिए कांग्रेस का कोई विजन ही नहीं है, इसलिए, इन्होंने अफवाहों को, झूठ-प्रपंच को ही, और जैसे झूठे रील बनाने की इंडस्ट्री खोलकर रखी है, उसी को हथियार बना दिया है। दुनिया में जो ताकतें भारत के तेज़ विकास को नहीं पचा पा रहीं हैं, जिन विदेशी ताकतों को देश की प्रगति रास नहीं आ रही, कांग्रेस देश का दुर्भाग्य देखिए, कांग्रेस उनके हाथ की कठपुतली बनती जा रही है। इसलिए, असम के हर नागरिक को, हर नौजवान को कांग्रेस से सावधान रहना है।

साथियों,

असम हो, बराक वैली हो, अब ये विकास के पथ पर बढ़ चुका है। बराक वैली, अपनी भाषा, अपने साहित्य, अपनी संस्कृति के लिए जानी जाती है। वो दिन दूर नहीं, जब बराक वैली को विकास के नए सेंटर के रूप में पहचान मिलेगी।

साथियों,

आप इतनी बड़ी तादाद में हमें आशीर्वाद देने आए हैं। जो राजनीति के भविष्य की रेखाएं अंकित करने वाले लोग हैं, वो भांति-भांति की जो संभावनाएं तलाशते रहते हैं, वे आज बराक वैली का ये दृश्य, कल बोड़ो समुदाय का वो दृश्य, टी गार्डन वालों के समूह का दृश्य, ये साफ-साफ बता रहा है कि, इस चुनाव का नतीजा भी क्या होने वाला है। और आप इतनी बड़ी तादाद में आशीर्वाद देने के लिए आए हैं, मैं आपका हृदय से आभारत व्यक्त करता हूं और आप सभी को फिर से विकास परियोजनाओं की बहुत-बहुत बधाई देता हूं। मेरे साथ बोलिये-

भारत माता की जय!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!