Indian diaspora is the true ambassador of India: PM Modi
India is continuously working with the spirit of Indian Solutions- Global Applications: PM Modi
‘Make in India’ is turning India into a Global Hub for Electronics and Automobile Manufacturing: PM Narendra Modi

নমস্কার!

 

জাপানের মতো দেশ, আকী ঋতুর এই আবহ, আর আপনাদের সকলের সঙ্গ – সত্যিই এ এক অদ্ভুত সঙ্গম।

 

ভারতেও সোমবার হোক কিংবা যে দিনগুলিতে ব্যাঙ্ক খোলা থাকে, সকাল ৯টায় আমাকে ডাকলে গিয়ে যদি দেখি এত বিপুল সংখ্যক মানুষ বসে আছেন, তাহলে ভাবব যে কিছু মানুষ গতকাল রাত থেকেই হয়তো এখানে আছেন। আপনাদের এই ভালোবাসার জন্য আমাকে এভাবে আশীর্বাদ প্রদানের জন্য আমি অন্তর থেকে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

 

আজকের এই সাক্ষাৎ বিশেষ, কারণ জাপানে বসবাসকারী আমার স্বজন আপনাদের সঙ্গে ২০১৬ সালে সাক্ষাতের সৌভাগ্য হয়েছিল। আর তারপর আজ এই সৌভাগ্য হল। আজ এই উপলক্ষে আমি সবার আগে ভারতের পক্ষ থেকে, আপনাদের সকলের পক্ষ থেকে আমার প্রিয় বন্ধু প্রধানমন্ত্রী সিনজো আবেকে আরেকবার এলডিপি-র প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই।

 

ভারতের জনগণের প্রতি, আমার প্রতি প্রধানমন্ত্রী আবের ভালোবাসা, তাঁর স্নেহ শুরু থেকেই অনুভব করেছি। এবার সেই অনুভবকে নতুন মাত্রা প্রদান করে যেভাবে তিনি বিশেষ আদর-আপ্যায়ন করেছেন সেজন্য আমি প্রধানমন্ত্রী ও জাপানের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আপনাদের সবাইকে দীপাবলির অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। যেভাবে দীপাবলির প্রদীপ যেখানেই থাকে, সেই অঞ্চলকে আলোকিত করে, তেমনই আপনারাও জাপান এবং বিশ্বের প্রত্যেক কোণে দেশের নাম উজ্জ্বল করুন, এটাই আমার কামনা।

 

বন্ধুগণ,

 

ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি আমার তৃতীয় জাপান যাত্রা। আর যখনই জাপানে আসার সৌভাগ্য হয়েছে, এখানে আমি আত্মীয়তা অনুভব করেছি এজন্য যে, ভারত এবং জাপানের মধ্যে সম্পর্কের শিকড় থেকে শুরু করে শিখর পর্যন্ত প্রবৃত্তি একই। হিন্দু এবং বৌদ্ধ, উভয় মতেই আমাদের যৌথ ঐতিহ্য রয়েছে। আমাদের আরাধ্য থেকে শুরু করে অক্ষর পর্যন্ত এই ঐতিহ্যের ঝলক আমরা প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি।

 

মা সরস্বতী, মা লক্ষ্মী, ভগবান শিব এবং গণেশ – জাপানি সমাজ প্রত্যেকের পুজো করে। ‘সেবা’ শব্দের অর্থ জাপানি এবং হিন্দিতে একই। ‘হোম’ এখানে এসে ‘গোমা’ হয়ে গেছে, আর ‘তোরণ’ হয়েছে ‘তোরী’। পবিত্র ওন্তাকে পর্বতে যে জাপানি তীর্থযাত্রীরা যান, তাঁরা পারম্পরিক সাদা পোশাক পরিধান করে, তার ওপর সংস্কৃত সিদ্ধম লিপিতে কিছু প্রাচীন বর্ণ লেখান। তাঁরা যখন সাদা জাপানি তেঙ্গুই পরিধান করেন তখন তার ওপর (ওম) লেখা থেকে।

 

বন্ধুগণ,

 

ভারত এবং জাপানের সম্পর্কের বুননে অনেক অতীতের মজবুত সুতো রয়েছে। ভারত এবং জাপানের ইতিহাস যেখানে বুদ্ধ এবং বসুকে যুক্ত করে, তেমনই বর্তমানে আপনাদের মতো নতুন অনেক ভারতীয় রাষ্ট্রদূত এই সম্পর্ককে মজবুত করে চলেছে। সরকারি রাজদূততো প্রত্যেক দেশে একজনই থাকেন, কিন্তু ভারতের ক্ষেত্রে একেক দেশে আপনাদের মতো হাজার হাজার রাষ্ট্রদূত থাকেন। আপনারা সেই সেতু যাঁরা ভারত এবং জাপানের জনগণের সংস্কৃতি এবং আকাঙ্ক্ষাকে জুড়েছেন। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে আপনারা এই দায়িত্ব সাফল্যের সঙ্গে পালন করছেন।

 

বন্ধুগণ, আমার সঙ্গে যখনই প্রধানমন্ত্রী শ্রী আবের কথাবার্তা হয় তখনই তিনি জাপানের প্রবাসী ভারতীয়দের এত প্রশংসা করেন যে মন শ্লাঘায় ভরে ওঠে। আপনারা নিজেদের দক্ষতা এবং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের মাধ্যমে এখানে অনেক সম্মান অর্জন করেছেন। যোগকে আপনারা জাপানের জনজীবনের অংশ করে তুলতে সফল হয়েছেন। এখানকার খাদ্যাভ্যাসে আপনারা কাড়া চালের ভাত চালু করেছেন। আর এখন তো আপনারা দীপাবলিও জাপানি বন্ধুদের সঙ্গে পালন করেন। আপনারা মার্শাল আর্টে নিপুণ এই দেশকে কবাডির কৌশল শিখিয়েছেন। আর এখন আপনারা ক্রিকেটের সংস্কৃতিও বিকশিত করতে উঠে পড়ে লেগেছেন।আপনারা যেভাবে অবদান, সহাবস্থান থেকে হৃদয়জয়ের মন্ত্রের মাধ্যমে জাপানী হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। আমি আনন্দিত যে, এ দেশে আমাদের সংস্কৃতির প্রতিনিধিরূপে ৩০ হাজারেরও বেশি প্রবাসী ভারতীয় কাজ করেন।

 

বন্ধুগণ, আপনাদের মধ্যে অনেকেই স্বাভাবিকভাবে ভারতে আসা-যাওয়া করেন। যাঁরা দীর্ঘদিন যাননি তাঁরাও খবরের কাগজ কিংবা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভারতের ঘটমান পরিবর্তন সম্পর্কে অবশ্যই খোঁজখবর নিয়ে থাকেন। আজ ভারত একটি বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে। গোটা বিশ্ব আজ মানবতার সেবার জন্য ভারতের প্রচেষ্টার গৌরব গান করছে। ভারতে যে নীতিসমূহ প্রণয়ন করা হচ্ছে, জনসেবার স্বার্থে যেসব কাজ করা হচ্ছে, সেজন্যও দেশকে সম্মানিত করা হচ্ছে। সম্প্রতি বিশ্বের দুটি বড় সংস্থা ভারতের প্রচেষ্টাগুলিকে সম্মানিত করেছে। সবুজ ভবিষ্যৎ গড়তে অবদানের জন্য রাষ্ট্রসঙ্ঘ আমাদের ‘চ্যাম্পিয়ন অফ দ্য আর্থ’ রূপে, তেমনই সিওল পিস ফাউন্ডেশনও ভারতকে এ বছর ‘সিওল শান্তি পুরস্কার’ দিয়ে সম্মানিত করেছে।

 

বন্ধুগণ, এই সম্মান ১২৫ কোটি ভারতবাসীর প্রতিনিধিরূপে নরেন্দ্র মোদীকে দেওয়া হলেও আমার ব্যক্তিগত অবদান যে কোন মালার সেই সুতোর মতো, যে পুঁতিগুলোকে গাথতে থাকে আর সংগঠিত হয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহ দিতে থাকে। আমাদের দেশ আপনাদের মতো অসংখ্য মণিমানিক্য খচিত। শুধু একটি সংগঠিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন ছিল যা আমরা বিগত চার বছর ধরে করছি। সামগ্রিকতা এবং গণ-অংশীদারিত্বের এই শক্তি আজ বিশ্ববাসী চিনতে পারছে। আজ পরিবেশের নিরাপত্তার জন্য, আর্থিক ভারসাম্যহীনতা দূর করার জন্য, বিশ্ব শান্তির জন্য ভারতের অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে।

 

আমি সিওল শান্তি পুরস্কারের বিচারকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই যে তাঁরা ‘মোদীনমিক্স’-এর প্রশংসা করেছেন। আমি তাঁদের ভাবনাকে সম্পূর্ণ সম্মান জানিয়ে বলতে চাই যে, আপনাদের প্রদত্ত এই সম্মান ‘মোদীনমিক্স’-এর প্রাপ্য নয়, এটি ‘ইন্দোনমিক্স’-এর সম্মান। সরকারের প্রধান হিসেবে আমি তাই করছি যা ভারতীয় সংস্কৃতি এবং পরম্পরা অনুসারে আমার করা উচিৎ।

 

বসুধৈব কুটুম্বকম আর সর্বে ভবন্তু সুখিনাঃসর্বে সন্তু নিরাময়া

 

আমাদের এই শ্বাশত ও পুরাতন মূল্যবোধের প্রতি আমি সমর্পিত প্রাণ। আমাদের সরকার শুধু এটুকুই পরিবর্তন করেছে যে বিশ্বকে ভারতের চশমা দিয়ে দেখুন। অন্যের চশমা দিয়ে ভারতের দিকে তাকাবেন না। আমাদের সরকার ‘ভারতীয় সমাধান, বিশ্বব্যাপী প্রয়োগ’-এর ভাবনা নিয়ে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। আমরা আগে ভারতীয় সমস্যাগুলির সমাধান করছি আর তারপর সেই মডেলকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য প্রস্তুত করেছে।

 

বন্ধুগণ, এটা জেনে আপনাদের গর্ব হবে যে জন ধন, আধার এবং মোবাইল (জ্যাম) – এই তিনটি জিনিসের সমাহারে ভারতীয় ব্যবস্থায় যে স্বচ্ছতা এসেছে তা এখন বিশ্বের অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলিকে প্রেরণা যোগাচ্ছে। ভারতে গড়ে ওঠা এই নতুন ব্যবস্থা নিয়ে সে সব দেশের বিশারদরা গবেষণা করছে। তাছাড়া, আমাদের আধুনিক ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা যেমন ভিম অ্যাপ এবং রুপে কার্ড নিয়েও বিশ্বের অনেক দেশ উৎসাহী। আমাকে বলা হয়েছে যে জাপানও এখন ‘লেস ক্যাশ ইকনমি’র দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছে। আপনারা একথা জেনে খুশি হবে যে ভারত এখন এই লক্ষ্যে অনেকটাই এগিয়ে গেছে। বিগত চার বছরে ইউপিআই, ভিম এবং অন্যান্য ডিজিটাল মঞ্চের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেন প্রায় সাতগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তেমনই, অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিকরণকে ভারত পরবর্তী পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং গ্রামে গ্রামে ডাকঘরের মাধ্যমে অর্থনৈতিক পরিষেবার হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা করেছে। আপনারা শৈশবে ডাক হরকরা দেখেছেন। আজ সেই ডাক হরকরারাই বাড়ি বাড়ি ব্যাঙ্ক পরিষেবা প্রদান করছেন।

 

বন্ধুগণ, আজ ভারত ডিজিটাল পরিকাঠামো ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নতি করছে। গ্রামে গ্রামে ব্রডব্যান্ড সংযোগ পৌঁছে যাচ্ছে। আজ ভারতে ১০০কোটিরও বেশি মোবাইল ফোন সক্রিয় র্‍য়েছে। কখনও কখনও তো বলা হয় যে ভারতে জনসংখ্যার থেকেও বেশি মোবাইল ফোন চালু রয়েছে। ভারতে এখন ১জিবি-র ডেটা শীতল পানীয়ের ছোট বোতলের থেকেও সুলভ। এই সুলভ ডেটা আজ পরিষেবা প্রদানের প্রভাবশালী মাধ্যম হয়ে উঠেছে। তেমনই ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ আজ একটি বিশ্বজনীন ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে। আজ আমরা শুধুই ভারতের জন্য নয়, বিশ্বের জন্য উন্নতমানের পণ্য উৎপাদন করছি। বিশেষ করে, বৈদ্যুতিন এবং অটোমোবাইল যন্ত্রপাতি উৎপাদনে ভারত বিশ্বমানের একটি গ্লোবাল হাবে পরিণত হচ্ছে। মোবাইল ফোন নির্মাণে আমরা শীর্ষ স্থান দখলের পথে এগিয়ে চলেছি।

 

বন্ধুগণ, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সাফল্যের পিছনে সেই আবহ বর্তমান যা বিগত চার বছরে ব্যবসা ক্ষেত্রে ‘ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস’-এর র‍্যাঙ্কিং-এ ভারতকে ৪০ ধাপ এগিয়ে দিয়েছে। বিশ্ব প্রতিযোগিতায় আমরা এ বছর পাঁচ ধাপ উন্নতি করেছি। তেমনই উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও আমরা বিশ্বের অগ্রণী দেশগুলির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছি। সেজন্যই ভারতে এখন স্টার্ট-আপ-এর ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে।

 

বন্ধুগণ, ভারতে যেসব উদ্ভাবন হচ্ছে, যেসব সমস্যার সমাধান হচ্ছে, তা যেমন সুলভ তেমনই গুণমানে উৎকৃষ্ট। ভারতের মহাকাশ গবেষণা এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলি এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ভারত বিশ্বের অনেক দেশের বেসরকারি কোম্পানিগুলির উপগ্রহ অনেক কম খরচে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করছে। বিগত বছরেই আমাদের বৈজ্ঞানিকরা একসঙ্গে ১০০টিরও বেশি উপগ্রহ উৎক্ষেপণের অভূতপূর্ব রেকর্ড তৈরি করেছে। আমরা অনেক সুলভে চন্দ্রযান এবং মঙ্গলযানকে মহাকাশে পাঠিয়েছি। ২০২২ সালের মধ্যে ভারত মহাকাশে গগনযান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই গগনযান সম্পূর্ণরূপে ভারতীয় প্রযুক্তি নির্মিত এবং এতে ভারতীয় মহাকাশ যাত্রীরাই থাকবেন।

 

বন্ধুগণ, মাটি থেকে মহাকাশ পর্যন্ত এমনই অনেক পরিবর্তন ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এই পরিবর্তনগুলির ফলে আজ ভারত বিশ্বের সর্বাপেক্ষা দ্রুত ক্রমবর্ধমান অর্থ ব্যবস্থা হয়ে উঠেছে। এই পরিবর্তনগুলি দেখে বিশ্বের সমস্ত এজেন্সিগুলি বলছে যে আগামী দশকে ভারত বিশ্বের অর্থনৈতিক উন্নতির সঞ্চালক হয়ে উঠবে। ভারতের এই সাফল্যগাথায় জাপানের এবং আপনাদের সকলের অনেক বড় অবদান থাকবে। বুলেট ট্রেন থেকে শুরু করে স্মার্ট সিটি পর্যন্ত আজ যে নতুন ভারতের নতুন পরিকাঠামো গড়ে উঠছে তাতে জাপানের অংশীদারিত্ব রয়েছে। ভারতের জনসম্পদ, ভারতের যুবশক্তিও জাপানের দক্ষতায় প্রশিক্ষিত ও উপকৃত হচ্ছে।

 

বন্ধুগণ, আমি আপনাদের সবাইকে নতুন ভারতের নির্মাণে সক্রিয় অংশীদারিত্বের জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। ভারতে বিনিয়োগ এবং উদ্ভাবনের জন্য আজ উপযুক্ত পরিবেশ তো গড়ে উঠেছেই, পাশাপাশি, নিজেদের শিকড়ের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার জন্যও এটি সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ সময়। জাপানে বসবাসকারী ভারতীয়দের জাপানি বন্ধুদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে সর্বদাই দেশের জন্য অনেক বড় অবদান রেখেছেন। স্বামী বিবেকানন্দ, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু তথা ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম জাপান থেকে যে সাহায্য পেয়েছে, তা কোটি কোটি ভারতবাসী মনে রেখেছে। আমাদের সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও নিবিড় ও শক্তিশালী করে তুলতে আপনাদের সকলকে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

 

আমি আজকে আপনাদের এই মঞ্চ থেকে আগামী বছর জানুয়ারি মাসে প্রবাসী ভারতীয় দিবস এবং অর্ধ কুম্ভের জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। প্রবাসী ভারতীয় দিবস এবার বারাণসীতে আয়োজিত হবে। সেখানে গঙ্গার আরতি দেখে প্রধানমন্ত্রী আবেও মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। বারাণসীর নির্বাচিত সাংসদ হিসেবেও আমি আপনাদের সেখানে আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। সেখানে এলে আপনারা এক প্রকার আমার ব্যক্তিগত অতিথি হবেন। আর দু’দিন পর ভারত বিশ্বের মানচিত্রে একটি নতুন ও স্থায়ী পরিচয় গড়ে তুলতে চলেছে। ৩১শে অক্টোবর তারিখে আমরা সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মজয়ন্তী পালন করব। কিন্তু এ বছর তাঁর জন্মজয়ন্তীতে তাঁর যে মূর্তি আমি উন্মোচন করতে যাচ্ছি, তা হয়ে উঠবে বিশ্বের সর্বোচ্চ মূর্তি। এই স্ট্যাচু অফ ইউনিটির উচ্চতা আমেরিকার স্ট্যাচু অফ লিবার্টির দ্বিগুণ। সর্দার সাহেবের প্রতিভা যত বড় ছিল, তাঁর মূর্তিও ততটাই উচ্চতাসম্পন্ন হবে। এই বিশ্বের সর্বোচ্চ মূর্তি নিয়ে এরপর থেকে সমস্ত ভারতবাসী গর্ব করতে পারবেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস আপনারা যখন ভারতে আসবেন এবং আপনাদের জাপানি বন্ধুরা যখন ভারতে যাবেন, তখন আপনারা অবশ্যই তাঁদের সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ঐ উচ্চতম মূর্তি দেখার জন্য অবশ্যই প্রেরণা যোগাবেন। এটা আমার অনুরোধ।

 

অবশেষে আমি আরেকবার আপনাদের সকলকে দীপাবলির অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। আর এত সকাল সকাল এই বিপুল সংখ্যায় এখানে আসার জন্য অন্তর থেকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই।

 

ধন্যবাদ!

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Parliament passes Jan Vishwas Bill 2026, decriminalising 717 offences, fines up to Rs 1 crore

Media Coverage

Parliament passes Jan Vishwas Bill 2026, decriminalising 717 offences, fines up to Rs 1 crore
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
সোশ্যাল মিডিয়া কর্নার 3 এপ্রিল 2026
April 03, 2026

India’s Sweet, Fast & High-Tech Revolution: FY26 Milestones That Signal Viksit Bharat Has Arrived