#NarmadaSevaYatra is a unique move in history: PM Modi
Maa Narmada is a life giver, says PM Modi #NarmadaSevaYatra 
Success of Swachh Bharat Mission is not due to governments but efforts of people: PM Modi

বিপুল সংখ্যায় আগত আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা,

আমাদের শাস্ত্রে একটা জিনিস মানা হয় যে, যদি আমরা কোনও তীর্থযাত্রায় নাযেতে পারি, তা হলে যাঁরা গিয়েছেন, তাঁদের প্রণাম করলে তীর্থের পুণ্য লাভ হয়। আমিএখানে উপস্থিত সকল তীর্থযাত্রীকে প্রণাম জানিয়ে আপনারা যে পুণ্য অর্জন করেছেন, তারসামান্য অংশ ভিক্ষা করছি। এই ভিক্ষা আমি নিজের জন্য করছি না, আপনাদের অর্জিত পুণ্যভারতমাতার কাজে, ১২৫ কোটি দেশবাসীর কাজে, এদেশের দরিদ্র থেকে দরিদ্রতম ব্যক্তিরজীবনে উন্নতিসাধনের কাজে লাগাতে চাই।

আমি বিশ্বাস করি যে, নর্মদাযাত্রাই একমাত্র তীর্থযাত্রা যাকে নর্মদাপরিক্রমার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। আমি এই শাস্ত্র নিবিড়ভাবে জানি। আমিও কখনও এভাবেবাঁচার চেষ্টা করেছি। সেজন্য জানি, নর্মদা পরিক্রমা করলে কিভাবে সমস্ত অহঙ্কারচূর্ণ হয়ে যায়, মাটিতে মিশে যায়। মা নর্মদা প্রত্যেক পরিক্রমাকারীকে মাটিতে দাঁড়করিয়ে দেন। সমস্ত বন্ধন থেকে মুক্ত করিয়ে দেন। যিনি যত পদ ও উপাধি দ্বারা অভিভূষিতএই পরিক্রমাকালে সবকিছু থেকে মুক্তির স্বাদ মেলে। মা নর্মদা আর নর্মদা সেবকদেরমধ্যে কোনও দ্বৈততা অবিশিষ্ট থাকে না, এক অদ্বৈতের অনুভূতি পরিব্যাপ্ত হয়। আপনারাওআজ মা নর্মদার এই মহান সেবা করার সংকল্প গ্রহণ করেছেন ।

যখন সময় বদলায়, আমরা কোথা থেকে কোথায় পৌঁছে যাই। আর যখন অতিকায় ভাব প্রবলহয়ে ওঠে, কর্তব্যভাবে ক্ষীণ হয়ে যায়, তখনই নানা সমস্যা জন্ম নেয়। সেজন্য আজ আমাদেরনর্মদা সেবার জন্য পথে নামতে হয়েছে। এই মা নর্মদা হাজার হাজার বছর ধরে আমাদেরবাঁচিয়ে রেখেছেন, আমাদের জীবনদান করেছেন। আমাদের পূর্বজদের রক্ষা করেছেন। কিন্তুআমরা একে অধিকার বলে মনে করেছি, কর্তব্য বিমুখ হয়েছি, আর মা নর্মদাকে যতটা লুন্ঠনকরতে পারি, লুটেছি। নিজেদের স্বার্থে যাচ্ছেতাইভাবে অত্যাচার করেছি। এর ফলে, যে মাএতদিন আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছেন, আজ তাঁকে বাঁচানোর জন্য আমাদের ঘাম ঝরাতে হচ্ছে।আমাদের সৌভাগ্য যে সময় থাকতে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ও জনগণ সচেতন হয়ে উঠেছেন।

ভারতে এখন এরকম অনেক নদী আছে, যেগুলিকে শুধু মানচিত্রে দেখা যায়, বাস্তবেসেগুলিকে খুঁজে পাওয়া যায় না। তারা ইতিহাসের গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আমাদের কেরলপ্রদেশে একটি নদী আছে, সম্ভবত দেশে ঐ একটি নদীরই নামের সঙ্গে আমাদের দেশের নামজড়িত, সেই নদীটির নাম ‘ভারত পূজা’। সেই নদীটিরও অস্তিত্ব প্রায় বিলীয়মান। এমন নয়যে জল বেশি খরচ করলে নদী শুকিয়ে যায়। নদীকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য দু’পারের জনগণ যদিতাঁদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন না করেন, তবেই নদী শুকিয়ে যায় – মানবজাতির কত বড়ক্ষতি হয়।



আমরা খুব ভালোভাবেই জানি যে, মা নর্মদার উৎস কোনও তুষারশুভ্র পর্বত থেকেনয়। উৎসস্থলে ঘন অরণ্যের প্রত্যেকটি বৃক্ষের অবদান এই নদীর প্রবাহ হয়ে আমাদেরজীবনকে সুজলা-সুফলা করে তোলে। আর সেজন্যই মধ্যপ্রদেশ সরকার মা নর্মদার উজ্জ্বলভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত করে তুলতে সবেচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি যে কাজটি হাতে নিয়েছে, তাহল – বৃক্ষরোপণ। আজ আমরা যে গাছ লাগাচ্ছি, আমরা কল্পনাও করতে পারব না যে, এরমাধ্যমে আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কত বড় সেবা করছি। আমাদের পূর্বজদের তপস্যা, সাধনাএবং সেবার পরিণাম-স্বরূপ আজ পর্যন্ত মা নর্মদা সজীব রয়েছেন। আজ আমরা যদি পরিশ্রম করেবৃক্ষরোপণের মাধ্যমে মা নর্মদাকে দীর্ঘজীবী করতে পারি, তা হলে আগামী অনেক প্রজন্মআমাদের কথা মনে রাখবে ।

প্রায় দেড়শো দিনের তীর্থযাত্রা অনেক কঠিন কাজ। কিন্তু আমাদের দেশেরদুর্ভাগ্য যে, কোনও উদ্যোগের সঙ্গে সরকার যুক্ত হলে কোনও রাজনৈতিক নেতা যুক্ত হলে,তার মাহাত্ম্য খন্ডিত করার চেষ্টা করা হয়। অথচ, এ ধরণের উদ্যোগ, লক্ষ লক্ষমধ্যপ্রদেশবাসী মানুষ এই নর্মদাযাত্রার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন – আমি আজ নর্মদার পারেবসবাসকারী সকল নাগরিককে হৃদয় থেকে অভিনন্দন জানাই। বিশ্বের অন্যকোনও দেশে এরকমএকটি নদীকে বাঁচানোর জন্য দেড়শো দিন ধরে লক্ষ লক্ষ মানুষ পদযাত্রা ও বৃক্ষরোপণেরমাধ্যমে যদি এত তপস্যা করতেন, তা হলে – তা নিয়ে সেই দেশের সংবাদ মাধ্যম সারা পৃথিবীতেআলোড়ন সৃষ্টি করতো। তাঁদের উদ্যোগেই বিশ্বের বড় বড় টিভি চ্যানেলে এই ঘটনাকেবিশ্বব্যাপী সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করতো। কিন্তু আমাদের দেশের দুর্ভাগ্য যে,সবকিছুই রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয়। আমাদের নানা প্রচেষ্টা কতটা সামর্থ্যনির্মাণ করতে পারে, সেটা আমরা বুঝতে পারি না আর সুযোগ হারাই।

আজ কোথাও একটি ‘সৌর পার্ক’ গড়ে উঠলে সারা দুনিয়ায় খবর পৌঁছে যায় যে অমুকদেশের তমুক অঞ্চলে পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে ‘সৌর পার্ক’ নির্মিত হয়েছে। এখানে একটিবড় নদীকে বাঁচানোর জন্যে এত বড় কাজ হয়েছে, পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে এত বড় কাজহয়েছে, ২৫ লক্ষেরও বেশি মানুষ সংকল্প গ্রহণ করেছেন। কোটি কোটি মানুষ এর সঙ্গেযুক্ত হয়েছেন, শরীরকে কষ্ট দিয়েছেন, পায়ে হেঁটে ধরিত্রীমা’কে রক্ষা করার স্বার্থে,একটি নদী রক্ষার মাধ্যমে পরিবেশ এবং মানবতার সপক্ষে এত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপনিয়েছেন।এই অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি শিবরাজজি এবং তাঁর পুরো টিমকে,মধ্যপ্রদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানাই।

 

আমার জন্ম গুজরাটে হয়েছে। নর্মদা মায়ের একেকটি বিন্দু জলের মূল্য কতটা, তাগুজরাটের মানুষ খুব ভালোভাবেই জানেন। আপনারা নর্মদার ভবিষ্যতের কথা ভেবে এত বড়অভিযানে সামিল হওয়ায় আমি গুজরাটের প্রতিটি গ্রামের প্রত্যেক কৃষক, রাজস্থানের প্রতিটি গ্রামের প্রত্যেক কৃষক,মহারাষ্ট্রের প্রতিটি গ্রামের প্রত্যেক কৃষক এবং এই তিনটি রাজ্যের প্রত্যেকনাগরিকের পক্ষ থেকে আমি শিবরাজজির নেতৃত্বাধীন সরকারের পুরো টিমকে এবং মধ্যপ্রদেশের জনগণকে অনেক অনেক অভিনন্দন জানাই, অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই ।

আজ দেশে পরিচ্ছন্নতার অভিযান ইতিমধ্যেই একটি পরিকাঠামোগত ব্যবস্থারঅন্তর্গত হয়েছে। সারা দেশে নিয়মিত তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে এর মূল্যায়ন হচ্ছে। কোন্‌রাজ্যে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কিভাবে চলছে, কোন্‌ শহর কিরকম পরিচ্ছন্ন তারপ্রতিদিনকার খবর পাওয়া যাচ্ছে। গণতন্ত্রে সবচাইতে বড় শক্তি হ’ল, গণঅংশীদারিত্ব।জনসামর্থ্য, জনশক্তি এবং গণঅংশীদারিত্বকে উপেক্ষা করলে সরকারগুলি কিছুই ভালভাবেকরে উঠতে পারবে না। যত ভালো ইচ্ছাই থাকুক না কেন, যত ভালো নেতাই হন না কেন, যতসুন্দর পরিকাঠামো থাকুক না কেন, জনসমর্থন ছাড়া আজকের দিনে কোনও কিছুই সফল হয় না।আর জনসমর্থনের মাধ্যমে সাফল্য কিভাবে আসে, তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ হ’ল মধ্যপ্রদেশ।

গতবার যখন সমীক্ষা হয়েছিল, তখন পরিচ্ছন্নতার নিরিখে মধ্যপ্রদেশ ছিল প্রায়সবার শেষে। কিন্তু মধ্যপ্রদেশের মানুষ এই কলঙ্ক মোচনের সংকল্প গ্রহণ করে গণজাগরণেরমাধ্যমে, গণঅংশীদারিত্ব বৃদ্ধি করে আজ অনেক এগিয়ে গেছে। এবারের সমীক্ষায় দেশের১০০টি পরিচ্ছন্নতম শহরের মধ্যে মধ্যপ্রদেশেরই ২২টি শহর রয়েছে। এটা বিরাট সাফল্য। এথেকে দেশের অন্যান্য রাজ্য প্রেরণা গ্রহণ করে মধ্যপ্রদেশের অভিজ্ঞতাগুলিকে কাজেলাগাতে পারবে। ইন্দোর এবং ভোপাল ভারতের পরিচ্ছন্নতম শহরগুলির মধ্যে প্রথম এবংদ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে।

১০০টির মধ্যে যে রাজ্যের ২২টি শহর পরিচ্ছন্নতার নিরিখে এত দ্রুত দেশে বিশেষস্থান করে নিয়েছে, তার মানে এ রাজ্যের প্রশাসন এবং জনগণ এই পরিচ্ছন্নতাকে কতটাগুরুত্ব দিয়েছে, তা বোঝা যায়। এই সাফল্যের সঙ্গে আজ যুক্ত হ’ল নর্মদা যোজনা সেবাযাত্রার সাফল্য। এই সাফল্য কেবলই সরকারের শক্তিতে হয়নি, জনগণের সার্বিক অংশগ্রহণেসম্ভব হয়েছে। শিবরাজজি আগামী ২ জুলাই-এর মধ্যে ৬ কোটি বৃক্ষরোপণের যে লক্ষ্যমাত্রাধার্য করেছেন, তার ব্যবস্থা করতে বিগত দেড় বছর ধরে লাগাতার কাজ চলছে। হঠাৎ করেতিনি এরকম ঘোষণা করতে পারেননি। আগে রাজ্যের নার্সারিগুলিতে অঙ্কুরোদগম থেকে শুরুকরে এই ৬ কোটি চারাগাছগুলির লালন-পালন করতে হয়েছে। আমরা যেমন পরিবারে সন্তানদেরলালন-পালন করি, তেমনই লালন-পালন না করলে এই চারাগাছগুলি কেমন করে মহীরূহে পরিণতহবে।

আমাদের শাস্ত্রে বলা হয় যে, যিনি এক বছরের কথা ভাবেন, তিনি শস্য ফলান। আরযিনি ভবিষ্যতের কথা ভাবেন, তিনি ফলের গাছ লাগান। ফলের গাছ লাগিয়ে তাকে ঠিকভাবেলালন-পালন করলে আগামী অনেক বছর ধরে সেই গাছ পরিবারের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্যের কারণহয়ে ওঠে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, মধ্যপ্রদেশ সরকারও এরকম চিন্তাভাবনা মাথায় রেখেই এইপ্রকল্প গড়ে তুলেছেন, সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এই অভিযান চালিয়েছেন। আমিমধ্যপ্রদেশ সরকারের এই পরিকল্পনা ভালোভাবে খতিয়ে দেখেছি, সেখানে প্রত্যেকের কাজআলাদা, প্রত্যেক জায়গার কাজ আলাদা; কখন করতে হবে, কিভাবে করতে হবে, তার নির্দেশসেখানে স্পষ্টভাবে লেখা রয়েছে। এই পরিকল্পনার শ্বেতপত্র যে কত দূরদৃষ্টিসম্পন্ন তাআমি অনুভব করেছি। আমি দেশের অন্যান্য রাজ্যকেও অনুরোধ করব যে, মধ্যপ্রদেশেরঅভিজ্ঞতাকে জানতে। শিবরাজজি-কেও অনুরোধ করব যে, দেশের সকল রাজ্যে আপনাদের এইপরিকল্পনার প্রতিলিপি পাঠান। সকল প্রাকৃতিক উপাদানের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করেরাজ্যের উন্নয়নকে কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ, মধ্যপ্রদেশসরকার।

আমরা সবাই বলি, জলই জীবন। আমরা সবাই বলি, নদী আমাদের মা। এই নদীমাতৃক দেশেআমাদের অর্থ ব্যবস্থাই জলনির্ভর। এই নর্মদা অভিযানের সাফল্য হিসাবে ইতিমধ্যেইমধ্যপ্রদেশ কৃষির উন্নতিতে ২০ শতাংশ অগ্রগতি করতে পেরেছে। এই শক্তি, কৃষকের জীবনপরিবর্তনের এই শক্তি মা নর্মদার রয়েছে।

ভারত সরকার, আগামী ২০২২ সালের মধ্যে প্রত্যেক কৃষকের আয় দ্বিগুণ করারসংকল্প নিয়ে যে কাজ শুরু করেছে, মধ্যপ্রদেশ সরকার এই অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছে। আমিনিশ্চিত যে, কৃষকদের সহযোগিতায় ভারতের প্রত্যেক গ্রাম লাভবান হবে।

ভাই ও বোনেরা, ২০২২ সালে স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষ পূর্তি হচ্ছে। এই দেশকেস্বাধীন করতে যেসব মহাপুরুষরা আত্মবলি দিয়েছেন, নিজেদের সম্পূর্ণ যৌবন কারান্তরালেকাটিয়েছেন, হাসতে হাসতে ফাঁসির দড়ি গলায় পরেছেন, নিজেদের জীবন ও পরিবারের কথা নাভেবে ভারতমাতাকে শৃঙ্খলমুক্ত করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন, তাঁদের স্বপ্ন আজও সফল হয়নি।এটি অত্যন্ত লজ্জার কথা। দেশের স্বাধীন হওয়ার ৭০ বছর পরও আমরা এই মহামানবদেরস্বপ্নকে বাস্তবরূপ দিতে পারিনি। এখন ৭৫ বছর পূর্তির পাঁচ বছর বাকি। ভারতের ১২৫কোটি জনগণ কি সংকল্প গ্রহণ করতে পারেন যে, ঐ মহামানবদের স্মরণে তাঁদেরপরিবারবর্গের ত্যাগ ও তিতিক্ষার সম্মানে আমরা ২০২২ সালের মধ্যে তাঁদের সকলস্বপ্নকে বাস্তব রূপ দেব। আমাদের গ্রাম ও শহরে প্রত্যেকে মিলে এই অসম্পূর্ণকাজগুলি করব। প্রত্যেক সংস্থা, প্রত্যেক সমাজ, প্রত্যেক রাজ্যের প্রতিটি মানুষ এইসংকল্প নিয়ে এগিয়ে গেলে সাফল্য আসবেই।

২০২২ সালে ‘নতুন ভারত’ গড়ে তোলার এই স্বপ্নের সঙ্গে প্রত্যেক ভারতবাসীকেজুড়তে হবে। স্বাধীনতা আন্দোলনে যেমন দেশের মানুষ যুক্ত হয়েছিলেন, আজ দেশকে নতুনউচ্চতায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য নতুন ভারত নির্মাণের জন্য তেমনই সকলকে যুক্ত করতে হবে।সবাই একসঙ্গে বসে ঠিক করুন যে, আপনার পরিবার, আপনাদের সংস্থা, আপনার সংগঠন, আপনারসমাজ, আপনার দল কী কী কাজ করবে? একবার দেশে এই সংকল্পের আবহ গড়ে উঠলে আগামী পাঁচবছরে দেশকে কোথা থেকে কোথায় পৌঁছে দেব! আমি নিশ্চিত, দেশের ১২৫ কোটি মানুষ দেশেরস্বার্থে এক পা এগিয়ে গেলে দেশ পাঁচ বছরে ১২৫ কোটি পা এগিয়ে যাবে। আমাদের এইসংকল্প নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

 

আমি আজ পূজনীয় অবধেশানন্দজির কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ, তিনি আমার জন্য যেআশীর্বাণী উচ্চারণ করেছেন, আমি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, আমাদের সবার মধ্যে সেইক্ষমতা জেগে উঠুক, সেই ভালো গুণগুলি জাগ্রত হোক, সেই সমর্পণ ভাব; যাতে আমরা সকলেদেশের সেবার জন্য নিজেকে যোগ্য করে তুলতে পারি। আমি তাঁর এই আশীর্বাণীর জন্য অন্তরথেকে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানাই, তাঁকে প্রণাম জানাই।

আমি আপনাদের সবাইকেও হৃদয় থেকে অভিনন্দন জানাই, শিবরাজজি যেমন বলেছেন, এইতীর্থযাত্রা এখানে শেষ হ’ল ঠিকই কিন্তু এই যাত্রাকালে আমরা যা ভেবেছি, যা দেখেছিএবং যা করেছি, সেগুলি চরিতার্থ করার কর্মযজ্ঞ এখান থেকে শুরু হ’ল। যাত্রা সমাপ্তহ’ল, যজ্ঞ শুরু হ’ল। যজ্ঞে আহুতি দিতে হয়, সময় দিতে হয়, নিজের ইচ্ছা ওআকাঙ্খাগুলিকে সমাজের জন্য আহুতি দিতে হয়। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, নর্মদার উজ্জ্বলভবিষ্যতের কথা ভেবে আপনাদের সকলের প্রচেষ্টায় এই যজ্ঞও সফল হবে। এই ভাবনা নিয়েআপানারা সবাই আমার সাথে সমস্বরে বলুন, দু’হাত মুষ্টিবদ্ধ করে উপরে তুলে বলুন – আমিবলব, নর্মদে, আর আপনারা বলবেন সর্বদে।

নর্মদে – সর্বদে

আপনাদের আওয়াজ নর্মদার ওপারের মানুষ যেন শুনতে পান, ‘খম্বাত কি খাড়ি’পর্যন্ত যেন শোনা যায়।

নর্মদে – সর্বদে

নর্মদে – সর্বদে

অনেক অনেক ধন্যবাদ।

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India remains among best-performing major economies: S&P Global

Media Coverage

India remains among best-performing major economies: S&P Global
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
সোশ্যাল মিডিয়া কর্নার 19 এপ্রিল 2026
April 19, 2026

Building a Stronger Bharat: Infrastructure Revolution, Economic Resilience & Inclusive Welfare Under PM Modi