প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ লোকসভায় ভাষণ দেন। সকালে পেশ হওয়া সব গুরুত্বপূর্ণ বিল নিয়ে আলোচনার উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, যুক্তি ও তথ্যের ওপর ভিত্তি করে অনেক সহকর্মী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপরে কার্যকরী আলোকপাত করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ সময়ের আবির্ভাব হলে সামাজিক মানসিকতা এবং সমকালীন নেতৃত্বগত দক্ষতা সেই মুহুর্তকে শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় পরম্পরা গড়তে কাজে লাগায়। তিনি বলেন, বর্তমান সন্ধিক্ষণে ভারতের সংসদীয় গণতন্ত্রে অনুরূপ গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্তের জন্ম দিয়েছে। এই বিষয়টি ২৫-৩০ বছর আগে রূপায়িত হলে আজ তা পরিপূর্ণতা পেত। গণতন্ত্রের ধাত্রী হিসেবে ভারতের পরিচিতিকে তুলে ধরে তিনি বলেন, সভার সদস্যরা পবিত্র এই সুযোগের সামনে দাঁড়িয়ে সহস্রাব্দ প্রাচীন পরম্পরাকে নতুন এবং সংস্কারমূলক গতিমুখ দিতে পারেন। তিনি বলেন, দেশের জনসংখ্যার অর্ধেককে নীতি নির্ধারণে সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া এক অবিস্মরণীয় সুযোগের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের এই সুযোগ যাতে তারা না হারান সে ব্যাপারে অনুরোধ করেন। রূপান্তরমূলক প্রয়াস গড়ে ওঠার ওপর আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী জোরের সঙ্গে বলেন, সমস্ত ভারতীয়রা একযোগে দেশের ভবিষ্যত গড়ে তোলার সংকল্প নির্ধারণে গভীর অনুভূতির সঙ্গে পরিচালন ব্যবস্থায় শক্তি যোগাতে চাইছে। শ্রী মোদী বলেন, “আমরা এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণের মুখে দাঁড়িয়ে যখন মন্থন থেকে উঠে আসা অমৃত রাষ্ট্রের দিশাপথ ঠিক করে দেবে”।
একবিংশ শতকের ভারতের প্রতি পূর্ণ আস্থা ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমগ্র দেশ সাম্প্রতিক সময়কালে সার্বিক, বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে। উন্নত ভারতের সংকল্প পথে এই মুহুর্ত প্রভূত গরিমার সঙ্গে বাঁধা। তিনি বলেন, উন্নত ভারতকে ঘিরে তাঁর লক্ষ্য, অত্যাধুনিক পরিকাঠামোকে ছাপিয়ে “সবকা সাথ সবকা বিকাশ” মন্ত্রকে নীতি নির্ধারণের সঙ্গে যৌক্তিক সংহতিকরণ। তিনি জনসংখ্যার ৫০ শতাংশকে নীতি নির্ধারণের সঙ্গে অঙ্গীভূত করাকে এক জরুরি চাহিদা জানিয়ে বলেন অতীতের বিলম্ব সত্ত্বেও কোনও রাজনৈতিক দলই বিস্তৃত ব্যক্তিগত আলোচনাতে এই বিলে নীতিগত বিরোধীতা করেনি। তিনি বলেন যে ইতিহাস প্রমাণ দেয় যৌথ প্রয়াস ব্যক্তিগত রাজনৈতিক সত্বার ঊর্ধ্বেও বস্তুত রাষ্ট্রের গণতন্ত্রের স্বার্থকে চরিতার্থ করে। তাঁর নিজের বা ট্রেজারি বেঞ্চেরই সাফল্য নয়, সমগ্র সভার সঙ্গেই এই সাফল্য জড়িত। শ্রী মোদী দ্ব্যর্থহীনভাবে এতে কোনো রাজনৈতিক রং লাগাতে না করেন।
প্রথাগত সরকারী পরিচালন ব্যবস্থার বাইরে সাংগঠনিক কর্মী হিসেবে তাঁর অতীতের ওপর আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পঞ্চায়েত স্তরের সংরক্ষণ নিয়ে ক্ষমতার অলিন্দে প্রভাবশালী স্থানগুলিতে আলোচনা শোনা যায়। তিনি উল্লেখ করেন, নেতারা পঞ্চায়েতে কোটা বরাদ্দের ক্ষেত্রে স্বচ্ছন্দ্য ছিলেন কারণ তাতে তাঁদের ক্ষমতা বা পদ হারানোর কোনও ভয় ছিল না। তিনি আরও বলেন, উচ্চ পদাধিকারীদের কোটা রূপায়ণে গভীর অনীহা দেখা দিত কারণ, তাতে তাঁদের নিজেদের অবস্থানই চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়াতো।
ঐতিহাসিক এই পট পরিবর্তনকে নীচু চোখে না দেখে তিনি সতর্ক করে বলেন, ২৫-৩০ বছর আগের অনুরূপ মহিলা অধিকার রক্ষার বিরোধীতায় আজও রাজনৈতিক আবর্তে গভীরভাবে অনুরণিত হচ্ছে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক চেতনার দারুণভাবে বিকাশ লাভ করেছে। সহস্র মহিলা পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়লাভ করেছে এবং নীরব দর্শকের জায়গা থেকে তাঁরা তৃণমূল স্তরে সক্রিয় নীতি নির্ধারক হয়ে ওঠেছে। অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এই মহিলারা জন অভিযোগকে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সামাল দিচ্ছেন। তিনি বলেন, বিধানসভা এবং সংসদে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের অন্তর্ভুক্তির দাবি জোড়ালো হয়ে উঠছে। সমস্ত উচ্চাকাঙ্খী রাজনীতিকদের এই পরিবর্তনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে শ্রী মোদী বলেন, এই সহস্র মহিলার নেতৃত্বে সমস্ত নির্বাচন ক্ষেত্র জুড়ে ভবিষ্যত নির্বাচন ফলাফলে গভীরভাবে প্রভাব বিস্তার করবে। রাষ্ট্রের মহিলাদের ওপরে সম্পূর্ণ বিশ্বাস ন্যস্ত করতে সভাকে অনুরোধ জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে মুহুর্তে ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ অর্জন করা যাবে, আইনসভার মহিলা সদস্যরা পুরুষতান্ত্রিক নির্দেশের পরোয়া না করেই বিভিন্ন গোষ্ঠী এবং শ্রেণীর জন্য বরাদ্দ বন্টন নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে নিজেরা যথেষ্ট সক্ষম হয়ে উঠবেন। অত্যন্ত পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায় থেকে তাঁর উত্থান একথা স্বীকার করে নিয়ে শ্রী মোদী বলেন, তাঁর সর্বোত্তম সাংবিধানিক দায়িত্ব হল, সমাজের প্রত্যেকটা শ্রেণীকে একসাথে নিয়ে চলা। তিনি বলেন, সংবিধান তাঁর কাছে সর্বোচ্চ। প্রান্তিক কোনো ব্যক্তিকে যে শক্তি রাষ্ট্রের বিপুল দায়িত্ব পালনে অধিকার করে দিতে পারে এটাই সেই শক্তি বলে আলোকপাত করেন তিনি। শ্রী মোদী বলেন, মহিলাদের দক্ষতা নিয়ে সংশয় প্রকাশের অবকাশ নেই। তাঁরা এগিয়ে যাক, নিজেরাই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুক।
জীবনের সমস্ত ক্ষেত্রে অসামান্য সাফল্যের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের ধ্বজাকে তুলে ধরতে এবং রাষ্ট্রের গর্বকে প্রতিপন্ন করতে মহিলা শক্তি পিছিয়ে নেই। তিনি বলেন, মা, বোন এবং কন্যাদের অসামান্য অবদান সমগ্র দেশকে মাথা তুলে দাঁড়াতে সাহায্য করেছে। জনসংখ্যার এই সক্ষম অংশের আকাঙ্খা পূরণ হতে না দেওয়ার রাজনৈতিক শক্তির যৌক্তিকতা কি তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শ্রী মোদী বলেন, আইনসভার মহিলাদের সংযুক্তিকরণের মধ্যে দিয়ে রাষ্ট্রের সার্বিক সক্ষমতা বিকাশ লাভ করে। কেবলমাত্র ক্ষুদ্র রাজনৈতিক লাভালাভের কথা চিন্তা না করে রাষ্ট্রের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির মূল্যায়ণ করতে সভার সদস্যদের অনুরোধ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্ত মন নিয়ে বিকশিত ভারত গড়ে তুলতে মহিলাদের অংশগ্রহণকে সুরক্ষিত করতে সম্মিলিত চিন্তার সুযোগ এসেছে। তিনি বলেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সমগ্র দেশ খতিয়ে দেখবে। মহিলা নির্বাচক মণ্ডলী এই অভিপ্রায়কে আরও বেশি করে পর্যালোচনা করবে। রাজনৈতিক বিদ্বেষের ফলাফল নিয়ে সভাকে সতর্ক করে তিনি বলেন, কোনও সুচিন্তিত ভ্রান্তি চরম নিন্দার মুখে দাঁড় করাবে । শ্রী মোদী বলেন, অভিপ্রায়ের পথে কোনও ভ্রান্তি দেশের নারীশক্তি কখনও ক্ষমা করবে না।
২০২৩ সালে নতুন সংসদ ভবনে সর্বসম্মতভাবে এই আইনের আনন্দদায়ক স্বীকৃতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী একে দেশজুড়ে সদর্থক এবং পক্ষপাতহীন গ্রহণযোগ্যতা গড়ে তুলেছিল বলে জানান। সীমানা পুনর্বিন্যাস এবং জনগণনা পরিসংখ্যান নিয়ে উদ্বেগের প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড ১৯ অতিমারীকে ঘিরে বিলম্ব ঘটে গেছে। ফলত এখন দ্রুত কাজ করার সময়। ২০২৪-র আগে এর রূপায়ণ অসম্ভব হয়ে পড়ার পর ২০২৯-এরও সময়সীমা পূর্ণ করার সুযোগ হারালে তা জনবিশ্বাসকে স্থায়ীভাবে নড়িয়ে দেবে। দেশে নারী জনসংখ্যাকে এটা বিশ্বাস করানো কঠিন হয়ে উঠবে যে, তাদের স্বশক্তিকরণের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রতিষ্টান প্রকৃতই দায়বদ্ধ। ফলে আমাদের আর কোনও অবস্থাতেই বিলম্ব করা উচিত নয়।
প্রধানমন্ত্রী সভায় উপস্থিত সদস্যদের সাংবিধানিক দায়িত্ব সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ভৌগোলিকভাবে খণ্ডিত সিদ্ধান্ত নেওয়া কোনও অধিকার সভার নেই। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী সমস্ত সাংসদরাই ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে তাদের মৌলিক দায়িত্ব পালনের শপথ নিয়েছেন। ভিত্তিহীন নানান আশঙ্কাকে ঘিরে রাজনৈতিক ঘূর্ণাবর্তের কঠোর নিন্দা করে শ্রী মোদী বলেন, এই পবিত্র সভা নতুন সীমানা বিন্যাস নিয়ে কোনও রাজ্য এবং এলাকার জন্য বৈষম্যমূলক কিছু করবে না।
সভার সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দশকের পর দশক ধরে মহিলাদের অধিকার প্রদানকে আটকে রাখা যৌথভাবে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতা। ত্রুটিগত অজুহাতকে তুলে ধরে এই সংরক্ষণের সমালোচনার সময় অতিক্রান্ত। দেশের নারীরা কখনও জটিল পদ্ধতিগত বাহুল্যের দ্বারা বঞ্চিত হতে পারেন না।
ব্যক্তিগত বা দলগত কৃতিত্ব নিতে চান না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দলগত স্বার্থসিদ্ধির বাইরে বেরিয়ে এসে ঐক্যবদ্ধ অভিমুখ গড়ে তোলা দরকার। এই বিলের দার্শনিক প্রেক্ষাপটের মূল্যায়ণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে মহিলাদের অংশগ্রহণ পরিসংখ্যানগত সাযুয্যকে ছাপিয়ে ওঠে দেশের ধাত্রী গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের বিপুল সাংস্কৃতিক দায়বদ্ধতার এক অঙ্গীকার। পঞ্চায়েত স্তরে ২০টিরও বেশি রাজ্যে ৫০ শতাংশ সংরক্ষণ সাফল্যের সঙ্গে রূপায়ণ করা গেছে এবং তাতে সদর্থক ফল পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে মহিলারা যে কত দূরদর্শী ভূমিকা পালন করতে পারেন তা তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর দীর্ঘ সময়কালে প্রত্যক্ষ করেছেন। জনসংখ্যার এই বিপুল অংশকে রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণের সঙ্গে সংযুক্ত করলে তাতে নব শক্তির সঞ্চার ঘটবে এবং আইন প্রণয়নগত দক্ষতার যৌক্তিক প্রসার লাভও সম্ভব হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে অভিজ্ঞ দক্ষ মহিলার কোনও অভাব নেই। তাঁদের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস অর্পণ করলে রাষ্ট্রের পরিচালন ব্যবস্থায় নতুন শক্তি সংযোজিত হবে। বর্তমান আইনসভার মহিলা সদস্যদের কৃতিত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যখনই তাঁদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে তাঁরা তাদের কৃতিত্ব প্রদর্শন করেছেন।
তিনি বলেন, ৬৫০টিরও বেশি জেলা পঞ্চায়েতের নেতৃত্বে রয়েছে প্রায় ২৭৫ জন মহিলা। তাঁরা বাজেট সহ বিপুল দায়িত্ব সামাল দিচ্ছেন যা কেন্দ্রের মন্ত্রীদের থেকেও অনেক বেশি। সেইসঙ্গে প্রায় ৬,৭০০ ব্লক পঞ্চায়েতের মধ্যে ২,৭০০-র বেশি প্রত্যক্ষ মহিলা নেতৃত্বাধীন। এর পাশপাশি শহরাঞ্চলের ক্ষেত্রে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলিতে মেয়র এবং স্ট্যান্ডিং কমিটির নেতৃত্বে ৯০০-র বেশি শহরে মহিলারা রয়েছেন। তিনি বলেন, এই সংরক্ষণ বিল রাষ্ট্রের সামনে এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ মহিলাদের প্রতি স্বীকৃতি জানানোর। তৃণমূল স্তরে তাদের কৃতিত্বকে এর মাধ্যমে শিরোপা দেওয়া হবে যা রাষ্ট্রের অগ্রগতির নির্ণায়ক হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, বিপুল প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এই সব মহিলারা সভায় যোগদান করলে তাতে সভা শক্তিশালী হয়ে ওঠতে পারে।
শ্রী মোদী বলেন, রাষ্ট্রের উন্নয়নের স্বার্থে সক্রিয় মহিলা শক্তির অংশগ্রহণকে সুনিশ্চিত করতে অতীতের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার সুযোগ করে দিয়েছে বর্তমান এই মুহুর্ত। সর্বসম্মতভাবে এই বিলটিকে আইনে পরিণত করার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্মিলিত ঐক্যমতে পক্ষপাতহীন সকলের অধিকার সুনিশ্চিত করার এক সদর্থক চাপ ট্রেজারি বেঞ্চের ওপরেও তৈরি হবে।
ভাষণ শেষে শ্রী মোদী বলেন, দেশের অর্ধেক জনসংখ্যার অনস্বীকার্য অধিকার রয়েছে এই সভার বসার। সভার আসন সংখ্যা নিয়ে বিতর্কের উত্তরে তিনি বলেন, মোট আসনের পরিবর্ধন ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণকে অনায়াসে অঙ্গীভূত করে নিতে পারবে। তা বর্তমান সদস্যদের অধিকারের ক্ষেত্রে কোনো পরিপন্থী হবে না। তিনি বলেন, নতুন সংসদ ভবন এই অতিরিক্ত শক্তিকে জায়গা করে দেওয়ার মতো সংস্থান রেখেই তৈরি করা হয়েছে।
Click here to read full text speech
A historic opportunity to empower our Nari Shakti. pic.twitter.com/vmJM8VVHgv
— PMO India (@PMOIndia) April 16, 2026
Including Nari Shakti in decision-making is key to building a Viksit Bharat. pic.twitter.com/RyMAIDB7UF
— PMO India (@PMOIndia) April 16, 2026
More and more women are becoming leaders at the grassroots level. pic.twitter.com/FTvEFdy3w9
— PMO India (@PMOIndia) April 16, 2026
We must not assume we are giving something to the Nari Shakti; this is their right. pic.twitter.com/H4UDhfoHy3
— PMO India (@PMOIndia) April 16, 2026
Women's participation in our parliamentary democracy is not just about numbers, but a commitment to democratic values. pic.twitter.com/LkcNFTraKs
— PMO India (@PMOIndia) April 16, 2026


