Yoga is India's timeless gift to humanity! Uniting mind, body and spirit, it inspires a healthier, more harmonious world: PM
Ahmedabad is a UNESCO World Heritage City, and hosting this event in this historic city of India is a matter of pride for the entire country: PM
The World Yogasana Championship before World Yoga Day has brought with it a double dose of health and wellness: PM
The World Yogasana Championship will give Yogasana new recognition as a competitive sport, paving the way for its inclusion in the Olympics and other multi-sport events: PM

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ গুজরাটের আমেদাবাদে ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে প্রথম বিশ্ব যোগাসন চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন করেছেন। এর মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সূচনা হল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শ্রী মোদী বলেন, “আজ আমেদাবাদের মাটিতে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল।”

এই চ্যাম্পিয়নশিপে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যেসব ক্রীড়াবিদরা এসেছেন, তাঁদের স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমেদাবাদ ইউনেস্কোর বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী শহরের তালিকাভুক্ত। ভারতের এই ঐতিহাসিক শহরে এ ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা সারা দেশের জন্য অত্যন্ত গর্বের।”

আন্তর্জাতিক স্তরে যোগাসন চর্চার নানা উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপিত হয়। এ বছর এই দিনের মূল অনুষ্ঠানটি হবে ভারতের ঐতিহাসিক শহর কলকাতায়। “আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের প্রাক্কালে বিশ্ব যোগাসন চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করা আসলে সুস্বাস্থ্যের জন্য ডবল ডোজ প্রয়োগের সামিল।”

আন্তর্জাতিক স্তরে যোগাসনকে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে ভারতের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, প্রায় এক দশক আগে ভারত রাষ্ট্রসঙ্ঘে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপনের প্রসঙ্গ সম্বলিত একটি প্রস্তাব উত্থাপন করে। মানবজাতির সুস্বাস্থ্যের সঙ্গে প্রাচীন ভারতের এই ঐতিহ্যের মেলবন্ধন ঘটানোই যার উদ্দেশ্য ছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারতের সেই প্রস্তাবকে ১৯০টি দেশ সমর্থন করেছিল।”

আজ সারা বিশ্বজুড়ে যোগাসনের গ্রহণযোগ্যতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে শ্রী মোদী বলেন, যোগ, ধ্যান এবং প্রাণায়ামকে লক্ষ লক্ষ্ মানুষ তাঁদের দৈনন্দিন জীবনে এবং জীবনচর্যায় অঙ্গীভূত করেছেন। পরিবর্তনশীল জীবনযাত্রায় বিশ্ব যোগাসন চ্যাম্পিয়নশিপ সমসাময়িক সময়কালে তার প্রাসঙ্গিকতাকে প্রমাণ করে। এর মধ্য দিয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া অনুষ্ঠানে যোগাসনকে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে। আগামীদিনে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাগুলিতে যোগাসন স্থান পাবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। “এই চ্যাম্পিয়নশিপের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়াঙ্গনে যোগাসন নতুন স্বীকৃতি পাবে। ভবিষ্যতে যোগাসন অলিম্পিক সহ অন্যান্য ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অন্তর্ভুক্ত হবে বলে আমার বিশ্বাস।”

শ্রী মোদী আমেদাবাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উল্লেখ করে বলেন, এই শহরে যোগাসন চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হল। এর মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনের মূল ধারায় যোগাসন স্বীকৃতি পেল। খেলাধূলায় যোগের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার সঙ্গে অর্থনীতি ও পেশাদারিত্বের ক্ষেত্রে তার প্রভাবের কথা উল্লেখ করেন তিনি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে এবং পেশায় যোগের নতুন নতুন সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। “ক্রীড়াঙ্গনে যোগাসনে প্রসার বৃদ্ধি পাচ্ছে, এর ফলে নতুন নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে, ক্রীড়াবিদ, প্রশিক্ষক, ক্রীড়া-বিজ্ঞানী, গবেষক এবং ইভেন্ট ম্যানেজারদের কেরিয়ারে নতুন নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বছরের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল ভাবনা হল – ‘বৃদ্ধাবস্থায় সুস্থ থাকার জন্য যোগ’। সমসাময়িক বিশ্বে স্বাস্থ্যক্ষেত্রের বিভিন্ন উদ্বেগ নিরসনে যোগের প্রাসঙ্গিকতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যোগাভ্যাস মানুষের আয়ু বৃদ্ধি করে। “যাঁরা নিজেকে সুস্থ রাখা এবং দীর্ঘদিন সক্রিয় রাখার জন্য নানা পন্থাপদ্ধতি খুঁজে বেড়াচ্ছেন, যোগ তাঁদের জন্য যথাযথ।”

শ্রী মোদী বলেন, যোগের দ্বিমুখী উপকারিতা রয়েছে। যোগ সহজেই অনুশীলন করা যায় এবং এটি ব্যয়সাশ্রয়ী এক পন্থা। আজ বিশ্বজুড়ে যোগের চাহিদা বাড়ছে। জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে যোগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যোগের মাধ্যমে সহজেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে। “প্রতিদিন যোগাভ্যাস করুন, এর ফলে সমস্ত ব্যাধিকে দূরে সরিয়ে রাখা সম্ভব হবে।”

আয়ুষ মন্ত্রক সম্প্রতি ‘যোগ ৩৬৫’ উদ্যোগের সূচনা করেছে। প্রতিদিন যোগাভ্যাসের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বজুড়ে এই আন্দোলনের গ্রহণযোগ্যতার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ক্রীড়াবিদদের তিনি বলেন, তাঁরা যখন তাঁদের বাড়ি ফিরে যাবেন, তখন যোগাভ্যাসের দূত হিসেবে নিজেকে পরিচিত করে তুলুন। এর মধ্য দিয়ে  তাঁরা ইনফ্লুয়েন্সার এবং ওপিনিয়ন লিডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ পাবেন। “আপনারা যখন নিজ নিজ দেশে ফিরে যাবেন, তখন ‘যোগ ৩৬৫’র দূর হিসেবে যোগাসনের বার্তা প্রচার করুন। আপনাদের নিজেদের অভিজ্ঞতা ও আস্থার মধ্য দিয়ে সারা বিশ্বে এই বার্তা প্রচার করুন।”

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিযোগীকে তিনি বলেন, এই প্রতিযোগিতার ফল যাই হোক না কেন, তাঁরা যাতে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে উপভোগ করেন, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করুন। তিনি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের তাৎপর্যের কথাও তুলে ধরেন।

বিশ্বমানের ক্রীড়া প্রতিযোগীরা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছেন। তাঁদের অনুপ্রেরণাদায়ক শক্তির মধ্য দিয়ে সারা পৃথিবীর যুব সম্প্রদায় যোগের বিষয়ে আকৃষ্ট হবেন বলে প্রধানমন্ত্রী মনে করেন। “আপনাদের অঙ্গীকার বিশ্বজুড়ে যুব সম্প্রদায়কে অনুপ্রাণিত করবে।” 

এরপর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন করেন। “আমি আমেদাবাদে প্রথম বিশ্ব যোগাসন চ্যাম্পিয়নশিপ, ২০২৬-এর সূচনার ঘোষণা করছি!”

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India’s power sector set for strong FY27 growth on rising demand, capacity additions: Report

Media Coverage

India’s power sector set for strong FY27 growth on rising demand, capacity additions: Report
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister shares Sanskrit Subhashitam applauding the courage and perseverance of India's Youth
July 20, 2026

The Prime Minister, Shri Narendra Modi, shared a Sanskrit Subhashitam applauding the courage and perseverance of India's Youth:

"प्राप्यापदं न व्यथते कदाचिदुद्योगमन्विच्छति चाप्रमत्तः।

दुःखं च काले सहते महात्मा धुरन्धरस्तस्य जिताः सपत्नाः॥"

Shri Modi said that our youth is achieving historic success through their courage, self-confidence, and relentless hard work, and this is the greatest strength of a rapidly developing India.

The Prime Minister posted on X:

आज हमारे युवा साथी धैर्य, आत्मविश्वास और अथक परिश्रम से ऐतिहासिक सफलता हासिल कर रहे हैं। यही विकसित हो रहे भारत की सबसे बड़ी ताकत है।

प्राप्यापदं न व्यथते कदाचिदुद्योगमन्विच्छति चाप्रमत्तः।

दुःखं च काले सहते महात्मा धुरन्धरस्तस्य जिताः सपत्नाः॥