শেয়ার
 
Comments
গোয়ার প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের টিকার প্রথম ডোজ ১০০ শতাংশ সম্পূর্ণ হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা
অনুষ্ঠানে শ্রী মনোহর পারিক্করের কর্মধারাকে স্মরণ করা হয়েছে
‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস ও সবকা প্রয়াস’ – এর যথাযথ ফলফল গোয়া উপস্থাপিত করেছে : প্রধানমন্ত্রী
আমি জীবনে অনেক জন্মদিন পালন করেছি এবং সব জন্মদিনই একই রকম ছিল কিন্তু গতকাল আড়াই কোটি মানুষের টিকা পাওয়ার খবরে আমি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছি : প্রধানমন্ত্রী
গতকাল প্রতি ঘণ্টায় ১৫ লক্ষেরও বেশি, প্রতি মিনিটে ২৬ হাজারেরও বেশি ও প্রতি সেকেন্ডে ৪২৫টিরও বেশি ডোজ দেওয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
গোয়ার প্রতিটি সাফল্য ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’ – এর ধারণার উদাহরণ হয়ে ওঠায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত : প্রধানমন্ত্রী
গোয়া শুধুমাত্র একটি রাজ্যই নয়, গোয়া হল ব্র্যান্ড ইন্ডিয়ার একটি শক্তিশালী অংশীদার : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী গোয়ার কোভিড টিকাকরণ অভিযানের সঙ্গে যুক্ত স্বাস্থ্য কর্মী ও সুবিধাভোগীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মতবিনিময় করেছেন। এই রাজ্যের ১০০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কই টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছেন।

স্বাস্থ্য কর্মী ও সুবিধাভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় :

মতবিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী গোয়া মেডিকেল কলেজের লেকচারার ডাঃ নীতিন ধূপডালেকে প্রশ্ন করেন, কিভাবে কোভিড টিকা নেওয়ার জন্য তিনি সকলকে পরামর্শ দিয়েছেন। কোভিড টিকাকরণ অভিযান এবং অন্যান্য টিকাকরণ অভিযানের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে তিনি আলোচনা করেন। এই বিশেষ অভিযানটিকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় ডাঃ ধূপডালে সরকারের  প্রশংসা করেন। বিরোধীদের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আড়াই কোটি মানুষ টিকা পাওয়ার পরও কিভাবে তাঁরা বিরূপ মন্তব্য করেন। শ্রী মোদী চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের গোয়ার প্রাপ্তবয়স্ক সকলের টিকার প্রথম ডোজ পাওয়ায় প্রশংসা করেন।  তিনি বলেন, সারা বিশ্বের কাছে এটি অনুপ্রেরণার উদাহরণ হয়ে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী কোভিড সুবিধাভোগী ও সমাজসেবী শ্রী নাজির শেখের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় জানতে পারেন, কিভাবে তিনি অন্যদের কোভিড টিকা নিতে উৎসাহিত করেন এবং টিকা কেন্দ্রে তাঁদের নিয়ে আসার সময় কি কি সমস্যার সম্মুখীণ হন। শ্রী মোদী শ্রী নাজিরকে টিকাকরণ অভিযানে তাঁর অভিজ্ঞতার কথা জিজ্ঞেস করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রী নাজিরের উদ্যোগের জন্য এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ অভিযান সাফল্যের মুখ দেখেছে, যা যথাযথ সবকা প্রয়াসের উদাহরণ। প্রধানমন্ত্রী দেশের সর্বত্র সচেতন সমাজসেবীদের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। 

শ্রী মোদী,  শ্রীমতী সীমা ফার্নান্ডেজের সঙ্গে কথা বলার সময় টিকাকরণ নিয়ে মানুষের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর তিনি কিভাবে দেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ-খবর নেন। শ্রীমতী ফার্নান্ডেজ কোল্ড চেনের বিষয়ে ব্যাখ্যা করেন। টিকাকরণে কিভাবে কোল্ড চেন বজায় রাখা হয় এবং টিকার অপচয় বন্ধ করা হয় -  সে বিষয়ে শ্রী মোদী তাঁর কাছে জানতে চান। শ্রীমতী ফার্নান্ডেজের পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যার মধ্যেও যেভাবে তিনি কাজ করে চলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তার প্রশংসা করেন। এই প্রসঙ্গে তিনি করোনা যোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যদের ভূমিকার জন্য তাঁদের ধন্যবাদ জানান।

শ্রী শশীকান্ত ভগতের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী তাঁর জন্মদিনের দিন পরিচিতদের সঙ্গে কিভাবে আলাপ-চারিতায় মেতে উঠেছিলেন, সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। কেউ যখন তাঁকে তাঁর বয়স কত জানতে চান, তিনি তখন তাঁদের বলেছেন, ‘আরও ৩০ বাকি আছে’। শ্রী মোদী ৭৫ বছর বয়সী শ্রী ভগৎ-কে পরামর্শ দেন, পূর্বের ঘটনাবলীর উপর বেঁচে না থেকে আগামী ২৫ বছর তিনি কি করবেন, তা নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। টিকা নেওয়ার সময় শ্রী ভগৎ কি কি সমস্যায় পড়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী সে বিষয়ে জানতে চান। শ্রী ভগৎ প্রবীণ নাগরিকদের টিকাকরণ অভিযানে অগ্রাধিকার দেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে অহেতুক ভয় দূর করতে তিনি পরামর্শ দেন। অবসরপ্রাপ্ত এই সেলস্ ট্যাক্স অফিসার জানিয়েছেন, ডায়াবেটিস থাকা সত্ত্বেও তাঁর কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়নি। প্রধানমন্ত্রী শ্রী ভগতের সমাজসেবামূলক কাজের প্রশংসা করেন এবং বলেন, কর ব্যবস্থায় সরলীকরণের মধ্য দিয়ে সহজ জীবনযাত্রা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী সুইটি এস এম ভেঙ্গুরলেকরের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রত্যন্ত অঞ্চলে কিভাবে তিনি টিকা উৎসবের আয়োজন করেছিলেন, সে বিষয়ে জানতে চান। এ ধরনের উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা পদ্ধতির পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রী মহামারীর সময় সাধারণ মানুষ যাতে সহজেই টিকা পান, সে বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন। কোভিড টিকাকরণের মত বৃহৎ উদ্যোগে যথাযথ তথ্য সঞ্চিত রাখা এবং সেগুলির প্রচার চালানোর বিষয়ে তিনি পরামর্শ দেন। 

প্রধানমন্ত্রী দৃষ্টিবঞ্চিত শ্রীমতী সুমেরা খানের কাছে তাঁর টিকাকরণ অভিযানের বিষয়ে জানতে চান। তিনি শ্রীমতী খানের শিক্ষা ক্ষেত্রের সাফল্যের প্রশংসা করেন এবং তাঁর আইএএস অফিসার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। ভিন্নভাবে সক্ষম নাগরিকদের জীবন সাধারণ মানুষকে অনুপ্রাণিত করে বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ :

প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সকলের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় পবিত্র গণেশ উৎসবে গোয়ার জনসাধারণ অনন্ত সূত্র অর্জন করায়, প্রশংসা করেছেন। গোয়ার প্রাপ্তবয়স্ক সকলে অন্তত টিকার প্রথম ডোজ পাওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। গোয়ার প্রতিটি সাফল্য ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’– এর ধারণার উদাহরণ হয়ে ওঠায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত”।   

আজকের এই সাফল্যের মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী শ্রী মনোহর পারিক্করের কর্মধারার প্রসঙ্গটি স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, বিগত কয়েক মাস ধরে গোয়ায় ভারী বৃষ্টিপাত, ঘূর্ণিঝড় এবং বন্যার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় সত্ত্বেও গোয়া যেভাবে টিকাকরণ অভিযান চালিয়েছে, তার জন্য সব করোনা যোদ্ধা, স্বাস্থ্য কর্মী এবং টিম গোয়ার সদস্যরা প্রশংসার দাবীদার।

বিভিন্ন সামাজিক ও ভৌগোলিক সমস্যা সত্ত্বেও গোয়া যেভাবে বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে টিকাকরণ অভিযানকে সফল করে তুলেছে, প্রধানমন্ত্রী তার প্রশংসা করেছেন। ক্যানাকোনা মহকুমা রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চল হওয়া সত্ত্বেও সেখানে যেভাবে টিকাকরণ হয়েছে, তা আদর্শ। ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস ও সবকা প্রয়াস’ – এর যথাযথ ফলফল গোয়া উপস্থাপিত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী আবেগপ্লুত হয়ে বলেন, তাঁর জীবনে বহু জন্মদিন তিনি দেখেছেন, সেখানে কোনও তফাৎ নেই অথচ গতকাল তিনি অত্যন্ত আবেগপ্লুত হয়ে উঠেছিলেন। দেশের জনসাধারণ এবং কোভিড যোদ্ধাদের কর্তব্যবোধ ও নিষ্ঠার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “এই পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত সকলেই সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন। তাঁদের কর্তব্য নিষ্ঠার কারণে একদিনে আড়াই কোটি টিকাকরণ করা সম্ভব হয়েছে”।

গত দু’বছর ধরে চিকিৎসা জগতে যুক্ত সকলে যেভাবে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনার বিরুদ্ধে  লড়াইয়ে দেশের মানুষকে সাহয্য করেছেন, তার ফলশ্রুতিতে গতকাল রেকর্ড সংখ্যক টিকার ডোজ দেওয়া সম্ভব হয়েছে। শ্রী মোদী জানান, হিমাচল প্রদেশ, গোয়া, চন্ডীগড় ও লাক্ষাদ্বীপে। প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের প্রত্যেকে টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছেন।   এই সাফল্য সিকিম, আন্দামান, নিকোবর, কেরল, লাদাখ, উত্তরাখন্ড এবং দাদরা ও নগরহাভেলী শীঘ্রই অর্জন করতে চলেছে।

শ্রী মোদী বলেন, ভারত টিকাকরণ অভিযানে পর্যটন কেন্দ্রগুলিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। আগে এ বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হয়নি। আমাদের পর্যটন কেন্দ্রগুলিকে পুনরায় চালু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেন্দ্রীয় সরকার বিদেশি পর্যটকদের দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে আসার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ভারতে প্রথম ৫ লক্ষ পর্যটককে বিনামূল্যে কোভিড টিকা দেওয়া হবে। এর ফলে, পর্যটন কেন্দ্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলে সরকারের থেকে সহযোগিতার আশ্বাস পেয়েছেন। ১ লক্ষ নিবন্ধীকৃত ট্যুরিস্ট গাইডকে কোভিড টিকা দেওয়া হয়েছে।  

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডবল ইঞ্জিন সরকারের কারণে গোয়া পর্যটন ক্ষেত্র আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে এবং রাজ্যের কৃষক ও মৎস্যজীবীরা উপকৃত হচ্ছেন। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই মোপা গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর , ছয় লেনের মহাসড়ক ও জুয়ারি সেতু সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে। এর ফলে, উত্তর ও দক্ষিণ গোয়ার মধ্যে যোগাযোগ উন্নত হবে।

শ্রী মোদী অমৃতকালে আত্মনির্ভরতার জন্য গোয়ার স্বয়মপূর্ণ হয়ে ওঠার লক্ষ্যপূরণে সকলকে শপথ নিতে বলেন। রাজ্যে ৫০ ধরণের জিনিস উৎপাদনের কাজ শুরু হয়েছে। বাড়ি বাড়ি শৌচালয় নির্মাণ, ১০০ শতাংশ বাড়িতে বিদ্যুতায়ন ও হর ঘর জল অভিযানের কথা তিনি উল্লেখ করেন। গত দু’বছরে দেশের ৫ কোটি বাড়িতে নলবাহিত জল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। গোয়া সুপ্রশাসন ও সহজ জীবনযাত্রাকে অগ্রাধিকার দিয়ে যে পথ দেখাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী তার প্রশংসা করেন। দরিদ্র পরিবারগুলির জন্য রেশন, বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার, পিএম-কিষাণ সম্মাননিধি বিতরণ, কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা আরও বেশি করে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, মহামারীর সময়ও এই উদ্যোগ অব্যাহত ছিল। রাস্তার হকারদের কাছে স্বনিধি প্রকল্পের সুযোগ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। গোয়াকে সীমাহীন সম্ভাবনার এক রাজ্য বলে বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গোয়া শুধুমাত্র একটি রাজ্যই নয়, গোয়া হল ব্র্যান্ড ইন্ডিয়ার একটি শক্তিশালী অংশীদার।    

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
৭৬তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের বঙ্গানুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

৭৬তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের বঙ্গানুবাদ
The Bharat Budget: Why this budget marks the transition from India to Bharat

Media Coverage

The Bharat Budget: Why this budget marks the transition from India to Bharat
...

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Text of PM’s address at the Krishnaguru Eknaam Akhand Kirtan for World Peace
February 03, 2023
শেয়ার
 
Comments
“Krishnaguru ji propagated ancient Indian traditions of knowledge, service and humanity”
“Eknaam Akhanda Kirtan is making the world familiar with the heritage and spiritual consciousness of the Northeast”
“There has been an ancient tradition of organizing such events on a period of 12 years”
“Priority for the deprived is key guiding force for us today”
“50 tourist destination will be developed through special campaign”
“Gamosa’s attraction and demand have increased in the country in last 8-9 years”
“In order to make the income of women a means of their empowerment, ‘Mahila Samman Saving Certificate’ scheme has also been started”
“The life force of the country's welfare schemes are social energy and public participation”
“Coarse grains have now been given a new identity - Shri Anna”

जय कृष्णगुरु !

जय कृष्णगुरु !

जय कृष्णगुरु !

जय जयते परम कृष्णगुरु ईश्वर !.

कृष्णगुरू सेवाश्रम में जुटे आप सभी संतों-मनीषियों और भक्तों को मेरा सादर प्रणाम। कृष्णगुरू एकनाम अखंड कीर्तन का ये आयोजन पिछले एक महीने से चल रहा है। मुझे खुशी है कि ज्ञान, सेवा और मानवता की जिस प्राचीन भारतीय परंपरा को कृष्णगुरु जी ने आगे बढ़ाया, वो आज भी निरंतर गतिमान है। गुरूकृष्ण प्रेमानंद प्रभु जी और उनके सहयोग के आशीर्वाद से और कृष्णगुरू के भक्तों के प्रयास से इस आयोजन में वो दिव्यता साफ दिखाई दे रही है। मेरी इच्छा थी कि मैं इस अवसर पर असम आकर आप सबके साथ इस कार्यक्रम में शामिल होऊं! मैंने कृष्णगुरु जी की पावन तपोस्थली पर आने का पहले भी कई बार प्रयास किया है। लेकिन शायद मेरे प्रयासों में कोई कमी रह गई कि चाहकर के भी मैं अब तक वहां नहीं आ पाया। मेरी कामना है कि कृष्णगुरु का आशीर्वाद मुझे ये अवसर दे कि मैं आने वाले समय में वहाँ आकर आप सभी को नमन करूँ, आपके दर्शन करूं।

साथियों,

कृष्णगुरु जी ने विश्व शांति के लिए हर 12 वर्ष में 1 मास के अखंड नामजप और कीर्तन का अनुष्ठान शुरू किया था। हमारे देश में तो 12 वर्ष की अवधि पर इस तरह के आयोजनों की प्राचीन परंपरा रही है। और इन आयोजनों का मुख्य भाव रहा है- कर्तव्य I ये समारोह, व्यक्ति में, समाज में, कर्तव्य बोध को पुनर्जीवित करते थे। इन आयोजनों में पूरे देश के लोग एक साथ एकत्रित होते थे। पिछले 12 वर्षों में जो कुछ भी बीते समय में हुआ है, उसकी समीक्षा होती थी, वर्तमान का मूल्यांकन होता था, और भविष्य की रूपरेखा तय की जाती थी। हर 12 वर्ष पर कुम्भ की परंपरा भी इसका एक सशक्त उदाहरण रहा है। 2019 में ही असम के लोगों ने ब्रह्मपुत्र नदी में पुष्करम समारोह का सफल आयोजन किया था। अब फिर से ब्रह्मपुत्र नदी पर ये आयोजन 12वें साल में ही होगा। तमिलनाडु के कुंभकोणम में महामाहम पर्व भी 12 वर्ष में मनाया जाता है। भगवान बाहुबली का महा-मस्तकाभिषेक ये भी 12 साल पर ही होता है। ये भी संयोग है कि नीलगिरी की पहाड़ियों पर खिलने वाला नील कुरुंजी पुष्प भी हर 12 साल में ही उगता है। 12 वर्ष पर हो रहा कृष्णगुरु एकनाम अखंड कीर्तन भी ऐसी ही सशक्त परंपरा का सृजन कर रहा है। ये कीर्तन, पूर्वोत्तर की विरासत से, यहाँ की आध्यात्मिक चेतना से विश्व को परिचित करा रहा है। मैं आप सभी को इस आयोजन के लिए अनेकों-अनेक शुभकामनाएं देता हूँ।

साथियों,

कृष्णगुरु जी की विलक्षण प्रतिभा, उनका आध्यात्मिक बोध, उनसे जुड़ी हैरान कर देने वाली घटनाएं, हम सभी को निरंतर प्रेरणा देती हैं। उन्होंने हमें सिखाया है कि कोई भी काम, कोई भी व्यक्ति ना छोटा होता है ना बड़ा होता है। बीते 8-9 वर्षों में देश ने इसी भावना से, सबके साथ से सबके विकास के लिए समर्पण भाव से कार्य किया है। आज विकास की दौड़ में जो जितना पीछे है, देश के लिए वो उतनी ही पहली प्राथमिकता है। यानि जो वंचित है, उसे देश आज वरीयता दे रहा है, वंचितों को वरीयता। असम हो, हमारा नॉर्थ ईस्ट हो, वो भी दशकों तक विकास के कनेक्टिविटी से वंचित रहा था। आज देश असम और नॉर्थ ईस्ट के विकास को वरीयता दे रहा है, प्राथमिकता दे रहा है।

इस बार के बजट में भी देश के इन प्रयासों की, और हमारे भविष्य की मजबूत झलक दिखाई दी है। पूर्वोत्तर की इकॉनमी और प्रगति में पर्यटन की एक बड़ी भूमिका है। इस बार के बजट में पर्यटन से जुड़े अवसरों को बढ़ाने के लिए विशेष प्रावधान किए गए हैं। देश में 50 टूरिस्ट डेस्टिनेशन्स को विशेष अभियान चलाकर विकसित किया जाएगा। इनके लिए आधुनिक इनफ्रास्ट्रक्चर बनाया जाएगा, वर्चुअल connectivity को बेहतर किया जाएगा, टूरिस्ट सुविधाओं का भी निर्माण किया जाएगा। पूर्वोत्तर और असम को इन विकास कार्यों का बड़ा लाभ मिलेगा। वैसे आज इस आयोजन में जुटे आप सभी संतों-विद्वानों को मैं एक और जानकारी देना चाहता हूं। आप सबने भी गंगा विलास क्रूज़ के बारे में सुना होगा। गंगा विलास क्रूज़ दुनिया का सबसे लंबा रिवर क्रूज़ है। इस पर बड़ी संख्या में विदेशी पर्यटक भी सफर कर रहे हैं। बनारस से बिहार में पटना, बक्सर, मुंगेर होते हुये ये क्रूज़ बंगाल में कोलकाता से आगे तक की यात्रा करते हुए बांग्लादेश पहुंच चुका है। कुछ समय बाद ये क्रूज असम पहुँचने वाला है। इसमें सवार पर्यटक इन जगहों को नदियों के जरिए विस्तार से जान रहे हैं, वहाँ की संस्कृति को जी रहे हैं। और हम तो जानते है भारत की सांस्कृतिक विरासत की सबसे बड़ी अहमियत, सबसे बड़ा मूल्यवान खजाना हमारे नदी, तटों पर ही है क्योंकि हमारी पूरी संस्कृति की विकास यात्रा नदी, तटों से जुड़ी हुई है। मुझे विश्वास है, असमिया संस्कृति और खूबसूरती भी गंगा विलास के जरिए दुनिया तक एक नए तरीके से पहुंचेगी।

साथियों,

कृष्णगुरु सेवाश्रम, विभिन्न संस्थाओं के जरिए पारंपरिक शिल्प और कौशल से जुड़े लोगों के कल्याण के लिए भी काम करता है। बीते वर्षों में पूर्वोत्तर के पारंपरिक कौशल को नई पहचान देकर ग्लोबल मार्केट में जोड़ने की दिशा में देश ने ऐतिहासिक काम किए हैं। आज असम की आर्ट, असम के लोगों के स्किल, यहाँ के बैम्बू प्रॉडक्ट्स के बारे में पूरे देश और दुनिया में लोग जान रहे हैं, उन्हें पसंद कर रहे हैं। आपको ये भी याद होगा कि पहले बैम्बू को पेड़ों की कैटेगरी में रखकर इसके काटने पर कानूनी रोक लग गई थी। हमने इस कानून को बदला, गुलामी के कालखंड का कानून था। बैम्बू को घास की कैटेगरी में रखकर पारंपरिक रोजगार के लिए सभी रास्ते खोल दिये। अब इस तरह के पारंपरिक कौशल विकास के लिए, इन प्रॉडक्ट्स की क्वालिटी और पहुँच बढ़ाने के लिए बजट में विशेष प्रावधान किया गया है। इस तरह के उत्पादों को पहचान दिलाने के लिए बजट में हर राज्य में यूनिटी मॉल-एकता मॉल बनाने की भी घोषणा इस बजट में की गई है। यानी, असम के किसान, असम के कारीगर, असम के युवा जो प्रॉडक्ट्स बनाएँगे, यूनिटी मॉल-एकता मॉल में उनका विशेष डिस्प्ले होगा ताकि उसकी ज्यादा बिक्री हो सके। यही नहीं, दूसरे राज्यों की राजधानी या बड़े पर्यटन स्थलों में भी जो यूनिटी मॉल बनेंगे, उसमें भी असम के प्रॉडक्ट्स रखे जाएंगे। पर्यटक जब यूनिटी मॉल जाएंगे, तो असम के उत्पादों को भी नया बाजार मिलेगा।

साथियों,

जब असम के शिल्प की बात होती है तो यहाँ के ये 'गोमोशा' का भी ये ‘गोमोशा’ इसका भी ज़िक्र अपने आप हो जाता है। मुझे खुद 'गोमोशा' पहनना बहुत अच्छा लगता है। हर खूबसूरत गोमोशा के पीछे असम की महिलाओं, हमारी माताओं-बहनों की मेहनत होती है। बीते 8-9 वर्षों में देश में गोमोशा को लेकर आकर्षण बढ़ा है, तो उसकी मांग भी बढ़ी है। इस मांग को पूरा करने के लिए बड़ी संख्या में महिला सेल्फ हेल्प ग्रुप्स सामने आए हैं। इन ग्रुप्स में हजारों-लाखों महिलाओं को रोजगार मिल रहा है। अब ये ग्रुप्स और आगे बढ़कर देश की अर्थव्यवस्था की ताकत बनेंगे। इसके लिए इस साल के बजट में विशेष प्रावधान किए गए हैं। महिलाओं की आय उनके सशक्तिकरण का माध्यम बने, इसके लिए 'महिला सम्मान सेविंग सर्टिफिकेट' योजना भी शुरू की गई है। महिलाओं को सेविंग पर विशेष रूप से ज्यादा ब्याज का फायदा मिलेगा। साथ ही, पीएम आवास योजना का बजट भी बढ़ाकर 70 हजार करोड़ रुपए कर दिया गया है, ताकि हर परिवार को जो गरीब है, जिसके पास पक्का घर नहीं है, उसका पक्का घर मिल सके। ये घर भी अधिकांश महिलाओं के ही नाम पर बनाए जाते हैं। उसका मालिकी हक महिलाओं का होता है। इस बजट में ऐसे अनेक प्रावधान हैं, जिनसे असम, नागालैंड, त्रिपुरा, मेघालय जैसे पूर्वोत्तर राज्यों की महिलाओं को व्यापक लाभ होगा, उनके लिए नए अवसर बनेंगे।

साथियों,

कृष्णगुरू कहा करते थे- नित्य भक्ति के कार्यों में विश्वास के साथ अपनी आत्मा की सेवा करें। अपनी आत्मा की सेवा में, समाज की सेवा, समाज के विकास के इस मंत्र में बड़ी शक्ति समाई हुई है। मुझे खुशी है कि कृष्णगुरु सेवाश्रम समाज से जुड़े लगभग हर आयाम में इस मंत्र के साथ काम कर रहा है। आपके द्वारा चलाये जा रहे ये सेवायज्ञ देश की बड़ी ताकत बन रहे हैं। देश के विकास के लिए सरकार अनेकों योजनाएं चलाती है। लेकिन देश की कल्याणकारी योजनाओं की प्राणवायु, समाज की शक्ति और जन भागीदारी ही है। हमने देखा है कि कैसे देश ने स्वच्छ भारत अभियान शुरू किया और फिर जनभागीदारी ने उसे सफल बना दिया। डिजिटल इंडिया अभियान की सफलता के पीछे भी सबसे बड़ी वजह जनभागीदारी ही है। देश को सशक्त करने वाली इस तरह की अनेकों योजनाओं को आगे बढ़ाने में कृष्णगुरु सेवाश्रम की भूमिका बहुत अहम है। जैसे कि सेवाश्रम महिलाओं और युवाओं के लिए कई सामाजिक कार्य करता है। आप बेटी-बचाओ, बेटी-पढ़ाओ और पोषण जैसे अभियानों को आगे बढ़ाने की भी ज़िम्मेदारी ले सकते हैं। 'खेलो इंडिया' और 'फिट इंडिया' जैसे अभियानों से ज्यादा से ज्यादा युवाओं को जोड़ने से सेवाश्रम की प्रेरणा बहुत अहम है। योग हो, आयुर्वेद हो, इनके प्रचार-प्रसार में आपकी और ज्यादा सहभागिता, समाज शक्ति को मजबूत करेगी।

साथियों,

आप जानते हैं कि हमारे यहां पारंपरिक तौर पर हाथ से, किसी औजार की मदद से काम करने वाले कारीगरों को, हुनरमंदों को विश्वकर्मा कहा जाता है। देश ने अब पहली बार इन पारंपरिक कारीगरों के कौशल को बढ़ाने का संकल्प लिया है। इनके लिए पीएम-विश्वकर्मा कौशल सम्मान यानि पीएम विकास योजना शुरू की जा रही है और इस बजट में इसका विस्तार से वर्णन किया गया है। कृष्णगुरु सेवाश्रम, विश्वकर्मा साथियों में इस योजना के प्रति जागरूकता बढ़ाकर भी उनका हित कर सकता है।

साथियों,

2023 में भारत की पहल पर पूरा विश्व मिलेट ईयर भी मना रहा है। मिलेट यानी, मोटे अनाजों को, जिसको हम आमतौर पर मोटा अनाज कहते है नाम अलग-अलग होते है लेकिन मोटा अनाज कहते हैं। मोटे अनाजों को अब एक नई पहचान दी गई है। ये पहचान है- श्री अन्न। यानि अन्न में जो सर्वश्रेष्ठ है, वो हुआ श्री अन्न। कृष्णगुरु सेवाश्रम और सभी धार्मिक संस्थाएं श्री-अन्न के प्रसार में बड़ी भूमिका निभा सकती हैं। आश्रम में जो प्रसाद बँटता है, मेरा आग्रह है कि वो प्रसाद श्री अन्न से बनाया जाए। ऐसे ही, आज़ादी के अमृत महोत्सव में हमारे स्वाधीनता सेनानियों के इतिहास को युवापीढ़ी तक पहुंचाने के लिए अभियान चल रहा है। इस दिशा में सेवाश्रम प्रकाशन द्वारा, असम और पूर्वोत्तर के क्रांतिकारियों के बारे में बहुत कुछ किया जा सकता है। मुझे विश्वास है, 12 वर्षों बाद जब ये अखंड कीर्तन होगा, तो आपके और देश के इन साझा प्रयासों से हम और अधिक सशक्त भारत के दर्शन कर रहे होंगे। और इसी कामना के साथ सभी संतों को प्रणाम करता हूं, सभी पुण्य आत्माओं को प्रणाम करता हूं और आप सभी को एक बार फिर बहुत बहुत शुभकामनाएं देता हूं।

धन्यवाद!