Grateful for the warmth of the Indian diaspora in Kuala Lumpur, Our diaspora continues to serve as a strong bridge between India and Malaysia: PM
Malaysia has the second-largest Indian-origin community in the world, there is so much that connects Indian and Malaysian hearts: PM
I spoke about you in Mann Ki Baat, where I shared with 1.4 billion Indians that over 500 schools in Malaysia teach children in Indian languages: PM
The members of the Tamil diaspora in Malaysia are serving the society in various fields and the Tamil diaspora has been here for many centuries: PM
We are proud to have established the Thiruvalluvar Chair in the University of Malaya. We will now set up a Thiruvalluvar Centre to further strengthen our shared heritage: PM
India’s success is Malaysia’s success, it is Asia’s success, that is why I say the guiding word of our relationship is IMPACT: PM
I encourage more of you, along with your Malay friends, to travel and experience Incredible India, as people-to-people contact is the cornerstone of our friendship: PM
India is seen as a trusted partner for growth, with countries such as the UK, UAE, Australia, New Zealand, Oman, the EU and the USA signing trade deals with India: PM

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি আজ মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে একটি কমিউনিটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন। সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই শুভেচ্ছা প্রকাশের উষ্ণতা আমাদের অভিন্ন সংস্কৃতির সুন্দর বৈচিত্র্যকে প্রতিফলিত করে। তিনি এই কমিউনিটি অনুষ্ঠান উদযাপনে যোগ দেওয়ার জন্য তাঁর প্রিয় বন্ধু মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে ধন্যবাদ জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম তাঁকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে এসেছিলেন এবং নিজের গাড়িতে করে তাঁকে অনুষ্ঠানে নিয়ে এসেছেন। শ্রী মোদি আরও বলেন, “এই বিশেষ আন্তরিক ব্যবহারগুলো ভারত এবং এখানে উপস্থিত জনগণের প্রতি প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাকে প্রতিফলিত করে।”
 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে ৮০০ জনেরও বেশি নৃত্যশিল্পীর নিখুঁত সমন্বয়ে পরিবেশিত একটি রেকর্ড সৃষ্টিকারী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আগামী বহু বছর ধরে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং তিনি সকল শিল্পীকে অভিনন্দন জানান। শ্রী মোদি বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এবং তিনি বন্ধু ছিলেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সংস্কারের প্রতি মনোযোগ, তাঁর অসাধারণ মেধা এবং ২০২৫ সালে আসিয়ানের সফল সভাপতিত্বের প্রশংসা করেন।
গত বছর আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনের জন্য মালয়েশিয়া সফর করতে না পারার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি শীঘ্রই মালয়েশিয়া সফরের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং আজ সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে এটি ২০২৬ সালে তাঁর প্রথম বিদেশ সফর এবং উৎসবের এই সময়ে কমিউনিটির সঙ্গে থাকতে পেরে তিনি আনন্দ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি আশা করেন সবাই সংক্রান্তি, পোঙ্গল এবং থাইপুসাম অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে শিবরাত্রি আসন্ন, এরপর রমজান মাস শুরু হবে এবং তারপর হরি রায়া উদযাপিত হবে, এই উৎসবগুলিতে তিনি সকলের সুখ ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।
শ্রী মোদি বলেন, মালয়েশিয়ায় বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভারতীয় বংশোদ্ভূত সম্প্রদায় রয়েছে এবং তিনি উল্লেখ করেন যে ভারত ও মালয়েশিয়ার হৃদয়কে সংযুক্ত করার মতো অনেক কিছুই রয়েছে। কিছুক্ষণ আগে দেখা একটি প্রদর্শনীর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি এই সংযোগগুলোকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। “ভারতীয় বংশোদ্ভূত সম্প্রদায়টি দুই দেশের মধ্যে একটি জীবন্ত সেতু। সাংস্কৃতিক সংযোগগুলো অভিন্ন ঐতিহ্য ও স্বাদের মধ্যে দেখা যায়, যা রোটি কানাইকে মালাবার পরোটা এবং নারকেল, মশলা ও তেহ তারিকের সঙ্গে সংযুক্ত করে, যা কুয়ালালামপুর এবং কোচি উভয় স্থানেই পরিচিত মনে হয়”, শ্রী মোদি মন্তব্য করেন। শ্রী মোদি বলেন, দুই দেশের মানুষ একে অপরকে ভালোভাবে বোঝেন, সম্ভবত তাঁদের ভাষা এবং মালয় ভাষার মধ্যে প্রচুর সাধারণ শব্দ থাকার কারণে, এবং তিনি শুনেছেন যে মালয়েশিয়ায় ভারতীয় চলচ্চিত্র ও সঙ্গীত বেশ জনপ্রিয়। শ্রী মোদি উল্লেখ করেন যে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম খুব ভালো গান করেন এবং তিনি জেনে খুশি হয়েছেন যে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম কিংবদন্তী এমজিআর-এর তামিল গানও ভালোবাসেন।
 

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে মালয়েশিয়ার ভারতীয় বংশোদ্ভূত সম্প্রদায়ের হৃদয়ে ভারতের জন্য একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। ২০০১ সালের একটি ঘটনার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, যখন তাঁর নিজের  রাজ্য গুজরাটে ভূমিকম্প হয়েছিল, তখন এই সম্প্রদায়ের অনেক সদস্য সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছিলেন এবং তিনি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। শ্রী মোদি জোর দিয়ে বলেন, “মালয়েশিয়ার এই সম্প্রদায়ের হাজার হাজার পূর্বপুরুষ ভারতকে একটি স্বাধীন দেশ গড়ার জন্য মহান আত্মত্যাগ করেছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকেই ভারতকে কখনও দেখেননি, কিন্তু তারা নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর আজাদ হিন্দ ফৌজে যোগদানকারীদের মধ্যে প্রথম সারিতে ছিলেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর সম্মানে মালয়েশিয়ার ভারতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নামকরণ তার নামে করা হয়েছে। তিনি মালয়েশিয়ার নেতাজি সার্ভিস সেন্টার এবং নেতাজি ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রচেষ্টাকেও স্যালুট জানানোর সুযোগ নেন।

প্রধানমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে মালয়েশিয়ার ভারতীয় বংশোদ্ভূত সম্প্রদায় শত শত বছর ধরে তাদের ঐতিহ্য সংরক্ষণ করেছে। তিনি তার 'মন কি বাত' অনুষ্ঠানে এই সম্প্রদায়ের কথা উল্লেখ করার কথা স্মরণ করেন, যেখানে তিনি বলেছিলেন যে মালয়েশিয়ার ৫০০টিরও বেশি স্কুলে শিশুদের ভারতীয় ভাষায় শিক্ষা দেওয়া হয়। শ্রী মোদি উল্লেখ করেন, “তিরুভল্লুভার এবং স্বামী বিবেকানন্দের মতো সাধুদের প্রভাব মালয়েশিয়ায় দৃশ্যমান এবং বাতু গুহায় সাম্প্রতিক থাইপুসাম উদযাপন ঐশ্বরিক ও পালানির উদযাপনের সমতুল্য।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ায় গরবা জনপ্রিয় এবং তিনি আরও বলেন যে ভারত শিখ সম্প্রদায়ের সঙ্গে তার সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে গভীরভাবে লালন করে, যারা শ্রী গুরু নানক দেব জির শিক্ষা প্রচার করে চলেছে।

শ্রী মোদি বলেন যে তামিল ভাষা বিশ্বের জন্য ভারতের একটি উপহার, এবং উল্লেখ করেন যে তামিল সাহিত্য শাশ্বত, তামিল সংস্কৃতি বিশ্বজনীন এবং তামিল জনগণ তাদের প্রতিভার মাধ্যমে মানবতার সেবা করেছে। শ্রী মোদি জোর দিয়ে বলেন, “ভারতের উপরাষ্ট্রপতি থিরু সি.পি. রাধাকৃষ্ণন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডঃ এস. জয়শঙ্কর, অর্থমন্ত্রী শ্রীমতি নির্মলা সীতারামন এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডঃ মুরুগান সকলেই তামিলনাড়ুর।”

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন যে মালয়েশিয়ার তামিল প্রবাসীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমাজের সেবা করছেন এবং উল্লেখ করেন যে তামিল প্রবাসীরা বহু শতাব্দী ধরে মালয়েশিয়ায় বসবাস করছেন। তিনি বলেন, এই ইতিহাস থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ভারত মালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের থিরুভল্লুভার চেয়ার প্রতিষ্ঠা করেছে এবং এখন অভিন্ন ঐতিহ্যকে আরও জোরদার করার জন্য একটি থিরুভল্লুভার কেন্দ্র স্থাপন করবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে ভারত-মালয়েশিয়া সম্পর্ক প্রতি বছর নতুন উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে। ২০২৪ সালে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের নয়াদিল্লি সফরের কথা স্মরণ করে তিনি উল্লেখ করেন যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করা হয়েছে। তিনি বলেন, দুই দেশ এখন অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে অংশীদার হিসেবে হাতে হাত রেখে চলছে এবং একে অপরের সাফল্যকে নিজেদের সাফল্য হিসেবে উদযাপন করছে।
শ্রী মোদি স্মরণ করেন যে চন্দ্রযান-৩-এর ঐতিহাসিক সাফল্যে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের শুভেচ্ছা তাকে মুগ্ধ করেছে এবং তিনি একমত হন যে ভারতের সাফল্য মালয়েশিয়ার সাফল্য এবং এশিয়ার সাফল্য। তিনি বলেন, এই সম্পর্কের মূলমন্ত্র হলো ইমপ্যাক্ট (ইন্ডিয়া মালয়েশিয়া পার্টনারশিপ ফর অ্যাডভান্সিং কালেক্টিভ ট্র্যান্সফরমেশন)—অর্থাৎ সম্মিলিত রূপান্তরের জন্য ভারত-মালয়েশিয়া অংশীদারিত্ব—যা উভয় দেশের সম্পর্কের গতি, উচ্চাকাঙ্ক্ষার পরিধি এবং জনগণের জন্য এর উন্নত পরিষেবার ওপর আলোকপাত করে। তিনি আরও বলেন যে উভয় দেশ সমগ্র মানবজাতির উপকারে আসতে পারে।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় কোম্পানিগুলো সবসময় মালয়েশিয়ার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ছিল এবং মালয়েশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার বৃহত্তম ইনসুলিন উৎপাদন কেন্দ্র তৈরিতে ভারতের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। শ্রী মোদি বলেন, "১০০টিরও বেশি ভারতীয় আইটি কোম্পানি মালয়েশিয়ায় কাজ করছে, যা হাজার হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে এবং মালয়েশিয়া-ভারত ডিজিটাল কাউন্সিল ডিজিটাল সহযোগিতার জন্য নতুন পথ খুলে দিচ্ছে।" তিনি আরও ঘোষণা করেন যে ভারতের ইউপিআই ব্যবস্থা শীঘ্রই মালয়েশিয়ায় চালু হবে।
শ্রী মোদি বলেন, ভারত ও মালয়েশিয়া ভারত মহাসাগরের একই নীল জলরাশি শেয়ার করে এবং তিনি সবাইকে ভারতের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানান। শ্রী মোদি উল্লেখ করেন, "পরিকাঠামো উন্নয়নে ভারতে অভূতপূর্ব অগ্রগতি হয়েছে, এক দশকে বিমানবন্দরের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে, রেকর্ড গতিতে মহাসড়ক নির্মিত হচ্ছে এবং বন্দে ভারত-এর মতো আধুনিক ট্রেনের জন্য ভারত আন্তর্জাতিক প্রশংসা অর্জন করেছে।" তিনি মালয়েশিয়ার বন্ধুদের বেশি করে ভারতে ভ্রমণ করতে এবং অতুলনীয় ভারত ভ্রমণের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই ধরনের যোগাযোগই দুই দেশের বন্ধুত্বের ভিত্তিপ্রস্তর।
 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত এক দশকে ভারত একটি বিশাল রূপান্তরের মধ্য দিয়ে গেছে। শ্রী মোদি বলেন, " বিশ্বের একাদশতম বৃহত্তম অর্থনীতি থেকে এগিয়ে ভারত এখন শীর্ষ ৩-এ পৌঁছোনোর দ্বারপ্রান্তে,আর বিশ্বের দ্রুততম উন্নয়নশীল প্রধান অর্থনীতির দেশ।" তিনি উল্লেখ করেন যে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ একটি চারাগাছ থেকে বিকশিত হয়ে আজ ভারতকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল প্রস্তুতকারক দেশে পরিণত করেছে, এবং ২০১৪ সাল থেকে ভারতে প্রতিরক্ষা রপ্তানি প্রায় ৩০ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। শ্রী মোদি জোর দিয়ে বলেন, “ভারত আজ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্টার্টআপ হাবে পরিণত হয়েছে এবং বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার ও ফিনটেক ইকোসিস্টেম গড়ে তুলেছে, যেখানে বিশ্বের প্রায় অর্ধেক রিয়েল-টাইম ডিজিটাল লেনদেন ইউপিআই-এর মাধ্যমে হচ্ছে। ভারতের পরিচ্ছন্ন ও সবুজ প্রবৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এক দশকে সৌরশক্তির উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৪০ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতকে এখন আর শুধু একটি বিশাল বাজার হিসেবে দেখা হয় না, বরং বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের কেন্দ্র এবং উন্নয়নের জন্য একটি বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে দেখা হয়। তিনি আরও বলেন যে, ভারত ইতিমধ্যেই যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ওমান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করেছে এবং এই বিশ্বাসই ভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রায় পরিণত হয়েছে।
 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত সর্বদা তার প্রবাসী ভারতীয়দের খোলা মনে আলিঙ্গন করবে। তিনি ভারতীয় বংশোদ্ভূত মালয়েশীয় নাগরিকদের ষষ্ঠ প্রজন্ম পর্যন্ত ওসিআই কার্ডের যোগ্যতা সম্প্রসারণের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরেন। শ্রী মোদি ইন্ডিয়ান স্কলারশিপস ট্রাস্ট ফান্ডের মাধ্যমে ভারতের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং শিক্ষার্থীদের ভারতে পড়াশোনার জন্য আসন্ন থিরুভল্লুভার স্কলারশিপের ঘোষণা দেন। তিনি ‘নো ইন্ডিয়া প্রোগ্রাম’ (‘ভারতকে জানুন’ কর্মসূচি) এবং মালয়েশিয়ায় শীঘ্রই চালু হতে যাওয়া ভারতের নতুন কনস্যুলেটের কথাও উল্লেখ করেন, যা উভয় দেশের সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে।
 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৪০ কোটি বিলিয়ন ভারতীয় ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্য নিয়েছেন এবং প্রবাসী ভারতীয় সম্প্রদায় এই উন্নয়ন- যাত্রায় একটি মূল্যবান অংশীদার। শ্রী মোদি উপসংহারে বলেন, “ কেউ কুয়ালালামপুরে জন্মগ্রহণ করুক কিম্বা কলকাতায়, ভারত  প্রবাসী ভারতীয়দের হৃদয়ে বাস করে, যারা মালয়েশিয়া ও ভারতের অগ্রগতির সক্রিয় অংশ এবং একটি সমৃদ্ধ মালয়েশিয়া ও বিকশিত ভারত গঠনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাঁরা অংশগ্রহণ করবে।”

 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Follower to leader: India's AI application shifts reshape tech landscape

Media Coverage

Follower to leader: India's AI application shifts reshape tech landscape
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
PM to visit Uttarakhand and UP on 14 April
April 13, 2026
PM to inaugurate Delhi–Dehradun Economic Corridor
Corridor to reduce travel time between Delhi and Dehradun from over 6 hours to around 2.5 hours
Corridor has been designed with several features aimed at significantly reducing man-animal conflict
Project include a 12 km long wildlife elevated corridor which is one of the longest in Asia
PM to also visit and undertake review of the Wildlife Corridor

Prime Minister Shri Narendra Modi, will visit Uttarakhand and Uttar Pradesh on 14 April 2026. At around 11:15 AM, the Prime Minister will visit Saharanpur in Uttar Pradesh to undertake a review of the Wildlife Corridor on the elevated section of the Delhi-Dehradun Economic Corridor. At around 11:40 AM, the Prime Minister will perform Darshan and Pooja at Jai Maa Daat Kali Temple near Dehradun. Thereafter, at around 12:30 PM, Prime Minister will inaugurate the Delhi-Dehradun Economic Corridor at a public function in Dehradun and will also address the gathering on the occasion.

The 213 km long six-lane access-controlled Delhi-Dehradun Economic Corridor has been developed at a cost of over ₹12,000 crore. The corridor traverses through the states of Delhi, Uttar Pradesh and Uttarakhand, and will reduce travel time between Delhi and Dehradun from over six hours at present to around two and a half hours.

Implementation of the project also includes the construction of 10 interchanges, three Railway Over Bridges (ROBs), four major bridges and 12 wayside amenities to enable seamless high-speed connectivity. The corridor is equipped with an Advanced Traffic Management System (ATMS) to provide a safer and more efficient travel experience for commuters.

Keeping in view the ecological sensitivity, rich biodiversity and wildlife in the region, the corridor has been designed with several features aimed at significantly reducing man-animal conflict. To ensure the free movement of wild animals, the project incorporates several dedicated wildlife protection features. These include a 12 km long wildlife elevated corridor, which is one of the longest in Asia. The corridor also includes eight animal passes, two elephant underpasses of 200 metres each, and a 370 metre long tunnel near the Daat Kali temple.

The Delhi-Dehradun Economic Corridor will play a pivotal role in strengthening regional economic growth by enhancing connectivity between major tourism and economic centres as well as opening new avenues for trade and development across the region. The project reflects the vision of the Prime Minister to develop next-generation infrastructure that combines high-speed connectivity with environmental sustainability and improved quality of life for citizens.