আজ নতুন ভারত তার খেলোয়াড়দের পদক জয়ের থেকেও সেরা খেলা প্রত্যাশা করে : প্রধানমন্ত্রী
আমাদের গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলিতে অনেক প্রতিভা রয়েছে আর প্যারা অ্যাথলিটদের এই দলটি তারই আদর্শ উদাহরণ : প্রধানমন্ত্রী
আজ দেশ খেলোয়াড়দের কাছে পৌঁছাতে চাইছে, গ্রামাঞ্চলের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
স্থানীয় স্তরে প্রতিভা অন্বেষণের জন্য খেলো ইন্ডিয়া কেন্দ্রের সংখ্যা ৩০৭ থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার করা হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
আগের প্রজন্মের শঙ্কা দূর করে প্রচলিত ব্যবস্থাকে উন্নত করতে হবে এবং ভারতে ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
দেশ খোলা মনে তার ক্রীড়াবিদদের সাহায্য করছে : প্রধানমন্ত্রী
আপনি যে রাজ্য বা অঞ্চলেরই বাসিন্দা হোন না কেন, যে ভাষায় আপনি কথা বলুন না কেন আজ আপনি টিম ইন্ডিয়াতে রয়েছেন। আমাদের সমাজের প্রত্যেক স্তরে এই ভাবনাকে ছড়িয়ে দিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
আগে ভিন্নভাবে সক্ষমদের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিকে কল্যাণ মূলক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হত, কিন্ত আজ দেশ একে দায়বদ্ধতা হিসেবে বিবেচনা করে : প্রধানমন্ত্রী
দেশজুড়ে দ্য রাইট ফর পার্সনস উইথ ডিজএবিলিটিজ অ্যাক্টের মতো আ

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ টোকিও প্যারা অলিম্পিক্স গেমস-এর ভারতীয় প্যারা অ্যাথলিট, তাঁদের পরিবারের সদস্য, অভিভাবক-অভিভাবিকা এবং কোচদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মতবিনিময় করেছেন। অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী শ্রী অনুরাগ সিং ঠাকুর উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী প্যারা অ্যাথলিটদের আত্মপ্রত্যয় ও ইচ্ছাশক্তির প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এইসব খেলোয়াড়দের কঠোর পরিশ্রমের জন্যই এবার প্যারা অলিম্পিক্স গেমস-এ ভারত সবথেকে বড় দল পাঠাচ্ছে। তিনি খেলোয়াড়দের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর সাফল্যের বিষয়ে অত্যন্ত আশাবাদী। ভারত টোকিও ২০২০ প্যারা অলিম্পিক্স গেমস-এ নতুন ইতিহাস রচনা করবে বলে তিনি আশাবাদী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের নতুন ভারত খেলোয়াড়দের পদক জয়ের ওপর চাপ দেয়না। কিন্তু খেলোয়াড়রা যাতে সবথেকে ভালো খেলেন দেশ সেটিই প্রত্যাশা করে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত অলিম্পিক্স প্রতিযোগিতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, খেলোয়াড়রা জিতলেন না হারলেন সেদিকে গুরুত্ব দেওয়া হয় নি। কিন্তু দেশ সবসময় তাঁদের পাশেই ছিল।

প্রধানমন্ত্রী খেলার জগতে শারীরিক সক্ষমতার পাশাপাশি মনের জোরের ওপরও গুরুত্ব দেন। পরিস্থিতির মোকাবিলা করে প্যারা অ্যাথলিটদের সামনে এগিয়ে চলার মানসিকতার তিনি প্রশংসা করেন। খেলাধুলার বেশি সুযোগ না পাওয়া, নতুন জায়গা, নতুন মানুষদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক আঙিনায় খেলার অভিজ্ঞতা না থাকায় এইসব খেলোয়াড়দের যাতে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে সমস্যা না হয়, তার জন্য ক্রীড়া মনস্তত্ত্ব সংক্রান্ত তিনটি কর্মশালা এবং সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের গ্রাম এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে যে অনেক প্রতিভা রয়েছে, প্যারা অ্যাথলিটদের এই দলটি তার আর্দশ উদাহরণ। আমাদের সব সময় যুব সম্প্রদায়ের কথা ভাবতে হবে এবং তারা যাতে সব ধরণের সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ পায় সেটি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, অনেক তরুণ খেলোয়াড়ের পদক জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। আজ দেশ তাদের কাছে পৌঁছাতে চাইছে। এর জন্য গ্রামাঞ্চলের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শ্রী মোদী জানান, স্থানীয় স্তরে প্রতিভার অন্বেষণের জন্য ৩৬০টি খেলো ইন্ডিয়া কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আগামীদিনে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে এক হাজার। বিভিন্ন খেলার সরঞ্জাম, খেলার মাঠ সহ পরিকাঠামো এখন গড়ে তোলা হচ্ছে যাতে খেলোয়াড়রা এগুলির সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন। সরকার খোলা মনে এর জন্য তাঁদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। ‘টার্গেট অলিম্পিক্স পোডিয়াম স্কিম’-এর মাধ্যমে খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে দেশ সাহায্য করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শীর্ষে পৌঁছাতে চাইলে আমাদের ভয় ত্যাগ করতে হবে। আমাদের আগের প্রজন্ম এ বিষয়ে আশঙ্কায় ভুগত। এখন সব শঙ্কা দূর করে কোনো পরিবারের সন্তান যদি খেলাধুলায় উৎসাহী থাকে তাহলে তাকে উৎসাহ দিতে হবে। শ্রী মোদী বলেন, দেশে ক্রীড়া সংস্কৃতির আরও উন্নয়ন ঘটাতে হবে।নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে খেলাধুলাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি মণিপুরের ইম্ফলে ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার কথা বলেন। আন্তর্জাতিক স্তরে আমাদের দেশীয় খেলাগুলিকে পরিচিত করাতে হবে। খেলো ইন্ডিয়া অভিযান সেই লক্ষ্যপূরণের একটি পদক্ষেপ।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, খেলোয়াড়রা যে খেলা খেলুন না কেন ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’ মানসিকতায় তাদের এগিয়ে যেতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আপনি যে রাজ্য বা অঞ্চলেরই বাসিন্দা হোন না কেন, যে ভাষায় আপনি কথা বলুন না কেন আজ আপনি টিম ইন্ডিয়াতে রয়েছেন। আমাদের সমাজের প্রত্যেক স্তরে এই ভাবনাকে ছড়িয়ে দিতে হবে’।

শ্রী মোদী বলেছেন, আগে ভিন্নভাবে সক্ষমদের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিকে কল্যাণ মূলক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হত, কিন্ত আজ দেশ এই বিষয়টিকে দায়বদ্ধতা হিসেবে বিবেচনা করে। আর তাই ভিন্নভাবে সক্ষমদের সর্বাঙ্গীন নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য সংসদে দ্য রাইট ফর পারসন্স উইথ ডিজএবিলিটিজ অ্যাক্টের মতো আইন কার্যকর করা হয়েছে। নতুন ভাবনার আর একটি উদাহরণ হল সুগম্য ভারত অভিযান। আজ শত শত সরকারি ভবন, রেল স্টেশন, ট্রেনের কোচ, বিমান বন্দর সহ অন্যান্য পরিকাঠামো এমনভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে যাতে ভিন্নভাবে সক্ষমদের সুবিধা হয়। ভারতীয় সাইন ল্যাঙ্গুয়েজের একটি প্রামাণ্য অভিধান তৈরি করা হচ্ছে। এনসিইআরটি সাইন ল্যাঙ্গুয়েজে অনুবাদ করায় বহু প্রতিভার জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এসেছে এবং তাদের মনের বল বেড়েছে।

টোকিওতে দেশের হয়ে ৯টি ক্রীড়া বিভাগে ৫৪ জন প্যারা অ্যাথলিট প্রতিনিধিত্ব করছেন। প্যারা অলিম্পিক্স গেমস-এ এই প্রথম ভারতের এতো বেশি খেলোয়াড় অংশ নিচ্ছেন।

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Engineering goods exports up 10.4% in January,2026, crosses $100 billion mark in April-January Period of FY26

Media Coverage

Engineering goods exports up 10.4% in January,2026, crosses $100 billion mark in April-January Period of FY26
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Eminent Malayali Litterateurs Meet PM to Express Gratitude for Renaming State to Keralam
February 27, 2026

A group of eminent Malayali litterateurs called upon the Prime Minister today to express their gratitude regarding the renaming of Kerala to Keralam.

The Prime Minister stated that he was very happy to receive the eminent Malayali litterateurs and noted that the interaction was extremely insightful. The Prime Minister, further highlighted that, the meeting reflected the litterateurs' passionate commitment to Keralam and the Malayalam .

Prime Minister shared on x;

Very happy to receive a group of eminent Malayali litterateurs who came to express their gratitude for renaming Kerala to Keralam.

The interaction was extremely insightful and it reflected their passionate commitment to Keralam and Malayalam.